Tag: Allahabad

Allahabad

  • Sambhal Masjid: বড় জয় হিন্দুপক্ষের, সম্ভল মসজিদের দেওয়ালে ‘বিতর্কিত কাঠামো’ লেখার অনুমতি হাইকোর্টের

    Sambhal Masjid: বড় জয় হিন্দুপক্ষের, সম্ভল মসজিদের দেওয়ালে ‘বিতর্কিত কাঠামো’ লেখার অনুমতি হাইকোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সম্ভল জামা মসজিদের (Sambhal Masjid) দেওয়ালে ‘বিতর্কিত কাঠামো’ উল্লেখ করার অনুমতি দিল এলাহাবাদ হাইকোর্ট (Allahabad High Court)। মুসলিম কমিটি ওই কাঠামোটি সাদা রং করা নিয়ে আপত্তি তুলেছিল। তার প্রেক্ষিতে মঙ্গলবার এলাহাবাদ হাইকোর্ট জানিয়ে দেয় মসজিদের দেওয়ালে ‘বিতর্কিত কাঠামো’ শব্দটি লিখে দেওয়ার।

    ‘বিতর্কিত কাঠামোলেখার নির্দেশ (Allahabad High Court)

    মুসলিম কমিটি আপত্তি তোলার পর ভারতীয় পুরাতত্ত্ব সর্বেক্ষণ জানিয়ে দেয়, তারা এই আপত্তির বিষয়ে উত্তর দেওয়ার জন্য সময় চায়। এর পরেই হিন্দু পক্ষের দাবির ভিত্তিতে হাইকোর্ট মসজিদটির দেওয়ালে ‘বিতর্কিত কাঠামো’ লেখার নির্দেশ দেয়। ভারতীয় পুরাতত্ত্ব সর্বেক্ষণ জানিয়েছে, মসজিদের (Sambhal Masjid) রং করার বিষয়ে অন্য পক্ষ তাদের ওপর চাপ সৃষ্টি করছে। তারা এও জানিয়েছে, মসজিদের দেওয়াল রং করার বিষয়ে মুসলিম পক্ষের চাপ সম্পর্কে তারা প্রশ্ন তুলেছে। এর পরেই আদালত জানিয়ে দেয়, এই মামলার পরবর্তী শুনানি হবে ১০ মার্চ।

    হিন্দু পক্ষের দাবি

    এই মসজিদটিকে (Sambhal Masjid) ঘিরে বিতর্ক রয়েছে। হিন্দু পক্ষের দাবি, শাহি জামে মসজিদটি ঐতিহাসিক হরিহর মন্দির ধ্বংস করার পরে নির্মিত হয়েছিল। অনেকের বিশ্বাস, মন্দিরটি এই জায়গায়ই অবস্থিত ছিল। গত বছরের ২৪ নভেম্বর আদালতের নির্দেশে মসজিদে একটি সমীক্ষা হয়। সেই সমীক্ষার পরেই দুই গোষ্ঠীর সংঘর্ষ বাঁধে। তাতে চারজনের মৃত্যু হয়। এই ঘটনার জেরেই শুরু হয় তদন্ত। হাইকোর্টে এই মামলার শুনানির সময় ভারতীয় পুরাতত্ত্ব সর্বেক্ষণ টিম মসজিদের পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা সম্পর্কিত একটি রিপোর্ট জমা দেয়। এর আগে আদালত এএসআইকে মসজিদ (Sambhal Masjid) পরিদর্শন করতে এবং তার পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা নিশ্চিত করার নির্দেশ দিয়েছিল।

    প্রসঙ্গত, গত ডিসেম্বর (Allahabad High Court) মাসে উত্তরপ্রদেশের সম্ভল জেলায় ১৯৭৮ সাল থেকে বন্ধ থাকা একটি প্রাচীন মন্দিরের দ্বার খোলা হয়। গোষ্ঠী সংঘর্ষের কারণে মন্দিরটি বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। দ্বার খোলার পর মন্দিরটিতে সকালে আরতিও অনুষ্ঠিত হয়। মন্দিরে ভগবান হনুমানের একটি মূর্তি এবং একটি শিবলিঙ্গ প্রতিষ্ঠিত রয়েছে।

    মন্দির কর্তৃপক্ষ জানিয়েছেন, শাহি জামা মসজিদের (Sambhal Masjid) একদম কাছেই রয়েছে এই মন্দিরটি। প্রশাসন যখন অবৈধ দখলদারদের উচ্ছেদ অভিযানে নামে সেই সময় এই মন্দিরটি আবিষ্কার করে। স্থানীয়দের দাবি, ১৯৭৮ সালে গোষ্ঠী সংঘর্ষের পর এলাকা ছেড়ে পালান স্থানীয় হিন্দুরা। সেই কারণেই বন্ধ ছিল মন্দিরটি (Allahabad High Court)।

