Tag: Alipurduar

Alipurduar

  • Alipurduar: মহিলাদের চাকরির টোপ দিয়ে লক্ষ লক্ষ টাকার প্রতারণা, কী করছে পুরসভা?

    Alipurduar: মহিলাদের চাকরির টোপ দিয়ে লক্ষ লক্ষ টাকার প্রতারণা, কী করছে পুরসভা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আলিপুরদুয়ারে (Alipurduar) প্রতারণার নয়া ফাঁদ। চাকরি দেওয়ার নাম করে লক্ষ লক্ষ টাকা প্রতারণার অভিযোগ উঠল ‘স্মার্ট ভ্যালু’ নামে এক সংস্থার বিরুদ্ধে। আলিপুরদুয়ার শহরের প্রানকেন্দ্রে একটি ভাড়াবাড়িতে রমরমিয়ে চলছে প্রতারণার কারবার। পুরসভার পক্ষ থেকে এই ব্যবসা করার অনুমতি দেওয়া হয়েছে বলে সংস্থার লোকজনের দাবি। ফলে, এর পিছনে পুরসভার কর্মকর্তাদের কাটমানি রয়েছে কি না তা নিয়ে এলাকাবাসীর মনে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।

    কীভাবে প্রতারণা করছে সংস্থার কর্মীরা? (Alipurduar)

    আলিপুরদুয়ার (Alipurduar) ছাড়াও কামাখ্যাগুড়ি ও ফালাকাটাতেও এরকম অফিস করেছে ওই সংস্থা। ১৮ হাজার টাকা বেতনের চাকরির টোপ দিয়ে প্রতারণা শুরু করে ওই সংস্থা। প্রথমে তারা কম্পিউটার শেখানোর নাম করে প্রশিক্ষণ দেওয়ার কথা বলে। প্রশিক্ষিত হয়ে গেলেই চাকরি। আর  বেতন মিলবে ১৮ হাজার টাকা। গ্রাম বাংলার যুবক-যুবতীকে এমনই প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল সংস্থার পক্ষ থেকে। চাকরির আশায় সেই ফাঁদে পা দিয়েছিলেন গৃহবধূরাও। গ্রামের ১৫ থেকে ২৫ বছর বয়সীদের টার্গেট করত এই সংস্থার কর্মীরা। মহিলা ও মেয়েদের স্বনির্ভর করতে কম্পিউটার শেখানোর নাম করে তাঁদের কাছ থেকে অনলাইনে নেওয়া হত ১৫ হাজার টাকা। প্রতারিতদের দাবি, কম্পিউটার শেখা হয়ে গেলে তাঁদের চাকরি দেওয়ারও প্রতিশ্রুতি দেওয়া হত। ফলে, প্রতারণার ফাঁদে পা দিয়ে আলিপুরদুয়ার জেলার বিস্তীর্ণ এলাকার পড়ুয়া ও গৃহবধূরা ১৫ হাজার টাকা করে দিয়েছিলেন বলেও অভিযোগ। সবমিলিয়ে ওই সংস্থা বাজার থেকে লক্ষ লক্ষ টাকা তুলেছিল।

    প্রতারিতরা কী বললেন?

    প্রতারিত এক বধূর বক্তব্য, আমাদের পরিচিত মানুষজনের ৫০০ তালিকা তৈরি করে ফোন করতে বলা হত। আমাদেরকেও একই ভাবে চাকরি দেওয়ার নাম করে টাকা তোলার কথা বলা হত। পুরানো কর্মীরা প্রতারিত হয়েছেন বুঝতে পেরে যাঁরা ছেড়ে দিচ্ছেন, তাঁদের জায়গায় আসছেন নতুন কেউ। আমি টাকা ফেরতের জন্য প্রশাসনের কাছে আর্জি জানিয়েছি।

    আলিপুরদুয়ার (Alipurduar) পুরসভার চেয়ারম্যান কী বললেন?

    আলিপুরদুয়ার (Alipurduar) পুরসভার চেয়ারম্যান প্রসেনজিৎ কর বলেন, আমরা এটা সমর্থন করিনা। কেউ যদি পুরসভার নাম ভাঙিয়ে ব্যাবসা করে তা মেনে নেব না। বিষয়টি পুলিশ প্রশাসনের নজরে আনব। পুরসভার পক্ষ থেকে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আমরা আইনগত ব্যবস্থা নেব।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Alipurduar: কোজাগরী লক্ষ্মীপুজোয় আলিপুরদুয়ারে এবার প্রথম চা বাগানে হবে ‘ফুল মুন প্লাকিং’

    Alipurduar: কোজাগরী লক্ষ্মীপুজোয় আলিপুরদুয়ারে এবার প্রথম চা বাগানে হবে ‘ফুল মুন প্লাকিং’

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফুল মুন প্লাকিং বা পূর্ণিমার রাতে চা পাতা তোলা এবার আলিপুরদুয়ারের (Alipurduar) মাঝেরডাবরি চা বাগানে হচ্ছে কোজাগরী লক্ষ্মীপুজোয়। ইতিপূর্বে পরপর তিনটি দোল পূর্ণিমায় চা পাতা তুলে তা বাজারজাতও করা হয়েছে। ফুল মুন প্লাকিংয়ের চায়ের কদর রয়েছে দেশ-বিদেশেও।

    কী বললেন চা বাগানের ম্যানেজার? (Alipurduar)  

    আলিপুরদুয়ার (Alipurduar) বাগানের ম্যানেজার চিন্ময় ধর বলেন, পূর্ণিমার রাতের তোলা চা পাতার স্বাদ ও গন্ধ বছরের অন্যান্য সময়ে তৈরি হওয়া চা-পাতাকে হার মানায়। পূর্ণিমা রাতে চাঁদের আলো চা গাছের উপর পড়ায় ওই সময় পাতা গুণমানে ভরপুর থাকে। বাজারে চাহিদা থাকায় চলতি বছরে কোজাগরী লক্ষ্মীপুজোর দিনও পূর্ণিমার রাত। ওই রাতেই ২০০০ কেজি চা-পাতা তোলার টার্গেট নেওয়া হয়েছে।

    ফুল মুন প্লাকিং ওই চায়ের দাম কত?

