Tag: Air pollution

Air pollution

  • Firecrackers: প্রশাসনের গাফিলতিতেই রাতভর শব্দবাজির দাপট! কোন কোন রোগের আশঙ্কা বাড়িয়ে দিল?

    Firecrackers: প্রশাসনের গাফিলতিতেই রাতভর শব্দবাজির দাপট! কোন কোন রোগের আশঙ্কা বাড়িয়ে দিল?

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    কালীপুজোর আগের রাত থেকেই ইঙ্গিত পাওয়া গিয়েছিল। আর সেই ইঙ্গিত আরও প্রকটভাবে টের পাওয়া গেল দীপাবলির রাতে! এমনকি তারপরেও রেহাই নেই। কলকাতা থেকে আশপাশের জেলা, সর্বত্র বাজির দাপটে নাজেহাল শিশু থেকে প্রৌঢ়। রেহাই পায়নি পোষ্যরাও। শব্দবাজির বিকট আওয়াজ (Firecrackers) থেকে আলোর বাজির ধোঁয়ার দাপটে নাজেহাল রাজ্যবাসী। প্রশ্ন উঠছে প্রশাসনের তৎপরতা নিয়ে। চিকিৎসকদের আশঙ্কা, শীতের একাধিক রোগের ঝুঁকি কয়েকগুণ বেড়ে গেল।

    কোন কোন রোগের আশঙ্কা করছেন চিকিৎসকেরা? (Firecrackers)

    চিকিৎসকেরা জানাচ্ছেন, গত কয়েক দিন যেভাবে আলোর বাজির দাপট দেখা গিয়েছে, তাতে বাতাসে দূষণের মাত্রা কয়েকগুণ বেড়ে গিয়েছে। অধিকাংশ আতসবাজির থেকেই সাদা ধোঁয়া বের হয়। যার ফলে, বাতাসে নানান বিষাক্ত পদার্থ যোগ হয়। এর ফলে, বাড়বে ফুসফুসের রোগ। চিকিৎসকদের একাংশের আশঙ্কা, এর জেরে ফুসফুসের সংক্রমণ বাড়বে। বিশেষত শিশুদের ভোগান্তি বেশি হতে পারে। অ্যাজমা, হাঁপানির মতো একাধিক সমস্যা বাড়তে পারে। শ্বাসকষ্টের সমস্যা যাদের আছে, তাদের পরিস্থিতি আরও উদ্বেগজনক হতে পারে বলেও আশঙ্কা করছেন চিকিৎসক মহল। 
    শ্বাসনালীর সংক্রমণের ঝুঁকি কয়েকগুণ বেড়ে গেল বলেও আশঙ্কিত চিকিৎসক মহল। তাঁরা জানাচ্ছেন, যে হারে বাতাসে অক্সিজেনের পরিমাণ কমছে, তাতে শ্বাসনালীর সংক্রমণের ঝুঁকি বাড়ছে। বিশেষত শিশু ও বয়স্কদের কাশির সমস্যা বাড়তে পারে। দীর্ঘদিন কাশির সমস্যায় ভুগতে হতে পারে। 
    বাজির দাপটে (Firecrackers) ত্বকের সমস্যাও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, অধিকাংশ আলোর বাজিতে সীসা ব্যবহার হয়। সীসা ত্বকের জন্য ক্ষতিকর। আর এই মাত্রাহীন আলোর বাজি পোড়ানোর জেরে বাতাসে সীসা মিশছে। এর জেরে নানা রকম ত্বকের সমস্যা দেখা দিতে পারে। 
    আলোর পাশাপাশি সপ্তাহান্তে চলছে শব্দবাজির দাপট। আর এর জেরে অধিকাংশ হৃদরোগীর রক্তচাপের সমস্যা আরও বাড়বে বলেই আশঙ্কা করছেন চিকিৎসকদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, রাতভর লাগাতার শব্দবাজির দাপটে অধিকাংশ মানুষের রক্ত সঞ্চালনে ব্যাঘাত ঘটেছে। হঠাৎ তীব্র আওয়াজে হৃদস্পন্দন ওঠানামার ক্ষেত্রেও ছন্দপতন ঘটেছে। আর এর জেরেই হৃদরোগে আক্রান্তদের সমস্যা বাড়ছে। 
    লাগাতার এই বাজির দাপটে শিশু মনে মারাত্মক ক্ষতি করছে বলেও জানাচ্ছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ। তীব্র আওয়াজের জেরে মানসিক অস্থিরতা তৈরি হচ্ছে। এর ফলে শিশুরা কোনও কাজেই মনোযোগ দিতে পারছে না। এর সূদুর প্রসারী প্রভাব পড়বে বলেও আশঙ্কা করছেন চিকিৎসকেরা।

    প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে কী বলছেন সংশ্লিষ্ট মহল? (Firecrackers)

