Tag: Ajit Pawar

Ajit Pawar

  • Devendra Fadnavis: ‘‘আমরা এখন থামব না, কাজ চালিয়ে যাবো…’’ মুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ নিয়েই লক্ষ্যের কথা বললেন ফড়ণবীশ

    Devendra Fadnavis: ‘‘আমরা এখন থামব না, কাজ চালিয়ে যাবো…’’ মুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ নিয়েই লক্ষ্যের কথা বললেন ফড়ণবীশ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রশাসন চালাতে টিমওয়ার্ক এবং যৌথ সিদ্ধান্তের উপর গুরুত্ব দিলেন মহারাষ্ট্রের নতুন মুখ্যমন্ত্রী দেবেন্দ্র ফড়ণবীশ (Devendra Fadnavis)। মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে তৃতীয়বার শপথ নেওয়ার পর প্রথম সাংবাদিক সম্মেলনে দেবেন্দ্র বলেন,‘‘গত ২.৫ বছরে আমরা মহারাষ্ট্রের উন্নতির জন্য কাজ করেছি এবং এখান থেকেও আমরা সেই উন্নতি চালিয়ে যাবো, আর আমরা থামব না।’’

    মহারাষ্ট্রের উন্নতিই লক্ষ্য

    বৃহস্পতিবার, মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে তৃতীয়বার শপথ নেওয়ার পর দেবেন্দ্র ফড়ণবীশ প্রথম সাংবাদিক সম্মেলনে জানান যে তাঁরা মহারাষ্ট্রের উন্নতির জন্য কাজ করবেন, এবং কাজের গতি এবং দিক একই থাকবে। এদিন তাঁর সঙ্গে উপ মুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ নেন শিবসেনা প্রধান একনাথ শিন্ডে এবং এনসিপি প্রধান অজিত পওয়ার। এদিন দেবেন্দ্র জানান, মহারাষ্ট্র সামাজিক, অবকাঠামোগত এবং শিল্প খাতে দ্রুতগতিতে উন্নতির পথে চলতে থাকবে। তাঁর কথায়, ‘‘আমরা মহারাষ্ট্রের মঙ্গলার্থে সিদ্ধান্ত নেবো। আমাদের যে পরিকল্পনা ছিল তা পূর্ণাঙ্গ করতে চাই।’’

    এদিন সকাল-সকাল দেবেন্দ্র চলে যান মুম্বইয়ের বিখ্যাত সিদ্ধি বিনায়ক মন্দিরে (Siddhi Vinayak Mandir)। এরপর বেলা বাড়তে তাঁর বাড়িতে একটি গরু নিয়ে আসা হয়। গো পুজো করে তারপর শপথ অনুষ্ঠানে যান দেবেন্দ্র। শপথ গ্রহণের পর দেবেন্দ্র, একনাথ ও অজিত তিন জনে মিলে মন্ত্রিসভার প্রথম বৈঠকে যোগ দেন। সেখানে শীর্ষ আধিকারিকদের সঙ্গে কথা বলে চন্দ্রকান্ত কুরহাদে নামের একজন পুণে বাসীর পরিবারকে ৫ লাখ আর্থিক সহায়তা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন। কুরহাদে তাঁর স্ত্রীর মাধ্যমে মুখ্যমন্ত্রী ত্রাণ তহবিল থেকে সাহায্যের জন্য আবেদন করেছিলেন। ওই টাকা কুরহাদে’র বোন ম্যারো ট্রান্সপ্লান্ট চিকিৎসার খরচে ব্যবহৃত হবে। জোট সরকার পরিচালনা প্রসঙ্গে এদিন ফড়ণবীশ বলেন, ‘‘মুখ্যমন্ত্রীর পদ নিয়ে আমাদের মধ্যে কেবল একটা টেকনিক্যাল সমঝোতা হয়েছে। আমরা এর আগেও মিলিতভাবে সিদ্ধান্ত নিয়েছি, আগামীদিনেও নেব। জোট সরকারের ক্ষেত্রে ব্যাপক পরিসরে আলোচনা করা সব সময় প্রয়োজন। আমরা সেই আলোচনা করেছি এবং পোর্টফোলিওও প্রায় চূড়ান্ত করে ফেলেছি।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Devendra Fadnavis: আজাদ ময়দানে চাঁদের হাট, মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ নিলেন দেবেন্দ্র ফড়ণবীশ

    Devendra Fadnavis: আজাদ ময়দানে চাঁদের হাট, মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ নিলেন দেবেন্দ্র ফড়ণবীশ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তৃতীয়বারের জন্য মহারাষ্ট্রের (Maharashtra) মুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ নিলেন দেবেন্দ্র ফড়ণবীশ (Devendra Fadnavis)। উপমুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ নিলেন শিবসেনা নেতা একনাথ শিন্ডে। এনসিপি-র অজিত পাওয়ারও। বৃহস্পতিবার বিকেলে মুম্বইয়ের আজাদ ময়দানে মহাসমারোহে শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে হাজির ছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি সহ বিজেপির তাবড় নেতা ও মুখ্যমন্ত্রীরা। ফড়নবীশকে শপথবাক্য পাঠ করান রাজ্যপাল সিপি রাধাকৃষ্ণন।

    শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে চাঁদের হাট

    এদিন বিকেল পাঁচটার সময় মুম্বই’য়ের আজাদ ময়দানে (Mumbai’s Azad Maidan) এই শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান শুরু হয়। উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ, কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন সহ একাধিক শীর্ষ বিজেপি নেতা এবং কেন্দ্রীয় মন্ত্রী। ছিলেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডাও। একাধিক বিজেপি শাসিত রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী এবং জোট শরিকরাও এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে যোগ দেন প্রথম সারির বলি-তারকারাও। ছিলেন শাহরুখ খান, সলমন খান, রণবীর সিং, রণবীর কাপুর, মাস্টার ব্লাস্টার সচিন তেন্ডুলকর। শপথ অনুষ্ঠানে গানের সুরে মুগ্ধ করেন শিল্পী কৈলাস খের।

    ৪০০ জন সাধুর আশীর্বাদ

    মহারাষ্ট্রের (Maharashtra) মুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ নেওয়ার আগে এদিন দেবেন্দ্র ফড়ণবীশকে (Devendra Fadnavis) আশীষ দিতে অনুষ্ঠানে ছিলেন অন্তত ৪০০ জন সাধু-সন্ত। সারা দেশের ৪০০ জন সাধু এবং সন্তকে আমন্ত্রণপত্র পাঠানো হয়েছিল। এছাড়াও দেশের বিভিন্ন সংগঠন এবং সমিতির প্রতিনিধিরাও যোগ দেন। মুম্বই’য়ের আজাদ ময়দানে সাধারণ মানুষের উপস্থিতিও ছিল চোখে পড়ার মতো। মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী পদে বসার আগে, এদিন দেবেন্দ্র ফড়ণবীশের বাড়িতে চলে গৌপুজো। মুম্বাদেবীর মন্দিরেও পৌঁছন ফড়ণবীশ। সেখানেও পুজো দেন তিনি। সকলের আশীষ নিয়ে সবাইকে সঙ্গে নিয়েই মহারাষ্ট্রে ডাবল ইঞ্জিন সরকার চালাতে চান, বলে জানান ফড়ণবীশ।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Devendra Fadnavis: ‘‘এক হ্যায় তো সেফ হ্যায়’’, মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়ার আগে কী বার্তা দিলেন ফড়ণবীশ?

    Devendra Fadnavis: ‘‘এক হ্যায় তো সেফ হ্যায়’’, মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়ার আগে কী বার্তা দিলেন ফড়ণবীশ?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নাগপুরের কাউন্সিলার থেকে তৃতীয়বারের জন্য মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রীর কুর্সিতে বসতে চলেছেন দেবেন্দ্র ফড়ণবীশ। মাত্র ৫৪ বছরের জীবনে রাজনৈতিক চড়াই-উৎরাই পেরিয়ে চাণক্য-বুদ্ধিতে পথের নানান কাঁটা উপড়ে ফেলে ফের মুখ্যমন্ত্রীর পাগড়ি পরতে চলেছেন। তবে মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়ার আগে, তিনি জোট একতার উপর জোর দিলেন। বুধবার বিধান পরিষদীয় দলনেতা নির্বাচিত হওয়ার পরেই দেবেন্দ্র বলেন, ‘‘এক হ্যায় তো সেফ হ্যায়।’’

    মোদি হ্যায় তো মুমকিন হ্যায়

    বৃহস্পতিবার মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ নেওয়ার আগে ফড়ণবীশ বলেন, ‘‘প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি সবসময় বলেন সমস্ত ধর্মগ্রন্থের চেয়ে ভারতের সংবিধানই সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ তাঁর কাছে। ভোটের ফলাফলে আমি খুশি। আমার উপর এক নয়া দায়িত্ব কাঁধে চাপল। আবার একবার প্রমাণ হল, মোদি হ্যায় তো মুমকিন হ্যায়।’’ উল্লেখ্য, এবার রাজ্যে ১৪৯টি আসনে লড়াই করে ১৩২টি আসনে জিতেছে বিজেপি। যা রাজ্যের ইতিহাসে সর্বোচ্চ। এছাড়াও তদারকি মুখ্যমন্ত্রী একনাথ শিন্ডের শিবসেনা ৫৭টি এবং অজিত পাওয়ার গোষ্ঠীর এনসিপি ৪১ আসনে জয়ী হয়।

