Tag: Allahabad high court

Allahabad high court

  • Mathuras Shahi Idgah: মথুরার শাহি মসজিদে সমীক্ষায় সায় আদালতের, হদিশ মিলবে শ্রীকৃষ্ণের জন্মস্থানের?

    Mathuras Shahi Idgah: মথুরার শাহি মসজিদে সমীক্ষায় সায় আদালতের, হদিশ মিলবে শ্রীকৃষ্ণের জন্মস্থানের?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বারাণসীর জ্ঞানবাপী মসজিদ চত্বরে সমীক্ষা হয়েছে আদালতের নির্দেশে। এবার মথুরার শাহি ইদগাহ মসজিদ (Mathuras  Shahi Idgah) চত্বরেও সমীক্ষার নির্দেশ দিল এলাহাবাদ হাইকোর্ট। হিন্দু পক্ষের আইনজীবী হরিশঙ্কর জৈন, বিষ্ণুশঙ্কর জৈন, প্রভাস পাণ্ডে ও দেবকী নন্দন মথুরার শাহি ইদগাহকে শ্রীকৃষ্ণের জন্মভূমি বলে দাবি করে সেখানে জমি মাপজোক ও বৈজ্ঞানিক সমীক্ষার দাবি জানিয়েছিলেন। এর বিরোধিতা করেছিল মুসলিম পক্ষ।

    শ্রীকৃষ্ণ জন্মস্থান কমপ্লেক্স

    শুনানি শেষে ১৬ নভেম্বর রায় সংরক্ষিত রেখেছিল এলাহাবাদ হাইকোর্টের বিচারপতি ময়াঙ্ক কুমারের নেতৃত্বাধীন বেঞ্চ। সেই রায়ই ঘোষণা করা হল বৃহস্পতিবার। আদালতের নির্দেশ, একজন কোর্ট কমিশনারের পর্যবেক্ষণে সমীক্ষার কাজ করতে হবে শাহি ইদগাহের বিতর্কিত ১৩.৩৭ একর জমিতে। উত্তরপ্রদেশের মথুরায় প্রাচীরা কাটরা স্তূপ এলাকায় রয়েছে শ্রীকৃষ্ণ জন্মস্থান কমপ্লেক্স। এর ঠিক পাশেই রয়েছে শাহি ইদগাহ (Mathuras  Shahi Idgah)। হিন্দুত্ববাদী সংগঠগুলির দাবি, ইদগাহের ওই জমিতে প্রাচীন কেশবদাস মন্দির ছিল। এটি আদতে ভগবান শ্রীকৃষ্ণের জন্মস্থান। ইদগাহ চত্বরে খুঁড়লে মন্দিরের ধ্বংসাবশেষ মিলতে পারে বলে অনুমান হিন্দুত্ববাদী সংগঠনগুলির।

    হিন্দুত্ববাদী সংগঠনের যুক্তি 

    তাদের যুক্তি, মসজিদের দেওয়ালে খোদাই করা রয়েছে পদ্মের ছবি। কিছু কারুকাজ রয়েছে যেগুলি শেষনাগের মতো দেখতে। তাদের বিশ্বাস, মন্দির ধ্বংস করেই গড়ে তোলা হয়েছে ইদগাহ। হিন্দুত্ববাদী সংগঠনগুলির দাবি, কাশীর বিশ্বনাথ মন্দিরের মতোই মথুরার ওই মন্দিরটি ধ্বংস করে মসজিদ নির্মাণ করেন মুখল সম্রাট ঔরঙ্গজেব। ওই জায়গাকে শ্রীকৃ্ষ্ণের জন্মভূমি বলে দাবি করে ১৩.৩৭ একর জমির অধিকার চেয়ে আদালতে মামলা করেন হিন্দু সেনার নেতা বিষ্ণু গুপ্ত।

    আরও পড়ুুন: অভিষেকের আয়ের উৎস কী? মুখবন্ধ খামে আদালতে জানাল ইডি

    হিন্দু পক্ষের আবেদন মেনে নিয়ে ২৯ অগাস্ট ইলাহাবাদ হাইকোর্ট মথুরার শাহি ইদগাহ মসজিদে ভিডিও সমীক্ষার নির্দেশ দিয়েছিল। চার মাসের মধ্যে সমীক্ষার রিপোর্ট আদালতে পেশের নির্দেশ দিয়েছিলেন এলাহাবাদ হাইকোর্টের বিচারপতি পীযূষ অগ্রবাল। সিঙ্গল বেঞ্চের এই রায়ে স্থগিতাদেশ দেয় উচ্চতর বেঞ্চ। শেষমেশ বৃহস্পতিবার মসজিদ চত্বরে সমীক্ষার নির্দেশ দিল আদালত। প্রসঙ্গত, ১৯৬৮ সালের শ্রীকৃষ্ণ জন্মস্থান সেবা সংস্থান ও শাহি মসজিদ ইদগাহ ট্রাস্টের মধ্যে একটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। সেই চুক্তি মেনে কৃষ্ণ জন্মভূমির জন্য ১০.৯ একর জমি দিয়ে দেওয়া হয়। ইদগাহের (Mathuras  Shahi Idgah) জন্য রাখা হয় ২.৫ একর জমি।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Marital Rape: স্ত্রীর বয়স ১৮! বৈবাহিক ধর্ষণ ‘অপরাধ নয়’, মত এলাহাবাদ হাইকোর্টের

    Marital Rape: স্ত্রীর বয়স ১৮! বৈবাহিক ধর্ষণ ‘অপরাধ নয়’, মত এলাহাবাদ হাইকোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: স্ত্রীর বয়স ১৮ বা তার বেশি হলে, বৈবাহিক ধর্ষণ (Marital Rape) অপরাধ বলে মনে করছে না উচ্চ আদালত। বৈবাহিক ধর্ষণ সংক্রান্ত এক মামলায় এমনই রায় দিয়ে অভিযুক্ত স্বামীকে বেকসুর খালাস করল এলাহাবাদ হাইকোর্ট (Allahabad High Court)। বিচারপতি রাম মনোহর নারায়ণ মিশ্রের সিঙ্গল বেঞ্চ পর্যবেক্ষণে জানিয়েছে যে বৈবাহিক ধর্ষণকে সুপ্রিম কোর্ট এখনও অপরাধ হিসেবে গণ্য করেনি। স্ত্রীর বয়স ১৮ বছরের বেশি হলে ভারতীয় দণ্ডবিধির ৩৭৭ ধারায় স্বামীকে দোষী সাব্যস্ত করা যায় না।

