Tag: AI cooperation

  • Sanae Takaichi in India: রাষ্ট্রপতি ভবনে জাঁকজমকপূর্ণ অভ্যর্থনা, মোদির সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক জাপানের প্রধানমন্ত্রীর

    Sanae Takaichi in India: রাষ্ট্রপতি ভবনে জাঁকজমকপূর্ণ অভ্যর্থনা, মোদির সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক জাপানের প্রধানমন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচির ভারত সফর ঘিরে আরও একবার উষ্ণ হল নয়াদিল্লি-টোকিও সম্পর্ক। বৃহস্পতিবার রাষ্ট্রপতি ভবনে তাঁকে আনুষ্ঠানিক গার্ড অব অনার দিয়ে স্বাগত জানানো হয়। সেখানে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি নিজের মন্ত্রিসভার সদস্য ও অন্যান্য বিশিষ্ট ব্যক্তিদের সঙ্গে জাপানের প্রধানমন্ত্রীকে পরিচয় করিয়ে দেন। এই সফরকে ভারত-জাপান কৌশলগত সম্পর্কের আরও এক গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় হিসেবে দেখা হচ্ছে। ভারত সফরে এসে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছে জাপানও। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স-এ জাপান সরকারের ক্যাবিনেট পাবলিক রিলেশনস অফিসার লিখেছেন, “উষ্ণ অভ্যর্থনার জন্য আন্তরিক ধন্যবাদ। ভারত সফর নিয়ে আমরা অত্যন্ত উৎসাহিত।”

    কী বললেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি?

    প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এক্স-এ সানায়ে তাকাইচিকে স্বাগত জানিয়ে লেখেন, “ভারতে আপনাকে আন্তরিক স্বাগত, প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচি।” তিনি জানান, এই সফরে দ্বিপাক্ষিক ও আঞ্চলিক নানা গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে আলোচনা হবে এবং ভারত-জাপান ‘স্পেশাল স্ট্র্যাটেজিক অ্যান্ড গ্লোবাল পার্টনারশিপ’-কে আরও শক্তিশালী করার লক্ষ্যেই দুই দেশের মধ্যে উচ্চপর্যায়ের বৈঠক অনুষ্ঠিত হচ্ছে। পাশাপাশি, মুক্ত, উন্মুক্ত ও অন্তর্ভুক্তিমূলক ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে শান্তি ও সমৃদ্ধি নিশ্চিত করার বিষয়েও দুই নেতা মতবিনিময় করবেন।

    তিন দিনের সরকারি সফরে জাপানের প্রধানমন্ত্রী

    বুধবার তিন দিনের সরকারি সফরে নয়াদিল্লিতে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচি। পালাম বিমানবন্দরে তাঁকে স্বাগত জানান কেন্দ্রীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জিতেন্দ্র সিং। এই সফরে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে বসবেন তাকাইচি। বৈঠকে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI), সেমিকন্ডাক্টর, পরিচ্ছন্ন জ্বালানি, বাণিজ্য, বিনিয়োগ, প্রতিরক্ষা, উন্নত প্রযুক্তি-সহ একাধিক গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রে সহযোগিতা বাড়ানোর বিষয়টি আলোচনায় থাকবে বলে জানা গেছে। এছাড়া ভারত-জাপান যৌথ অর্থনৈতিক ফোরামেও অংশ নিচ্ছেন ১০০-রও বেশি জাপানি শিল্পপতি ও ব্যবসায়ী। এই ফোরামের লক্ষ্য দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য, বিনিয়োগ এবং অর্থনৈতিক সহযোগিতা আরও সম্প্রসারিত করা।