  • Allahabad High Court: সন্তানের সঙ্গী বাছাইয়ের সিদ্ধান্তে হস্তক্ষেপ করতে পারেন না বাবা-মায়েরা, জানাল হাইকোর্ট

    Allahabad High Court: সন্তানের সঙ্গী বাছাইয়ের সিদ্ধান্তে হস্তক্ষেপ করতে পারেন না বাবা-মায়েরা, জানাল হাইকোর্ট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘প্রাপ্তবয়স্ক সন্তানরা পছন্দ মতো জীবন সঙ্গী বা সঙ্গিনী বেছে নিতে পারেন। এ ব্যাপারে কেউ মায় বাবা-মাও হস্তক্ষেপ করতে পারেন না’। শনিবার একটি মামলার রায় দিতে গিয়ে পর্যবেক্ষণে এমনই জানাল এলাহাবাদ হাইকোর্ট (Allahabad High Court)। আদালত বলছে, সংবিধানে জীবনের অধিকার এবং ব্যক্তিগত স্বাধীনতার যে গ্যারান্টি দেওয়া হয়েছে, তাতেই এই স্বাধীনতা দেওয়া হয়েছে।

    হাইকোর্টের দ্বারস্থ যুগল

    লিভ-ইন সম্পর্ক নিয়ে পরিবারের হস্তক্ষেপ বন্ধে এলাহাবাদ হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয় এক যুগল। পিটিশনে ওই যুবক-যুবতীর দাবি, পরিবারের হস্তক্ষেপের জেরে নিরাপত্তা বিঘ্নিত হচ্ছে তাঁদের। পরিবার যাতে হস্তক্ষেপ না করে, তার নির্দেশ দেওয়ার জন্য আদালতের কাছে আবেদন জানায় ওই যুগল। সেই মামলার রায় দিতে গিয়েই পছন্দের সঙ্গী বা সঙ্গিনী বেছে নেওয়ার অধিকার দেয় আদালত।

    যুগলের আইনজীবীর যুক্তি

    এদিন সওয়াল জবাবে আবেদনকারী যুগলের আইনজীবী (Allahabad High Court) বলেন, “লিভ-ইনকারী যুগল প্রাপ্তবয়স্ক। তাঁরা স্বেচ্ছায় লিভ-ইন সম্পর্কে রয়েছেন। কিন্তু যুবতীর মা ও পরিবারের অন্যরা এই সম্পর্ক মেনে নিতে পারছেন না।” তিনি জানান, পরিবারের তরফে তাঁর মক্কেলকে ভয়ানক পরিণতির হুমকি দেওয়া হচ্ছে। এতে শান্তিপূর্ণ জীবন যাপন থেকে বঞ্চিত হচ্ছে আবেদনকারী যুগল। তাঁদের নিরাপত্তার জন্য যাতে পুলিশি ব্যবস্থা করা হয়, সেই আবেদনও জানান ওই যুগলের আইনজীবী।

    আরও পড়ুুন: তালিবানি ফতোয়া চিনেও! পোশাকবিধি চালু হচ্ছে ড্রাগনের দেশে?

    এর পরেই এই মামলার রায় দিতে গিয়ে এলাহাবাদ হাইকোর্টের (Allahabad High Court) বিচারপতি সুরেন্দ্র সিংহ তাঁর পর্যবেক্ষণে বলেন, “একজন প্রাপ্তবয়স্ক ব্যক্তি তাঁদের পছন্দের একজন ব্যক্তির সঙ্গে বিয়ে বা বসবাস করতে স্বাধীন। এ ক্ষেত্রে তাঁদের পিতামাতা থেকে শুরু করে কেউ বাধা দিতে পারেন না। সঙ্গী নির্বাচনের সমস্ত অধিকার তাঁদের রয়েছে। এতে আদালত হস্তক্ষেপ করতে পারে না।” বিচারপতি বলেন, “প্রাপ্তবয়স্ক সন্তানদের সঙ্গী নির্বাচনের অধিকার নির্দিষ্ট করে দেওয়া হয়েছে সংবিধানে। এটা তাঁদের মৌলিক স্বাধীনতার অধিকার।” ওই যুবতীর পরিবারকে এ ব্যাপারে হস্তক্ষেপ না করার পরামর্শও দেন বিচারপতি। আবেদনকারী যুগলের শান্তিপূর্ণ জীবনযাপনের ক্ষেত্রে যদি পরিবার বাধা হয়ে দাঁড়ায়, তাহলে সেক্ষেত্রে পুলিশের দ্বারস্থ হওয়ার পরামর্শও দেন বিচারপতি সিংহ।   

