Tag: air defence system

air defence system

  • S-400 Sudarshan Chakra: পাকিস্তান সীমান্তে বাড়ছে আকাশ-প্রতিরোধ শক্তি! ভারতের হাতে এল চতুর্থ এস-৪০০

    S-400 Sudarshan Chakra: পাকিস্তান সীমান্তে বাড়ছে আকাশ-প্রতিরোধ শক্তি! ভারতের হাতে এল চতুর্থ এস-৪০০

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশের দীর্ঘ-পাল্লার আকাশ প্রতিরক্ষা সক্ষমতায় শক্তিবৃদ্ধি করে ভারতে পৌঁছল রাশিয়া-নির্মিত এস-৪০০ ‘সুদর্শন চক্র’ ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার চতুর্থ স্কোয়াড্রন (প্রকারান্তরে রেজিমেন্ট)। প্রতিরক্ষা সূত্রের খবর, চুক্তিবদ্ধ পাঁচটি এস-৪০০ স্কোয়াড্রনের মধ্যে চতুর্থটি ইতিমধ্যেই ভারতে পৌঁছে গিয়েছে এবং খুব শীঘ্রই একটি গুরুত্বপূর্ণ অপারেশনাল সেক্টরে মোতায়েন করা হবে। ২০১৮ সালে রাশিয়ার সঙ্গে স্বাক্ষরিত ৫.৪৩ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের ঐতিহাসিক প্রতিরক্ষা চুক্তির আওতায় ভারত মোট পাঁচটি এস-৪০০ স্কোয়াড্রন কেনার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল। এর মধ্যে তিনটি স্কোয়াড্রন ইতিমধ্যেই ভারতীয় বায়ুসেনায় অন্তর্ভুক্ত হয়ে দেশের উত্তর ও পূর্বাঞ্চলের কৌশলগত এলাকায় মোতায়েন রয়েছে। এবার চতুর্থ স্কোয়াড্রনের আগমনের মাধ্যমে সেই প্রকল্প আরও এক ধাপ এগোল।

    ধাপে ধাপে পৌঁছচ্ছে চতুর্থ স্কোয়াড্রন

    প্রতিরক্ষা সূত্রে জানা গিয়েছে, চতুর্থ এস-৪০০ স্কোয়াড্রনটি ধাপে ধাপে এসে পৌঁছচ্ছে। প্রথম ধাপ ৩ জুন ভারতে এসে পৌঁছেছে। তার আগে গত মাসে ভারতীয় বায়ুসেনার (IAF) আধিকারিকরা রাশিয়ায় গিয়ে প্রি-ডিসপ্যাচ পরিদর্শন সম্পন্ন করেন। স্কোয়াড্রনের বাকি সরঞ্জাম ও উপাদানগুলি আগামী কয়েক দিনের মধ্যে বিভিন্ন বন্দর দিয়ে দেশে আসবে। চলতি মাসের মধ্যেই সম্পূর্ণ ডেলিভারি শেষ হওয়ার কথা।

    পাকিস্তান সীমান্তে মোতায়েনের সম্ভাবনা

    সামরিক সূত্রের মতে, নতুন এস-৪০০ ইউনিটটি ভারতের পশ্চিম সীমান্তে, বিশেষত পাকিস্তান সীমান্ত সংলগ্ন অঞ্চলে মোতায়েন করা হতে পারে। এর ফলে ওই অঞ্চলে শত্রুপক্ষের যুদ্ধবিমান, ড্রোন, ক্রুজ মিসাইল বা ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের মতো আকাশপথে আসা হুমকি শনাক্ত ও ধ্বংস করার ক্ষমতা বহুগুণ বৃদ্ধি পাবে।

    বিশ্বের অন্যতম আধুনিক আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা

    ভারতীয় সেনাবাহিনীতে ‘সুদর্শন চক্র’ নামে পরিচিত এস-৪০০ ট্রায়াম্ফ বর্তমানে বিশ্বের সবচেয়ে উন্নত আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাগুলির অন্যতম। এই ব্যবস্থা একসঙ্গে একাধিক লক্ষ্যবস্তু শনাক্ত, ট্র্যাক এবং ধ্বংস করতে সক্ষম।