    বাণিজ্য, প্রতিরক্ষা ও বিনিয়োগে জোর

    দুই দেশের শীর্ষ নেতৃত্ব চলমান দ্বিপাক্ষিক প্রকল্পগুলির অগ্রগতি পর্যালোচনা করবেন। একই সঙ্গে নতুন বিনিয়োগের সুযোগ, ব্যবসায়িক অংশীদারিত্ব এবং অর্থনৈতিক সহযোগিতা আরও বাড়ানোর রূপরেখা নিয়ে আলোচনা হবে। প্রতিরক্ষা ও নিরাপত্তা সহযোগিতাও বৈঠকের অন্যতম প্রধান বিষয়। বিশেষ করে সামুদ্রিক নিরাপত্তা, ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলের স্থিতিশীলতা, অবকাঠামো উন্নয়ন, সরবরাহ শৃঙ্খলের (Supply Chain) স্থিতিস্থাপকতা, উদীয়মান প্রযুক্তি এবং জনগণের মধ্যে যোগাযোগ বাড়ানোর বিষয়গুলিও আলোচনায় গুরুত্ব পাবে।

    আরও মজবুত হবে ভারত-জাপান সম্পর্ক

    ভারত ও জাপানের মধ্যে দীর্ঘদিনের স্পেশাল স্ট্র্যাটেজিক অ্যান্ড গ্লোবাল পার্টনারশিপ গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ, আইনের শাসন এবং মুক্ত ইন্দো-প্যাসিফিকের অভিন্ন দৃষ্টিভঙ্গির উপর ভিত্তি করে গড়ে উঠেছে। ভারতের অন্যতম বৃহৎ বিদেশি বিনিয়োগকারী দেশ হিসেবে জাপান ইতিমধ্যেই বুলেট ট্রেন প্রকল্প, অবকাঠামো নির্মাণ, শিল্পোন্নয়ন-সহ একাধিক ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। পাশাপাশি যৌথ সামরিক মহড়া এবং নিয়মিত কৌশলগত সংলাপের মাধ্যমে প্রতিরক্ষা সহযোগিতাও ধারাবাহিকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচির এই সফর ভারত-জাপান সম্পর্ককে নতুন গতি দেবে এবং বাণিজ্য, প্রযুক্তি, প্রতিরক্ষা ও আঞ্চলিক নিরাপত্তার মতো গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রে দুই দেশের সহযোগিতা আরও গভীর করবে।

  • Trump: জি-৭ শীর্ষ সম্মেলনে যোগ দেবেন প্রধানমন্ত্রী, মুখোমুখি বৈঠক হওয়ার কথা ট্রাম্পের সঙ্গেও

    Trump: জি-৭ শীর্ষ সম্মেলনে যোগ দেবেন প্রধানমন্ত্রী, মুখোমুখি বৈঠক হওয়ার কথা ট্রাম্পের সঙ্গেও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফ্রান্সে আয়োজিত জি-৭ সম্মেলনে যোগ দেবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এই সম্মেলনের ফাঁকে আগামী ১৭ জুন দ্বিপাক্ষিক বৈঠক হওয়ার কথা মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প (Trump) ও ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির। হোয়াইট হাউসের এক প্রবীণ কর্তার দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, জি-৭ নেতৃবৃন্দ, আমন্ত্রিত অংশীদার দেশ এবং প্রযুক্তি সংস্থার শীর্ষ কর্তাদের সঙ্গে যৌথ মধ্যাহ্নভোজে যোগ দেওয়ার আগে বৈঠকে (PM Modi) বসবেন মোদি-ট্রাম্প।

    মোদি-ট্রাম্প বৈঠক (Trump)

    এই বৈঠকে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি, সরবরাহ শৃঙ্খলের স্থিতিশীলতা, বিনিয়োগ অংশীদারিত্ব, এআই (AI) এবং বৈশ্বিক নিরাপত্তা সংক্রান্ত বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে আলোচনা হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। ভারত-মার্কিন বাণিজ্যিক সম্পর্ক, জ্বালানি সহযোগিতা, এইচ-ওয়ান বি (H-1B) ভিসা নীতি, আঞ্চলিক নিরাপত্তা এবং পশ্চিম এশিয়ার বর্তমান পরিস্থিতি নিয়েও আলোচনা হতে পারে। গত বছরের ‘অপারেশন সিঁদুরে’র পর এই প্রথম দ্বিপাক্ষিক বৈঠক হতে চলেছে মোদি-ট্রাম্পের মধ্যে। তাই সাম্প্রতিক কূটনৈতিক টানাপোড়েনের প্রেক্ষাপটে এই বৈঠক বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ বলেই ধারণা আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশেষজ্ঞদের।