    এক হ্যায় তো সেফ হ্যায়

    ইন্দিরা গান্ধীর জরুরি অবস্থা জারির সময় তাঁর বাবা গঙ্গাধররাও ফড়ণবীশকে জেলে পাঠিয়েছিল তৎকালীন কংগ্রেস সরকার। যা কিশোর দেবেন্দ্রর মনে তিক্ত ছাপ ফেলেছিল। নাগপুরের এক মধ্যবিত্ত পরিবারে জন্ম। ছাত্র বয়স থেকেই রাজনীতিতে যোগ দিয়েছিলেন। রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘের ছাত্র সংগঠন অখিল ভারতীয় বিদ্যার্থী পরিষদের সদস্য হিসেবে তাঁর রাজনীতিতে হাতেখড়ি। সেই থেকে রাজনীতি করে ১৯৮৯ সালে মাত্র ২২ বছর বয়সে কনিষ্ঠতম কাউন্সিলর নির্বাচিত হন এবং মাত্র ২৭ বছর বয়সে নাগপুরের কনিষ্ঠতম মেয়র হন দেবেন্দ্র। ২০১৪ সালে রাজ্যের অষ্টাদশ মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে গদিতে বসেন। তৃতীয়বার মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়ার আগে তাঁর কথায়, ‘‘মুখ্যমন্ত্রী কেবল একটা টেকনিক্যাল নাম। আসলে আমি, একনাথ শিন্ডে ও অজিত পাওয়ার একসঙ্গে জোট বেঁধে যে কোনও কাজ করব। সবার মত নিয়েই সিদ্ধান্ত গৃহীত হবে। এক থেকে মহারাষ্ট্রকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাবে এই সরকার।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Assembly Election 2024: মহারাষ্ট্র বিধানসভা ভোটে আসনরফা চূড়ান্ত, কোন আসনে লড়বেন শিন্ডে, অজিত?

    Assembly Election 2024: মহারাষ্ট্র বিধানসভা ভোটে আসনরফা চূড়ান্ত, কোন আসনে লড়বেন শিন্ডে, অজিত?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দরজায় কড়া নাড়ছে বিধানসভা নির্বাচন (Assembly Election 2024)। তার আগে রয়েছে দেওয়ালি। তাই উৎসব শুরুর আগেই বিজেপির সঙ্গে আসনরফা প্রায় চূড়ান্ত করে ফেলেছে শিন্ডের নেতৃত্বাধীন শিবসেনা ও এনসিপি (অজিত)। এই আবহে বুধবার মহারাষ্ট্রে বিধানসভা ভোটে (Maharashtra) প্রথম দফায় ৪৫ আসনে প্রার্থী ঘোষণা করল মুখ্যমন্ত্রী একনাথ শিন্ডের নেতৃত্বাধীন শিবসেনা। উপমুখ্যমন্ত্রী অজিত পাওয়ারের এনসিপি (অজিত) ৩৮টি বিধানসভা আসনে প্রার্থী ঘোষণা করেছে।

    কোথায় লড়বে কে

    তালিকা প্রকাশের পর দেখা যাচ্ছে, মুখ্যমন্ত্রী শিন্ডে ঠাণে জেলার কাপরি–পাচপাখিড়ি আসনে লড়বেন। ২০০৯ সাল থেকে ২০১৯ পর্যন্ত টানা তিনটি বিধানসভা ভোটে অবিভক্ত শিবসেনার প্রার্থী হিসেবে ওই আসনে জিতেছেন তিনি। শিন্ডে শিবিরের মুখপাত্র সদা সরভঙ্কর তাঁর পুরনো আসন মুম্বইয়ের ফাহিম থেকে লড়বেন। সেখানে তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বী শিবসেনার প্রয়াত প্রতিষ্ঠাতা বালাসাহেব ঠাকরের ভাইপো রাজ ঠাকরের পুত্র অমিত। এছাড়া মনীষা রবীন্দ্র ওয়েকার লড়বেন যোগেশ্বরী–পূর্ব থেকে। সুহাস দ্বারকানাথ কান্দে (নন্দগাঁও), প্রদীপ শিবনারায়ণ জয়সওয়াল (ছত্রপতি সম্ভাজিনগর–মধ্য) থেকে লড়বেন। অন্যদিকে, এনসিপি প্রধান তথা উপমুখ্যমন্ত্রী অজিত লড়বেন তাঁর পুরনো আসন বারামতী থেকে। নাসিকের ইয়েলার বিদায়ী বিধায়ক, শিন্ডে মন্ত্রিসভার সদস্য ছগন ভুজবল এ বারও সেখান থেকেই প্রার্থী।

    আরও পড়ুন: “তৃণমূল সাংসদ কল্যাণের আচরণ গণতন্ত্রের লজ্জা!” তোপ বিজেপি নেতা রাজীব চন্দ্রশেখরের

    পুরোদমে প্রচার শুরু

    মহারাষ্ট্রে বিধানসভা নির্বাচনের (Maharashtra Assembly Election 2024) আর প্রায় এক মাস বাকি। পুরোদমে প্রচারে নেমেছে রাজনৈতিক দলগুলি। ইতিমধ্যেই প্রথম দফায় ৯৯ জন প্রার্থীর নাম ঘোষণা করেছে বিজেপি। আগামী ২০ নভেম্বরে এক দফায় মহারাষ্ট্রে ২৮৮টি বিধানসভা কেন্দ্রে ভোট হবে। গণনা ২৩ নভেম্বর। সেখানে শাসকজোটের বৃহত্তম দল বিজেপি লড়ছে ১৫৫টি আসনে। শিন্ডে সেনা ৭৮ এবং এনসিপি (অজিত) ৫৫টিতে লড়ছে। মূল লড়াই বিজেপি-শিবসেনা (একনাথ শিন্ডে)-এনসিপি (অজিত)-এর জোট ‘মহাজুটি’ এবং কংগ্রেস-শিবসেনা (ইউবিটি)-এনসিপি (শরদ)-এর ‘মহাবিকাশ আঘাড়ী’র মধ্যে। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Lok Sabha Election 2024: ভাইপোর হাতে এনসিপি, শরদ গোষ্ঠীকে নতুন নাম দিল নির্বাচন কমিশন

