Tag: Ajit Pawar

Ajit Pawar

  • Ajit Pawar: ভাঙন এনসিপিতে! ৯ জন বিধায়ক নিয়ে শিবসেনা-বিজেপি জোটে অজিত পাওয়ার

    Ajit Pawar: ভাঙন এনসিপিতে! ৯ জন বিধায়ক নিয়ে শিবসেনা-বিজেপি জোটে অজিত পাওয়ার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জল্পনা চলছিলই, তা সত্যিও হল। কাকা-ভাইপোর সংঘাতে ভাঙন এনসিপিতে। শরদ পাওয়ারের দল এনসিপির ৯ জন বিধায়ককে নিয়ে মহারাষ্ট্রের শিবসেনা-বিজেপি জোট সরকারে যোগ দিলেন তাঁর ভাইপো অজিত পাওয়ার (Ajit Pawar)। জানা গিয়েছে, অজিতের সঙ্গে রয়েছেন দলের ২৯ জন বিধায়ক। প্রসঙ্গত, এনসিপির বিধায়ক সংখ্যা হল ৫৩। এই ঘটনা মহারাষ্ট্রের রাজনীতির অনেক নতুন সমীকরণ তৈরি করল বলেই ধারণা ওয়াকিবহাল মহলের। গত বছরেই শিবসেনা ভেঙে এনডিএ-তে সামিল হয়েছিলেন একনাথ শিন্ডে। এবার অজিত পাওয়ার সেই একই পথে হাঁটলেন। বছর ঘুরলেই লোকসভা ভোট, তার আগে এনডিএ শিবির বাড়তি মাইলেজ পেল বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহলের একাংশ। বিজেপির বিধায়ক সংখ্যা বেশি থাকলেও শিবসেনাকেই মুখ্যমন্ত্রীর পদ তারা ছেড়ে দেয়। দলত্যাগী নেতাদের অভিযোগ, এনসিপিতে একনায়কতন্ত্র চালাচ্ছিলেন শরদ পাওয়ার। এমনকী, পাটনায় বিরোধীদের বৈঠকে যোগদান করার সিদ্ধান্ত একাই নিয়েছিলেন শরদ পাওয়ার।

    রবিবার রাজভবনে গিয়ে শপথ নেন অজিত

    রবিবার মহারাষ্ট্রের রাজভবনে গিয়ে শপথ নেন অজিত পাওয়ার (Ajit Pawar)। সূত্র মারফত জানা যাচ্ছে, মহারাষ্ট্রের উপ মুখ্যমন্ত্রী হতে চলেছেন অজিত। এদিন তাঁর সঙ্গে হাজির ছিলেন অন্য এনসিপি নেতারাও। মন্ত্রী হিসাবে শপথ নিতে দেখা যায় প্রবীণ এনসিপি নেতা ছগন ভুজবলকেও। জানা গিয়েছে, গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রকের দায়িত্ব পেতে চলেছেন অন্য এনসিপি বিধায়করাও।

    সকালেই নিজের বাসভবনে বৈঠক করেন অজিত (Ajit Pawar)

    মহারাষ্ট্র রাজনীতির অন্দরের খবর, রবিবার নিজের বাসভবনে দলীয় বিধায়কদের একাংশকে নিয়ে বৈঠকে বসেন অজিত পওয়ার। সেখানেই এই সিদ্ধান্ত হয়। এনসিপি সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, এই বিধায়কদের প্রত্যেকেই দলের অন্দরে ‘অজিত অনুগামী’ বলে পরিচিত। অজিতের ঘনিষ্ঠ মহলের দাবি, রবিবারই অনুগামী বিধায়কদের নিয়ে মহারাষ্ট্র সরকারে যোগ দিতে পারেন তিনি। সে ক্ষেত্রে দেবেন্দ্র ফড়নবীসের সঙ্গে মহারাষ্ট্রের দ্বিতীয় উপ মুখ্যমন্ত্রী করা হতে পারে তাঁকে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • NCP: মহারাষ্ট্রে জারি ‘পাওয়ার’ গেম! এনসিপি-র দুই গোষ্ঠী আজ বিধানসভায় মুখোমুখি