    এলাহাবাদ হাইকোর্টের পর্যবেক্ষণ

    স্বামীর বিরুদ্ধে শারীরিক এবং মৌখিক নির্যাতনের অভিযোগ এনে এলাহাবাদ হাইকোর্টের (Allahabad High Court) দ্বারস্থ হয়েছিলেন এক মহিলা। অভিযোগ ছিল, ইচ্ছার বিরুদ্ধে তাঁর সঙ্গে বলপূর্বক শারীরিক সম্পর্ক তৈরি করেন স্বামী। মামলার রায় ঘোষণার সময় বিচারপতি মিশ্রের বেঞ্চের পর্যবেক্ষণ, দেশে এখনও বৈবাহিক ধর্ষণকে অপরাধ হিসাবে গণ্য করা হয়নি। বৈবাহিক ধর্ষণকে (Marital Rape) অপরাধ হিসাবে বিবেচনা করার জন্য সুপ্রিম কোর্টে যে আবেদনগুলি করা হয়েছে, তা এখনও বিচারাধীন। স্ত্রীর বয়স ১৮ বছর বা তার বেশি হলে বৈবাহিক ধর্ষণের জন্য কোনও ফৌজদারি শাস্তি নেই বলে উল্লেখ করেন তিনি।

    আরও পড়ুন: রানিমার পারিবারিক বিয়েতে ব্যস্ত রাজ্য, তাই চাষিদের দুঃখে নজর নেই, তোপ শুভেন্দুর

    মধ্য প্রদেশ হাইকোর্টের পর্যবেক্ষণ

    সম্প্রতি বৈবাহিক ধর্ষণ নিয়ে অনুরূপ রায় দিয়েছিল মধ্য প্রদেশের হাইকোর্ট। বৈবাহিক সম্পর্কে কোনও ‘অপ্রাকৃতিক অপরাধ’ হওয়ার জায়গাই নেই বলে পর্যবেক্ষণে জানিয়েছিল। মধ্য প্রদেশ হাইকোর্টের এই পর্যবেক্ষণকে সমর্থন করেছেন এলাহাবাদ হাইকোর্টের সিঙ্গল বেঞ্চের বিচারপতি রাম মনোহর নারায়ণ মিশ্র। এরপরেই স্বামীকে বেকসুর খালাস করে দেন তিনি। এর আগে, গত বছর সেপ্টেম্বর মাসে বৈবাহিক ধর্ষণ ইস্যুকে সামনে রেখে একটি বড় রায় দিয়েছিল সুপ্রিম কোর্ট (Supreme Court on Marital Rape)। নির্দেশে বলা হয়েছিল যে কোনও বিবাহিত মহিলাকে তাঁর ইচ্ছার বিরুদ্ধে গর্ভবতী করে তোলা হলে, গর্ভপাতের ক্ষেত্রে তা বৈবাহিক ধর্ষণ হিসাবে ধরা হবে। সম্প্রতি বৈবাহিক ধর্ষণ নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড়ের এজলাসে মামলার শুনানির সিদ্ধান্ত হয়েছে। এখন এই বিষয়ে দেশের প্রধান বিচারপতির বেঞ্চ কী রায় দেয়, এখন সেটাই দেখার।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Allahabad High Court: সন্তানের সঙ্গী বাছাইয়ের সিদ্ধান্তে হস্তক্ষেপ করতে পারেন না বাবা-মায়েরা, জানাল হাইকোর্ট

    Allahabad High Court: সন্তানের সঙ্গী বাছাইয়ের সিদ্ধান্তে হস্তক্ষেপ করতে পারেন না বাবা-মায়েরা, জানাল হাইকোর্ট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘প্রাপ্তবয়স্ক সন্তানরা পছন্দ মতো জীবন সঙ্গী বা সঙ্গিনী বেছে নিতে পারেন। এ ব্যাপারে কেউ মায় বাবা-মাও হস্তক্ষেপ করতে পারেন না’। শনিবার একটি মামলার রায় দিতে গিয়ে পর্যবেক্ষণে এমনই জানাল এলাহাবাদ হাইকোর্ট (Allahabad High Court)। আদালত বলছে, সংবিধানে জীবনের অধিকার এবং ব্যক্তিগত স্বাধীনতার যে গ্যারান্টি দেওয়া হয়েছে, তাতেই এই স্বাধীনতা দেওয়া হয়েছে।

    হাইকোর্টের দ্বারস্থ যুগল

    লিভ-ইন সম্পর্ক নিয়ে পরিবারের হস্তক্ষেপ বন্ধে এলাহাবাদ হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয় এক যুগল। পিটিশনে ওই যুবক-যুবতীর দাবি, পরিবারের হস্তক্ষেপের জেরে নিরাপত্তা বিঘ্নিত হচ্ছে তাঁদের। পরিবার যাতে হস্তক্ষেপ না করে, তার নির্দেশ দেওয়ার জন্য আদালতের কাছে আবেদন জানায় ওই যুগল। সেই মামলার রায় দিতে গিয়েই পছন্দের সঙ্গী বা সঙ্গিনী বেছে নেওয়ার অধিকার দেয় আদালত।

    যুগলের আইনজীবীর যুক্তি

    এদিন সওয়াল জবাবে আবেদনকারী যুগলের আইনজীবী (Allahabad High Court) বলেন, “লিভ-ইনকারী যুগল প্রাপ্তবয়স্ক। তাঁরা স্বেচ্ছায় লিভ-ইন সম্পর্কে রয়েছেন। কিন্তু যুবতীর মা ও পরিবারের অন্যরা এই সম্পর্ক মেনে নিতে পারছেন না।” তিনি জানান, পরিবারের তরফে তাঁর মক্কেলকে ভয়ানক পরিণতির হুমকি দেওয়া হচ্ছে। এতে শান্তিপূর্ণ জীবন যাপন থেকে বঞ্চিত হচ্ছে আবেদনকারী যুগল। তাঁদের নিরাপত্তার জন্য যাতে পুলিশি ব্যবস্থা করা হয়, সেই আবেদনও জানান ওই যুগলের আইনজীবী।

    আরও পড়ুুন: তালিবানি ফতোয়া চিনেও! পোশাকবিধি চালু হচ্ছে ড্রাগনের দেশে?

