Tag: Akhilesh Yadav

Akhilesh Yadav

  • Maha Kumbh 2025: ‘অমৃত কুম্ভে’র সন্ধানে ‘বিলম্বিত’ স্নান অখিলেশের, কটাক্ষ বিজেপির

    Maha Kumbh 2025: ‘অমৃত কুম্ভে’র সন্ধানে ‘বিলম্বিত’ স্নান অখিলেশের, কটাক্ষ বিজেপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গুণে গুণে ১১টা ডুব দিলেন। প্রয়াগরাজে অখিলেশ যাদবের পুণ্যস্নানের সেই ছবি এবং ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করেছে সমাজবাদী পার্টি। রবিবার উত্তরপ্রদেশের প্রয়াগরাজে ত্রিবেণী সঙ্গমে ডুব দিলেন সমাজবাদী পার্টির সাংসদ। কুম্ভমেলা (Maha Kumbh 2025) শুরু হয়েছে ১৩ জানুয়ারি। এতদিন পরে কুম্ভস্নান করায় অখিলেশকে নিশানা করেছে বিজেপি (BJP)। পদ্ম পার্টির মতে, অখিলেশের মহাকুম্ভে পা রাখার ঘটনা ‘রাজনৈতিক মোক্ষ’। প্রতি ১২ বছর অন্তর প্রয়াগরাজে হয় পূর্ণকুম্ভ। ১২টি পূর্ণকুম্ভ শেষে হয় মহাকুম্ভ। এবার সেই যোগ।

    মিডিয়ার নজর কাড়ার চেষ্টা!

    হিন্দুদের বিশ্বাস, প্রয়াগরাজের ত্রিবেণী সঙ্গমে স্নান করলে মোক্ষ লাভ হয়। যেহেতু এবার মহাকুম্ভ, তাই বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে লোকজন এসে জড়ো হয়েছেন প্রয়াগরাজে। ১ ফেব্রুয়ারি ত্রিবেণী সঙ্গমে স্নান সারবেন বিশ্বের ৭৩টি দেশের কূটনীতিকরা। ৫ ফেব্রুয়ারি স্নান করবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। গেরুয়া শিবিরের অভিযোগ, প্রধানমন্ত্রীর কুম্ভস্নানের আগে ত্রিবেণী সঙ্গমে স্নান সেরে মিডিয়ার ফোকাস হয়ে কৌশলে প্রচার সেরে ফেললেন অখিলেশ।

    বিলম্বিত বোধদয়

    কুম্ভস্নান শুরু হওয়ার পর থেকে ইতিমধ্যেই কুম্ভস্নান করেছেন ১০ কোটিরও বেশি মানুষ। এক এক করে স্নান করেছেন বিজেপির নেতামন্ত্রীরা। ১০ ফেব্রুয়ারি স্নান করবেন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু এবং উপরাষ্ট্রপতি জগদীপ ধনখড়। বিরোধীদের কাউকে এতদিন কুম্ভস্নান করতে দেখা যায়নি। সেই রীতি ভেঙে প্রথম অমৃতস্নান সারলেন ইন্ডি জোটের নেতা অখিলেশ। এদিন কুম্ভস্নান (Maha Kumbh 2025) শেষে বাবা মুলায়ম সিং যাদবের মূর্তিতে মাল্যদান করেন অখিলেশ। পরে সাক্ষাৎ করেন কুম্ভমেলায় আগত পুণ্যার্থী ও সাধু-সন্তদের সঙ্গে। কুম্ভ-ডুব শেষে অখিলেশ বলেন, “সাধারণতন্ত্র দিবসের শুভ মুহূর্তে সঙ্গমে ১১ ডুব দেওয়ার সৌভাগ্য হয়েছে আমার। আজকের বিশেষ দিনে ভেদাভেদ ভুলে, সৌভ্রাতৃত্ব ও সহনশীলতাকে সঙ্গী করে দেশ গঠনের প্রতিজ্ঞা করা উচিত আমাদের।”

    বিজেপির কটাক্ষ

    অখিলেশের ‘বিলম্বিত’ কুম্ভস্নানকে কটাক্ষ করেছে পদ্ম শিবির। উত্তরপ্রদেশের উপমুখ্যমন্ত্রী তথা বিজেপি নেতা ব্রজেশ পাঠক বলেন, “বেটার লেট দ্যান নেভার। আজ তিনি বিশ্বাসের ঢেউ প্রত্যক্ষ করলেন।” তিনি বলেন, “তাঁর অপ্রয়োজনীয় মন্তব্য করা থেকে বিরত থাকা উচিত। সনাতন সবার জন্য এবং এখানকার ব্যবস্থাপনাও চমৎকার (BJP)। তিনি নিজের চোখে দেখলেন, কীভাবে সারা বিশ্বের মানুষ এখানে জড়ো (Maha Kumbh 2025) হয়েছেন।”

    পদ্ম শিবিরের দাবি

    পদ্ম শিবিরের দাবি, মহাকুম্ভ (Maha Kumbh 2025) হল হিন্দু ঐক্যের এক বিরাট প্রদর্শন। হিন্দুদের এই একতা দেখে ভয় পেয়েছেন অখিলেশ যাবদ। যার জেরেই রাজনীতির মোক্ষলাভে কুম্ভে ডুব দিয়েছেন তিনি। উদ্দেশ্য, হিন্দু ভোট নিজের দিকে টানা। তবে সমাজবাদী পার্টির মাফিয়ারাজ ও তোষণের রাজনীতি আগেই দেখেছে উত্তরপ্রদেশ। তাই এই ডুবে বিশেষ কাজ হবে না।

    রাহুলের কুম্ভস্নান

    অখিলেশের কুম্ভস্নানের পরে কুম্ভ যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধীও। কংগ্রসের দাবি, প্রয়াগরাজে কুম্ভস্নান করেছেন দেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রী জওহরলাল নেহরু এবং প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী। কংগ্রেস সূত্রে খবর, এবার (BJP) তাঁদের পদাঙ্ক অনুসরণ করবেন রাহুলও। কংগ্রেসের প্রাক্তন সভাপতি কবে কুম্ভস্নানে যাবেন, তা এখনও জানা যায়নি। তবে কংগ্রেসের একটি সূত্রের খবর, অমৃস্নানের এখনও তিনটি তিথি রয়েছে। একটি ৩ ফেব্রুয়ারি, বসন্ত পঞ্চমীর দিন, আর একটি ৪ ফেব্রুয়ারি মৌনী অমাবস্যা, এবং শেষ কুম্ভস্নান হবে ২৬ ফেব্রুয়ারি, মহা শিবরাত্রির দিন। কংগ্রেস সূত্রে খবর, মোক্ষ লাভের আশায় বসন্ত পঞ্চমীর দিন পুণ্যস্নান সারতে পারেন রাহুল।

