Tag: aircraft

aircraft

  • US Military Aircraft: ১০৪ অবৈধ অভিবাসী নিয়ে অমৃতসরে এল মার্কিন সামরিক বিমান, এরপর কী?

    US Military Aircraft: ১০৪ অবৈধ অভিবাসী নিয়ে অমৃতসরে এল মার্কিন সামরিক বিমান, এরপর কী?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ১০৪ জন অবৈধ অভিবাসী নিয়ে অমৃতসরের (Amritsar) শ্রী গুরু রামদাসজি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করল একটি মার্কিন সামরিক বিমান (US Military Aircraft)।

    অবতরণ করল মার্কিন সামরিক বিমান (US Military Aircraft)

    বুধবার ১.৫৫ মিনিটে বিমানটি অবতরণ করেছে। এদিন যাদের ভারতে ফেরত পাঠানো হয়েছে, তাঁদের মধ্যে ৩০ জন পাঞ্জাবের, ৩৩ জন হরিয়ানার ও গুজরাটের। মহারাষ্ট্র ও উত্তরপ্রদেশে তিনজন করেও রয়েছেন। রয়েছেন চণ্ডীগড়ের দুজনও। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ ও যাচাই-বাছাইয়ের পর প্রশাসন তাদের পাঞ্জাব ও হরিয়ানায় নিজেদের বাড়িতে ফেরানোর ব্যবস্থা করেছে। এদিন যাঁদের ভারতে ফেরত পাঠানো হয়েছে, তাঁদের পরিবারের কেউই তাঁদের নিতে বিমানবন্দরে আসেননি।

    ট্রাম্প প্রশাসনের উদ্যোগ

    প্রসঙ্গত, মার্কিন সামরিক বিমান সি-১৭-তে করে ট্রাম্প প্রশাসন ভারতে ফেরত পাঠাল প্রথম দফার অবৈধ অভিবাসীদের। ২০ জানুয়ারি ৪৭তম মার্কিন প্রেসিডেন্ট পদে শপথ নেন ট্রাম্প। তার পরেই দেশটির আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলি অবৈধ অভিবাসীদের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ করা শুরু করে। অনেক পাঞ্জাবি, যারা লাখ লাখ টাকা খরচ করে “ডাঙ্কি রুট” বা অন্যান্য অবৈধ উপায়ে আমেরিকায় প্রবেশ করেছিলেন, মূলত তাঁদেরই তাড়াচ্ছে ট্রাম্প প্রশাসন।

    অপরাধের রেকর্ড থাকলে পাঠানো হচ্ছে ডিটেনশন সেন্টারে

    জানা গিয়েছে, পাঞ্জাব পুলিশ ও ইন্টেলিজেন্স ব্যুরো যৌথভাবে পরীক্ষা চালাচ্ছে। যাঁদের বিরুদ্ধে কোনও অপরাধমূলক অতীত বা রেকর্ড নেই, তাঁদেরকে সঙ্গে সঙ্গেই চলে যাওয়ার অনুমতি দেওয়া হচ্ছে (US Military Aircraft)। তবে, যাঁদের বিরুদ্ধে অপরাধমূলক রেকর্ড রয়েছে, পরবর্তী পদক্ষেপের জন্য তাঁদের নিয়ে যাওয়া হবে ডিটেনশন সেন্টারে। প্রতিটি ক্ষেত্রেই সংশ্লিষ্ট রাজ্যের যাচাই প্রক্রিয়া চলছে। আমেরিকা থেকে যাঁদের ফেরত পাঠানো হয়েছে, তাঁদের অফিসিয়াল নিশ্চিতকরণের জন্য অপেক্ষা করতে হচ্ছে। প্রসঙ্গত, এর আগে বিভিন্ন প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছিল, মার্কিন সামরিক বিমানে করে ভারতে পাঠানো হচ্ছে ২০৫ জন অবৈধ অভিবাসী। আমেরিকা থেকে ভারতে এই প্রথম পাঠানো হল অবৈধ ভারতীয় অভিবাসীদের ব্যাচ।

    প্রেসিডেন্ট পদে বসার পর থেকেই মার্কিন মুলুকে বসবাসকারী অবৈধ অভিবাসীদের স্বদেশে ফেরত পাঠাতে উদ্যোগী হয়েছেন ট্রাম্প। এই অভিবাসীদের চিহ্নিত করে ধরপাকড়ও শুরু করেছে মার্কিন প্রশাসন। ইতিমধ্যেই আমেরিকায় (Amritsar) বসবাসকারী বেশ কয়েকটি দেশের অবৈধ অভিবাসীদের ফেরত পাঠাতে শুরু করেছে আমেরিকা। তার মধ্যে রয়েছে ভারতও (US Military Aircraft)।

