Tag: Alipurduar

Alipurduar

  • North Bengal: প্রবল বর্ষণে উত্তরবঙ্গ বিপর্যস্ত, জলপাইগুড়ি-আলিপুরদুয়ারে লাল সতর্কতা

    North Bengal: প্রবল বর্ষণে উত্তরবঙ্গ বিপর্যস্ত, জলপাইগুড়ি-আলিপুরদুয়ারে লাল সতর্কতা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দক্ষিণবঙ্গে তেমন বৃষ্টি না হলেও উত্তরবঙ্গে (North Bengal) ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টিপাতে বেহাল সাধারণ জনজীবন। গোটা উত্তরবঙ্গের নদীগুলির জলে চাষের জমি, বাড়িঘর প্লাবিত। জলপাইগুড়ি, আলিপুরদুয়ার, কোচবিহার, দার্জিলিঙে আগামী দুই থেকে তিনদিন ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে বলে আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে। পাহাড় থেকে সমতল, উত্তরের বেশ কিছু  জেলায় জারি হয়েছে লাল সতর্কতা।

    কোচবিহার

    কোচবিহারের (North Bengal) তোর্সা নদীর অসংরক্ষিত এলাকায় প্রবল বৃষ্টির জলে প্লাবনের সৃষ্টি হয়েছে। তুফানগঞ্জ, বালাভূত অঞ্চলর অনেক মানুষের বাড়িঘর অধিক বৃষ্টিপাতে জলামগ্ন হয়ে পড়েছে। মেখলিগঞ্জে ক্ষেতের জমি, সৌরসেচ প্রকল্প, বৈদ্যুতিক ল্যাম্প ঝাউকুঠি নদীর জলে ডুবে গেছে।

    আলিপুরদুয়ার

    আলিপুরদুয়ারের (North Bengal) মেচপাড়া এলাকয় জলমগ্ন হয়ে আটকে পড়েছেন অনেক মানুষ। উদ্ধার কাজের জন্য সেনাবাহিনী, এনডিআরএফ, বায়ুসেনা একযোগে কাজ শুরু করেছে। বাঙরি নদীর জল ঢুকে ভেসে গেছে অঙ্গনঅওাড়ির এক কেন্দ্র। বৃষ্টির জলের স্তর এবং স্রোত এতটাই প্রবল ছিল যে লালো নাগাসিয়া নামক এক বৃদ্ধার রাস্তা পার হতে গিয়ে মৃত্যু ঘটেছে বলে জানা গেছে।

    জলপাইগুড়ি

    জলপাইগুড়ির (North Bengal) বানারহাটে সবথেকে অধিক বৃষ্টিপাত হয়েছে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া দফতর। গত ২৪ ঘণ্টায় প্রায় ২৯০ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়েছে। এছাড়াও মালবাজার, হাসিমারায় অতি ভারী বৃষ্টিপাত হয়। অপর দিকে তিস্তা, জলঢাকা, ডায়না নদীর জল বিপদ সঙ্কেতের উপর দিয়ে বইছে। অধিকাংশ নদীর জল ঢুকে পড়ছে আশেপাশের গ্রামে। জলপাইগুড়ি জেলাশাসক মৌমিতা গোদারা বসু বলেছেন, বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের জন্য শুকনো খাবার এবং রান্না করে খাবার দেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে। দুর্গতদের অন্যত্র নিয়ে যাওয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে। কার্যত অধিক বৃষ্টিপাতের কারণে স্বাভাবিক জনজীবন বিপর্যয়ের মধ্যে রয়েছে।

    পাশাপাশি পাহাড় অঞ্চলের ভূটান, সিকিম, দার্জিলিং (North Bengal) সর্বত্র ভারী বৃষ্টিতে বিপর্যস্ত। শিলিগুড়ি পুরনিগমের বেশ কিছু এলাকা জলমগ্ন হয়ে গেছে। ফুলেশ্বরী, জোড়াপানি, সাহু নদীতে জলের স্তর অনেক বেড়ে গেছে। কিছু কিছু এলাকায় লাল সতর্কতা জারি করা হয়েছে বলে জানা গেছে। এই বর্ষণ আগামী আরও ২ দিন হতে পারে বলে আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Panchayat Election 2023: জেতার পরও মেলেনি সার্টিফিকেট, আলিপুরদুয়ারে সরব একাধিক বিজেপি প্রার্থী

    Panchayat Election 2023: জেতার পরও মেলেনি সার্টিফিকেট, আলিপুরদুয়ারে সরব একাধিক বিজেপি প্রার্থী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ৭৩৯ ভোটে জেতার পরও দেওয়া হয়নি উইনিং সার্টিফিকেট। এমনই চাঞ্চল্যকর অভিযোগ এনে সরব হয়েছেন আলিপুরদুয়ার জেলা পরিষদের এক প্রার্থী। বাধ্য হয়ে উচ্চ আদালত ও রাজ্যপালের দ্বারস্থ হচ্ছেন আলিপুরদুয়ারের কুমারগ্রামের জেলা পরিষদের (Panchayat Election 2023) ওই প্রার্থী অমিতা মাহাত (চক্রবর্তী)। বিজেপির জেলা পরিষদের ওই প্রার্থীর অভিযোগ, প্রশাসনের লোকই ভোট গণনার পর আমাকে জয়ের কথা জানিয়ে দেয়। আমি উইনিং সার্টিফিকেট নেওয়ার জন্য অপেক্ষা করি। আমাকে সেখানে তৃণমূলের লোকরা রীতিমতো হুমকি দিয়ে বলতে থাকে, আমি যদি উইনিং সার্টিফিকেট নিই, আমাকে মার্ডার করে দেওয়া হবে। এরপরও বিডিও সাহেবের কাছে আমি বার বার বলেছি, আমাকে উইনিং সার্টিফিকেট দিন। কিন্তু আমাকে এখনও পর্যন্ত তা দেওয়া হয়নি। বিজেপির ওই প্রার্থীর অভিযোগ, সেদিন গণনা কেন্দ্রের ভিতরে আমার কাউন্টিং এজেন্টদের অনেককেই বের করে দেওয়া হয়। অথচ তৃণমূলের গুন্ডাবাহিনী সেখানে অবাধে বিচরণ করে। আমি কয়েকজন মাত্র এজেন্টকে নিয়ে সেখানে ভোট গণনার খোঁজখবর নিয়ে নিতে থাকি। তাতে প্রত্যেকটা অঞ্চলে আমার লিড ছিল। সেখানে প্রশাসনের আধিকারিকরাই অনেকে জানিয়ে দেন আপনি জয়ী হয়েছেন। অথচ সার্টিফিকেট দেওয়া হল না।

