Tag: Akhil Giri

Akhil Giri

  • Nursing Recruitment: দুর্নীতি নার্সিং নিয়োগেও! অভিযোগের তির মন্ত্রী অখিল গিরির ভাইঝির দিকে

    Nursing Recruitment: দুর্নীতি নার্সিং নিয়োগেও! অভিযোগের তির মন্ত্রী অখিল গিরির ভাইঝির দিকে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিয়োগ দুর্নীতির জট রাজ্য সরকারের পিছু ছাড়ছে না। হয় টাকা নিয়ে নিয়োগ নতুবা স্বজন পোষণ, এক চিত্র শিক্ষা ক্ষেত্রের সব দিকে। স্কুল সার্ভিস নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় পরেশ কন্যা অঙ্কিতার বিরুদ্ধে বেআইনিভাবে চাকরিতে নিয়োগের অভিযোগ উঠেছিল। এবার নার্সিং-এ নিয়োগ দুর্নীতিতে নাম জড়ালো অখিল গিরির ভাইঝি সাইনা গিরির।

    নার্সিং ছাত্রীদের অভিযোগ

    নিয়োগ তালিকায় পিছনের দিকে যাঁদের নাম ছিল, তাঁদের বেআইনিভাবে চাকরি দিয়েছিল স্কুল সার্ভিস কমিশন। অভিযোগ, সেই একই কাজ করেছে স্বাস্থ্য দফতর। এবারও  নিয়োগের ক্ষেত্রে ফের রাজ্যের এক মন্ত্রীর নাম সামনে আনছেন নার্সিং চাকরি প্রার্থীরা। তাঁদের দাবি, পরেশ অধিকারীর মেয়ে অঙ্কিতার মতো তালিকায় পিছনের দিকে থেকেও চাকরি পেয়ে গিয়েছেন মন্ত্রী অখিল গিরির ভাইঝি সায়না গিরি। নার্সিং ছাত্রীদের দাবি, সাইনার নাম প্রথম তালিকায় বেরোয়নি, তা সত্ত্বেও তিনি চাকরি করছেন। আর তালিকার উপর দিকে থাকা ছাত্রীরা এখনও নিয়োগ পত্র হাতে পাননি। এই নিয়োগেও দুর্নীতির গন্ধ পাচ্ছেন চাকরি প্রার্থীরা। তাঁদের দাবি, রাজ্যের স্বাস্থ্য মন্ত্রীকে এই নিয়োগ নিয়ে জবাব দিতে হবে। উল্লেখ্য, শিক্ষক নিয়োগের ক্ষেত্রে রাজ্য়ের প্রাক্তন মন্ত্রী পরেশ অধিকারীর মেয়ে অঙ্কিতা অধিকারীকে বেআইনিভাবে নিয়োগের অভিযোগ উঠেছিল। আদালতের নির্দেশে ইতিমধ্যেই সহকারী শিক্ষক পদ থেকে বরখাস্ত করা হয়েছে অঙ্কিতাকে। 

    আরও পড়ুন: পূর্ণমানের চেয়ে বেশি প্রাপ্ত নম্বর! ২০১৪ সালের টেট উত্তীর্ণদের নম্বরের ব্রেক আপ নিয়ে বিতর্ক

    কালীঘাটে ধুন্ধুমার 

    নার্সিং ছাত্রীদের বিক্ষোভের জেরে মঙ্গলবার ধুন্ধুমার পরিস্থিতি তৈরি হয় কালীঘাটে। রাস্তায় বসে পড়ে বিক্ষোভ দেখান নার্সিং চাকরিপ্রার্থীরা। দাবি একটাই, অবিলম্বে অবৈধদের নিয়োগ বাতিল করে উত্তীর্ণদের নিয়োগ করতে হবে। সূত্রের খবর, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়ির অভিমুখে রওনা হওয়ার পথে কালীঘাটে নার্সিং পড়ুয়াদের আটক করে পুলিশ। প্ল্যাকার্ড হাতে ক্রমাগত বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন চাকরিপ্রার্থীরা। তাঁদের টেনে-হিঁচড়ে ঘটনাস্থল থেকে সরিয়ে দেয় পুলিশ। এরপর বিক্ষোভ স্থলে থাকা দুটি পুলিশ ভ্যানে একাধিক চাকরিপ্রার্থীদের আটক করা হয়। প্রতিবাদ জানালেই কেন এভাবে আটকানো হবে, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন বিক্ষোভকারীরা।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।  

  • Akhil Giri: রাষ্ট্রপতির বিরুদ্ধে বিতর্কিত মন্তব্য! অখিল গিরিকে হলফনামা জমা দিতে বলল কলকাতা হাইকোর্ট

    Akhil Giri: রাষ্ট্রপতির বিরুদ্ধে বিতর্কিত মন্তব্য! অখিল গিরিকে হলফনামা জমা দিতে বলল কলকাতা হাইকোর্ট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশের রাষ্ট্রপতি সম্পর্কে কুরুচিকর মন্তব্য কেন করলেন অখিল গিরি(Akhil Giri)? তা জানাতে হবে হলফনামায়, বলল কলকাতা হাইকোর্ট (Calcutta High Court)। গত সপ্তাহে দেশের রাষ্ট্রপতি সম্পর্কে বিতর্কিত মন্তব্য করার পর রাজ্যের কারা দফতরের স্বাধীন দায়িত্ব প্রাপ্ত মন্ত্রী অখিল গিরির বিরুদ্ধে একাধিক মামলা হয়েছে কলকাতা হাইকোর্টে।  সেই মামলার শুনানিতে এদিন রাজ্য সরকারের কাছে রিপোর্ট তলব করল প্রধান বিচারপতির বেঞ্চ।

    আরও পড়ুন: ‘‘তৃণমূলকে সমর্থন করা বাংলাদেশিদের নামই ভোটার লিস্টে রাখুন’’, বিতর্কে বিধায়ক

