Tag: Al-Qaeda

Al-Qaeda

  • NIA: পহেলগাঁওয়ে ২৬ হিন্দু পর্যটক খুনে হামাস-যোগ! কী বলছেন এনআইএর তদন্তকারীরা?

    NIA: পহেলগাঁওয়ে ২৬ হিন্দু পর্যটক খুনে হামাস-যোগ! কী বলছেন এনআইএর তদন্তকারীরা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দক্ষিণ কাশ্মীরের পহেলগাঁওয়ে ২৬ হিন্দু পর্যটক খুনের তদন্ত করছে জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা, সংক্ষেপে এনআইএ (NIA)। ইতিমধ্যেই তারা চার্জশিটও জমা দিয়েছে। জানা গিয়েছে, অভিযুক্তদের সঙ্গে লস্কর-ই-তইবা (LeT), দ্য রেজিস্ট্যান্স ফ্রন্ট (TRF), জইশ-ই-মহম্মদ (JeM), আল-কায়েদা (Al-Qaeda) ও তাদের সহযোগী গোষ্ঠী, হামাস (Hamas) এবং অন্যান্য আন্তর্জাতিক জঙ্গি সংগঠনের সম্ভাব্য সম্পর্ক (Pahalgam Terror Attack Case) নিয়ে তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে এনআইএ।

    খতিয়ে দেখা হচ্ছে হামাস যোগ (NIA)

    চার্জশিটে প্যালেস্তাইনের জঙ্গি গোষ্ঠী হামাসের উল্লেখ বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ।  কারণ এই প্রথম পাকিস্তানভিত্তিক জঙ্গি গোষ্ঠীগুলির সঙ্গে সম্ভাব্য কার্যকরী সম্পর্কের তদন্তে এনআইএ এই প্রথম আনুষ্ঠানিকভাবে হামাসের নাম উল্লেখ করেছে সন্ত্রাসবাদ-সংক্রান্ত একটি মামলায়।তদন্তকারীরা জানান, তদন্তের এই অংশটি (হামাস যোগ) আরও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। অভিযুক্ত সংগঠনগুলির সঙ্গে আন্তর্জাতিক জঙ্গি নেটওয়ার্কের সম্ভাব্য সম্পর্কের প্রকৃতি, পরিসর ও ব্যাপ্তি নির্ধারণের চেষ্টাও চলছে। আন্তর্জাতিক জঙ্গি সংগঠনগুলি জম্মু-কাশ্মীরে ঘটে যাওয়া কোনও জঙ্গি কার্যকলাপে কোনও রকমের সাহায্য, সমর্থন বা প্রভাব বিস্তার করেছে কি না।

    যেসব তথ্য খতিয়ে দেখছে এনআইএ

    বিশেষজ্ঞদের মতে, এই তদন্ত বৃহত্তর একটি চেষ্টার অংশ, যার উদ্দেশ্যই হল অভিযুক্ত সংগঠনগুলির সঙ্গে যুক্ত আন্তর্জাতিক যোগাযোগ চিহ্নিত করা এবং সীমান্তপারের জঙ্গি নেটওয়ার্ক কীভাবে পরিবর্তিত ও বিকশিত হচ্ছে, তা বোঝা। এটা করতে গিয়েই এনআইএ একাধিক সূত্র অনুসরণ করছে (NIA)। এর মধ্যে রয়েছে ডিজিটাল প্রমাণ, আর্থিক লেনদেন এবং সীমান্তপারের যোগাযোগ নেটওয়ার্ক। এই সব তথ্য সম্ভাব্য সংযোগগুলির ব্যাপ্তি নির্ধারণে সাহায্য করতে পারে। পহেলগাঁও হামলার পর গোয়েন্দা মূল্যায়নের প্রেক্ষাপটে এনআইএ এই নয়া দিকটিতেই বেশি করে নজর দিচ্ছে। সূত্রের খবর, ভারতীয় নিরাপত্তা সংস্থাগুলি সম্প্রতি হামাস এবং পাকিস্তানভিত্তিক জঙ্গি সংগঠন, যেমন লস্কর-ই-তৈবা ও জইশ-ই-মহম্মদের মধ্যে যোগাযোগ বৃদ্ধির প্রমাণ পেয়েছে।

    হামাসের আক্রমণের সঙ্গে মিল!