    একই অভিজ্ঞতার সম্মুখীন আরও প্রার্থীরা (Panchayat Election 2023) 

    কুমারগ্রামের ওই ভোট গণনার দিন ভয়াবহ এক পরিস্থিতির সম্মুখীন হয়েছিলেন বলে বিজেপির আরেক প্রার্থী (Panchayat Election 2023) কল্পনা নাগও চাঞ্চল্যকর অভিযোগ এনেছেন। ২০১৮ সালে কল্পনা নাগ কুমারগ্রাম থেকেই আলিপুরদুয়ারে একমাত্র জেলা পরিষদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন। তিনি বলেন, ২০১৮ সালে শাসক দলের ভোট লুট থেকে অরাজকতার বিরুদ্ধে লড়েও সেবার জয়ী হয়েছিলাম। কিন্তু এবার যে ধরনের পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে ভোট গণনা হল, সেটা বর্ণনা করার ভাষা আমার কাছে নেই। আমার কাউন্টিং এজেন্টদের গণনা কেন্দ্র থেকে তৃণমূলের গুন্ডারা বের করে দিয়েছে। ওই ঘটনার প্রতিবাদ করলে আমাকে একটা ঘরে আটকে দিয়ে তারা হুমকি দিয়ে বলছিল, আপনি এখান থেকে উইনিং সার্টিফিকেট নিয়ে বেরোলে আপনার যে কী পরিণতি হবে, সেটা ভাবতে পারছেন না। সাংবাদিক বৈঠকে জেলা পরিষদের কুমারগ্রামের বিজেপির আরেক প্রার্থী মেনকা ভক্তও একই অভিজ্ঞতার কথা জানিয়েছেন।

    কী বললেন বিজেপির জেলা নেতৃত্ব?

    বিজেপির জেলার সাধারণ সম্পাদক মিঠু দাস বলেন, আলিপুরদুয়ারের মানুষ বিজেপির প্রার্থীদের দু’হাত তুলে আশীর্বাদ করেছিলেন। কিন্তু প্রশাসন ও শাসক দল মিলেমিশে একাকার হয়ে জনগণের সেই রায়কে খারিজ করে দিয়ে জোর করে নিজেদের জয়ী (Panchayat Election 2023) ঘোষণা করেছে। মানুষ যথা সময়ে এর জবাব দেবেন। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Alipurduar: কে পুলিশ, কে রাজীব, আর কে তৃণমূল? চেনা মুশকিল! বিস্ফোরক শুভেন্দু

    Alipurduar: কে পুলিশ, কে রাজীব, আর কে তৃণমূল? চেনা মুশকিল! বিস্ফোরক শুভেন্দু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আলিপুরদুয়ারে (Alipurduar) শেষ রবিবারের প্রচারে ঝড় তুললেন বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। রবিবার জেলার তিন জায়গায় সভা করেন তিনি। বীরপাড়ার জুবিলি ক্লাবের মাঠ থেকে প্রচার শুরু করেন। সাধারণ মানুষকে চোরদের ভালো করে চিনে নিতে হবে এবং পঞ্চায়েতকে চোরমুক্ত করতে হবে বলে হুঙ্কার দেন শুভেন্দু অধিকারী।

    বীরপাড়াতে (Alipurduar) কী বললেন শুভেন্দু?

    বীরপাড়া (Alipurduar) জুবিলি ক্লাবের মাঠ থেকে রাজ্য সরকারকে তীব্র আক্রমণ শুরু করেন শুভেন্দু অধিকারী। এদিন তিনি বলেন, উত্তরবঙ্গের মানুষের আশা-আকাঙ্খা ততদিন পূরণ হবে না, যতদিন রাজ্যে বিজেপির সরকার প্রতিষ্ঠা হচ্ছে। পঞ্চায়েত নির্বাচন হচ্ছে কোয়ার্টার ফাইনাল। এই নির্বাচনে পিসি-ভাইপোর কোম্পানিকে বিদায় দিতে হবে। দুর্নীতিগ্রস্ত এই দলকে গ্রাম পঞ্চায়েত, পঞ্চায়েত সমিতি ও জেলা পরিষদে পরাজিত করতে হবে। এদিন শুভেন্দু প্রশ্ন তোলেন, শিলিগুড়িতে মিনি মহাকরণ হওয়ার কথা ছিল! কিন্তু কী হয়েছে সেখানে? কেউ কি কোনও জায়গা থেকে শিলিগুড়িতে প্রতিদিন কাজ করতে যান?

    অভিষেকের উদ্দেশে কী বললেন?

