Tag: AI Impact Summit

  • Youth Congress: এআই সম্মেলনে শার্টবিহীন বিক্ষোভ, গ্রেফতার যুব কংগ্রেসের জাতীয় সভাপতি

    Youth Congress: এআই সম্মেলনে শার্টবিহীন বিক্ষোভ, গ্রেফতার যুব কংগ্রেসের জাতীয় সভাপতি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: যুব কংগ্রেসের (Youth Congress) জাতীয় সভাপতি উদয় ভানু চিবকে গ্রেফতার করল দিল্লি পুলিশ। মঙ্গলবার ভোরে ধরা হয় তাঁকে। উল্লেখ্য, সম্প্রতি অনুষ্ঠিত এআই ইমপ্যাক্ট সামিটে (AI Summit) প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধে স্লোগান দেওয়া এবং শার্টবিহীন বিক্ষোভের ঘটনায় এটি অষ্টম গ্রেফতার।

    কাকভোরে গ্রেফতার কংগ্রেস নেতা (Youth Congress) 

    সূত্রের খবর, প্রায় ২০ ঘণ্টা জিজ্ঞাসাবাদের পর যুব কংগ্রেস প্রধানকে গ্রেফতার করা হয়। পুলিশের অভিযোগ, তিনি তদন্তে সহযোগিতা করছিলেন না। তাঁর বিরুদ্ধে ফৌজদারি ষড়যন্ত্র, কর্তব্যরত সরকারি কর্মীকে স্বেচ্ছায় আঘাত করা, সরকারি কাজে বাধা দেওয়া এবং ইচ্ছাকৃত অবাধ্যতার অভিযোগ আনা হয়েছে। কংগ্রেস সাংসদ শশীকান্ত সেন্টিলের দাবি, ভোর সাড়ে ৪টা নাগাদ দিল্লি পুলিশ উদয় ভানুকে তুলে নিয়ে যায় এবং প্রায় ২০ ঘণ্টা হেফাজতে রাখে। সূত্রের খবর, উদয় ওই পরিকল্পনায় যুক্ত ছিলেন, এমন প্রমাণ মিলেছে। দীর্ঘ সময় ধরে জিজ্ঞাসাবাদের প্রয়োজন রয়েছে। তাই তাঁকে হেফাজতে নিয়ে জেরা করা দরকার বলে পুলিশ সূত্রের খবর। তাছাড়া পুলিশ একে সাধারণ বিক্ষোভ হিসেবে দেখছে না, বরং এআই ইমপ্যাক্ট সামিটে ((AI Summit)) বিশ্বনেতাদের (Youth Congress) সামনে ইচ্ছাকৃতভাবে ভারতের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ করার চেষ্টা হয়েছে কি না, সেই দিকটিও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

    দিল্লি পুলিশের ক্রাইম ব্রাঞ্চে হস্তান্তর

    এই মামলাটি দিল্লি পুলিশের ক্রাইম ব্রাঞ্চে হস্তান্তর করা হয়েছে। ক্রাইম ব্রাঞ্চের ইন্টার-স্টেট সেল (ISC) পরবর্তী তদন্ত করবে। ইতিমধ্যেই গ্রেফতার হওয়া সাতজনেরই যুব কংগ্রেসের সঙ্গে যোগ রয়েছে। উদয় ভানুকে তাঁদের (AI Summit) সবার মুখোমুখি করা হবে বলে সূত্রের খবর। সূত্রের বক্তব্য, অন্য অভিযুক্তদের সঙ্গে মুখোমুখি জেরা না করা পর্যন্ত পরিকল্পনা কোথায়, কখন এবং কীভাবে হয়েছে, তা স্পষ্ট হবে না। দিল্লি পুলিশ সকাল ১০টায় পাটিয়ালা হাউস কোর্টে উদয় ভানুকে হাজির করে এবং তাঁকে মূলচক্রী আখ্যা দিয়ে সাত দিনের পুলিশি হেফাজত চায়। পুলিশ আদালতে জানায়, দেশের বিভিন্ন প্রান্তের লোকজন এতে জড়িত এবং তদন্তের জন্য অভিযুক্তকে একাধিক জায়গায় নিয়ে যেতে হবে (Youth Congress)।

    এআই সামিট

    পুলিশ আরও জানায়, এআই সামিটে বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন এবং বিভিন্ন রাজ্য থেকে বিক্ষোভকারীরা জড়ো হয়েছিল (AI Summit)। অন্যদিকে, উদয় ভানুর আইনজীবীর দাবি, তিনি ইন্ডিয়ান যুব কংগ্রেসের জাতীয় সভাপতি হলেও বিক্ষোভস্থলে উপস্থিত ছিলেন না এবং বিক্ষোভ সংক্রান্ত কোনও নির্দেশও দেননি। আইনজীবী আদালতে বলেন, “তিনি কারও সঙ্গে যোগাযোগ করেননি, কোনও নির্দেশও দেননি।” তাঁর বক্তব্য, আন্তর্জাতিক অনুষ্ঠানে বিক্ষোভ হওয়া অস্বাভাবিক নয়। ওই আইনজীবী বলেন, “ভারত একটি গণতান্ত্রিক দেশ। এখানে প্রতিবাদ করার অধিকার রয়েছে, এটা বিশ্ববাসীও স্বীকার করে (Youth Congress)।” এর আগে দিল্লি পুলিশ বৃহত্তর ষড়যন্ত্রের আশঙ্কা প্রকাশ করে জানায়, নেপালের ‘জেন জি’ আন্দোলন থেকে অনুপ্রেরণা নেওয়া হয়েছে—যে আন্দোলন সম্প্রতি সেখানকার সরকার পতনে ভূমিকা রেখেছে (AI Summit)।

    বড় ষড়যন্ত্র

    পুলিশ আদালতে জানায়, “এটি একটি বড় ষড়যন্ত্র। অভিযুক্তদের একে অপরের মুখোমুখি এবং ডিজিটাল প্রমাণের সঙ্গে মিলিয়ে জেরা করা জরুরি। এটি একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ তদন্ত।” দিল্লি পুলিশের বিশেষ নজরে আসে সামিটে পরা টি-শার্টগুলির মুদ্রণ খরচ কে বহন করেছে। টি-শার্টে লেখা ছিল—“পিএম ইজ কম্প্রোমাইজড”, “ইন্ডিয়া ইউএস ট্রেড ডিল”, এবং “এপস্টেইন ফাইলস”। যুব কংগ্রেস প্রধানের গ্রেফতারের পর কেন্দ্রীয় মন্ত্রী গিরিরাজ সিং রাহুল গান্ধীকে ‘মানসিকভাবে অস্থির’ বলে কটাক্ষ করেন। বলেন, “লোকসভায় বিরোধী দলনেতা হয়তো এবার অন্তর্বাস পরেই সংসদে আসবেন (Youth Congress)।” গ্রেফতারি নিয়ে কংগ্রেস নেতা পবন খেরা বলেন, “শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভ করায় যদি সমস্যা হয়, তা লজ্জাজনক (AI Summit)।”

    এর আগে শার্টবিহীন বিক্ষোভ ঘিরে রাজনৈতিক বাকযুদ্ধ শুরু হয়। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বলেন, “কংগ্রেস ইতিমধ্যেই নগ্ন’। রাহুল গান্ধী একে অহিংস, গণতান্ত্রিক কর্মসূচি এবং ‘গণতন্ত্রের ভিত্তি’ বলে বর্ণনা করেন।” মিরাটে এক জনসভায় মোদি বলেন, “ভারতের একটি বৈশ্বিক অনুষ্ঠানকে কংগ্রেস তাদের নোংরা ও নগ্ন রাজনীতির মঞ্চে পরিণত করেছে। বিদেশি অতিথিদের সামনে তারা নগ্ন হয়ে হাজির হয়েছিল। দেশ জানে (AI Summit) আপনারা নগ্ন, তাহলে পোশাক খোলার প্রয়োজন কী ছিল (Youth Congress)?”