    বাজারে সিটিসি চা পাতা প্রতি কেজি ৪০০ থেকে ৬০০ টাকার মধ্যে পাওয়া গেলেও ফুল মুন প্লাকিং-এর ওই চায়ের দর অপেক্ষাকৃত অনেকটাই বেশি। প্রতি কেজি চা পাতা পনেরশো টাকা কেজি দরে বিক্রি করা হবে। মাঝেরডাবরি চা বাগান কর্তৃপক্ষের আলিপুরদুয়ার, (Alipurduar) কলকাতা, শিলিগুড়ি, মুম্বই ছাড়াও বিভিন্ন রেল স্টেশনে তাদের নিজস্ব বিক্রয় কেন্দ্র বা আউটলেট রয়েছে। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ১০০ গ্রাম চা পাতা ১৫০ টাকা দিয়েও ক্রেতারা সংগ্রহ করতে পারবেন।

    কীভাবে তোলা হবে চা পাতা?

    ফুল মুন প্লাকিং সাধারণত দোল পূর্ণিমার রাতেই গত তিন বছর ধরে করে আসছিল আলিপুরদুয়ারেরর (Alipurduar) মাঝেরডাবরি চা বাগান কর্তৃপক্ষ। তবে বাজারে ওই চায়ের চাহিদা বেড়ে যাওয়ায় এবার তা লক্ষ্মীপূর্ণিমাতেও করা হচ্ছে। কীভাবে তোলা হবে চা পাতা? সূর্য অস্ত যাওয়ার পর বাগানের একদল চা শ্রমিক মশাল হাতে নিয়ে এগিয়ে যাবেন। পিছনে মহিলা শ্রমিকরা তাঁদের নিজস্ব কায়দায় চায়ের কচি পাতা ঝোলায় ভরবেন। তবে, রাতের বেলা যেহেতু ওই চা পাতা তোলা হবে তাই প্রত্যেক শ্রমিকের কপালে একটি করে সার্চলাইট লাগানো থাকবে। এরপর সংগৃহীত চা পাতা চলে যাবে তাদের নিজস্ব কারখানায়। রাতের বেলাতেই চা পাতা তৈরি করে তা প্যাকেটজাত করে বাজারে ছাড়া হবে। তবে, লক্ষ্মী পূর্ণিমার রাতে চা পাতা তোলার ওই দৃশ্য দেখতে পর্যটক থেকে শহরের বহু উৎসাহী মানুষ বাগানে ভিড় করবেন বলেই জানা গিয়েছে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Alipurduar: বক্সা ব্যাঘ্র প্রকল্প রক্ষায় স্থানীয়দের সরাতে উদ্যোগী বন দফতর, দ্রুত ছাড়া হতে পারে বাঘ!

    Alipurduar: বক্সা ব্যাঘ্র প্রকল্প রক্ষায় স্থানীয়দের সরাতে উদ্যোগী বন দফতর, দ্রুত ছাড়া হতে পারে বাঘ!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিশ্চিহ্ন হয়ে যাচ্ছে শতবর্ষ পুরনো জয়ন্তীর (Alipurduar) জনপদ। সব ঠিকঠাক এগোলে ২০২৫ সালের মার্চের আগেই ব্রিটিশ আমলে তৈরি জয়ন্তী গ্রামের কোনও অস্তিত্ব আর থাকবে না। বক্সা ব্যাঘ্র প্রকল্প রক্ষায় স্থানীয়দের সরাতে উদ্যোগী বন দফতর, দ্রুত ছাড়া হতে পারে বাঘ! বাঘের অভয়ারণ্যকে রক্ষা করতে স্থানীয়দের বিশেষ প্যাকেজ ঘোষণা করে অন্যত্র সরানোর পরিকল্পনা করেছে বন দফতর। রাজি হয়েছেন এলাকার মানুষও। বাঘ ছাড়ার জন্য বন দফতর গত তিন বছরে কয়েক দফায় প্রায় হাজারের উপর হরিণ ছেড়েছে। এবার জনপদকে অভয়ারণ্য থেকে দূরে সরিয়ে বাঘেদের থাকার অনুকূল পরিবেশ নির্মাণে উদ্যোগী হয়েছে বন দফতর। এলাকার মানুষও এই পরিবেশ এবং জন্তুদের রক্ষায় সহমত জানিয়েছেন। আশা করা যাচ্ছে বক্সায় দ্রুত পর্যটকরা বাঘ দেখতে পারবেন।  

    সরানো হবে জয়ন্তীর জনপদ (Alipurduar)?

    বড় বড় সব সরকারি-বেসরকারি ডলোমাইট খননকারী কোম্পানি ছিল এখানে (Alipurduar)। এক সময় এখানে রেলপথও ছিল। ডলোমাইট কারখানা ছিল। আজ আর সে সবের কিছুই নেই! তাই মৃত্যুর দিকে এগিয়ে যাওয়া সুন্দরী জয়ন্তী, বক্সা ব্যাঘ্র প্রকল্পের কোর এলাকা থেকে সরে যাবে। সোমবার এই মর্মে জয়ন্তীর বেশির ভাগ মানুষের সই করা ‘জয়ন্তী ভিলেজ রিলোকেশন ফর্ম’ জমা হয়েছে বক্সা ব্যাঘ্র প্রকল্প অফিসে। বিষয়টি নিয়ে ২৬ অগাস্ট জয়ন্তীতে বৈঠক করে বন দফতর।

    সারানো হবে জয়ন্তী গ্রাম

    ওই বৈঠকে জয়ন্তী গ্রামকে (Alipurduar) বক্সা ব্যাঘ্র প্রকল্পের কোর এলাকা থেকে সরিয়ে নিয়ে যাওয়ার প্রস্তাব দেয় বন দফতর। জয়ন্তীর বেশির ভাগ মানুষ সেই প্রস্তাবে রাজি হয়ে গেছেন বলে জানা গিয়েছে। জানা গিয়েছে, এর জন্য জয়ন্তীর প্রত্যেক পরিবারকে ১৫ লক্ষ টাকা করে ক্ষতিপূরণ দেবে সরকার। জয়ন্তীকে সরিয়ে নিতে খরচ হবে প্রায় ৭০ কোটি টাকা। তবে এর সবটাই দেবে কেন্দ্র। এছাড়া রাজ্য সরকার প্রত্যেক পরিবারকে ৫ ডেসিমেল করে জমি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। হাসিমারার গুদাম ডাবরি এলাকায়, জয়ন্তী থেকে সরে যাওয়া পরিবারদের জমি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে রাজ্য সরকার।

