Tag: Akhilesh Yadav

Akhilesh Yadav

  • Bypoll Results: মুখ পুড়ল নীতীশের, কুরহানিতে জয়ী বিজেপি, আজম ‘গড়ে’ও ফুটল পদ্ম

    Bypoll Results: মুখ পুড়ল নীতীশের, কুরহানিতে জয়ী বিজেপি, আজম ‘গড়ে’ও ফুটল পদ্ম

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উপ নির্বাচনের ফলে (Bypoll Results) মুখ পুড়েছে নীতীশ কুমারের (Nitish Kumar)! একই দশা অখিলেশ যাদবেরও! নীতীশ এবং অখিলেশের গড়ের রাশ এবার এল বিজেপির (BJP) হাতে। উত্তর প্রদেশের রামপুর কেন্দ্রটি সমাজবাদী পার্টি (SP) নেতা আজম খানের (Azam Khan) গড় হিসেবেই পরিচিত। এখানেই এবার উপনির্বাচনে মুখ থুবড়ে পড়েছে সমাজবাদী পার্টি। জয়ী হয়েছে বিজেপি।

    বিজেপি প্রার্থী…

    তার পরেই নির্বাচন পদ্ধতি নিয়ে অভিযোগ তুললেন সমাজবাদী পার্টির নেতা অখিলেশ যাদব। পুনর্নির্বাচনের দাবিও জানান তিনি। জাতীয় নির্বাচন কমিশনের কাছে এই মর্মে দলের তরফে পিটিশন জমা দেওয়া হয়েছে বলেও জানান সপা সুপ্রিমো অখিলেশ। বিজেপির বিরুদ্ধে ভোটে কারচুপির অভিযোগও করেছেন তিনি। ২০০২ সাল থেকে রামপুর কেন্দ্রের রাশ রয়েছে সপার হাতে। এই কেন্দ্রের প্রাক্তন বিধায়ক আজম খান ও তাঁর পরিবার ১৯৮০ সাল থেকে একবার বাদে প্রতিবার জয়ী হয়েছেন। একটি মামলায় জেলবন্দি আজম খান বিধায়ক পদ খোয়ানোয় উপনির্বাচন হয় এই কেন্দ্রে। সেখানেই হেরে যান সপা প্রার্থী আজম ঘনিষ্ঠ আসিম রাজা। শেষ হাসি হাসেন বিজেপি প্রার্থী আকাশ সাক্সেনা।

    আরও পড়ুন: এক পদ, দাবিদার ৪, হিমাচলে কংগ্রেসের মুখ্যমন্ত্রী কে?

    রামপুর কেন্দ্রে জয়কে বড় পাওনা হিসেবেই দেখছে বিজেপির একটা অংশ। এই কেন্দ্রের ভোটারদের বড় অংশই মুসলিম। এই কেন্দ্রে এর আগে কখনও জেতেনি বিজেপি। ১৯৮০ থেকে পরের তের বছর বিভিন্ন দলের টিকিটে জয়ী হয়েছিলেন আজম। ২০০২ সাল থেকে ওই কেন্দ্রে জয়ী হয়েছেন তিনি কিংবা তাঁর আত্মীয়রা। এদিকে, বিহারে মহাজোটের হাত ধরার পর এই প্রথমবার ধাক্কা খেল নীতীশ কুমার। বিহারের কুরহানি কেন্দ্রের উপনির্বাচনে জয়ী হয়েছে বিজেপি। গোহারা হেরেছে নীতীশের দল জেডিইউয়ের শরিক দল আরজেডি প্রার্থী অনিলকুমার সাহানি। এই কেন্দ্রে জয়ী হয়েছেন বিজেপি প্রার্থী কেদার গুপ্তা। জেডিইউ প্রার্থী মনোজ খুশওয়াকে ৩ হাজার ৬৬২ ভোটে পরাজিত করেছেন কেদার।

    প্রসঙ্গত, এই নিয়ে তৃতীয়বার কুরহানি কেন্দ্রে হার স্বীকার করতে হল নীতীশের দলকে। কিছুতেই এই আসনটির রশি হাতে নিতে পারেনি তারা। বিজেপি সঙ্গ ছেড়ে মহাজোটে শামিল হওয়ার পর থেকে নীতীশের কাছে বড় চ্যালেঞ্জ ছিল এই আসনটি দখল করা। কিন্তু সেখানেই চরম ব্যর্থ বিহারের মুখ্যমন্ত্রী।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Facebook এবং Twitter পেজ।    

