Tag: akbar

akbar

  • UPSC: ভগবান রামের সঙ্গে আকবরের তুলনা টেনে বিপাকে ইউপিএসসি শিক্ষিকা, চাপে পড়ে চাইলেন ক্ষমা

    UPSC: ভগবান রামের সঙ্গে আকবরের তুলনা টেনে বিপাকে ইউপিএসসি শিক্ষিকা, চাপে পড়ে চাইলেন ক্ষমা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সিভিল সার্ভিস (UPSC) পরীক্ষার অন্যতম জনপ্রিয় শিক্ষিকা শুভ্রা রঞ্জনের একটি বয়ানে বিতর্ক শুরু হয়। একটি ভিডিও বার্তায় ওই শিক্ষিকা ভগবান রামের (Lord Ram) সঙ্গে তুলনা টানেন আকবরের। যা নিয়ে প্রবল সমালোচনা করেন নেটিজেনরা। শিক্ষিকার বিরুদ্ধে ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত দেওয়ার অভিযোগে দায়ের হয় মামলাও। পরবর্তীকালে নিজের এক্স হ্যান্ডেলে ক্ষমা প্রার্থনা করেন শুভ্রা রঞ্জন এবং তিনি বলেন, ‘‘আমার উদ্দেশ্য কারও ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত করা ছিল না, যদি এমনটা হয়ে থাকে তবে আমি ক্ষমা প্রার্থী।’’

    ইউপিএসসি শিক্ষিকার (UPSC) ওই ভিডিও সমাজ মাধ্যমে ভাইরাল হয়

    প্রসঙ্গত, শুভ্রা রঞ্জনের ওই ভিডিও সমাজ মাধ্যমে ব্যাপক ছড়িয়ে পড়ে এবং প্রত্যেকেই দাবি করতে থাকেন, ওই বয়ানের মাধ্যমে শিক্ষিকা (UPSC) হিন্দুদের অনুভূতিতে আঘাত করেছেন। এই ঘটনায় সাইবার ক্রাইমে মামলা দায়ের করেন এক সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারী। এর জবাবে শুভ্রা রঞ্জন বলেন, ‘‘যে ভিডিও ছড়িয়ে পড়েছে তা একটি ছোট অংশ মাত্র। আপনারা যদি সম্পূর্ণ ভিডিওটি দেখেন, তাহলে বুঝতে পারবেন যে আমি বোঝাতে চেয়েছিলাম ভগবান শ্রী রামের (Lord Ram) রাজ্য ছিল একটি আদর্শ রাজ্য।’’

    শিক্ষিকার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার আর্জিও জানান কেউ কেউ

    শিক্ষিকা আরও দাবি করেন, ‘‘আমার এই আলোচনা ছিল একটি তুলনামূলক অধ্যয়ন।’’ শিক্ষিকা আরও বলেন, ‘‘ভগবান রাম হলেন ভারতের-ঐতিহ্য-সভ্যতা-সংস্কৃতির প্রতীক। প্রভু শ্রী রামচন্দ্র এবং এবং তাঁর দেখানো পথের প্রতি আমাদের সর্বোচ্চ শ্রদ্ধা ও বিশ্বাস রয়েছে।’’ বেশিরভাগ নেটাগরিক শুভ্রা রঞ্জনের তীব্র সমালোচনা করেন এবং বলেন, ‘‘ভগবান রামের সঙ্গে আকবরের তুলনা করে ওই শিক্ষিকা ইউপিএসসি (UPSC) প্রার্থীদের মনকে কলুষিত করেছেন।’’ তাঁর বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার আর্জিও জানান কেউ কেউ।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Hanuman Chalisa: আকবর বন্দি করেন তুলসীদাসকে! কারাগারেই রচিত হয় ‘হনুমান চালিশা’

    Hanuman Chalisa: আকবর বন্দি করেন তুলসীদাসকে! কারাগারেই রচিত হয় ‘হনুমান চালিশা’

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সারাদেশ জুড়ে আজকে সাড়ম্বরে পালিত হচ্ছে হনুমান জয়ন্তী। ভগবান হনুমানকে সাহস এবং শক্তির প্রতীক বলে মনে করা হয়। হিন্দুদের বিশ্বাস রয়েছে, ভগবান হনুমানের উদ্দেশ্যে হনুমান চালিশা পাঠ করলে জীবনের সকল সমস্যার সমাধান হয়। সমস্ত বাধা বিঘ্ন থেকে ভক্তকে রক্ষা করেন হনুমান। ভক্তদের উদ্ধার করেন স্বয়ং বজরংবলী। জানা যায়, ভগবান হনুমানকে উৎসর্গ করে হনুমান চালিশা লিখেছিলেন তুলসীদাস। চল্লিশটি শ্লোকের সমাহার হল এই হনুমান চালিশা (Hanuman Chalisa)।

