Tag: Ajodhya

Ajodhya

  • Ram Janmabhoomi Movement: অযোধ্যা রাম জন্মভূমি আন্দোলনের এই ‘অজ্ঞাত নায়ক’দের চেনেন?

    Ram Janmabhoomi Movement: অযোধ্যা রাম জন্মভূমি আন্দোলনের এই ‘অজ্ঞাত নায়ক’দের চেনেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২০২৪ সালের ২২ জানুয়ারি। অযোধ্যায় (Ayodhya) নব নির্মিত রামমন্দিরের উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। শুরু হয় এক নতুন অধ্যায়। কিন্তু এ লড়াই ছিল দীর্ঘদিনের। ১৯৪৯ সাল থেকে অযোধ্যায় রাম জন্মভূমি-বাবরি মসজিদ নিয়ে বির্তকের সূত্রপাত। সেই সময় থেকে মন্দির নির্মাণের দাবিতে শুরু হয়েছিল আন্দোলন। পরবর্তীকালে এই বিতর্ক গড়িয়েছিল আদালত পর্যন্ত। বিভিন্ন সময় এই আন্দোলনে (Ram Janmabhoomi Movement) নেতৃত্বের ব্যাটন হাতে তুলে নিয়েছিলেন বিজেপির প্রবীণ নেতা লালকৃষ্ণ আডবাণী, উত্তরপ্রদেশের প্রাক্তন বিজেপি মুখ্যমন্ত্রী কল্যাণ সিং, বিশ্ব হিন্দু পরিষদের প্রাক্তন সভাপতি অশোক সিংঘলরা। তবে শুধু রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব নয়, রামমন্দির আন্দোলনে সামিল হয়েছিলেন সাধু-সন্ত থেকে শুরু করে সাধারণ মানুষ। যাঁরা, কোনও দিন পরিচিত ছিলেন না এবং আড়ালে থেকেই নিজেদের কাজ করে গিয়েছেন।

    কেন আড়ালে (Ayodhya) 

    শ্রী রাম জন্মভূমি আন্দোলনের (Ram Janmabhoomi Movement) ইতিহাসের বেশিরভাগ সময়, বিশেষ করে বিংশ শতাব্দীর ৮-এর দশকের মাঝামাঝি সময়ে বাম-কংগ্রেস মতাদর্শ বিশ্বাসীরা রাম জন্মভূমি আন্দোলনকে ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি) এবং বিশ্ব হিন্দু পরিষদ (ভিএইচপি)-এর রাজনীতির পদক্ষেপ হিসেবে উপহাস করেছিলেন। রাম মন্দির আন্দোলনকে দলিত বিরোধী, মুসলিম বিরোধী, উপজাতি বিরোধী হিসেবে দেখানো হয়েছিল। আন্দোলনের পুরো সময়জুড়ে, বাম-কংগ্রেস গোষ্ঠী যুক্তি দেখিয়ে চলেছিল যে, এটি কেবল কয়েকটি তথাকথিত ‘উচ্চ বর্ণের’ আন্দোলন এবং বৃহত্তর হিন্দু সমাজের এর সঙ্গে কোনও যোগ নেই।

    বাস্তব অন্য

    যে প্রচার বাম-কংগ্রেসরা করেছিল, তা আসলে সত্য থেকে অনেক দূরে। শ্রী রাম জন্মভূমি আন্দোলন (Ram Janmabhoomi Movement) ছিল জনগণের আন্দোলন। একটি আহত সভ্যতা ইতিহাসের একটি নির্দিষ্ট মোড়ে জাগ্রত হয়েছিল, এবং তার হারানো গৌরব পুনরুদ্ধার করার জন্য যথাসাধ্য চেষ্টা করেছিল। তাই ১৯৯০ সালে লালকৃষ্ণ আডবাণীর রাম রথযাত্রায় যোগ দিয়েছিলেন অগণিত মানুষ। ‘মন্দির ওয়াহি বানায়েঙ্গে’ স্লোগানে কেঁপে উঠেছিল ভারত। তাঁরা ছিলেন  ধর্মীয় পুরুষ, স্বেচ্ছাসেবক, নিবেদিত এবং গর্বিত হিন্দু। সেই দলে থাকা কয়েকজন ‘নেপথ্য-নায়ক’-এর সম্পর্কে জেনে নেব। 

