Tag: AIIMS

AIIMS

  • Nepal President: বুকের সংক্রমণ বেশ জটিল! দিল্লি এইমসে ভর্তি নেপালের প্রেসিডেন্ট রামচন্দ্র পাউডেল

    Nepal President: বুকের সংক্রমণ বেশ জটিল! দিল্লি এইমসে ভর্তি নেপালের প্রেসিডেন্ট রামচন্দ্র পাউডেল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বুকের সংক্রমণ আরও জটিল আকার ধারণ করায় নেপালের (Nepal) প্রেসিডেন্ট রামচন্দ্র পাউডেলকে (Ram Chandra Poudel) দিল্লি নিয়ে আসা হল। বুধবার এয়ার অ্যাম্বুল্যান্সে তুলে কাঠমান্ডু থেকে দিল্লির এইমসে আনা হয়েছে তাঁকে। এক মাসের মধ্যে প্রেসিডেন্ট (Nepal President) পাউডেলকে দু’বার হাসপাতালে ভর্তি করতে হয়েছে। কিন্তু তাতেও কাজের কাজ কিছুই হয়নি। তাই উন্নত চিকিৎসার জন্য তাঁকে দিল্লিতে (Delhi) আনা হল।

    জটিল সংক্রমণ

    সূত্রের খবর, মঙ্গলবার নেপালের টিইউ টিচিং হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন প্রেসিডেন্ট পাউডেল (Nepal President)। কিন্তু সেখানে তাঁর বুকে জটিল সংক্রমণ পাওয়া যায়। তারপরেই তাঁকে দিল্লি নিয়ে আসার তোড়জোড় শুরু হয়। বুধবার সকাল ১১টা নাগাদ দিল্লিতে পৌঁছয় নেপালের প্রেসিডেন্টের বিমান অ্যাম্বুল্যান্স। তার পর সেখান থেকে সোজা এইমস। প্রেসিডেন্টের সঙ্গে রয়েছেন তাঁর ছেলে চিন্তুন এবং আরও কয়েক জন ঘনিষ্ঠ।

    আপাতত দিল্লিতেই চিকিৎসা

    পয়লা এপ্রিল প্রেসিডেন্ট (Nepal President) প্রথম বুকে ব্যথা অনুভব করেন। তৈরি করা হয় একটি মেডিক্যাল টিম। সেই টিম খতিয়ে দেখে প্রেসিডেন্টের শারীরিক অবস্থা। তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। অসুস্থ প্রেসিডেন্টকে দেখতে আসেন নেপালের প্রধানমন্ত্রী পুষ্পকমল দাহাল, উপপ্রধানমন্ত্রী পূর্ণবাহাদুর খাদকা এবং অন্যান্যরা। কিছু দিনের মধ্যেই তাঁকে হাসপাতাল থেকে ছেড়ে দেওয়া হয়। যদিও সমস্যা পিছু ছাড়েনি। গত মঙ্গলবার তাঁকে আবার হাসপাতালে ভর্তি করতে হয়।

    আরও পড়ুন: ভারতের সবথেকে সুখী রাজ্য মিজোরাম! কেন জানেন?

    উল্লেখ্য, নেপালের প্রেসিডেন্টের (Nepal President) শারীরিক অবস্থা নিয়ে মঙ্গলবারই নেপালে মন্ত্রিসভার জরুরি বৈঠক আয়োজিত হয়েছে। সেখানেই জানানো হয়েছে যে, সেদেশের স্বাস্থ্যসচিব এই চিকিৎসা পদ্ধতির তত্ত্বাবধান করবেন। একটি বিশেষ টিমও গঠিত হয়েছে রাষ্ট্রপতির শারীরিক দেখভালের জন্য। তাঁর শারীরিক অবস্থা ও চিকিৎসা নিয়ে পরবর্তীতে কোন পদক্ষেপ নেওয়া যায়, তা স্থির করা হবে টিমের রিপোর্ট আসার পরই। তবে, আপাতত দিল্লিতেই তাঁর চিকিৎসা চলবে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • H3N2: করোনার পর নতুন করে ভয় ধরাচ্ছে ইনফ্লুয়েঞ্জা, কী বললেন প্রাক্তন এইমস প্রধান?