    এদিন ফালাকাটায় (Alipurduar), অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের তোলা অভিযোগকে খণ্ডন করেন শুভেন্দু। তিনি বলেন, অভিষেক বলেছেন আমরা দিল্লি গিয়ে রাজ্যের পাওনা বন্ধ করে দিয়েছি। আমরা রাজ্যের পাওনা বন্ধ করিনি। আমরা এই রাজ্যের ভ্রষ্টাচার, দুর্নীতি বন্ধ করেছি। আমরা জনগণের টাকা নয়ছয় করতে দিতে পারি না! এদিন বীরপাড়ার সভার পর কালচিনির থানা মাঠে সভা করেন শুভেন্দু। এরপর সেখান থেকে কুমারগ্রামের বারোবিশা বিবেকানন্দ ক্লাবের মাঠে শুভেন্দুর সভা হয়।

    বঞ্চিত উত্তরবঙ্গ সম্পর্কে কী বললেন?

    পঞ্চায়েত নির্বাচনের প্রচারে আলিপুরদুয়ারে (Alipurduar) তিনি বলেন, রাজ্যের চা বাগানের শ্রমিকদের প্রাপ্য পারিশ্রমিক দিচ্ছেন না মুখ্যমন্ত্রী। উত্তরবঙ্গের নদীর বালি, পাথর চুরি করে অবৈধ ভাবে চালান করছে সরকারের আশ্রিত মাফিয়ারা। জঙ্গলের গাছ পাচার হচ্ছে। উত্তরবঙ্গের উন্নয়নের দিকে নজর নেই তৃণমূল সরকারের। লোকসভা, বিধানসভা নির্বাচনে এই এলাকার মানুষ বিজেপিকে আশীর্বাদ দিয়েছেন। কিন্তু এলাকার জন প্রতিনিধিদের এই তৃণমূল সরকার কাজ করতে দিচ্ছে না। তিনি আরও বলেন, সরকারি যে কোনও কাজে বিজেপির জন প্রতিনিধিদের ডাকা হয় না। সেই সঙ্গে তিনি বলেন, উত্তরবঙ্গে রাহুল নামক এক তৃণমূলের মাফিয়াকে দিয়ে গরু পাচারের কাজ করছে ভাইপো। পুলিশ প্রত্যক্ষভাবে সমস্ত অবৈধ কাজের অনুমোদন দিয়ে দুষ্কৃতীদের কাছ থেকে টাকা খাচ্ছে। তিনি খুব স্পষ্ট করে বলেন, উত্তরবঙ্গে রাজ্য লটারি খেলাকে ঘিরে অবৈধভাবে তৃণমূলের নেতারা দুর্নীতি করে চুরি করেছে। কে পুলিশ! কে রাজীব! আর কে তৃণমূল! চেনা মুশকিল!

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Alipurduar: আলিপুরদুয়ারে বিজেপি আরও শক্তিশালী, শুভেন্দুর প্রচার ঘিরে উৎসাহ তুঙ্গে

    Alipurduar: আলিপুরদুয়ারে বিজেপি আরও শক্তিশালী, শুভেন্দুর প্রচার ঘিরে উৎসাহ তুঙ্গে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিজেপির গড় হল আলিপুরদুয়ার (Alipurduar)। গত লোকসভা ও বিধানসভায় এখানে দাঁত ফোটাতে পারেনি শাসক দল। তাই এবার জেলা পরিষদ দখল করাই গেরুয়া শিবিরের মূল লক্ষ্য। সেই সঙ্গে শাসক দলের কোন্দলকেই হাতিয়ার করতে চায় বিজেপি। তাই জেলা জুড়ে প্রচারে আসছেন রাজ্যের বিরোধী নেতা শুভেন্দু অধিকারী। 

    কীভাবে সুবিধা পাবে বিজেপি (Alipurduar)?

    আলিপুরদুয়ার (Alipurduar) জেলার কুমারগ্রাম, মাদারিহাট, কালচিনি, ফালাকাটা ব্লকে বিজেপির দাপট এতটাই যে, সেখানে শাসক শিবিরের তৃণমূল প্রার্থীরা রীতিমতো চাপে রয়েছেন বলে জানা গেছে। আলিপুরদুয়ার ১, আলিপুরদুয়ার ২ ব্লকেও বিজেপির সাংগঠনিক শক্তি রয়েছে বেশ জোরদার। তবে এখানে বিজেপির কাছে প্লাস পয়েন্ট হল শাসক শিবিরের নিজেদের মধ্যে ব্যাপক গোষ্ঠী কোন্দল। যার বাড়তি সুবিধা পাবে গেরুয়া শিবিরের প্রার্থীরা। এরপর শুভেন্দুর সভা হতে চলেছে। আর তাঁকে ঘিরেই রীতিমতো টগবগ করে ফুটছেন গেরুয়া শিবিরের কর্মীরা।

    বিজেপির বক্তব্য

    বিজেপির জেলা সভাপতি (Alipurduar) ভূষণ মোদক বলেন, ২ জুলাই শুভেন্দু অধিকারী আলিপুরদুয়ার জেলার তিনটি জায়গায় নির্বাচনী সভা করবেন। এছাড়াও ৪ জুলাই রাজু বিস্তা নির্বাচনী সভায় আলিপুরদুয়ারে আসছেন। তিনি জেলার তিনটি জায়গায় ওইদিন সভা করবেন। বিজেপি সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, শুভেন্দু অধিকারী বীরপাড়ার জুবিলি মাঠ, কালচিনি সুভাষিনী টি গার্ডেন মাঠ, কুমারগ্রামের বারোবিশা বিবেকানন্দ ক্লাবের মাঠে ওইদিন তিনটি জনসভা করবেন। পঞ্চায়েত ভোটের মুখে তাঁর এই নির্বাচনী সভাগুলিকে কেন্দ্র করে সেই তাপ-উত্তাপ অনেকটাই আমজনতার মধ্যেও ছড়িয়ে পড়বে বলে মনে করছে রাজনৈতিক।