     

  • Delhi Impact Summit: এআই ইমপ্যাক্ট সামিট ঘোষণাপত্রে সই করেছে ৮৬টি দেশ, জানালেন বৈষ্ণব

    Delhi Impact Summit: এআই ইমপ্যাক্ট সামিট ঘোষণাপত্রে সই করেছে ৮৬টি দেশ, জানালেন বৈষ্ণব

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এআই ইমপ্যাক্ট সামিট (Delhi Impact Summit) ঘোষণাপত্রে স্বাক্ষর করেছে মোট ৮৬টি দেশ। শনিবার এ কথা জানান তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব। তাঁর মতে, এটি এআই বিষয়ে (AI Declaration) ভারতের মানবকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গির প্রতি একটি বড় কূটনৈতিক ও প্রযুক্তিগত সমর্থন। নয়াদিল্লিতে অনুষ্ঠিত ইন্ডিয়া এআই ইমপ্যাক্ট সামিটের সমাপ্তি অনুষ্ঠান। সেই অনুষ্ঠানেই ঘোষণাপত্রটি আনুষ্ঠানিকভাবে গৃহীত হয়। এতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, ব্রিটেন, কানাডা, চিন, ডেনমার্ক এবং জার্মানি-সহ বিশ্বের প্রধান শক্তিধর দেশগুলি অংশগ্রহণ করেছে।

    অশ্বিনী বৈষ্ণব (Delhi Impact Summit)

    সাংবাদিকদের উদ্দেশে বৈষ্ণব বলেন, “স্বাক্ষরকারী দেশগুলি সর্বজনের কল্যাণ ও সর্বজনের সুখ নীতিকে সমর্থন করেছে, যা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সম্পদকে গণতান্ত্রিক করার ভাবনার সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ।” তিনি বলেন, “প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর মানবকেন্দ্রিক এআই দৃষ্টিভঙ্গিকে স্বীকৃতি দিয়েছে বিশ্ব। এআইয়ের পরিকাঠামো, পরিষেবা ও প্রযুক্তি যেন সমাজের (Delhi Impact Summit) প্রত্যেক মানুষের কাছে পৌঁছয়—এই ধারণা সকলেই গ্রহণ করেছে।” মন্ত্রী বলেন, “এই ঘোষণাপত্রে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির পাশাপাশি নিরাপত্তা, আস্থা এবং সামাজিক সম্প্রীতিকে এআই উন্নয়নের কেন্দ্রে রাখা হয়েছে।” তিনি বলেন, “শুধু অর্থনৈতিক বৃদ্ধি নয়, সামাজিক সম্প্রীতিকেও গুরুত্ব দিতে হবে। নিরাপত্তা ও আস্থা কেন্দ্রে রয়েছে।” দেশগুলি একটি নিরাপদ, নির্ভরযোগ্য ও শক্তিশালী এআই কাঠামো গড়ে তোলার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। উদ্ভাবন (innovation) এবং মানবসম্পদ উন্নয়নকে অগ্রাধিকার ক্ষেত্র হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে এবং দেশগুলি এই (AI Declaration) ক্ষেত্রগুলিতে পারস্পরিক সহযোগিতায় সম্মত হয়েছে (Delhi Impact Summit)।

    বিপুল বিনিয়োগের প্রতিশ্রুতি

    সম্মেলনে এআই পরিকাঠামোর জন্য ২৫০ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের বেশি বিনিয়োগের প্রতিশ্রুতিও মিলেছে। পাশাপাশি প্রায় ২০ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের ভেঞ্চার ক্যাপিটাল ও ডিপ-টেক বিনিয়োগের আশ্বাস মিলেছে। বৈষ্ণব এই সম্মেলনকে অভূতপূর্ব সাফল্য বলে বর্ণনা করেন।সম্মেলনের প্রদর্শনী অংশে পাঁচ লাখেরও বেশি দর্শক অংশ নেন এবং বিশ্বব্যাপী বিশেষজ্ঞ ও স্টার্টআপগুলির সঙ্গে মতামত বিনিময় করেন। তিনি বলেন, “বিশ্বের প্রায় সব বড় এআই সংস্থাই উল্লেখযোগ্য সংখ্যায় অংশ নিয়েছে। বহু স্টার্টআপ তাদের কাজ প্রদর্শনের সুযোগ পেয়েছে। সামগ্রিকভাবে আলোচনা ছিল অসাধারণ মানের (Delhi Impact Summit)।” দিল্লিতে এই সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন গুগলের সিইও সুন্দর পিচাই, ওপেনএআই-এর প্রধান স্যাম অল্টম্যান, মাইক্রোসফটের ভাইস চেয়ার ব্র্যাড স্মিথ এবং অ্যানথ্রপিকের সিইও ডারিও আমোদেই-সহ বিশ্বের প্রযুক্তি নেতারা। আলোচনার বিষয় ছিল (AI Declaration) এআই শাসনব্যবস্থা, নিরাপত্তা, কৃত্রিম সাধারণ বুদ্ধিমত্তা (AGI) এবং ভবিষ্যতের কর্মসংস্থান। বৈষ্ণব বলেন, “আন্তর্জাতিক অংশগ্রহণের ব্যাপকতা প্রমাণ করে যে এআই শাসন ও পরিকাঠামো উন্নয়নের পরবর্তী ধাপ নির্ধারণে ভারতের নেতৃত্বের ওপর আস্থা রয়েছে বিশ্বের (Delhi Impact Summit)।

     

  • Congress Protest: এআই সামিটে কংগ্রেসের বিক্ষোভ “বৃহত্তর ষড়যন্ত্র”-এর অংশ, বলল দিল্লি পুলিশ

    Congress Protest: এআই সামিটে কংগ্রেসের বিক্ষোভ “বৃহত্তর ষড়যন্ত্র”-এর অংশ, বলল দিল্লি পুলিশ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজধানীতে অনুষ্ঠিত কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) শীর্ষ সম্মেলনে ভারতীয় যুব কংগ্রেসের সদস্যদের বিক্ষোভের ঘটনাকে “বৃহত্তর ষড়যন্ত্র”-এর অংশ বলে দাবি করেছে দিল্লি পুলিশ। আদালতে পেশ করা বক্তব্যে পুলিশ জানায়, এই প্রতিবাদ নেপালের তথাকথিত ‘জেন জি আন্দোলন’ থেকে অনুপ্রাণিত। এই ঘটনায় অভিযুক্ত কংগ্রেস কর্মীদের ৫ দিনের পুলিশ হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছে আদালত। যা সেখানে সরকার পতনের কারণ হয়েছিল বলে তদন্তকারীদের দাবি।