    দীপাবলির উদযাপনে বাজির দাপটে প্রশাসনের তৎপরতা নিয়েই প্রশ্ন তুলছেন বিশেষজ্ঞ মহল। তাদের প্রশ্ন, রাতে এলাকা পরিদর্শন আদৌও হয়েছে কি? আর পুলিশের এলাকা টহল ঠিকমতো হলে, রাতভর বাজি পোড়ানো (Firecrackers) হয় কীভাবে? কালীপুজোর আগে প্রশাসনের তরফ থেকে জানানো হয়েছিল, রাত আটটা থেকে দশটার মধ্যে বাজি পোড়ানো যাবে। শব্দবাজি ফাটানো যাবে না বলেও প্রশাসনের তরফে জানানো হয়েছিল। কিন্তু তারপরেও কীভাবে প্রশাসনের নজর এড়িয়ে রাতভর কলকাতা থেকে জেলা সর্বত্র বাজির দাপট চলেছে, সে নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন বিশেষজ্ঞ মহল। 
    যদিও এখনও এ প্রসঙ্গে কোনও কথা বলেননি রাজ্য প্রশাসনের শীর্ষ মহল।

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Pollution: ধোঁয়া আর ধুলোয় বাড়ছে ফুসফুসের অসুখ! দেওয়ালি নিয়ে উদ্বিগ্ন চিকিৎসক মহল!

    Pollution: ধোঁয়া আর ধুলোয় বাড়ছে ফুসফুসের অসুখ! দেওয়ালি নিয়ে উদ্বিগ্ন চিকিৎসক মহল!

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    আবহাওয়ার বদল হচ্ছে। দিনের শেষে কমছে তাপমাত্রার পারদ। বছরের এই সময়ে বাতাসে বাড়ে ধুলোকণার পরিমাণ। তার সঙ্গে চলছে দীপাবলির উদযাপন। তাই দেদার বাজির দাপট। বাতাসে ধোঁয়ার পরিমাণও বাড়ছে (Pollution)। আর সব মিলিয়ে বিপদ বাড়ছে ফুসফুসের! বঙ্গবাসীর ফুসফুসের অসুখ নিয়ে তাই উদ্বিগ্ন চিকিৎসক মহল।

    কোন ভোগান্তির আশঙ্কা করছেন বিশেষজ্ঞ মহল? 

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, তাপমাত্রার পরিবর্তনের জেরে বছরের এই সময়ে অনেকেই সর্দি-কাশিতে ভোগেন। ভাইরাসঘটিত সংক্রমণ থেকেই ফুসফুসের সমস্যা দেখা দেয়। শীতের শুরুতে তাপমাত্রার হঠাৎ পরিবর্তনে বাতাসে ধুলোকণার পরিমাণ বেড়ে যায়। এর জেরে ফুসফুসের অসুখের ঝুঁকি বাড়ে। এ বছরেও দেখা গিয়েছে, অসংখ্য মানুষ ফুসফুসের সংক্রমণে ভুগছেন। বিশেষত শিশুদের মধ্যে এই সংক্রমণে আক্রান্তের সংখ্যা বেশি দেখা গিয়েছে। অক্টোবরের শেষ সপ্তাহ থেকেই কলকাতা ও আশপাশের এলাকার বহু সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালে ফুসফুসের সংক্রমণের রোগী ভর্তির ক্ষেত্রে শয্যাসঙ্কটও দেখা গিয়েছিল। আক্রান্ত শিশুদের ভোগান্তি বেড়েছিল। 
    দীপাবলির উদযাপনে বাজির দাপটে সেই ভোগান্তি আরও কয়েকগুণ বাড়বে বলেই আশঙ্কা করছেন চিকিৎসক মহল। তাঁরা জানাচ্ছেন, আলোর বাজি হোক কিংবা শব্দবাজি, পরিবেশ বান্ধব না হলেই ফুসফুসের বিপদ। বিশেষজ্ঞ মহল জানাচ্ছেন, আলোর বাজি পোড়ালেই এক ধরনের সাদা ধোঁয়া দেখা যায় (Pollution)। বিশেষত তুবড়ি, রংমশালের মতো বাজিতে মারাত্মক ধোঁয়া দেখা দেয়। আর এতে সীসা, লোহার মতো নানা রাসায়নিক পদার্থ পোড়ার ধোঁয়া মিশে যায়। ফলে, বাতাসের দূষণ কয়েকগুণ বেড়ে যায়। শব্দবাজিও দূষণের প্রকোপ বাড়ায় বলেই জানাচ্ছেন বিশেষজ্ঞ মহল। শব্দের দাপটের পাশাপাশি, শব্দ বাজি থেকে এক ধরনের ধোঁয়া বের হয়, যা একেবারেই অস্বাস্থ্যকর। তাই বিপদ তৈরি হয়। 
    চিকিৎসকেরা জানাচ্ছেন, এই দূষিত বাতাসের (Pollution) সবচেয়ে বেশি কুপ্রভাব পড়ে ফুসফুসের উপরে। এর জেরে অ্যাস্থেমা, হাপানি সহ একাধিক শ্বাসকষ্টজনিত অসুখে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি বাড়ে। কাশির সমস্যা দেখা দিতে পারে। অক্সিজেনের অভাবে নানান শারীরিক সমস্যা দেখা দেওয়ার আশঙ্কা থাকে।

    ফুসফুসের অসুখে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি কাদের বেশি?