    বক্সা ব্যাঘ্র প্রকল্পের ক্ষেত্র অধিকর্তা বক্তব্য

    বিষয়টি নিয়ে বক্সা ব্যাঘ্র প্রকল্পের ক্ষেত্র অধিকর্তা অপূর্ব সেন (Alipurduar)  বলেন, “ যে কোনও টাইগার রিজার্ভ থেকে বনবস্তিবাসীদের সরানোর জন্য এই প্যাকেজ গোটা দেশেই চালু রয়েছে। জয়ন্তী সহ বক্সাতে দুই একটি গ্রামের লোকেদের সাথে এই বিষয়ে আমাদের কথা হয়েছে। তাঁরা বন ও পরিবেশের কথা বিবেচনা করে সরে যেতে চাইলে এই প্যাকেজ পাবেন।” সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, ২০১১ সালের জনগণনা অনুযায়ী জয়ন্তীতে লোকসংখ্যা প্রায় ৭০০ জন। প্রায় ২০০ পরিবারের এই জনসংখ্যা দিন দিন কমছে। এই সব পরিবারের বেশির ভাগই জয়ন্তী থেকে সরে যেতে চাইছেন।

    স্থানীয় মানুষের বক্তব্য

    জয়ন্তীর (Alipurduar) স্থানীয় বাসিন্দা তপন দত্ত বলেন, “ জয়ন্তী দিন দিন শশ্মানে পরিণত হচ্ছে। এক সময় বাইরে থেকে মানুষ জয়ন্তীতে কাজ করতে আসতেন। এখন উল্টোটাই ঘটছে। জয়ন্তী নদী যে কোনও দিন এই জনপদকে ভাসিয়ে নিয়ে যেতে পারে। সেই কারণে আমরা বন দফতরের প্যাকেজে রাজি হয়ে, এখান থেকে সরে যাওয়ার জন্য লিখিতভাবে মত দিয়েছি।” জয়ন্তীর আরেক বাসিন্দা মনি কুমার লামা বলেন, “বনের ভিতর কোনও সুযোগ-সুবিধা নেই। আমাদের জীবন এভাবে কাটল। কিন্তু পরবর্তী প্রজন্ম এভাবে কেন থাকবে! বন দফতরের প্রচণ্ড কড়াকড়ি। এলাকায় কোনও কাজ নেই। নেই হাসপাতাল ও ভালো স্কুলও। ফলে শুধু পারিবারিক ভিটের আবেগে ভর করে আর এখানে থেকে কোআও লাভ নেই। সেই কারণে বন দফতরের প্যাকেজে আমরা রাজি হয়ে গেছি ।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Vulture: আলিপুরদুয়ার গবেষণাগারে ডিম ফুটিয়ে হবে শকুনের ছানা, কেন জানেন?

    Vulture: আলিপুরদুয়ার গবেষণাগারে ডিম ফুটিয়ে হবে শকুনের ছানা, কেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আলিপুরদুয়ারের বক্সা ব্যাঘ্র প্রকল্পের রাজাভাতখাওয়া শকুন (Vulture) প্রজনন কেন্দ্রে কৃত্রিম উপায়ে শকুনের ডিম ফুটিয়ে বাচ্চা তৈরির উদ্যোগ নিল বন দফতর। যার পোশাকি নাম আর্টিফিশিয়াল ইনকিউবেশন। সব ঠিকঠাক থাকলে আগামী বছরের শুরুতেই রাজাভাতখাওয়ায় এই আর্টিফিশিয়াল ইনকিউবেশন চালু করবে বক্সা ব্যাঘ্র প্রকল্প কর্তৃপক্ষ।

    কৃত্রিম উপায়ে শকুনের (Vulture) ডিম ফোটানোর উদ্যোগ কেন নিল বন দফতর?

    পরিবেশে ভারসাম্য রক্ষায় শকুনের (Vulture) গুরুত্ব অপরিসীম। পচাগলা দেহ দেহাংশ খেয়ে পরিবেশ দূষণমুক্ত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেয়। কিন্তু,  গত কয়েক দশকে শকুনের সংখ্যা এতটাই কমে গিয়েছে প্রাণীটির অস্তিত্বই এখন প্রশ্ন চিহ্নের মুখে এসে দাঁড়িয়েছে। জানা গিয়েছে, গোটা পৃথিবী থেকেই হারিয়ে যাচ্ছে শকুন। শকুনের বিলুপ্তির কারণে গোটা বিশ্বে উদ্বেগ ছড়িয়েছে। আর সেই কারণেই পৃথিবীতে  শকুন বাঁচিয়ে রাখার নানান উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। ২০০৬ সালে  বক্সা ব্যাঘ্র প্রকল্পের রাজাভাতখাওয়া রেঞ্জের সংরক্ষিত বনাঞ্চলে শকুন প্রজনন কেন্দ্রে চালু হয়। বিভিন্ন জায়গা থেকে বিলপ্ত প্রায় শকুন উদ্ধার করে এই প্রজনন কেন্দ্রে রেখে তাদের বংশ বৃদ্ধি করা শুরু হয়। খুশির খবর বর্তমানে রাজাভাতখাওয়া শকুন প্রজনন কেন্দ্রে চার প্রজাতির মোট ১৫৪ টি শকুন রয়েছে। এই শকুন প্রজনন কেন্দ্র থেকে এখন পর্যন্ত ৩০ টি শকুন খোলা আকাশে ছাড়া হয়েছে। স্যাটেলাইট ট্যাগ লাগিয়ে সে সব শকুনকে ছেড়েছে বন দফতর।

    কী বললেন বক্সা ব্যাঘ্র প্রকল্পের ক্ষেত্র অধিকর্তা?