    এস-৪০০-এর প্রধান বৈশিষ্ট্যগুলি হল—

    • ● সর্বোচ্চ ৪০০ কিলোমিটার দূরত্ব পর্যন্ত লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে সক্ষম।
    • ● যুদ্ধবিমান, ব্যালিস্টিক মিসাইল, ক্রুজ মিসাইল, ড্রোন এবং আকাশে থাকা নজরদারি প্ল্যাটফর্মকে ধ্বংস করতে পারে।
    • ● একই সঙ্গে একাধিক লক্ষ্যবস্তুর বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা করতে সক্ষম।
    • ● উন্নত রাডার ও কমান্ড-অ্যান্ড-কন্ট্রোল ব্যবস্থার মাধ্যমে দ্রুত প্রতিক্রিয়া জানাতে পারে।

    একটি স্কোয়াড্রনে কী কী থাকে?

    প্রতিটি এস-৪০০ স্কোয়াড্রনে মোট ১৬টি বিশেষায়িত যান থাকে, যার মধ্যে রয়েছে—

    • ● কমান্ড ও কন্ট্রোল সিস্টেম
    • ● অত্যাধুনিক রাডার ইউনিট
    • ● মোবাইল মিসাইল লঞ্চার
    একটি স্কোয়াড্রন আবার দুটি ব্যাটারিতে বিভক্ত। প্রতিটি ব্যাটারিতে ছয়টি করে লঞ্চার থাকে। ফলে একটি সম্পূর্ণ স্কোয়াড্রন থেকে একযোগে ১২৮টি ক্ষেপণাস্ত্র মোতায়েন করা সম্ভব। চুক্তি অনুযায়ী ভারত মোট ৬০টি লঞ্চার এবং প্রায় ৬,০০০টি ক্ষেপণাস্ত্র পাচ্ছে, যেগুলি ১২০ কিলোমিটার থেকে ৩৮০ কিলোমিটার দূরত্বের লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে সক্ষম।

    রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের প্রভাবে বিলম্ব

    মূল পরিকল্পনা অনুযায়ী ২০২৩ সালের শেষ নাগাদ সমস্ত এস-৪০০ রেজিমেন্ট সরবরাহ সম্পন্ন হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে সরবরাহ শৃঙ্খলে ব্যাঘাত ঘটে এবং ডেলিভারিতে বিলম্ব হয়। তবে রাশিয়া ভারতকে আশ্বাস দিয়েছে যে বাকি সমস্ত সরঞ্জাম ও পঞ্চম তথা শেষ রেজিমেন্টের ডেলিভারি ২০২৬ সালের নভেম্বরের মধ্যেই সম্পূর্ণ করা হবে।

    ‘অপারেশন সিদুঁর’-এ কার্যকারিতার প্রমাণ

    ২০২৫ সালের মে মাসে পরিচালিত ‘অপারেশন সিদুঁর’-এর সময় এস-৪০০ ব্যবস্থা বিশেষভাবে আলোচনায় আসে। ওই অভিযানে শত্রুপক্ষের একাধিক আকাশপথে আসা হুমকি সফলভাবে প্রতিহত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে এই প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা। এস-৪০০ ক্ষেপণাস্ত্রের কার্যকারিতা এবং নির্ভরযোগ্যতা প্রমাণিত হওয়ার পর ভারত সরকার আরও পাঁচটি অতিরিক্ত এস-৪০০ স্কোয়াড্রন কেনার প্রস্তাবে নীতিগত অনুমোদন দিয়েছে বলে জানা গিয়েছে। সেই পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হলে ভারতের মোট এস-৪০০ বহর ১০টি ইউনিটে পৌঁছবে।

    ভারতের স্তরভিত্তিক আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার গুরুত্বপূর্ণ অংশ

    এস-৪০০ বর্তমানে ভারতীয় বায়ুসেনার ‘ইন্টিগ্রেটেড এয়ার কমান্ড অ্যান্ড কন্ট্রোল সিস্টেম’ (IACCS)-এর সঙ্গে সংযুক্ত। এটি ভারতের বহুস্তরীয় আকাশ প্রতিরক্ষা কাঠামোর অন্যতম প্রধান স্তম্ভ। এস-৪০০-এর পাশাপাশি দেশীয়ভাবে নির্মিত ‘আকাশ’ ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা এবং ভারত-ইজরায়েল যৌথ উদ্যোগে তৈরি ‘এমআরএসএএম’ (MRSAM)-এর সঙ্গে সমন্বয় করে এটি একটি শক্তিশালী প্রতিরক্ষা বলয় গড়ে তুলেছে, যা বিভিন্ন ধরনের আকাশপথে আসা হুমকির বিরুদ্ধে কার্যকর সুরক্ষা প্রদান করতে সক্ষম।

