Tag: Akhil Bharatiya Vidyarthi Parishad

Akhil Bharatiya Vidyarthi Parishad

  • JNUSU Elections 2024: ৪ বছর পর সম্পন্ন জেএনইউ-র ভোট, কী বলছেন এবিভিপির সভাপতি পদপ্রার্থী?

    JNUSU Elections 2024: ৪ বছর পর সম্পন্ন জেএনইউ-র ভোট, কী বলছেন এবিভিপির সভাপতি পদপ্রার্থী?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শুক্রবার ২২ মার্চ দিল্লির জওহরলাল নেহেরু বিশ্ববিদ্যালয়ের (JNUSU Elections 2024) ভোটগ্রহণ পর্ব সম্পন্ন হল। সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে রবিবারই ঘোষণা হবে নির্বাচনের ফলাফল। প্রসঙ্গত, ৪ বছর পরে বিশ্ববিদ্যালয়ের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হল। নির্বাচনে ছাত্র সংসদের সভাপতি পদে অখিল ভারতীয় বিদ্যার্থী পরিষদের হয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন উমেশচন্দ্র আজমিরা। অন্যদিকে, সাধারণ সম্পাদক পদে এবিভিপি প্রার্থী অর্জুন আনন্দ, সহ-সভাপতি পদে এবিভিপির হয়ে ময়দানে নেমেছেন দীপিকা শর্মা। যুগ্ম সম্পাদক পদের জন্য এবিভিপি প্রার্থী হয়েছেন গোবিন্দ দাঙ্গি। এবিভিপির সভাপতি পদপ্রার্থীর কথায় উঠে এসেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রাঙ্গণে দেশদ্রোহী কার্যকলাপের মতো ইস্যু থেকে পরিকাঠামোগত উন্নয়ন সবটাই। প্রসঙ্গত, দিল্লির এই বিশ্ববিদ্যালয়ে বামপন্থী, অতি বামপন্থী ছাত্রদের বিরুদ্ধে একাধিকবার অভিযোগ উঠেছে দেশদ্রোহী কার্যকলাপের। কিছু ক্ষেত্রে তা প্রমাণিতও হয়েছে।

    সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে কী জানালেন এবিভিপির সভাপতি পদপ্রার্থী

    সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এবিভিপির সভাপতি পদপ্রার্থী উমেশচন্দ্র আজমিরা (JNUSU Elections 2024) জানিয়েছেন, ছাত্র সংসদ নির্বাচনে দুটি উল্লেখযোগ্য ইস্যু রয়েছে। একটি হল ফেলোশিপ এবং অপরটি হল পরিকাঠামোগত উন্নয়ন। এ প্রসঙ্গে উমেশ জানিয়েছেন, ছাত্রছাত্রীরা ফেলোশিপ ঠিক সময়মতো পান না। এছাড়া যে পরিমাণ ফেলোশিপ পান পড়ুয়ারা, তার পরিমাণ অত্যন্ত কম। উমেশ আরও জানিয়েছেন, বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্র-ছাত্রীদের নিরাপত্তা অত্যন্ত কম। কারণ বিশ্ববিদ্যালয়ে দেশদ্রোহীদের কার্যকলাপ ক্রমশই বেড়ে চলেছে। সাম্প্রতিক অতীতে বিশ্ববিদ্যালয় প্রাঙ্গণে (JNUSU Elections 2024) এই ধরনের কার্যকলাপ যথেষ্ট চ্যালেঞ্জেরও কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে বলে মন্তব্য করেন তিনি। 

    মোট ভোটারের সংখ্যা ৭৭৫১

    উমেশ আরও জানিয়েছেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিকাঠামো তাঁরা এমনভাবে গড়ে তুলতে চান, যাতে সেখানে বিশ্বমানের সমস্ত সুযোগ সুবিধা পাওয়া যায়। এর পাশাপাশি তাঁদের লক্ষ্য রয়েছে, অ্যাকাডেমিক ব্লক-২ তৈরি করারও। নির্বাচনে জিতলে আন্তর্জাতিক মানের একটি লাইব্রেরী করারও পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন এবিভিপির সভাপতি পদপ্রার্থী (JNUSU Elections 2024)। দিল্লির এই বিশ্ববিদ্যালয়ে ছ’টি নতুন হস্টেল তৈরি করারও কথা জানিয়েছেন উমেশ। প্রসঙ্গত, শুক্রবার সকাল ৯টায় ভোটগ্রহণ শুরুর কথা থাকলেও প্রায় ঘণ্টাখানেক পর তা চালু হয়। দুপুরে একঘণ্টার বিরতির পর বিকেল ৫টা পর্যন্ত ভোটগ্রহণ চলে। জেএনইউয়ের ভোটে মোট ভোটারের সংখ্যা ৭৭৫১ পড়ুয়া।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Bhajanlal Sharma: বসেছিলেন বৈঠকের শেষ সারিতে! তার পরেই ভজনলালকে মুখ্যমন্ত্রী ঘোষণা