    বক্সা ব্যাঘ্র প্রকল্পের ক্ষেত্র অধিকর্তা অপূর্ব সেন বলেন, আমরা শকুনের (Vulture) সংখ্যা বৃদ্ধি দ্বিগুন হারে করার জন্য এই আর্টিফিশিয়াল ইনকিউবেশন চালু করতে যাচ্ছি। খুব তাড়াতাড়ি এই পদ্ধতি রাজাভাতখাওয়া শকুন প্রজনন  কেন্দ্রে চালু করা হবে। তিনি তথ্য দিয়ে বলেন, একটি শকুন বছরে একটি মাত্র ডিম পারে। কিন্তু, ডিম পারার পরে সেই ডিম সেখান থেকে কোনওভাবে তুলে নিতে পারলে ওই  শকুনের ওই বছরেই আরও একটি ডিম পারার সম্ভাবনা থাকে। শকুনটি একটি ডিম নষ্ট হয়ে গিয়েছে ধরে নিয়ে আরেকটি ডিম পারতে পারে। ফলে, এক্ষেত্রে বছরে একটি শকুন দুটো ডিম পারতে পারে। একটি ডিম কৃত্রিম উপায়ে ফোটানোর ব্যবস্থা করতে পারলে একটি শকুন থেকে বছরে দুটো ডিম পেতে পারি। আর সেই দুটি ডিম থেকে দুটো শকুনের বাচ্চার পাওয়ার সম্ভাবনা থাকে। আর এই সম্ভাবনাকেই কাজে লাগাতে কৃত্রিম উপায়ে শকুনের ডিম ফোটানোর ব্যবস্থা চালু করা হচ্ছে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Alipurduar: আলিপুরদুয়ার সমবায়ে ৫০ কোটির দুর্নীতিতে ইডি, সিবিআই তদন্তের নির্দেশ, কী বললেন আমনতকারীরা?

    Alipurduar: আলিপুরদুয়ার সমবায়ে ৫০ কোটির দুর্নীতিতে ইডি, সিবিআই তদন্তের নির্দেশ, কী বললেন আমনতকারীরা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তৃণমূল জমানাতেই আলিপুরদুয়ারের (Alipurduar) একটি সমবায়ে আমানতকারীদের গচ্ছিত কোটি কোটি টাকা তছরুপ হয়েছিল। ওই ঘটনায় প্রতারিতরা উচ্চ আদালতের দ্বারস্থ হন। বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় ওই মামলায়  ইডি এবং সিবিআই তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন। আর্থিক তছরূপের ঘটনায় কয়েক বছর আগে অভিযোগের ভিত্তিতে সমবায়ের পাঁচ জন কর্মীকে গ্রেফতার করা হলেও আমানতকারীরা তাদের গচ্ছিত টাকা আজও ফেরত পাননি। ইতিমধ্যেই জলপাইগুড়ি সার্কিট বেঞ্চে দুর্নীতির ওই মামলায় সিবিআই ও ইডি তদন্তের নির্দেশ দেওয়ায় খুশি আমানতকারীরা। তাঁদের আশা, কোটি কোটি টাকা তছরূপে জড়িত মূল নাটের গুরুরা এবার সিবিআই ও ইডির জালে ধরা পড়বে।

    কত টাকার দুর্নীতি হয়েছিল? (Alipurduar)

    যদিও বাম আমলে আলিপুরদুয়ার মহিলা ঋণদান সমবায় সমিতি গড়ে উঠেছিল। শুরুর দিকে ওই ওই সংস্থার কাজকর্ম সুষ্ঠুভাবেই চলছিল। কিন্তু, ২০১৭ সাল থেকেই আর্থিক অনিয়মের অভিযোগ উঠতে থাকে। ওই সংস্থার প্রায় ২২ হাজার গ্রাহক ছিল। গ্রাহকরা তাঁদের গচ্ছিত টাকা ফেরত না পেয়ে ২০২০ সালের আগস্ট মাসে সমিতির বিরুদ্ধে একজোট হয়ে রাস্তায় নামেন। ২০২০ সালেই বন্ধ হয়ে যায় সমিতির দফতর। এখনও সেই দফতর বন্ধই রয়েছে। ওই সময় অলক রায় নামে এক বাসিন্দা প্রতারণার অভিযোগ দায়ের করেন। সেই অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ ওই সমবায় কর্তাদের পাঁচজনকে গ্রেফতার করে। পরবর্তীতে বিষয়টি নিয়ে সিআইডি তদন্ত হয়েছে। কিন্তু, আমানতকারীরা টাকা ফেরত পেতে ২০২২ সালে সার্কিট বেঞ্চে সমিতির বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন। এরপরেই গঙ্গোপাধ্যায় সিবিআই ও ই ডি তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন। সরকারি অবসরপ্রাপ্ত আধিকারিক থেকে ঝাল মুড়ি বিক্রেতা কেউ বাদ যায়নি প্রতারণার হাত থেকে। আদালতের নির্দেশে যে কোন দিনই আলিপুরদুয়ারে দুই কেন্দ্রীয় সংস্থার তদন্তকারীরা এসে ওই আর্থিক দুর্নীতি তদন্ত শুরু করবে। প্রতারিত আমানতকারীদের বক্তব্য,আসল রাঘব বোয়াল যারা তারা অধরাই রয়ে গিয়েছে। এদের মধ্যে অনেকে ঠিকাদার রয়েছেন। যারা কোটি কোটি টাকা আত্মসাৎ করেছেন। সব মিলিয়ে প্রায় ৫০ কোটি টাকার আর্থিক দুর্নীতি হয়েছে।

    দুর্নীতি নিয়ে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা

    যদিও বিষয়টি নিয়ে তৃণমূল কংগ্রেসের প্রাক্তন বিধায়ক সৌরভ চক্রবর্তী বলেন, সিপিএমের কিছু নেতা ও তাদের পৃষ্ঠপোষকরা মানুষের গচ্ছিত ওই টাকা আত্মসাৎ করেছে। আমি বিধানসভায় এ নিয়ে সরব হয়েছিলাম। আমরা চাই, প্রতারিত মানুষরা তাদের টাকা ফেরত পাবে। অন্যদিকে,  সিপিএমের আলিপুরদুয়ার (Alipurduar) জেলার সম্পাদক কিশোর দাস জানিয়েছেন, তৃণমূল জামাতেই যারা মানুষের গচ্ছিত টাকা আত্মসাৎ করেছে, তাদের অনেকেই শাসক দলের ছাত্র ছায়ায় রয়েছেন। সিবিআই ও ইডি তদন্ত হলেই সব কিছু স্পষ্ট হয়ে যাবে। আমরা কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থাকে স্বাগত জানাচ্ছি। বিজেপির জেলা নেতা মিঠু দাস বলেন, এই দুর্নীতির সঙ্গে তৃণমূল জড়়িত রয়েছে। কেন্দ্রীয় তদন্তের মাধ্যমে দোষীদের চিহ্নিত করে প্রতারিতদের টাকা ফেরতের ব্যবস্থা করতে হবে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Alipurduar: পুজোর মুখে আলিপুরদুয়ারে এনবিএসটিসি-র বহু বাস উধাও, ভোগান্তি, সরব বিজেপি