    প্রতিরক্ষা আধুনিকীকরণে বড় পদক্ষেপ

    চতুর্থ এস-৪০০ রেজিমেন্টের আগমনের ফলে ভারতের অন্যতম বৃহৎ আকাশ প্রতিরক্ষা আধুনিকীকরণ প্রকল্প সমাপ্তির আরও কাছাকাছি পৌঁছল। পঞ্চম ও শেষ রেজিমেন্ট হাতে পাওয়ার পর দেশের পশ্চিম ও উত্তর সীমান্তে গুরুত্বপূর্ণ সামরিক ঘাঁটি, কৌশলগত অবকাঠামো এবং বেসামরিক সম্পদের সুরক্ষা আরও মজবুত হবে বলে মনে করছেন প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞরা। ভারতের প্রতিরক্ষা সক্ষমতা বৃদ্ধির ক্ষেত্রে এস-৪০০ শুধু একটি অস্ত্র ব্যবস্থা নয়, বরং ভবিষ্যতের সম্ভাব্য আকাশযুদ্ধ মোকাবিলায় একটি কৌশলগত শক্তির প্রতীক হিসেবেও বিবেচিত হচ্ছে।
  • Kuwait: ইরানের দাবি ওড়াল কুয়েত, স্পষ্ট জানিয়ে দিল ধ্বংস করা হয়েছে শত্রুপক্ষের ক্ষেপণাস্ত্র-ড্রোন

    Kuwait: ইরানের দাবি ওড়াল কুয়েত, স্পষ্ট জানিয়ে দিল ধ্বংস করা হয়েছে শত্রুপক্ষের ক্ষেপণাস্ত্র-ড্রোন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কুয়েত (Kuwait) ও বাহরিনে থাকা মার্কিন সামরিক প্রতিষ্ঠানগুলিতে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়েছে বলে (Missiles Drones) বুধবার দাবি করেছে ইরান। তেহরানের (ইরানের রাজধানী) দাবি, এটি ছিল এর আগে কেশম (Qeshm) দ্বীপে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের হামলার প্রতিশোধমূলক জবাব।

    ইরানের দাবি (Kuwait)

    ইরানের সশস্ত্র বাহিনী জানিয়েছে, তারা মার্কিন পঞ্চম নৌবহর (US Fifth Fleet) এবং একটি মার্কিন বিমানঘাঁটিকে টার্গেট করেছে। তাদের দাবি, আমেরিকা একটি ইরানি টেলিযোগাযোগ অ্যান্টেনা ও একটি তেলবাহী জাহাজে হামলা চালিয়েছিল। ইরান জানিয়েছে, তারা আগে আমেরিকাকে এই মর্মে সতর্ক করেছিল যে, যে কোনও আগ্রাসনের জবাব হবে আরও কঠোর এবং ভিন্ন ধরনের। এই অভিযান সেই সতর্কতার বাস্তবায়ন।

    কুয়েতের দাবি

    কুয়েতের সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, বুধবার ভোরে তাদের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা শত্রুপক্ষের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন প্রতিহত করতে সক্রিয় ছিল। এই সময় দেশজুড়ে বহু বাসিন্দা জোরালো বিস্ফোরণের শব্দ শুনেছেন। বিবৃতিতে কুয়েতি সেনাবাহিনীর জেনারেল স্টাফ জানিয়েছে, তাদের বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা বর্তমানে শত্রু ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা মোকাবিলা করছে। জনগণ যে বিস্ফোরণের শব্দ শুনেছে, তা মূলত প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার মাধ্যমে আকাশে টার্গেট ধ্বংস করার। পরিস্থিতির অবনতি হওয়ায় কুয়েতি সেনার তরফে দ্বিতীয় সতর্কবার্তা জারি করা হয়। এতে দেশবাসী এবং সে দেশে বসবাসকারী লোকজনকে ধ্বংসাবশেষ, ধাতব টুকরো বা অপরিচিত কোনও বস্তু স্পর্শ না করার আহ্বান জানানো হয়। এসব বস্তু জননিরাপত্তার জন্য গুরুতর ঝুঁকির সৃষ্টি করতে পারে (Kuwait)।