    জি-৭ শীর্ষ সম্মেলন

    সোমবার ওয়াশিংটন থেকে রওনা হয়ে ফ্রান্সে যাবেন ট্রাম্প (Trump)। জি-৭ সম্মেলনের পাশাপাশি ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রঁ-সহ বিভিন্ন বিশ্বনেতার সঙ্গে বৈঠক করবেন তিনি। এদিকে, ইতিমধ্যেই স্লোভাকিয়ার উদ্দেশে রওনা দিয়েছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী। সেখান থেকে ফের ১৬ জুন ফ্রান্সে পৌঁছনোর কথা তাঁর। ১৫ থেকে ১৭ জুন ফ্রান্সের এভিয়াঁ-লে-ব্যাঁ শহরে অনুষ্ঠিত হবে জি-৭ শীর্ষ সম্মেলন। ফরাসি প্রেসিডেন্টের আমন্ত্রণে এই সম্মেলনে যোগ দেবেন প্রধানমন্ত্রী। এটি হবে জি-৭ সম্মেলনে তাঁর টানা সপ্তমবার অংশগ্রহণ, যেখানে ভারত ‘গ্লোবাল সাউথে’র অন্যতম প্রধান কণ্ঠস্বর হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।

    আন্তর্জাতিক মহলের নজর

    হোয়াইট হাউস জানিয়েছে, এবারের জি-৭ সম্মেলনে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনৈতিক ও কৌশলগত অগ্রাধিকারগুলিকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার ওপর জোর দেওয়া হবে (PM Modi)। বিশেষ করে গুরুত্বপূর্ণ খনিজ সম্পদ, সাপ্লাই চেন নিরাপত্তা, অবৈধ অভিবাসন মোকাবিলা এবং এআইয়ের ক্ষেত্রে উদ্ভাবন নিয়ে আলোচনা হবে। যদিও ট্রাম্প-মোদি বৈঠকের বিস্তারিত কর্মসূচি এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হয়নি, তবুও এই বৈঠকের দিকেই তাকিয়ে আন্তর্জাতিক মহল (Trump)।

     

  • India South Korea: ভারতের সঙ্গে এআই-সহ ১৫টি ক্ষেত্রে চুক্তি স্বাক্ষর করল দক্ষিণ কোরিয়া

    India South Korea: ভারতের সঙ্গে এআই-সহ ১৫টি ক্ষেত্রে চুক্তি স্বাক্ষর করল দক্ষিণ কোরিয়া

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বর্তমানে ভারত সফরে রয়েছেন দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট লি জেই মাইয়াং (India South Korea)। সোমবার তিনি জানান, দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য ২০৩০ সালের মধ্যে ৫০ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে উন্নীত করার লক্ষ্যমাত্রা ধার্য করা হয়েছে। তিনি অর্থনৈতিক সম্পর্ক আরও জোরদার করার জন্য একটি রূপরেখাও তুলে ধরেন।

    ১৫টি চুক্তিতে স্বাক্ষর (India South Korea)

    ভারত ও দক্ষিণ কোরিয়া মোট ১৫টি চুক্তিতে স্বাক্ষর করেছে। বাণিজ্য, বিনিয়োগ, জাহাজ নির্মাণ এবং এআই (AI)-সহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতা বাড়ানোর লক্ষ্যেই স্বাক্ষরিত হয়েছে এই চুক্তিগুলি। অর্থনৈতিক সহযোগিতার জন্য মন্ত্রিস্তরের একটি শিল্প সহযোগিতা কমিটিও গঠন করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে যৌথ সংবাদ সম্মেলনে দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট বলেন, “বর্তমানে বার্ষিক ২৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের বাণিজ্যকে আমরা ২০৩০ সালের মধ্যে প্রায় ৫০ বিলিয়ন ডলারে নিয়ে যেতে চাই।” দুই দেশের মধ্যে ক্রমবর্ধমান সম্পর্কের ওপর জোর দিয়ে তিনি বলেন, “এখন এই বিশেষ কৌশলগত অংশীদারিত্ব নতুন এক দশকে প্রবেশ করছে।” দুই নেতা বিভিন্ন খাতে সহযোগিতা বাড়ানো এবং আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক বিষয় নিয়েও আলোচনা করেছেন।