    তৃণমূলের দলীয় কোন্দল

    পঞ্চায়েত নির্বাচনের কয়েক মাস আগেই বিজেপি দলীয় প্রার্থীর নাম চূড়ান্ত করে রেখেছিল এই আলিপুরদুয়ার (Alipurduar) জেলায়। নির্বাচন ঘোষণা হতেই সব আসনে মনোনয়ন জমা করেছেন বিজেপি প্রার্থীরা। অপর দিকে শাসক শিবিরে আলিপুরদুয়ারে (Alipurduar) প্রার্থী নিয়ে মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত তুমুল বিক্ষোভের কথা সংবাদ মাধ্যমে উঠে আসে। এমনকি যাঁদের নাম প্রার্থী হিসাবে ঘোষণা করার কথা ছিল, তাঁদের নাম শেষ পর্যন্ত চূড়ান্ত হয়নি। শাসক দলের স্বচ্ছ ভাবমূর্তির অনেক নেতা শেষ পর্যন্ত টিকিট না পাওয়ায় দলের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ করেছেন বলে জানা গেছে। এই সুযোগে ভোটে বিজেপি নিজেদের প্রচার অভিযান চালিয়ে জেলায় বাজিমাত করতে চাইছে বলে রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা মত প্রকাশ করছেন।

     

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Alipurduar: আলিপুরদুয়ারে বাড়ি বাড়ি জনসংযোগে বিজেপি, তৃণমূল ব্যস্ত কোন্দলেই

    Alipurduar: আলিপুরদুয়ারে বাড়ি বাড়ি জনসংযোগে বিজেপি, তৃণমূল ব্যস্ত কোন্দলেই

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আলিপুরদুয়ারে (Alipurduar) শাসক দল যখন প্রার্থী নিয়ে কোন্দল সামাল দিতে বেসামাল অবস্থায়, তখন গেরুয়া শিবিরের প্রার্থীরা ভোটারদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে জনসংযোগে ব্যস্ত থাকছেন। বড় বড় জনসভার উপর নজর না দিয়ে ছোট ছোট কর্মী-বৈঠক ও ভোটারদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে প্রার্থীদের হয়ে প্রচারেই জোর দিয়েছে বিজেপির জেলা নেতৃত্ব। জেলায় বিজেপি ভীষণ আত্মবিশ্বাসী বলে জানা গেছে।

    কেমন চলছে ভোটের প্রচার (Alipurduar)?

    নিজেদের খাস তালুকে (Alipurduar) ভোট প্রচারে বেশি হইচই না করে মানুষের কাছে পৌঁছে গিয়েই বাজিমাত করার ছক করেছে গেরুয়া শিবির। বিজেপির জেলা সভাপতি ভূষণ মোদক বলেন, আগামী ৫ই জুলাই জেলায় কেন্দ্রীয়ভাবে একটি নির্বাচনী জনসভা করা হবে। সেখানে রাজ্য ও কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব উপস্থিত থাকবেন। তবে কারা কারা সেই সভায় আসবেন, তা এখনও চূড়ান্ত হয়নি। তবে প্রার্থী ও কার্যকর্তারা জনসংযোগের উপরেই বেশি জোর দিয়েছেন। বাড়ি বাড়ি প্রচারে গিয়ে তাঁরা ভালো সাড়া পাচ্ছেন বলে দাবি করেন তিনি।

    তৃণমূলের দলীয় কোন্দল

    বিজেপি কয়েক মাস আগেই দলীয় প্রার্থীর নাম চূড়ান্ত করে রেখেছিল। সেই মতো ভোটের দিনক্ষণ ঘোষণা হতেই মনোনয়ন জমা করতে থাকেন বিজেপির প্রার্থীরা। অপর দিকে শাসক-শিবিরে আলিপুরদুয়ারে (Alipurduar)  প্রার্থী নিয়ে মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত তুমুল বিক্ষোভ হয়েছিল বলে জানা গেছে। ঘোষিত প্রার্থীদের বদলও করতে বাধ্য হয়েছে শাসক দল। কিন্তু তাতেও পুরোপুরি বিক্ষোভ তারা কাটিয়ে উঠতে পারেনি। শাসক দলের স্বচ্ছ ভাবমূর্তির অনেক নেতাকর্মী শেষ পর্যন্ত টিকিট না পাওয়ায় নিজেদের গুটিয়ে নিয়েছেন।

    বিজেপি ঘর গুছিয়ে নিয়েছে

    শাসকদলের প্রার্থীদের নিয়ে চাপা বিক্ষোভ থাকলেও গেরুয়া শিবিরের ছবিটা উল্টো বলেই মনে করছে জেলার রাজনৈতিক মহল। প্রার্থী নিয়ে তেমন দ্বন্দ্বের কথা নজরে আসেনি। গত লোকসভা ও বিধানসভা ভোটে আলিপুরদুয়ারের (Alipurduar) মানুষ একচেটিয়া ভাবে বিজেপির প্রার্থীদের ভোট দিয়েছেন। শাসক দল ধরাশায়ী হলেও পঞ্চায়েত ভোটে ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করছে। যদিও গেরুয়া শিবির নিজেদের শক্ত ঘাঁটিকে আরও মজবুত করতে প্রার্থীদের নিয়ে সরাসরি জনসংযোগে বেশি গুরুত্ব দিয়েছে বলে জানা গেছে। বিজেপির দাবি, পঞ্চায়েত ভোট যদি নির্বিঘ্নে ও শান্তিপূর্ণ হয়, তাহলে বিজেপির প্রার্থীরা এবারেও ভালো ফল করবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • TMC: পঞ্চায়েত ভোটের আগে আলিপুরদুয়ারে তৃণমূল ছাড়ার হিড়িক, কেন জানেন?