  • India Maldives Relation: ভারতের দেওয়া এয়ারক্র্যাফ্ট চালাতে ব্যর্থ মলদ্বীপের সেনা, বিপাকে মুইজ্জু প্রশাসন

    India Maldives Relation: ভারতের দেওয়া এয়ারক্র্যাফ্ট চালাতে ব্যর্থ মলদ্বীপের সেনা, বিপাকে মুইজ্জু প্রশাসন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফাঁস গয়্যা মলদ্বীপের মুইজ্জু প্রশাসন! ভারতের (India Maldives Relation) দেওয়া বিমান চালাতেই পারছেন না দ্বীপরাষ্ট্রের পাইলটরা। তাই বিমানগুলি নিয়ে কী করবে মুইজ্জু সরকার, তা ভেবে কূল পাচ্ছে না সে দেশের সরকার। তবে ভারতের দেওয়া তিন বিমান যে সে দেশের পাইলটরা চালাতেই পারছেন না, তা কবুল করে নিয়েছেন মলদ্বীপের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ঘাসন মামুন। প্রায় আড়াই মাস আগে মলদ্বীপের চিনপন্থী প্রেসিডেন্ট মহম্মদ মুইজ্জুর নির্দেশে দ্বীপরাষ্ট্র ছেড়ে ভারতে ফিরে আসেন ৭৬ জন প্রতিরক্ষা ব্যক্তিত্ব। তার পরেই তিন-তিনটি বিমান নিয়ে কার্যত অথৈ জলে পড়েছে মুইজ্জু প্রশাসন।

    কী বলছেন মলদ্বীপের প্রতিরক্ষামন্ত্রী? (India Maldives Relation)

    শনিবার প্রেসিডেন্টের অফিসে আয়োজিত সাংবাদিক সম্মেলনে মামুন জানান, মলদ্বীপে যে ভারতীয় (India Maldives Relation) জওয়ানরা ছিলেন, মূলত তাঁরাই দু’টি হেলিকপ্টার ও একটি ডর্মিনিয়ার এয়ারক্র্যাফ্ট চালাতেন। দ্বীপরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষামন্ত্রী বলেন, “মলদ্বীপ ন্যাশনাল ডিফেন্স ফোর্সে এমন কোনও সেনা জওয়ান নেই, যাঁরা ভারতের দান করা এই এয়ারক্র্যাফ্টগুলি চালাতে পারেন। আগের সরকারের সঙ্গে চুক্তি মোতাবেক এঁদের ট্রেনিং দেওয়া হচ্ছিল।” তিনি বলেন, “যেহেতু এটা ট্রেনিং, তাই অনেকগুলি ধাপ পার হতে হয়। কিন্তু নানা কারণে আমাদের জওয়ানরা সেই শিক্ষা সম্পূর্ণ করতে পারেননি। তাই এই মুহূর্তে আমাদের বাহিনীতে এমন কোনও জওয়ান নেই, যাঁরা ওই দুটি হেলিকপ্টার ও ডর্মিনিয়র এয়ারক্র্যাফ্টটি চালাতে পারেন।”

    আরও পড়ুুন: ২০২৫ সালেই জাপানকে টপকে বিশ্বের বৃহত্তম অর্থনীতির তালিকায় চারে আসবে ভারত!