    চিকিৎসকেরা জানাচ্ছেন, শিশুদের ফুসফুসের অসুখে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি সবচেয়ে বেশি। এমনকি এই সময়ে দূষিত বাতাসের (Pollution) জেরে শিশুদের হাঁপানির মতো রোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকিও দেখা দিতে পারে। তবে, যাদের শ্বাসকষ্টজনিত কোনও সমস্যা আছে, এই সময়ে তাদের বাড়তি সতর্কতা দরকার। কারণ, এই সময়ে তাদের সমস্যা বাড়তে পারে। পাশপাশি পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে ওঠার আশঙ্কাও থাকছে বলে জানাচ্ছেন বিশেষজ্ঞ মহল।

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Delhi Air Pollution: মাত্রা ছাড়া বায়ুদূষণ দেশের রাজধানীতে, স্কুল বন্ধের নির্দেশ দিলেন কেজরিওয়াল

    Delhi Air Pollution: মাত্রা ছাড়া বায়ুদূষণ দেশের রাজধানীতে, স্কুল বন্ধের নির্দেশ দিলেন কেজরিওয়াল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রতি বছরই বায়ুদূষণে নাজেহাল হয়ে পড়েছে দেশের রাজধানী দিল্লী। এই সময়ে পাঞ্জাব, হরিয়ানা ও পশ্চিম উত্তরপ্রদেশের কৃষকেরা জমির খড় পোড়ানোর ফলে দিল্লী ও নয়ডার বিস্তীর্ণ অঞ্চল কালো ধোঁয়ায় ঢেকে যায়।কালই দিল্লীর বেশ কিছু অঞ্চলে এয়ার কোয়ালিটির মান ৪৫৮ ছাড়িয়েছ  যা বিশেষজ্ঞদের মতে গুরুতর বলে জানিয়েছিলে। 
    এই নিয়ে বিষয়টিতে লেগেছিল রাজনৈতিক রঙ। দিল্লীর এমন আবহাওয়া নিয়ে কেজরিওয়ালকে নিশানা করেছিলেন কেন্দ্রীয় পরিবেশমন্ত্রী ভুপেন্দ্র যাদব। তিনি ট্যুইটারে দেশের রাজধানীকে ১৯৫২ সালের লন্ডনের গ্যাস চেম্বারের সাথে তুলনা করেন। দিল্লীর বিজেপি সভাপতি আদেশ গুপ্তা কালই সরকারের কাছে স্কুল বন্ধের আর্জি জানান। এদিকে জাতীয় শিশু অধিকাররক্ষা কমিশন দিল্লি সরকারের কাছে চিঠি লিখে আবেদন জানিয়েছিলেন স্কুল বন্ধ রাখার।

    এই সামগ্রিক দিকগুলো মাথায় রেখে আগামীকাল কাল থেকে দিল্লীর প্রাথমিক স্কুলগুলি সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা সিদ্ধান্ত নিয়েছেন দিল্লী সরকার। পঞ্চম থেকে সপ্তম শ্রেনীর ছাত্রছাত্রীদের আউটডোর এক্টিভিটি বন্ধ থাকবে। এছাড়াও পরিবেশমন্ত্রী গোপাল রাই জানান, ৫০ শতাংশ সরকারি কর্মচারীরা বাড়ি থেকে কাজ করবেন এবং বেসরকারি কোম্পানিগুলিকেও এই নির্দেশ মানার জন্য অনুরোধ করেন। ডিজেল চালিত মোটর সাইকেলের উপর নিষেধাজ্ঞা জারী করেছেন। তিনি দিল্লীবাসীকে অনুরোধ করেছেন নিজেদের ব্যক্তিগত যানবাহনের বদলে গণপরিবহন ব্যবহার করতে। বেসরকারি কোম্পানির সহায়তায় সরকার আরও ৫০০টি সিএনজি চালিত বাস চালু করবে। দিল্লীতে যে কোনো নির্মান কাজ বন্ধ রাখারও নির্দেশ দেন। এছাড়াও পরিবেশমন্ত্রী জানান দিল্লীতে যে সব স্থানে বায়ুদূষণের মাত্রা অধিক সেই সব স্থানে বায়ুদূষণ নিয়ন্ত্রণে বিশেষ টাস্কফোর্স তৈরি করা হবে।

     

    মুখ্যমন্ত্রী কেজরীওয়াল জানিয়েছেন পাঞ্জাবে যেহেতু আম আদমি পার্টির সরকার রয়েছে তাই তারা পাঞ্জাব থেকে সৃষ্ট এই ধোঁয়া নিয়ন্ত্রণের জন্য সবরকম প্রয়াস করবেন। পাঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রী ভগবন্ত মান জানিয়েছেন, ধান কাটার ফলে খড় পোড়ানো বেড়েছে। বর্তমানে পাঞ্জাব সরকারের পক্ষ থেকে খড় পোড়ানোর পরিবর্তে কৃষকদের খড় মাটিতে পুতে ফেলার নির্দেশ দিয়েছেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Air Pollution: বিশ্বের সব চেয়ে দূষিত শহরের তালিকায় শীর্ষে দিল্লি, কলকাতা কত নম্বরে জানেন?