    NCP: মহারাষ্ট্রে জারি ‘পাওয়ার’ গেম! এনসিপি-র দুই গোষ্ঠী আজ বিধানসভায় মুখোমুখি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মহারাষ্ট্রে জারি ‘পাওয়ার’ গেম। অজিত পাওয়ার (Ajit Pawar) শিবিরে চলে যাওয়া দুই সাংসদ ও ন’জন বিধায়ককে বৃহস্পতিবার দল থেকে বহিষ্কারের সিদ্ধান্তে সবুজ সঙ্কেত দিল শরদ পাওয়ারের (Sharad Pawar) নেতৃত্বাধীন এনসিপি (NCP)। দিল্লিতে শরদের নেতৃত্বে হওয়া জাতীয় কর্মসমিতির বৈঠকে দলের বিদ্রোহী নেতাদের বিরুদ্ধে ওই সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হয়। তবে অজিত পাওয়ার গোষ্ঠী এই সিদ্ধান্ত মানতে নারাজ। অজিতের পাল্টা দাবি, যেহেতু তিনি দলের সভাপতি, তাই শরদ পওয়ারের নেতৃত্বে হওয়া দিল্লির বৈঠক গুরুত্বহীন। আজ, শুক্রবারই মহারাষ্ট্রের বিধানসভা অধিবেশনে মুখোমুখি হতে চলেছেন এনসিপির দু’শিবিরের যুযুধান নেতারা। অজিত শিবিরের দাবি, সেখানেই স্পষ্ট হয়ে যাবে, কত জন এনসিপি বিধায়ক তাঁদের সঙ্গে রয়েছেন।

    শক্তি পরীক্ষায় সক্রিয় দুই শিবির

    ইতিমধ্যেই  রাজ্যস্তরে  নিজেদের শক্তি পরীক্ষায় নেমেছিল অজিত বনাম শরদ শিবির। এরপরই  স্পষ্ট হয়ে যায় মহারাষ্ট্রে এনসিপির ৫৩ জন বিধায়কের মধ্যে অন্তত ২৯ জনের সমর্থন অজিতের পক্ষে রয়েছে। এই পরিস্থিতিতে দিল্লিতে জাতীয় কর্মসিমিতির বৈঠক ডাকেন শরদ। দাবি করা হয়, আঠাশটি রাজ্য শাখার নেতৃত্ব শরদের পাশে রয়েছেন। সংসদের দু’কক্ষের ৯ সাংসদের মধ্যে সাত জনই সমর্থন জানিয়েছেন শরদকে। এদিন দিল্লিতে শরদ পাওযারের সঙ্গে দেখা করেন রাহুল গান্ধী। 

    আরও পড়ুন: “নন্দীগ্রামে আর একটা ১৪ মার্চ ঘটাতে চায় মমতা ব্যানার্জি”, আশঙ্কা শুভেন্দুর

    ভাঙা দলকে গোছানোর লক্ষ্য নিয়ে শরদ জানিয়ে দেন, তিনি এখনও দলের সভাপতি। শরদের কথায়, ‘‘যে যা বলুক, আমিই দলের সভাপতি।’’ দলের প্রকৃত নেতা কে, এ নিয়ে যে বিতর্কের মীমাংসার ভার নির্বাচন কমিশনের হাতে ছেড়ে দিয়েছেন শরদ। তিনি বলেন, ‘‘এর পরে যা বলার, তা নির্বাচন কমিশনেই বলব আমরা। আমাদের পক্ষ থেকে দলের নাম ও নিশানের জন্য কমিশনের দ্বারস্থ হওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।’’ গত কাল ৮২ বছরের শরদকে বাণপ্রস্থে যাওয়ার পরামর্শ দিয়েছিলেন অজিত। জবাবে তিনি বলেন, ‘‘৮২ হোক বা ৯২— প্রয়োজনে আবার দলকে গড়ে তুলব আমি।’’ 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • NCP: শরদকে সরিয়ে অজিত ‘মনোনীত’ এনসিপির সর্বভারতীয় সভাপতি, ভাতিজার সঙ্গে কত বিধায়ক?