    নেপালের জেন জি আন্দোলন থেকে অনুপ্রেরণা

    পুলিশের আইনজীবী আদালতে বলেন, “এটি একটি বৃহত্তর ষড়যন্ত্র। নেপালের জেন জি আন্দোলন থেকে অনুপ্রেরণা নেওয়া হয়েছে। অভিযুক্তদের একে অপরের সঙ্গে এবং ডিজিটাল প্রমাণের সঙ্গে মুখোমুখি জেরা করা প্রয়োজন। এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ তদন্ত।” পুলিশ আরও জানায়, বিক্ষোভের অর্থায়ন সম্পর্কেও তদন্ত চলছে। ঘটনায় প্রায় ১০ জন যুব কংগ্রেস কর্মী এআই সম্মেলনের ভেন্যুতে ঢুকে শার্ট খুলে বিক্ষোভ দেখান এবং ভারত-আমেরিকা বাণিজ্য চুক্তি ইস্যুতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বিরুদ্ধে স্লোগান তোলেন। বিক্ষোভকারীরা সাদা টি-শার্টে প্রধানমন্ত্রী মোদি এবং মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ছবি ও সরকারের বিরুদ্ধে নানা স্লোগান প্রদর্শন করেন। নিরাপত্তারক্ষীরা দ্রুত হস্তক্ষেপ করে তাঁদের আটক করে। পরে সম্মেলন বিঘ্নিত করার অভিযোগে তাঁদের গ্রেফতার করা হয়।

    “দেশবিরোধী” আখ্যা দিয়ে কংগ্রেসের সমালোচনা

    ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক মহলে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। বিজেপি নেতারা বিক্ষোভকে “দেশবিরোধী” আখ্যা দিয়ে কংগ্রেসের সমালোচনা করেছেন। বিজেপি নেতা নিতিন নবীন অভিযোগ করেন, “আমরা প্রায়ই ‘আরবান নকশালবাদ’ শব্দটি ব্যবহার করি। আগে কিছু দল এতে প্রভাবিত ছিল, এখন তারা পুরোপুরি এর অংশ হয়ে গিয়েছে।” তিনি আরও বলেন, “যখন বিশ্বমঞ্চে ভারতের আলোচনা হচ্ছে, তখন এ ধরনের লজ্জাজনক কাজ দেশের অগ্রগতিকে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে।” দিল্লি থেকে মুম্বই—বিভিন্ন শহরে কংগ্রেসের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ কর্মসূচি নেয় বিজেপি। মুম্বইয়ে রাহুল গান্ধীকে কালো পতাকা দেখান বিজেপি কর্মীরা।

    রাহুল গান্ধীকে কালো পতাকা প্রদর্শন

    শনিবার সকালে রাহুল গান্ধী মুম্বই বিমানবন্দরে পৌঁছন। সেখান থেকে তিনি সড়কপথে ঠানে জেলার ভিওয়ান্ডিতে একটি ২০১৪ সালের মানহানির মামলায় আদালতে হাজিরা দিতে যান। বিমানবন্দর চত্বরে বিজেপি সমর্থকেরা কালো পতাকা দেখিয়ে বিক্ষোভ প্রদর্শন করেন। রাজধানী দিল্লিতেও একই চিত্র দেখা যায়। বিজেপি-র নেতা-কর্মীরা আকবর রোডে কংগ্রেসের দফতরের সামনে জমায়েত হয়ে বিক্ষোভ দেখান। দিল্লি বিজেপি সভাপতি বিরেন্দ্র সচদেবা এবং লোকসভা সাংসদ মনোজ তিওয়ারি যুব কংগ্রেসের ওই প্রতিবাদকে “দেশদ্রোহী” কর্মকাণ্ড বলে কটাক্ষ করেন। তাঁদের অভিযোগ, এই ধরনের পদক্ষেপ আন্তর্জাতিক মঞ্চে দেশের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ করে।

  • AI Impact Summit: এআই সামিটে জামা খুলে প্রতিবাদ কংগ্রেসের! বিশ্বের দরবারে দেশকে ছোট করার চেষ্টা, বলল বিজেপি

    AI Impact Summit: এআই সামিটে জামা খুলে প্রতিবাদ কংগ্রেসের! বিশ্বের দরবারে দেশকে ছোট করার চেষ্টা, বলল বিজেপি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দিল্লিতে আয়োজিত আন্তর্জাতিক এআই সম্মেলনে (AI Impact Summit) অদ্ভুত আচরণ চার কংগ্রেস যুব নেতার। নিরাপত্তাবাহিনীর নজর এড়িয়ে মঞ্চের সামনে দাঁড়িয়ে মোদি ও সরকার বিরোধী স্লোগান দিতে দেখা গেল যুব কংগ্রেস নেতা-কর্মীদের। শুক্রবার এই ঘটনায় ৪-৫ জনকে গ্রেফতার করেছে দিল্লি পুলিশ। জানা যাচ্ছে, কংগ্রেসের ১০ জন সদস্য এই প্রতিবাদ কর্মসূচিতে অংশ নেয়। গোটা ঘটনায় কংগ্রেসের বিরুদ্ধে সরব হয়েছে বিজেপি।

    কীভাবে বিক্ষোভ কংগ্রেসের

    দিল্লি পুলিশের তরফে জানা গিয়েছে, শুক্রবার কিউআর-কোড যুক্ত পাশ ব্যবহার করে এই সম্মেলনে (Delhi AI Summit) প্রবেশ করেছিল অভিযুক্তরা। এরপর সকলের অলক্ষে মঞ্চের সামনে গিয়ে নিজেদের জামা খুলে প্রতিবাদ দেখাতে থাকে ১০ প্রতিবাদী। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বিরুদ্ধে স্লোগান দেওয়া হয়। সঙ্গে সঙ্গে পদক্ষেপ করা হয় পুলিশের তরফে। ঘটনায় ৪ থেকে ৫ জনকে আটক করে থানায় নিয়ে যাওয়া হয়েছে বলে খবর। অভিযুক্তরা নিজেদের যুব কংগ্রেসের সদস্য বলে জানিয়েছেন। পুলিশের তরফে জানানো হয়েছে, অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে কড়া আইনি পদক্ষেপ করা হবে। যাদের গ্রেফতার করা হয়েছে তাঁদের মধ্যে রয়েছেন আইওয়াইসি-র জাতীয় সম্পাদক কৃষ্ণ হরি, বিহার প্রদেশ সম্পাদক কুন্দন যাদব, উত্তরপ্রদেশের সহ-সভাপতি অজয় কুমার এবং জাতীয় সমন্বয়ক নরসিংহ যাদব। দিল্লি পুলিশের অতিরিক্ত সিপি দেবেশ কুমার মহলা জানান, বাকি অভিযুক্তদের চিহ্নিত করার কাজ চলছে।