    এই পরিস্থিতিতে তদন্তকারীরা খতিয়ে দেখছেন, ওই সংগঠনগুলির মধ্যে কোনও ধরনের সহযোগিতা, সমন্বয় বা কৌশল শেয়ার করা হয়েছিল কি না। শুধু তা-ই নয়, নিরাপত্তা সংস্থাগুলি এও জানার চেষ্টা করছে, পহেলগাঁও হামলায় হামাস-স্টাইলের কোনও কৌশলগত বৈশিষ্ট্য ছিল কি না। জানা গিয়েছে, ওই হামলার পরিকল্পনা, টার্গেট ঠিক করা, এবং তা বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে কিছু মিল দেখা গিয়েছে (Pahalgam Terror Attack Case)। ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর ইজরায়েলের ওপর হামাসের আক্রমণের সঙ্গেও এর তুলনা করা হয়েছে (NIA)। যদিও এসব সাদৃশ্য সম্পর্কে এখনও কোনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত ঘোষণা করা হয়নি। তদন্তকারীরা বৃহত্তর তদন্তের অংশ হিসেবে সব উপলব্ধ প্রমাণ মূল্যায়ন করে চলেছেন।

    এনআইএর চার্জশিট

    এনআইএর চার্জশিটে স্পষ্ট করা হয়েছে, সম্ভাব্য হামাস-যোগ প্রতিষ্ঠা করা এখনও তদন্তের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অমীমাংসিত বিষয়। আধিকারিকদের মতে, এই তদন্তের ফল পাকিস্তান-সমর্থিত জঙ্গি সংগঠন এবং আন্তর্জাতিক জেহাদি সংগঠনগুলির মধ্যে সম্ভাব্য সহযোগিতা সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ কোনও তথ্য দিতে পারে (Pahalgam Terror Attack Case)। কারণ এনআইএ পহেলগাঁও হামলার নেপথ্যে থাকা বৃহত্তর নেটওয়ার্কের পর্দা ফাঁস করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে (NIA)।

     

  • Pakistan Linked Terror: অযোধ্যা ও লখনউয়ে নাশকতার ছক বানচাল, আল-কায়দার ৩ জঙ্গিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিল এনআইএ আদালত

    Pakistan Linked Terror: অযোধ্যা ও লখনউয়ে নাশকতার ছক বানচাল, আল-কায়দার ৩ জঙ্গিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিল এনআইএ আদালত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উত্তরপ্রদেশের অযোধ্যা এবং লখনউসহ একাধিক গুরুত্বপূর্ণ স্থানে বড়সড় নাশকতার ছক বানচাল করল ভারতের কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা (NIA)। পাকিস্তান-ভিত্তিক জঙ্গি সংগঠনের মদতে ভারতে হামলার ষড়যন্ত্র করার অপরাধে আল-কায়েদার (Al-Qaeda) তিন সক্রিয় সদস্যকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের নির্দেশ দিয়েছে এনআইএ-র বিশেষ আদালত। এই তিন অভিযুক্ত পাকজঙ্গি সংগঠনের (Pakistan Linked Terror) সঙ্গে সরাসরি যুক্তের প্রমাণ মিলেছে।

    ঘটনার বিবরণ (Pakistan Linked Terror)

    তদন্তে জানা গেছে, দণ্ডপ্রাপ্ত তিন জঙ্গি পাকিস্তানের হ্যান্ডলারদের (Pakistan Linked Terror) নির্দেশে ভারতের ধর্মীয় এবং কৌশলগত গুরুত্বপূর্ণ স্থানে বিস্ফোরণ ঘটানোর পরিকল্পনা করেছিল। বিশেষ করে অযোধ্যার রাম মন্দির এবং রাজ্যের রাজধানী লখনউ ছিল তাদের মূল নিশানায়। ২০২১ সালে উত্তরপ্রদেশ পুলিশের অ্যান্টি-টেররিস্ট স্কোয়াড (ATS) প্রথমে এই মডিউলটির (Al-Qaeda) সন্ধান পায় এবং পরে তদন্তভার এনআইএ-র হাতে তুলে দেওয়া হয়।

    আদালতের রায়

    লখনউয়ের বিশেষ এনআইএ আদালত এই মামলার রায় ঘোষণা করতে গিয়ে জানায় যে, অভিযুক্তদের (Pakistan Linked Terror) বিরুদ্ধে আনা দেশের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা এবং ইউএপিএ (UAPA) আইনের ধারাগুলি সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হয়েছে। ধৃতদের কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ বিস্ফোরক এবং আইইডি (IED) তৈরির সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়েছিল। আদালত এই অপরাধকে ‘বিরল’ হিসেবে গণ্য করে অপরাধীদের আমৃত্যু কারাদণ্ডের নির্দেশ দেয়।

    পাকিস্তানি যোগসূত্র

    সাজাপ্রাপ্ত জঙ্গিরা (Al-Qaeda) টেলিগ্রাম এবং অন্যান্য এনক্রিপ্টেড অ্যাপের মাধ্যমে পাকিস্তানে বসে থাকা আল-কায়েদার শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখত।

    স্লিপার সেল

    তারা উত্তরপ্রদেশে একটি বড় ‘স্লিপার সেল’ নেটওয়ার্ক তৈরি করার চেষ্টা করছিল এবং স্থানীয় তরুণদের উগ্রপন্থায় দীক্ষিত করার কাজ চালাচ্ছিল।