    হাইকোর্টের বক্তব্য

    রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর বাহ্যিক রূপ নিয়ে যে মন্তব্য অখিল করেছেন,তার বিরুদ্ধে বিজেপির পক্ষ থেকে আইনজীবী সুস্মিতা সাহা দত্ত একটি মামলা করেন। শুক্রবার ছিল সেই মামলার শুনানি। বৃহস্পতিবার প্রধান বিচারপতি প্রকাশ শ্রীবাস্তব ও বিচারপতি রাজর্ষি ভরদ্বাজের ডিভিশন বেঞ্চ নির্দেশ দেন, কেন এমন মন্তব্য? তা হলফনামার আকারে জমা দিতে হবে। আগামী দু’সপ্তাহের মধ্যে রাজ্যকে এই রিপোর্ট জমা দেওয়ার কথা বলা হয়েছে। অখিল গিরির বিরুদ্ধে আদৌ কোনও পদক্ষেপ রাজ্য নিয়েছে কিনা তা রিপোর্ট আকারে জানাতে হবে। পাশাপাশি, এই মন্তব্য নিয়ে পুলিশের অনুসন্ধান রিপোর্ট জমা দিতে হবে আদালতে। এই মামলা থেকে মুখ্যমন্ত্রীর নাম বাদ দেওয়ার আবেদন জানিয়েছেন অখিলের আইনজীবী। আদালত লিখিত আবেদনের অনুমতি দিয়েছে। আগামী ১২ ডিসেম্বর এই মামলার পরবর্তী শুনানি রয়েছে।

    আরও পড়ুন: অভিষেকই ‘কয়লা ভাইপো’? মেনে নিচ্ছে তৃণমূল?

    পুলিশের কাছেও রিপোর্ট তলব

    উল্লেখ্য, পূর্ব মেদিনীপুরের নন্দীগ্রামে এক প্রকাশ্য সভায় রাষ্ট্রপতিকে নিয়ে কুরুচিকর মন্তব্য করায় অখিল গিরির নামে রাজ্যের একাধিক থানায় অভিযোগ দায়ের হয়েছে। এমনকী রাজধানী দিল্লিতেও অখিল গিরির নামে অভিযোগ দায়ের করেছেন বিজেপি নেত্রী লকেট চট্টোপাধ্যায়। রাজ্যে যেসব অভিযোগ দায়ের হয়েছে রাজ্য পুলিশ সেই সব অভিযোগের প্রেক্ষিতে কী কী তদন্ত করেছে তার রিপোর্ট আদালতে পেশ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • Akhil Giri Issue: রাষ্ট্রপতিকে কুরুচিকর মন্তব্যের জের, প্রতিবাদে পথে জনজাতি সমাজ

    Akhil Giri Issue: রাষ্ট্রপতিকে কুরুচিকর মন্তব্যের জের, প্রতিবাদে পথে জনজাতি সমাজ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাষ্ট্রপতি দ্রোপদী মুর্মুকে নিয়ে রাজ্যের কারামন্ত্রী অখিল গিরির  কুরুচিপূর্ণ মন্তব্যের জেরে উত্তাল রাজ্য রাজনীতি। জনজাতি সমাজের প্রথম রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু। তাঁর সমর্থনে ইতিমধ্যে রাস্তায় নেমেছে জনজাতি সমাজ। বিরোধী রাজনৈতিক দল বিজেপি জেলায় জেলায় বিক্ষোভ করছে এই ইস্যুতে। কারা মন্ত্রী অখিল গিরির কাঁথির বাসভবনের সামনেও টায়ার জ্বালিয়ে বিক্ষোভ করতে দেখা গিয়েছে বিজেপি কর্মী সমর্থকদের। বর্ণবিদ্বেষমূলক এই মন্তব্যের প্রতিবাদে রাজ্য প্রতিমন্ত্রী জ্যোৎস্না মান্ডির গাড়ি আটকে জনজাতি সমাজের বিক্ষোভও নজর এড়ায়নি রাজ্যের মানুষের। গত রবিবার সকালে বাঁকুড়ার খাতড়ায় বিক্ষোভের মুখে পড়েন তিনি। অখিল গিরিকে মন্ত্রিসভা থেকে অপসারণের দাবি জানাতে থাকে বিক্ষোভকারীরা। এই বিক্ষোভের জেরে গাড়ি ছেড়ে পায়ে হেঁটে এলাকা ছাড়তে হয় মন্ত্রীকে। রাজ্য মন্ত্রিসভায় জনজাতি সমাজের অন্যতম মুখ  বীরবাহা হাঁসদা অবশ্য এই ইস্যুতে মুখে কুলুপ এঁটেছেন। জনজাতি সমাজের বিক্ষোভের এই উত্তপ্ত আবহাওয়ার মধ্যেই আগামীকাল দেশ জুড়ে পালিত হবে ‘জনজাতি গৌরব দিবস’। 