    সামিটের কার্যক্রম ব্যাহত

    এই ঘটনায় কয়েক মিনিটের জন্য সামিটের (AI Impact Summit) কার্যক্রম ব্যাহত হয়। উপস্থিত দেশ-বিদেশের প্রতিনিধিরা ও শীর্ষ কর্পোরেট কর্তারাও হতচকিত হয়ে পড়েন। প্রত্যক্ষদর্শীদের অভিযোগ, বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে কিছু দর্শকের বচসা এবং হাতাহাতিও হয়। যুব কংগ্রেসের দাবি, সম্প্রতি ঘোষিত ভারত-আমেরিকা শুল্ক চুক্তির প্রতিবাদে এই কর্মসূচি নেওয়া হয়। তাঁদের অভিযোগ, ওই চুক্তি দেশের স্বার্থবিরোধী এবং স্বচ্ছতার অভাব রয়েছে। আইওয়াইসি-র জাতীয় সভাপতি উদয় ভানু চিব বলেন, “আমাদের দেশে গণতন্ত্র আছে। আমরা শান্তিপূর্ণভাবে যে কোনও জায়গায় প্রতিবাদ করতে পারি।”

    দেশের ভাবমূর্তি নষ্ট করার উদ্দেশ্য

    বিজেপি এই ঘটনার তীব্র ভাষায় নিন্দা করে জানিয়েছে, আন্তর্জাতিক মঞ্চে দেশের ভাবমূর্তি নষ্ট করার উদ্দেশ্যেই এই বিক্ষোভ করা হয়েছে। তাদের দাবি, ভারতের ক্রমবর্ধমান এআই অগ্রগতিতে ঈর্ষান্বিত হয়েই কংগ্রেস এই ধরনের কর্মকাণ্ডে নেমেছে। বিজেপির আইটি সেলের প্রধান অমিত মালব্য এক্স হ্যান্ডেলে লেখেন, ‘ভারত গর্বের সঙ্গে আন্তর্জাতিক এআই সম্মেলনের (AI Impact Summit) আয়োজন করেছে দেশে। সেখানে প্রযুক্তি ক্ষেত্রে উদ্ভাবন ও ভারতের কৃতিত্ব প্রদর্শিত হচ্ছে। এহেন একটি পদক্ষেপকে সম্মান জানানোর পরিবর্তে কংগ্রেস সেখানে সমস্যা তৈরি করতে উঠেপড়ে লেগেছে।’ পাশাপাশি রাহুল গান্ধীকে তোপ দেগে তিনি আরও লেখেন, ‘রাহুল গান্ধীর নেতৃত্বে কংগ্রেস কর্মীরা জামা খুলে প্রতিবাদের নামে এই অনুষ্ঠানে ব্যাঘাত ঘটাতে নেমে পড়েছেন। এই ঘটনা আসলে বিশ্বমঞ্চে ভারতকে দুর্নাম করার অপচেষ্টা।’ মালব্যের আরও অভিযোগ, ‘প্রযুক্তিক্ষেত্রে শক্তিশালী দেশ হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করতে কোমর বেঁধে নেমেছে ভারত। সেখানে কংগ্রেসের এই আচরণ তাঁদের জন্য আনন্দের যারা ভারতের পতন দেখতে মুখিয়ে রয়েছে। রাজনৈতিক প্রতিবাদ অবশ্যই গণতান্ত্রিক অধিকার, কিন্তু তার অর্থ বিশ্বমঞ্চে ভারতের ভাবমূর্তি নষ্ট করা নয়। ভারত ভালো কিছু প্রত্যাশা করে।’

  • PM Modi: কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তায় চাই মানবকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি, বিশ্বকে পথ দেখাবে ভারতের ‘মানব’, কীভাবে? বোঝালেন মোদি

    PM Modi: কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তায় চাই মানবকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি, বিশ্বকে পথ দেখাবে ভারতের ‘মানব’, কীভাবে? বোঝালেন মোদি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এআই ইমপ্যাক্ট সামিটে ‘মানব’ কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার জন্য ভারতের মানবকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি ব্যাখ্যা করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। আজ, বৃহস্পতিবার নয়াদিল্লিতে আয়োজিত অনুষ্ঠানে যোগ দেন তিনি। প্রধানমন্ত্রী এই কাঠামোকে বৈশ্বিক এআই শাসনব্যবস্থা ও উন্নয়ন নিয়ে ভারতের অবস্থানের কেন্দ্রবিন্দুতে ঠাঁই দেন (Manav Vision)। দায়িত্বশীল এআই গঠনে ভারতের অবদানের উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “এই কাঠামো নিশ্চিত করবে যে প্রযুক্তির বিকাশ হবে শক্তিশালী নৈতিক সুরক্ষা, অন্তর্ভুক্তিমূলক প্রবেশাধিকার এবং জবাবদিহিমূলক শাসনব্যবস্থার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে।”

    মানব (PM Modi)

    উদ্যোগটির পরিচয় করিয়ে দিয়ে তিনি বলেন, “আজ আমি উপস্থাপন করছি এমএএনএভি (মানব)— এআইয়ের জন্য মানব দৃষ্টিভঙ্গি।” সংক্ষিপ্ত রূপটির ব্যাখ্যা করে প্রধানমন্ত্রী চারটি স্তম্ভ তুলে ধরেন। তিনি বলেন, “এম ফর মরাল অ্যান্ড এথিক্যাল সিস্টেমস”, “এ ফর অ্যাকাউন্টেবল গভর্নেন্স”, “এন ফর ন্যাশনাল সভারেনিটি”, “এ ফর অ্যাক্সিসেবল অ্যান্ড ইনক্লুসিভ সিস্টেমস” এবং “ভি ফর ভ্যালিড অ্যান্ড লেজিটিমেট ফ্রেমওয়ার্ক।” এই সামিটের উদ্বোধনী ভাষণে প্রধানমন্ত্রী একে একটি ঐতিহাসিক বৈশ্বিক অনুষ্ঠান হিসেবে বর্ণনা করেন। প্রযুক্তি পরিমণ্ডলে ভারতের ক্রমবর্ধমান প্রভাবের ওপরও জোর দেন তিনি (PM Modi)। প্রধানমন্ত্রী বলেন, “বিশ্বের বৃহত্তম এআই ইমপ্যাক্ট সামিটে আপনাদের স্বাগত। এই সম্মেলন মানবজাতির এক-ষষ্ঠাংশের প্রতিনিধিত্বকারী ভারতের প্রতিফলন (Manav Vision)।”