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Allahabad HC: “কোরান নিয়ে যদি এমন ভুল দেখান,” ‘আদিপুরুষ’ মামলায় আদালতের ভর্ৎসনা নির্মাতাদের

    Allahabad HC: “কোরান নিয়ে যদি এমন ভুল দেখান,” ‘আদিপুরুষ’ মামলায় আদালতের ভর্ৎসনা নির্মাতাদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিতর্কের অন্ত নেই ‘আদিপুরুষ’ (Adipurush) নিয়ে। ছবির ট্রেলর প্রকাশ্যে আসার পরেই শুরু হয়েছিল বিতর্ক। যা চলছে এখনও। এবার এলাহাবাদ হাইকোর্টে (Allahabad HC) ভর্ৎসনার মুখে পড়লেন আদিপুরুষ নির্মাতারা। মঙ্গলবার উচ্চ আদালতের প্রশ্ন ছিল, কেন তাদের দিয়ে একটি নির্দিষ্ট ধর্মের সহনশীলতার মাত্রা পরীক্ষা করানো হচ্ছে? বুধবার আদালতের পর্যবেক্ষণ, “এই উদ্বেগ কোনও একটি ধর্মের বিষয়ে নয়, সকল ধর্মের বিষয়েই আদালত সমান উদ্বিগ্ন।”

    আদালতের ধর্ম 

    মামলার শুনানি হচ্ছে বিচারপতি রাজেশ সিংহ চৌহান ও বিচারপতি শ্রী প্রকাশ সিংহের বেঞ্চে। এদিন বিচারপতি চৌহান বলেন, “কোরান, বাইবেল এবং অন্যান্য পবিত্র গ্রন্থে আপনাদের হাত দেওয়াই উচিত নয়। এটি কোনও একটি ধর্মের বিষয় নয়। কোনও ধর্মকেই খারাপভাবে দেখানো উচিত নয়। আদালতের কোনও ধর্ম নেই। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি যাতে বজায় থাকে, সেটাই আমাদের একমাত্র উদ্বেগের বিষয়।” তিনি বলেন, “কোরানের ওপর একটি ছোট তথ্যচিত্র বানানোর সময়ও যদি ভুল জিনিস দেখান, তাহলে দেখবেন কী হয়। তবে আমি আবারও স্পষ্ট করে বলছি, এটি কোনও ধর্মের বিষয় নয়। দৈবক্রমে এই ক্ষেত্রে সমস্যাটি রামায়ণের সঙ্গে সম্পর্কিত। আদালতের কাছে সব ধর্ম সমান।”

    সম্প্রীতি ভাঙার চেষ্টা!

    ‘আদিপুরুষে’ যেভাবে বিভিন্ন ধর্মীয় চরিত্রদের উপস্থাপন করা হয়েছে, তাতে দেশবাসীর একাংশের ভাবাবেগে আঘাত লেগেছে। তার জেরে হয়েছে মামলা। বিচারপতি চৌহান (Allahabad HC) বলেন, “যদি আজ আমরা মুখ বন্ধ করে রাখি তাহলে কী হবে জানেন? এই ঘটনাগুলো দিন দিন বেড়েই চলবে।

    একটি সিনেমায় আমি এমনও দেখেছি, ত্রিশূল হাতে নিয়ে অত্যন্ত হাস্যকরভাবে ছুটে চলেছেন ভগবান শঙ্কর। এখন এগুলো দেখতে হবে? ছবিগুলি ব্যবসাও করছে, নির্মাতারা অর্থ উপার্জন করছেন। এটা হয়েই চলেছে। সম্প্রীতি ভাঙার জন্য কিছু না কিছু করা হচ্ছে। এটা কি রসিকতা?”

    আরও পড়ুুন: সবংয়ে বিজেপির বুথ সভাপতিকে খুন করে ঝুলিয়ে দেওয়ার অভিযোগ, কাঠগড়ায় তৃণমূল

    আদালত জানিয়েছে, যাঁরা ভগবান রাম, লক্ষ্মণ, সীতা ও হনুমানজিকে বিশ্বাস করেন, তাঁরা এই ছবি দেখতে পারবেন না। ছবির নির্মাতাদের হলফনামা জমা দেওয়ার নির্দেশও দিয়েছে আদালত। সেন্ট্রাল বোর্ড অফ ফিল্ম সার্টিফিকেশনেরও কড়া সমালোচনা করেছে হাইকোর্ট (Allahabad HC)। আদালতের কটাক্ষ, “এই ধরনের সংস্কারী লোকজন যদি এমন একটি সিনেমাকে ছাড় দেয়, তবে তারা সত্যিই ধন্য!”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

     
     
  • Allahabad: মহিলাদের বিরুদ্ধেও করা যেতে পারে গণধর্ষণের মামলা, সাফ জানাল এলাহবাদ হাইকোর্ট