    ভারত-মলদ্বীপ সম্পর্কে ফাটল

    চিনপন্থী মুইজ্জু সরকার ক্ষমতায় আসার পর থেকেই ভারত-মলদ্বীপ সম্পর্কে ফাটল ধরে। মলদ্বীপে থাকা ভারতীয় সেনাদের তুলে নেওয়ার নির্দেশ দেয় মুইজ্জু প্রশাসন। তার আগের সরকার ছিল ভারতপন্থী। তাদের অনুরোধেই বিপর্যয় মোকাবিলার জন্য সে দেশে পাঠানো হয়েছিল সেনা জওয়ানদের। মুইজ্জু প্রশাসন নির্দেশ দেওয়ার পরেই সেই সেনাদের প্রত্যাহার করে নেয় ভারত। তার পরেই বিমান নিয়ে বিপাকে পড়েছে দ্বীপরাষ্ট্র। অথচ মলদ্বীপের প্রতিরক্ষামন্ত্রীর মন্তব্যের আগেই মুইজ্জু প্রশাসনের কয়েকজন প্রবীণ আধিকারিক সে দেশের পূর্বতন সরকারের সমালোচনা করে বলেছিলেন মলদ্বীপের জওয়ানরাই ভারতের দেওয়া এয়ারক্র্যাফ্ট চালাতে পারেন। প্রবীণ আধিকারিকদের সেই দাবির বেলুন চুপসে গেল খোদ প্রতিরক্ষামন্ত্রীর স্বীকারোক্তির পরেই (India Maldives Relation)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • IndiGo: লক্ষ্য আন্তর্জাতিক ফ্লাইট! ৩০টি চওড়া এয়ারবাস এ৩৫০-৯০০ বিমান কিনছে ইন্ডিগো

    IndiGo: লক্ষ্য আন্তর্জাতিক ফ্লাইট! ৩০টি চওড়া এয়ারবাস এ৩৫০-৯০০ বিমান কিনছে ইন্ডিগো

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এয়ারবাস এ৩৫০-৯০০ বিমানের জন্য রেকর্ড অর্ডার দিল ইন্ডিগো এয়ারলাইন্স। সম্প্রতি এই বিশাল অর্ডারের ঘোষণা করেছে সংস্থা। ভারতের বৃহত্তম এয়ারলাইন ইন্ডিগো বর্তমানে দ্রুত হারে সম্প্রসারণের পর্যায়ে রয়েছে। ডোমেস্টিক এয়ারলাইন ইন্ডিগো ৩০টি এয়ারবাস (A350-900) এয়ারক্রাফটের জন্য একটি অর্ডার দিয়েছে, যা সংস্থার নেটওয়ার্ককে আরও প্রসারিত করবে। এই চুক্তিটি ভারতের বৃহত্তম এয়ার সংস্থার বহরকে আরও শক্তিশালী করবে।

    বাজার ধরার প্রয়াস

    টাটা গ্রুপ এভিয়েশন সেক্টরে প্রবেশের পর বাজার ধরে রাখতে দ্রুত হারে ব্যবসা বাড়ানোর চেষ্টা করছে ইন্ডিগো। একটি বিবৃতিতে, ইন্ডিগো এয়ারলাইন্স এয়ারবাসের সঙ্গে এই অর্ডারের বিশদ ব্যাখা করেছে। সংস্থা জানিয়েছে, যেকোনও এয়ারলাইন এই প্রথম একসঙ্গে এতগুলি বিমান কেনার অর্ডার দিয়েছে। ইন্ডিগো সিইও পিটার এলবার্স এই চুক্তিকে এয়ারলাইন এবং এয়ারবাসের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসাবে উল্লেখ করেছেন। চুক্তির অফিসিয়াল তালিকা মূল্য ৫৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।

    সংস্থার সাফল্য

    চুক্তির অফিসিয়াল তালিকা মূল্য ৯ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। একটি বিবৃতিতে, ইন্ডিগো এয়ারলাইন এয়ারবাসের সঙ্গে এই অর্ডারের বিশদ ব্যাখা করেছে। সংস্থা জানিয়েছে, যেকোনও এয়ারলাইনের কাছে এই অর্ডার খুব গুরুত্বপূর্ণ। ইন্ডিগো জানিয়েছে, ২০২৭ সালের মধ্যে ৩০টি এয়ারবাসে ডেলিভারি করা হতে পারে। এই ধরনের বাল্ক ডিলে বিমানগুলি অফিসিয়ালের অর্ধেকেরও কম দামে বিক্রি হয়, বলে জানিয়েছে সংস্থা। এর ফলে ইন্ডিগো অ্যাভিয়েশন ক্ষেত্রে আরও এগিয়ে যাবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Kharagpur: ধানজমিতে ভেঙে পড়ল বায়ুসেনার বিমান, অল্পের জন্য রক্ষা পেলেন পাইলটরা