    বৃহৎ প্রযুক্তি দক্ষতার ভান্ডার

    দেশের বিপুল জনসংখ্যা ও ডিজিটাল অগ্রগতির কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, “ভারতে রয়েছে বিশ্বের বৃহত্তম যুব জনসংখ্যা এবং অন্যতম বৃহৎ প্রযুক্তি দক্ষতার ভান্ডার, যা এআই উদ্ভাবনের জন্য দেশটিকে স্বাভাবিক কেন্দ্র হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে।” এই সম্মেলনে ১০০-রও বেশি দেশের নেতা ও প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, “এটি গ্লোবাল সাউথের জন্য গর্বের বিষয় এবং প্রযুক্তির ভবিষ্যৎ নির্ধারণে উদীয়মান অর্থনীতিগুলির ক্রমবর্ধমান ভূমিকাকে প্রতিফলিত করে (PM Modi)।” তিনি তরুণ উদ্ভাবকদের ভূমিকারও উল্লেখ করেন। বলেন, “বিশ্বের যুবসমাজ দ্রুত ও আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে এআই গ্রহণ করছে এবং এর দায়িত্ব নিজেদের হাতে নিচ্ছে।” কৃষি, নিরাপত্তা, জনসেবা ও বহুভাষিক যোগাযোগে এআইয়ের প্রয়োগকে তিনি এর বিস্তৃত প্রভাবের উদাহরণ হিসেবে তুলে ধরেন (Manav Vision)।

    প্রযুক্তিগত বিপ্লব

    এআই-কে মানব ইতিহাসের এক রূপান্তরমূলক মুহূর্ত হিসেবে ব্যাখ্যা করে মোদি একে অতীতের সেই সব প্রযুক্তিগত বিপ্লবের সঙ্গে তুলনা করেন, যেগুলি সভ্যতার গতিপথ বদলে দিয়েছিল। তিনি বলেন, “মানব ইতিহাসে কিছু সন্ধিক্ষণ উন্নয়নের দিকনির্দেশনা পুনর্নির্ধারণ করে। এই ধরনের উদ্ভাবনের পূর্ণ প্রভাব অনেক সময় পরে বোঝা যায়।” প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আজ আমরা যে প্রভাব দেখছি, তা কেবল শুরু। এবার গতি আরও দ্রুত এবং ব্যাপ্তি নজিরবিহীন (PM Modi)।” তিনি বলেন, “এআই যেমন যন্ত্রকে আরও বুদ্ধিমান করছে, তেমনি মানব-ক্ষমতাও বাড়িয়ে দিচ্ছে। তবে মূল প্রশ্ন হল, মানবজাতি এই প্রযুক্তিকে কীভাবে ব্যবহার করবে।” প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আসল প্রশ্ন এটি নয় যে ভবিষ্যতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা কী করতে পারবে। প্রশ্ন হল, আমরা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা দিয়ে কী করতে চাই (Manav Vision)।”

    এআই-ও এক রূপান্তরমূলক শক্তি

    রূপান্তরমূলক প্রযুক্তি সুযোগের পাশাপাশি ঝুঁকিও বয়ে আনে এআই। এ কথার উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী পারমাণবিক শক্তির উদাহরণ টানেন। তিনি বলেন, “আমরা পারমাণবিক প্রযুক্তির ধ্বংসাত্মক দিকও দেখেছি, আবার মানবকল্যাণে তার অবদানও দেখেছি। এআই-ও এক রূপান্তরমূলক শক্তি।” তিনি বলেন, “প্রযুক্তিকে যন্ত্রকেন্দ্রিক নয়, মানবকেন্দ্রিক রাখতে হবে (PM Modi)।” ভারতের এআই দর্শনের ভিত্তি কল্যাণ ও অন্তর্ভুক্তির ওপর প্রতিষ্ঠিত, এ কথার উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “মানুষ যেন কেবল একটি ডেটা পয়েন্ট বা কাঁচামালে পরিণত না হয়।” এআইয়ের গণতন্ত্রীকরণের মাধ্যমে একে ক্ষমতায়নের হাতিয়ার হিসেবে গড়ে তোলার আহ্বানও জানান তিনি। উদাহরণ দিয়ে তিনি বলেন, “জিপিএস আমাদের পথ দেখায়, কিন্তু দিক আমরা নিজেরাই বেছে নিই।” সব শেষে তিনি বলেন, “ভারতের ‘মানব’ ভিশন একবিংশ শতাব্দীতে এআইয়ের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ (Manav Vision) ভিত্তি হয়ে উঠবে।” এভাবে দায়িত্বশীল কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ভবিষ্যৎ নির্ধারণে নেতৃত্ব দেওয়ায় ভারতের (PM Modi) আকাঙ্ক্ষার ইঙ্গিতও দেন প্রধানমন্ত্রী।

  • Indian Army Used AI: প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখায় সক্রিয় চিন! আগাম জানতে অরুণাচলে এআই-এর সাহায্য নিচ্ছে ভারতীয় সেনা

    Indian Army Used AI: প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখায় সক্রিয় চিন! আগাম জানতে অরুণাচলে এআই-এর সাহায্য নিচ্ছে ভারতীয় সেনা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অরুণাচল প্রদেশে প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখা বরাবর চিন কি সক্রিয় হচ্ছে? অনুপ্রবেশের চেষ্টা করছে লাল ফৌজ? কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (Indian Army Used AI) সাহায্যে তা আগাম জেনে সতর্ক হচ্ছে ভারতীয় সেনা। শুধু তা-ই নয়, প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখা বরাবর চিন সেনার অতি সক্রিয়তাকেও কৃত্রিম বুদ্ধমত্তার সাহায্যে রুখে দেওয়া হয়েছে। দিল্লিতে অনুষ্ঠিত এআই ইমপ্যাক্ট সামিট ২০২৬-এর মঞ্চে এমনই দাবি করলেন স্ট্যাটেজিক ফোর্সেস কমান্ড-এর কমান্ডার-ইন-চিফ লেফটেন্যান্ট জেনারেল দীনেশ সিং রানা। জানালেন, আধুনিক যুদ্ধ, কৌশলগত নীতি এবং জাতীয় নিরাপত্তা পরিকল্পনায় এআই এখন বড় পরিবর্তন আনছে।

    অরুণাচলে এআই–এর সফল প্রয়োগ

    বর্তমানে যুদ্ধক্ষেত্রে এবং প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। শুধু তা-ই নয়, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা সামরিক এবং প্রতিরক্ষা দুনিয়ার ধরনও বদলে দিতে পারে আগামী দিনে। এমনটাই মনে করা হচ্ছে। প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে এআই যে বড় ভূমিকা নিতে চলেছে, অরুণাচলে প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখায় কীভাবে এআই-কে কাজে লাগাচ্ছে ভারতীয় সেনা তা জানালেন লেফটেন্যান্ট জেনারেল। তিনি জানিয়েছেন, খুব কম খরচে এবং স্থানীয় ভাবে তৈরি এআই ব্যবস্থাকে অরুণাচলে প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখায় কাজে লাগানো হয়েছিল। সেই ব্যবস্থাই ভারতীয় সেনাকে সতর্ক করে দেয় যে, চিনা ফৌজ প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখায় অতি সক্রিয়। নতুন সামরিক ঘাঁটি বানানোর কাজ শুরু করেছে তারা। লেফটেন্যান্ট জেনারেলের দাবি, চিনা ফৌজের এই অতিসক্রিয়তা সম্পর্কে আগাম জানতে পারায় ভারতীয় সেনার পক্ষেও পদক্ষেপ করতে অনেক সুবিধা হচ্ছে। যার জেরে আগাম রণকৌশল ঠিক করা, সেনা হতাহতের বিষয়টিও এড়ানো সম্ভব হচ্ছে। লেফটেন্যান্ট জেনারেল দীনেশ সিং বলেন, “আমরা এআই সিস্টেমের মাধ্যমে বুঝতে পারি যে কিছু একটা বড় প্রস্তুতি চলছে। শেষ পর্যন্ত আমরা তাদের পদক্ষেপের সময়ও অনুমান করতে পেরেছিলাম।”