    Air Pollution: বিশ্বের সব চেয়ে দূষিত শহরের তালিকায় শীর্ষে দিল্লি, কলকাতা কত নম্বরে জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নির্বিচারে চলছে অরণ্য নিধন। তার জেরে নিত্য বিষিয়ে যাচ্ছে বায়ু (Air Pollution)। কলকারখানার বিষবাষ্পও মিশছে এর সঙ্গে। তাই বাতাস হচ্ছে ভারী। বাতাসে মিশে থাকা ক্ষতিকর রাসায়নিকের গভীর প্রভাব পড়ছে শরীরে। জানা গিয়েছে, বিশ্বের সব চেয়ে দূষিত শহরগুলি তালিকায় ঠাঁই হয়েছে দিল্লি, মুম্বই ও কলকাতার। রবিবার প্রকাশিত হয় বিশ্বের সব চেয়ে দূষিত শহরগুলির তালিকা। সেখানেই দেখা গিয়েছে, তালিকার শীর্ষে রয়েছে দিল্লি। তিন নম্বরে রয়েছে কলকাতা। আর ছ’ নম্বর জায়গা দখল করেছে বাণিজ্যনগরী মুম্বই।

    দূষিত শহরের তালিকা

    সুইস গ্রুপ আইকিউএয়ারের তরফে প্রকাশিত তথ্য থেকে জানা গিয়েছে, আজ, ৫ নভেম্বর বিশ্বের সব থেকে দূষিত (Air Pollution) শহর দিল্লি। এখানে বাতাসের একিউআই হল ৪৮৩। তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে পাকিস্তানের লাহোর। তৃতীয় স্থানে রয়েছে কলকাতা। এখানে বাতাসের একিউআই ২০৬। ওই তালিকায় ঢাকা ও করাচির জায়গা হয়েছে যথাক্রমে চতুর্থ ও পঞ্চম স্থানে। ষষ্ঠ স্থানে ঠাঁই হয়েছে বাণিজ্য নগরী মুম্বইয়ের। এখানে বাতাসের একিউআই ১৬২। এর পরে রয়েছে চিনের বেশ কয়েকটি শহর ও কুয়েত সিটি।

    পঞ্চাশের গণ্ডি পার হলেই বিপদ!

    জানা গিয়েছে, একিউআই ০ থেকে ৫০ এর মধ্যে হলে, তা শরীরের কোনও ক্ষতি করে না। তবে পঞ্চাশের গণ্ডি পার হলেই বিপদ। ৪০০ থেকে ৫০০ হলে তো কথাই নেই। দিল্লির বাসিন্দাদের একটা বড় অংশের বক্তব্য, তাঁদের চোখ জ্বালা করছে, গলা চুলকোচ্ছে। কারও কারও আবার শ্বাস নিতেও কষ্ট হচ্ছে। ফি বার শীতের সময় দিল্লির বাতাসে বাড়ে একিউআইয়ের (Air Pollution) পরিমাণ। এর প্রধান কারণ হল, নগরায়ন। বাড়ছে দিল্লির পরিসর। পাল্লা দিয়ে বাড়ছে জনসংখ্যাও। গোদের ওপর বিষফোঁড়ার মতো রয়েছে পঞ্জাব এবং হরিয়ানা থেকে আসা ধোঁয়া। পঞ্জাব ও হরিয়ানায় ফসল কেটে নেওয়ার পর গাছের গোড়া  পোড়াতে জমিতে লাগানো হয় আগুন। একরের পর একর জমিতে লাগানো ওই আগুনের ধোঁয়া এসে মেশে দিল্লির বাতাসে। তাই বাতাসে বেড়ে যায় একিউআইয়ের পরিমাণ। যার জেরে বাতাস হয়ে ওঠে ভারী। ভোগান্তির শেষ থাকে না দিল্লিবাসীর।  

    আরও পড়ুুন: “মহাদেবের নামেও লুট করতে ছাড়ছে না কংগ্রেস”, ছত্তিশগড়ে তোপ মোদির

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

     

     

  • Delhi Pollution: দূষণ বিষে নাভিশ্বাস দিল্লির! বন্ধ স্কুল, গাড়ি চলায় নিষেধাজ্ঞা, সতর্কবার্তা হাইকোর্টের