    মহন্ত অবৈদ্যনাথ

    উত্তরপ্রদেশের গোরক্ষনাথ মঠের মহন্ত দিগ্বিজয়ের উত্তরসূরি ছিলেন মহন্ত অবৈদ্যনাথ। ১৯৮৪ সালে রাম জন্মভূমি আন্দোলনের জোরদার করতে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা নিয়েছিলেন। সাধুদের এক ছাতার তলায় নিয়ে আসতে রাম জন্মভূমি মুক্তি যজ্ঞ কমিটি গঠন করেছিলেন তিনি।

    মোরোপান্ত পিংলে

    নাগপুরের মরিস কলেজ থেকে স্নাতক এবং আরএসএস প্রচারক, পিংলে রাম মন্দির আন্দোলনের একজন প্রধান কৌশলবিদ ছিলেন। পিংলে রাম মন্দির আন্দোলনের (Ram Janmabhoomi Movement) সমস্ত প্রধান ‘যাত্রা’, দেশব্যাপী প্রচারের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। যার মধ্যে ‘শিলা পূজন’ প্রোগ্রামও অন্তর্ভুক্ত ছিল। তিনি প্রথম ৩ লক্ষেরও বেশি ইট অযোধ্যায় পাঠিয়েছিলেন। তিনি সবসময় পর্দার আড়ালে কাজ করতেন। 

    স্বামী বামদেব

    একজন তপস্বী, গো-মাতাকে রক্ষা করাই ছিল তাঁর কাজ। তিনি ১৯৮৪ সালে জয়পুরে সর্বভারতীয় স্তরের একটি বৈঠকের মাধ্যমে বিভিন্ন হিন্দু ধর্মীয় এবং আধ্যাত্মিক নেতাদের একত্রিত করেছিলেন। ৪০০-এরও বেশি হিন্দু ধর্মীয় নেতা আন্দোলনের ভবিষ্যৎ রোডম্যাপ তৈরি করতে ১৫ দিন ধরে একসঙ্গে কাজ করেছিল। স্বামী বামদেব ১৯৯০ সালে অযোধ্যায় করসেবকদের নেতৃত্ব দিয়েছিলেন। এই সময়ই মুলায়ম সিং যাদবের সরকারের আদেশে উত্তরপ্রদেশে পুলিশের গুলিতে বেশ কয়েকজন কর সেবক মারা যান। তিনি সেই উত্তাল সময়ে সামনে থেকে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন। ১৯৯২ সালের ৬ ডিসেম্বর যখন অযোধ্যায় বাবরি মসজিদ ভেঙে ফেলা হয়েছিল, তখনও সেখানে ছিলেন বামদেব।

    ভিএইচ ডালমিয়া

    একটি সুপরিচিত শিল্পপতি পরিবার থেকে আসা, ডালমিয়া ১৯৯২ থেকে ২০০৫ পর্যন্ত ভিএইচপির সভাপতি ছিলেন। আড়ালে থাকতে পছন্দ করা ডালমিয়া রাম জন্মভূমি আন্দোলনের (Ram Janmabhoomi Movement) একজন প্রধান নেতা ছিলেন। যখন শ্রী রাম জন্মভূমি ন্যাস ১৯৮৫ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল, তখন তাঁকে এর কোষাধ্যক্ষ করা হয়। বিতর্কিত কাঠামো ধ্বংসের পরে তাঁকে গ্রেফতারও করা হয়েছিল।