    NCP: শরদকে সরিয়ে অজিত ‘মনোনীত’ এনসিপির সর্বভারতীয় সভাপতি, ভাতিজার সঙ্গে কত বিধায়ক?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দলের সর্বভারতীয় সভাপতি পদে ইস্তফা দিতে চেয়েছিলেন তিনি। তখন এনসিপি (NCP) নেতা শরদ পাওয়ারকে অনুনয়-বিনয় করেছিলেন তাঁর দলের সিংহভাগ বিধায়ক। মাস দুয়েকের ব্যবধানে মহারাষ্ট্রে (Maharashtra) বদলে গেল এনসিপির সমীকরণ। এঁদের অনেকেই ‘বিদ্রোহ’ ঘোষণা করেছেন প্রবীণ এই রাজনীতিবিদের বিরুদ্ধে। কেবল তাই নয়, শরদকে সরিয়ে সর্বভারতীয় সভাপতি পদে বসানো হয়েছে তাঁরই ভাইপো অজিত পাওয়ারকে।

    বান্দ্রায় বৈঠক

    অজিত শিবিরের দাবি, বান্দ্রায় তাঁদের বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন ৪০ জন বিধায়ক। মহারাষ্ট্রের শিবসেনার শিন্ডে শিবির-বিজেপি জোট সরকারে যোগ দিয়েছে এনসিপির অজিত গোষ্ঠীও। মন্ত্রী হয়েছেন অজিত সহ ৯ এনসিপি বিধায়ক। বুধবার অজিত বলেন, সরকারে যোগ দেওয়ার দুদিন আগেই এনসিপির সভাপতি নির্বাচিত হয়েছি আমি। বান্দ্রায় যাঁরা অজিতের (NCP) বৈঠকে হাজির ছিলেন, সেই বিধায়কদের ১০০ টাকার স্ট্যাম্প পেপারের হলফনামায় সই করিয়ে সমর্থনের অঙ্গীকার করতে হয়েছে। অজিতের বৈঠকেও শরদের ছবি টাঙানো হয়েছিল। তবে শরদের কন্যা সুপ্রিয়া সুলের ছবি ছিল না। শরদকে নিয়ে এদিন স্লোগানও দিতে দেখা গিয়েছে এনসিপির অজিত গোষ্ঠীকে।

    শরদের নামে জয়ধ্বনি

    এদিন শরদের নামে জয়ধ্বনি দিতে দেখা যায় মন্ত্রী ছগন ভুজবলকে। তিনি বলেন, শরদজি আমাদের গুরু। তাই আমরা গুরুদক্ষিণা দিয়েছি। ওঁর ভাইপোকে উপমুখ্যমন্ত্রী বানিয়েছি। এর পরে পরেই অজিতকে মনোনীত করা হয় এনসিপির সর্বভারতীয় সভাপতি। এদিকে, মঙ্গলবারই এনসিপির (NCP) পতাকা ও নির্বাচনী প্রতীক ঘড়ির অধিকার দাবি করে নির্বাচন কমিশনের দ্বারস্থ হয়েছে অজিত গোষ্ঠী। তার আগেই অবশ্য কমিশনের কাছে হলফনামা দিয়ে ক্যাভিয়েট দাখিল করে শরদ-শিবির।

    আরও পড়ুুন: পঞ্চায়েত নির্বাচনের ভোট গণনাও করতে হবে কেন্দ্রীয় বাহিনীর ঘেরাটোপে, নির্দেশ আদালতের

    প্রসঙ্গত, মহারাষ্ট্রে এনসিপির বিধায়ক সংখ্যা ৫৩। দলত্যাগবিরোধী আইন এড়াতে অজিত গোষ্ঠীর প্রয়োজন ৩৬ জনের সমর্থন। শরদ শিবিরের অভিযোগ, ইডি-সিবিআইয়ের ভয় দেখিয়ে বিধায়কদের বন্দি বানিয়েছে অজিত গোষ্ঠী। মঙ্গলবার রাতে অজিত গোষ্ঠী থেকে শরদ শিবিরে ফেরা দুই বিধায়ক কিরেন লহমাটে এবং অশোক পাওয়ারও চাপ সৃষ্টির অভিযোগ করেছেন বিজেপির বিরুদ্ধে। এদিকে, উপমুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ নেওয়ার পর অজিত (NCP) বলেন, আমিও একদিন মুখ্যমন্ত্রী হব।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • NCP Crisis: তিন বিধায়ককে দল থেকে বহিষ্কার করলেন এনসিপি প্রধান