    H3N2: করোনার পর নতুন করে ভয় ধরাচ্ছে ইনফ্লুয়েঞ্জা, কী বললেন প্রাক্তন এইমস প্রধান?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: করোনার পর রাজ্য জুড়ে শুরু হয়েছে অ্যাডিনো ভাইরাসের প্রকোপ। এবারে ভারতের বিভিন্ন জায়গায় শুরু হয়েছে ইনফ্লুয়েঞ্জা (H3N2)। কোভিডের মতই দ্রুত হারে বেড়ে চলেছে ইনফ্লুয়েঞ্জা আক্রান্তের সংখ্যা। আর এই সংক্রমণের পিছনে রয়েছে H3N2 ভাইরাস। এই ভাইরাস কোভিডের মতই ছড়িয়ে পড়ছে। আর এর জেরেই ভাইরাল ফিভারে কাবু হচ্ছে আট থেকে আশি সকলেই। সর্দি-কাশি ও জ্বরের রোগী দ্রুত বাড়তে শুরু করেছে। এ নিয়ে দেশের স্বাস্থ্য কর্মকর্তারাও চিন্তিত। আইসিইউতে ভর্তির সংখ্যা বাড়ছে এবং স্বাস্থ্য কর্তারা পরীক্ষা বাড়ানোর পরামর্শ দিয়েছেন। আর এর থেকে নিস্তার পেতে উপায় দিলেন প্রাক্তন এইমস প্রধান ডা. রণদীপ গুলেরিয়া।

    কী বললেন রণদীপ গুলেরিয়া?

    ইনস্টিটিউট অফ ইন্টারনাল মেডিসিন অ্যান্ড রেসপিরেটরি অ্যান্ড স্লিপ মেডিসিনের চেয়ারম্যান তথা প্রাক্তন এইমস প্রধান ডা. রণদীপ গুলেরিয়া বলেন, “এই H3N2 ভাইরাসটি প্রতি বছর এই নির্দিষ্ট সময়ে রূপ পরিবর্তন করে। এটিও কোভিডের ন্যায় ড্রপলেটের মাধ্যমে দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। আমরা ইনফ্লুয়েঞ্জার কেসের সংখ্যা প্রতিনিয়ত বৃদ্ধি পেতে দেখছি। এর উপসর্গ মূলত জ্বর, গলা ব্যথা, গা হাত পায়ে ব্যথা এবং সর্দি। এই ইনফ্লুয়েঞ্জা ভাইরাস রূপ পরিবর্তন করে অ্যান্টিজেনিক ড্রিফ্ট তৈরি করছে। ভাইরাসের ক্ষতি করার ক্ষমতাও বেড়েছে। আমাদেরও রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে গিয়েছে। ফলে ভাইরাল ফিভার দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে।”

    আরও পড়ুন:ফের শিশুমৃত্যু! অ্যাডিনো সংক্রমণ রুখতে এবার বড়দের পরামর্শ স্বাস্থ্য দফতরের

    H3N2 প্রতিরোধের উপায় কী?

    দিল্লি এইমস-এর প্রাক্তন প্রধান ডা. রণদীপ গুলেরিয়া জানাচ্ছেন, আবহাওয়ার পরিবর্তন ইনফ্লুয়েঞ্জায় (H3N2) আক্রান্ত হওয়ার একটি প্রধান কারণ। এছাড়া কোভিড-পরবর্তী সময়ে জনগণ আর মাস্ক পরছেন না। ফলে সংক্রমণ বাড়ছে। তাই সংক্রমণ ঠেকাতে কোভিডের মতই স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার পরামর্শ দিয়েছেন ডা. রণদীপ গুলেরিয়া। তিনি বলেন, “আমাদের বারবার হাত ধোওয়া এবং ভিড় এড়িয়ে চলা উচিত।” বয়স্ক এবং যাঁদের ভাইরাসে সংক্রমিত হওয়ার ঝুঁকি বেশি, তাঁদের ভ্যাকসিন নেওয়ারও পরামর্শ দিচ্ছেন ডা. গুলেরিয়া।

    কতটা ভয়ঙ্কর এই ভাইরাস?