    উপসাগরীয় অঞ্চলে উদ্বেগ

    প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের মুখপাত্র কর্নেল সৌদ আবদুলআজিজ আল-ওতাইবি জনগণকে যে কোনও সন্দেহজনক বস্তু দেখতে পেলে জরুরি নম্বর ১১২-এ ফোন করে অথবা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে জানাতে অনুরোধ করেন। সবাইকে কেবল সরকারি ও অনুমোদিত সূত্রের তথ্যের ওপর নির্ভর করতে হবে, এবং কঠোরভাবে মেনে চলতে হবে নিরাপত্তা সংক্রান্ত নির্দেশিকা। বিবৃতিতে বলা হয়েছে, “সকলের নিরাপত্তা ও সুরক্ষা নিশ্চিত করতে সেনাবাহিনীর জেনারেল স্টাফ সবাইকে সহযোগিতা ও জারি করা নির্দেশনা মেনে চলার আহ্বান জানাচ্ছে (Kuwait)।” প্রসঙ্গত, সাম্প্রতিক আমেরিকা-ইরান সামরিক উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে এই ঘটনাগুলো ঘটেছে, যা আরও বাড়িয়ে দিয়েছে উপসাগরীয় অঞ্চলে উদ্বেগ।

    ভিডিও ফুটেজ

    এদিকে, ইরানের রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম আইআরআইবি (IRIB)-এর দাবি, পারস্য উপসাগর, হরমুজ প্রণালী এবং কেশম দ্বীপে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের শত্রুতামূলক আচরণের জবাবে কুয়েতে অবস্থিত মার্কিন ঘাঁটিগুলিকে টার্গেট করা হয়েছে। যদিও এই দাবির নিশ্চয়তা মেলেনি (Missiles Drones)। বাহরিনের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক জানিয়েছে, বুধবার সতর্কতামূলক সাইরেন বাজানো হয়েছে এবং বাসিন্দাদের শান্ত থাকার পাশাপাশি নিরাপদ জায়গায় আশ্রয় নিতে বলা হয়েছে (Kuwait)। এক্স হ্যান্ডেলে আইআরআইবি একটি ভিডিও-ও প্রকাশ করেছে। তাতে দাবি করা হয়েছে, বাহরিনের আকাশ দিয়ে ক্ষেপণাস্ত্র উড়ে যেতে দেখা যাচ্ছে।

    কেশম দ্বীপে হামলা

    ইরানের সশস্ত্র বাহিনী ফের জানায়, “মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের টেলিযোগাযোগ অ্যান্টেনা ও একটি ইরানি তেলবাহী জাহাজে হামলার পর আমরা মার্কিন পঞ্চম নৌবহর এবং একটি মার্কিন বিমানঘাঁটিকে টার্গেট করেছি।” এও বলে, “আমরা আগেই সতর্ক করেছিলাম যে আগ্রাসনের জবাব হবে ভিন্ন এবং আরও কঠোর। আজ রাতে আমরা সেই প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন করেছি।” ২ জুন আমেরিকা কেশম দ্বীপে হামলা চালায়। মার্কিন কর্তাদের মতে, টার্গেট ছিল একটি ইরানি সামরিক গ্রাউন্ড কন্ট্রোল স্টেশন, যা ড্রোন পরিচালনার কাজে ব্যবহৃত হত। মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড সেন্টকম (CENTCOM) জানিয়েছে, এর আগে তারা মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে ছোড়া একাধিক ইরানি ড্রোন ও ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র রুখে দিয়েছিল।

    ফ্যাক্ট-চেক বিবৃতি

    পরে সেন্টকম দ্রুত একটি ফ্যাক্ট-চেক বিবৃতি প্রকাশ করে। তাতে ইরানের দাবি অস্বীকার করা হয়। জানিয়ে দেওয়া হয়, তাদের (ইরানের) আঞ্চলিক ঘাঁটিগুলিতে সফলভাবে আঘাত করা হয়েছে (Kuwait)। বস্তুত, এই ঘটনা আঞ্চলিক উত্তেজনার একটি গুরুত্বপূর্ণ বৃদ্ধি নির্দেশ করে এবং উপসাগরীয় অঞ্চলের নিরাপত্তা নিয়ে (Missiles Drones) উদ্বেগের পারা আরও চড়িয়ে দিতে পারে।