    এসসি দীক্ষিত

    ১৯৮০-এর দশকে রাম জন্মভূমি আন্দোলনের একজন সামনের সারির নেতা ছিলেন এসসি দীক্ষিত। তিনি ১৯৮২ থেকে ১৯৮৪ সাল পর্যন্ত উত্তরপ্রদেশের পুলিশ মহাপরিদর্শক ছিলেন। অবসর নেওয়ার পরে, তিনি বিশ্ব হিন্দু পরিষদের সহ-সভাপতি হিসাবে যোগদান করেন। তিনি অযোধ্যায় (Ayodhya) করসেবকদের আন্দোলনের কৌশল তৈরি করতেন। ভিএইচপি দ্বারা পরিচালিত বিভিন্ন মঠের প্রচারণার সঙ্গেও যুক্ত ছিলেন তিনি। ১৯৯০ সালে অযোধ্যায় করসেবা চলাকালীন রাম জন্মভূমি আন্দোলনে অংশ নেওয়ার জন্য তাঁকে গ্রেফতার করা হয়।

    দাউদয়াল খান্না

    রাম জন্মভূমি মুক্তি যজ্ঞ সমিতির সাধারণ সম্পাদক হিসাবে, দাউদয়াল খান্না আন্দোলনের (Ram Janmabhoomi Movement) মাটি প্রস্তুত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিলেন। তিনি তাঁর প্রথম জীবনে একজন কংগ্রেস নেতা ছিলেন এবং ১৯৬০-এর দশকে উত্তরপ্রদেশে কংগ্রেস পরিচালিত সরকারের স্বাস্থ্যমন্ত্রী ছিলেন। তিনি ১৯৮৩ সালে একটি জনসভায় অযোধ্যা, মথুরা এবং কাশী (বারাণসী)-তে মন্দির পুনর্নির্মাণের বিষয়টি উত্থাপন করেছিলেন। তাঁর উদ্যোগটি রাম জন্মভূমি আন্দোলন পুনরায় শুরু করার মূল অনুঘটক প্রমাণিত হয়েছিল। 

    কোঠারি ভ্রাতৃদ্বয়

    রম কুমার কোঠারি এবং শরদ কুমার কোঠারি ছিলেন দুই ভাই। এঁরা ১৯৯০ সালের অক্টোবর মাসে করসেবায় অংশ নিতে কলকাতা থেকে অযোধ্যায় (Ayodhya) গিয়েছিলেন। তাঁরা অযোধ্যায় ১৯৯০ সালের ৩০ অক্টোবর করসেবায় প্রথম ব্যাচের সদস্য হিসেবে অংশ নিয়েছিলেন। দুই দিন পরে, ২ নভেম্বর, যখন তাঁরা করসেবা করছিলেন তখন তাঁদের দুজনকেই পুলিশ কাছাকাছি থেকে গুলি করে হত্যা করে। রমের বয়স ছিল ২৩ এবং শরদের বয়স ছিল মাত্র ২০ বছর।

    আরও পড়ুন: তাঁর আমলেই অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি, বাংলাদেশকে গণতন্ত্রের পথ দেখিয়েছিলেন হাসিনা

    শুধু এঁরা নয়, অন্যদের মধ্যে সেতারাম মালি (যোধপুর), রমেশ কুমার (গঙ্গানগর), মহাবীর প্রসাদ (ফৈজাবাদ), রমেশ পাণ্ডে (অযোধ্যা), সঞ্জয় কুমার (মুজাফফরপুর), অধ্যাপক মহেন্দ্রনাথ অরোরা (যোধপুর) এই আন্দোলনের (Ram Janmabhoomi Movement) জন্য তাঁদের জীবন উৎসর্গ করেছেন। অযোধ্যায় (Ayodhya) হনুমানগড়ির কাছে শহিদ গলি আজও প্রমাণ করে “রাম লাল্লা হাম আয়েঙ্গে, মন্দির ওহি বনায়েঙ্গে” ছিল একটা আবেগ। যার সঙ্গে রাজনীতির কোনও সম্পর্ক নেই।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Mohammad Shami: ‘‘হাজার বার বলো জয় শ্রীরাম’’, ধর্মান্ধদের কড়া জবাব মহম্মদ শামির