    কুম্ভে অমিত শাহ

    এদিকে, আজ, সোমবার প্রয়াগরাজে কুম্ভস্নান করার কথা (Maha Kumbh 2025) কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের। পাঠক বলেন, “আমরা অমিত শাহজিকে স্বাগত জানাতে উত্তেজিত, যিনি দেশের যুবসমাজকে অনুপ্রাণিত করেছেন এবং উত্তরপ্রদেশের মানুষের মানুষের প্রতি অপার ভালোবাসা দেখিয়েছেন। ২৫ কোটি মানুষের পক্ষ থেকে আমি তাঁকে ধন্যবাদ জানাই।”

    সরকারি, বিবৃতি অনুযায়ী, শাহ প্রয়াগরাজে পৌঁছে অমৃতস্নান করবেন ত্রিবেণী সঙ্গমে। তিনি বড়ে হনুমানজির মন্দির, অক্ষয়বট এবং জুনা আখড়া পরিদর্শন করবেন। সাধু-সন্তদের সঙ্গে সাক্ষাৎও করবেন তিনি। মধ্যাহ্নভোজ সারবেন তাঁদের সঙ্গে। গুরু শরণানন্দজির আশ্রমেও যাওয়ার কথা তাঁর। শৃঙ্গেরি, পুরী এবং দ্বারকা থেকে (BJP) আগত শঙ্করাচার্য-সহ বিশিষ্ট ধর্মীয় নেতাদের সঙ্গে (Maha Kumbh 2025) সাক্ষাৎ করবেন তিনি।

  • Ayodhya Gangrape Case: গণধর্ষণকাণ্ডে ডিএনএ টেস্ট চান, অখিলেশের মুসলিম তোষণে ক্ষুব্ধ বিজেপি

    Ayodhya Gangrape Case: গণধর্ষণকাণ্ডে ডিএনএ টেস্ট চান, অখিলেশের মুসলিম তোষণে ক্ষুব্ধ বিজেপি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অযোধ্যা গণধর্ষণকাণ্ডে (Ayodhya Gangrape Case) অভিযুক্তদের ডিএনএ টেস্টের (DNA Test Row) দাবি জানিয়েছিলেন সমাজবাদী পার্টি সুপ্রিমো অখিলেশ যাদব। ওই ঘটনায় ৩০ জুলাই অযোধ্যা পুলিশ গ্রেফতার করেছিল সমাজবাদী পার্টির কার্যকর্তা মইদ খানকে। ভাদরসা এলাকায় তিনি একটি বেকারি চালান। নাবালিকাকে ধর্ষণে তাঁর পাশাপাশি গ্রেফতার করা হয় তাঁর কর্মী রাজু খানকে।

    ডিএনএ টেস্টের দাবি (Ayodhya Gangrape Case)

    বারো বছর দু’মাসের ওই নাবালিকাকে ধর্ষণের যাবতীয় তথ্য পুলিশ দিয়েছে। নাবালিকাটি অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়ায় ধর্ষণের ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসে। এই ঘটনায় শনিবারই ওই নাবালিকাকে ধর্ষণে অভিযুক্তদের ডিএনএ টেস্টের দাবি জানিয়েছিলেন অখিলেশ। এক্স হ্যান্ডেলে তিনি বলেছিলেন, ‘কেবল অভিযোগ এবং রাজনীতি না করে এই মামলায় প্রয়োজন অভিযুক্তদের ডিএনএ টেস্ট করা। যেই দোষী হোক, তাকে উপযুক্ত শাস্তি দেওয়া উচিত। তবে ডিএনএ টেস্টের পর যদি অভিযোগ মিথ্যে বলে প্রমাণিত হয়, তাহলে এর সঙ্গে যেসব সরকারি কর্মচারী জড়িত, তাদেরও রেয়াত করা উচিত হবে না। এটাই বিচারের দাবি।’

    রাজ্যে সমালোচনার ঝড়

    যাদবের ডিএনএ টেস্টের দাবির প্রতিবাদে সোচ্চার হয়েছে উত্তরপ্রদেশের রাজনৈতিক মহল। সমাজবাদী সুপ্রিমোকে নিশানা করে বিজেপি বলছে, সমাজবাদী পার্টি ‘পেডোফিলিয়া’ রক্ষা করছে। সেই দলের ছেলেরা ছেলেদের মানসিকতার হবে। এই সময় ইন্ডি ব্লকের নেতারা অদ্ভুতভাবে নীরব। বিজেপি নেতা অমিত মালব্য এক্স হ্যান্ডেলে লিখেছেন, ‘ধর্ষক মইদ খান একজন মুসলমান। আর ধর্ষণের শিকার নাবালিকা নিষাদ সম্প্রদায়ের। তাই মইদকে বাঁচাতে এত উদ্বেগ। তারা যে পিডিএ সম্পর্কে কথা বলে, সেটা কী কেবল ভোটের স্বার্থে? এটা মুসলিম তোষণের সর্বোচ্চ পর্যায়। সমাজবাদী পার্টি সব সময় পিছিয়ে পড়া শ্রেণিকে নষ্ট করেছে। কিন্তু এখন আর অবিচার চলতে দেওয়া যাবে (Ayodhya Gangrape Case) না।’

    আরও পড়ুন: ছেলে যাচ্ছে মহাকাশে, ভীত নয়, গর্বিত শুভাংশুর পরিবার

    অখিলেশকে কংগ্রেসের ‘দাবার বোড়ে’ বলে উল্লেখ করেছেন উত্তরপ্রদেশের উপমুখ্যমন্ত্রী কেশবপ্রসাদ মৌর্য। তিনি বলেন, “অখিলেশ যাদব ধর্ষণের শিকার নিষাদ সম্প্রদায়ের, আপনি পিডিএ, দলিত এবং সংখ্যালঘুদের কথা ভুলে গিয়েছিলেন। আপনি তাদের ডিএনএ পরীক্ষার কথা বলেছিলেন। এখন আপনি আদালতের কথা বলে বিপথে চালিত করতে চাইছেন। ভোটব্যাঙ্ক হারানোর ভয়ে আপনি ভীত। রাজ্যবাসী বিচার চাইছে। দোষীর শাস্তি চাইছে। সরকার তার দায় পূরণ করবে।’ অখিলেশের সমালোচনা করেছেন (DNA Test Row) (Ayodhya Gangrape Case) বিএসপি সুপ্রিমো মায়াবতীও।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Anurag Thakur: জাত বিতর্কে অখিলেশকে পাল্টা আক্রমণ অনুরাগ, কঙ্গনার