    কারাগারেই রচিত হয় হনুমান চালিশা

    কবি তুলসীদাস ছিলেন সম্রাট আকবরের সময়কালের। সে সময় সম্রাট আকবর তুলসীদাসকে বলেন যে রামচন্দ্রকে দর্শন করাতে হবে। এর উত্তরে তুলসীদাস দাবি করেন যে তিনি কোনও জাদু জানেন না। তবে শ্রীরামচন্দ্রের কৃপাতে অনেক কিছুই সম্ভব হতে পারে। তুলসীদাস আরও বলেন, ‘‘তাঁর দর্শন এভাবে পাওয়া যায় না। অন্তর থেকে ডাকলে তিনি সাড়া দেন।’’ তুলসীদাসের এ কথা বিশ্বাস করতে চাননি আকবর। তখনই তিনি রামচরিত মানসের রচয়িতাকে কারাগারে বন্দি করেন। সেই কারাগারে বসেই হনুমান চালিশা (Hanuman Chalisa) লেখেন তুলসীদাস। প্রচলিত গল্প অনুযায়ী চল্লিশতম শ্লোক যেদিন লেখেন তুলসীদাস, সেদিন এক বিরাট বানর বাহিনী আকবরের প্রাসাদ ভাঙচুর করে। রীতিমতো তান্ডব চালায়। পরবর্তীকালে মুঘল সম্রাট তাঁর নিজের ভুল বুঝতে পারেন, ক্ষমা চান এবং মুক্ত করেন তুলসীদাসকে।

    জীবনের অনেক সমস্যার সমাধান করে হনুমান চালিশা পাঠ

    হনুমানের (Hanuman Chalisa) আশীর্বাদ পাওয়ার জন্য হনুমান চালিশা পাঠ আবশ্যিক বলেই জানাচ্ছেন শাস্ত্রবিদরা। মনে করা হয়, প্রতি মঙ্গলবার যে ব্যক্তি হনুমান চালিশা পাঠ করেন এবং ভগবান হনুমানের পূজা করেন তাঁর জীবনের সমস্ত সমস্যার সমাধান হয়। হনুমান চালিশা পাঠ করলে শনি সাড়ে সাতি দশা থেকেও মুক্তি পাওয়া যায়। এ কথা বলছেন জ্যোতিষীরা। এর পাশাপাশি অতীতের আতঙ্ক যদি পিছু না ছাড়ে তাহলে দারুন কাজে দেয় হনুমান চালিশা পাঠ। নেতিবাচক চিন্তা অযথা ভয় উদ্বেগের সমস্যা রয়েছে যাঁদের, তাঁরাও হনুমান চালিশা পাঠ করতে পারে।

    কখন পাঠ করবেন হনুমান চালিশা

    তবে কখন পাঠ করবেন হনুমান চালিশা (Hanuman Chalisa)? এর উত্তরে জ্যোতিষীরা জানাচ্ছেন, সকালে কিংবা সন্ধ্যায় হনুমান চালিশা পাঠ করা যেতে পারে। সকালে স্নান করে, পরিচ্ছন্ন পোশাকে হনুমান চালিশা পাঠ করুন অথবা সন্ধ্যায় যদি আপনি হনুমান চল্লিশা পাঠ করতে চান তাহলে পরিষ্কার ভাবে নিজের হাত পা ধুয়ে করতে হবে। জ্যোতিষীরা আরও জানাচ্ছেন, যদি আপনার কোনও খারাপ স্বপ্ন আসে তাহলে বালিশের নিচে হনুমান চালিশা রাখা যেতে পারে এবং এতে তৎক্ষণাৎ ফল পাওয়া যায়। প্রতিদিন হনুমান চালিশা পাঠ করলে মানসিক চাপ থেকেও মুক্তি পাওয়া যায়। বর্তমানে দৈনন্দিন জীবনে স্ট্রেস থেকে মুক্তি পেতে হনুমান চালিশা আপনার বড় রক্ষাকবচ হতে পারে।

    কীভাবে পাঠ করবেন হনুমান চালিশা (Hanuman Chalisa)

    তবে হনুমান চালিশা পাঠ করতে গেলে বেশ কিছু নির্দিষ্ট নিয়ম রীতি মেনে চলাই উচিত বলে জানাচ্ছেন শাস্ত্রবিদরা। কোন কোন নিয়ম মেনে হনুমান চালিশা পাঠ করবেন?

