Tag: Amartya Sen

Amartya Sen

  • Amartya Sen: জমি-বিবাদে অমর্ত্য সেনকে ‘চরমপত্র’! এবার কি তাহলে উচ্ছেদ অভিযানে নামতে চলেছে বিশ্বভারতী?

    Amartya Sen: জমি-বিবাদে অমর্ত্য সেনকে ‘চরমপত্র’! এবার কি তাহলে উচ্ছেদ অভিযানে নামতে চলেছে বিশ্বভারতী?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিশ্বভারতী বনাম নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ অমর্ত্য সেনের (Amartya Sen) জমি-বিবাদ এবার মারাত্মক দিকে মোড় নিল। এতদিন বিষয়টি আলাপ-আলোচনা বা চিঠি-চালাচালির মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল। এখনও তাই-ই আছে। কিন্তু এবার বিশ্বভারতী কর্তৃপক্ষ অমর্ত্য সেনকে যে নোটিশ পাঠিয়েছে, তার বিষয়বস্তু নিয়ে ব্যাপক জলঘোলা শুরু হয়েছে। অমর্ত্য সেনের আইনজীবী গোরাচাঁদ চক্রবর্তীকে ই-মেইল মারফত যে নোটিশ বিশ্বভারতীর রেজিস্ট্রার পাঠিয়েছেন, তাতে পরিষ্কার জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, আগামী ১৯ শে এপ্রিল ১৯৭১ সালের দখলদার উচ্ছেদ আইন অনুযায়ী ‘কড়া পদক্ষেপ’ নেবে কর্তৃপক্ষ। এখানেই প্রশ্ন উঠেছে, তাহলে কি এবার সরাসরি উচ্ছেদ অভিযানে নামতে চলেছে বিশ্বভারতী কর্তৃপক্ষ? 

    কী নিয়ে উভয়পক্ষের এই বিবাদ?

    বিবাদের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে অমর্ত্য সেনের লিজ নেওয়া জমি। অমর্ত্য সেনের (Amartya Sen) দাবি, জমির পরিমাণ ১.৩৮ একর। বিশ্বভারতীর বক্তব্য, জমির পরিমাণ আরও কম এবং সেটা হল ১.২৫ একর। বিশ্বভারতীর অভিযোগ, ওই বাড়তি জমি অমর্ত্য সেন জোর করে দখল করে রেখেছেন এবং তা ভোগদখল করছেন। তাই তা আসলে বিশ্বভারতীর নিজস্ব সম্পত্তি। অন্যদিকে নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদের দাবি, বিশ্বভারতী ঠিক কথা বলছে না। ওই জমি কিনেছিলেন তাঁর বাবা। সেই সংক্রান্ত কাগজপত্রও তাঁর কাছে রয়েছে। 

    কেন পরিস্থিতি জটিল দিকে মোড় নিল?

    বিশ্বভারতী কর্তৃপক্ষ সূত্রে জানা গিয়েছে, ২৯ শে মার্চ এই বিষয়ে আলোচনার জন্য অমর্ত্য সেনকে (Amartya Sen) ডাকা হয়েছিল শুনানিতে। কিন্তু তিনি আসতে পারেননি। আরও কিছুটা সময় চাওয়া হয়েছিল তাঁর পক্ষ থেকে। বিশ্বভারতীর বক্তব্য, আইন মোতাবেক তাঁকে সাতদিনের বেশি সময় দেওয়া যায় না। যেখানে অমর্ত্য সেন চেয়েছিলেন আরও চার মাস সময়। নোটিশে একথাও জানিয়ে দেওয়া হয়েছে যে, আগামী ১৯ তারিখ চাইলে অমর্ত্য সেনের আইনজীবী হাজির থাকতে পারবেন, এমনকি তিনি চাইলে ই-মেইলে তাঁর বক্তব্য জানাতে পারেন।

    পুলিশ-প্রশাসন কী ব্যবস্থা নিচ্ছে?

    অমর্ত্য সেন (Amartya Sen) এখন রয়েছেন বিদেশে। তিনি আগামী ১৯ শে এপ্রিলের মধ্যে আসতে পারবেন, এমন সম্ভাবনাও নেই বলেই জানা গিয়েছে। তাই ‘প্রতীচী’ বাড়ি ঘিরে যে কোনও ধরনের গণ্ডগোল হতে পারে, এরকম একটা আশঙ্কা রয়েছে। তারই পরিপ্রেক্ষিতে অমর্ত্য সেনের এই বাড়ি ঘিরে যাতে শান্তি বজায় থাকে, তা দেখতে স্থানীয় পুলিশকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Amartya Sen: অমর্ত্য সেনের মৃত্যু নিয়ে ভুয়ো খবর! ‘‘বাবা সুস্থ আছেন’’, জানালেন মেয়ে

    Amartya Sen: অমর্ত্য সেনের মৃত্যু নিয়ে ভুয়ো খবর! ‘‘বাবা সুস্থ আছেন’’, জানালেন মেয়ে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ অমর্ত্য সেনের (Amartya Sen) মৃত্যু হয়েছে বলে মঙ্গলবার সংবাদমাধ্যমের একাংশে এমন খবর প্রচারিত হতে থাকে। কিছুক্ষণ পর জানা যায়, খবরটি ভুয়ো। সংবাদসংস্থা পিটিআই-কে অমর্ত্য-কন্যা তথা অভিনেত্রী নন্দনা সেন জানান, বাবা সুস্থ আছেন। তিনি বলেন, ‘‘বাবা ভাল আছেন। সুস্থ আছেন। আমি কাল (সোমবার) রাত পর্যন্ত তাঁর সঙ্গেই ছিলাম।’’ একইসঙ্গে তিনি সকলকে গুজব ছড়ানো থেকে বিরত থাকারও অনুরোধ করেন।