     

  • S-400 Triumphal: মে মাসেই ভারতে আসছে চতুর্থ এস-৪০০ মিসাইল স্কোয়াড্রন! পশ্চিম সীমান্তে মোতায়েনের সম্ভাবনা, ঘুম উড়বে পাকিস্তানের

    S-400 Triumphal: মে মাসেই ভারতে আসছে চতুর্থ এস-৪০০ মিসাইল স্কোয়াড্রন! পশ্চিম সীমান্তে মোতায়েনের সম্ভাবনা, ঘুম উড়বে পাকিস্তানের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতের আকাশপথের নিরাপত্তাকে আরও নিশ্ছিদ্র করতে বড়সড় সুখবর। মে মাসেই ভারতের হাতে আসতে চলেছে চতুর্থ এস-৪০০ (S-400 Triumphal) এয়ার ডিফেন্স মিসাইল সিস্টেমের স্কোয়াড্রন। প্রতিরক্ষামন্ত্রক সূত্রে খবর, অত্যাধুনিক এই যুদ্ধাস্ত্রটি দেশের পশ্চিম সীমান্তে মোতায়েন করা হতে পারে, যা পাকিস্তান ও সংলগ্ন অঞ্চলের আকাশপথের ওপর কড়া নজরদারি (Air Defence System) চালাবে। এবার ঘুম উড়বে শত্রু রাষ্ট্রের।

    প্রতিরক্ষা প্রস্তুতিতে নয়া মোড় (S-400 Triumphal)

    রাশিয়ার সঙ্গে ভারতের এস-৪০০ চুক্তি অনুযায়ী, মোট পাঁচটি স্কোয়াড্রন ভারতের পাওয়ার কথা। রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের প্রভাবে সরবরাহে কিছুটা দেরি হলেও, মে মাসের মধ্যেই চতুর্থ স্কোয়াড্রনটির (S-400 Triumphal) সমস্ত অংশ ভারতে পৌঁছে যাবে বলে আশা করা হচ্ছে। ইতিমধ্যেই এর আগের তিনটি স্কোয়াড্রন উত্তর ও উত্তর-পূর্ব সীমান্তে মোতায়েন (Air Defence System) করা হয়েছে, যা চিন ও পাকিস্তান উভয় দিক থেকেই আসা যে কোনও আকাশপথের হুমকি মোকাবিলায় সক্ষম।

    এস-৪০০-এর ক্ষমতা (S-400 Triumphal)

    • পাল্লা: এটি প্রায় ৪০০ কিলোমিটার দূরের লক্ষ্যবস্তুকে নিখুঁতভাবে ধ্বংস করতে পারে।
    • বহুমুখী লক্ষ্যভেদ: একই সাথে ড্রোন, যুদ্ধবিমান, ব্যালেস্টিক মিসাইল এবং ক্রুজ মিসাইল শনাক্ত ও ধ্বংস করার ক্ষমতা রাখে এই সিস্টেম।
    • প্রযুক্তি: এটি বিশ্বের অন্যতম সেরা সারফেস-টু-এয়ার মিসাইল সিস্টেম (Air Defence System) হিসেবে পরিচিত, যা শত্রু রাডারকেও ফাঁকি দিতে সক্ষম।

    পশ্চিম সীমান্তের গুরুত্ব

    প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞদের মতে, চতুর্থ স্কোয়াড্রনটি (S-400 Triumphal) পশ্চিম ফ্রন্টে মোতায়েন করার সিদ্ধান্ত অত্যন্ত কৌশলগত। এর ফলে পাঞ্জাব থেকে শুরু করে রাজস্থান এবং গুজরাট সীমান্ত দিয়ে শত্রুদেশের কোনও অনুপ্রবেশের (Air Defence System) চেষ্টা মুহূর্তে ব্যর্থ করে দেওয়া সম্ভব হবে। আকাশপথে ৪০০ কিলোমিটার পর্যন্ত নজরদারি চালানোর ক্ষমতার কারণে ভারতের আকাশসীমা কার্যত দুর্ভেদ্য হয়ে উঠবে।

    ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা

    রাশিয়ার সঙ্গে চুক্তি অনুযায়ী পঞ্চম তথা শেষ এস-৪০০ স্কোয়াড্রনটি (S-400 Triumphal) ২০২৬ সালের শেষ নাগাদ ভারতে আসার কথা। ভারতের এই ক্রমাগত সামরিক শক্তিশালীকরণ দক্ষিণ এশিয়ার ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ (Air Defence System) বলেই ধারণা ওয়াকিবহাল মহলের। তাদের দাবি, কেন্দ্রীয় সরকার এবং ভারতীয় বায়ুসেনায় (IAF) এই আধুনিক প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার অন্তর্ভুক্তি, দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় এক নয়া উচ্চতায় পৌঁছতে চলেছে।

  • Iran: সামনে চলে এল তেহরানের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার ব্যর্থতা

    Iran: সামনে চলে এল তেহরানের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার ব্যর্থতা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইজরায়েলের যৌথ বিমান হামলায় কার্যত বিধ্বস্ত ইরানের (Iran) বিভিন্ন শহর। ওই দুই দেশ থেকে আসা ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করতে তেহরানের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার ব্যর্থতা সামনে চলে এসেছে। চিন (China) থেকে সম্প্রতি সংগ্রহ করা এইচকিউ-৯বি আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা, যা ইরান তার সামরিক সক্ষমতা বাড়াতে যুক্ত করেছিল, প্রত্যাশা পূরণে ব্যর্থ হয়েছে বলেই মনে হচ্ছে। এর আগে, ভারতের ‘অপারেশন সিঁদুর’ চলাকালে পহেলগাঁও জঙ্গি হামলার জবাবে পাকিস্তানে লক্ষ্যবস্তুতে হামলার সময়ও এইচকিউ-৯বি পর্যাপ্ত সুরক্ষা দিতে ব্যর্থ হয়েছিল। ইরানে এর দুর্বল প্রদর্শনের পর এখন সামরিক বিশ্লেষকরা এইচকিউ-৯বি-এর সক্ষমতা নিয়েই প্রশ্ন তুলছেন।

    আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার ব্যর্থতা (Iran)

    যদিও এই আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার ব্যর্থতা এর নকশাগত ত্রুটি বা সীমাবদ্ধতার ইঙ্গিত দিতে পারে, তবুও এটাও সম্ভব যে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইজরায়েলের সম্মিলিত বিমানশক্তি এইচকিউ-৯বি সমর্থিত পরিকাঠামোকে সম্পূর্ণভাবে চাপে ফেলে দিয়েছে। উপসাগরীয় অঞ্চলে সংঘাত শুরু হওয়ার পর তড়িঘড়ি করে যে প্রতিরক্ষা কাঠামো গড়ে তোলা হয়েছিল, তা হয়তো এই আক্রমণের তীব্রতা সামাল দিতে পারেনি। চায়না অ্যারোস্পেস সায়েন্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি কর্পোরেশন (CASIC) দ্বারা উন্নয়নকৃত এইচকিউ-৯বি মূলত রাশিয়ার এস-৩০০পিএমইউ এবং আমেরিকার প্যাট্রিয়ট পিএসি-২ সিস্টেম থেকে অনুপ্রাণিত হলেও পরে এটি সম্পূর্ণ দেশীয় আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থায় রূপান্তরিত হয়েছে। এটি প্রথম ২০০৬ সালে পরীক্ষা করা হয় এবং গত এক দশক ধরে ব্যবহৃত হচ্ছে (Iran)।

    লক্ষ্যবস্তু ধ্বংস করতে সক্ষম

    বিভিন্ন প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এর পাল্লা ২৬০ কিলোমিটার এবং এটি ৫০ কিলোমিটার উচ্চতা (China) পর্যন্ত উঠে উচ্চ-উচ্চতায় উড়ন্ত লক্ষ্যবস্তু ধ্বংস করতে সক্ষম। সক্রিয় রাডার হোমিং এবং প্যাসিভ ইনফ্রারেড সিকার প্রযুক্তির কারণে এটি স্টেলথ বিমান শনাক্ত ও আঘাত করতে কার্যকর। প্রতিবেদন অনুযায়ী, এইচকিউ-৯বি একই সঙ্গে ৬-৮টি লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে এবং প্রায় ১০০টি লক্ষ্যবস্তু ট্র্যাক করতে পারে। বেইজিং, তিব্বত এবং দক্ষিণ চিন সাগর অঞ্চলে এইচকিউ-৯বি মোতায়েন করা হয়েছে। এই এলাকাগুলি চিনের কাছে কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এলাকা। অর্থাৎ, এই ভূমি-থেকে-আকাশ ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা চিনের আকাশ প্রতিরক্ষা নেটওয়ার্কের একটি প্রধান স্তম্ভ (Iran)।