    – হনুমান চালিশা পাঠ করার সময় কুশ বা অন্য কোন আসন ব্যবহার করুন।
    – হনুমান চালিশা পাঠ শুরু করার আগে, গণেশের আরাধনা করবেন।
    – এরপরে ভগবান রাম এবং সীতা মাতাকে স্মরণ করবেন।
    – তারপরে বজরংবলীর সামনে ধূপকাঠি ও প্রদীপ জ্বালিয়ে ফুল অর্পণ করবেন।
    – এরপরে হনুমান চালিশা পাঠ শুরু করুন। তারপরে পুনরায় ভগবান রামের স্মরণ করুন।
    – সবশেষে হনুমানজিকে বোঁদে বা বেসনের লাড্ডু ভোগ নিবেদন করুন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Calcutta High Court: আকবর-সীতা বিতর্ক এড়াতে সিংহের নাম বদলের পরামর্শ হাইকোর্টের

    Calcutta High Court: আকবর-সীতা বিতর্ক এড়াতে সিংহের নাম বদলের পরামর্শ হাইকোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আকবর-সীতা বিতর্ক এড়াতে রাজ্যকে সিংহের নাম বদলের পরামর্শ কলকাতা হাইকোর্টের (Calcutta High Court)। বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্য বৃহস্পতিবার রাজ্যের উদ্দেশ ওই সিংহ দম্পতির নাম বদলে দিতে বলেন। বৃহস্পতিবার মামলাকারীকে জনস্বার্থ মামলা হিসেবে মামলা দায়ের করার নির্দেশও দেন তিনি।

    কী বললেন বিচারপতি?

    এদিন মামলাটির শুনানি হয় কলকাতা হাইকোর্টের জলপাইগুড়ি সার্কিট বেঞ্চে। বিচারপতি ভট্টাচার্য (Calcutta High Court) বলেন, “কারা এই নাম রেখেছেন? কারা এত বিতর্ক তৈরি করছেন? কোনও পশুর নাম কি কোনও দেবতা, পৌরাণিক নায়ক, স্বাধীনতা সংগ্রামী অথবা নোবেলজয়ী ব্যক্তির নামে রাখা যায়? সিংহ-সিংহীর নাম আকবর ও সীতার নামে রেখে শুধু শুধু বিতর্ক ডেকে আনা হয়েছে। এই বিতর্ক এড়ানো যেত। শুধু সীতা নয়, আকবর নামটিও রাখা উচিত নয়। তিনি মুঘল সাম্রাজ্যের মহান সম্রাট ছিলেন। অত্যন্ত দক্ষ এবং ধর্ম নিরপেক্ষ ছিলেন। রাজ্যের উচিত ছিল এই ধরনের নামের বিরোধিতা করা।”

    বিচারপতির গুচ্ছ প্রশ্ন

    আলিপুর চিড়িয়াখানর প্রসঙ্গ টেনে বিচারপতি বলেন, “কত সাধারণ নাম রয়েছে, যা নিয়ে বিতর্ক হয় না। আলিপুর চিড়িয়াখানায় একটি সিংহীর নাম শ্রুতি, তা নিয়ে তো বিতর্ক হয় না।” বিচারপতি বলেন, “আপনি কি কোনও সিংহের নাম দেবেন হিন্দুদের কোনও দেবতার নামে? অথবা কোনও মুসলমান প্রফেটের নামে? কিংবা খ্রিস্টানদের দেবতার নামে? অথবা কোনও স্বাধীনতা সংগ্রামীর নামে? কিংবা কোনও নোবেলজয়ীর নামে? সাধারণত আমাদের দেশে যাঁরা শ্রদ্ধার পাত্র কিংবা বিখ্যাত তাঁদের নামে?”

    আরও পড়ুুন: বিজেপি-র মহিলা মোর্চাকে বাধা! শাহজাহান অনুগামীর ভেড়ির আলাঘর জ্বালিয়ে দিল জনতা

    গত ১৩ ফেব্রুয়ারি ত্রিপুরার বিশালগড়ের সিপাহিজল জুলজিক্যাল পার্ক থেকে জলপাইগুড়ির সাফারি পার্কে নিয়ে আসা হয় ওই সিংহ দম্পতিকে। সিংহটির নাম আকবর, সিংহীর নাম সীতা। সেখানে তাদের একই ঘেরাটোপে রাখা হয়। সিংহ দম্পতির এই নামে আপত্তি তুলে আদালতের দ্বারস্থ হয় বিশ্ব হিন্দু পরিষদ। অভিযোগ, এক ঘেরাটোপে এই নামের সিংহ ও সিংহীকে রেখে আঘাত করা হয়েছে ধর্মীয় ভাবাবেগে (Calcutta High Court)।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

LinkedIn
Share