    TMC: পঞ্চায়েত ভোটের আগে আলিপুরদুয়ারে তৃণমূল ছাড়ার হিড়িক, কেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ত্রিস্তর পঞ্চায়েত নির্বাচনে আলিপুরদুয়ার জেলার প্রার্থী নিয়ে অসন্তোষের জেরে তৃণমূল কংগ্রেস (TMC) ছাড়া ও দলীয় পদ থেকে পদত্যাগের হিরিক শুরু হয়েছে। আলিপুরদুয়ার জেলায় শাসকদলের নিচু তলায় ক্ষোভ বিক্ষোভ পঞ্চায়েত ভোটের আগে যথেষ্টই অস্বস্তিতে ফেলেছে দলের জেলা নেতৃত্বকে। যোগ্য প্রার্থীদের বঞ্চিত করে অনেক জায়গায় অযোগ্য ও বিতর্কিতদের দল প্রার্থী করায় শাসকদলের এই কোন্দল ক্রমশ চওড়া হয়েছে। পুরনো অনেক তৃণমূল নেতা অনুগামীদের নিয়ে বিজেপিতে যোগ দিয়েছেন। কেউ কেউ কংগ্রেসে নাম লিখিয়ে সেই দলের প্রার্থী হয়েছেন। কেউ কেউ আবার নির্দল হয়ে দলের প্রার্থীর বিরুদ্ধে লড়ছেন। পঞ্চায়েত ভোটের দিন যত এগিয়ে আসবে শাসক দলের অভ্যন্তরীণ কোন্দল আরও মারাত্মক আকার নিতে পারে বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

    কারা তৃণমূল (TMC) ছাড়লেন?

    আলিপুরদুয়ার জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের (TMC) সহ-সভাপতি সুরেশ চন্দ্র রায়,তৃণমূল কংগ্রেসের জেলা কমিটির সদস্য রঞ্জন রায়, বঞ্চুকামারী অঞ্চল তৃণমূল কংগ্রেসের চেয়ারম্যান জগদীশচন্দ্র রায় সহ অনেকেই দলীয় পথ থেকে অব্যাহতি চেয়ে পদত্যাগপত্র পাঠিয়েছেন। তোমার গ্রামের একসময়ের তৃণমূলের বিধানসভার প্রার্থী স্বপন কুজুর নিজে অনুগামীদের নিয়ে দুদিন আগে বিজেপিতে যোগদান করেছেন। আলিপুরদুয়ার ১ ব্লকের একাধিক গ্রাম পঞ্চায়েত প্রধান এবারে বিরোধীদল থেকে মনোনয়ন জমা দিয়েছেন।

    কী বললেন বিক্ষুব্ধ তৃণমূল (TMC) নেতা?

    দলের নেতৃত্বের উপর ক্ষুব্ধ আলিপুরদুয়ার জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের (TMC) সহ-সভাপতি সুরেশ চন্দ্র রায়। তিনি বলেন, ১২ নম্বর জেলা পরিষদ আসনে আমাকে দল প্রার্থী করবে বলে অনেক আগে থেকেই সেখানে সাংগঠনিক কাজকর্ম ও রাজনৈতিক কাজকর্ম শুরু করে দিয়েছিলাম।  কিন্তু, শেষ মুহূর্তে দেখা যায় বাইরে থেকে একজনকে এনে সেখানকার জেলা পরিষদ আসনে প্রার্থী করা হয়। দলের নীচু তলার কর্মী সমর্থকরা কেউ এটা মানতে পারছেন না। তাদের কাছে আমাকেও জবাবদিহি করতে হচ্ছে। বাধ্য হয়েই দলীয় পদ থেকে ইস্তফা পত্র পাঠিয়েছি। সুরেশবাবু দলীয় পদ থেকে সরে যেতেই ১২ নম্বর জেলা পরিষদ আসনের তিনটি গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকার শাসকদলের ভোটারদের মধ্যে হতাশা কাজ করছে। সুরেশবাবু রাজবংশী সমাজের একজন বুদ্ধিজীবী মানুষ। রাজবংশী সমাজে আলিপুরদুয়ার জেলার গ্রামীণ এলাকায় তার ব্যাপক জনপ্রিয়তাও রয়েছে। ফলে, সামনের পঞ্চায়েত ভোটে সুরেশবাবুকে দল টিকিট না দেওয়ায় তার ফল শাসক দলকেই  ভোগ করতে হতে পারে বলে রাজনৈতিক মহল মনে করছে।

    কী বললেন তৃণমূল (TMC) নেতৃত্ব?