    Lok Sabha Election 2024: ভাইপোর হাতে এনসিপি, শরদ গোষ্ঠীকে নতুন নাম দিল নির্বাচন কমিশন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শরদ পাওয়ারের নিজের হাতে গড়া দল গেল ভাইপোর অজিত পাওয়ারের হাতে। অজিত পাওয়ারের গোষ্ঠীকেই ‘এনসিপি’ (ন্যাশনালিস্ট কংগ্রেস পার্টি) নাম এবং নির্বাচনী প্রতীক ‘ঘড়ি’ ব্যবহারের অধিকার দিল দেশের নির্বাচন কমিশন। তবে কাকা শরদ পাওয়ারের কী হবে? বুধবারই নির্বাচন কমিশনের তরফে এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, শরদ গোষ্ঠীর নতুন নাম দেওয়া হবে ‘ন্যাশনালিস্ট কংগ্রেস পার্টি-শরদচন্দ্র পওয়ার’। তবে দলের নির্বাচনী প্রতীক কী হবে, তা জানা যায়নি। প্রতীক পরে বরাদ্দ (Lok Sabha Election 2024) করা হবে বলে জানিয়েছে কমিশন।

    বুধবার প্রস্তাব পাঠায় শরদ গোষ্ঠী

    শরদ পাওয়ার গোষ্ঠীর তরফে বুধবারই দেশের নির্বাচন কমিশনের কাছে এ সংক্রান্ত একটি প্রস্তাব পাঠানো হয়েছিল বলে জানা গিয়েছে। তাতে নাম এবং প্রতীক হিসাবে তিনটি ‘পছন্দ’ জানানো হয় কমিশনকে। সূত্রের খবর, নতুন দলের নাম হিসাবে ‘এনসিপি শরদ পওয়ার’, ‘মি রাষ্ট্রবাদী’ এবং ‘শরদ স্বাভিমানী’-র মধ্যে যে কোনও একটি চেয়েছিল শরদ গোষ্ঠী। তবে নির্বাচন কমিশন নতুন দলে, শরদের প্রতিষ্ঠিত দলের সঙ্গে তাঁর নাম জুড়ে দিল। জানা গিয়েছে, নির্বাচনী প্রতীক হিসাবে শরদ পাওয়ারের গোষ্ঠী তিনটি পছন্দ জানিয়েছে (Lok Sabha Election 2024) কমিশনকে— ‘কাপ-প্লেট’, ‘সূর্যমুখী ফুল’ এবং ‘উদীয়মান সূর্য’। এব্যাপারে কমিশন কিছু জানায়নি এখনও। প্রসঙ্গত, মঙ্গলবারই ভারতের নির্বাচন কমিশন ভাইপো অজিত গোষ্ঠীকে ‘আসল এনসিপি’ বলে স্বীকৃতি দেয়। 

    কবে গঠিত হয় এনসিপি?

    ১৯৯৯ সালের জুন মাসে কংগ্রেস সভানেত্রী সোনিয়া গান্ধীর বিরোধিতা করে কংগ্রেস ছেড়েছিলেন শরদ পাওয়ার। তখনই গড়েন নতুন দল এনসিপি। ২৫ বছর পরে সেই দলও হাতছাড়া হল তাঁর। দলের সমস্ত কিছু গেল ভাইপোর হাতে। ঘটনাচক্রে, গত বছরের ফেব্রুয়ারি মাসে শিবসেনার প্রতিষ্ঠাতা প্রয়াত বালাসাহেব ঠাকরের পুত্র উদ্ধবের আবেদন খারিজ (Lok Sabha Election 2024) করে দিয়ে মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী একনাথ শিন্ডের গোষ্ঠীকে দলের নাম এবং নির্বাচনী প্রতীক তিরধনুক ব্যবহারের অধিকার দিয়েছিল নির্বাচন কমিশন। শিন্ডের মতোই মহারাষ্ট্রের অন্যতম উপমুখ্যমন্ত্রী অজিতও এবার পেলেন এনসিপির পুরো অধিকার। প্রসঙ্গত, ২০২৩ সালের ২ জুলাই এনসিপিতে বিরাট পটপরিবর্তন হয়। অজিত-সহ ন’জন বিদ্রোহী এনসিপি বিধায়কের মন্ত্রিত্ব বিজেপি-শিবসেনা জোটে ভিড়ে যান। এই পরিস্থিতিতে দলের বিধায়ক-সাংসদরাও তাঁর দিকে যান। দলের নিয়ন্ত্রণ চলে যায় অজিতের হাতে।

     

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • NDA: ভাইপো অজিতের সঙ্গে গোপন বৈঠক পাওয়ারের, এনডিএ-তে শামিল হচ্ছে এনসিপি?