    Anurag Thakur: জাত বিতর্কে অখিলেশকে পাল্টা আক্রমণ অনুরাগ, কঙ্গনার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তিনি সাংবাদিককে প্রশ্ন করেছিলেন “আপনার জাত কি?” জাত বিতর্ক (Caste Row) নিয়ে যখন দেশজুড়ে বিতর্ক তুঙ্গে, সেই সময় এমন একটি ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করেছেন হামিরপুরের সাংসদ তথা প্রাক্তন মন্ত্রী বিজেপির অনুরাগ ঠাকুর (Anurag Thakur)। ভিডিওটি সমাজবাদী পার্টি প্রধান অখিলেশ যাদবের। একটি প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, “কেউ কীভাবে জাত সম্পর্কে জিজ্ঞেস করতে পারে?” ভিডিওটিতে কোনও তারিখ দেখা যাচ্ছে না। তবে তাতে দেখা যাচ্ছে, অখিলেশ একজন সাংবাদিককে জাত নিয়ে প্রশ্ন করছেন।

    অনুরাগের বাক্য-বাণ (Anurag Thakur)

    ঘটনার সূত্রপাত মঙ্গলবার। সংসদে চলছিল জাত গণনার দাবিতে আলোচনা। সেই সময় কংগ্রেসকে আক্রমণ করেন অনুরাগ। বলেন, “কংগ্রেসের শাহজাদা আমাদের জ্ঞান দেবেন? বিরোধী দলনেতার পদ কী, তা আগে বুঝতে হবে ওঁকে। ওঁদের মিথ্যে ছড়ানো বন্ধ করতে হবে। বারবার ওবিসিদের কথা বলা হয়। বারবার করে জাতিগণনার কথা বলা হয়।” এর পরেই প্রাক্তন এই কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বলেন, “যাঁদের নিজেদের জাতের ঠিক নেই, তাঁরাই জাত গণনার দাবি করছেন।” অনুরাগের মন্তব্যের কড়া সমালোচনা করেন সমাজবাদী পার্টি সুপ্রিমো তথা সাংসদ অখিলেশ যাদবও। তিনি প্রশ্ন করেন, “কারও জাত কি জানতে চাওয়া যায়? কারও জাত জানতে হবে কেন? অখিলেশের এহেন প্রশ্নের প্রেক্ষিতেই অনুরাগ পোস্ট করেন পুরানো ভিডিও। অনুরাগকে ক্ষমা চাইতে হবে বলে দাবি জানান বিরোধীরা।

    মোদির কণ্ঠে অনুরাগ প্রশস্তি

    হামিরপুরের সাংসদের প্রশস্তি শোনা গিয়েছে স্বয়ং প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির গলায়ও। লোকসভার ভাষণ শেয়ার করে সোশ্যাল মিডিয়ায় তিনি লেখেন, “আমার ছোট এবং উদ্যমী সহকর্মী অনুরাগ ঠাকুরের বক্তব্য অবশ্যই শুনতে হবে। ঘটনা এবং রসবোধের যথার্থ মিশ্রণ এটি। ‘ইন্ডি’ জোটের (বিজেপি বিরোধী ২৬টি রাজনৈতিক দলের জোট) নোংরা রাজনীতির উপযুক্ত জবাব দিয়েছেন তিনি।” কংগ্রেস নেতা তথা সাংসদ শশী থারুরের একটি বই থেকে উদ্ধৃতিও দিয়েছেন অনুরাগ। রাহুলকে দিয়েছেন এলওপি-র ব্যাখ্যা। অনুরাগ (Anurag Thakur) বলেন, “এই দলের শাহজাদার প্রথমে বোঝা উচিত এলওপি-র অর্থ কী। এর অর্থ হল ‘লিডার অফ অপোজিশন’, ‘লিডার অফ প্রোপাগান্ডা নয়’।”

    হালুয়া প্রসঙ্গ

    হালুয়া প্রসঙ্গ তুলেও এদিন রাহুলকে চাঁদমারি করেন অনুরাগ। বলেন, “রাহুলজি, আপনি হালুয়া নিয়ে বলছেন। বোফর্স দুর্নীতির হালুয়া কে খেয়েছিল? অন্তরীক্ষ দিবস (Caste Row) দুর্নীতি, কমনওয়েল্থ গেমস, ন্যাশনাল হেরাল্ড, সাবমেরিন, ২জি স্ক্যাম, কয়লা, ইউরিয়া ও পশুখাদ্য কেলেঙ্কারি থেকে কারা লাভ করেছিল? রাহুলজি ওই হালুয়াটা কি মিষ্টি ছিল নাকি বিস্বাদ? অনুরাগ বলেন, “কয়েকজন ওবিসি নিয়ে কথা বলেন, কিন্তু তাদের কাছে ওবিসির অর্থ হল, ‘ব্রাদার ইন ল কমিশন’। এই দল কিনা পিছিয়ে পড়া শ্রেণির মানুষদের নিয়ে কথা বলবে?

    বোমা ফাটালেন কঙ্গনা

    জাত নিয়ে কথা বলায় অনুরাগ যখন খুঁচিয়ে তুলেছেন অখিলেশের পুরানো ঘা, ঠিক তখনই পুরানো একটি ভিডিও শেয়ার করে রাহুল গান্ধীকে নিশানা করলেন গ্ল্যামার কুইন নায়িকা সাংসদ কঙ্গনা রানাওয়াত। পুরানো ওই ভিডিওয় রাহুল গান্ধীকেও লোকের জাত নিয়ে কথা বলতে শোনা গিয়েছে।

    আরও পড়ুন: “হিসেব দাও, টাকা নাও”, রাজ্যসভায় তৃণমূল সাংসদকে মুখের মতো জবাব অমিত শাহের

    ইনস্টাগ্রাম স্টোরিতে ভিডিও শেয়ার করে কঙ্গনা লিখেছেন, “আপনি নিজের জাত সম্পর্কে কিছুই জানেন না। আপনার দাদু মুসলিম, ঠাকুমা পার্সি, মা খ্রিস্টান। মনে হয় কেউ ভাত ও ডাল বানানোর জন্য কারিপাতা দিয়ে পাস্তা মেখেছেন। এদিকে উনি সবার জাত জানতে চান।” তিনি লিখেছেন, “কী করে তিনি প্রকাশ্যে মানুষকে তাঁদের জাত (Caste Row) সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করতে পারেন, এমন (Anurag Thakur) অভদ্রভাবে, ছিঃ লজ্জা, রাহুল গান্ধী।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Yogi Adityanath: পরীক্ষায় গণ-টোকাটুকিকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেন অখিলেশ, স্বচ্ছতা এনেছে যোগী সরকার