    NCP Crisis: তিন বিধায়ককে দল থেকে বহিষ্কার করলেন এনসিপি প্রধান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: একদা ‘ঘনিষ্ঠ সাংসদ প্রফুল্ল প্যাটেলকে দল থেকে বহিষ্কার করে দিলেন এনসিপি (NCP Crisis) প্রধান শরদ পাওয়ার। গত মাসেই প্রফুল্লকে দলের কার্যনির্বাহী সভাপতি পদে নিযুক্ত করেছিলেন পাওয়ার। প্যাটেলের পাশাপাশি দল থেকে সরানো হয়েছে লোকসভার সাংসদ সুনীল তৎকরেকেও। ওই দুই এনসিপি নেতাকে অবিলম্বে বহিষ্কার করার দাবি জানিয়েছিলেন পাওয়ার-কন্যা সুপ্রিয়া সুলে। ‘গোপনে’ দলের মধ্যে বিদ্রোহের পরিকল্পনা’ করার অভিযোগে, তাঁদের অযোগ্য বলে ঘোষণার দাবি জানিয়েছিলেন শরদ-কন্যা তথা এনসিপির কার্যকরী সভাপতি সুপ্রিয়া সুলে।

    ট্যুইট বার্তা শরদের

    সোমবার ট্যুইটারে পাওয়ার লিখেছেন, ‘‘ন্যাশনালিস্ট কংগ্রেস পার্টির (এনসিপি) সভাপতি হিসাবে দলবিরোধী কাজের জন্য সুনীল তৎকরে এবং প্রফুল্ল প্যাটেলকে দল থেকে সরানো হল।’’

    সোমবার এনসিপির মহারাষ্ট্র শাখার প্রধান জয়ন্ত পাটিল জানিয়েছেন, ওই বিধায়কদের দলীয় প্রতীক ব্যবহার করতেও নিষেধ করা হয়েছে। এরপরও, তাঁরা যদি দলের প্রতীক ব্যবহার করেন, তাহলে তাঁদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। 

    আরও পড়ুন: ‘আসল এনসিপি’ কে? শরদের পাল্টা চালে মহারাষ্ট্রে অগ্নিপরীক্ষার মুখে অজিত

    পাল্টা চাল অজিতের

    প্রফুল্লদের সরানোর আগে আরও তিন দলীয় নেতাকে বহিষ্কার করেছে এনসিপি (NCP Crisis)। তাঁরা হলেন, মুম্বই ডিভিশনালের এনসিপি প্রধান নরেন্দ্র রাঠৌর, দলের আকোলা সিটি জেলা প্রধান বিজয় দেশমুখ এবং শিবাজীরাও গারজে। তাঁরা সকলেই বিধায়ক। শরদ পাওয়ার আগেই জানিয়েছিলেন, কারোর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার মতো মানসিকতা তাঁর নেই। এই বিষয়ে যাবতীয় পদক্ষেপ করছেন জয়ন্ত পাটিল। তারই পাল্টা হিসেবে প্রফুল্ল প্যাটেল ঘোষণা করেছেন, জয়ন্ত পাটিলকে সরিয়ে এনসিপির রাজ্য সভাপতি করা হচ্ছে তৎকরেকে। তাঁকে অজিত পাওয়ার নিয়োগ করেছেন বলে দাবি করেছেন তিনি। যদিও শরদ পাওয়ারই এনসিপির সভাপতি বলে সোমবার জানিয়ে দিয়েছেন অজিত পাওয়ার।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • NCP: ‘আসল এনসিপি’ কে? শরদের পাল্টা চালে মহারাষ্ট্রে অগ্নিপরীক্ষার মুখে অজিত