     ভগবান বীরসা মুন্ডার ব্রিটিশ বিরোধী সংগ্রাম 

    আগামী কাল ভগবান বিরসা মুন্ডার জন্মদিন। গত বছর থেকে কেন্দ্রীয় সরকার এই দিনটিকে ‘জনজাতি গৌরব দিবস’ হিসেবে পালন করছে। বিরসা মুন্ডার প্রতি শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করতে তাঁর জন্মদিনেই ২০০০ সালের ১৫ই নভেম্বর ঝাড়খন্ড রাজ্য গঠন করেছিল তৎকালীন বাজপেয়ী সরকার। ‌বিমানবন্দর থেকে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সবকিছুই রয়েছে ভগবান বিরসা মুন্ডার নামে। জনজাতি সমাজের এই অবিসংবাদী নেতা ১৮৭৫ সালের ১৫ই নভেম্বর ঝাড়খন্ডে জন্মগ্রহণ করেন। ব্রিটিশ বিরোধী  মুন্ডা বিদ্রোহে তাঁর বীরত্ব গাথা ইতিহাসে অমর হয়ে আছে। মাত্র ২৫ বছর বয়সে দেশের জন্য আত্ম বলিদান করেন মুন্ডা বিদ্রোহের এই নেতা। জনজাতি সমাজে তাঁর অবিস্মরণীয় অবদানের জন্যই তাঁকে ভগবান বা ধরতি আবা বলা হয়। জনজাতিদের উপর হওয়া শোষণ এবং তাদের অধিকারের দাবিতে কিশোর বয়স থেকেই সক্রিয় ছিলেন ভগবান বিরসা মুন্ডা। জনজাতিদের নিজস্ব সংস্কৃতি এবং হিন্দু ধর্মের রীতিনীতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধাশীল ছিলেন এই নেতা। বৈষ্ণব ধর্মগুরু আনন্দ পাঁড়ের কাছে মাত্র ১৫ বছর বয়সে দীক্ষা গ্রহণ করেন বিরসা মুন্ডা। তিনি পৈতে ধারণ করতেন। খাদ্যাভাসে নিরামিষাষী ছিলেন। কন্ঠস্থ ছিল তার রামায়ণ-মহাভারত সমেত অন্যান্য হিন্দু ধর্মগ্রন্থ।

    আরও পড়ুন: রাষ্ট্রপতিকে নিয়ে অখিলের মন্তব্যের জের, বিজেপির আন্দোলনে উত্তাল রাজ্য

    ১৮৯৪ সালে ব্রিটিশরা অরণ্য আইন বলবৎ করে। এই আইনের দ্বারা জঙ্গলে প্রবেশ নিষিদ্ধ করা হয় । গর্জে ওঠেন জনজাতি সমাজের মানুষজন। ছোটনাগপুরে তীর ধনুক নিয়ে শুরু হয় বিদ্রোহ। পরিস্থিতি অগ্নিগর্ভ হলে, ব্রিটিশ সরকার ১৮৯৫ সালে গ্রেফতার করে বিরসা মুন্ডাকে। বিচারে তাঁর দুবছরের কারাদণ্ড ঘোষণা করে ব্রিটিশ সরকার। কারাগার থেকে মুক্ত হয়েই বিরসা মুন্ডা পুনরায় বিদ্রোহের নেতৃত্ব দিতে শুরু করেন। তাঁর নেতৃত্বে ব্যাপক আকার ধারণ করে মুন্ডা বিদ্রোহ। ১৮৯৯ সালের ২৪ শে ডিসেম্বর বিরসা মুন্ডার বাহিনী ঝাড়খণ্ডের রাঁচি শহরে ব্রিটিশ পুলিশদের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে। এই ঘটনায় অনেক পুলিশ কর্মী নিহত হন। ব্রিটিশ সরকার তখন পাল্টা আক্রমণ শুরু করে। নামানো হয় ব্রিটিশ সেনাবাহিনী। ইংরেজ সৈন্যদের আক্রমণের লক্ষ্য হয় ডোম্বারি পাহাড়। নির্বিচারে গুলি চালিয়ে হত্যা করা হয় জনজাতি সমাজের ৪০০ মানুষকে।  সেনারা বিরসা মুন্ডাকে ধরতে ব্যর্থ হয়। ঘোষণা করা হয় তাঁর মাথার দাম। সে সময়ে ভগবান বীরসা মুন্ডার মাথার দাম ছিল ৫০০ টাকা। ১৯০০ সালের এক গভীর রাতে চক্রধরপুর জঙ্গলে ঘুমিয়ে ছিলেন বিরসা মুন্ডা। ঘুমন্ত এবং নিরস্ত্র বিরসা মুন্ডাকে বন্দী করে ব্রিটিশ সরকার। বিচারে তাঁর মৃত্যুদণ্ড হয়। কারাগারেই মৃত্যু হয় তাঁর। এ নিয়ে অবশ্য বিভিন্ন জনের বিভিন্ন মতামত রয়েছে। কারো ধারণা তাঁকে বিষ প্রয়োগ করে হত্যা করা হয়েছিল, তো কারও ধারণা অনুযায়ী, কলেরাতেই মৃত্যু হয়েছিল তাঁর।

  • Akhil Giri: ‘বেফাঁস মন্তব্যে’র জের, এবার অখিলের বিরুদ্ধে দিল্লিতে অভিযোগ দায়ের লকেটের

    Akhil Giri: ‘বেফাঁস মন্তব্যে’র জের, এবার অখিলের বিরুদ্ধে দিল্লিতে অভিযোগ দায়ের লকেটের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাষ্ট্রপতি (President) সম্পর্কে বেফাঁস মন্তব্য করায় রাজ্যের কারা প্রতিমন্ত্রী অখিল গিরির (Akhil Giri) বিরুদ্ধে নন্দীগ্রাম থানায় দায়ের হয়েছিল এফআইআর (FIR)। এবার খোদ রাজধানী দিল্লিতে অখিলের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করলেন হুগলির সাংসদ বিজেপির লকেট চট্টোপাধ্যায় (Locket Chatterjee)। রবিবার সকালে রাজধানীর নর্থ অ্যাভিনিউ থানায় অভিযোগ দায়ের করেন তিনি। অবিলম্বে তাঁর অভিযোগের প্রেক্ষিতে এফআইআর দায়ের করে অখিলের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার অনুরোধও পুলিশকে জানান লকেট।

    কী বললেন লকেট?