    শাসক দলের এই ভাঙন এবং ক্ষোভ, বিক্ষোভ পঞ্চায়েত ভোটের মুখে যথেষ্টই চাপে ফেলে দিয়েছে জেলা নেতৃত্বকে। যদিও তৃণমূলের (TMC) জেলা সভাপতি প্রকাশ চিক বরাইক বলেন, দল যাদেরকে প্রার্থী করেছে তাদেরকেই মানুষ সমর্থন করবেন। আমরা দেখে শুনে বিচার বিশ্লেষণ করেই দলের সমস্ত প্রার্থী ঠিক করেছি। ফলে এই সময় যারা দলের বিরোধিতা করছেন তারা কেউ দলকে ভালবাসতে পারেন না। মানুষ তাদেরকে যোগ্য জবাব দেবেন।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • TMC: প্রার্থী বাছাই নিয়ে তৃণমূলের দুই গোষ্ঠীর মধ্যে তুমুল গণ্ডগোল, জেলাজুড়ে শোরগোল

    TMC: প্রার্থী বাছাই নিয়ে তৃণমূলের দুই গোষ্ঠীর মধ্যে তুমুল গণ্ডগোল, জেলাজুড়ে শোরগোল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পঞ্চায়েতে প্রার্থী বাছাইকে কেন্দ্র করে আলিপুরদুয়ারে তৃণমূলের (TMC) দুই  গোষ্ঠীর লড়াই এবার প্রকাশ্যে এল। সোমবার রাতে আলিপুরদুয়ারের কাঁঠালতলা এলাকায় দুই গোষ্ঠীর মধ্যে প্রথমে কথা কাটাকাটি হয়। পরে হাতাহাতি থেকে এলাকায় ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। পঞ্চায়েত ভোটের মুখে দলের ওই গোষ্ঠী কোন্দল শাসক দলকে চরম অস্বস্তিতে ফেলে দিয়েছে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে?

    আলিপুরদুয়ার বিবেকানন্দ ২ গ্রাম পঞ্চায়েতের কাঠালতলা এলাকায় একটি দলীয় কার্যালয়ে শাসক দলের (TMC) কয়েকজন নির্বাচিত সদস্যের উপস্থিতিতে সোমবার সন্ধ্যায় দলের বিরুদ্ধে শাসক দলের অনেকেই ক্ষোভ উগরে দিচ্ছিলেন। কিছুক্ষণ পর দলের অঞ্চল সভাপতি সুকান্ত দের নেতৃত্বে একদল ক্ষমতাসীন গোষ্ঠীর নেতা কর্মীরা সেখানে চলে আসেন। এরপরেই দুই গোষ্ঠীর মধ্যে প্রথমে কথা কাটাকাটি হয়। পরে, বেধড়ক পেটানো হয় বলে অভিযোগ। খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে ছুটে আসে আলিপুরদুয়ার থানার আই সি অনিন্দ্য ভট্টাচার্যের নেতৃত্বে একদল পুলিশবাহিনী। পরিস্থিতি সামাল দিতে পুলিশ দুই গোষ্ঠীর নেতা কর্মী সমর্থকদের দলীয় কার্যালয় থেকে বের করে দেয়।

    কী বললেন তৃণমূলের (TMC) বিক্ষুব্ধ গোষ্ঠীর নেতারা?

    বিক্ষুব্ধ তৃণমূলের নেতা ও জনপ্রতিনিধিরা বলেন, “দীর্ঘদিন এলাকা থেকে নির্বাচিত স্বচ্ছ ভাব মূর্তির বেশ কিছু পঞ্চায়েতের জনপ্রতিনিধিকে এবারে টিকিট দেওয়া হচ্ছে না বলে দল থেকে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে। অথচ এমন প্রার্থী করা হয়েছে, যাদের সম্পর্কে অনেক অভিযোগ রয়েছে।”

    কী বললেন তৃণমূলের (TMC) জেলা সভাপতি?

    দলীয়ভাবে প্রার্থী তালিকা এখনও ঘোষণা না করলেও প্রার্থী নিয়ে অঞ্চল নেতৃত্বদের উপস্থিতিতে ইতিমধ্যে দল একটা চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে এসেছে। দলের জেলা সভাপতি জানিয়েছেন ৫০ শতাংশের বেশি বিদায়ী জনপ্রতিনিধিকে এবারে দল টিকিট দেবে না। পারফরম্যান্স বিচার করেই প্রার্থী চয়ন করা হয়েছে। ফলের শাসকদলের টিকিট না পেয়ে এবারে অনেকেই দলের বিরুদ্ধেই যেমন লড়ার প্রস্তুতি শুরু করে দিয়েছেন। পাশাপাশি শাসক শিবিরও কার্যত দু’ভাগে বিভক্ত হয়ে, একে অপরের বিরুদ্ধে শুধু প্রচার নয়, চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিতে প্রস্তুতি নিচ্ছেন। যদিও দলের জেলা সভাপতি প্রকাশ চিক বড়াইক জানিয়েছেন, “দল যাদেরকে প্রার্থী করবে,তাদের হয়েই সকলে লড়বেন। কেউ দলের টিকিট না পেয়ে নির্দল হয়ে বা অন্য কোনও দলের হয়ে লড়তে পারেন। এ নিয়ে শাসক দল বাধা দেবে না। শান্তিপূর্ণভাবেই মানুষ ভোট দেবেন, এবং আমরা দলের যোগ্য প্রার্থীদের নির্বাচিত করব।” আলিপুরদুয়ারে পঞ্চায়েত ভোটে শাসকদলের বড় কাঁটা শাসক দলই। এহেন পরিস্থিতিতে রাজনৈতিকভাবে ফায়দা তুলতে পারেন বিরোধীরা।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

     

     

  • BJP: পঞ্চায়েতে ভোট লুট রুখতে বুথে বুথে মহিলা ব্রিগেড গড়ল বিজেপি

    BJP: পঞ্চায়েতে ভোট লুট রুখতে বুথে বুথে মহিলা ব্রিগেড গড়ল বিজেপি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লক্ষ্য আলিপুরদুয়ার জেলা পরিষদ এবং ছয়টি পঞ্চায়েত সমিতি  দখল করা। এবার সেই লক্ষ্যপূরণে বুথে বুথে মহিলা ব্রিগেড তৈরি করল বিজেপি (BJP)। এমনিতেই এই জেলায় গত লোকসভা ও বিধানসভা ভোটে শাসকদলকে মাথা তুলে দাঁড়াতে দেয়নি গেরুয়া শিবির। আলিপুরদুয়ারের পাঁচটি বিধানসভা ও একটি লোকসভা কেন্দ্র  রয়েছে। সবকটিতেই বিজেপি ক্ষমতায় রয়েছে। সামনে পঞ্চায়েত ভোট ধরে নিয়ে এবারে গেরুয়া শিবির প্রস্তুতি শুরু করেছে।

    মহিলা ব্রিগেডে কতজন সদস্য থাকবেন?