     

  • Akhilesh Yadav: চিতা নিয়ে কটাক্ষ অখিলেশের, এসপি নেতার ‘অজ্ঞতা’ নিয়ে বিদ্রুপ বিজেপির

    Akhilesh Yadav: চিতা নিয়ে কটাক্ষ অখিলেশের, এসপি নেতার ‘অজ্ঞতা’ নিয়ে বিদ্রুপ বিজেপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কুনো ন্যাশনাল পার্কে (Kuno National Park) চিতা (Cheetah) ছেড়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। তাকে কটাক্ষ করে ট্যুইট করেছিলেন সমাজবাদী পার্টির (SP) নেতা অখিলেশ যাদব (Akhilesh Yadav)। এবার তারই পাল্টা দেওয়া হল বিজেপির (BJP) তরফে। গেরুয়া শিবিরের এক নেতার বিদ্রুপ, অখিলেশকে পড়াতে গিয়ে যে পয়সা খরচ হয়েছে, তা পুরো বরবাদ হয়ে গিয়েছে।

    আরও পড়ুন : ৭০ দশক পর চিতা ফিরল দেশে, ছাড়া হল কুনো জাতীয় উদ্যানে

    ভারতে চিতার অস্তিত্ব লুপ্ত হয়েছে সাত দশক আগে। সম্প্রতি দেশে চিতা ফিরিয়ে আনতে নামিবিয়া থেকে সব মিলিয়ে আটটি চিতা নিয়ে আসা হয়। এর মধ্যে রয়েছে পাঁচটি পুরুষ, তিনটি স্ত্রী। ১৭ অগাস্ট, শনিবার প্রধানমন্ত্রীর জন্মদিনে সেগুলিকে ছাড়া হয় মধ্য প্রদেশের কুনো ন্যাশনাল পার্কে। এদিনই ওই চিতাগুলির একটি ভিডিও শেয়ার করে সমাজবাদী পার্টি নেতা অখিলেশ যাদব ট্যুইট বার্তায় লেখেন, প্রত্যেকে অপেক্ষা করছিল গর্জন শুনবে বলে। কিন্তু দেখা গেল, এরা বাক্সের মধ্যে বিড়ালের মতো মিউমিউ করছে। এর পরেই অখিলেশের অজ্ঞতাকে কটাক্ষ করেন বিজেপি নেতা তথা বিজেপির দিল্লি মুখপাত্র অজয় শেরওয়াত। তিনি জানান, চিতা গর্জন করে না। পাল্টা ট্যুইট বার্তায় তিনি লেখেন, আপনি অষ্ট্রেলিয়ায় পড়াশোনা করেছেন…সব পয়সা বরবাদ হয়ে গিয়েছে।

    অখিলেশকে কটাক্ষ করতে ছাড়েননি নেটিজেনরাও। কেউ কেউ তাঁকে শোধরাতে গিয়ে বলছেন, চিতা বাঘ, সিংহ কিংবা চিতাবাঘের মতো গর্জন করে না। কারণ তাদের প্রত্যেকের ভয়েস বক্সের গঠন আলাদা। কোনও কোনও ট্যুইটার ব্যবহারকারী আবার বলছেন, এটা অখিলেশের ভুল নয়। কারণ তিনি জানেন না ১৯৫২ সালেই দেশে চিতা বিলুপ্ত হয়ে গিয়েছে। এদিকে, কুনো পার্কে চিতা ছাড়ার ঘটনায় লেগেছে রাজনীতির রং। কংগ্রেসের দাবি, চিতা ছাড়ার এই প্রজেক্ট মহমোহন সিংয়ের সরকারের আমলের।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     
  • Akhilesh Yadav: উপনির্বাচনে বিজেপির কাছে হারের ধাক্কা! দলীয় সব সংগঠন ভাঙলেন অখিলেশ