    থানা থেকে বেরিয়ে লকেট সংবাদ মাধ্যমকে বলেন, দেশের রাষ্ট্রপতিকে যেভাবে অখিল গিরি (Akhil Giri) অপমান করেছেন, তার নিন্দা জানানোর ভাষা আমার জানা নেই। সব চেয়ে বড় কথা, নন্দীগ্রামের ওই সভায় অখিলের পাশেই ছিলেন রাজ্যের নারী ও শিশুকল্যাণ মন্ত্রী শশী পাঁজা। তিনি বলেন, এটা কেবল রাষ্ট্রপতিকে অপমান নয়, পুরো আদিবাসী সমাজকে অপমান করা এবং মহিলাদের অপমান করা। লকেট বলেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় একজন মহিলা হয়ে একজন মহিলার অপমানের পরেও কোনও স্টেটমেন্ট নেই তাঁর। ৪৮ ঘণ্টা পার হয়ে গেল। হুগলির সাংসদ বলেন, যখন উত্তর প্রদেশে কিছু হয়, তখন মমতা নেতাদের দিয়ে সঙ্গে সঙ্গে বিবৃতি দেওয়ান। বুদ্ধিজীবীরা সঙ্গে সঙ্গে মোমবাতি নিয়ে রাস্তায় নেমে পড়েন। সাংসদরা সঙ্গে সঙ্গে উত্তর প্রদেশের সেই স্পটে চলে যাচ্ছেন। কিন্তু এখনও পর্যন্ত মমতার কোনও বুদ্ধিজীবী, নেতা, মন্ত্রীর কোনও বিবৃতি নেই। লকেট বলেন, আমরা চাই, মমতা অখিল গিরিকে বরখাস্ত করুন এবং বিবৃতি দিন। তাঁর দাবি, অখিল গিরিকে রাষ্ট্রপতি ভবনের সামনে বসে রাষ্ট্রপতির পায়ে হাত দিয়ে ক্ষমা চাইতে হবে।

    আরও পড়ুন: রাষ্ট্রপতিকে নিয়ে অখিলের মন্তব্যের জের, বিজেপির আন্দোলনে উত্তাল রাজ্য

    প্রসঙ্গত, দিন কয়েক আগে নন্দীগ্রামের গোকুলনগরের এক সভায় ভাষণ দিতে উঠে রাজ্যের প্রতিমন্ত্রী অখিল গিরি (Akhil Giri) নিশানা করেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা তথা নন্দীগ্রামের বিধায়ক বিজেপির শুভেন্দু অধিকারীকে (Suvendu Adhikari)। শুভেন্দুর হাত-পা ভেঙে দেওয়ার হুমকিও দেন মন্ত্রী মশাই। এর পরেই অখিলকে বলতে শোনা যায়, আমরা রূপ বিচার করি না। রাষ্ট্রপতির পদকে আমরা সম্মান করি। কিন্তু তোমার (শুভেন্দু অধিকারী) রাষ্ট্রপতিকে কেমন দেখতে বাবা? অখিলের এই মন্তব্যের জেরে সমালোচনার ঝড় বয়ে যায় রাজ্যজুড়ে। বিক্ষোভ-প্রতিবাদে ফেটে পড়ে বিজেপি। এই প্রতিবাদেরই অঙ্গ হিসেবে এদিন অখিলের (Akhil Giri) বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করেন লকেট।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Suvendu Adhikari: রাষ্ট্রপতিকে কুরুচিকর মন্তব্য, অখিল গিরির পদত্যাগের দাবিতে রাজভবন অভিযান শুভেন্দুদের

    Suvendu Adhikari: রাষ্ট্রপতিকে কুরুচিকর মন্তব্য, অখিল গিরির পদত্যাগের দাবিতে রাজভবন অভিযান শুভেন্দুদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশের রাষ্ট্রপতিকে কুরুচিকর মন্তব্যের জের। রামনগরের তৃণমূল বিধায়ক অখিল গিরির (Akhil Giri) পদত্যাগ চেয়ে রাজভবন অভিযান করল বিজেপি। সোমবার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর নেতৃত্বে বাকি বিজেপি বিধায়করা রাজ্যপাল লা গণেশনের সঙ্গে দেখা করতে রাজভবনে যান। সেখান থেকে সাংবাদিকদের শুভেন্দু বলেন, “দ্রুত অখিল গিরির পদত্যাগের নির্দেশ দিতে হবে। না হলে আগামী বিধানসভা অধিবেশনে প্রতিবাদ জোরাল হবে।”

    কী বলেন শুভেন্দু?

    এদিন বিরোধী দলনেতা বলেন, “একজন মাতৃসমা মহিলার প্রতি কদর্য ভাষায় কী করে কথা বলতে পারেন? ৭২ ঘণ্টা কেটে গেলেও এখনও কোন পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি ওই মন্ত্রীর বিরুদ্ধে। এখনও বরখাস্ত করা হয়নি অখিল গিরিকে। আমরা শনিবার থেকে রাজ্যপালকে মেইল করে বাধ্য হয়ে প্রায় ৫০ জন বিজেপি বিধায়ক এখানে এলাম। আজ রাজভবনে এসে আমরা লিখিতভাবে একটা দাবি জানালাম। এটা আমাদের আবেদন নয়। আমাদের দাবি। মুখ্যমন্ত্রী যখন কিছু করেননি, সংবিধান অনুযায়ী রাজ্যপালের অধিকার আছে, উনি পদক্ষেপ নিতে পারেন। ইম্ফল, চেন্নাই বা দিল্লি যেখানেই থাকুন, মুখ্যমন্ত্রীকে বলুন যেন মন্ত্রিসভার রাষ্ট্রমন্ত্রীকে স্যাক করেন। একজন রাষ্ট্রপতিকে ব্যক্তিগত আক্রমণ করা হয়েছে। এর বিরুদ্ধে মুখ্যমন্ত্রীকে ব্যবস্থা নিতেই হবে। লিখিতভাবে জানিয়ে এসেছি। এটা না করলে বিজেপি, সামাজিক সংগঠন, সংবেদনশীল নাগরিক প্রত্য়েকে প্রতিবাদ করবে। বিধানসভার আগামী অধিবেশনের আগে যদি এই মন্ত্রী বরখাস্ত না হন, বিজেপির বিধায়করা শিষ্টাচার মেনে জোরাল প্রতিবাদ বিধানসভার ভিতরেও করবে। এটাও আমরা জানাতে চাই।”