    Yogi Adityanath: পরীক্ষায় গণ-টোকাটুকিকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেন অখিলেশ, স্বচ্ছতা এনেছে যোগী সরকার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘‘পরীক্ষায় পাস করতে কে না টুকলি করে!’’ পাঠক বিশ্বাস করুন কি না করুন! ঠিক এটাই ছিল উত্তরপ্রদেশের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী অখিলেশ যাদবের বিবৃতি। তাঁর এই মন্তব্যেই প্রতিফলিত হয়, সমাজবাদী পার্টির আমলে রাজ্যের সংস্কৃতি ঠিক কেমন ছিল। উত্তরপ্রদেশে ঠিক এমন অপসংস্কৃতিকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিয়েছিলেন একদা মুখ্যমন্ত্রী অখিলেশ যাদব (Akhilesh Yadav) ও তাঁর পরিবার।

    পরীক্ষায় নকল, এমন সংস্কৃতি পিতার কাছেই শিখেছিলেন অখিলেশ

    যোগী আদিত্যনাথ (Yogi Adityanath) উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার আগে সমগ্র রাজ্যে পরীক্ষায় টুকলি করা এক প্রকার রীতি হয়ে দাঁড়িয়েছিল। যে কোনও বোর্ডের পরীক্ষায় গণ-টোকাটুকির ছবিই ধরা পড়ত। তা ছিল সম্পূর্ণ বৈধ। অখিলেশ যাদব এবং তাঁর পিতা মুলায়ম সিং যাদব প্রকাশ্যেই মন্তব্য করতেন যে পরীক্ষা ব্যবস্থায় টুকলি করা কোনও অপরাধ নয়। বিভিন্ন অনুষ্ঠানেও নিজেদের বক্তব্য রাখার সময় প্রকাশ্যেই গণ-টোকাটুকিকে সমর্থন করতেন অখিলেশ। উত্তরপ্রদেশের একদা প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী এমন সংস্কৃতি তাঁর পিতার কাছ থেকেই শিখেছিলেন। ১৯৯৩ সালে মুলায়ম সিং যাদব উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী হলে তিনি পূর্ববর্তী বিজেপি সরকারের আনা পরীক্ষায় ‘নকল বিরোধী আইন’কে সরিয়ে দেন।

    যোগী আদিত্যনাথ (Yogi Adityanath) ক্ষমতায় আসার পরেই এমন চিত্র বদলে যেতে শুরু করে

    ১৯৯৩ সালে উত্তরপ্রদেশে নির্বাচনে মুলায়ম সিং যাদব প্রকাশ্যেই ঘোষণা করেছিলেন যে তিনি জিতলে, প্রথম যেটা করবেন সেটা হচ্ছে ‘অ্যান্টি কপি ল’কে সম্পূর্ণভাবে সরিয়ে দেবেন। তিনি এই কাজটাই করেছিলেন। শপথ নেওয়ার ৩০ মিনিটের মধ্যে তিনি তাঁর সিদ্ধান্ত কার্যকরও করেন। পরীক্ষা ব্যবস্থায় নকলের কথা বলতে তাঁর এতটুকু লজ্জাবোধও হত না। উত্তরপ্রদেশে তথাকথিত বুদ্ধিজীবীদের কেউ এর প্রতিবাদও জানাননি। উত্তরপ্রদেশের নাম সারা ভারতেই খারাপ হয়ে গিয়েছিল সমাজবাদী পার্টির শাসনে। ছাত্রদেরও সারাদেশে নীচু চোখে দেখা হত। কারণ উত্তরপ্রদেশের টুকলি করা ছিল একেবারে বৈধ। এরপরে যোগী আদিত্যনাথ ক্ষমতায় আসার পরে উত্তরপ্রদেশের টুকলি ব্যবস্থাকে সম্পূর্ণভাবে ধ্বংস করতে সক্ষম হন। শুধু তাই নয়, উত্তরপ্রদেশে পরীক্ষায় চিটিং-এর ওপর সিন্ডিকেট তৈরি হয়ে গিয়েছিল। পরীক্ষার্থীদের পাশ করানো হত মোটা টাকার বিনিময়ে। সরবরাহ করা হত টুকলি। কিন্তু যোগী আদিত্যনাথ ক্ষমতায় আসার পরেই এমন চিত্র বদলে যেতে শুরু করে।

    যোগী (Yogi Adityanath) রাজ্যে সব পরীক্ষা কেন্দ্রে বসেছে সিসিটিভি 

    এমন কিছু জায়গাকে পরীক্ষা কেন্দ্র হিসেবে বাছা হত সমাজবাদী পার্টির আমলে, যেখানে গণ টোকাটুকি চলত। যোগী আদিত্যনাথ ক্ষমতা আসার পরেই কেন্দ্রগুলিকে চিহ্নিত করেন। সেগুলিকে পরীক্ষা কেন্দ্র হিসেবে বাতিল বলে ঘোষণা করেন। এর পাশাপাশি পরীক্ষা কেন্দ্রগুলিতে সিসিটিভি লাগানোর কাজ শুরু হয়। যে সমস্ত পরীক্ষা কেন্দ্রগুলিতে কোনও সীমানা ছিল না, সেখানে দেওয়াল দেওয়ার কাজও শুরু হয়। এর পাশাপাশি উত্তরপ্রদেশে প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনাও ঘটত, সমাজবাদী পার্টির আমলে। যোগী আদিত্যনাথ সরকার ক্ষমতায় আসার পরে তা রোধ করা গিয়েছে।

    অখিলেশের ডিগ্রি কেলেঙ্কারী

    এর পাশাপাশি যোগী আদিত্যনাথ (Yogi Adityanath) সরকার উত্তরপ্রদেশে অভ্যুদয় প্রকল্প এনেছে। যেখানে অর্থনৈতিকভাবে পিছিয়ে পড়া ছাত্রদের সহজেই আইএএস, আইপিএস, বিসিএস, এনডিএস, নিট এবং জয়েন্ট এন্টাসের মতো পরীক্ষার কোচিং বিনামূল্যে দেওয়া হয়। নিজের ডিগ্রি হিসেবে অখিলেশ বারবার দাবি করতেন যে তিনি নাকি অস্ট্রেলিয়ার সিডনি থেকে মাস্টার ডিগ্রি করেছেন। কিন্তু নির্বাচনে মনোনয়নের সময় এগুলোকে তিনি এড়িয়ে গিয়েছেন। জানা যায়, অস্ট্রেলিয়া থেকে কোর্স সম্পূর্ণ না করেই তিনি ফিরে এসেছিলেন। অন্যদিকে এমনটাই দেখা যায় লালু প্রসাদ যাদবের ক্ষেত্রেও। তাঁর কন্যা মিশা ভারতী টাটা মেডিক্যাল কলেজের মতো একটা বড় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পড়ার সুযোগ পান শুধুমাত্র মুখ্যমন্ত্রীর কন্যা হওয়ার সুবাদে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Raebareli: নির্বাচনী এলাকার বিধায়কের বিজেপিতে যোগ, চিন্তায় রাহুল