    ভারত ‘গ্লোবাল সাউথে’র নেতা

    দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট ভারতকে ‘গ্লোবাল সাউথে’র নেতা হিসেবে বর্ণনা করেন (India South Korea)। “বিকশিত ভারত ২০৪৭” ভিশনের অধীনে দেশের দ্রুত উন্নয়নের প্রশংসাও করেন তিনি। অভ্যর্থনার জন্য ভারতকে কৃতজ্ঞতা জানিয়ে তিনি বলেন, “আমায় এবং আমার প্রতিনিধিদলকে যে উষ্ণ আতিথেয়তা দেওয়া হয়েছে, তার জন্য আমি আন্তরিক ধন্যবাদ জানাই (India South Korea)।” প্রেসিডেন্ট বলেন, “ভারত বিশ্বের বৃহত্তম গণতন্ত্র এবং দ্রুততম বর্ধনশীল অর্থনীতিগুলির একটি দেশ। আট বছর পর এই প্রথম রাষ্ট্রীয় সফরে আসতে পেরে আমি অত্যন্ত আনন্দিত।”

    প্রেসিডেন্টের বক্তব্য

    তিনি বলেন, “আমরা একটি শিল্প সহযোগিতা কমিটি গঠন করব, যা আমাদের দুই দেশের মধ্যে অর্থনৈতিক সহযোগিতার প্রথম মন্ত্রিস্তরের প্ল্যাটফর্ম হবে।” এই কমিটি বাণিজ্য, বিনিয়োগ এবং গুরুত্বপূর্ণ খাতে সম্পর্ক শক্তিশালী করার ওপর জোর দেবে (India South Korea)। প্রেসিডেন্ট লি এও বলেন, “আমরা গুরুত্বপূর্ণ খাত যেমন— গুরুত্বপূর্ণ খনিজ, পারমাণবিক শক্তি এবং ক্লিয়ার এনার্জিতে সহযোগিতা বাড়াব।” এই খাতগুলি দীর্ঘমেয়াদী অর্থনৈতিক নিরাপত্তা ও মজবুত উন্নয়নের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বিশ্বব্যাপী অনিশ্চয়তা, বিশেষ করে মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতির প্রেক্ষিতে জ্বালানি নিরাপত্তাও আলোচনায় গুরুত্ব পেয়েছে। তিনি বলেন, “আমরা জ্বালানি সম্পদ ও ন্যাফথার মতো গুরুত্বপূর্ণ পণ্যের সরবরাহ স্থিতিশীল রাখতে সহযোগিতা অব্যাহত রাখব।”

    প্রেসিডেন্ট বলেন, “আমরা সিইপিএ (CEPA) চুক্তি আপগ্রেড করার আলোচনা দ্রুত এগিয়ে নিয়ে যেতে রাজি হয়েছি, যাতে বাণিজ্য ও বিনিয়োগের জন্য আরও অনুকূল পরিবেশ তৈরি হয় (India South Korea)।” ছোট ও মাঝারি ব্যবসার সহায়তাও একটি গুরুত্বপূর্ণ (India South Korea) দিক। তিনি বলেন, “আমরা এসএমই খাতে সহযোগিতার জন্য এমওইউ সংশোধন করব।” বক্তৃতার একেবারে শেষে তিনি আবারও বলেন, “এই সব প্রচেষ্টার মাধ্যমে আমরা ২০৩০ সালের মধ্যে বাণিজ্য ৫০ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে উন্নীত করতে চাই (India South Korea)।”

     

LinkedIn
Share