    এর পরেই এই মামলার রায় দিতে গিয়ে এলাহাবাদ হাইকোর্টের (Allahabad High Court) বিচারপতি সুরেন্দ্র সিংহ তাঁর পর্যবেক্ষণে বলেন, “একজন প্রাপ্তবয়স্ক ব্যক্তি তাঁদের পছন্দের একজন ব্যক্তির সঙ্গে বিয়ে বা বসবাস করতে স্বাধীন। এ ক্ষেত্রে তাঁদের পিতামাতা থেকে শুরু করে কেউ বাধা দিতে পারেন না। সঙ্গী নির্বাচনের সমস্ত অধিকার তাঁদের রয়েছে। এতে আদালত হস্তক্ষেপ করতে পারে না।” বিচারপতি বলেন, “প্রাপ্তবয়স্ক সন্তানদের সঙ্গী নির্বাচনের অধিকার নির্দিষ্ট করে দেওয়া হয়েছে সংবিধানে। এটা তাঁদের মৌলিক স্বাধীনতার অধিকার।” ওই যুবতীর পরিবারকে এ ব্যাপারে হস্তক্ষেপ না করার পরামর্শও দেন বিচারপতি। আবেদনকারী যুগলের শান্তিপূর্ণ জীবনযাপনের ক্ষেত্রে যদি পরিবার বাধা হয়ে দাঁড়ায়, তাহলে সেক্ষেত্রে পুলিশের দ্বারস্থ হওয়ার পরামর্শও দেন বিচারপতি সিংহ।   

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Gyanvapi Mosque: কঠোর নিরাপত্তা! জ্ঞানবাপী মসজিদ চত্বরে এএসআই-এর ‘বৈজ্ঞানিক সমীক্ষা’ শুরু

    Gyanvapi Mosque: কঠোর নিরাপত্তা! জ্ঞানবাপী মসজিদ চত্বরে এএসআই-এর ‘বৈজ্ঞানিক সমীক্ষা’ শুরু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বারাণসীর জ্ঞানবাপী মসজিদে (Gyanvapi Mosque Survey) বৈজ্ঞানিক সমীক্ষার কাজ শুরু করল ভারতীয় পুরাতত্ত্ব সর্বেক্ষণ (ASI)। এলাহাবাদ হাইকোর্টের ছাড়পত্র পাওয়ায় শুক্রবার সকাল ৭টা থেকে কড়া নিরাপত্তার ঘেরাটোপেই শুরু হয়েছে সমীক্ষার কাজ। কয়েকটি দলে ভাগ হয়ে এএসআই-এর পুরাতত্ত্ব বিশেষজ্ঞরা জ্ঞানবাপী চত্বরে ঢুকে কাজ শুরু করেছেন। সপ্তদশ শতকে তৈরি মসজিদটি কোনও হিন্দু মন্দির ভেঙে গড়া হয়েছে কিনা, তা পরীক্ষা করে দেখবেন প্রত্নতাত্ত্বিক বিশেষজ্ঞরা। এএসআই-এর দলের সঙ্গে  হিন্দু পক্ষের প্রতিনিধি হিসেবে রয়েছেন আইনজীবী সুধাকর ত্রিপাঠী। বৈজ্ঞানিক সমীক্ষার কাজ বয়কট করেছে মসজিদ কমিটি। ফলে তাদের কোনও প্রতিনিধি উপস্থিত নেই। 

    সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ মসজিদ কমিটি

    বারাণসী জেলা আদালতের বিচারক অজয় কুমার বিশ্বেসের নির্দেশ অনুযায়ী, এদিনই সমীক্ষা রিপোর্ট পেশ করার কথা ছিল ভারতীয় পুরাতত্ত্ব সর্বেক্ষণের। কিন্তু আইনি লড়াই পেরিয়ে যেহেতু এদিনই সমীক্ষার কাজ শুরু হয়েছে, তাই কবে ওই রিপোর্ট জেলা আদালতে জমা পড়বে তা নিয়ে মুখ খুলতে চাননি সমীক্ষার দায়িত্বে থাকা এএসআই আধিকারিকরা। এদিকে, হাইকোর্টের রায়ের উপর স্থগিতাদেশ চেয়ে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছে মুসলিম পক্ষ। শীর্ষ আদালতের প্রধান বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড় জরুরি ভিত্তিতে আবেদন শুনবেন। মুসলিম পক্ষের দাবি, এই জরিপ (Gyanvapi Mosque Survey) আইন বিরুদ্ধ এবং এতে মসজিদের ক্ষতি হতে পারে। যদিও এলাহাবাদ হাইকোর্ট বৃহস্পতিবারের রায়ে স্পষ্ট বলেছে, জরিপের সময় কোনও ধরনের খনন কাজ করা যাবে না। মসজিদের একটি ইটও সরানো যাবে না।