    Allahabad: মহিলাদের বিরুদ্ধেও করা যেতে পারে গণধর্ষণের মামলা, সাফ জানাল এলাহবাদ হাইকোর্ট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শুধুমাত্র পুরুষ নয়, মহিলাদের বিরুদ্ধেও গণধর্ষণের মত অপরাধে মামলা দায়ের করা যেতে পারে, এমনটাই জানাল এলাহবাদ হাইকোর্ট। এলাহাবাদ হাইকোর্টের বিচারপতি শেখর কুমার যাদবের বেঞ্চ সোমবার একটি মামলায় এই রায় দিয়েছে। ভারতীয় দণ্ডবিধির আইন পর্যবেক্ষণ করে বিচারপতি যাদব জানিয়েছেন, একজন মহিলা কখনও ধর্ষণ করতে পারে না অন্য মহিলাকে। কিন্তু সেই মহিলা যদি গণধর্ষকদের কাজকে প্রশ্রয় দেয়, তবে সে-ও সমান অপরাধে অভিযুক্ত হবে, গণধর্ষণের মামলা রুজু করা হতে পারে তার বিরুদ্ধেও।

    মামলাটি কী?

    সূত্রের খবর, ২০১৫ সালের একটি এফআইআরের ভিত্তিতে এই মামলার শুনানি চলছিল আদালতে। অভিযোগ, ১৫ বছরের এক মেয়েকে অপহরণ করে গণধর্ষণ করা হয়েছিল। তার বয়ান রেকর্ড করার পরে পুলিশ জানতে পারে, গোটা ঘটনায় এক মহিলাও জড়িত ছিল। তবে ঘটনার চার্জশিটে ওই মহিলার নাম ছিল না। তা সত্ত্বেও ৩৭৬ ডি ধারায় (ধর্ষণ-সহ যৌন অপরাধ) মামলার শুনানিতে ওই মহিলাকে তলব করা হয়।

    এই পরিস্থিতিতে অভিযুক্ত ওই মহিলা সুনীতা পাণ্ডের আইনজীবী সওয়াল করেন যে, তাঁর মক্কেলকে ভুল করে আদালতে তলব করা হয়েছে গণধর্ষণের মামলায়। তাঁর মক্কেল একজন মহিলা। তাঁর পক্ষে অন্য মহিলাকে ধর্ষণ করা সম্ভব নয়। ফলে ভারতীয় সংবিধানের ৩৭৬ ডি ধারায় কখনওই অভিযোগ আনা যায় না একজন মহিলার বিরুদ্ধে। তিনি আরও দাবি করেন, মহিলার পক্ষে যেহেতু ধর্ষণ করা সম্ভবই নয়, তাই গণধর্ষণের চার্জও আনা যায় না।

    বিচারপতির রায়

    অভিযুক্ত সুনীতার আইনজীবীকে পাল্টা জবাব দিতে সংবিধানের ৩৭৫ এবং ৩৭৬ নম্বর অনুচ্ছেদে ধর্ষণের যে সংজ্ঞা উল্লেখ করা হয়েছে, সেই প্রসঙ্গ আনা হয়েছে। বলা হয়েছে, ৩৭৫ ধারায় স্পষ্ট করেই লেখা আছে, ধর্ষণ কেবল পুরুষরা করতে পারে, মহিলারা নয়। তবে ৩৭৬-ডি ধারা বলছে, কোনও মহিলা যদি গণধর্ষণে অভিযুক্তদের সাহায্য করেছে বলে জানা যায়, তবে সে-ও সমান দোষে দোষী। এরপরেই বিচারপতি বলেন, “কোনও মহিলা ধর্ষণ করতে পারেন না। তবে তিনি যদি এক দল লোকের সঙ্গে মিলে এই কাজটি (ধর্ষণ) করতে সহায়তা করেন, তবে তাঁর বিরুদ্ধেও গণধর্ষণের মামলা হতে পারে।” তিনি রায় দেওয়ার সময়ে ‘ব্যক্তি’ শব্দের উপর জোর তিনি জানান, ব্যক্তি বলতে এ ক্ষেত্রে সঙ্কীর্ণ ভাবে কেবল পুরুষদের বোঝানো হয়নি। ‘ব্যক্তি’ বলতে কোনও মহিলা বা যে কোনও সংঘবদ্ধ দলও বোঝাতে পারে।

    ফলে সব দিক বিচার করে বিচারপতি রায় দেন, এই ঘটনায় অভিযুক্ত ওই মহিলার বিরুদ্ধেও গণধর্ষণের সাজাই দেওয়া হবে, কারণ তিনি একদল ব্যক্তির সঙ্গে ধর্ষণের কাজে সাহায্য করেছেন।

LinkedIn
Share