    Delhi Pollution: দূষণ বিষে নাভিশ্বাস দিল্লির! বন্ধ স্কুল, গাড়ি চলায় নিষেধাজ্ঞা, সতর্কবার্তা হাইকোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গত পাঁচ বছরে দেশের সবেচেয় দূষিত শহরের তকমা রয়েছে রাজধানী দিল্লির মুকুটে। দূষণ বিষে গ্যাস চেম্বারের মতো পরিস্থিতি হয়েছে দিল্লির। ধোঁয়ায় ঢেকেছে আকাশ। বাংলায় বাড়তে থাকা দূষণও উদ্বেগের কারণ হয়ে উঠছে। রাজ্য পরিবেশ দফতরও জানিয়েছে, কলকাতা সহ এ রাজ্যের কয়েকটি জেলায় দূষণের মাত্রা বেড়েছে। দূষণের নিরিখে কলকাতা দ্বিতীয় স্থানে, দিল্লির পরেই। 

    ঘন ধোঁয়াশায় ঢাকা দিল্লি

    বায়ুদূষণের তীব্রতা এতটাই বেড়েছে, যে দিল্লির সব প্রাথমিক স্কুল দুই দিনের জন্য বন্ধ রাখার কথা ঘোষণা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল। কেজরি বলেছেন,  ‘বায়ুদূষণ বাড়তে থাকায় দিল্লির সব সরকারি ও বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় আগামী দু’দিন বন্ধ থাকবে।’ এদিকে পাথর ভাঙা, খনি খননের মতো কাজও বন্ধ করা হয়েছে। সুনির্দিষ্ট কিছু প্রকল্প ছাড়া বন্ধ রাখা হয়েছে অন্যান্য পরিকাঠামোগত উন্নয়নমূলক কাজও।  উল্লেখ্য, গতকালই দিল্লির দূষণ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন মার্কিন রাষ্ট্রদূত। এদিন সকালে ঘন ধোঁয়াশা ঢেকে যায় গোটা দিল্লি। পরিস্থিতি ‘খুব খারাপ’ বলে জানিয়ে দেয় আবহাওয়া দফতর। দূষণ নিয়ন্ত্রণ পর্ষদের দেওয়া তথ্য় অনুযায়ী, সকাল ৭টা নাগাদ দিল্লির এয়ার কোয়ালিটি ইনডেক্স (একিউআই) ছিল ৩৪৬। এর মধ্য়ে আবার অশোক বিহার ও টি থ্রি টার্মিনাল এলাকার একিউআইয়ের পরিমাণ ছিল আরও বেশি। এই দু’টি জায়গাতেই দূষণের মাত্রা ছিল যথাক্রমে ৪৩০ ও ৪৭৩।

    কলকাতাতেও বাড়ছে দূষণ

    এই অবস্থায় এদিন জরুরি বৈঠক ডেকেছেন দিল্লির পরিবেশমন্ত্রী গোপাল রাই। যান চলাচলের ক্ষেত্রেও বেশ কিছু নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে কেন্দ্রীয় দূষণ নিয়ন্ত্রণ পর্ষদ। দিল্লি, গুরুগ্রাম, ফরিদাবাদ, গাজিয়াবাদ ও গৌতম বুদ্ধ নগরে বিএস থ্রি পেট্রোল ও বিএস ফোর ডিজেলের চার চাকার গাড়ি চলাচল বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।  একিউআরের পরিমাণ অস্বাভাবিক বেড়ে যাওয়ায় রাজধানীতে বাড়ছে শ্বাসকষ্ট, হৃদরোগ ও সিওপিডি জনিত রোগীর সংখ্যা। পিছিয়ে নেই কলকাতাও। দিল্লির পরেই কলকাতার স্থান। গবেষণা এমনও বলছে যে, ২০২৩ সালে এ রাজ্যে বাতাসে ভাসমান দূষিত কণা বা অ্যারোসলের মাত্রা ৮ শতাংশ বেড়ে যাবে যা রাজ্যবাসীর কাছে মোটেই সুখকর হবে না। দিল্লি, কলকাতা ছাড়াও দূষিত শহরগুলির তালিকায় ছিল মুম্বাই, চেন্নাই, বেঙ্গালুরু, লখনউ এবং পাটনা। 

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Air Pollution: দিল্লি দূরে নয়! কলকাতার কিছু এলাকায় বায়ুদূষণের মাত্রা রাজধানীর থেকেও বেশি