    আরও পড়ুন: ফের উত্তপ্ত মণিপুর! পুলিশকর্তার হত্যা, অস্ত্রাগার লুঠ বিক্ষোভকারীদের

    কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা

    এলাহাবাদ হাইকোর্টের রায় এবং জরিপ ঘিরে বারাণসীতে হাই অ্যালার্ট জারি হয়েছে। কাশী বিশ্বনাথ মন্দির (Kashi Vishwanath Temple) এবং জ্ঞানবাপী মসজিদ (Gyanvapi Mosque Survey) পরিসরে মোবাইল নিয়ে প্রবেশ নিষিদ্ধ করা হয়েছে ৭ অগাস্ট সোমবার পর্যন্ত। জ্ঞানবাপী মসজিদটি বারাণসীর কাশী বিশ্বনাথ মন্দিরের পাশে অবস্থিত। মন্দির ভেঙে মসজিদটি তৈরি হয়েছে বলে অভিযোগ করে মামলা করে হিন্দু সংগঠন। মসজিদের স্থানে আগে হিন্দু মন্দির ছিল কিনা, তা খতিয়ে দেখতে বৈজ্ঞানিক সমীক্ষা দাবি ওঠে। সেই থেকেই শুরু বিতর্ক। মসজিদ চত্বরের পাশ থেকেই কাশী বিশ্বনাথ মন্দিরের করিডরে প্রবেশ করেন শয়ে শয়ে ভক্ত। কোনওভাবে যাতে তাঁরা এই এএসআই-এর সার্ভে ক্যামেরাবন্দি না করে বসেন, তা আটকাতেই এই নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে। ৭ অগাস্ট পর্যন্ত এএসআই-এর সার্ভে চলাকালীন জারি থাকবে এই নিষেধাজ্ঞা। আপাতত বিশ্বনাথ করিডরের গঙ্গাদ্বার পর্যন্ত মোবাইল নিয়ে যাওয়ার অনুমতি রয়েছে ভক্তদের। কিন্তু, তার বেশি মোবাইল নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা হলে আটকাবে বারাণসী পুলিশ। শহরে বিপুল সংখ্যায় পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। জরিপ চলাকালে জ্ঞানবাপীতে জুম্মার নমাজ চলবে। শহরের অন্য মসজিদ, মন্দিরেও নিরাপত্তা বাড়ানো হয়েছে।

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Gyanvapi Mosque: মসজিদ কমিটির আর্জি খারিজ, জ্ঞানবাপীতে এএসআইকে সমীক্ষার অনুমতি আদালতের

    Gyanvapi Mosque: মসজিদ কমিটির আর্জি খারিজ, জ্ঞানবাপীতে এএসআইকে সমীক্ষার অনুমতি আদালতের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বারাণসীর জ্ঞানবাপী মসজিদ (Gyanvapi Mosque) কমিটির আর্জি খারিজ এলাহাবাদ হাইকোর্টে। আজ, বৃহস্পতিবার প্রধান বিচারপতি প্রীতিনকর দিবাকরের বেঞ্চ মসজিদে ভারতীয় পুরাতত্ত্ব সর্বেক্ষণকে সমীক্ষার অনুমতি দিল। তবে বিতর্কিত ওজুখানায় পাওয়া তথাকথিত শিবলিঙ্গ ও সন্নিহিত এলাকায় এখনই কোনও সমীক্ষা হবে না বলে বারাণসী জেলা আদালত যে নির্দেশ দিয়েছিল, তা বহাল রেখেছে এলাহাবাদ হাইকোর্ট।

    সুপ্রিম কোর্টের স্থগিতাদেশ 

    গত ২৪ জুলাই সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড়, বিচারপতি জেবি পারদিওয়ালা ও বিচারপতি মনোজ মিশ্রের বেঞ্চ ৪৮ ঘণ্টার জন্য বারাণসী জেলা আদালতের নির্দেশের ওপর স্থগিতাদেশ দিয়েছিল। এই সময়ের মধ্যে এ বিষয়ে এলাহাবাদ হাইকোর্টে আবেদন করার নির্দেশ দিয়েছিল শীর্ষ আদালত। ২৬ জুলাই মসজিদ (Gyanvapi Mosque) কমিটির তরফে হাইকোর্টকে জানানো হয়েছিল, সমীক্ষার অনুমতি দিলে প্রাচীন ওই সৌধের ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। সেই সময় এএসআইয়ের তরফে আদালতকে জানানো হয়েছিল, গ্রাউন্ড পেনিট্রেটিং রাডারের সাহায্যে খননের কাজ ছাড়াই সমীক্ষার কাজ চালানো যেতে পারে। তাতে ওই প্রাচীন কাঠামোর ক্ষতি হওয়ার কোনও আশঙ্কা নেই। এদিন রায় দিতে গিয়ে প্রধান বিচারপতি বলেন, সমীক্ষার জন্য বারাণসী জেলা আদালতের নির্দেশ বৈধ। ন্যায় বিচারের স্বার্থে মসজিদের বৈজ্ঞানিক সমীক্ষার প্রয়োজন।

    সমীক্ষার নির্দেশ

    প্রসঙ্গত, হিন্দুত্ববাদী বিভিন্ন সংগঠনের আবেদনের ভিত্তিতে গত জুলাই মাসে বারাণসীর জেলা আদালত ভারতীয় পুরাতত্ত্ব সর্বেক্ষণকে দিয়ে মসজিদে (Gyanvapi Mosque) সমীক্ষার নির্দেশ দেয়। ওজুখানা এলাকা বাদ দিয়ে এই সমীক্ষার নির্দেশ দিয়েছিল আদালত। ২৪ জুলাই এএসআইয়ের ৩০ সদস্যের একটি দল রাডার ম্যাপিং সহ আধুনিক প্রযুক্তির সাহায্যে সমীক্ষা করতে জ্ঞানবাপী মসজিদে যায়। তার পরেই আসে সুপ্রিমকোর্টের স্থগিতাদেশের নির্দেশ। বন্ধ হয়ে যায় সমীক্ষার কাজ। এদিন এলাহাবাদ হাইকোর্টের নির্দেশের পর আর বাধা রইল না সমীক্ষার কাজে।

    আরও পড়ুুন: “কোনও সংবিধান পরিষদ চিরকালীন নয়”, কাশ্মীরে ৩৭০ ধারা রদ প্রসঙ্গে সুপ্রিম কোর্ট