    পাখির চোখ আলিপুরদুয়ার জেলা পরিষদ ও ছয়টি পঞ্চায়েত সমিতি  দখল করা। তবে পঞ্চায়েত ভোটে শাসক দল ভোট লুট থেকে ছাপ্পা ভোট করাতে পারে এমনটা ধরে নিয়েই বিজেপির (BJP) মহিলা মোর্চা রীতিমত কোমর বেঁধে পঞ্চায়েত নির্বাচনের প্রস্তুতি শুরু করেছে। তারা প্রত্যেকটি বুথে পাঁচজন করে মহিলাদের নিয়ে বুথরক্ষা বাহিনী গঠন করছে। ইতিমধ্যে প্রায় ৮০ শতাংশ বুথে মহিলা বুথ সুরক্ষা বাহিনী  গঠন করা হয়েছে। পাঁচজন করে মহিলা যারা বুথ সুরক্ষা বাহিনীতে থাকবেন, তারাই ঢাল হিসাবে কাজ করবেন। যাতে কোনওভাবেই কোনও বুথ থেকে ভোট লুট ও ছাপ্পা করাতে না পারে শাসক দল। মহিলাদের সাহায্য করবে যুব মোর্চা থেকে দলের কার্যকর্তারাও।

    কী বললেন বিজেপি (BJP) জেলা সভাপতি?

    বিজেপির (BJP) জেলা সভাপতি ভূষণ মোদক বলেন, “আলিপুরদুয়ারে বিজেপির যা সংগঠন এবং মানুষের যে সমর্থন রয়েছে তাতে আমরা নির্বিঘ্নে জেলা পরিষদ গঠন করতে পারবো। নিরপেক্ষভাবে ভোট হলে শাসক দল একটিও জেলা পরিষদের আসন দখল করতে পারবে না। তাই ভোট লুট এবং ছাপ্পা রুখতে আমাদের মহিলা ছাত্র যুবরা পঞ্চায়েত ভোটের জন্য তৈরি হচ্ছে”। সম্প্রতি মহিলা মোর্চার আলিপুরদুয়ার জেলা সম্মেলনে মহিলাদের বিরাট উপস্থিতি এবং তাদের উৎসাহ উদ্দীপনা গেরুয়া শিবিরকে অনেকটাই উজ্জীবিত করেছে। মহিলা মোর্চার বৈঠকে উপস্থিত হয়ে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জন বারলা ও বিধায়ক মনোজ টিগ্গা রাজ্যে মহিলাদের উপর নির্যাতনের ঘটনা থেকে শুরু করে সরকারি চাকরিতে দুর্নীতির বিষয়গুলি মহিলা ব্রিগেডের সদস্যদের প্রত্যেকের বাড়ি বাড়ি প্রচারের নির্দেশ দেন।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • TMC: পুরসভার ঝিল দখল করে বিল্ডিং নির্মাণ, দলের কাউন্সিলারের বিরুদ্ধেই অভিযোগ তুলছে তৃণমূল

    TMC: পুরসভার ঝিল দখল করে বিল্ডিং নির্মাণ, দলের কাউন্সিলারের বিরুদ্ধেই অভিযোগ তুলছে তৃণমূল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আলিপুরদুয়ার শহরে ১৮ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল কংগ্রেস কাউন্সিলারের বিরুদ্ধেই ঝিল দখল করে বিল্ডিং তৈরির অভিযোগ উঠেছে। প্রশাসনের কাছে লিখিত অভিযোগ দায়ের হয়েছে। এনিয়ে শাসকদলের অন্দরেও শোরগোল পড়ে গেছে।  

    কি অভিযোগ?

    আলিপুরদুয়ার শহরে জলাশয় ও ঝিল দখলের অভিযোগ দীর্ঘদিনের। শহরের বহু পুরনো ঝিল এলাকার নেতাদের মাধ্যমে বেদখল হয়ে গিয়েছে, এমনটাই এলাকাবাসীর প্রধান অভিযোগ। তবে ঝিল দখলে এবার নাম জড়িয়েছে খোদ পুরসভার এক কাউন্সিলারের। বিরোধীদের অভিযোগ নয়, খোদ তৃণমূল কংগ্রেসের (TMC) প্রাক্তন জেলা সভাপতি প্রশান্তনারায়ণ মজুমদার (জহর) জেলা প্রশাসনের কাছে লিখিতভাবে এমনই অভি্যোগ জানিয়েছেন বলে জানা গেছে। তিনি আরও একধাপ এগিয়ে বলেন, আলিপুরদুয়ার টাউন ব্লক তৃণমূল কংগ্রেসের পার্টি অফিসটি তৈরি করা হয়েছে ঝিলের উপরেই। শাসকদলের কাউন্সিলার থেকে নেতারাই যদি এ ধরনের কাজে যুক্ত থাকেন, সাধারণ মানুষ কী করবেন? এমনটাই অভিযোগ স্থানীয় মানুষের।