    Alipurduar: পুজোর মুখে আলিপুরদুয়ারে এনবিএসটিসি-র বহু বাস উধাও, ভোগান্তি, সরব বিজেপি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সরকারি বাসে চেপে আলিপুরদুয়ার (Alipurduar) থেকে কলকাতা যাওয়া এখন জেলাবাসীর কাছে স্বপ্ন। কারণ, মাসখানেক ধরে রাষ্ট্রীয় পরিবহণ সংস্থার বাস পরিষেবা বন্ধ হয়ে রয়েছে। বন্ধ হয়েছে অসম বঙ্গাইগাও পর্যন্ত যাতায়াতের একমাত্র সরকারি বাস। ফলে, পুজোর মুখে চরম বিপাকে পড়েছেন ব্যবসায়ীর পাশাপাশি জেলার হাজার হাজার বাসিন্দা। অবিলম্বে কলকাতা সহ বিভিন্ন রুটের বাস পরিষেবা স্বাভাবিক না করা হলে বৃহত্তর আন্দোলনে নামার হুমকি দিয়েছেন জেলা বিজেপি নেতৃত্ব।

    কোন রুটে কত বাস বন্ধ রয়েছে? (Alipurduar)

    পরিবহণ সংস্থা সূত্রে জানা গিয়েছে, আলিপুরদুয়ার (Alipurduar)  ডিপোর ১৫ বছরের বেশি পুরানো ১৯ টি বাস বসিয়ে দেওয়া হয়েছে। দীর্ঘদিন ১৫-২০ বছরের ওই পুরানো বাসগুলো দিয়ে বিভিন্ন রুটে যাত্রী পরিষেবা দেওয়া হত। এতে ঝুঁকি তো থাকত, মাঝেমধ্যে বাসগুলি মাঝ রাস্তায় অকেজো হয়ে পড়ত। ফলে, যাত্রীরা নানা সমস্যারও সম্মুখীন হতেন। সম্প্রতি, রাজ্যের পরিবহণ দফতর থেকে কড়া নির্দেশিকা পাঠানো হয়। তাতে বলা হয়েছে ১৫ বছরের বেশি পুরানো কোনও বাস রাস্তায় নামানো যাবে না। বিকল্প বাসের ব্যবস্থা না করেই বিভিন্ন রুটে চলাচলকারী ওই বাসগুলি বসিয়ে দেওয়ায় সমস্যায় পড়েছেন বাসযাত্রীরা। আলিপুরদুয়ার-শিলিগুড়ি রুটে প্রতিদিন দশটি করে বাস চলাচল করত, বাসের সংখ্যা কমে যাওয়ায় এখন প্রতিদিন ওই রুটে আটটি করে বাস চলছে। কোচবিহার-আলিপুরদুয়ার রুটে প্রতিদিন ১০ টি করে বাস চালানো হত, এখন সেখানে মাত্র ছয়টি বাস চলাচল করছে। এতে দুই শহরের মধ্যে যোগাযোগ ব্যবস্থায় মারাত্মক প্রভাব পড়েছে। এই রুটে ১৫-২০ মিনিট অন্তর বাস চলাচল করলেও তাতে বাস ভর্তি যাত্রী নিয়েই সরকারি বাসগুলি নিয়মিত পরিষেবা দিত। কিন্তু, এখন বাসের সংখ্যা কমে যাওয়ায় স্কুল, অফিস টাইমে বাদুরঝোলা হয়ে নিত্যযাত্রী, স্কুল-কলেজের পড়ুয়াদের যাতায়াত করতে হচ্ছে। গুরুত্বপূর্ণ এই রুটগুলি ছাড়াও আলিপুরদুয়ারের সঙ্গে সরাসরি কলকাতা পর্যন্ত যাতায়াতের বাস প্রায় মাসখানেক আগেই বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। এই সময় আলিপুরদুয়ার শহরের ব্যবসায়ীরা কলকাতা থেকে পুজোর বিভিন্ন মালপত্র আনার জন্য বাসে যাতায়াত করেন। তাঁরা ধর্মতলা থেকে রাষ্ট্রীয় পরিবহণ সংস্থার বাসে চেপেই আবার আলিপুরদুয়ারে ফিরে আসেন।

    কী বললেন বিজেপি নেতৃত্ব?

    বিজেপির আলিপুরদুয়ারের (Alipurduar) জেলা সভাপতি তথা বিধায়ক মনোজ টিগ্গা বলেন, জেলায় আন্দোলনের পাশাপাশি বিষয়টি নিয়ে বিধানসভায়ও সরব হব। এক সময় উত্তরবঙ্গ রাষ্ট্রীয় পরিবহণ সংস্থার চেয়ারম্যান দাবি করতেন, রেলের থেকেও উত্তরবঙ্গে বাসের পরিষেবা ভালো। কিন্তু বাস্তবে দেখা যাচ্ছে রাষ্ট্রীয় পরিবহণ সংস্থার পরিষেবা কার্যত তলানিতে গিয়ে ঠেকেছে। উত্তরবঙ্গের বিভিন্ন রুটে বাসের সংখ্যা কমে যাওয়ায় যাত্রী ভোগান্তির অভিযোগ আসছে।

    কী বললেন উত্তরবঙ্গ রাষ্ট্রীয় পরিবহণ সংস্থার চেয়ারম্যান?