    NDA: ভাইপো অজিতের সঙ্গে গোপন বৈঠক পাওয়ারের, এনডিএ-তে শামিল হচ্ছে এনসিপি?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভাইপো অজিত পাওয়ারের সঙ্গে গোপন বৈঠক (NDA) শরদ পাওয়ারের। আর এতেই সিঁদুরে মেঘ দেখছে বিরোধী শিবির। বেঙ্গালুরুতে ইন্ডিয়া জোটের শেষ বৈঠকে হাজির ছিলেন শরদ পাওয়ার। পরবর্তীকালে লোকমান্য তিলকের নামাঙ্কিত  একটি অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর দেখা গিয়েছিল মারাঠা ম্যানকে। যা নিয়ে প্রবল অস্বস্তিতে পড়েছিল বিরোধী শিবির।

    শরদ পাওয়ার কি এনডিএ তে (NDA) শামিল হচ্ছেন?

    স্বাভাবিকভাবে প্রশ্ন উঠছে, শরদ পাওয়ারের দল কি তবে এনডিএ তে (NDA) শামিল হচ্ছে?  শনিবার রাতে তাঁর দলত্যাগী ভাইপো এবং বর্তমান মহারাষ্ট্রের উপমুখ্যমন্ত্রী অজিত পাওয়ারের সঙ্গে দীর্ঘক্ষণের বৈঠক হয় পাওয়ারের। পুনের কোরেগাঁও পার্কে শিল্পপতি অতুল চোরদিয়ার বাংলোতে এই বৈঠক সম্পন্ন হয়। রাজনৈতিক মহলের একাংশের ধারনা, ভাইপো অজিত বিজেপি শিবিরে চলে যাওয়ায় ভালোই ধাক্কা লেগেছে এনসিপিতে। আবার অন্যদিকে, ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে মোদির জোরালো প্রত্যাবর্তনের সম্ভাবনা রয়েছে। বিরোধী জোটের জেতার সম্ভাবনা নেই বললেই চলে। এমতো অবস্থায় দল বাঁচাতে ভাইপোর সঙ্গে বিজেপি জোটে (NDA) শামিল হতে পারেন পাওয়ার। 

    চলতি মাসেই মুম্বইতে বসছে বিরোধী জোটের বৈঠক

     চলতি মাসেই মুম্বইতে (NDA) বিরোধীরা ফের বৈঠকে বসতে চলেছে, যার অন্যতম উদ্যোক্তা শরদ পাওয়ারের এনসিপি। তার আগে বিজেপি শিবিরের অজিত পাওয়ারের সঙ্গে শরদ পাওয়ারের এই  বৈঠক বিরোধী জোটকে প্রবল অস্বস্তিতে ফেলেছে।  যদিও এই বৈঠকে নিছক কাকা ভাইপোর সাক্ষাৎকার হিসেবে এবং পারিবারিক বিষয় হিসেবেই বোঝাতে চাইছেন শরদ পাওয়ার। তাঁর মন্তব্য, ‘‘অজিত আমার ভাইপো হয়, নিজের ভাইপোর সঙ্গে দেখা করায় কাকার দোষ রয়েছে? যদি পরিবারের গুরুজন আর এক সদস্যের সঙ্গে দেখা করতে চান তা নিয়ে কোনও সমস্যা থাকা উচিত নয়।’’ আবার ১৮০ ডিগ্রি ঘুরে পাওয়ার বলছেন, ‘‘আমার কিছু ‘শুভানুধ্যায়ী’ আমাকে বিজেপিকে সমর্থনের কথা বলছেন। কিন্তু আমি স্পষ্ট বলছি, ‘আমার দল এনসিপি বিজেপির সঙ্গে যাবে না। কারণ এনসিপির রাজনৈতিক মতাদর্শের সঙ্গে বিজেপির মতাদর্শ মেলে না।’’ অর্থাৎ প্রথমে পাওয়ার বলছেন কাকা-ভাইপোর কথা, আবার পরক্ষণেই বলছেন, রাজনৈতিক আলোচনাও হয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

     