    প্রসঙ্গত, ২০২১ সালের অগাস্টে পাঁচ হিন্দু মহিলা জ্ঞানবাপীর মা শৃঙ্গার গৌরী ও মসজিদের অন্দরের পশ্চিমের দেওয়ালে দেবদেবীর মূর্তির অস্তিত্বের দাবি করে পূজার্চনার অনুমতি চান। দ্বারস্থ হন আদালতের। তার প্রেক্ষিতেই মসজিদের (Gyanvapi Mosque) অন্দরে ভিডিও সমীক্ষার নির্দেশ দিয়েছিল বারাণসীর নিম্ন আদালত। তার পরেই জানানো হয় কার্বন ডেটিং পরীক্ষার আর্জি।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Allahabad High Court: ‘গো-হত্যাকারীরা নরকে পচে, গরুকে সংরক্ষিত জাতীয় পশু করা হোক’, মন্তব্য এলাহাবাদ হাইকোর্টের

    Allahabad High Court: ‘গো-হত্যাকারীরা নরকে পচে, গরুকে সংরক্ষিত জাতীয় পশু করা হোক’, মন্তব্য এলাহাবাদ হাইকোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সারা দেশ জুড়ে গো-হত্যা নিয়ে রুখে দাঁড়িয়েছে বহু মানুষ। আর এবারে গো-হত্যা বন্ধ করতে গুরুত্বপূর্ণ মন্তব্য করল এলাহাবাদ আদালত (Allahabad High Court)। গো-হত্যা নিষিদ্ধ করার পক্ষে নিজের অভিমত ব্যক্ত করলেন এলাহাবাদ হাইকোর্টের লখনউ বেঞ্চের বিচারপতি শামিম আহমেদ। এক মামলার রায় দিতে গিয়ে তিনি বলেছেন, “গরু পবিত্র, হত্যাকারীরা নরকে পচে। আশা করব কেন্দ্রীয় সরকার গো-হত্যা বন্ধ করতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেবে এবং গরুকে ‘সংরক্ষিত জাতীয় পশু’ হিসেবে ঘোষণা করবে।”

    কোন মামলায় এমন বললেন বিচারপতি?

    সম্প্রতি গো-হত্যা প্রতিরোধ আইনে মহম্মদ আবদুল খালিক নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করে উত্তরপ্রদেশ পুলিশ। তাঁর কাছ থেকে গো-মাংস উদ্ধার করা হয়। এলাহাবাদ হাইকোর্টের লখনউ বেঞ্চে জামিনের আবেদন করেন তিনি। খালিকের সেই আবেদন খারিজ করে দেন বিচারপতি শামিম আহমেদ। তিনি বলেন, “গরুর প্রতি হিন্দুদের বিশ্বাস রয়েছে। তাঁরা এটিকে সবচেয়ে পবিত্র প্রাণী বলে মনে করেন। গরুকে হিন্দুরা ঈশ্বরের প্রতিনিধি হিসেবেও গণ্য করেন।” এছাড়াও বিচারপতি বলেন, “হিন্দু ধর্ম অনুসারে, গরুর মধ্যে ৩৩ ধরণের দেব-দেবীর অধিষ্ঠান রয়েছে। গরুর পা থেকে সমস্ত জ্ঞান আহরণ করেছিলেন ভগবান শ্রীকৃষ্ণ।”

    আরও পড়ুন: সিঙ্গুরের মতো আবারও কী জমি আন্দোলন দেখতে চলেছে রাজ্যবাসী, কোথায় দেখে নিন?

    এর পর রায় দিতে গিয়ে বিচারপতি শামিম আহমেদ বলেছেন, “আমরা এক ধর্মনিরপেক্ষ দেশে বাস করি। আমাদের প্রত্যেকের উচিত সব ধর্মের প্রতি সম্মান দেখানো। হিন্দু ধর্মে বিশ্বাসীদের গরুকে নিয়ে আলাদা আবেগ রয়েছে। তাঁরা মনে করেন, গরু ঈশ্বরের প্রতিনিধি। ভগবান শিব, কৃষ্ণ এমনকী দেবরাজ ইন্দ্রের সঙ্গেও গরুর বিশেষ সম্পর্ক রয়েছে। ফলে গরুকে অবশ্যই রক্ষা করা উচিত।” তিনি আরও বলেন, “যে কেউ গরুকে হত্যা করে বা অন্যকে হত্যা করার অনুমতি দেয়, তারা নরকে পচে যাবে বলে  মনে করা হয়।” এই সব মন্তব্য করেই এলাহাবাদ হাইকোর্টের বেঞ্চ আবদুলের জামিন খারিজ করেছেন।

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Allahabad: মহিলাদের বিরুদ্ধেও করা যেতে পারে গণধর্ষণের মামলা, সাফ জানাল এলাহবাদ হাইকোর্ট

    Allahabad: মহিলাদের বিরুদ্ধেও করা যেতে পারে গণধর্ষণের মামলা, সাফ জানাল এলাহবাদ হাইকোর্ট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শুধুমাত্র পুরুষ নয়, মহিলাদের বিরুদ্ধেও গণধর্ষণের মত অপরাধে মামলা দায়ের করা যেতে পারে, এমনটাই জানাল এলাহবাদ হাইকোর্ট। এলাহাবাদ হাইকোর্টের বিচারপতি শেখর কুমার যাদবের বেঞ্চ সোমবার একটি মামলায় এই রায় দিয়েছে। ভারতীয় দণ্ডবিধির আইন পর্যবেক্ষণ করে বিচারপতি যাদব জানিয়েছেন, একজন মহিলা কখনও ধর্ষণ করতে পারে না অন্য মহিলাকে। কিন্তু সেই মহিলা যদি গণধর্ষকদের কাজকে প্রশ্রয় দেয়, তবে সে-ও সমান অপরাধে অভিযুক্ত হবে, গণধর্ষণের মামলা রুজু করা হতে পারে তার বিরুদ্ধেও।

    মামলাটি কী?