    ভারতে ইনফ্লুয়েঞ্জা (H3N2) বৃদ্ধি আরও আক্রমনাত্মক ও দীর্ঘস্থায়ী হতে পারে বলে মনে করছেন চিকিৎসকরা। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, জ্বর সেরে গেলেও কাশি তিন সপ্তাহ পর্যন্ত স্থায়ী হতে পারে। তবে জ্বর ও কাশি সাধারণত পাঁচ থেকে সাত দিন স্থায়ী হয়। আর এই ভাইরাসটি প্রথম থেকেই দ্রুত ছড়াচ্ছে। ফলে এখন থেকেই বিভিন্ন সতর্কতা মেনে চলা উচিত।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Cyber Attack: এইমসে সাইবার হানা জাতীয় নিরাপত্তার পক্ষে লাল সতর্কতা!

    Cyber Attack: এইমসে সাইবার হানা জাতীয় নিরাপত্তার পক্ষে লাল সতর্কতা!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সম্প্রতি এইমসের (AIIMS) সার্ভার হ্যাক করে রোগীদের বিপদে ফেলেছিল হ্যাকাররা। বিপদে পড়েছিলেন হাসপাতাল কর্তৃপক্ষও। এবার নিশানায় ইন্ডিয়ান কাউন্সিল অফ মেডিক্যাল রিসার্চের আইসিএমআরের সার্ভার। সম্প্রতি প্রকাশিত এক রিপোর্টে জানানো হয়েছে, এক দিনে কয়েক হাজার সাইবার হানা (Cyber Attack) হয়েছে আইসিএমআরের সার্ভারে। প্রসঙ্গত, সম্প্রতি এইমসের সার্ভারে র‌্যানসামওয়্যার অ্যাটাক হয়েছিল। এই সাইবার অ্যাটাকের কারণে দিল্লির সার্ভার দশ দিনেরও বেশি বন্ধ ছিল। এখনও ম্যানুয়ালি চলছে এইমসের সব পরিষেবা। সংস্থার তরফে ডেটা ফিরে পাওয়ার সব রকম চেষ্টা চালানো হচ্ছে বলেও সূত্রের খবর।

    চিনা হ্যাকার…

    জানা গিয়েছে, গত দু দিন ধরে সিইআরটি-ইন এবং ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিল সেক্রেটারিয়েট যার নেতৃত্বে রয়েছেন ন্যাশনাল সাইবার সিকিউরিটি কো-অর্ডিনেটর লেফটেন্যান্ট জেনারেল (রিটায়ার্ড) রাজেশ পান্ত এইমসের সার্ভারগুলিতে ড্রাই রান চালাচ্ছে। সরকারি আধিকারিকদের একাংশের মতে, এই যে সাইবার হানা (Cyber Attack), এর নেপথ্যে রয়েছে চিনা হ্যাকারদের হাত। যাঁরা এইমসের সাইবার হানার সম্পর্কে পরিচিত, তাঁরা জানিয়েছেন, সাইবার হানার ফলে যেসব সার্ভার কোরাপ্টেড হয়ে গিয়েছিল, সেগুলিকে আইসোলেটেড করা হয়েছে। চলছে ওই সার্ভারগুলির সিস্টেম পরীক্ষার কাজ। এইমসের মতো ভিভিআইপি হাসপাতালে যাতে ফের এ রকম ঘটনা না ঘটে, সেজন্য পূর্ণ সময়ের সাইবার সিকিউরিটি ডিভিশন থাকা প্রয়োজন বলেও মনে করছেন তাঁরা। তা না হলে ফের সম্মুখীন হতে হবে এমন বিপদের। জানা গিয়েছে, দিল্লির এইমস কর্তৃপক্ষকে হায়ারআর্চিক্যাল কম্পিউটার ব্যবহারের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