  • Ajit Pawar: ভাঙন এনসিপিতে! ৯ জন বিধায়ক নিয়ে শিবসেনা-বিজেপি জোটে অজিত পাওয়ার

    Ajit Pawar: ভাঙন এনসিপিতে! ৯ জন বিধায়ক নিয়ে শিবসেনা-বিজেপি জোটে অজিত পাওয়ার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জল্পনা চলছিলই, তা সত্যিও হল। কাকা-ভাইপোর সংঘাতে ভাঙন এনসিপিতে। শরদ পাওয়ারের দল এনসিপির ৯ জন বিধায়ককে নিয়ে মহারাষ্ট্রের শিবসেনা-বিজেপি জোট সরকারে যোগ দিলেন তাঁর ভাইপো অজিত পাওয়ার (Ajit Pawar)। জানা গিয়েছে, অজিতের সঙ্গে রয়েছেন দলের ২৯ জন বিধায়ক। প্রসঙ্গত, এনসিপির বিধায়ক সংখ্যা হল ৫৩। এই ঘটনা মহারাষ্ট্রের রাজনীতির অনেক নতুন সমীকরণ তৈরি করল বলেই ধারণা ওয়াকিবহাল মহলের। গত বছরেই শিবসেনা ভেঙে এনডিএ-তে সামিল হয়েছিলেন একনাথ শিন্ডে। এবার অজিত পাওয়ার সেই একই পথে হাঁটলেন। বছর ঘুরলেই লোকসভা ভোট, তার আগে এনডিএ শিবির বাড়তি মাইলেজ পেল বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহলের একাংশ। বিজেপির বিধায়ক সংখ্যা বেশি থাকলেও শিবসেনাকেই মুখ্যমন্ত্রীর পদ তারা ছেড়ে দেয়। দলত্যাগী নেতাদের অভিযোগ, এনসিপিতে একনায়কতন্ত্র চালাচ্ছিলেন শরদ পাওয়ার। এমনকী, পাটনায় বিরোধীদের বৈঠকে যোগদান করার সিদ্ধান্ত একাই নিয়েছিলেন শরদ পাওয়ার।

    রবিবার রাজভবনে গিয়ে শপথ নেন অজিত

    রবিবার মহারাষ্ট্রের রাজভবনে গিয়ে শপথ নেন অজিত পাওয়ার (Ajit Pawar)। সূত্র মারফত জানা যাচ্ছে, মহারাষ্ট্রের উপ মুখ্যমন্ত্রী হতে চলেছেন অজিত। এদিন তাঁর সঙ্গে হাজির ছিলেন অন্য এনসিপি নেতারাও। মন্ত্রী হিসাবে শপথ নিতে দেখা যায় প্রবীণ এনসিপি নেতা ছগন ভুজবলকেও। জানা গিয়েছে, গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রকের দায়িত্ব পেতে চলেছেন অন্য এনসিপি বিধায়করাও।

    সকালেই নিজের বাসভবনে বৈঠক করেন অজিত (Ajit Pawar)

    মহারাষ্ট্র রাজনীতির অন্দরের খবর, রবিবার নিজের বাসভবনে দলীয় বিধায়কদের একাংশকে নিয়ে বৈঠকে বসেন অজিত পওয়ার। সেখানেই এই সিদ্ধান্ত হয়। এনসিপি সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, এই বিধায়কদের প্রত্যেকেই দলের অন্দরে ‘অজিত অনুগামী’ বলে পরিচিত। অজিতের ঘনিষ্ঠ মহলের দাবি, রবিবারই অনুগামী বিধায়কদের নিয়ে মহারাষ্ট্র সরকারে যোগ দিতে পারেন তিনি। সে ক্ষেত্রে দেবেন্দ্র ফড়নবীসের সঙ্গে মহারাষ্ট্রের দ্বিতীয় উপ মুখ্যমন্ত্রী করা হতে পারে তাঁকে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • NCP: মহারাষ্ট্রে জারি ‘পাওয়ার’ গেম! এনসিপি-র দুই গোষ্ঠী আজ বিধানসভায় মুখোমুখি

    NCP: মহারাষ্ট্রে জারি ‘পাওয়ার’ গেম! এনসিপি-র দুই গোষ্ঠী আজ বিধানসভায় মুখোমুখি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মহারাষ্ট্রে জারি ‘পাওয়ার’ গেম। অজিত পাওয়ার (Ajit Pawar) শিবিরে চলে যাওয়া দুই সাংসদ ও ন’জন বিধায়ককে বৃহস্পতিবার দল থেকে বহিষ্কারের সিদ্ধান্তে সবুজ সঙ্কেত দিল শরদ পাওয়ারের (Sharad Pawar) নেতৃত্বাধীন এনসিপি (NCP)। দিল্লিতে শরদের নেতৃত্বে হওয়া জাতীয় কর্মসমিতির বৈঠকে দলের বিদ্রোহী নেতাদের বিরুদ্ধে ওই সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হয়। তবে অজিত পাওয়ার গোষ্ঠী এই সিদ্ধান্ত মানতে নারাজ। অজিতের পাল্টা দাবি, যেহেতু তিনি দলের সভাপতি, তাই শরদ পওয়ারের নেতৃত্বে হওয়া দিল্লির বৈঠক গুরুত্বহীন। আজ, শুক্রবারই মহারাষ্ট্রের বিধানসভা অধিবেশনে মুখোমুখি হতে চলেছেন এনসিপির দু’শিবিরের যুযুধান নেতারা। অজিত শিবিরের দাবি, সেখানেই স্পষ্ট হয়ে যাবে, কত জন এনসিপি বিধায়ক তাঁদের সঙ্গে রয়েছেন।