    আরও পড়ুন: রাজস্থানে নতুন রেল লাইনে বিস্ফোরণ, তদন্তে এনআইএ

    উল্লেখ্য, কিছুদিন আগেই, নন্দীগ্রামে এক অনুষ্ঠানে দেশের রাষ্ট্রপতির উদ্দেশ্যে অখিল গিরি বলেন, “বলে দেখতে ভালো নয়। কী রূপসী! কী দেখতে ভালো! আমরা রূপের বিচার করি না। তোমার রাষ্ট্রপতির চেয়ারকে আমরা সম্মান করি। কিন্তু তোমার রাষ্ট্রপতি কেমন দেখতে বাবা?” আর এই মন্তব্যের পরেই তৃণমূলের বিরুদ্ধে আক্রমণ শানায় বিজেপি।

    এরপরেই, ড্যামেজ কন্ট্রোলে নামেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, “এক প্রশ্নের জবাবে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, অখিল যে কথা রাষ্ট্রপতি সম্পর্কে বলেছে তা ঠিক হয়নি। ও অন্যায় করেছে। আমি দলের পক্ষ থেকে ও সরকারের পক্ষ থেকে ক্ষমা চাইছি। দলের তরফ থেকে অখিলের মন্তব্যের নিন্দা করা হয়েছে। তাঁকে সতর্কও করা হয়েছে। শুধু রং দিয়ে সৌন্দর্য্য বিচার করা যায় না। বর্তমান রাষ্ট্রপতিকে আমি খুবই সম্মান ও মর্যাদা করি। তিনি খুবই ভালো ও মধুর স্বভাবের মহিলা, তাঁকে খুবই পছন্দ করি আমি।”  

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • Akhil Giri Issue: অখিল গিরির বিরুদ্ধে হাইকোর্টে জনস্বার্থ মামলা দায়ের

    Akhil Giri Issue: অখিল গিরির বিরুদ্ধে হাইকোর্টে জনস্বার্থ মামলা দায়ের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশের মহিলা রাষ্ট্রপতি সম্পর্কে বিরূপ মন্তব্য করে দেশজুড়ে প্রবল সমালোচনার মুখে রাজ্যের কারা প্রতিমন্ত্রী অখিল গিরি। এবার তাঁকে দল থেকে এবং মন্ত্রিসভা থেকে বরখাস্ত করার দাবি তুললেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী তথা পশ্চিমবঙ্গের দায়িত্বপ্রাপ্ত বিজেপি নেত্রী স্মৃতি ইরানি। অখিলের বিরুদ্ধে কলকাতা হাইকোর্টে জনস্বার্থ মামলাও দায়ের করা হল।

    হাইকোর্টে মামলা দায়ের

    রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুকে কুৎসিত ভাষায় আক্রমণের জন্য অখিল গিরির বিরুদ্ধে কলকাতা  হাইকোর্টে জনস্বার্থ মামলা দায়ের করলেন আইনজীবী সুস্মিতা সাহা দত্ত। আবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, রাষ্ট্রপতিকে নিয়ে মন্ত্রী অখিল গিরির মন্তব্য সংবিধানের অবমাননা। সাংবিধানিক প্রধান সম্পর্কে এই ধরনের মন্তব্য করা যায় না। রাজ্য সরকার তাঁর বিরুদ্ধে কোনও ব্যবস্থা নিচ্ছে না। আদালত উপযুক্ত ব্যবস্থা গ্রহণ করুক। মামলা দায়েরের অনুমতি দেন প্রধান বিচারপতি। আগামীকাল শুনানির সম্ভাবনা রয়েছে। মামলাকারীর দাবি,অখিল গিরিকে অবিলম্বে মন্ত্রিত্ব পদ থেকে সরাতে হবে। এছাড়া তাঁকে গ্রেফতারির নির্দেশ দিক আদালত। বিজেপি সূত্রের খবর, ‘‘অখিল গিরি ইস্যুতে সোমবার বিজেপির পরিষদীয় দল তিনটের সময় বিধানসভায় জরুরী বৈঠকে বসছে। সেখানে শীতকালীন অধিবেশনে এই ইস্যুতে কিভাবে শাসক দলকে তথা সরকারকে চাপে ফেলা হবে তা নিয়ে আলোচনা হবে। অখিল গিরি ইস্যুতে বিধানসভার ভেতরে এবং বাইরে আন্দোলনের ঝাঁঝ বাড়াতে প্রস্তুত গেরুয়া শিবির। বিধানসভায় আগামী অধিবেশনে অখিল গিরির মন্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে নিন্দা প্রস্তাবও আনতে পারে বিজেপি। 

    স্মৃতি ইরানির অভিযোগ

    কয়েক দিন আগেই নন্দীগ্রামে তৃণমূলের একটি বিক্ষোভ কর্মসূচিতে রাজ্যের কারা প্রতিমন্ত্রী অখিল গিরি দেশের রাষ্ট্রপতিকে নিয়ে কুমন্তব্য করেছেন। এ প্রসঙ্গে এদিন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী স্মৃতি ইরানি জানতে চাইলেন, ‘‘মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কেন চুপ? মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আগে বলুন কবে অখিল গিরিকে দল থেকে বরখাস্ত করছেন এবং মন্ত্রিত্ব থেকেও সরিয়ে দিচ্ছেন।’’  স্মৃতি ইরানির কথায়, “দেশের সাংবিধানিক প্রধান রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর উদ্দেশ্যে যে ভাষায় কথা বলেছেন রাজ্যের এক মন্ত্রী তার নিন্দার ভাষা নেই। আমি মনে করি এই অপমান দ্রৌপদী মুর্মুর নয়, দেশের মহিলাদের শুধু নয়, দেশের প্রধান  সাংবিধানিক পদকে অপমান।” শাসক দলের বিরুদ্ধে তীব্র সুর চড়িয়ে স্মৃতি ইরানি এও বলেন, ‘‘আমরা অবিলম্বে তৃণমূলের ওই নেতার অপসারণ চাই।’’