    Raebareli: নির্বাচনী এলাকার বিধায়কের বিজেপিতে যোগ, চিন্তায় রাহুল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভোটের মরশুমে ইন্ডি (India Alliance) জোটে ভাঙন অব্যাহত। জোটের শরিক দলের নেতারা যোগ দিচ্ছেন বিজেপিতে। এবার সেই ধারায় নাম লেখালেন সমাজবাদী পার্টির বিধায়ক মনোজ পান্ডে। অভিযোগ তিন মাস ধরে বিজেপির (BJP) সঙ্গে তাঁর ঘনিষ্ঠতা ছিল। শেষ পর্যন্ত শুক্রবার আনুষ্ঠানিকভাবে গেরুয়া শিবিরে যোগ দিলেন সাইকেল বাহিনীর বিদ্রোহী বিধায়ক। রায়বরেলি (Raebareli) লোকসভার অন্তর্গত উঁচাহর কেন্দ্রের বিধায়ক মনোজ কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের (Amit Shah) উপস্থিতিতে এদিন বিজেপিতে যোগ দেন।

    ফেব্রুয়ারিতে থেকেই শুরু গোলমাল

    খুবই তাৎপর্যপূর্ণ ভাবে রাজ্যসভা ভোটের আগে ফেব্রুয়ারিতে সমাজবাদী পার্টির (Samajwadi Party) বিধায়ক দলের মুখ্য সচেতক পদ থেকে ইস্তফা দিয়েছিলেন মনোজ। এরপর ক্রস ভোটিং করে হারিয়ে দিয়েছিলেন অখিলেশের (Akhilesh Yadav) দলের তৃতীয় প্রার্থীকে। এদিকে সোমবার রায়বেরেলি (Raebareli) লোকসভা কেন্দ্রে ভোট গ্রহণ হবে। বিরোধী জোট ইন্ডিয়ার প্রার্থী সোনিয়া পুত্র রাহুল গান্ধি (Rahul Gandhi)। তাঁর বিরুদ্ধে বিজেপি টিকিট দিয়েছে যোগী আদিত্যনাথ (Yogi Adityanath) সরকারের মন্ত্রী দীনেশ প্রতাপ সিংহকে। শেষ দিন শনিবার বিজেপির প্রচারে দেখা যেতে পারে মনোজ পান্ডেকে।

    মনোজের সংক্ষিপ্ত রাজনৈতিক ইতিহাস

    ৯০ এর দশকের শেষে সমাজবাদী পার্টির যুব শাখায় যোগ দিয়েছিলেন মনোজ। প্রয়াত মুলায়ম সিংহ যাদবের নজরে পড়ে অচিরেই হয়ে ওঠেন দলের অন্যতম উচ্চবর্ণের মুখ। উত্তরপ্রদেশে রাজনীতিতে জাতপাত কেন্দ্রিক ভোট পলিটিক্স একটা বড় ফ্যাক্টর। মনোজ পান্ডেকে ব্রাহ্মণমুখ হিসেবে ব্যবহার করত সমাজবাদী পার্টি। ২০০০ সালেও অল্প কিছু দিনের জন্য বিজেপিতে যোগ দিয়েছিলেন তিনি। পরবর্তী সময়ে ফের ফিরে আসেন সমাজবাদী পার্টিতে।

    আরও পড়ুন: অযোধ্যায় রাম মন্দিরের পর এবার বিহারে সীতার মন্দির! নির্বাচনের মধ্যেই বড় ঘোষণা শাহের

    ২০১২ সালে অখিলেশ যাদবের নেতৃত্বে সমাজবাদী পার্টি উত্তরপ্রদেশে ক্ষমতায় এলে তাঁকে কৃষি প্রতিমন্ত্রী করা হয়েছিল। অখিলেশও তাঁর উপরে আস্থা রেখেছিলেন। দলের প্রবীণ নেতাদের উপেক্ষা করে ২০২২ সালে নির্বাচনে বিধানসভায় তাঁকেই মুখ্য সচেতক করা হয় সমাজবাদী পার্টির তরফে। উঁচাহর বিধানসভা কেন্দ্র থেকে তিনবার সমাজবাদী পার্টির টিকিটে জিতে বিধায়ক হয়েছেন মনোজ।  রায়বরেলির (Raebareli) রাজনীতিতে তাঁর আধিপত্য না থকলেও যথেষ্ট প্রভাব রয়েছে। মনোজের বিজেপিতে যোগ রাহুলের জন্য যথষ্ট চিন্তার কারণ।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Loksabha Vote: লোকসভা ভোটের আগে ফের ধাক্কা খেল বিরোধীরা, নীতীশের পরে জোট ছাড়লেন জয়ন্ত

    Loksabha Vote: লোকসভা ভোটের আগে ফের ধাক্কা খেল বিরোধীরা, নীতীশের পরে জোট ছাড়লেন জয়ন্ত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লোকসভা ভোটের আগে ফের একবার বড়সড় ধাক্কা খেল ‘ইন্ডিয়া’ জোট (Loksabha Vote)। জানুয়ারির শেষের দিকে জোট ছেড়েছিলেন নীতীশ কুমার। এ বার অখিলেশের হাত ছেড়ে গেরুয়া শিবিরে গেলেন রাষ্ট্রীয় লোকদলের (আরএলডি) প্রধান জয়ন্ত চৌধরি। শনিবারই উত্তরপ্রদেশে ৮০টির মধ্যে ৫১টি লোকসভা আসনের প্রার্থী ঘোষণা করেছে বিজেপি। রাম মন্দিরের উদ্বোধনের পরে বিজেপির পক্ষে প্রবল হাওয়া বইছে উত্তরপ্রদেশে। সে কথা বুঝেই আরএলডি-এর এই পদক্ষেপ এমনটাই মনে করছে ওয়াকিবহাল মহলের একাংশ।

    সমাজমাধ্যমে কী লিখলেন জয়ন্ত?