    আরও পড়ুন: মোদি-ম্যাজিকে ভর করে টানা সপ্তমবার গুজরাট দখলের পথে বিজেপি

    ডিসেম্বরের ৪ তারিখে দিল্লির সফদারজং হাসপাতালেও হয়েছিল সাইবার হানা (Cyber Attack)। মিডিয়া রিপোর্টে জানানো হয়েছে, সেক্ষেত্রে এইমসের মতো এতটা ক্ষতি করতে পারেনি হানাদাররা। অদূর ভবিষ্যতে যুদ্ধের নয়া রূপ হবে সাইবার হানা। সেই কারণে আমেরিকা, চিন এবং ফ্রান্স তাদের দেশের সরকারি ডেটা যাতে সুরক্ষিত থাকে, তাই সার্ভারগুলিতে এফেকটিভ ফায়ারওয়াল গড়ে তুলেছে। এর ফলে ভবিষ্যতে সাইবার হানা হলেও, সুরক্ষিত থাকবে ডেটা। জানা গিয়েছে, এইমসের কম্পিউটার এবং আইটি আপগ্রেডেশনের পরিকল্পনার জন্য ৩১ ডিসেম্বরের সময়সীমা স্থির করা হয়েছে। এর মধ্যে আইটি ভেন্ডরদের কাছ থেকে আগ্রহ প্রকাশের আহ্বান জানানো হয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Facebook এবং Twitter পেজ।   

  • SSC Recruitment scam: এসএসকেএমে নয়, ভুবনেশ্বর এইমসেই স্বাস্থ্য পরীক্ষা মন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের

    SSC Recruitment scam: এসএসকেএমে নয়, ভুবনেশ্বর এইমসেই স্বাস্থ্য পরীক্ষা মন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সোমবার, ২৫ জুলাই ভোরেই এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে ভুবনেশ্বর উড়িয়ে নিয়ে যাওয়া হবে রাজ্যের শিল্প-বানিজ্য মন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে। ভুবনেশ্বর এইমসেই হবে তাঁর শারিরীক পরীক্ষা। সেই রিপোর্টের সঙ্গে মিলিয়ে দেখা হবে এসএসকেএমের চিকিৎসকদের রিপোর্ট। বিকেল ৪টের মধ্যে রিপোর্ট জমা দিতে হবে কলকাতা হাইকোর্টে। ইডি আর পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের পক্ষের আইনজীবিদের সওয়ালের পর কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি বিবেক চৌধুরী অন্তর্বর্তী আদেশ অনেকটা এই রকমই।

    এর আগে এসএসকেএমে পার্থর চিকিৎসা নিয়ে দুই পক্ষের আইনজীবীর বাদানুবাদ হয় এজলাসে। বিচারপতিও নিজের অবজারভেশনও জানান। ইডির দাবি, এসএসকেএম হাসপাতালে পার্থ ডনের মত আচরণ করছেন। ইডিকে ধমকাচ্ছেন। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষও সহযোগিতা করছে না ইডির সঙ্গে।” এরপরই রাজ্যের মন্ত্রী পার্থকে এইমসে চিকিৎসার প্রস্তাব দেয় ইডি। যদিও পার্থর আইনজীবীরা এসএসকেএম হাসপাতালে রেখেই চিকিৎসার পক্ষে সওয়াল করেন। দীর্ঘ শুনানির পর। অন্তর্বর্তী আদেশ দেন বিচারপতি চৌধুরী।   