    Kharagpur: ধানজমিতে ভেঙে পড়ল বায়ুসেনার বিমান, অল্পের জন্য রক্ষা পেলেন পাইলটরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পশ্চিম মেদিনীপুরের খড়্গপুরে (Kharagpur) ভেঙে পড়ল বাযুসেনার যুদ্ধবিমান। মঙ্গলবার দুপুর সাড়ে তিনটে নাগাদ এই দুর্ঘটনা ঘটে। বিমানটি পশ্চিম মেদিনীপুরের কলাইকুন্ডা বায়ুসেনা ছাউনি থেকে উড়েছিল। বিমানটি ভেঙে পড়ে খড়গপুর লোকাল থানার শুকনিবাসা, দিয়াসা এলাকায়। তবে, বিমান ভেঙে পড়ার আগেই দুজন পাইলট প্যারাশুটের সাহায্যে নিরাপদে বেরিয়ে আসেন।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Kharagpur)

    স্থানীয় ও বায়ুসেনা সূত্রে জানা গিয়েছে, খড়্গপুরের (Kharagpur) এক নম্বর ব্লকের দিয়াসায় একটি গ্রামের ধানের জমির মধ্যে যুদ্ধবিমানটি ভেঙে পড়ে। তবে নিরাপদে বেরিয়ে আসতে পারলেও সামান্য আহত হন দুই পাইলট। স্থানীয় গ্রামবাসীরাই তাঁদের প্রাথমিক শুশ্রূষা করেন। বায়ুসেনার পাইলটের বিচক্ষণতা ও দক্ষতায় ভিড় এলাকায় এড়িয়ে দূরে গিয়ে পড়ে বিমানটি। একটি ফাঁকা চাষের জমিতে গিয়ে পড়ে যুদ্ধবিমানটি। ফলে বড় কোনও ক্ষয়ক্ষতি হয়নি। বিকট আওয়াজ শুনে কেঁপে ওঠেন এলাকার মানুষ। কী হয়েছে বুঝতে না পেরে ছোটাছুটি শুরু করেন তাঁরা। পরে জানতে পারেন ধান জমিতে ভেঙে পড়েছে যুদ্ধবিমান। রীতিমতো আতঙ্কের পরিবেশ সৃষ্টি হয় এলাকায়। খবর পেয়েই কলাইকুন্ডা এয়ার বেস থেকে বায়ুসেনার অফিসাররা হেলিকপ্টারে করে ঘটনাস্থলে পৌঁছন। ঘটনাস্থলে পৌঁছয় পুলিশের উদ্ধারকারী দল। ইতিমধ্যেই বিমান ভেঙে পড়ার খবর পেয়ে পশ্চিম মেদিনীপুরের পুলিশ সুপার এবং প্রশাসনিক কর্তাদের সঙ্গে কথা বলেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

    বায়ুসেনার পক্ষ থেকে কী বলা হল?

    বায়ুসেনার তরফে জানানো হয়েছে, নিয়মমাফিক উড়ানে গিয়ে দুর্ঘটনার কবলে পড়ে বায়ুসেনার একটি ‘হক’ প্রশিক্ষণ বিমান। উভয় পাইলটই ভেঙে পড়ার আগে সময়মতো ইজেক্ট করে প্যারাশুটে করে নেমে আসেন। এই ঘটনার তদন্তে একটি কোর্ট অফ এনক্যোয়ারি গঠন করা হয়েছে। কোনও সাধারণ নাগরিকের প্রাণহানি বা সম্পত্তির ক্ষতি হয়নি।

     </p


    >ধান জমিতে পড়ল বোমা!

    এর আগে, সোমবার সাঁকরাইল ব্লকের কেশিয়াপাতা এলাকার পেঁচাবিদা ও চেমটিডাঙা গ্রামের পিচ রাস্তার পাশে দুপুর সাড়ে তিনটে নাগাদ ধান জমিতে একটি বোমা পড়ে। কেঁপে ওঠে চারিদিক। তীব্র শব্দ শুনে গ্রামবাসীরা ভিড় জমান। পুরো এলাকা ঘিরে ফেলে পুলিশ। বায়ুসেনার পক্ষ থেকে জানানো হয়, সোমবার তাদের মহড়া চলছিল। লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়ে বোমাটি সেখানে পড়ে। যদিও ওই এলাকাটিও ফায়ারিং রেঞ্জের মধ্যেই ছিল। তাই হতাহত হননি কেউ। তবে, গ্রামবাসীদের অনেকের ধান পুড়ে যায়। এবার ধানের জমিতে ভেঙে পড়ল আস্ত একটি যুদ্ধ বিমান। ফলে, আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • India steps up vigil: ভারত-শ্রীলঙ্কা সামুদ্রিক সীমান্তে নজরদারি বাড়াতে তৎপর উপকূল রক্ষী বাহিনী