    পুজোর সময় পর্যটনের মরশুমে ট্রেনের টিকিট না পেয়ে অনেক যাত্রী সরকারি বাসে চেপে ডুয়ার্সের বিভিন্ন এলাকায় ঘুরতে আসেন। ফলে আলিপুরদুয়ার (Alipurduar) থেকে ওই সরকারি বাসের চাহিদা পর্যটনের মরশুমে অনেকটাই বেড়ে যায়। কিন্তু এবার মরশুমের অনেক আগে সরকারি বাস পরিষেবা বন্ধ করে দেওয়ায় উদ্বেগে রয়েছেন পর্যটন ব্যবসায়ীরা। উত্তরবঙ্গ রাষ্ট্রীয় পরিবহণ সংস্থার চেয়ারম্যান পার্থপ্রতিম রায় জানিয়েছেন, টেন্ডার প্রক্রিয়া চলছে, খুব শীঘ্রই বেশ কিছু নতুন বাস রাস্তায় নামানো হবে। তাহলে আর এই সমস্যা আর থাকবে না।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Alipurduar: আলিপুরদুয়ারে তৃণমূলের হামলায় বিজেপি কর্মীর চোখ নষ্ট, বাড়ি ভাঙচুর

    Alipurduar: আলিপুরদুয়ারে তৃণমূলের হামলায় বিজেপি কর্মীর চোখ নষ্ট, বাড়ি ভাঙচুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিজেপি কর্মীকে মেরে চোখ নষ্ট করে দেওয়ার অভিযোগ উঠল তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে। ঘটনাটি ঘটেছে আলিপুরদুয়ার (Alipurduar) জেলার কুমারগ্রাম বিধানসভার ভাটিবাড়ি গ্রাম পঞ্চায়েতের থানুপাড়া এলাকায়। জখম ওই বিজেপি কর্মীর নাম হরিশ চন্দ্র  দাস। আলিপুরদুয়ার জেলা সদর হাসপাতাল থেকে ওই বিজেপি কর্মীকে স্থানান্তরিত করে উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।

    ঠিক কী অভিযোগ ?

    স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, আলিপুরদুয়ারের (Alipurduar)   থানুপাড়া এলাকা জুড়ে বিজেপির দলীয় পতাকা লাগানো ছিল। শনিবার রাত সাড়ে এগারোটা নাগাদ তৃণমূল কর্মীরা সেই পতাকা খুলে দিচ্ছিল বলে অভিযোগ। বিষয়টি জানতে পেরে থানুপাড়ার বাসিন্দা সাধারণ বিজেপি কর্মী হরিশ চন্দ্র  দাস পতাকা খোলাতে বাধা দেন। পতাকা খোলাতে বাধা দিলেই তাঁর ওপর তৃণমূল কর্মীরা চড়াও হয়। সেসময় এলাকার আরও দুজন বিজেপি কর্মী বাড়ি থেকে বেড়িয়ে এই ঘটনার প্রতিবাদ করেন। তৃণমূলীরা তাঁদের উপর হামলা চালায় বলে অভিযোগ। এক বিজেপি কর্মীর বাড়ি ভাঙচুর করা হয়। আর তৃণমূলের হামলায় বিজেপি কর্মী হরিশ দাসের বাঁ চোখে গুরুতর চোট লাগে। এরপরই হামলাকারীরা পালিয়ে যায়। বিজেপি কর্মীরা তাঁকে আলিপুরদুয়ার জেলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করেন। পরে, রবিবার সকালে জেলা সদর হাসপাতাল থেকে ওই বিজেপি কর্মীকে শিলিগুড়ির উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়।  

    কী বললেন বিজেপি নেতৃত্ব?

    বিজেপির কুমারগ্রাম বিধানসভার বিধায়ক মনোজ ওরাও বলেন,  অত্যন্ত গরিব সাধারণ বিজেপি কর্মী হরিশ দাসের একটি চোখ নষ্ট করে দিয়েছে তৃণমূলীরা। আমরা এর শেষ দেখে ছাড়ব। ইতিমধ্যেই থানায় অভিযোগ জানানো হয়েছে। প্রয়োজনে আমরা আদালতের দ্বারস্থ হব। ওই এলাকায় আমাদের বিজেপি কর্মীদের বাড়ি ভাঙচুর করেছে তৃণমূল। বিজেপির অভিযোগ, স্থানীয় বিজেপি কর্মী কার্তিক চন্দ্র রায়ের বাড়ি ভাঙচুর করা হয়েছে। তাঁর বাড়িতে ইট,পাথর দিয়ে ঢিল ছোঁড়া হয়েছে।

    কী বললেন তৃণমূল নেতৃত্ব?

    তৃণমূল কংগ্রেস অবশ্য এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে। আলিপুরদুয়ার (Alipurduar) জেলা তৃণমূলের সহ সভাপতি প্রবীর দত্ত বলেন,এটা একটা পারিবারিক বিবাদ। এই পারিবারিক বিবাদের ঘটনাকে রাজনৈতিক রঙ দিতে চাইছে বিজেপি। এই ঘটনায় বিজেপির নোংরা রাজনীতি প্রকাশ্যে চলে এসেছে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • BJP: তৃণমূলের সন্ত্রাস! বোর্ড গঠনের আগে নিরাপদ আশ্রয়ে বিজেপির জয়ী প্রার্থীরা

    BJP: তৃণমূলের সন্ত্রাস! বোর্ড গঠনের আগে নিরাপদ আশ্রয়ে বিজেপির জয়ী প্রার্থীরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আলিপুরদুয়ারে তৃণমূল কংগ্রেসের জেলা সভাপতি প্রকাশ চিকবড়াইকের খাসতালুক কুমারগ্রাম গ্রাম পঞ্চায়েত একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা পায়নি শাসকদল। সেখানে বিজেপিই (BJP) কুমারগ্রাম গ্রাম পঞ্চায়েত ক্ষমতা দখলের চ্যালেঞ্জ ছুঁড়েছে শাসকদলকে। ওই গ্রাম পঞ্চায়েতের জয়ী বিজেপির গ্রাম পঞ্চায়েত সদস্যদের বোর্ড গঠনের আগে পর্যন্ত ঠিকানা দলের জেলা কার্যালয়। দলের কোনও সদস্যকেই ভয়-ভীতি দেখিয়ে বা কোনও প্রলোভন দিয়ে শাসক দল তাদের দিকে টানতে না পারে তারজন্যই পঞ্চায়েত সদস্যদের বোর্ড গঠনের অনেক আগেই রবিবার রাত থেকে দলের জেলা কার্যালয়ে সেভ জোনে রাখা হয়েছে।

    কী বললেন বিজেপি নেতৃত্ব?