    আরও পড়ুন: রাষ্ট্রপতিকে নিয়ে অখিলের মন্তব্যের জের, বিজেপির আন্দোলনে উত্তাল রাজ্য

    অখিল গিরির বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের

    অখিল গিরি করা মন্তব্যের বিরুদ্ধে রবিবার বিজেপির প্রতিবাদ মিছিলকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা কোচবিহারের তুফানগঞ্জের মারুগঞ্জ এলাকায়। বিজেপির মিছিলের পালটা মিছিল করে তৃণমূল কংগ্রেস। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে এলাকায় পুলিশ বাহিনী ও র‍্যাফ মোতায়েন করা হয়েছে। এর পাশাপাশি উত্তপ্ত হতে শুরু করেছে দেশের রাজনীতিও। রবিবার দিল্লি অখিল গিরির বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ দায়ের করেছিলেন হুগলির বিজেপি সাংসদ লকেট চট্টোপাধ্যায়। এবার প্রতিবেশী অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মা বিষয়টি নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি করেছেন। অসমের আদিবাসীরা তাঁর বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন বলে জানিয়েছেন হিমন্ত বিশ্বশর্মা।

    আরও পড়ুন: ‘বেফাঁস মন্তব্যে’র জের, এবার অখিলের বিরুদ্ধে দিল্লিতে অভিযোগ দায়ের লকেটের

    অখিল গিরির মন্তব্য

    রাষ্ট্রপতিকে নিয়ে অখিল গিরির কুরুচিকর মন্তব্যের জেরে রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে ক্ষোভে ফেটে পড়েছেন আদিবাসীরা। পথে নেমে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেছেন তাঁরা। অখিল গিরির পদত্যাগের দাবিতে তীব্র প্রতিবাদ শুরু হয়েছে গোটা এলাকায়।  উল্লেখ্য, রাজ্যের কারামন্ত্রী অখিল গিরি পূর্ব মেদিনীপুরের একটি সভায় গিয়ে বেলাগাম মন্তব্য করেন। বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর বক্তব্যের জবাব দিতে গিয়ে আরও কুরুচিপূর্ণ ইঙ্গিত ছুঁড়ে দেন রাষ্ট্রপতির দিকে। সরাসরি রাষ্ট্রপতির শারীরিক রূপ নিয়ে তিনি মন্তব্য করে বসেন। এরপরই বিক্ষোভ দানা বাঁধে। বিরোধিতায় সরব হন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী, বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার প্রমুখ।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Akhil Giri: রাষ্ট্রপতিকে নিয়ে অখিল গিরির মন্তব্য খতিয়ে দেখা হচ্ছে! আদালতে কী বলল রাজ্য?

    Akhil Giri: রাষ্ট্রপতিকে নিয়ে অখিল গিরির মন্তব্য খতিয়ে দেখা হচ্ছে! আদালতে কী বলল রাজ্য?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুকে নিয়ে রাজ্যের মন্ত্রী অখিল গিরি যে মন্তব্য করেছেন তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ। অখিল-মন্তব্যের বিরুদ্ধে করা জনস্বার্থ মামলার প্রেক্ষিতে হাইকোর্টে এমনটাই জানাল রাজ্য সরকার। দেশের রাষ্ট্রপতির বিরুদ্ধে অবমাননাকর মন্তব্য করার অভিযোগে রামনগরের তৃণমূল বিধায়কের বিরুদ্ধে জনস্বার্থ মামলা করেছিলেন আইনজীবী সুস্মিতা সাহা দত্ত। তাঁর দাবি ছিল, রাষ্ট্রপতির বিরুদ্ধে মন্তব্য, সংবিধানের অবমাননা। সংবিধানের উচ্চ আসনে অধিষ্ঠিত ব্যক্তির প্রসঙ্গে যে ধরনের মন্তব্য করা হয়েছে অপরাধের সামিল। যিনি মন্তব্য করেছেন তিনি একজন রাজ্যের মন্ত্রী। তার এই মন্তব্য আদিবাসী সমাজকেও আঘাত করেছে। তার এই মন্তব্য নিয়ে রাজ্য সরকার কোনও ব্যবস্থা নিচ্ছে না। শুধুমাত্র এক লাইনে অ্যাপোলজি চেয়ে খান্ত থেকেছেন মুখ্যমন্ত্রী আদালত উপযুক্ত ব্যবস্থা গ্রহণ করুক।

    আরও পড়ুন: রাজস্থানে নতুন রেল লাইনে বিস্ফোরণ, তদন্তে এনআইএ

    মামলার শুনানি

    সেই মামলারই শুনানি ছিল বুধবার। বুধবার শুনানি চলাকালীন আদালতে রাজ্য জানিয়েছে, অখিলের মন্তব্যে বিরুদ্ধে যে সব স্মারক লিপি জমা পড়েছে তার প্রেক্ষিতে বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এ-ও বলা হয়েছে, এ নিয়ে নির্দিষ্ট করে এফআইআর হয়নি। কোনও অভিযোগ দায়ের হয়নি। একটা ডেপুটেশন জমা পড়েছে। তার ভিত্তিতে অনুসন্ধান চলছে। বুধবার আদলতের কাছে এক দিন সময় চেয়েছেন অখিলের আইনজীবী। বৃহস্পতিবার ফের হতে চলেছে ওই মামলার শুনানি। প্রসঙ্গত, রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী ও তাঁর পরিবারকে নিশানা করতে গিয়ে গত শনিবার বিতর্কিত মন্তব্য করেন রাজ্যের মন্ত্রী অখিল গিরি। বাদ পড়েননি রাষ্ট্রপতি দৌপদী মুর্মুও। অখিল গিরি বলেন, “আমরা রূপের বিচার করি না। তোমার রাষ্ট্রপতির চেয়ারকে আমরা সম্মান করি। তোমার রাষ্ট্রপতিকে কেমন দেখতে বাবা?”