    চলমান “এআই রেস”

    রাশিয়া এবং ইউক্রেনের যুদ্ধ প্রসঙ্গও টেনে এনেছেন লেফটেন্যান্ট জেনারেল। সেখানে কী ভাবে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ব্যবহার হয়েছে, সে কথাও উল্লেখ করেছেন। তবে ভারতের প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে আগামী দিনে এআই যে একটা বড় ভূমিকা নিতে চলেছে, সেই ইঙ্গিতও দিয়েছেন লেফটেন্যান্ট জেনারেল। লেফটেন্যান্ট জেনারেল রানা বলেন, এআই আর ভবিষ্যতের ধারণা নয়, বরং বৈশ্বিক শক্তির ভারসাম্যে এটি এখন কেন্দ্রীয় উপাদান। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্র ও চিনের বাড়তি বিনিয়োগের প্রসঙ্গ তুলে তিনি একে চলমান “এআই রেস” বলে অভিহিত করেন।

    কৃত্রিম সুপারইন্টেলিজেন্সের ঝুঁকি

    নির্দিষ্ট বা সীমিত এআই থেকে কৃত্রিম সুপারইন্টেলিজেন্স (ASI)–এ উত্তরণের সম্ভাবনা নিয়ে সতর্কবার্তাও দেন তিনি। তাঁর মতে, উন্নত এআই প্রযুক্তি যেমন সুযোগ সৃষ্টি করবে, তেমনি অপব্যবহারের ঝুঁকিও বাড়াবে। তিনি বলেন, পারমাণবিক অস্ত্রের মতো এআই–ও কৌশলগত প্রতিরোধের হাতিয়ার হয়ে উঠতে পারে। তবে ডিজিটাল প্রকৃতির কারণে এর বিস্তার নিয়ন্ত্রণ করা পারমাণবিক প্রযুক্তির তুলনায় অনেক কঠিন হবে। তিনি ভারতের জন্য একটি সমন্বিত এআই নিরাপত্তা নীতি প্রণয়নের আহ্বান জানান। এৎ ফলে অর্থনীতি, সাইবার, মহাকাশ ও সামরিক খাতে এআই সমন্বিত তথ্যের ব্যবহার সুবিধাজনক হবে।

  • AI Impact Summit: সোমে শুরু এআই ইমপ্যাক্ট সামিট ২০২৬, জানুন বিশদে

    AI Impact Summit: সোমে শুরু এআই ইমপ্যাক্ট সামিট ২০২৬, জানুন বিশদে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারত ১৬–২০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখে এআই ইমপ্যাক্ট সামিট ২০২৬ (AI Impact Summit)- এর আয়োজন করতে চলেছে। এই সম্মেলনে বিশ্বের ২০টি দেশের রাষ্ট্রনেতারা নয়াদিল্লিতে সমবেত হবেন। ভারত এই সম্মেলনের সহ-সভাপতি এবং “পিপল, প্ল্যানেট অ্যান্ড প্রোগ্রেস” (মানুষ, পৃথিবী ও অগ্রগতি) এই মূল (Global Tech Drive) প্রতিপাদ্য বিষয়কে সামনে রেখে সম্মেলন পরিচালনার লক্ষ্য নিয়েছে।

    ভারতে আয়োজিত সম্মেলনের ব্যাপ্তি (AI Impact Summit)

    এশিয়া, আফ্রিকা ও ইউরোপের বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধিরা এই সম্মেলনে অংশ নেবেন। দায়িত্বশীল প্রযুক্তিগত বিপ্লবের লক্ষ্যে এই আন্তঃমহাদেশীয় সমাবেশ ভারতের আয়োজিত সম্মেলনের ব্যাপ্তি, গুরুত্ব ও গভীরতাকেই প্রতিফলিত করে। বিদেশমন্ত্রকের সরকারি বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, “পিপল, প্ল্যানেট অ্যান্ড প্রোগ্রেস” এই তিন সূত্রে আন্ডারলাইন করা এআই ইমপ্যাক্ট সামিট কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) সহযোগিতা সম্পর্কে ভারতের দৃষ্টিভঙ্গিকে তুলে ধরে। এই সম্মেলনে বিশ্বনেতা, নীতিনির্ধারক, উদ্ভাবক, ব্যবসায়িক প্রতিনিধি, বিনিয়োগকারী এবং বিভিন্ন ক্ষেত্রের বিশেষজ্ঞরা একত্রিত হবেন এবং এআইয়ের ভবিষ্যৎ নিয়ে আলোচনা করবেন। তাঁরা এমন একটি দায়িত্বশীল এআই ইকোসিস্টেম গড়ে তোলার সহযোগিতামূলক পথ নিয়ে আলোচনা করবেন, যা ডিজিটাল সার্বভৌমত্ব ও নিরাপত্তাকে সম্মান জানাবে।

    অংশগ্রহণকারী দেশ

    বিদেশমন্ত্রকের প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬ সালের এআই ইমপ্যাক্ট সামিটে অংশগ্রহণকারী হলেন ভুটান, বলিভিয়া, ব্রাজিল, ক্রোয়েশিয়া, এস্তোনিয়া, ফিনল্যান্ড, ফ্রান্স, গ্রিস, গায়ানা, কাজাখস্তান, লিশটেনস্টাইন, মরিশাস, সার্বিয়া, স্লোভাকিয়া, স্পেন, শ্রীলঙ্কা, সেশেলস, সুইজারল্যান্ড, নেদারল্যান্ডস এবং সংযুক্ত আরব আমিরশাহির রাষ্ট্রপ্রধানরা। ইউরোপ, এশিয়া ও আফ্রিকার বিপুল সংখ্যক রাষ্ট্রনেতার উপস্থিতি ভারতের নেতৃত্বে একটি দায়িত্বশীল এআই বিপ্লবের প্রতি বৈশ্বিক অঙ্গীকারকেই প্রতিফলিত করে। একইসঙ্গে এই সম্মেলন এআইয়ের ক্ষেত্রে বিশ্বাসযোগ্য (AI Impact Summit) উন্নয়নের লক্ষ্যে একজন দায়িত্বশীল বৈশ্বিক অংশীদার হিসেবে ভারতের প্রতিশ্রুতিও তুলে ধরে (Global Tech Drive)।