    NCP: ‘আসল এনসিপি’ কে? শরদের পাল্টা চালে মহারাষ্ট্রে অগ্নিপরীক্ষার মুখে অজিত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের মহারাষ্ট্রের রাজনীতিতে মহা নাটক। দলের সর্বভারতীয় সভাপতি হিসাবে ভাইপো অজিত পাওয়ার-সহ নয় বিদ্রোহী বিধায়কের বিধায়ক পদ খারিজের আর্জি জানালেন এনসিপি (NCP) নেতা শরদ পাওয়ার। রবিবারই বিজেপি-শিবসেনার সরকারের মন্ত্রিসভায় যোগ দেন এনসিপি নেতা অজিত পাওয়ার সহ একাধিক বিধায়করা।

    জাতীয় নির্বাচন কমিশনের কাছে চিঠি

    এনসিপি সূত্রে খবর, শরদ পাওয়ারের (SHARAD PAWAR) দল এনসিপির (NCP) তরফে ইতিমধ্যেই মহারাষ্ট্রের বিধানসভার স্পিকারের কাছে পিটিশন দাখিল  করা হয়েছে। রবিবার অজিত পাওয়ার (Ajit Pawar)সহ এনসিপির যে ৯ জন নেতা শিবসেনা-বিজেপি সরকারে মন্ত্রী হিসাবে শপথ গ্রহণ করেছেন, তাদের বিধায়ক পদ খারিজ করার জন্য আবেদন জানিয়েছেন রাহুল নারভেকর। পাশাপাশি, দলের তরফে জাতীয় নির্বাচন কমিশনের কাছেও চিঠি লিখে জানানো হয়েছে যে এনসিপির প্রধান শরদ পাওয়ারই। ১৯৯৯ সালে তিনি এই দল প্রতিষ্ঠা করেন, তারপর থেকে দলের নেতৃত্ব দিয়ে আসছেন এবং এখনও দলের নেতৃত্বে কোনও পরিবর্তন আসেনি। অজিত পাওয়ারের শিবিরের কোনও আবেদন শোনার আগে যেন শরদ পাওয়ারের শিবিরের বক্তব্য শোনা হয়, সেই অনুরোধও জানানো হয়েছে নির্বাচন কমিশনের কাছে।

    আরও পড়ুন: প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনের উপরে উড়ছে রহস্যজনক ড্রোন! তদন্ত শুরু দিল্লি পুলিশের

    ৪০ জন বিধায়কের সমর্থন রয়েছে দাবি অজিতের

    দল বিরোধী আইনে শাস্তি পাওয়া থেকে বাঁচতে অজিত পাওয়ারের কমপক্ষে ৩৬ জন বিধায়কের সমর্থন চাই। বিজেপি (BJP) সূত্রে খবর, অজিত পাওয়ার দাবি করেছেন বিধানসভায় এনসিপির (NCP) যে ৫৩জন বিধায়ক রয়েছে, তার মধ্যে ৪০ জনেরই সমর্থন রয়েছে তাঁর সঙ্গে। দলের নাম এবং প্রতীকেই তাঁরা আগামী সব নির্বাচনে লড়বেন, বলেও জানান অজিত। মনে করা হচ্ছে, শিবসেনার মতোই এ বার এনসিপির ‘স্বত্বাধিকার’ নিয়েও লড়াইয়ে নামতে চলেছেন কাকা শরদ এবং ভাইপো অজিত। রবিবার দুপুরে হঠাৎই নাটকীয়ভাবে অনুগামী বিধায়কদের সঙ্গে নিয়ে রাজভবনে যান অজিত। তার পরই হাত মেলান শিন্ডে-বিজেপি (Shinde) সরকারের সঙ্গে। উপমুখ্যমন্ত্রী হিসাবে শপথ নেন পাওয়ারের ভাইপো। তাঁর সঙ্গে আরও আট এনসিপি বিধায়ক শপথগ্রহণ করেন। তাঁরা হলেন ছগন ভুজবল, দিলীপ ওয়ালসে পাতিল, অদিতি টাটকারে, ধনঞ্জয় মুন্ডে, হাসান মুশারিফ, ধরমরাজ বাবারাও আতরাম, সঞ্জয় বাঁসোদে এবং অনিল ভাইদাস পাতিল। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share