    Air Pollution: দিল্লি দূরে নয়! কলকাতার কিছু এলাকায় বায়ুদূষণের মাত্রা রাজধানীর থেকেও বেশি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শীতের শুরুতেই শহরে বাড়ছে দূষণের পরিমাণ। বায়ুদূষণে এবার দিল্লিকে ছুঁতে বসেছে কলকাতা। গবেষণায় দেখা যাচ্ছে, কলকাতার কিছু এলাকায় দূষণের মাত্রা রাজধানীর থেকেও বেশি। বাতাসে দূষণের পরিমাণ কতটা তা দেখা হয় এয়ার কোয়ালিটি ইনডেক্স দিয়ে। বিশেষজ্ঞদের মতে,এয়ার কোয়ালিটি ইনডেক্স বা AQI  শূন্য থেকে ৫০ হলে, সেখানকার বাতাসের মান ভাল।  AQI ৫১ থেকে ১০০-র মধ্যে হলে তা satisfactory বা সন্তোষজনক। ১০১ থেকে ২০০ হলে তা মডারেট বা পরিমিত। AQI ২০০ থেকে ৩০০ পর্যন্ত থাকলে সেখানকার বাষুদূষণ poor বা খারাপ। এই বাতাসে বেশিক্ষণ থাকলে ফুসফুসের সমস্যা বা শ্বাসকষ্ট হতে পারে। ৩০১ থেকে ৪০০ পর্যন্ত পৌঁছে গেলে তা ভীষণই উদ্বেগের। এরকম জায়গায় বেশিক্ষণ নিঃশ্বাস নিলে শ্বাসযন্ত্রের সমস্যা হতে পারে। আর AQI ৪০১- ৫০০ হলে তা সিভিয়ার, মারাত্মক উদ্বেগের। সারা বছর AQI ২০০-র আশপাশে ঘোরাফেরা করলেও, শীতের সময় দূষণের মাত্রা বাড়ে।  গত ২ দিনে, কলকাতার অধিকাংশ জায়গায় দেখা যাচ্ছে, AQI ৩০০-র ওপরে।

    কলকাতার এখন অবস্থা

    ন্যাশনাল এয়ার কোয়ালিটি ইনডেক্সের মাপ অনুযায়ী, বালিগঞ্জ, ভিক্টোরিয়া, ফোর্ট উইলিয়াম, রবীন্দ্রভারতী বিশ্ববিদ্যালয় চত্বর, রবীন্দ্র সরোবর এলাকায় দূষণের মাপ ধরা পড়েছে অনেকটাই বেশি। বাতাসে ভাসমান সূক্ষ্ম ধূলিকণার এই বেড়ে যাওয়া নিয়ে চিন্তায় পরিবেশবিদ ও চিকিৎসকরা। দীপাবলিতে মহানগরে যে পরিমাণ দূষণ ছিল ডিসেম্বরের প্রথম রবিবার তা ছাপিয়ে গেল৷ ন্যাশনাল এয়ার কোয়ালিটি ইনডেক্সের মাপ অনুযায়ী, রবিবার শহরে দূষণের সূচক ছিল ৩০১ থেকে ৪০০ একিউআই-এর মধ্যে। এখানে সকাল ৬টা থেকে সন্ধ্যা ৬ টা পর্যন্ত দূষণের সূচক ছিল ৩২৮ একিউআই। যাদবপুরে ৩১৩, সল্টলেকে ৩০২, বালিগঞ্জে ২৯৯ এবং আরবিইউতে ছিল ২৯১ একিউআই। এই অবস্থায় বয়স্ক মানুষ এবং শিশুদের শারীরিক সমস্যা বাড়ার আশঙ্কা করছেন চিকিৎসকেরা। বায়ুদূষণ নিয়ে বোস ইনস্টিটিউটের পূর্বাভাস, ২০১৯ সালের তুলনায় এবছর শীতে কলকাতায় বায়ুদূষণ ৮ শতাংশ বৃদ্ধি পাবে।

    আরও পড়ুন: মাত্রা ছাড়া বায়ুদূষণ দেশের রাজধানীতে, স্কুল বন্ধের নির্দেশ দিলেন কেজরিওয়াল

    নিয়ন্ত্রণের উপায়

    বোস ইনস্টিটিউটের সহযোগী অধ্যাপক অভিজিৎ চট্টোপাধ্যায় বলেন, গত দুই বছর করোনা অতিমারির কারণে দূষণ কম ছিল৷ কিন্তু, করোনা কাটার পরেই দূষণও বেড়েছে। এই অবস্থায় দূষণ রোধে কঠোর পদক্ষেপের প্রয়োজন রয়েছে বলে তিনি জানিয়েছেন। শুধু তাই নয়, ওই ইনস্টিটিউটের মতে, ২০২৩ সালে রাজ্যে এরোসল দূষণ ৮% বৃদ্ধি পাবে। যা এরোসল দূষণের মানচিত্রে পশ্চিমবঙ্গ সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ অর্থাৎ রেড জোনে ঢুকে পড়বে। দেশে এরোসল দূষণের ক্ষেত্রে বিহারের পরেই পশ্চিমবঙ্গ দ্বিতীয় স্থানে অবস্থান করবে। গবেষণাপত্রে পশ্চিমবঙ্গের এরোসল দূষণের পরিমাণ কমানোর জন্য কিছু সুনির্দিষ্ট সুপারিশ করা হয়েছে। চিরাচরিত জ্বালানির পদ্ধতি থেকে তৈরি হওয়া দূষণ এরোসেল দূষণের প্রধান কারণ। সম্প্রতি এলপিজি দাম বৃদ্ধির ফলে গরিব মানুষেরা আবার চিরাচরিত কাঠ, কয়লা দিয়ে রান্নার পদ্ধতিতে ফিরে গেছে। পাশাপাশি রাস্তার ধারে খাবারের দোকানগুলির সংখ্যাও দিনে দিনে বৃদ্ধি পাচ্ছে। এগুলি বন্ধ করতে হবে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Delhi Pollution: রাজধানীতে বায়ু দূষণ চরমে, নির্মাণ কাজ বন্ধ রাখার নির্দেশ দিল্লি সরকারের