    নাশকতার পরিকল্পনা

    ভিড়ভাড় এলাকা এবং ধর্মীয় স্থানে আত্মঘাতী হামলার পাশাপাশি প্রেসার কুকার বোমা ব্যবহারের ছক ছিল তাদের।

    নিরাপত্তা মহলে স্বস্তি

    এই রায়ের ফলে ভারতের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা রক্ষায় একটি বড় সাফল্য মিলেছে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। বিশেষ করে অযোধ্যায় রাম মন্দির উদ্বোধনের পরবর্তী সময়ে এই ধরণের নাশকতার ছক রুখে দেওয়া এবং দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি (Al-Qaeda) দেওয়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

  • Al-Qaeda: পয়গম্বরকে অবমাননার ‘বদলা’! ভারতে নাশকতার হুমকি-চিঠি আল-কায়দার

    Al-Qaeda: পয়গম্বরকে অবমাননার ‘বদলা’! ভারতে নাশকতার হুমকি-চিঠি আল-কায়দার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পয়গম্বরকে (Prophet) নিয়ে নূপুর শর্মার (Nupur Sharma) বিতর্কিত মন্তব্যের জের। ভারতের বিভিন্ন প্রান্তে নাশকতার হুমকি দিল জঙ্গি সংগঠন আল-কায়দা (Al-Qaeda)। মহম্মদকে অবমাননার ‘বদলা’ নিতে একাধিক শহরে আত্মঘাতী হামলার (Suicide Attack) হুমকি দিল তারা।

    ৬ জুন একটি হুমকি চিঠিতে আল-কায়দা জানিয়েছে, “নবী মহম্মদের সম্মানের জন্য এই লড়াই। দিল্লি, মুম্বাই, উত্তরপ্রদেশ এবং গুজরাতের বিভিন্ন শহরে আত্মঘাতী হামলা চালানো হবে।” ইতিমধ্যেই শহরগুলিকে সতর্ক করেছে গোয়েন্দা সংস্থাগুলি। কেন্দ্রের তরফে শহরগুলিতে হাই অ্যালার্ট জারি করা হয়েছে। 

    জঙ্গি সংগঠনের চিঠিতে লেখা হয়েছে, “হিন্দুত্ববাদীরা আল্লার শরিয়ত বিরোধী। ভারতীয় চ্যানেলে মহম্মদ ও তাঁর স্ত্রীকে অত্যন্ত খারাপ ভাষায় অপমান করা হয়েছে। বিশ্বজুড়ে সমস্ত মুসলিমের হৃদয় রক্তাক্ত হয়েছে। তাঁদের মন প্রতিহিংসায় পরিপূর্ণ। এর বদলা অবশ্যই নেওয়া হবে।”

    আরও পড়ুন: বেঙ্গালুরুতে গ্রেফতার কাশ্মীরে নাশকতায় জড়িত হিজবুল জঙ্গি 

    চিঠিতে আরও লেখা হয়, “বিশ্বের সমস্ত উদ্ধত হিন্দুবাদী সন্ত্রাসী যারা ভারতকে কব্জা করে রেখেছে তাঁদের বিরুদ্ধে লড়ব। নবীর সম্মানের জন্য সকলকে এই লড়াইয়ে যোগ দিতে বলব। নবীর সম্মানে মৃত্যুবরণ করতে বলব। যাঁরা আমাদের প্রিয় নবীকে অসম্মান করেছে তাঁদের হত্যা করব। নিজেদের এবং শিশুদের শরীরে বিস্ফোরক বেঁধে পাঠাব। যারা আমাদের নবীকে অবমাননা করেছে তাদের নিস্তার নেই।” 

    সম্প্রতি হজরত মহম্মদ নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্য করেছিলেন বিজেপি নেত্রী নূপুর শর্মা। বিষয়টি নিজের হ্যান্ডেলে ট্যুইট করেন আরেক বিজেপি নেতা নবীন জিন্দাল। বিতর্ক দানা বাঁধতেই নূপুরকে সাসপেন্ড এবং নবীনকে বহিষ্কার করে গেরুয়া শিবির।

    আরও পড়ুন: যৌথবাহিনীর অভিযানে কাশ্মীরে খতম স্থানীয় হিজবুল কমান্ডার

    পয়গম্বরকে নিয়ে বিজেপি নেতা-নেত্রীর মন্তব্য নিয়ে বেশ অস্বস্তিতে পড়েছে বিজেপি সরকার। এই মন্তব্যের প্রতিবাদে ভারতের বিরুদ্ধে সুর চড়িয়েছে আরবের দেশগুলি। বিতর্কিত মন্তব্যের জন্য নূপুর শর্মা এবং নবীনকুমার জিন্দালকে বিজেপি ‘শাস্তি’ দিলেও বিতর্ক থামেনি। প্রকাশ্যে ক্ষমা না চাইলে ভারতকে বয়কটের হুমকি দিয়েছে কুয়েত।    
      

LinkedIn
Share