    বিজেপির (BJP) জেলা সভাপতি মনোজ টিগ্গা বলেন, কুমারগ্রামে জয়ী সংখ্যাগরিষ্ঠ পঞ্চায়েত সদস্যরা বিজেপির সঙ্গে রয়েছেন। এখানে নির্বাচিত সদস্যরা নির্দিষ্ট সময়ে বোর্ড গঠন করতে যেতে পারলে বিজেপির দখলেই আসবে ওই গ্রাম পঞ্চায়েত। তৃণমূলের সন্ত্রাস তো চলছে। তারা প্রভাব খাটিয়ে প্রলোভন দিয়ে যাতে দলের কোনও সদস্যকেই ভাঙ্গাতে না পারে তারজন্যই আমরা দলের নির্বাচিত পঞ্চায়েত সদস্যদের নিরাপদ জায়গায় রেখেছি।

    কুমারগ্রাম পঞ্চায়েতে আসন সংখ্যা কত?

    কুমারগ্রাম গ্রাম পঞ্চায়েতে মোট আসন সংখ্যা ২২। এখানে তৃণমূল কংগ্রেস ৯টি, বিজেপি-৮টি, সিপিএম ২টি, নির্দল-১টি এবং কেপিপি ২টি আসনে জয়ী হয়েছে। জানা গিয়েছে, বোর্ড গঠনে সিপিএম অংশগ্রহণ করবে না। নির্দল জয়ী প্রার্থী বিক্ষুব্ধ তৃণমূল কর্মী। স্বাভাবিকভাবে নির্দল প্রার্থী এবং কেপিপি-র জয়ী প্রার্থী তৃণমূলের দিকে রয়েছে। ফলে, বোর্ড গঠনে বিজেপির (BJP) পাল্লা ভারী। গেরুয়া শিবিরের নেতাদের দাবি, বিরোধী শিবিরের অন্যান্য নির্বাচিত পঞ্চায়েত সদস্যদের সমর্থন তাদের পক্ষেই রয়েছে। তারা গেরুয়া শিবিরকেই বোর্ড গঠনে সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছেন। আগামী ১৪ আগস্ট কুমারগ্রাম পঞ্চায়েতের বোর্ড গঠন হবে। তার আগে দলের নবনির্বাচিত পঞ্চায়েত সদস্যরা দলের জেলা কার্যালয়ে আশ্রয় নেওয়ায় তাদের সঙ্গে দেখা করেন দলের জেলা সভাপতি মনোজ টিগ্গা।  কুমারগ্রাম গ্রাম পঞ্চায়েত কে বিজেপি পাখির চোখ করেছে। ওই গ্রাম পঞ্চায়েতটি দখল করে গেরুয়া শিবির তৃণমূলের জেলা সভাপতিকেই কার্যত রাজনৈতিকভাবে চ্যালেঞ্জ ছুঁড়তে চাইছে।

    কী বললেন তৃণমূল নেতৃত্ব?

    যদিও তৃণমূল কংগ্রেসের জেলা সভাপতি প্রকাশ চিক  বড়াইক দাবি করেছেন, কুমারগ্রাম গ্রাম পঞ্চায়েতে কোনও প্রভাব প্রতিপত্তি না খাটিয়েই শেষ পর্যন্ত শাসক দল সেখানে পঞ্চায়েত বোর্ড গঠন করবে। ওই গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকার উন্নয়নের স্বার্থেই সেখানে নব নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিরাও তৃণমূলকে বোর্ড গঠন করতে সহযোগিতা করবেন।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Rape: শিশুকে ফেলে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে আলিপুরদুয়ারে চলন্ত ট্রেনে মহিলাকে ধর্ষণ, গ্রেফতার ২

    Rape: শিশুকে ফেলে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে আলিপুরদুয়ারে চলন্ত ট্রেনে মহিলাকে ধর্ষণ, গ্রেফতার ২

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চলন্ত ট্রেন থেকে শিশুকে ফেলে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে মহিলাকে ধর্ষণ (Rape) করার ঘটনায় তোলপাড় আলিপুরদুয়ার। অভিযুক্ত দুই ট্রেন যাত্রী যুবককে গ্রেফতার করেছে রেল পুলিশ। গ্রেফতার দুই যুবকের নাম নয়নাল আব্দুল (২৫) ও মইনুল হক (২৬)। তারা অসমের কোকরাঝাড়ের বাসিন্দা। ধৃত দুই যুবককে গ্রেফতার করে রবিবার আলিপুরদুয়ার আদালতে তোলে রেল পুলিশ। বিচারক তাদের ৫ দিনের পুলিশি হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছেন। ঘটনার তদন্ত করছে রেল পুলিশ।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে?

    স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, শিফং এক্সপ্রেসে শনিবার রাতে  অসমের এক আত্মীয়ের বাড়ি থেকে আলিপুরদুয়ারের বাড়িতে  ফিরছিলেন নির্যাতিতা মহিলা। মহিলার কোলে আড়াই বছরের একটি শিশু ছিল। জেনারেল বগিতে ওই মহিলা আলিপুরদুয়ারের বাড়িতে ফিরছিলেন। কিন্তু, ফকিরাগ্রাম স্টেশনে ওই বগির বেশিরভাগ যাত্রী নেমে যায় বলে জানা গিয়েছে। এই সুযোগে দুই যুবক মহিলাকে শারীরিক সম্পর্কের প্রস্তাব দেয়। মহিলা রাজি না হলে মহিলার শিশুকে ট্রেন থেকে ফেলে দেওয়ার হুমকি দেয় দুষ্কৃতীরা। তারপর শ্রীরামপুর স্টেশনের পরে এই ধর্ষণের (Rape) ঘটনা ঘটেছে বলে জানা গিয়েছে। মধ্যরাতে ট্রেন আলিপুরদুয়ার জংশন স্টেশনে এসে দাঁড়ালে মহিলা জিআরপি থানায় অভিযোগ জানান। সঙ্গে সঙ্গে জিআরপি থানার পুলিশ আলিপুরদুয়ার জংশন স্টেশনেই ট্রেন থেকে ওই দুই যুবককে গ্রেফতার করে। তাদের রবিবার আলিপুরদুয়ার বিশেষ আদালতে তোলা হলে বিচারক যুই অভিযুক্তকে ৫ দিনের পুলিশি হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছেন। নির্যাতিতা মহিলা লোকলজ্জার ভয়ে প্রকাশ্যে আসছেন না।

    রেল আধিকারিকদের কী বক্তব্য?