    Akhilesh Yadav: উপনির্বাচনে বিজেপির কাছে হারের ধাক্কা! দলীয় সব সংগঠন ভাঙলেন অখিলেশ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সমাজবাদী পার্টির (Samajwadi Party) গড় হিসেবে পরিচিত, রামপুর এবং আজমগড়ে  (Rampur and Azamgarh) লোকসভা উপনির্বাচনে (Lok Sabha bypoll) পরাজিত হয়েছে সমাজবাদি পার্টি। এর এক সপ্তাহের মধ্যেই রবিবার দলের সমস্ত শাখা ভেঙে দিলেন সমাজবাদী পার্টির সুপ্রিমো অখিলেশ যাদব (Akhilesh Yadav)। এদিন যুব ও মহিলা শাখা সহ দলের জাতীয়, রাজ্য ও জেলা কার্যনির্বাহী সমস্ত পদ ভেঙে দেওয়া হয়। 

    [tw]


    [/tw]

    রবিবার সমাজবাদী পার্টির করা ট্যুইট অনুসারে, রাজ্য ও জাতীয় পার্টি সংগঠনগুলি ভেঙে দেওয়ার কথা জানানো হয়। সমস্ত শাখা সংগঠন, মহিলা শাখাগুলিও ভেঙে দেওয়া হয়েছে। শুধুমাত্র দলের রাজ্য সভাপতি পদে নরেশ উত্তমকে বহাল রাখা হয়েছে। তবে কেন অখিলেশ এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন,সেই বিষয়ে দলের তরফে কোনও আনুষ্ঠানিক বিবৃতি দেওয়া হয়নি। উত্তরপ্রদেশে (Uttar Pradesh) উপনির্বাচনে পরাজয়ের পর দলকে পুনর্গঠন করতে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে ধারণা রাজনৈতিক মহলের। 

    আরও পড়ুন: ছয় মাসের মধ্যেই নির্বাচন! ভেঙে যাবে শিন্ডে সরকার দাবি পাওয়ারের

    রামপুর ও আজমগড় লোকসভা কেন্দ্র সমাজবাদী পার্টির শক্ত ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত ছিল। সমাজবাদী পার্টির প্রধান অখিলেশ যাদব আজমগড়ের সাংসদ পদ থেকে ইস্তফা দেন। কিন্তু উপনির্বাচনে আজমগড় সমাজবাদী পার্টির হাতছাড়া হয়ে যায়। বিজেপি প্রার্থী দীনেশ লালা যাদব নিরহুয়া জয়ী হন। সামজবাদী পার্টির হাতছাড়া হয়ে যায় আজম খানের শক্ত দুর্গ রামগড়। জয়ী হন সমাজবাদী পার্টিরই প্রাক্তন কর্মী ঘনশ্যাম লোধি। তিনি কয়েকমাস আগেই সমাজবাদী পার্টি ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দিয়েছিলেন। উত্তরপ্রদেশে ক্রমেই সমাজবাদী পার্টির দ্বন্দ্ব এবং বেহাল অবস্থা প্রকট হচ্ছিল। এই পরিস্থিতিতে দলকে ঢেলে সাজানোর লক্ষ্যেই এই সিদ্ধান্ত পার্টি সুপ্রিমোর, দাবি বিশেষজ্ঞদের। দলীয় সূত্র অনুসারে খবর, অখিলেশ শীঘ্রই বিভিন্ন দলীয় সংগঠন পুনর্গঠন করবেন এবং সেখানে নতুন কিছু মুখ নিয়ে আসা হবে।

  • Suvendu Thanks Yogi: “বাংলার দিদি এসেছিলেন…”, ভোট-পরবর্তী হিংসা নিয়ে মমতাকে কটাক্ষ যোগীর, কী বললেন তিনি?