    আরও পড়ুন: রাষ্ট্রপতিকে কুরুচিকর মন্তব্য, অখিল গিরির পদত্যাগের দাবিতে রাজভবন অভিযান শুভেন্দুদের

    অখিল গিরির সমালোচনা

    এই প্রসঙ্গে শাসকদলকে নিশানা করেছেন বিজেপি। ইতিমধ্যে রাজ্যের বিভিন্ন থানায় অখিল গিরির বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের হয়েছে। দিল্লির নর্থ অ্যাভিনিউ থানায় অভিযোগ দায়ের করেন বিজেপি সাংসদ লকেট চট্টোপাধ্যায়। মুখ্যমন্ত্রীও মেনে নিয়েছেন অখিল গিরি অন্যায় করেছেন। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “আমরা রাষ্ট্রপতিকে সন্মান করি। সর্বোচ্চ সম্মানীয় ব্যক্তি। অখিলের এমন মন্তব্য করা ঠিক হয়নি। অখিল এটা অন্যায় করেছে। আমি সমালোচনা করছি।” 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • BJP: রাষ্ট্রপতিকে নিয়ে অখিলের মন্তব্যের জের, বিজেপির আন্দোলনে উত্তাল রাজ্য

    BJP: রাষ্ট্রপতিকে নিয়ে অখিলের মন্তব্যের জের, বিজেপির আন্দোলনে উত্তাল রাজ্য

    মাধ্যম নিউজ জেস্ক: রাষ্ট্রপতিকে নিয়ে বেফাঁস মন্তব্য করেছিলেন রাজ্যের কারা প্রতিমন্ত্রী অখিল গিরি (Akhil Giri)। তার প্রতিবাদে পথে নামল বিজেপি (BJP)। পদ্ম শিবিরের প্রতিবাদ আন্দোলনে উত্তাল গোটা রাজ্য। শনিবার অখিলের গ্রেফতারি ও মন্ত্রিত্ব থেকে অপসারণের দাবিতে কলকাতার সেন্ট্রাল অ্যাভেনিউয়ে মিছিল করেন গেরুয়া শিবিরের নেতা-কর্মীরা। অখিলের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের হয়েছে নন্দীগ্রাম (Nandigram) থানায়। কোথাও কোথাও রাস্তায় টায়ার জ্বালিয়ে বিক্ষোভও দেখান বিজেপি কর্মী-সমর্থকরা। অখিলের বিরুদ্ধে জাতীয় মহিলা কমিশনে চিঠি দিয়েছেন বিজেপি নেতা সৌমিত্র খাঁ।  

    অখিলের বেফাঁস মন্তব্য…

    নভেম্বরের ১০ তারিখে নন্দীগ্রামের গোকুলনগর শহিদ মঞ্চে শহিদ দিবস পালনের আয়োজন করে ভূমি উচ্ছেদ প্রতিরোধ কমিটি। রাতের অন্ধকারে কে বা কারা ওই মঞ্চে আগুন লাগিয়ে দেয়। অভিযোগের আঙুল ওঠে বিজেপির (BJP) দিকে। এ নিয়ে এলাকায় উত্তেজনা ছড়ায়। ঘটনার প্রতিবাদে এলাকায় সভার আয়োজন করে তৃণমূল। ওই সভায় ভাষণ দিতে গিয়ে অখিল বলেন, আমরা রূপ বিচার করি না। রাষ্ট্রপতির পদকে আমরা সম্মান করি। কিন্তু তোমার (শুভেন্দু অধিকারী) রাষ্ট্রপতিকে কেমন দেখতে বাবা? অখিলের এই মন্তব্যের জেরে সমালোচনার ঝড় বয়ে যায় রাজ্যজুড়ে। পথে নামে বিজেপি। অখিলের গ্রেফতারি ও মন্ত্রিত্ব থেকে অপসারণের দাবিতে তামাম রাজ্যে আন্দোলন শুরু করেছে পদ্ম শিবির। নন্দীগ্রাম থানায় অখিলের বিরুদ্ধে দায়ের হয়েছে এফআইআর।

    আরও পড়ুন: কেন্দ্রীয় প্রকল্পে টেন্ডার দুর্নীতি! রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক মন্তব্য শুভেন্দুর

    এদিকে, অখিলের বিরুদ্ধে জাতীয় মহিলা কমিশনে চিঠি দিয়েছেন বিজেপি (BJP) নেতা সৌমিত্র খাঁ। তিনি বলেন, রাষ্ট্রপতিকে অপমান করা হয়েছে। রাষ্ট্রপতিকে নিয়ে অখিল গিরির মন্তব্য গণতন্ত্রের অপমান। ১৪০ কোটি জনগণকে অপমান করেছেন রাজ্যের মন্ত্রী। এই জঘন্য মন্তব্যের জন্য অবিলম্বে অখিলের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিন। বিধায়ক পদ থেকে অপসারিত করতে সুপারিশ করুন। অখিলের গ্রেফতারির দাবিও জানান তিনি।