    শক্তি পরীক্ষায় সক্রিয় দুই শিবির

    ইতিমধ্যেই  রাজ্যস্তরে  নিজেদের শক্তি পরীক্ষায় নেমেছিল অজিত বনাম শরদ শিবির। এরপরই  স্পষ্ট হয়ে যায় মহারাষ্ট্রে এনসিপির ৫৩ জন বিধায়কের মধ্যে অন্তত ২৯ জনের সমর্থন অজিতের পক্ষে রয়েছে। এই পরিস্থিতিতে দিল্লিতে জাতীয় কর্মসিমিতির বৈঠক ডাকেন শরদ। দাবি করা হয়, আঠাশটি রাজ্য শাখার নেতৃত্ব শরদের পাশে রয়েছেন। সংসদের দু’কক্ষের ৯ সাংসদের মধ্যে সাত জনই সমর্থন জানিয়েছেন শরদকে। এদিন দিল্লিতে শরদ পাওযারের সঙ্গে দেখা করেন রাহুল গান্ধী। 

    আরও পড়ুন: “নন্দীগ্রামে আর একটা ১৪ মার্চ ঘটাতে চায় মমতা ব্যানার্জি”, আশঙ্কা শুভেন্দুর

    ভাঙা দলকে গোছানোর লক্ষ্য নিয়ে শরদ জানিয়ে দেন, তিনি এখনও দলের সভাপতি। শরদের কথায়, ‘‘যে যা বলুক, আমিই দলের সভাপতি।’’ দলের প্রকৃত নেতা কে, এ নিয়ে যে বিতর্কের মীমাংসার ভার নির্বাচন কমিশনের হাতে ছেড়ে দিয়েছেন শরদ। তিনি বলেন, ‘‘এর পরে যা বলার, তা নির্বাচন কমিশনেই বলব আমরা। আমাদের পক্ষ থেকে দলের নাম ও নিশানের জন্য কমিশনের দ্বারস্থ হওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।’’ গত কাল ৮২ বছরের শরদকে বাণপ্রস্থে যাওয়ার পরামর্শ দিয়েছিলেন অজিত। জবাবে তিনি বলেন, ‘‘৮২ হোক বা ৯২— প্রয়োজনে আবার দলকে গড়ে তুলব আমি।’’ 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • NCP: শরদকে সরিয়ে অজিত ‘মনোনীত’ এনসিপির সর্বভারতীয় সভাপতি, ভাতিজার সঙ্গে কত বিধায়ক?

    NCP: শরদকে সরিয়ে অজিত ‘মনোনীত’ এনসিপির সর্বভারতীয় সভাপতি, ভাতিজার সঙ্গে কত বিধায়ক?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দলের সর্বভারতীয় সভাপতি পদে ইস্তফা দিতে চেয়েছিলেন তিনি। তখন এনসিপি (NCP) নেতা শরদ পাওয়ারকে অনুনয়-বিনয় করেছিলেন তাঁর দলের সিংহভাগ বিধায়ক। মাস দুয়েকের ব্যবধানে মহারাষ্ট্রে (Maharashtra) বদলে গেল এনসিপির সমীকরণ। এঁদের অনেকেই ‘বিদ্রোহ’ ঘোষণা করেছেন প্রবীণ এই রাজনীতিবিদের বিরুদ্ধে। কেবল তাই নয়, শরদকে সরিয়ে সর্বভারতীয় সভাপতি পদে বসানো হয়েছে তাঁরই ভাইপো অজিত পাওয়ারকে।

    বান্দ্রায় বৈঠক

    অজিত শিবিরের দাবি, বান্দ্রায় তাঁদের বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন ৪০ জন বিধায়ক। মহারাষ্ট্রের শিবসেনার শিন্ডে শিবির-বিজেপি জোট সরকারে যোগ দিয়েছে এনসিপির অজিত গোষ্ঠীও। মন্ত্রী হয়েছেন অজিত সহ ৯ এনসিপি বিধায়ক। বুধবার অজিত বলেন, সরকারে যোগ দেওয়ার দুদিন আগেই এনসিপির সভাপতি নির্বাচিত হয়েছি আমি। বান্দ্রায় যাঁরা অজিতের (NCP) বৈঠকে হাজির ছিলেন, সেই বিধায়কদের ১০০ টাকার স্ট্যাম্প পেপারের হলফনামায় সই করিয়ে সমর্থনের অঙ্গীকার করতে হয়েছে। অজিতের বৈঠকেও শরদের ছবি টাঙানো হয়েছিল। তবে শরদের কন্যা সুপ্রিয়া সুলের ছবি ছিল না। শরদকে নিয়ে এদিন স্লোগানও দিতে দেখা গিয়েছে এনসিপির অজিত গোষ্ঠীকে।

    শরদের নামে জয়ধ্বনি

    এদিন শরদের নামে জয়ধ্বনি দিতে দেখা যায় মন্ত্রী ছগন ভুজবলকে। তিনি বলেন, শরদজি আমাদের গুরু। তাই আমরা গুরুদক্ষিণা দিয়েছি। ওঁর ভাইপোকে উপমুখ্যমন্ত্রী বানিয়েছি। এর পরে পরেই অজিতকে মনোনীত করা হয় এনসিপির সর্বভারতীয় সভাপতি। এদিকে, মঙ্গলবারই এনসিপির (NCP) পতাকা ও নির্বাচনী প্রতীক ঘড়ির অধিকার দাবি করে নির্বাচন কমিশনের দ্বারস্থ হয়েছে অজিত গোষ্ঠী। তার আগেই অবশ্য কমিশনের কাছে হলফনামা দিয়ে ক্যাভিয়েট দাখিল করে শরদ-শিবির।