    Mohammad Shami: ‘‘হাজার বার বলো জয় শ্রীরাম’’, ধর্মান্ধদের কড়া জবাব মহম্মদ শামির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: একই কণ্ঠে ‘আল্লাহ হু আকবর’ ও ‘জয় শ্রী রাম’ শব্দবন্ধনী উচ্চারিত হতেই পারে, এতে সমস্যা কোথায়? এমনই প্রশ্ন তুললেন ভারতীয় ক্রিকেটে বিতর্কিত তথা জনপ্রিয় এক চরিত্র মহম্মদ শামি। ব্যক্তিগত জীবন থেকে তাঁর ধর্মাচরণ সব কিছু নিয়েই চর্চা হয়। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে তারকা পেসার বলেন, ” যদি রাম মন্দির তৈরি হয়, তাহলে জয় শ্রী রাম বলতে আপত্তি কোথায়? হাজার বার বলো। আমি যদি আল্লাহু আকবর বলতে চাই, তাহলে হাজার বার বলব। এতে কী ফারাক তৈরি হবে?”

    ধর্মান্ধদের তুলোধোনা

    গত একদিনের বিশ্বকাপে সবথেকে বেশি উইকেট নিয়েছেন মহম্মদ শামি। বিশ্বকাপে মাত্র সাতটা ম্যাচ খেলে মোট ২৪টা উইকেট নেন শামি। বিশ্বকাপে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ম্যাচে উইকেট নেওয়ার পর শামির সেলিব্রেশন নিয়ে কথা ওঠে। তিনি সাজদা করতে গিয়েও তা করতে পারেননি বলে অনেকে মন্তব্য করেন। যার জবাবে সামি জানিয়েছিলেন, ভারতে থেকে তিনি যা ইচ্ছে সেটা করতে পারেন। তিনি কাউকে ভয় পান না। কারণ হিসেবে তিনি জানিয়েছিলেন, ‘আমি টানা পাঁচ ওভার বল করছিলাম, আমি নিজের ক্ষমতার থেকে বেশি চেষ্টা করছিলাম। আমি ক্লান্ত ছিলাম। আমি যখন পঞ্চম উইকেট পাই, আমি হাঁটু মুড়ে বসে পড়ি। কেউ আমাকে ধাক্কা মারে, আমি তাই এগিয়ে যাই সামনের দিকে। সবাই মনে করছিল আমি সাজদা করতে গিয়েছি, কিন্তু তা নয়।’

    ধর্মের আগে দেশ

    এই প্রসঙ্গ উঠতেই সম্প্রতি সাক্ষাতকারে স্পিডস্টারের বক্তব্য, “আরে, সাজদা বিষয়টি হঠাৎ কীভাবে উঠে এল, সেটাই তো বুঝতে পারলাম না। রাম মন্দির তৈরি হলে, জয় শ্রী রাম বলতে বাধা কোথায়? হাজার বার বলো জয় শ্রী রাম। আমার যদি আল্লাহ-র কাছে প্রার্থনা করার ইচ্ছা হয় আমি হাজার বার বলব। কী ফারাক হবে এতে?” তাঁর কথায়, “প্রত্যেক ধর্মেই ৫-১০ জন ব্যক্তি থাকেন, যাঁরা ভিন্নধর্মী ব্যক্তিদের পছন্দ করেন না। এতে আমার কোনও সমস্যা নেই। আমি কাউকে ভয় পাইনা। আমি যদি সত্যি সত্যি প্রার্থনা করতে চাইতাম, কে আটকাত আমাকে? আমি তো কাউকে প্রার্থনা করা থেকে বিরত করি না। যদি আমি প্রার্থনা করতে চাই, অবশ্যই করব। এতে সমস্যা কোথায়? আমি গর্বের সঙ্গে বলি আমি মুসলিম, আমি গর্বিত যে আমি ভারতীয়। সবসময় ধর্মের আগে দেশ আমার কাছে প্রাধান্য পাবে। এতে যদি কারোর সমস্যা হয় আমি নিরুপায়।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Ajodhya Ram Temple: ১১ ফেব্রুয়ারি অযোধ্যা যাচ্ছেন শুভেন্দু, রাম দর্শনে বাংলার বিজেপি বিধায়করাও