    শনিবারইএনডিএ শিবিরে যোগদানের কথা জানান তিনি। সোশ্যাল মিডিয়াতে লেখেন, ‘‘নরেন্দ্র মোদিজীর নেতৃত্বে ভারত একটি উন্নয়নশীল দেশে পরিণত হয়েছে। দরিদ্র কল্যাণে অভূতপূর্ব বিকাশ (Loksabha Vote) ঘটেছে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহজি এবং বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডাজির সঙ্গে দেখা করে এনডিএ শিবিরে যোগ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। এনডিএ উন্নত ভারতের সংকল্প। লোকসভা ভোটে ৪০০-র বেশি আসন পাবে।’’

    জেপি নাড্ডার ট্যুইট

    এ প্রসঙ্গে বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডা তাঁর এক্স হ্যান্ডেলে শনিবার লেখেন, “অমিত শাহজির উপস্থিতিতে (Loksabha Vote) আজ আরএলডির প্রধান জয়ন্ত চৌধরিজির সঙ্গে একটি বৈঠক হয়েছে। এনডিএ পরিবারে তাঁর যোগ দেওয়ার সিদ্ধান্তকে আমি আন্তরিক ভাবে স্বাগত জানাই।”

    অমিত শাহের ট্যুইট

    এনডিএ শিবিরে জয়ন্তের যোগদানের পর অমিত শাহও তাঁর এক্স হ্যান্ডেলে জয়ন্তকে স্বাগত জানান। তিনি লেখেন, “আমি রাষ্ট্রীয় লোকদলের প্রধান জয়ন্ত চৌধরিজিকে এনডিএ পরিবারে স্বাগত জানাচ্ছি। এনডিএতে জয়ন্তের যোগদান কৃষক, দরিদ্র ও বঞ্চিত শ্রেণির উন্নয়নের সংকল্পকে আরও শক্তিশালী করবে।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • INDIA Bloc Meet: মমতা-নীতীশদের অনুপস্থিতির জের! শরিক-ঘোঁটে ভেস্তে গেল ইন্ডি-জোটের বৈঠক?

    INDIA Bloc Meet: মমতা-নীতীশদের অনুপস্থিতির জের! শরিক-ঘোঁটে ভেস্তে গেল ইন্ডি-জোটের বৈঠক?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পাঁচ রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপির কাছে ধরাশায়ী হয়েছে কংগ্রেস। মাত্র একটি রাজ্যে জয় পেয়ে কোনওভাবে মুখ রক্ষা করেছে গ্র্যান্ড ওল্ড পার্টি। এহেন পরিস্থিতি থেকে উদ্ধারের উপায় কী, তা স্থির করতে ইন্ডি জোটের বৈঠক (I.N.D.I.A Bloc Meet) ডাকা হয়েছিল ৬ ডিসেম্বর, বুধবার। সেই বৈঠকে তৃণমূল সুপ্রিমো তথা বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, বিহারের মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমার এবং সমাজবাদী পার্টির প্রধান অখিলেশ যাদব গরহাজির থাকতে পারেন বলে খবর ছড়িয়েছিল। তার পরেই বৈঠক পিছিয়ে দেওয়া হয় বলে সূত্রের খবর। তবে ওই বৈঠক কবে হবে, তা এখনও জানা যায়নি।

    পিছল ইন্ডি জোটের বৈঠক

    তিন রাজ্যে গৈরিক নিশান ওড়ায় ছত্রখান বিরোধী জোট! ইন্ডি জোটের অন্দরে ক্রমেই চওড়া হতে শুরু করেছে ফাটল। সোমবার জোটের অন্যতম অংশীদার তথা তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়ে দেন, তিনি ওই বৈঠকে (I.N.D.I.A Bloc Meet) থাকছেন না। এর পর আজ মঙ্গলবার, বিহারের মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমার এবং সমাজবাদী পার্টির অখিলেশ যাদবও ৬ ডিসেম্বর ইন্ডি জোটের বৈঠকে গরহাজির থাকতে পারেন বলে খবর পান উদ্যোক্তারা। তার পরেই পিছিয়ে দেওয়া হয় বৈঠক। নতুন বছরের মার্চ-এপ্রিলে হওয়ার কথা লোকসভা নির্বাচন। বিজেপির দিল্লির তখতে ফেরা রুখতে ইন্ডি জোট গড়ে পদ্ম-বিরোধী ২৬টি রাজনৈতিক দল। শুরু থেকেই অশান্তির চোরাস্রোত বইছে ইন্ডির অন্দরে। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে ধরেছে ফাটল। সম্প্রতি চওড়া হয়েছে সেই ফাটল।

    জোটের ভবিষ্যৎ নিয়েই প্রশ্ন

    রাজস্থান, মধ্যপ্রদেশ ও ছত্তিসগড়ে কংগ্রেসকে গোহারা হারিয়ে গৈরিক নিশান উড়িয়েছে বিজেপি। ভোটে হারের কারণ বিশ্লেষণ করে পরবর্তী রণনীতি আলোচনা করতে বুধবার কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়্গের বাসভবনে বৈঠক হবে বলে জানা গিয়েছিল। এখন তিন দলের প্রধান উপস্থিত থাকবেন না জেনে পিছিয়ে দেওয়া হয়েছে বৈঠক (I.N.D.I.A Bloc Meet)। সোমবারই মুখ্যমন্ত্রী তথা তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছিলেন, তিনি কোনও আমন্ত্রণ পাননি। বিহারের মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমারও জানিয়েছেন, বৈঠকে যাচ্ছেন না তিনি। গরহাজির থাকছেন সমাজবাদী পার্টির প্রধান অখিলেশ যাদবও। প্রত্যাশিতভাবেই ইন্ডি জোটের ভবিষ্যৎ নিয়েই উঠছে প্রশ্ন। 

    আরও পড়ুুন: ‘লক্ষ কণ্ঠে গীতা পাঠে’র দিনেই প্রাইমারি টেট! ক্ষোভ জমছে পরীক্ষার্থীদের মধ্যেও

    তিন রাজ্যে কংগ্রেস কুপোকাত হতেই হারের দায় ঝাড়তে উঠেপড়ে লেগেছেন ইন্ডি জোটের নেতাদের একাংশ। মমতা সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, “এটা কংগ্রেসের পরাজয়, মানুষের নয়। আসন সমঝোতা হলে এই ফল হত না।” ইন্ডি জোটের (I.N.D.I.A Bloc Meet) আর এক শরিক কাশ্মীরের ওমর আবদুল্লা বলেন, “রাজ্যগুলির নির্বাচনে ইন্ডি জোটের যা অবস্থা, ভবিষ্যতেও যদি একই রকম চলতে থাকে, তাহলে আমরা নিজেদের বাঁচাতে পারব না।” তিনি বলেন, “মধ্যপ্রদেশের পরিস্থিতি বুঝতে পারেনি কংগ্রেস।” রাজনৈতিক মহলের মতে, ইন্ডি জোটের প্রধান শক্তি কংগ্রেস। কারণ একমাত্র এই দলটিরই অস্তিত্ব রয়েছে গোটা দেশে। সেই কংগ্রেসকেও দুষছেন জেডিইউ মুখপাত্র কেসি ত্যাগী। তিনি বলেন, “এটা কংগ্রেসের পরাজয়। ওরা জোটের কোনও দলের সঙ্গে যোগাযোগ করেনি, সাহায্য চায়নি। ওরা নিজেদের ক্ষমতায় বিজেপিকে হারানোর চেষ্টা করেছিল। যা আসলে ছিল দিবাস্বপ্ন।”

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Rajya Sabha Election 2024: জয় নিয়ে আত্মবিশ্বাসী বিজেপি, আজ তিন রাজ্যের ১৫ আসনে রাজ্যসভা নির্বাচন