    আরও পড়ুুন: পঞ্চায়েত নির্বাচনের ভোট গণনাও করতে হবে কেন্দ্রীয় বাহিনীর ঘেরাটোপে, নির্দেশ আদালতের

    প্রসঙ্গত, মহারাষ্ট্রে এনসিপির বিধায়ক সংখ্যা ৫৩। দলত্যাগবিরোধী আইন এড়াতে অজিত গোষ্ঠীর প্রয়োজন ৩৬ জনের সমর্থন। শরদ শিবিরের অভিযোগ, ইডি-সিবিআইয়ের ভয় দেখিয়ে বিধায়কদের বন্দি বানিয়েছে অজিত গোষ্ঠী। মঙ্গলবার রাতে অজিত গোষ্ঠী থেকে শরদ শিবিরে ফেরা দুই বিধায়ক কিরেন লহমাটে এবং অশোক পাওয়ারও চাপ সৃষ্টির অভিযোগ করেছেন বিজেপির বিরুদ্ধে। এদিকে, উপমুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ নেওয়ার পর অজিত (NCP) বলেন, আমিও একদিন মুখ্যমন্ত্রী হব।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • NCP Crisis: তিন বিধায়ককে দল থেকে বহিষ্কার করলেন এনসিপি প্রধান

    NCP Crisis: তিন বিধায়ককে দল থেকে বহিষ্কার করলেন এনসিপি প্রধান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: একদা ‘ঘনিষ্ঠ সাংসদ প্রফুল্ল প্যাটেলকে দল থেকে বহিষ্কার করে দিলেন এনসিপি (NCP Crisis) প্রধান শরদ পাওয়ার। গত মাসেই প্রফুল্লকে দলের কার্যনির্বাহী সভাপতি পদে নিযুক্ত করেছিলেন পাওয়ার। প্যাটেলের পাশাপাশি দল থেকে সরানো হয়েছে লোকসভার সাংসদ সুনীল তৎকরেকেও। ওই দুই এনসিপি নেতাকে অবিলম্বে বহিষ্কার করার দাবি জানিয়েছিলেন পাওয়ার-কন্যা সুপ্রিয়া সুলে। ‘গোপনে’ দলের মধ্যে বিদ্রোহের পরিকল্পনা’ করার অভিযোগে, তাঁদের অযোগ্য বলে ঘোষণার দাবি জানিয়েছিলেন শরদ-কন্যা তথা এনসিপির কার্যকরী সভাপতি সুপ্রিয়া সুলে।

    ট্যুইট বার্তা শরদের

    সোমবার ট্যুইটারে পাওয়ার লিখেছেন, ‘‘ন্যাশনালিস্ট কংগ্রেস পার্টির (এনসিপি) সভাপতি হিসাবে দলবিরোধী কাজের জন্য সুনীল তৎকরে এবং প্রফুল্ল প্যাটেলকে দল থেকে সরানো হল।’’

    সোমবার এনসিপির মহারাষ্ট্র শাখার প্রধান জয়ন্ত পাটিল জানিয়েছেন, ওই বিধায়কদের দলীয় প্রতীক ব্যবহার করতেও নিষেধ করা হয়েছে। এরপরও, তাঁরা যদি দলের প্রতীক ব্যবহার করেন, তাহলে তাঁদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। 

    আরও পড়ুন: ‘আসল এনসিপি’ কে? শরদের পাল্টা চালে মহারাষ্ট্রে অগ্নিপরীক্ষার মুখে অজিত

    পাল্টা চাল অজিতের

    প্রফুল্লদের সরানোর আগে আরও তিন দলীয় নেতাকে বহিষ্কার করেছে এনসিপি (NCP Crisis)। তাঁরা হলেন, মুম্বই ডিভিশনালের এনসিপি প্রধান নরেন্দ্র রাঠৌর, দলের আকোলা সিটি জেলা প্রধান বিজয় দেশমুখ এবং শিবাজীরাও গারজে। তাঁরা সকলেই বিধায়ক। শরদ পাওয়ার আগেই জানিয়েছিলেন, কারোর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার মতো মানসিকতা তাঁর নেই। এই বিষয়ে যাবতীয় পদক্ষেপ করছেন জয়ন্ত পাটিল। তারই পাল্টা হিসেবে প্রফুল্ল প্যাটেল ঘোষণা করেছেন, জয়ন্ত পাটিলকে সরিয়ে এনসিপির রাজ্য সভাপতি করা হচ্ছে তৎকরেকে। তাঁকে অজিত পাওয়ার নিয়োগ করেছেন বলে দাবি করেছেন তিনি। যদিও শরদ পাওয়ারই এনসিপির সভাপতি বলে সোমবার জানিয়ে দিয়েছেন অজিত পাওয়ার।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share