    Suvendu Thanks Yogi: “বাংলার দিদি এসেছিলেন…”, ভোট-পরবর্তী হিংসা নিয়ে মমতাকে কটাক্ষ যোগীর, কী বললেন তিনি?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উত্তরপ্রদেশ বিধানসভায় (UP Assembly) চাঁচাছোলা ভাষায় পশ্চিমবঙ্গ সরকার তথা মমতা (Mamata) বন্দ্যোপাধ্যায়কে আক্রমণ করলেন মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ (Yogi)। উত্তরপ্রদেশে শান্তিপূর্ণ ভোট হয়েছে সেই প্রসঙ্গে বলতে গিয়ে শুক্রবার বিধানসভার ভাষণে যোগী বলেন, “উত্তরপ্রদেশে নির্বাচনের সময় সমাজবাদী পার্টিকে সমর্থন করতে বাংলা থেকে এক দিদি এসেছিলেন। বাংলায় ভোট পরবর্তী সন্ত্রাস হয়েছে ১২,০০০। বাংলায় ২৯৪টি আসনের মধ্যে ১৪২টি আসনে হিংসার ঘটনা ঘটে। বাংলার জনসংখ্যা উত্তরপ্রদেশের জনসংখ্যার অর্ধেক। উত্তরপ্রদেশে ভোট চলাকালীন ও ভোট পরবর্তী কোনও হিংসা হয়নি।”  

    অখিলেশ যাদবকেও (Akhilesh Yadav) এদিন একহাত নেন যোগী। তিনি বলেন, “ডাবল ইঞ্জিন সরকারের সাফল্য মেনে নিতে অস্বীকার করছে অখিলেশ যাদবের দল। বিজেপির জয়ও অস্বীকার করছে। তারা জিতলে সব ঠিক আছে। কিন্তু বিজেপি জিতলে ইভিএমে (EVM) কিছু ত্রুটি আছে। এটা আসলে মানুষের অপমান।”

    যোগীর এদিনের মমতাকে কটাক্ষ করার ঘটনায় খুশি এরাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu)। ট্যুইট করে যোগীকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন তিনি। শুভেন্দু লেখেন, “যোগী আদিত্যনাথকে বাংলার ভোট পরবর্তী সন্ত্রাসের নির্মম চিত্র তুলে ধরার জন্য আমি অন্তর থেকে ধন্যবাদ জানাই।”

    [tw]


    [/tw]
     
    যোগী এদিন পরিসংখ্যান দিয়ে দাবি করেন, “বাংলায় ১৪২টি আসনে হিংসার ঘটনা ঘটেছে। প্রায় ২৫ হাজার বুথ প্রভাবিত হয়েছে। রাজনৈতিক হিংসার কারণে বিজেপির প্রায় দশ হাজার কর্মী শরণার্থী শিবিরে আশ্রয় নিতে বাধ্য হয়েছেন। খুন হয়েছেন ৭৫ জন।” এর পরেই উত্তরপ্রদেশের আইনশৃঙ্খলার সঙ্গে পশ্চিমবঙ্গের তুলনা টেনে বলেন উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী আরও বলেন, “উত্তরপ্রদেশের তুলনায় পশ্চিমবঙ্গের জনসংখ্যা অর্ধেক। রাজ্যের  লোকসংখ্যা বেশি হওয়া সত্ত্বেও উত্তরপ্রদেশে নির্বাচনের আগে ও পরে কোনও হিংসার ঘটেনি। এই হল সুষ্ঠু আইনশৃঙ্খলার উদাহরণ।”  

    একুশের বিধানসভা নির্বাচনের পর থেকেই তৃণমূলের ভোট পরবর্তী হিংসা প্রসঙ্গে সরব হয়েছিল বঙ্গ বিজেপি নেতৃত্ব। মামলাও হয় তৃণমূল সরকারের বিরুদ্ধে। মামলাটি এখন বিচারাধীন। তদন্তের দায়িত্বে রয়েছে সিবিআই। এদিন সেই প্রসঙ্গই বিধানসভায় তুলে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দিকে আক্রমণ শানালেন যোগী আদিত্যনাথ।  

     

  • UP Madrassa Grant: ব্যাঙের ছাতার মতো গজিয়ে ওঠা মাদ্রাসা বন্ধে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ যোগীর

    UP Madrassa Grant: ব্যাঙের ছাতার মতো গজিয়ে ওঠা মাদ্রাসা বন্ধে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ যোগীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নতুন গজিয়ে ওঠা মাদ্রাসার অনুদানে কাঁচি যোগী (Yogi Adityanath) সরকারের!