    ৪৫টিরও বেশি দেশের প্রতিনিধি দল সম্মেলনে অংশ নেবে

    বিশ্বনেতাদের পাশাপাশি এই সম্মেলনে বৃহৎ ব্যবসায়িক ও বিনিয়োগ প্রতিনিধি দলও উপস্থিত থাকবে। বিদেশমন্ত্রকের মতে, ৪৫টিরও বেশি দেশের মন্ত্রীস্তরের প্রতিনিধি দল সম্মেলনে অংশ নেবে। রাষ্ট্রসংঘের মহাসচিব এবং বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রধানরাও নয়াদিল্লিতে উপস্থিত থাকবেন, যাতে এআইয়ের দায়িত্বশীল ও অন্তর্ভুক্তিমূলক বিকাশের জন্য সহযোগিতামূলক পথ সুগম করা যায়। বিশ্বের শীর্ষ প্রযুক্তি সংস্থাগুলির প্রতিনিধিরাও সম্মেলনে অংশ নেবেন। সব মিলিয়ে ১০০টিরও বেশি দেশ ভারতের নেতৃত্বে এআইয়ের ভবিষ্যৎ নিয়ে আলোচনার জন্য নয়াদিল্লিতে সমবেত হবে।

    এআই ইমপ্যাক্ট সামিট ২০২৬ হবে গ্লোবাল সাউথে অনুষ্ঠিত প্রথম বৃহৎ আকারের এআই সম্মেলন। ফলে সম্মেলনের মূল কেন্দ্রবিন্দু হবে এমন অন্তর্ভুক্তিমূলক এআইয়ের বিকাশ ও প্রশাসনিক কাঠামো নির্ধারণ করা, যা গ্লোবাল সাউথের মানুষ ও যুবসমাজের কল্যাণে সহায়ক হবে। ভারতের বিদেশনীতি বরাবরই গ্লোবাল সাউথের কল্যাণ ও উন্নয়নকে অগ্রাধিকার দিয়েছে। সেই দৃষ্টিকোণ থেকেই ভারতে আয়োজিত এই সম্মেলনে (AI Impact Summit) গ্লোবাল সাউথের সমৃদ্ধি এবং এআই বিপ্লবের সুফল পৃথিবীর মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়ার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হবে (Global Tech Drive)।

     

  • PM Modi: এআই-ইমপ্যাক্ট সামিটের প্রাক্কালে মরিশাসের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতার অগ্রগতি পর্যালোচনা মোদির

    PM Modi: এআই-ইমপ্যাক্ট সামিটের প্রাক্কালে মরিশাসের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতার অগ্রগতি পর্যালোচনা মোদির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আগামী সপ্তাহে দিল্লিতে হতে চলেছে এআই-ইমপ্যাক্ট (AI Impact) সামিট। তার আগে সোমবার দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতার অগ্রগতি পর্যালোচনা করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi) ও মরিশাসের প্রধানমন্ত্রী নবীনচন্দ্র রামগুলাম। ভারত ও মরিশাসের মধ্যে যে উন্নত কৌশলগত অংশীদারিত্ব রয়েছে, তা আরও এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে তাঁদের যৌথ অঙ্গীকারও পুনর্ব্যক্ত করেন। প্রধানমন্ত্রী রামগুলামের সঙ্গে টেলিফোনে কথোপকথনের সময় প্রধানমন্ত্রী মোদি ‘ভিশন মহাসাগর’ (Vision MAHASAGAR), ভারতের ‘নেবারহুড ফার্স্ট’ নীতি এবং গ্লোবাল সাউথের প্রতি অভিন্ন দায়বদ্ধতার সঙ্গে সঙ্গতি রেখে মরিশাসের উন্নয়ন অগ্রাধিকারে ভারতের অব্যাহত সমর্থনের কথা ফের তুলে ধরেন।

    দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতার অগ্রগতি পর্যালোচনা (PM Modi)

    দুই নেতা ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বর মাসে বারাণসীতে তাঁদের সর্বশেষ বৈঠকের পর থেকে বিস্তৃত দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতার অগ্রগতি পর্যালোচনা করেন। আলোচনায় উন্নয়ন অংশীদারিত্ব, সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং মানুষে-মানুষে যোগাযোগের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়। উভয় দেশবাসীর কল্যাণে ভারত–মরিশাসের উন্নত কৌশলগত অংশীদারিত্বকে আরও জোরদার করার বিষয়ে তাঁরা তাঁদের অভিন্ন অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন। ভারত মহাসাগরীয় অঞ্চলে শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখার যৌথ লক্ষ্য অর্জনে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ চালিয়ে যাওয়ার ব্যাপারে দুই নেতা একমত হন। প্রধানমন্ত্রী মোদি জানান, আগামী সপ্তাহে নয়াদিল্লিতে আয়োজিত এআই-ইমপ্যাক্ট সামিটে প্রধানমন্ত্রী রামগুলামকে স্বাগত জানাতে তিনি আগ্রহী। মরিশাসের প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রী মোদির সঙ্গে এই গঠনমূলক আলোচনার জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন এবং বলেন, “আগামী সপ্তাহে ভারতে অনুষ্ঠিত এআই-ইমপ্যাক্ট সামিটে ভারত–মরিশাস সহযোগিতা আরও গভীর করার আশা রাখছি আমি। রামগুলাম বিভিন্ন ক্ষেত্রে কৌশলগত সহযোগিতা জোরদার করতে ভারতের প্রতি মরিশাসের সমর্থনের কথাও পুনর্ব্যক্ত করেন (PM Modi)।”

    মোদিকে ধন্যবাদ রামগুলামের

    এক্স হ্যান্ডেলে দেওয়া এক পোস্টে তিনি লেখেন, “এই গঠনমূলক আলোচনার জন্য প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে ধন্যবাদ। উন্নয়ন, উদ্ভাবন এবং উদীয়মান প্রযুক্তি ক্ষেত্রে কৌশলগত সহযোগিতা জোরদার করতে মরিশাস ও ভারত এক সঙ্গে রয়েছে (AI Impact)। আগামী সপ্তাহে ভারতে অনুষ্ঠিত এআই-ইমপ্যাক্ট সামিটে এই সহযোগিতা আরও গভীর করার অপেক্ষায় রয়েছি।” উল্লেখ্য যে, গত বছরের সেপ্টেম্বর মাসে মরিশাসের প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফরের সময় ভারত সরকার মরিশাসকে ৬৮০ মিলিয়ন মার্কিন ডলারেরও বেশি মূল্যের একটি বিস্তৃত বিশেষ অর্থনৈতিক প্যাকেজ দেয় এবং একাধিক চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। প্রসঙ্গত, ১৬ থেকে ২০ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত দিল্লির ভারত মণ্ডপমে এআই-ইমপ্যাক্ট সামিট আয়োজন করতে চলেছে ভারত। এটি হবে গ্লোবাল সাউথে অনুষ্ঠিত প্রথম বৈশ্বিক কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা সম্মেলন। পাঁচদিনব্যাপী এই কর্মসূচিতে নীতি নির্ধারণ, গবেষণা, শিল্প ও জনসম্পৃক্ততা অন্তর্ভুক্ত থাকবে। সম্মেলনটি তিনটি মৌলিক স্তম্ভ বা ‘সূত্রে’র ওপর ভিত্তি করে গড়ে উঠেছে – মানুষ (People), পৃথিবী (Planet) ও অগ্রগতি (Progress)। এই সম্মেলনে বিশ্বনেতা, নীতিনির্ধারক, প্রযুক্তি সংস্থা, উদ্ভাবক (AI Impact) ও বিশেষজ্ঞরা একত্রিত হয়ে শাসনব্যবস্থা, উদ্ভাবন ও টেকসই উন্নয়নে এআইয়ের ভূমিকা নিয়ে আলোচনা করবেন (PM Modi)।