    India steps up vigil: ভারত-শ্রীলঙ্কা সামুদ্রিক সীমান্তে নজরদারি বাড়াতে তৎপর উপকূল রক্ষী বাহিনী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারত-শ্রীলঙ্কা সামুদ্রিক সীমান্তে নজরদারি বাড়াতে তৎপর দেশের উপকূল রক্ষী বাহিনী। রাজনৈতিক সঙ্কটে দিন কাটাচ্ছে শ্রীলঙ্কা। এই পরিস্থিতিতে সেখান থেকে দেশে অনুপ্রবেশ রুখতে সক্রিয় ভারত। তাই সামুদ্রিক সীমান্তে হোভারক্রাফ্ট, বিমান এবং টহলদারি নৌকা মোতায়েন করা হয়েছে। এর ফলে দেশে অনুপ্রবেশ রোখা যাবে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। তামিলনাড়ু উপকূল থেকে কেরালা উপকূলের কিছু অংশ পর্যন্ত বিস্তৃত অঞ্চলে নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। সরকারি সূত্রে জানা যাচ্ছে, উপকূলরক্ষী মোতায়েন রয়েছে। তারা সর্বদা সচেতন। 

    আরও পড়ুন: রাজনৈতিক পটবদল, আগামী সপ্তাহেই নতুন রাষ্ট্রপতি পাবে শ্রীলঙ্কা
     
    দ্বীপরাষ্ট্রে নতুন রাজনৈতিক সংকট শুরু হওয়ার পরপরই নজরদারি ক্রমে বাড়ানো হয়। গণবিক্ষোভে উত্তাল শ্রীলঙ্কা (Srilanka)। বিক্ষোভকারীদের জন্যে ঘর-ছাড়া খোদ শ্রীলঙ্কার রাষ্ট্রপতি। অন্যদিকে প্রবল গণ-আন্দোলনের জেরে প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে ইস্তফা দিয়েছেন রনিল বিক্রমসিংঘে (Ranil Wickremesinghe)। পদ ছেড়েও স্বস্তিতে নেই প্রধানমন্ত্রী। তাঁর বাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেয় বিক্ষোভকারীরা। রাষ্ট্রপতির প্রাসাদে লোক ঢুকে গিয়েছে।  খুবই খারাপ পরিস্থিতির মধ্যে দিয়ে যাচ্ছে শ্রীলঙ্কা (Sri Lanka)। ১৯৪৮ সালে দেশ স্বাধীন হওয়ার পর থেকে সবচেয়ে খারাপ অর্থনৈতিক সঙ্কটের (Economic Crisis) মধ্যে পড়েছে প্রতিবেশী দেশ। সূত্রের খবর, সেখান থেকে অনেকেই তামিলনাড়ু ও কেরল উপকূল দিয়ে ভারতে ঢোকার চেষ্টা করছে। তবে সেই সংখ্যাটা খুব বেশি নয়, বলেই স্থানীয় সূত্রে জানানো হয়েছে। কিন্তু যেকোনও অনুপ্রবেশের ক্ষেত্রেই সদা সতর্ক ভারত। তামিলনাড়ু উপকূলীয় পুলিশ কঠোরভাবে পাহাড়া দিচ্ছেন।

    আরও পড়ুন: শ্রীলঙ্কায় সর্বদলীয় সরকার গঠনে সহমত, পাশে থাকার বার্তা ভারতের

    তবে বিশেষজ্ঞদের মতে, বর্ষায় সমুদ্র উত্ত্বাল হয়ে উঠবে। তাই এই অবস্থায় ভারতীয় জলসীমায় প্রবেশের জন্য সমুদ্রপথ ব্যবহার করার চেষ্টা করলে খুব একটা সুবিধে হবে না। অনুপ্রবেশের ক্ষেত্রে প্রকৃতি প্রতিরোধ গড়ে তুলবে। উপকূল রক্ষী বাহিনীর তরফে জানানো হয়েছে,  ডর্নিয়ার সার্ভিল্যান্স এয়ারক্রাফ্ট সামুদ্রিক সীমান্তে নজরদারির জন্য সর্বদা সক্রিয়। মায়ানমারের মান্দালেতে মোতায়েন করা হোভারক্রাফ্ট ইউনিটগুলিও নজরদারি চালাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

LinkedIn
Share