    অখিলের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবিতে কলকাতার সেন্ট্রাল অ্যাভেনিউয়ে মিছিল করেন গেরুয়া শিবিরের নেতা-কর্মীরা। জেলায় জেলায় বিক্ষোভে শামিল হন বিজেপি (BJP) কর্মী-সমর্থকরা। পোড়ানো হয় কুশপুত্তলিকা। অখিলের মন্তব্যের তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। তিনি বলেন, রাষ্ট্রপতি সম্পর্কে রাজ্যের মন্ত্রী অখিল গিরি যে অবমাননাকর মন্তব্য করেছেন সে কারণে মন্ত্রীকে অবিলম্বে মন্ত্রিসভা থেকে সরিয়ে গ্রেফতার করা উচিত মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। যদি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় একাজ না করেন, তাহলে মন্ত্রী অখিল গিরিকে গ্রেফতার করাবে বিজেপি। তিনি বলেন, জেলায় জেলায় প্রতিবাদ আন্দোলনের নির্দেশ দিয়েছি। আদিবাসীরাও মন্ত্রীর বিরুদ্ধে রাস্তায় নেমে প্রতিবাদ করবে। এফআইআর করবে। সুকান্ত বলেন, তৃণমূল এ রাজ্যে ক্ষমতায় আসার পর থেকেই বেশ কিছু নেতা পচা ডিমের মতো দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছেন। যতদিন এই তৃণমূল সরকারে থাকবে, ততদিন পচা ডিমের দুর্গন্ধ ছড়াবে। মানুষ ভুল থেকে শিক্ষা নেয়, কিন্তু তৃণমূল তা করে না। এদিকে, অখিলকে অপসারণ এবং সাক্ষাতের সময় চেয়ে রাজ্যপালকে চিঠি দিয়েছেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা বিজেপির শুভেন্দু অধিকারী

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Akhil Giri: রাষ্ট্রপতিকে নিয়ে বেফাঁস মন্তব্য অখিল গিরির, তীব্র প্রতিবাদ বিজেপির

    Akhil Giri: রাষ্ট্রপতিকে নিয়ে বেফাঁস মন্তব্য অখিল গিরির, তীব্র প্রতিবাদ বিজেপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তিনি রাজ্যের মন্ত্রী। যাঁকে আক্রমণ করে বসলেন তিনি দেশের প্রথম নাগরিক। রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু (Draupadi Murmu)। যিনি তাঁর দিকে ছুঁড়ে দিলেন কুকথার ছররা, তিনি আর কেউ নন, রাজ্যের কারা প্রতিমন্ত্রী অখিল গিরি (Akhil Giri)। দেশের রাষ্ট্রপতিকে অপমান করায় বেজায় চটেছে রাজ্যের বাসিন্দাদের সিংহভাগ অংশ। তৃণমূল নেতার বেফাঁস মন্তব্যে হতবাক রাজ্যের শিক্ষিত সমাজ। আর কাঁথির এই তৃণমূল নেতার পদত্যাগের দাবিতে পথে নামছে বিজেপি।   

    জানা গিয়েছে, নভেম্বরের ১০ তারিখে নন্দীগ্রামের গোকুলনগর শহিদ মঞ্চে শহিদ দিবস পালনের আয়োজন করে ভূমি উচ্ছেদ প্রতিরোধ কমিটি। রাতের অন্ধকারে কে বা কারা ওই মঞ্চে আগুন লাগিয়ে দেয়। অভিযোগের আঙুল ওঠে বিজেপির দিকে। এ নিয়ে এলাকায় উত্তেজনা ছড়ায়। ঘটনার প্রতিবাদে এলাকায় সভার আয়োজন করে তৃণমূল (TMC)। ওই সভায় উপস্থিত ছিলেন তৃণমূল নেতা কুণাল ঘোষ, শশী পাঁজা, অখিল গিরি, সৌমেন মহাপাত্র সহ তৃণমূলের অন্য নেতারা।

    কী বললেন অখিল?

    এদিনের সভা মঞ্চে উঠেই রাজ্যের মন্ত্রী অখিল গিরি (Akhil Giri) নিশানা করেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা তথা নন্দীগ্রামের বিধায়ক বিজেপির শুভেন্দু অধিকারীকে (Suvendu Adhikari)। শুভেন্দুর হাত-পা ভেঙে দেওয়ার হুমকিও দেন মন্ত্রী মশাই। এর পরেই অখিলকে বলতে শোনা যায়, আমরা রূপ বিচার করি না। রাষ্ট্রপতির পদকে আমরা সম্মান করি। কিন্তু তোমার (শুভেন্দু অধিকারী) রাষ্ট্রপতিকে কেমন দেখতে বাবা? অখিলের এই মন্তব্যের জেরে সমালোচনার ঝড় বয়ে যায় রাজ্যজুড়ে। বিজেপির দাবি, রূপ নিয়ে কটাক্ষ করে দেশের প্রথম নাগরিককে অপমান করেছেন রাজ্যের মন্ত্রী অখিল গিরি।

    রাজ্য বিজেপির তরফে ট্যুইট করে বলা হয়েছে, অখিল (Akhil Giri) রাজ্যের নারী ও শিশু কল্যাণ মন্ত্রী শশী পাঁজার সামনে দাঁড়িয়ে রাষ্ট্রপতি সম্পর্কে আপত্তিকর মন্তব্য করেছেন। আমাদের রাষ্ট্রপতি একজন আদিবাসী। এখান থেকেই বোঝা যায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং তৃণমূল আদিবাসী বিরোধী। বিজেপি নেতা অমিত মালব্য বলেন, মুখ্যমন্ত্রী বরাবরই আদিবাসী বিরোধী। তাঁর মন্ত্রী অখিল গিরির মন্তব্য সেটাই প্রমাণ। রাষ্ট্রপতিকে অপমান করেন মমতার মন্ত্রী। কেন তিনি এবং তাঁর সরকার আদিবাসীদের এত ঘৃণা করেন?

    আরও পড়ুন: বিধানসভা উপনির্বাচনে ৪ আসনে জয়ী বিজেপি, কংগ্রেসের অবস্থান জানেন?

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     
     
LinkedIn
Share