    এখন থেকে উত্তর প্রদেশে (Uttar pradesh) আর কোনও অনুদান পাবে না নতুন করে তৈরি হওয়া মাদ্রাসাগুলি (Madrassa)। সম্প্রতি এই মর্মে ক্যাবিনেট বৈঠকে সিদ্ধান্ত নিয়েছে উত্তর প্রদেশের যোগী আদিত্যনাথ সরকার।এর পর থেকে সরকারের তরফে অনুদানের তালিকায় নয়া মাদ্রাসাগুলির নাম অন্তর্ভুক্ত না করার প্রস্তাবও গ্রহণ করা হয় ওই বৈঠকে।

    ওই ক্যাবিনেট বৈঠকে রাজ্যের সংখ্যালঘু উন্নয়ন দফতরের তরফে রাজ্যে নয়া মাদ্রাসাগুলিকে অনুমোদন না দেওয়ার প্রস্তাব পেশ করা হয়। ধ্বনিভোটে পাশও হয়ে যায় প্রস্তাব। এই বৈঠকেই ২০১৬ সালে অখিলেশ যাদব সরকারের মাদ্রাসাকে স্বীকৃতি দেওয়ার নীতিও অবলুপ্ত করা হয়। অখিলেশ জমানার নীতি অনুযায়ী, আর্থিক অনুদানের জন্য আবেদন জানাতে হত মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষকে। ওই জমানায় অনুদান পেত ১০০-রও বেশি মাদ্রাসা।

    যোগী আদিত্যনাথের নেতৃত্বে বিজেপি সরকার সিংহাসনে বসেই সেই অনুদান বন্ধ করে দেয় বলে বিরোধীদের অভিযোগ। সম্প্রতি যোগী সরকারের তরফে মাদ্রাসাগুলির কাজকর্ম খতিয়ে দেখার নির্দেশ দেওয়া হয়। তদন্তকারী কমিটির তরফে জানানো হয়, রাজ্যে একাধিক ভুয়ো মাদ্রাসা রয়েছে। যা দীর্ঘদিন ধরে সরকারি অনুদান পেয়ে আসছে। সূত্রের খবর, এই রিপোর্ট পেয়েই অনুদান বন্ধ করার সিদ্ধান্ত নেয় যোগী সরকার।

    উত্তর প্রদেশে বর্তমানে সাত হাজারেরও বেশি মাদ্রাসা রয়েছে। গত বাজেটেই উত্তর প্রদেশের সরকারের তরফে মাদ্রাসা আধুনিকীকরণ প্রকল্পের জন্য ৪৭৯ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়। তবে নতুন করে আর কোনও মাদ্রাসাকে আর্থিক অনুদান না দেওয়ার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে বিজেপি (BJP) সরকার। উত্তর প্রদেশের সংখ্যালঘু মন্ত্রী দানিশ আনসারি এই প্রস্তাব পাশ করিয়েছেন।

    আরও পড়ুন :”বিশ্রামের সময় নেই…”, যোগী-মন্ত্রিসভাকে কোন পরামর্শ দিলেন মোদি?

    গত সপ্তাহেই মাদ্রাসাগুলিতে ক্লাস শুরুর আগে পড়ুয়া ও শিক্ষকদের জাতীয় সঙ্গীত গাওয়া বাধ্যতামূলক করেছে যোগী সরকার। এবার করল ব্যাঙের ছাতার মতো গজিয়ে ওঠা মাদ্রাসার মূলে কুঠারাঘাত।

    ভোট কুড়োতে বিজেপি-বিরোধী বিভিন্ন দলের সংখ্যালঘু তোষণ নতুন নয়। পর্যবেক্ষকদের মতে, সেই কারণেই যোগী-পূর্ববর্তী বিভিন্ন সরকার মাদ্রাসা গঠনে রাশ টানেনি। ভোটের স্বার্থে চালানো হয়নি নজরদারিও। যার জেরে রাজ্যের যত্রতত্র গজিয়ে উঠেছে মাদ্রাসা। এই সব মাদ্রাসার একাংশে দেশবিরোধী কার্যকলাপে মদত দেওয়া হচ্ছিল বলে অভিযোগ। সেই ‘জঙ্গিপনা’য় রাশ টানতেই নয়া গজিয়ে ওঠা মাদ্রাসার অনুদানে(madrasa grant) কোপ যোগী মন্ত্রিসভার।

     

LinkedIn
Share