    Delhi Pollution: রাজধানীতে বায়ু দূষণ চরমে, নির্মাণ কাজ বন্ধ রাখার নির্দেশ দিল্লি সরকারের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশের রাজধানী দিল্লির পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠেছে। একদিকে পারদ পতন অন্যদিকে ভয়ঙ্কর বায়ু দূষণ। আজ, মঙ্গলবার সকাল থেকে দিল্লির বাতাসের অবস্থা আরও বিপজ্জনক হয়ে উঠেছে। বাতাসের গুণগত মান ৫০০-কেও ছাড়িয়ে গিয়েছে। এয়ার কোয়ালিটি ইনডেক্স হয়েছে ৫৫১। আর রাজধানীর এই অবস্থার ফলে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত দিল্লিতে নির্মাণ কাজ ও ভাঙার কাজ (Construction And Demolition Activities) বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে দিল্লি সরকারের তরফে।

    দিল্লিতে বাতাসের মান ক্রমাগত হ্রাস পাচ্ছে। প্রায় কয়েক দিন ধরেই দিল্লির বিভিন্ন এলাকায় বাতাসের মান ৪০০-৫০০ রেঞ্জ বা ‘গুরুতর’ বিভাগে ছিল। জানুয়ারি থেকে দূষণের মাত্রা সর্বোচ্চ হওয়ায় দিল্লির কিছু এলাকায় সূচক সাড়ে পাঁচশো-এর গন্ডিও ছাপিয়ে নতুন রেকর্ড করেছে। আগে থেকেই আশঙ্কা করা হয়েছিল যে, নভেম্বর মাস থেকে বাতাসের পরিবর্তন এবং অন্যান্য আবহাওয়া পরিস্থিতির কারণে শহরের বাতাসের মান আরও খারাপ হবে। দিল্লির পরিবেশমন্ত্রী গোপাল রাই রবিবার এক সংবাদ সম্মেলনে বলেন, “বিশেষজ্ঞরা ভবিষ্যদ্বাণী করেছেন যে ১ নভেম্বর থেকে বাতাসের গতি কমবে এবং এর দিক পরিবর্তন হবে। এর ভিত্তিতেই জানা গিয়েছে এয়ার কোয়ালিটি ইনডেক্স ৪০০ ছাড়িয়ে যাবে।”

    দিল্লিতে যেসব জায়গায় বাতাসের পরিমাণ ভয়াবহ সেসব স্থানগুলোকে হটস্পট ধরা হয়েছে। সেসব জায়গাগুলোর মধ্যে রয়েছে নরেলা, আনন্দ বিহার, মুন্ডকা, দ্বারকা, পাঞ্জাবি বাগ, আরকে পুরম, রোহিনী, বাওয়ানা, ওখলা, জাহাঙ্গীরপুরি, উজিরপুর এবং মায়াপুরী। আর এসব জায়গায় গত রবিবার কমপক্ষে ২২টি দমকল টেন্ডার পাঠানো হয়েছে কারণ দিল্লি ফায়ার সার্ভিস এই হটস্পটগুলোতে জল ছেটানোর ব্যবস্থা করেছে। এছাড়াও এদিন গোপাল রাই জানিয়েছেন, নির্মাণ কাজ বন্ধ রাখার জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়েছে ও সেগুলো নিরীক্ষণের জন্য ৫৮৬টি দল গঠন করা হয়েছে। তবে বিশেষ কিছু ক্ষেত্রে যেমন হাসপাতাল, রেলওয়ে, বিমানবন্দর এবং এই জাতীয় অন্যান্য পাবলিক কার্যক্রমে ছাড় দেওয়া হবে। তিনি আরও জানিয়েছেন, ধুলো কমাতে শহরজুড়ে জল ছেটানোর জন্য ৫২১টি মেশিন ও ২৩৩টি অ্যান্টি-স্মোগ গান-এর ব্যবস্থা করা হয়েছে।

    উল্লেখ্য, বাতাসের গুণগত মান ০ থেকে ৫০-য়ের মধ্যে ঘোরাফেরা করলে সেটি ভালো। ৫১ থেকে ১০০-য়ের মধ্যে থাকলে, সন্তোষজনক। ১০১ থেকে ২০০-য়ের মধ্যে থাকলে সেটা মধ্যম। আর ২০১ থেকে ৩০০-য়ের মধ্যে থাকলে সেটা খারাপ, ৩০১ থেকে ৪০০-য়ের মধ্যে থাকলে সেটা খুব খারাপ। আর ৪০১ থেকে ৫০০-য়ের মধ্যে থাকলে সেটা ভয়াবহ। ফলে দিল্লির পরিস্থিতি আক্ষরিক অর্থেই ভয়াবহ।