    Ajodhya Ram Temple: ১১ ফেব্রুয়ারি অযোধ্যা যাচ্ছেন শুভেন্দু, রাম দর্শনে বাংলার বিজেপি বিধায়করাও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাম দর্শনে অযোধ্যা যাচ্ছেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। আগামী ১১ ফেব্রুয়ারি একদিনের সফরে অযোধ্যা যাবেন তিনি। এই সফরে তাঁর সঙ্গী হবেন পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার বিজেপি বিধায়কেরা।  ওই দিনই আবার তাঁরা সকলে কলকাতায় ফিরবেন। সামনে লোকসভা নির্বাচন, তারপর ফেব্রুয়ারির প্রথম সপ্তাহ থেকেই শুরু হচ্ছে রাজ্য বাজেট অধিবেশন। তাই এই কর্মব্যস্ততার মধ্যে একদিনের সফরেই রামের আশীষ নিতে অযোধ্যা যাওয়ার ইচ্ছা বিরোধী দলনেতার।

    একদিনের ঝটিতি সফর

    দলীয় সূত্রের খবর, ১১ ফেব্রুয়ারি রবিবার রয়েছে। তাছাড়া ৫ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হচ্ছে রাজ্য বিধানসভার বাজেট অধিবেশন। বাজেটে যোগ দিতে বিজেপির উত্তর ও দক্ষিণের সমস্ত বিধায়করা বিধানসভায় আসবেন। রবিবার ছুটির দিন থাকায় বিমান পথে সেদিনই অযোধ্যা গিয়ে আবার ফিরে আসার পরিকল্পনা রয়েছে তাঁদের। কারণ, পরের দিন আবার বাজেট অধিবেশন রয়েছে রাজ্য বিধানসভায়। এক বিজেপি নেতার কথায়, ‘‘রামমন্দির আসলে হিন্দুদের আবেগ। ৫০০ বছরের বেশি সময় ধরে লড়াই করার পর সেই দিন এসেছে, তাই এমন একটি পবিত্র মন্দির দেখতে পাওয়া অনেক বড় বিষয়। এর সঙ্গে রাজনীতির কোনও যোগ নেই।’’

    আরও পড়ুন: বাণিজ্যের নতুন দিশা! রাম মন্দিরের উদ্বোধনকে কেন্দ্র করে রেকর্ড আয়

    প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি মন্দির উদ্বোধনের দিন দলীয় নেতাদের নিজ নিজ রাজ্যে থেকেই রামমন্দিরের সূচনাপর্ব উদ্‌যাপন করতে বলেছিলেন। প্রধানমন্ত্রীর সেই নির্দেশ মেনে বিরোধী দলনেতা মঙ্গলবার তাঁর কর্মসূচি সীমাবদ্ধ রেখেছিলেন কলকাতা ও হাওড়া জেলার মধ্যেই। এবার তিনি অযোধ্যা যাবেন রাম দর্শনের জন্য। সোমবার অযোধ্যার নবনির্মিত রামমন্দিরে রামলালার প্রাণ প্রতিষ্ঠা হয়েছে। সেদিন ভিআইপি ছাড়া সাধারণের প্রবেশাধিকার ছিল না মন্দির চত্বরে। সেই অর্থে মঙ্গলবারই ছিল সর্বসাধারণের জন্য রাম দর্শনের প্রথম দিন। মন্দির কমিটির হিসেব অনুযায়ী, প্রথম দিনেই দর্শনার্থীদের সংখ্যা ৫ লাখ ছাড়িয়েছে। আগামী কয়েকদিন এই জন জোয়ার আরও তীব্রতর হবে বলেই অনুমান।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Ram Mandir Inauguration:  ‘রাম রাজ্যে’  উৎসবের মেজাজ, অযোধ্যায় আজ সারা দিন