    Rajya Sabha Election 2024: জয় নিয়ে আত্মবিশ্বাসী বিজেপি, আজ তিন রাজ্যের ১৫ আসনে রাজ্যসভা নির্বাচন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তিন রাজ্যে রাজ্যসভার ১৫টি আসনের জন্য আজ মঙ্গলবার হতে চলেছে ভোটগ্রহণ। এর মধ্যে, ১০টি আসনে লড়াই হবে উত্তরপ্রদেশে। পাশাপাশি নির্বাচন হচ্ছে হিমাচল প্রদেশ এবং দক্ষিণ ভারতের রাজ্য কর্নাটকেও। উত্তরপ্রদেশে ১০টির মধ্য ৭টি আসনে বিজেপি প্রার্তীর জয় নিশ্চিত। অষ্টম আসনেও অঙ্কের বিচারে কিছুটা এগিয়েই রয়েছে পদ্ম শিবির। কর্নাটকেও লড়াই চলছে। হিমাচলের একটি আসনেও প্রার্থী দিয়েছে বিজেপি। সেখানে ক্রস ভোটিং হতে পারে বলে অনুমান রাজনীতির কারবারিদের। সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৪টে পর্যন্ত ভোটগ্রহণ চলবে। ৫টা থেকে শুরু হবে গণনা।

    উত্তরপ্রদেশের সমীকরণ

    সংখ্যার হিসাবে উত্তরপ্রদেশের সাতটি আসনে বিজেপি প্রার্থীর জয় নিশ্চিত। সমাজবাদী পার্টি (এসপি) শিবিরের তিন প্রার্থীর জয় চলতি মাসের গোড়া পর্যন্ত নিশ্চিত ছিল। সম্প্রতি রাষ্ট্রীয় লোক দলের এনডিএ-তে যোগদান এবং দু’জন এসপি বিধায়কের প্রকাশ্যে বিজেপি প্রার্থীকে সমর্থনের ঘোষণার পরে ছবিটা পাল্টে গিয়েছে। বিজেপি প্রথমে সাত প্রার্থীর নাম ঘোষণা করলেও, বিরোধী শিবিরের দোলাচল দেখে অষ্টম আসনেও প্রার্থী দিয়েছে। বতর্মানে ৪০৩ আসনের উত্তরপ্রদেশ বিধানসভায় চারটি আসন খালি। ভোট দেবেন ৩৯৯ জন বিধায়ক। রাজ্যসভায় এক জন প্রার্থীকে জিততে পেতে হবে ৩৭টি ভোট। আট প্রার্থীকে জেতাতে বিজেপির প্রয়োজন ২৯৬টি ভোট। তাঁদের পক্ষে ২৮৬টি ভোট নিশ্চিত। এছাড়াও বাকি ১০টি ভোট পাওয়ার ক্ষেত্রেও আশাবাদী গেরুয়া শিবির। এসপি-র দুই বিধায়ক ইতিমধ্যেই বিজেপিকে ভোট দেবেন বলে জানিয়েছেন।  এই পরিস্থিতিতে চাপে রয়েছেন অখিলেশ যাদব। নিজেদের তিন প্রার্থীকে জেতাতে সমাজবাদী পার্টির প্রয়োজন ১১১টি ভোট। তাদের বিধায়ক সংখ্যা ১০৮ হলেও অনেকে দলের সঙ্গে মতবিরোধের জেরে বিজেপিকে ভোট দেবে বলে জানিয়েছে। 

    আরও পড়ুন: ভোটের আগে ধাক্কা কংগ্রেসে, ঝাড়খণ্ডের একমাত্র সাংসদ গীতা কোড়া গেলেন বিজেপিতে

    কর্নাটকেও ভোট

    চারটি আসনের মধ্যে কংগ্রেসের তিনটি এবং প্রধান বিরোধী দল বিজেপির একটিতে জেতার কথা। কিন্তু আর এক বিরোধী দল জেডিএসের সঙ্গে জোট বেঁধে দু’টি আসনে লড়তে নেমেছে পদ্মশিবির। কংগ্রেসের অজয় মাকেন, সৈয়দ নাসির হুসেন এবং জি সি চন্দ্রশেখর ভোটে লড়ছেন। বিজেপি-র প্রার্থী নারায়ণসা ভেন্ডেজ। কর্নাটকে ২২৪ জন বিধায়ক। এর মধ্যে কংগ্রেসের ১৩৫ জন। বিজেপি-র ৬৬ এবং জেডিএসের ১৯ জন। তিনজন প্রার্থীর জয় সুনিশ্চিত করতে গেলে ১৩৫ জনেরই ভোট প্রয়োজন কংগ্রেসের। একটি ভোটও বিরোধী শিবিরের দিকে ঝুঁকলে কপাল পুড়বে কংগ্রেসের।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Loksabha Poll: ‘প্রধানমন্ত্রীত্ব নয়, দেশের ভালই লক্ষ্য’! অখিলেশের সঙ্গে বৈঠক শেষে দাবি নীতীশের

    Loksabha Poll: ‘প্রধানমন্ত্রীত্ব নয়, দেশের ভালই লক্ষ্য’! অখিলেশের সঙ্গে বৈঠক শেষে দাবি নীতীশের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রীত্ব নয়, দেশের জন্য ভাল করাই লক্ষ্য। সোমবার লখনউয়ে সমাজবাদী পার্টির প্রধান অখিলেশ যাদবের (Akhilesh Yadav) সঙ্গে বৈঠকের পর এমনটাই জানালেন বিহারের মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমার (Nitish Kumar)। দেশের ‘গণতন্ত্র ও সংবিধান বাঁচাতে’ আসন্ন লোকসভা নির্বাচনে (Loksabha Poll) যৌথভাবে কাজ করার বার্তা দিলেন অখিলেশও।

    নীতীশের বার্তা 

    তৃণমূলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে বৈঠকের পরেই আরজেডি প্রধান লালুপ্রসাদের পুত্র তথা বিহারের উপমুখ্যমন্ত্রী তেজস্বী যাদবকে নিয়ে লখনউ-এ যান নীতীশ। আগামী লোকসভা ভোটে (Loksabha Poll) বিরোধী জোটের বার্তা নিয়ে উত্তরপ্রদেশের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী তথা সমাজবাদী পার্টির প্রধান অখিলেশ যাদবের সঙ্গে বৈঠক করলেন তাঁরা। বৈঠকের পর নীতীশ বলেন, ‘‘আমার ক্ষমতা ও পদের কোনও লোভ নেই, দেশের মঙ্গলের জন্য কাজ করার চেষ্টা করে যাব আমি। আজ স্পষ্ট ভাষায় জানিয়ে দিতে চাই, আমি প্রধানমন্ত্রী পদের দাবিদার নই।’’ তাহলে বিরোধী জোটের মুখ কে? এই প্রশ্নের উত্তরে জেডি (ইউ) নেতা বলেন, ‘‘যে দিন আমরা এক মঞ্চে আসব, সে দিন আমাদের নেতাও বেছে নেব।’’