  • Air pollution: বায়ুদূষণের ফলে ভারতীয়দের আয়ু কমবে ৫ বছর! দাবি গবেষণায়

    Air pollution: বায়ুদূষণের ফলে ভারতীয়দের আয়ু কমবে ৫ বছর! দাবি গবেষণায়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বায়ুদূষণের জেরে দেশবাসীর প্রত্যাশিত আয়ু কমতে পারে প্রায় পাঁচ বছর। এমনই দাবি শিকাগো বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকদের। ওই বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীন এনার্জি পলিসি ইনস্টিটিউটের (Energy Policy Institute at the University of Chicago)এয়ার কোয়ালিটি লাইফ ইনডেক্সের (একিউএলআই) নবতম রিপোর্টে এই কথা বলা হয়েছে। এই রিপোর্ট অনুযায়ী, দেশের সবচেয়ে দূষিত শহর দিল্লি। দূষণের জেরে সেখানে আয়ু কমতে পারে ১০.১ বছর। অন্য দিকে,বিশ্বে বায়ুদূষণের জেরে ৯৭.৩ শতাংশ নাগরিকের জীবনই ঝুঁকির মুখে।

    ২০২০ সালে বিশ্বের নানা প্রান্ত থেকে প্রাপ্ত তথ্যের উপর ভিত্তি করে ওই রিপোর্ট তৈরি করা হয়েছে। গবেষণায় দেখা গিয়েছে, ৬৩ শতাংশ ভারতীয় দেশের এমন অঞ্চলে বাস করেন, যেখানে বায়ুদূষণ জাতীয় মানের (প্রতি ঘনমিটারে ৪০ মাইক্রোগ্রাম)উপরে। তথ্য অনুযায়ী, বিশ্বের বায়ুদূষিত দেশগুলির তালিকায় বাংলাদেশের (৭৫.৮ মাইক্রোগ্রাম/ঘনমিটার, নাগরিকদের আয়ু কমতে পারে ৬.৯ বছর) পরেই রয়েছে ভারত। দেশে বায়ুদূষণের নিরিখে পশ্চিমবঙ্গ রয়েছে সপ্তম স্থানে। এ রাজ্যে দূষণের পরিমাণ ৬৫.৪ মাইক্রোগ্রাম/ঘনমিটার। তার ফলে রাজ্যবাসীর আয়ু কমতে পারে ৫.৯ বছর।

    আরও পড়ুন: ৫ জুন বিশ্ব পরিবেশ দিবস, জেনে নিন এই দিনের তাৎপর্য

    শিকাগো বিশ্ববিদ্যালয়ের ওই রিপোর্ট বলছে, বিশ্বে বায়ুদূষণের জেরে মানুষের আয়ু কমতে পারে ২.২ বছর। অন্য দিকে ধূমপানে ১.৯ বছর, মদ্যপানে আট মাস, অসুরক্ষিত জলের মাধ্যমে সাত মাস, এইচআইভি ৪ মাস, ম্যালেরিয়া ৩ মাস এবং সন্ত্রাসের জেরে আয়ু কমতে পারে ৯ দিন। এই গবেষণা অনুযায়ী, ২০১৩ সাল থেকে পৃথিবীতে দূষণবৃদ্ধির হারের ৪৪ শতাংশের জন্য দায়ী ভারত। ২০১৩ সালে যেখানে প্রতি ঘনমিটারে ৫৩ মাইক্রোগ্রাম দূষণ ছিল, সেটাই বর্তমানে বেড়ে হয়েছে প্রতি ঘনমিটারে ৫৫.৭ মাইক্রোগ্রাম। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (হু)-র বেঁধে দেওয়া সীমার (প্রতি ঘনমিটারে ৫ মাইক্রোগ্রাম) চেয়ে যা ১১ গুণ বেশি! গত বছর দূষণ বিধির ক্ষেত্রে পরিবর্তন করেছিল হু। আগে বছরে প্রতি ঘনমিটারে ১০ মাইক্রোগ্রাম দূষণ সহনশীল হিসাবে বিবেচিত হত। তা কমিয়ে করা হয়েছে প্রতি ঘনমিটারে ৫ মাইক্রোগ্রাম। দূষণবৃদ্ধির কারণ হিসাবে জনসংখ্যা বৃদ্ধি, কলকারখানা বৃদ্ধি, গাছ কেটে শহরাঞ্চলের প্রসারকে দায়ী করা হয়েছে। প্রতিবছরই শীতকালে প্রায় ধোঁয়াশায় ঢেকে যায় রাজধানী দিল্লি। এ বিষয়ে বারবার সতর্ক হওয়ার কথা বলেছেন পরিবেশবিদরা।

LinkedIn
Share