    Bhajanlal Sharma: বসেছিলেন বৈঠকের শেষ সারিতে! তার পরেই ভজনলালকে মুখ্যমন্ত্রী ঘোষণা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মঙ্গলবারই বিজেপি ঘোষণা করেছে রাজস্থানের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে ভজনলাল শর্মার (Bhajanlal Sharma) নাম। প্রথমবার বিধায়ক হয়েই মুখ্যমন্ত্রীর পদ পাচ্ছেন ভজনলাল। যদি বাকি দুটি রাজ্যের সঙ্গে তুলনা করা যায় ছত্তিসগড় অথবা মধ্যপ্রদেশ, সেখানে দেখা যাবে মোহন যাদব অথবা বিষ্ণু দেও সাই-দুজনেই প্রশাসনিক দায়িত্ব সামলেছেন। মোহন যাদব মধ্যপ্রদেশের উচ্চ শিক্ষামন্ত্রী ছিলেন এবং বিষ্ণু দেও সাই কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ছিলেন। কিন্তু সেদিক থেকে ভজনলাল শর্মা একেবারেই আনকোরা।

    কোনও আভাস পায়নি কেউ-ই

    ভজনলালকে মুখ্যমন্ত্রী নির্বাচন করে বিজেপি সব বিশ্লেষক ও বিশেষজ্ঞকে পাঁচ গোল দিয়ে দিয়েছে, তা বলাই বাহুল্য। ইতিমধ্যে পর্যবেক্ষক দলের সঙ্গে বৈঠকের পরে যে ছবি প্রকাশ্যে এসেছে, সেখানে ভজনলাল শর্মাকে (Bhajanlal Sharma) দেখা যাচ্ছে একেবারে শেষের সারিতে তিনি বসে রয়েছেন। এই ছবি ভাইরাল হয়েছে। খবরে প্রকাশ, মুখ্যমন্ত্রী পদে নাম নির্বাচনের বৈঠকেও একেবারে শেষের সারিতে বসেছিলেন ভজনলাল। সেই সময় তিনি কোনও আভাসই পাননি যে, কিছুক্ষণের মধ্য়েই তাঁর জীবন আমূল পাল্টাতে চলেছে…!

    পরিবারবাদে বিশ্বাস রাখে না বিজেপি

    রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা বলছেন, আসলে এটাই বিজেপি। বিজেপি একটি সাংগঠনিক দল। শৃঙ্খলাপরায়ণ দল। কখনই পরিবারবাদে বিশ্বাস রাখে না। রাজস্থান সহ তিন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী নির্বাচনে সেই নীতিরই প্রতিফলন দেখা গিয়েছে। এখানে যে কোন কর্মীও সর্বোচ্চ পদপ্রাপ্তির কথা ভাবতে পারেন। তাঁকে নির্দিষ্ট কোনও পরিবার থেকে আসতে হয় না। ব্যক্তি প্রাধান্য এখানে দেখা যায় না। নিজের রাজনৈতিক ক্যারিয়ারের সূচনা অবশ্য ছাত্র রাজনীতি থেকে করেছিলেন ভজনলাল শর্মা (Bhajanlal Sharma)। রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘের ছাত্র সংগঠন অখিল ভারতীয় বিদ্যার্থী পরিষদের বিভিন্ন দায়িত্ব সামলানোর মধ্য দিয়ে শুরু হয় ভজনলালের সাংগঠনিক যাত্রা।

    ভজনলাল শর্মা ধন্যবাদ জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীকে

    তাঁকে মনোনীত করার জন্য ভজনলাল শর্মা ইতিমধ্যে ধন্যবাদ জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ এবং বিজেপির সভাপতি জেপি নাড্ডাকে। ভজনলাল শর্মা (Bhajanlal Sharma) জিতেছেন সানগানের আসনটি থেকে। কিন্তু তিনি ওই এলাকার বাসিন্দা নন, ভরতপুরের বাসিন্দা। সানগানের আসনটি বিজেপির একটি শক্ত ঘাঁটি বলেই পরিচিত। দীর্ঘদিন ধরেই বিজেপির শক্তিশালী ভোট ব্যাঙ্ক সেখানে রয়েছে। কখনই সেখানে ৫০ শতাংশের নিচে ভোট নামে না গেরুয়া শিবিরের।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share