    এই ঘটনায় চলন্ত ট্রেনে যাত্রীদের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন উঠে গিয়েছে। উত্তর পূর্ব সীমান্ত রেলের আলিপুরদুয়ার ডিভিশনের ডিআরএম অমরজিত গৌতম বলেন, ‘আমি নতুন এই ডিভিশনে যোগ দিয়েছি। এইরকম ঘটনা ভবিষ্যতে যাতে না ঘটে তার জন্য ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’ এদিকে ট্রেনে ধর্ষণের (Rape) ঘটনার ২৪ ঘণ্টা পরেও রেলের আরপিএফ আধিকারিকদের ঘটনা নিয়ে তেমন সক্রিয়তা লক্ষ্য করা যায়নি। প্রাথমিকভাবে তারা ওই দুই যুবক অসমের ফকিরাগ্রাম স্টেশন থেকে ট্রেনে উঠেছিল বলে জানালেও অন্য আরেকটি সূত্র থেকে জানা যাচ্ছে তারা কোকরাঝাড় স্টেশন থেকে শিফং এক্সপ্রেসে ওঠে। এই ঘটনায় উত্তর পূর্ব সীমান্ত রেলের আলিপুরদুয়ার জংশন ডিভিশনের আরপিএফের সহকারী ডিভিশনাল কমিশনার দীপক কুমার চৌধুরী বলেন,  ওই মহিলা জিআরপি থানায় অভিযোগ করলে দুই যুবককে গ্রেফতার করে জিআরপি। আমরা এই ঘটনার তদন্ত করছি।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Alipurduar: আলিপুরদুয়ার বিশ্ববিদ্যালয়ে উপাচার্য ছাড়াই দেড় মাস, দুশ্চিন্তায় পড়ুয়ারা

    Alipurduar: আলিপুরদুয়ার বিশ্ববিদ্যালয়ে উপাচার্য ছাড়াই দেড় মাস, দুশ্চিন্তায় পড়ুয়ারা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রায় দেড় মাস ধরে আলিপুরদুয়ার (Alipurduar) বিশ্ববিদ্যালয়ে উপাচার্য নেই। ফলে, কার্যত অভিভাবকহীন অবস্থায় বিশ্ববিদ্যালয়ের কাজকর্ম চলছে। বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা গিয়েছে, উপাচার্যের অনুপস্থিতিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার বিশ্ববিদ্যালয়ের রুটিন নানা কাজকর্ম করছেন। পঠনপাঠন ও বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষাও নিতে পারবেন। কিন্তু, ফল প্রকাশ করার সময় উপাচার্যের অনুমোদন নিতে হবে। সে ক্ষেত্রে উপাচার্য নিয়োগে অনেকটা দেরি হলে পরীক্ষার পরে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ফল প্রকাশ করতে সমস্যায় পড়তে পারে। ফলে এমন একটা আশঙ্কা ছাত্র ও শিক্ষক মহলেও রয়েছে।

    কী বললেন স্থানীয় তৃণমূল সাংসদ?

    প্রায় দেড় মাস আগে আলিপুরদুয়ার (Alipurduar) বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য মহেন্দ্রনাথ রায়ের কাজের মেয়াদ শেষ হয়ে গিয়েছে। তাঁর মেয়াদ আর বাড়ানো হয়নি, পুনরায় দায়িত্ব না পাওয়ায় তিনি পুরানো কর্মস্থলেই ফিরে গিয়েছেন। এরপর প্রায় দেড় মাস কেটে গেলেও নতুন করে কাউকে উপাচার্য নিয়োগ করা হয়নি। উপাচার্য নিয়োগে এত উদাসীনতা কেন? তা নিয়ে নানা মহলে উঠেছে প্রশ্ন। যদিও আলিপুরদুয়ারের বাসিন্দা তথা রাজ্যসভার সাংসদ প্রকাশ চিক বরাইক বলেন, উপাচার্য নিয়োগের বিষয়টি নিয়ে রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলেছি। তিনি বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখবেন বলে জানিয়েছেন।

    কী বললেন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন উপাচার্য?

    আলিপুরদুয়ার (Alipurduar) বিশ্ববিদ্যালয় গঠনের পর প্রথম উপাচার্য হিসেবে মহেন্দ্রনাথ রায় ২০২০ সালের ২৩ ডিসেম্বর কাজে যোগদান করেন। ২০২২ সালের ২২ শে ডিসেম্বর পর্যন্ত উপাচার্য হিসেবে টানা দায়িত্ব পালন করেছেন তিনি। ওই সময়ের পর পুনরায় নিয়োগ না করায় তিনি তাঁর পুরনো কর্মস্থলে ফিরে যান। গত ২৩ শে ডিসেম্বর থেকে ৮ ই মার্চ পর্যন্ত আলিপুরদুয়ার বিশ্ববিদ্যালয় কার্যত উপাচার্যহীন অবস্থায় ছিল। এর ফলে কয়েক মাস বিশ্ববিদ্যালয়ে আর্থিক কোনও বরাদ্দ আসেনি, নানা রকম সমস্যার সম্মুখীন হয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। বিশ্ববিদ্যালয়ের এই পরিস্থিতিতে অস্থায়ীভাবে গত ৯ মার্চ মহেন্দ্রনাথ রায়কে উপাচার্য হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়। গত ৮ জুন পর্যন্ত তাঁর কার্যকালের মেয়াদ ছিল। গত ৯ জুন মহেন্দ্রনাথ রায় উত্তরবঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয় তাঁর পুরানো কর্মস্থলে ফিরে যান। নতুন এই বিশ্ববিদ্যালয়ের বারবার উপাচার্য পদে শূন্যতা তৈরি হওয়ায় এখানকার পরিকাঠামো, পঠন-পাঠনের সম্প্রসারণ সহ বিভিন্ন উন্নয়নের কাজ কার্যত গতি হারাচ্ছে। আলিপুরদুয়ার বিশ্ববিদ্যালয় প্রাক্তন উপাচার্য মহেন্দ্রনাথ রায় বলেন, আমি যখন দায়িত্বে ছিলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের পঠন-পাঠন সহ অন্যান্য কাজের ক্ষেত্রে শিক্ষক ছাত্র-শিক্ষা কর্মীসহ আলিপুরদুয়ারবাসীর সকলের সহযোগিতা পেয়েছি। যেহেতু এখন দায়িত্বে নেই, তাই এখন বিশ্ববিদ্যালয় প্রসঙ্গে কোনও মন্তব্য করা ঠিক হবে না।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share