    সূত্রের খবর, ২০১৫ সালের একটি এফআইআরের ভিত্তিতে এই মামলার শুনানি চলছিল আদালতে। অভিযোগ, ১৫ বছরের এক মেয়েকে অপহরণ করে গণধর্ষণ করা হয়েছিল। তার বয়ান রেকর্ড করার পরে পুলিশ জানতে পারে, গোটা ঘটনায় এক মহিলাও জড়িত ছিল। তবে ঘটনার চার্জশিটে ওই মহিলার নাম ছিল না। তা সত্ত্বেও ৩৭৬ ডি ধারায় (ধর্ষণ-সহ যৌন অপরাধ) মামলার শুনানিতে ওই মহিলাকে তলব করা হয়।

    এই পরিস্থিতিতে অভিযুক্ত ওই মহিলা সুনীতা পাণ্ডের আইনজীবী সওয়াল করেন যে, তাঁর মক্কেলকে ভুল করে আদালতে তলব করা হয়েছে গণধর্ষণের মামলায়। তাঁর মক্কেল একজন মহিলা। তাঁর পক্ষে অন্য মহিলাকে ধর্ষণ করা সম্ভব নয়। ফলে ভারতীয় সংবিধানের ৩৭৬ ডি ধারায় কখনওই অভিযোগ আনা যায় না একজন মহিলার বিরুদ্ধে। তিনি আরও দাবি করেন, মহিলার পক্ষে যেহেতু ধর্ষণ করা সম্ভবই নয়, তাই গণধর্ষণের চার্জও আনা যায় না।

    বিচারপতির রায়

    অভিযুক্ত সুনীতার আইনজীবীকে পাল্টা জবাব দিতে সংবিধানের ৩৭৫ এবং ৩৭৬ নম্বর অনুচ্ছেদে ধর্ষণের যে সংজ্ঞা উল্লেখ করা হয়েছে, সেই প্রসঙ্গ আনা হয়েছে। বলা হয়েছে, ৩৭৫ ধারায় স্পষ্ট করেই লেখা আছে, ধর্ষণ কেবল পুরুষরা করতে পারে, মহিলারা নয়। তবে ৩৭৬-ডি ধারা বলছে, কোনও মহিলা যদি গণধর্ষণে অভিযুক্তদের সাহায্য করেছে বলে জানা যায়, তবে সে-ও সমান দোষে দোষী। এরপরেই বিচারপতি বলেন, “কোনও মহিলা ধর্ষণ করতে পারেন না। তবে তিনি যদি এক দল লোকের সঙ্গে মিলে এই কাজটি (ধর্ষণ) করতে সহায়তা করেন, তবে তাঁর বিরুদ্ধেও গণধর্ষণের মামলা হতে পারে।” তিনি রায় দেওয়ার সময়ে ‘ব্যক্তি’ শব্দের উপর জোর তিনি জানান, ব্যক্তি বলতে এ ক্ষেত্রে সঙ্কীর্ণ ভাবে কেবল পুরুষদের বোঝানো হয়নি। ‘ব্যক্তি’ বলতে কোনও মহিলা বা যে কোনও সংঘবদ্ধ দলও বোঝাতে পারে।

    ফলে সব দিক বিচার করে বিচারপতি রায় দেন, এই ঘটনায় অভিযুক্ত ওই মহিলার বিরুদ্ধেও গণধর্ষণের সাজাই দেওয়া হবে, কারণ তিনি একদল ব্যক্তির সঙ্গে ধর্ষণের কাজে সাহায্য করেছেন।

  • Allahabad High Court: কিউআর কোড স্ক্যান করে নেওয়া হচ্ছে ‘ঘুষ’! সাসপেন্ড হাইকোর্টের কর্মী

    Allahabad High Court: কিউআর কোড স্ক্যান করে নেওয়া হচ্ছে ‘ঘুষ’! সাসপেন্ড হাইকোর্টের কর্মী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইউপিআই কোড স্ক্যান করে টাকা দেওয়াটা এখন স্বাভাবিক হয়ে গিয়েছে, এমনটা বলা যেতেই পারে। তবে এবারে এই কিউআর কোড স্ক্যান করেই ‘বকশিস’ বা ‘ঘুষ’ নেওয়ার অভিযোগ উঠল এক আদালত কর্মীর বিরুদ্ধে। এককথায় বলতে গেলে ঘুষ নেওয়ার আধুনিক পদ্ধতি হল এটি। তবে এই খবর জানাজানি হতেই ওই কর্মীর বিরুদ্ধে বড় পদক্ষেপ নিলেন হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি। সাসপেন্ড করা হল তাঁকে।

    ঠিক কী ঘটেছে?

    সম্প্রতি, সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হচ্ছে একটি ছবি। সূত্রের খবর অনুযায়ী, ভাইরাল ছবিটি এলাহাবাদ হাইকোর্টের। আর এই ছবিতে দেখা যায়, আদালত কক্ষের ভেতরেই আদালত কর্মীর ইউনিফর্মের উপরে কোমরের দিকে সাঁটানো পেটিএম-এর কিউআর কোড। আর সেই কিউআর কোড স্ক্যান করে অনেক আইনজীবীকেও দেখা গেল টাকা দিতে। আর এই খবর ছড়িয়ে পড়তেই ওই কর্মীকে গতকাল সাসপেন্ড করলেন প্রধান বিচারপতি রাজেশ বিন্দাল।

    আরও পড়ুন: ভাঙড়ে বোমা কারখানার হদিশ, তৃণমূল না আইএসএফ কারা বানাত?