    অন্তর্বর্তী আদেশে বিচারপতি চৌধুরী বলেন পার্থর সঙ্গে তাঁর একজন অ্যাডভোকেট ও এসএসকেএমের একজন চিকিৎসক থাকবেন। ভুবনেশ্বরের এইমসের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের টিম পরীক্ষা করবেন। চিকিৎসক দলে থাকবেন, কার্ডিওলজি, নেফ্রোলজি, এন্ডোক্রিনোলজির, রেসপিরেটরি মেডিসিনের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা। ভুবনেশ্বর এইমস, বেলা তিনটের মধ্যে তাঁদের রিপোর্টের কপি দেবেন, তদন্তকারী সংস্থার অফিসার, এসএসকেএমের চিকিৎসক ও অভিযুক্তের আইনজীবীর হাতে। তদন্তকারী অফিসার তাঁর সফটকপি পৌঁছে দেবেন কলকাতায় তাঁর আধিকারিকদের কাছে। সোমবার বেলা চারটের সময় ফের স্পেশাল কোর্টে হবে শুনানি। 

    ভুবনেশ্বর থেকেই অভিযুক্তকে ভারচ্যুয়ালি হাজির করতে হবে মহামান্য হাইকোর্টের সামনে। সেই রিপোর্ট দেখে আর দুপক্ষের সওয়াল শুনে পার্থ মামলায় চূড়ান্ত রায় দেবে কলকাতা হাইকোর্ট। এদিকে পার্থ ঘনিষ্ঠ অর্পিতা মুখোপাধ্যায়ও দাবি করেছিলেন, তিনি অসুস্থ। জোকা ইএসআই হাসপাতালের চিকিৎসকরা জানিয়ে দেন, শারীরিক ভাবে সুস্থ অর্পিতা। জোকা ইএসআই হাসপাতালের চিকিৎসকরা পার্থকেও সুস্থ বলে সার্টিফিকেট দেন। তারপরই তড়িঘড়ি তিনি অসুস্থতার দাবি করে এসএসকেএমে ভর্তি হন। ইডির দাবি নিম্ন আদালত এই বিষয়ে তাঁদের কোন আপত্তিই শোনেনি। এরপরই শনিবার রাতেই জরুরী ভিত্তিতে কলকাতা হাইকোর্টে আপিল করে ইডি।  

     

  • Covid Among Children: শিশুদের মধ্যে কোভিড নিয়ে অযথা উদ্বেগের কিছু নেই, দাবি বিশেষজ্ঞদের

    Covid Among Children: শিশুদের মধ্যে কোভিড নিয়ে অযথা উদ্বেগের কিছু নেই, দাবি বিশেষজ্ঞদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশে করোনা (Covid-19) সংক্রমণের গ্রাফ ফের ঊর্ধ্বমূখী। রাজধানী দিল্লিতে (Delhi) প্রতিদিনই বাড়ছে সংক্রমিতের সংখ্যা। করোনার চতুর্থ ঢেউ (Covid 4th Wave) কী এসে গেল? ঘুরছে প্রশ্ন। 
    দীর্ঘ দু’বছর স্কুল বন্ধ থাকার পর সবে স্বাভাবিক হতে শুরু করেছে পঠন-পাঠন। এর মধ্যে স্কুল বন্ধ হলে ছাত্রছাত্রীদের ক্ষতি হবে বলেই মনে করছে স্কুল কর্তৃপক্ষ থেকে অভিভাবকরা। কিন্তু স্কুল খোলা থাকলে কী শিশুদের সংক্রমণের ঝুঁকি বেড়ে যাবে না? ইতিউতি ঘুরছে সেই প্রশ্নও। 