    অখিলেশের কথা 

    সমাজবাদী পার্টির প্রধান বলেন, “আমরা অধিকাংশ রাজনৈতিক দল একসঙ্গে কাজ করব। বিশেষত, আসন্ন লোকসভা ভোটের (Loksabha Poll) প্রস্তুতিতে আমরা সমস্ত রাজনৈতিক দল একসঙ্গে কাজ করব।” এরপরই জেডি (ইউ) প্রধানের জোট-বার্তাকে স্বাগত জানিয়ে অখিলেশের মন্তব্য, “গণতন্ত্র ও সংবিধান বাঁচাতে আমরা আপনার সঙ্গে আছি।” 

    আরও পড়ুুন: এবার পাকিস্তানি নাগরিকের কণ্ঠে শোনা গেল ‘মোদি হ্যায় তো মুমকিন হ্যায়’ স্লোগান

    মমতার মত 

    প্রসঙ্গত, সোমবার বিকেলে নবান্নে বৈঠক শেষে মমতা এবং নীতীশ-তেজস্বী বিরোধী ঐক্য আরও জোরদার করার ডাক দেন। এদিন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “নীতীশজিকে অনুরোধ করছি, আপনি পাটনায় একটা বিরোধী বৈঠক ডাকুন।” আগামী বছর লোকসভা ভোটে (Loksabha Poll) বিরোধী জোটের নেতা হিসাবে কাউকে মেনে নিতে তাঁর যে আপত্তি নেই, সে ইঙ্গিত দিয়ে মমতা বলেন, “আমাদের মধ্যে কোনও ইগো নেই। আমরা সবাই এক।” তবে, রাজনৈতিক মহলের অনুমান, বিরোধী ঐক্য নিয়ে যতই প্রচারের আলোয় আসার চেষ্টা করুন মমতা-নীতীশ-অখিলেশ, বাস্তবে তা কতটা প্রতিফলিত হবে তা- সময় বলবে। অতীতেও বহুবার জোট-জল্পনা শেষ সময়ে এসে ভেস্তে গিয়েছে। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • 2024 Loksabha Elections: ‘‘বর ছাড়া বিয়ে হয় নাকি?’’ মমতা-অখিলেশ ‘জোট’ বৈঠককে কটাক্ষ সুকান্ত-শুভেন্দুর

    2024 Loksabha Elections: ‘‘বর ছাড়া বিয়ে হয় নাকি?’’ মমতা-অখিলেশ ‘জোট’ বৈঠককে কটাক্ষ সুকান্ত-শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আসন্ন লোকসভা নির্বাচনে (2024 Loksabha Elections) অ-বিজপি, অ-কংগ্রেসী জোটে বিজেপির বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রী পদপ্রার্থী হিসাবে নির্দিষ্ট কোনও নাম নিয়ে অনিশ্চয়তা বরাবরের। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বিরুদ্ধে মুখ খুঁজতেই হয়রান বিরোধীরা। শুক্রবার কালীঘাটে অখিলেশ-মমতা বৈঠকেও সেই ছবি স্পষ্ট। এদিনের বৈঠককে কটাক্ষ করে বিজেপি রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদারের মন্তব্য, “বর ছাড়া বিয়ে হয় নাকি ?”

    সুকান্তর সমালোচনা

    আগামী বছর লোকসভা নির্বাচনের (2024 Loksabha Elections) কথা মাথায় রেখেই এদিন কালীঘাটে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Mamata Banerjee) সঙ্গে দেখা করেন সমাজবাদী পার্টির নেতা অখিলেশ যাদব (Akhilesh Yadav)। অ-বিজেপি, অ-কংগ্রেসী জোটের ক্ষেত্রে প্রধানমন্ত্রী পদপ্রার্থী বেছে নেওয়ার বিষয়টি সর্বদলীয় মতের উপরেই নির্ভর করছে বলে আগেও জানিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এদিন কলকাতা বিমানবন্দরে নেমে অখিলেশও জানান বিষয়টি “আমরা সবাই মিলে বসে ঠিক করব।” তা নিয়েই সুকান্ত মজুমদারের কটাক্ষ, “বর ছাড়া বিয়ে হয় নাকি? যেরকম বিয়েতে বর দরকার, সেরকম প্রধানমন্ত্রী পদপ্রার্থীও দরকার। একদিকে নরেন্দ্র মোদির মতো প্রধানমন্ত্রী আর অপরদিকে যদি মুখই না থাকে, তাহলে মুখ ছাড়া ভূত হয়ে ঘুরে বেড়াবে।”

    আরও পড়ুন: পাকিস্তানে লাগাতার চলছে হিন্দু মেয়েদের ওপর নির্যাতন ও ধর্মান্তকরণ

    শুভেন্দুর কটাক্ষ

    মমতা-অখিলেশ বৈঠকের সমালোচনা করেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীও। তাঁর কথায়, গতবারের লোকসভা নির্বাচনে (2024 Loksabha Elections) ‘ইউনাইটেড ইন্ডিয়া’ নাম দিয়ে বিরোধী ঐক্য হলেও তিনশোর গণ্ডি পেরিয়ে যায় বিজেপি। আগামী লোকসভা নির্বাচনে বিজেপির লক্ষ্য চারশোর গণ্ডি পার হওয়া, সেখানে কোনও প্রভাব ফেলতে পারবে না বিরোধী জোট। সমাজবাদী পার্টি নেতা অখিলেশ যাদবকেও কটাক্ষ করতে ছাড়েননি নন্দীগ্রামের বিধায়ক। তাঁর কথায় “আগে উনি নিজের ঘর গুছিয়ে রাখুন”। তিনি বলেন, “সমাজবাদী পার্টি উত্তরপ্রদেশের আঞ্চলিক দল। ভোটের আগে ওই দল ওখানকার মানুষের উত্তর পেয়ে গিয়েছে। সমাজবাদী পার্টির যারা জোট সঙ্গী ছিল তারাও সরে গিয়েছে। অখিলেশ যাদব তার পরিবারের লোকেদের এক ছাতার তলায় আনতে পারেননি। অথচ তিনি এখানে এসে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে বৈঠক করছেন।” শুভেন্দুর দাবি, “যাঁরা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে হাত ধরেছেন তাঁদের কী হয়েছে সবাই জানে। ওনারা একসঙ্গে চা খাবেন। সিবিআইI ও ইডিকে কিভাবে সামাল দেবেন সেই সব আলোচনা করবেন। কাজের কাজ কিছু হবে না।”

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share