    জানা গিয়েছে, এলাহাবাদ হাইকোর্টের এই কর্মচারীর নাম রাজেন্দ্র কুমার। কিউআর কোড স্ক্যান করে ঘুষ নেওয়ার ছবি ভাইরাল হতেই তুঙ্গে বিতর্ক। এরপর ভিডিও প্রকাশ্যে আসতেই সঙ্গে সঙ্গে পদক্ষেপ নেন হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি রাজেশ বিন্দাল। ওই কর্মচারীকে সাসপেনশনের নোটিশ দিয়েছেন তিনি। এছাড়াও অভিযুক্ত কর্মীকে জানানো হয়েছে, সাসপেন্ড অবস্থায় তাঁকে হাইকোর্টের অ্যাকাউন্স ডিপার্টমেন্টের সঙ্গে যোগাযোগ রাখতে হবে। আবার পরবর্তী নির্দেশ না আসা পর্যন্ত প্রয়াগরাজ ছাড়তেও পারবেন না তিনি।

    এলাহাবাদ হাইকোর্ট সূত্রে জানা গিয়েছে, চলতি বছরের ২৯ নভেম্বর এই বিষয়টি প্রধান বিচারপতির নজরে এসেছিল। হাইকোর্টের বিচারপতি অজিত কুমার পুরো ঘটনার কথা জানিয়ে চিঠি লেখেন প্রধান বিচারপতি রাজেশ বিন্দালকে। এরপরেই গোটা বিষয়টি খতিয়ে দেখে ওই অভিযুক্ত কর্মীর বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেন ও তাঁকে সাসপেন্ড করেন।

    সরকারি দফতরে ঘুষ দেওয়া-নেওয়া আটকাতে বিভিন্ন ব্যবস্থা নেওয়া হয়। কিন্তু তারপরেও ঘুষ আটকানো যায় না। নিত্যনতুন পদ্ধতিতে ঘুষ দেওয়া-নেওয়া চলতেই থাকে। এবার তারই প্রমাণ মিলল এই এলাহাবাদ হাইকোর্টে। তবে কেন তিনি অনলাইন ঘুষ নেওয়ার কথা ভাবলেন, এই নিয়েও জোর আলোচনা শুরু হয়েছে। অনেকে মনে করেছেন, নগদ টাকা ঘুষ হিসেবে নিলে সম্ভবত ধরা পড়ে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে, তাই হয়ত তিনি এই অভিনব পন্থায় ঘুষ নেওয়ার চেষ্টা করছিলেন। কিন্তু তাতেও লাভ হল না। শেষে বিচারপতির নজরে এসেই গেল তাঁর ‘বকশিস’ বা ‘ঘুষ’ নেওয়ার অভিনব পন্থা।

  • Gyanvapi Update: জ্ঞানবাপী মামলায় বাদী-বিবাদী দুপক্ষের হাতিয়ার ৮০ বছরের পুরনো মামলার রায়!

    Gyanvapi Update: জ্ঞানবাপী মামলায় বাদী-বিবাদী দুপক্ষের হাতিয়ার ৮০ বছরের পুরনো মামলার রায়!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জ্ঞানবাপী মামলার (gyanvapi case) পরবর্তী শুনানি হবে ৪ জুলাই। বিচারপ্রার্থীরা তাঁদের দাবির স্বপক্ষে ৮০ বছরের পুরনো একটি মামলার রায়কে হাতিয়ার করছেন। ১৯৪২ সালে ওই রায়ে দিয়েছিল এলাহাবাদ হাইকোর্ট। বাদী ও বিবাদী— দু’পক্ষই তাদের নিজ নিজ যুক্তি সমর্থনে ওই রায়ের বিভিন্ন অংশকে তুলে ধরছেন।

    জ্ঞানবাপী মসজিদ (Gyanvapi mosque) চত্বরের বাইরের দেওয়ালে শৃঙ্গার গৌরীর (Shringar Gauri) পুজোর অধিকার চেয়ে আদালতে আবেদন করেন পাঁচ হিন্দু মহিলা। তাঁদের দাবি, ১৯৩৭ সালে সাক্ষীদের বক্তব্য প্রমাণ করে যে বিতর্কিত প্রাঙ্গণে হিন্দু দেবতার মূর্তি পুজো করা হয়েছিল।

    আরও পড়ুন : “মামলা খারিজ করা হোক”, আদালতে আরজি জ্ঞানবাপী মসজিদ কমিটির

    জ্ঞানবাপী মসজিদটি পরিচালনা করে আঞ্জুমান ইন্তেজামিয়া মসজিদ কমিটি (Anjuman Intezamia Masjid Committee)। এই কমিটি মহিলাদের দ্বারা দায়ের করা মামলার রক্ষণাবেক্ষণকে চ্যালেঞ্জ করেছে। তাদের যুক্তি, আদালত ঘোষণা করেছে যে মসজিদটি যে জমিতে গড়ে উঠেছে, সেটি ওয়াকফ সম্পত্তি। ‘রাখি সিং বনাম উত্তরপ্রদেশ’ দেওয়ানি মামলায় ১৬ নম্বর অনুচ্ছেদে আদালত বলেছে যে মসজিদের সম্পত্তিটি ওয়াকফ সম্পত্তি নয়।

    মামলাকারীদের দাবি, কাশী বিশ্বনাথ মন্দির (Kashi Viswanath Temple) ভেঙে গড়ে তোলা হয়েছে জ্ঞানবাপী মসজিদ। মুঘল সম্রাট ঔরঙ্গজেবের (Aurangzeb) নির্দেশেই ওই মন্দির ভেঙে মসজিদ গড়ে তোলা হয়েছিল। যদিও মুসলিমপক্ষের দাবি, ওই জায়গায় মসজিদ ছিল অনেক আগে থেকেই।

    আরও পড়ুন : জ্ঞানবাপী মসজিদের দেওয়ালে ত্রিশূলের চিহ্ন! প্রকাশ্যে ভিডিও ফুটেজ

    বর্তমান দেওয়ানি মামলায় আবেদনকারীরা ন’টি বিবৃতি তালিকাভুক্ত করেছেন। তারই একটি হল, ১৯৩৭ সালে দায়ের হওয়া “দীন মহম্মদ ও অন্যান্য বনাম সেক্রেটারি অফ স্টেট” মামলা। বর্তমান আবেদনকারীরা জানিয়েছেন, ১৯৩৭ সালে মামলার সাক্ষীরা প্রমাণ করেছেন যে মা শৃঙ্গার গৌরী, ভগবান গণেশ, ভগবান হনুমান এবং দৃশ্যমান ও অদৃশ্য দেবতার ছবি এবং প্রতিদিনের পুজোর অনুষ্ঠান হত একই জায়গায়।