    তবে দেশে করোনার প্রকোপ বাড়লেও এখনই শিশুদের নিয়ে কোনও উদ্বেগের কারণ নেই বলেই জানাচ্ছেন চিকিৎসকরা। তাঁদের বক্তব্য, স্কুল খোলা থাকলেই চতুর্থ ঢেউয়ে করোনা এসে বেছে বেছে শিশুদের আক্রমণ করবে, এমন ভাবনার কোনও বিজ্ঞান-ভিত্তি নেই। এ নিয়ে মুখ খুলেছেন AIIMS -এর ডিরেক্টর রণদীপ গুলেরিয়া (Randeep Guleria)।  তবে সতর্কতায় যাতে একচুল খামতি না-থাকে, সে কথাও পইপই করে মনে করিয়ে দিচ্ছেন চিকিৎসকরা।

    চিকিৎসকদের বক্তব্য, মিউটেশনের ফলে করোনা কী রূপ নেবে, সে সম্পর্কে এখনও তেমন ধারণা নেই কারও। অতএব, শিশুদের উপরে তা কতটা কামড় বসাবে, তা নিয়ে আগাম কিছু বলা অসম্ভব।  AIIMS-র ডিরেক্টর রণদীপ গুলেরিয়া বলেছেন, “আমার মনে হয় না, ভবিষ্যতে শিশুরা সঙ্কটজনক ভাবে সংক্রামিত হবে। এখনও পর্যন্ত এমন কোনও নির্দিষ্ট তথ্য নেই যেখানে বলা হচ্ছে শিশুরা বেশি সংক্রামিত হবে। আগের তিনবার দেখা গিয়েছে, শিশুরা সংক্রামিত হলেও তারা খুব একটা অসুস্থ হয়ে পড়েনি। সাধারণ সর্দি-কাশি জ্বরের মতোই উপসর্গ থাকবে তাদের। সাধারণ ভাইরাল ইনফেকশনের মতোই কিছু ওষুধ এবং প্রচুর পরিমাণে জল বা ফলের রস খেলেই ধীরে ধীরে সুস্থ হয়ে যাবে তারা। পৃথিবীর যে সব প্রান্তে নতুন করে করোনার ঢেউ আছড়ে পড়তে শুরু করেছে, সেখানেও শিশুদের মধ্যে এর প্রকোপ বেড়ে যাওয়ার ঘটনা সেভাবে দেখা যায়নি।”

    তবে শিশুদের যদি কো-মর্বিডিটি থাকে, তা হলে করোনা সংক্রমণের ক্ষেত্রে চিন্তার কিছুটা কারণ থাকতে পারে। গুলেরিয়া জানিয়েছেন, এখন পর্যন্ত যে শিশুরা কোভিড-আক্রান্ত হয়েছে, তাদের ৬০-৭০ শতাংশেরই কো-মর্বিডিটি (co-morbidity) রয়েছে। তাই অকারণে ভয় পাওয়ার কোনও কারণ নেই। এর সঙ্গেই তাঁর হুঁশিয়ারি, শিশুদের টিকা (child vaccination) হয়নি, এটা অবশ্যই একটি বিষয়। সে ক্ষেত্রে বাড়ির লোকেরা সতর্ক থাকুন। যে সব বাচ্চাদের টিকা দেওয়ার সময় এসেছে তাদের টিকাকরণ জরুরি।  

  • Covid Among Children: শিশুদের মধ্যে কোভিড নিয়ে অযথা উদ্বেগের কিছু নেই, দাবি বিশেষজ্ঞদের

    Covid Among Children: শিশুদের মধ্যে কোভিড নিয়ে অযথা উদ্বেগের কিছু নেই, দাবি বিশেষজ্ঞদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশে করোনা (Covid-19) সংক্রমণের গ্রাফ ফের ঊর্ধ্বমূখী। রাজধানী দিল্লিতে (Delhi) প্রতিদিনই বাড়ছে সংক্রমিতের সংখ্যা। করোনার চতুর্থ ঢেউ (Covid 4th Wave) কী এসে গেল? ঘুরছে প্রশ্ন। 
    দীর্ঘ দু’বছর স্কুল বন্ধ থাকার পর সবে স্বাভাবিক হতে শুরু করেছে পঠন-পাঠন। এর মধ্যে স্কুল বন্ধ হলে ছাত্রছাত্রীদের ক্ষতি হবে বলেই মনে করছে স্কুল কর্তৃপক্ষ থেকে অভিভাবকরা। কিন্তু স্কুল খোলা থাকলে কী শিশুদের সংক্রমণের ঝুঁকি বেড়ে যাবে না? ইতিউতি ঘুরছে সেই প্রশ্নও। 