    ‘তেলের-বিনিময়ে-অস্ত্র’ চুক্তি

    উপসাগরীয় অঞ্চলে উত্তেজনা বাড়তে শুরু করলে ইরান তার সামরিক ভাণ্ডার শক্তিশালী করতে উদ্যোগী হয়। জানা গিয়েছে, চিনের সঙ্গে ‘তেলের-বিনিময়ে-অস্ত্র’ চুক্তির অংশ হিসেবে ইরান এইচকিউ-৯বি জোগাড় করে। ২০২৫ সালের সংঘাতে ইজরায়েলি ক্ষেপণাস্ত্রের বিরুদ্ধে রাশিয়ার এস৩০০পিএমইউ-২ দুর্বল পারফরম্যান্স দেখানোর পর এটি ছিল ইরানের বড় আপগ্রেড (China)। প্রতিবেদন অনুযায়ী, এইচকিউ-৯বি ছিল দূরপাল্লার প্রতিরক্ষা স্তর। এর সঙ্গে সহায়ক হিসেবে ছিল এস-৩০০পিএমইউ এবং ব্যাভার-৩৭৩, খোড়দাদ -১৫ ও রাড, এবং স্বল্প-পাল্লার টর-এম২, প্যান্টসার-এস১, জলফাকার এবং কৌশলগত এমএএনপিএডিএস ক্ষেপণাস্ত্র। সম্ভবত এইচকিউ-৯বি মোতায়েন করা হয়েছিল গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাগুলোর আশপাশে, যেমন নাতাঞ্জ পারমাণবিক কমপ্লেক্স, ফোরদো সমৃদ্ধিকরণ কেন্দ্র, ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পসের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন ঘাঁটি এবং তেহরান ও ইসফাহানের নিকটবর্তী বিমানঘাঁটি।

    যৌথভাবে হামলা

    সপ্তাহ ও মাসব্যাপী উত্তপ্ত বাকবিতণ্ডার পর শনিবার আমেরিকা ও ইজরায়েল ইরানের বিভিন্ন শহরে যৌথভাবে হামলা চালায়, যার জবাবে তেহরান তীব্র প্রতিক্রিয়া জানায়। ইরানের ৩১টি প্রদেশের মধ্যে ২০টিরও বেশি, রাজধানী তেহরান-সহ এই হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে (Iran)।পাল্টা হামলা ও প্রতি-হামলার ফলে মধ্যপ্রাচ্যের বিস্তীর্ণ অঞ্চল প্রভাবিত হয়েছে। বিশ্বের অন্যতম ব্যস্ত বিমানবন্দর দুবাই আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর বন্ধ করতে বাধ্য হয়েছে (China)। ইরান সংঘাতের পরিধি বাড়িয়ে মার্কিন মিত্র কাতার ও সংযুক্ত আরব আমিরশাহিকেও টার্গেট করেছে—এমন বার্তা দিতে যে শত্রুপক্ষের পাশে দাঁড়ালে তার পরিণতি ভোগ করতে হবে। হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেইনি নিহত হয়েছেন বলে জানানো হয়েছে, এবং তেহরান তাঁর হত্যার প্রতিশোধ নিতে ইতিহাসের সবচেয়ে ভয়ংকর আক্রমণাত্মক অভিযান চালানোর অঙ্গীকার করেছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প খামেইনিকে ইতিহাসের সবচেয়ে দুষ্ট ব্যক্তিদের একজন বলে অভিহিত করেছেন এবং বলেছেন, মধ্যপ্রাচ্য ও বিশ্বজুড়ে শান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্য অর্জন না হওয়া পর্যন্ত মার্কিন অভিযান অব্যাহত থাকবে (Iran)।

     

LinkedIn
Share