    শাসক দলের মন্তব্য

    তৃণমূল কংগ্রেসের (TMC) টাউন ব্লক সভাপতি দীপ্ত চট্টোপাধ্যায় বলেন, আলিপুরদুয়ার শহরের টাউন ব্লক পার্টি অফিসটি আমরা নতুন করে তৈরি করিনি। অনেক আগে সেখানে দোকান ছিল। সেই দোকান কিনে নিয়ে পার্টি অফিস চালু করা হয়েছে। শহরের ১৮ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলার অরূপা রায় বলেন, যে জমিতে তাঁর বাড়িটি রয়েছে, সেই জমির বৈধ কাগজপত্র রয়েছে। ঝিল দখলের অভিযোগ তিনি উড়িয়ে দিয়েছেন। প্রশান্ত নারায়ণ মজুমদার (জহর) বলেন, ওনার পুরনো বাড়ি নিয়ে আমার বক্তব্য নেই। তবে ইদানীং ঝিল দখল করে যে অংশ জুড়ে নির্মাণ করা হয়েছে, সেই জলাজমি নিয়েই আমি অভিযোগ প্রশাসনের কাছে জানিয়েছি।

    প্রশাসনের কাছে অভিযোগ জমা

    এ নিয়ে আলিপুরদুয়ার শহরের প্রবীণ আইনজীবী নারায়ণ মজুমদার (জহর) জেলা প্রশাসনের কাছে লিখিত অভিযোগ জানিয়েছেন। সেই অভিযোগের প্রতিলিপি পুরসভার চেয়ারম্যানের কাছেও জমা দিয়েছেন জহরবাবু। ঝিল দখলের অভিযোগ ওঠায় আলিপুরদুয়ার পুরসভার চেয়ারম্যান প্রসেনজিৎ কর জানিয়েছেন, কাউন্সিলার বা চেয়ারম্যান যদি কেউ বেআইনিভাবে ঝিল দখল করে থাকেন, তবে তা হলে কেউই আইনের ঊর্ধ্বে যেতে পারবেন না। আইন আইনের পথেই চলবে। এইভাবে জলাজমির উপর অবৈধ নির্মাণ বন্ধে প্রশাসন কবে কার্যকার ভূমিকা পালন করবে, তাই এখন দেখার।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • TMC: দলের ৯০ শতাংশ কর্মীই দুর্নীতিগ্রস্ত! প্রকাশ্যে স্বীকারোক্তি প্রবীণ তৃণমূল নেতার

    TMC: দলের ৯০ শতাংশ কর্মীই দুর্নীতিগ্রস্ত! প্রকাশ্যে স্বীকারোক্তি প্রবীণ তৃণমূল নেতার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পঞ্চায়েত নির্বাচনের আগেই তৃণমূল (TMC)  সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের কোচবিহার থেকে সাগর পর্যন্ত টানা দুই মাসের জন্য জনসংযোগ যাত্রার শুরু করেছেন। আর এই জনসংযোগ যাত্রার দিনেই আলিপুরদুয়ারে দলের দুর্নীতির বিরুদ্ধে একেবারে প্রকাশ্যে সরব হলেন  তৃণমূল (TMC) কংগ্রেসের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য তথা দলের বর্ষীয়ান নেতা জহর মজুমদার। এই নেতা একসময় অবিভক্ত জলপাইগুড়ি জেলার তৃণমূল (TMC) কংগ্রেসের সভাপতি ছিলেন। বর্তমানে তিনি আলিপুরদুয়ার বার অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি। সোমবার প্রবীণ এই তৃণমূল নেতা জহর মজুমদার সাংবাদিক সম্মেলন করে দলের দুর্নীতির বিরুদ্ধে সরব হওয়ার ঘটনা বেশ তাত্পর্যপূর্ণ বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

    দুর্নীতিগ্রস্ত নিয়ে কী বললেন তৃণমূল (TMC) নেতা?

    প্রবীণ তৃণমূল (TMC) নেতা জহর মজুমদার বলেন, দলের পুরানো কর্মীদের গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে না। আর এখন অন্য দল থেকে যারা আমাদের দলে এসেছে তাঁরা লুটেপুটে খাচ্ছেন। সাফল্যের সঙ্গে তাঁরা এই কাজ করছেন। আর পুরানো কর্মীদের বসিয়ে দেওয়া হচ্ছে। এই দলে ৯০ শতাংশ কর্মী দুর্নীতিগ্রস্ত। এদের সরাতে হবে। সব ক্ষেত্রেই দুর্নীতি করা হয়েছে। শুধু রাজ্যের কথা বলছি না, এই আলিপুরদুয়ার জেলায় দলীয় নেতারা যে দুর্নীতি করছে তার কথা বলছি। এই আলিপুরদুয়ারে প্রচুর পুকুর ছিল। এখন আর একটাও পুকুর নেই। অবাধে পুকুর ভরাট করা হয়েছে। আর এসব কাজ করেছেন দলের কাউন্সিলর এবং নেতারা। গোটা জেলায় হর্টিকালচারারের  চারাগাছ বিতরণ নিয়ে কোটি কোটি টাকা দুর্নীতি হয়েছে। এদিন সাংবাদিক সম্মেলনে তিনি আরও বলেন, উদয়ন গুহের বাবা কমল গুহ গম  বীজ কেলেঙ্কারির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন বলেও তিনি মন্তব্য করেন।

    কী বললেন আলিপুরদুয়ার টাউন ব্লক তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি?

     জহরবাবুর এই মন্তব্যে চরম বিড়ম্বনায় পড়েছেন তৃণমূল (TMC)  নেতৃত্ব। আলিপুরদুয়ার টাউন ব্লক তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি দীপ্ত চট্টোপাধ্যায় বলেন, জহরবাবুর  বয়স হয়ে গেছে। সেই কারণে মাথা কাজ করছেন না।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share