    তবে দেশে করোনার প্রকোপ বাড়লেও এখনই শিশুদের নিয়ে কোনও উদ্বেগের কারণ নেই বলেই জানাচ্ছেন চিকিৎসকরা। তাঁদের বক্তব্য, স্কুল খোলা থাকলেই চতুর্থ ঢেউয়ে করোনা এসে বেছে বেছে শিশুদের আক্রমণ করবে, এমন ভাবনার কোনও বিজ্ঞান-ভিত্তি নেই। এ নিয়ে মুখ খুলেছেন AIIMS -এর ডিরেক্টর রণদীপ গুলেরিয়া (Randeep Guleria)।  তবে সতর্কতায় যাতে একচুল খামতি না-থাকে, সে কথাও পইপই করে মনে করিয়ে দিচ্ছেন চিকিৎসকরা।

    চিকিৎসকদের বক্তব্য, মিউটেশনের ফলে করোনা কী রূপ নেবে, সে সম্পর্কে এখনও তেমন ধারণা নেই কারও। অতএব, শিশুদের উপরে তা কতটা কামড় বসাবে, তা নিয়ে আগাম কিছু বলা অসম্ভব।  AIIMS-র ডিরেক্টর রণদীপ গুলেরিয়া বলেছেন, “আমার মনে হয় না, ভবিষ্যতে শিশুরা সঙ্কটজনক ভাবে সংক্রামিত হবে। এখনও পর্যন্ত এমন কোনও নির্দিষ্ট তথ্য নেই যেখানে বলা হচ্ছে শিশুরা বেশি সংক্রামিত হবে। আগের তিনবার দেখা গিয়েছে, শিশুরা সংক্রামিত হলেও তারা খুব একটা অসুস্থ হয়ে পড়েনি। সাধারণ সর্দি-কাশি জ্বরের মতোই উপসর্গ থাকবে তাদের। সাধারণ ভাইরাল ইনফেকশনের মতোই কিছু ওষুধ এবং প্রচুর পরিমাণে জল বা ফলের রস খেলেই ধীরে ধীরে সুস্থ হয়ে যাবে তারা। পৃথিবীর যে সব প্রান্তে নতুন করে করোনার ঢেউ আছড়ে পড়তে শুরু করেছে, সেখানেও শিশুদের মধ্যে এর প্রকোপ বেড়ে যাওয়ার ঘটনা সেভাবে দেখা যায়নি।”

    তবে শিশুদের যদি কো-মর্বিডিটি থাকে, তা হলে করোনা সংক্রমণের ক্ষেত্রে চিন্তার কিছুটা কারণ থাকতে পারে। গুলেরিয়া জানিয়েছেন, এখন পর্যন্ত যে শিশুরা কোভিড-আক্রান্ত হয়েছে, তাদের ৬০-৭০ শতাংশেরই কো-মর্বিডিটি (co-morbidity) রয়েছে। তাই অকারণে ভয় পাওয়ার কোনও কারণ নেই। এর সঙ্গেই তাঁর হুঁশিয়ারি, শিশুদের টিকা (child vaccination) হয়নি, এটা অবশ্যই একটি বিষয়। সে ক্ষেত্রে বাড়ির লোকেরা সতর্ক থাকুন। যে সব বাচ্চাদের টিকা দেওয়ার সময় এসেছে তাদের টিকাকরণ জরুরি।  

LinkedIn
Share