    তাঁদের আরও যুক্তি, এই বিবৃতি মুসলিমদের পক্ষ থেকে চ্যালেঞ্জ করা হয়নি। কিন্তু, হাইকোর্ট ১৯৪২ সালের রায়ে বলেছিল, যে কিছু সাক্ষী শ্রদ্ধেয় ছিলেন অবশ্যই। কিন্তু, তাঁদের নির্দিষ্ট অভিপ্রায় ছিল। উপরন্তু, তাঁরা কোনও সুনির্দিষ্ট প্রমাণ দেননি।

    অন্যদিকে, মুসলিম পক্ষের আইনজীবীরা যুক্তি দেন যে, সাক্ষীদের ব্যক্তিগত বক্তব্যের ওপর এখন নির্ভর করা যায় না। পাশাপাশি, তাদের আরও দাবি ছিল, মসজিদ চত্বরও যে জমিতে রয়েছে সেটিও ওয়াকফ সম্পত্তি। কিন্তু, হাইকোর্ট সেই যুক্তিও খারিজ করে দিয়েছিল।

    ১৯৪২ সালের ওই রায়ে উল্লেখ করা হয়েছিল, সিভিল জজ এই মসজিদের ইতিহাস ঘেঁটে দেখেছেন এবং এই সিদ্ধান্তে পৌঁছেছেন যে মসজিদটি একটি হিন্দু মন্দিরের জায়গায় নির্মিত হয়েছিল। যে মন্দির সপ্তদশ শতাব্দীতে ভেঙে দিয়েছিলেন সম্রাট ঔরঙ্গজেব। তাই মসজিদের উৎপত্তির প্রশ্নে যাওয়ার প্রয়োজন আছে বলে আমি মনে করি না। 

  • Loudspeaker in mosques: মসজিদে লাউডস্পিকার ব্যবহার মৌলিক অধিকার নয়, পর্যবেক্ষণ এলাহাবাদ হাইকোর্টের

    Loudspeaker in mosques: মসজিদে লাউডস্পিকার ব্যবহার মৌলিক অধিকার নয়, পর্যবেক্ষণ এলাহাবাদ হাইকোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মসজিদে আজানের জন্য লাউডস্পিকারের ব্যবহার মৌলিক অধিকার নয়। শুক্রবার এ বিষয়ে শুনানি ছিল এলাহাবাদ হাইকোর্টে। সেখানেই এমনই পর্যবেক্ষণের কথা জানান হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ। এদিন এহেন মামলা খারিজও করে দেওয়া হয়েছে এলাহাবাদ হাইকোর্টের তরফে। খাজির করে দেওয়া হয়েছে মসজিদে লাউডস্পিকার লাগানোর দাবিও।

    উত্তর প্রদেশের বদায়ুঁ জেলার ধোরানপুর গ্রামের নুরি মসজিদে লাউড স্পিকার লাগানোর অনুমতি চেয়ে জেলাশাসকের কাছে আবেদন জানানো হয়। মসজিদ কর্তৃপক্ষকে সেই অনুমতি দেননি জেলাশাসক। এর পরেই আদালতের দ্বারস্থ হন তাঁরা। ইরফান নামে এক ব্যক্তি অতিরিক্ত জেলাশাসকের আবেদন খারিজ করে দেওয়ার সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ করেন। আদালতের দ্বারস্থ হন তিনিও। আবেদনকারী আদালতে জানান, মানুষের মৌলিক অধিকার লঙ্ঘন করা হচ্ছে। লাউডস্পিকার লাগাতে না দেওয়ার সিদ্ধান্ত সম্পূর্ণ বেআইনি বলেও হাইকোর্টে দাবি করা হয়। বিচারপতি বিবেককুমার বিড়লা এবং বিচারপতি বিকাশের ডিভিশন বেঞ্চে এই সংক্রান্ত মামলার শুনানি হয়। একাধিকবার হয় সওয়াল জবাবও। তার পরেই শুক্রবার আদালত সাফ জানিয়ে দেয়, মসজিদে আজানের জন্য লাউডস্পিকারের ব্যবহার কখনওই মৌলিক অধিকার নয়।

    মসজিদে লাউডস্পিকারের ব্যবহার নিয়ে দেশজুড়ে চলছে বিতর্ক। দিনকয়েক আগে মহারাষ্ট্রে এব্যাপারে মসজিদ কর্তৃপক্ষকে হুঁশিয়ারিও দিয়েছেন রাজ ঠাকরে। বলেছিলেন, অবিলম্বে মসজিদগুলি থেকে লাউডস্পিকার খুলতে হবে। না হলে যে সব মসজিদে লাউডস্পিকার বাজানো হবে, সেখানে বাজানো হবে হনুমান চালিশা। হুঁশিয়ারির জেরে রাজের বিরুদ্ধে পুলিশের তরফে রুজু হয়েছে মামলাও। এমতাবস্থায় এলাহাবাদ হাইকোর্টের পর্যবেক্ষণ বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ বই কি!

    এদিকে, যে রাজ্যের হাইকোর্টের এহেন পর্যবেক্ষণ, সেখানকার মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ। তিনি অবশ্য ধর্মীয় স্থানে লাউডস্পিকার ব্যবহারের পক্ষপাতী। তবে তা করতে হবে প্রশাসনের অনুমতি সাপেক্ষে। এবং লাউডস্পিকারের শব্দের সীমা থাকতে হবে উপাসনাস্থল চত্বরের মধ্যে। তিনি অবশ্য জানান, নতুন করে কাউকে লাউড স্পিকার ব্যবহারের অনুমতি দেওয়া হচ্ছে না।

    প্রসঙ্গত, যোগীর নির্দেশ মেনে উত্তর প্রদেশের ১৭০০ মন্দির-মসজিদে কমানো হয়েছে লাউডস্পিকারের সাউন্ড।

     

     

LinkedIn
Share