     

  • India AI Impact Summit: ‘সবার জন্য এআই’ এই মন্ত্রকে সামনে রেখেই শুরু হতে চলেছে ইন্ডিয়া এআই ইমপ্যাক্ট সামিট

    India AI Impact Summit: ‘সবার জন্য এআই’ এই মন্ত্রকে সামনে রেখেই শুরু হতে চলেছে ইন্ডিয়া এআই ইমপ্যাক্ট সামিট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘সবার জন্য এআই’ (AI for All) এই মন্ত্রকে সামনে রেখেই ইলেকট্রনিক্স ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রক (MeitY)-এর উদ্যোগে আগামী ১৬ থেকে ২০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ অনুষ্ঠিত হতে চলেছে ইন্ডিয়া এআই ইমপ্যাক্ট সামিট ২০২৬। এই সম্মেলন বিশ্বজুড়ে অভূতপূর্ব সাড়া ফেলেছে। এটি এখনও পর্যন্ত আয়োজিত সবচেয়ে বড় বৈশ্বিক এআই সম্মেলনে পরিণত হতে চলেছে বলে জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব। শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি, ২০২৬) এক সাংবাদিক সম্মেলনে তিনি জানান, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি সাম্প্রতিক কালে এআই নিয়ে বিভিন্ন শিল্পনেতা, ডেভেলপার ও উদ্ভাবকদের সঙ্গে ধারাবাহিকভাবে যোগাযোগ করেছেন। ভারতের কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ইকোসিস্টেমের সুসংগঠিত অগ্রগতির লক্ষ্যে এই বৈঠকগুলো ফলপ্রসূ।

    এআই নিয়ে ভারতের ভাবনা

    কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জানান, দেশের শীর্ষস্থানীয় আইটি সংস্থাগুলি ইতিমধ্যেই ২০০-র বেশি খাতভিত্তিক ও নির্দিষ্ট এআই মডেল তৈরি করেছে, যা এই সম্মেলনের সময় উদ্বোধন করা হবে। এআই পরিকাঠামো ক্ষেত্রে বর্তমানে প্রায় ৭০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার বিনিয়োগ করা হয়েছে। সম্মেলন শেষে এই অঙ্ক দ্বিগুণ হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন। এআই প্রতিভা উন্নয়নের ক্ষেত্রেও বড় পরিকল্পনার কথা জানিয়ে অশ্বিনী বৈষ্ণব বলেন, শিল্প-সম্মত পাঠক্রম ও পরিকাঠামো সম্প্রসারণের মাধ্যমে ৫০০টি বিশ্ববিদ্যালয়ে এআই শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ চালু করা হবে। শক্তি চাহিদা প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, এআই প্রযুক্তির জন্য বিপুল শক্তি প্রয়োজন হওয়ায় পারমাণবিক শক্তি ভবিষ্যতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেবে। তিনি আরও জানান, বর্তমানে ভারতের মোট বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতার ৫০ শতাংশই সবুজ শক্তি, যা বিশ্বজুড়ে স্বীকৃতি পাচ্ছে।

    সবার জন্য এআই-এটাই লক্ষ্য

    এই উপলক্ষে প্রায় ৬০ জন বিশিষ্ট শিল্প বিশেষজ্ঞের মতামত সংকলিত একটি কম্পেন্ডিয়াম — ‘দ্য ইমপ্যাক্ট এজেন্ডা: লিডারশিপ রিফ্লেকশনস’ — প্রকাশ করা হয়, যেখানে অন্তর্ভুক্ত রয়েছে অন্তর্ভুক্তিমূলক বৃদ্ধি, উদ্ভাবন ও সমাজে এআই-এর প্রভাব সংক্রান্ত দৃষ্টিভঙ্গি। এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ইলেকট্রনিক্স ও আইটি মন্ত্রকের প্রতিমন্ত্রী জিতিন প্রসাদ, প্রধান বৈজ্ঞানিক উপদেষ্টা অজয় সুদ, এবং মেইটি-র শীর্ষ আধিকারিকরা। মেইটি সচিব এস. কৃষ্ণন জানান, এই সম্মেলনের মূল লক্ষ্য হলো প্রযুক্তির গণতান্ত্রিকীকরণ, বিশেষ করে এআই, যাতে এর সুফল সমাজের সর্বস্তরের মানুষের কাছে পৌঁছে যায়।

    সরকারের নিরন্তর প্রচেষ্টা

    সম্মেলন সপ্তাহে ভারত মণ্ডপম ও সুষমা স্বরাজ ভবনে প্রায় ৫০০টি অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হবে। পাশাপাশি, এআই ইমপ্যাক্ট এক্সপো-তে থাকবে ৮৪০টিরও বেশি প্রদর্শনী, যার মধ্যে বিভিন্ন দেশের প্যাভিলিয়ন, কেন্দ্রীয় ও রাজ্য সরকার, শিল্প সংস্থা, স্টার্টআপ এবং গবেষণা প্রতিষ্ঠান অংশ নেবে। এই সম্মেলনে ১৫ জন রাষ্ট্র ও সরকারপ্রধান, ৪০ জনের বেশি মন্ত্রী, ১০০-রও বেশি শীর্ষস্থানীয় সিইও ও সিএক্সও, এবং ১০০ জনের বেশি খ্যাতনামা শিক্ষাবিদ অংশগ্রহণ করতে চলেছেন। জিও, কোয়ালকম, ওপেনএআই, এনভিডিয়া, গুগল, মাইক্রোসফট, অ্যাডোব এবং গেটস ফাউন্ডেশন-সহ একাধিক আন্তর্জাতিক শিল্প অংশীদারের উপস্থিতিও প্রত্যাশিত। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই (AI) প্রযুক্তির ভবিষ্যৎ রূপরেখা তৈরি করতে ইতিমধ্যেই দেশের প্রথম সারির প্রযুক্তি সংস্থার সিইও এবং বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে উচ্চপর্যায়ের বৈঠক করে ফেলেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সামনেই আসছে ‘ইন্ডিয়া এআই ইমপ্যাক্ট সামিট’। তার আগে এই বৈঠকে অংশগ্রহণকারী প্রযুক্তিবিদরা ভারতকে এআই প্রযুক্তির হাব হিসেবে গড়ে তোলার জন্য সরকারের এই নিরন্তর প্রচেষ্টাকে পূর্ণ সমর্থন জানাচ্ছেন।

LinkedIn
Share