    Ram Mandir Inauguration:  ‘রাম রাজ্যে’ উৎসবের মেজাজ, অযোধ্যায় আজ সারা দিন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অপেক্ষার অবসান। দীর্ঘ লড়াইয়ের পথ পেরিয়ে অযোধ্যায় আজ, সোমবার, উদ্বোধন হতে চলেছে রাম মন্দিরের। রাম মন্দিরে রামের মূর্তি রামলালার ‘প্রাণ প্রতিষ্ঠা’র সময় আগত। আর কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই এই ‘প্রাণ প্রতিষ্ঠা’র মাধ্যমে মন্দিরের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করবেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। রাম মন্দির উদ্বোধন ঘিরে ভারতজুড়েই বিরাজ করছে উৎসবের মেজাজ। 

    প্রাণ প্রতিষ্ঠা অনুষ্ঠানের সম্পূর্ণ সূচি

    সোমবার সকাল সাড়ে ১০টা নাগাদ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি অযোধ্যায় পৌঁছবেন। ১১টায় অযোধ্যায় রাম মন্দির প্রাঙ্গণে পৌঁছবেন প্রধানমন্ত্রী। ১১টা থেকে ১২টা পর্যন্ত মন্দির চত্বর ঘুরে দেখবেন মোদি। দুপুর ১২টায় শুরু হবে উদ্বোধনী অনুষ্ঠান। অনুষ্ঠানসূচি বলছে, ঠিক ১২টা ০৫ মিনিটে রামলালার বিগ্রহে ‘প্রাণ প্রতিষ্ঠা’র আচার-অনুষ্ঠান শুরু হবে। এর মধ্যে ৮৪ সেকেন্ড হল বিশেষ মুহূর্ত যখন রামলালার বিগ্রহে প্রাণ প্রতিষ্ঠা করা হবে। ১টার সময় উদ্বোধনস্থল ছেড়ে বেরোবেন মোদি। এরপর যোগ দেবেন পাশেই আয়োজিত জনসভায়। দুপুর ১টা ৩০ মিনিট থেকে ২টো ৩০মিনিট পর্যন্ত চলবে জনসভা। ২টো ৪০ মিনিটে কুবের টিলায় শিব মন্দির দর্শন করবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।

    জনসাধারণের জন্য মন্দির দর্শন

    সোমবার দুপুর সওয়া ১২টা থেকে পৌনে ১টার মধ্যে রামমন্দির উদ্ধোধন হবে বলে মন্দির নির্মাণকারী সংস্থা শ্রীরাম জন্মভূমি তীর্থক্ষেত্রের তরফে জানা গিয়েছে। সোমবার মন্দির উদ্বোধন হলেও মঙ্গলবার থেকে দর্শনার্থীদের জন্য এই মন্দিরের দরজা খুলে দেওয়া হবে। শ্রীরাম জন্মভূমি তীর্থক্ষেত্রের তরফে জানা গিয়েছে যে,  সারা দিনে দু’বার মন্দিরের দরজা খোলা হবে। সকাল ৭টায় মন্দিরের দরজা খোলার পর সাড়ে ১১টার সময় দর্শনার্থীদের জন্য মন্দিরের দরজা বন্ধ করে দেওয়া হবে। তার পর আবার দুপুর ২টো থেকে দর্শনার্থীরা মন্দিরের ভিতর প্রবেশ করতে পারবেন। সন্ধ্যা ৭টার সময় মন্দিরের দরজা বন্ধ হয়ে যাবে।

    আরও পড়ুন: ২০ হাজার অতিথির জন্য মহাপ্রসাদ, ‘কন্দমূল, সরযূ নীর’ বাক্সে থাকছে আর কী কী?

    দিনে আরতি হবে তিন বার— সকাল সাড়ে ৬টায় ‘জাগরণ আরতি’, দুপুর ১২টায় ‘ভোগ আরতি’ ও সন্ধ্যা ৭টায় ‘সন্ধ্যারতি’। দর্শনার্থীরা আরতি দিতে চাইলে তাঁদের নির্দিষ্ট সময়ের চেয়ে ৩০ মিনিট আগে মন্দিরের ক্যাম্প অফিসে পরিচয়পত্র নিয়ে হাজির হতে হবে। সেখান থেকে আরতি দেওয়ার পাস সংগ্রহ করলে তার পর আরতি দেওয়ার জন্য মন্দিরে প্রবেশ করতে পারবেন দর্শনার্থীরা।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share