    সমাজ মাধ্যম এক্স (সাবেক ট্যুইটারে নন্দনা বাবার সঙ্গে একটি ছবি পোস্ট করেন। সেই সঙ্গে লেখেন, ‘‘বন্ধুরা, আপনাদের উদ্বেগের জন্য ধন্যবাদ। তবে এটা ভুয়ো খবর। বাবা (Amartya Sen) সম্পূর্ণ সুস্থ। আমরা সবেমাত্র গত সপ্তাহে কেমব্রিজে দারুন একটা সময় একসঙ্গে পরিবারের সঙ্গে উপভোগ করলাম। বরাবরের মতো গত রাতেও তিনি আমাদের আলিঙ্গন করে বিদায় জানালেন। বর্তমানে তিনি হার্ভার্ডে দুটি কোর্সের শিক্ষকতা করছেন। বইয়ের কাজও করছেন। সবমিলিয়ে— সদা ব্যস্ত।’’

    মঙ্গলবার দুপুরে সংবাদমাধ্যমের একাংশে খবর প্রচারিত হতে শুরু করে যে, নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ অমর্ত্য সেন (Amartya Sen) মারা গিয়েছেন। সেই খবরের উৎস ছিল সদ্য অর্থনীতিতে নোবেলজয়ী ক্লডিয়া গোল্ডিন। তাঁর এক্স (সাবেক ট্যুইটার) হ্যান্ডলে অমর্ত্য সেনের একটি পুরনো ছবি পোস্ট করা হয়। তাতে লেখা হয়, ‘‘মর্মান্তিক খবর! আমার প্রিয়তম অধ্যাপক অমর্ত্য সেন কয়েক মিনিট আগে প্রয়াত হয়েছেন। ভাষা নেই!’’ নিমেষে এই ট্যুইট সমাজমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। পরে, জানা যায়, এটি ক্লদিয়ার ভুয়ো অ্যাকাউন্ট। 

    পরে, অমর্ত্য সেনের পরিবারের তরফে নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদের মৃত্যুর খবর ভুয়ো বলে উড়িয়ে দেয়। জানা গিয়েছে, অমর্ত্য সেন এখন বোস্টনে রয়েছেন। 

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     
  • Amartya Sen: ১৫ দিনের মধ্যে অমর্ত্য সেনকে জমি ছাড়ার নির্দেশ দিল বিশ্বভারতী কর্তৃপক্ষ

    Amartya Sen: ১৫ দিনের মধ্যে অমর্ত্য সেনকে জমি ছাড়ার নির্দেশ দিল বিশ্বভারতী কর্তৃপক্ষ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ অমর্ত্য সেনের (Amartya Sen) জমি নিয়ে বিশ্বভারতী কর্তৃপক্ষ কী পদক্ষেপ নেয়, সেদিকে সকলের নজর ছিল। উচ্ছেদ নোটিশ দেওয়ার পর থেকে নোবেলজয়ীর জমি নিয়ে বিশ্বভারতী কর্তৃপক্ষ কড়া পদক্ষেপ নিতে চলেছে বলে জল্পনা চলছিল। সেই জল্পনার অবসান ঘটিয়ে এবার ১৫ দিনের মধ্যে নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ অমর্ত্য সেনকে (Amartya Sen) জমি ছাড়তে বলে বুধবার নোটিশ দিল বিশ্বভারতী কর্তৃপক্ষ।

    নোবেলজয়ীকে (Amartya Sen) দেওয়া বিশ্বভারতীর নোটিশে কী রয়েছে?

    বিশ্বভারতীর দেওয়া চিঠিতে বলা হয়েছে, অনুমোদিত দখলদার উচ্ছেদ আইন ১৯৭১ ধারা ৫-এর উপধারা ১-এর অধীনে ক্ষমতা প্রয়োগ করে ফেরানো হবে বিতর্কিত ১৩ ডেসিমেল জমি। ৬ মের মধ্যে বিশ্বভারতীর প্লট নম্বর ২০১ উত্তর পশ্চিম কোণে ১৯০০/২৪৮৭ সুরুল মৌজার ১৯০০ জেএল নম্বর ১০৪ পাবলিক সম্পত্তির উপর অনুমোদিত দখল জমি খালি করার নির্দেশ দিয়েছেন বিশ্বভারতীর ভারপ্রাপ্ত যুগ্ম কর্মসচিব ও এস্টেট অফিসার। ওই সময়সীমার মধ্যে জমি খালি করা না হলে কঠোর পদক্ষেপের হুঁশিয়ারির পাশাপাশি প্রয়োজনে বল প্রয়োগের মাধ্যমেও খালি করার নির্দেশ দিয়েছেন বিশ্বভারতী কর্তৃপক্ষ। এর আগে ‘প্রতীচী’র গেটে উচ্ছেদের নোটিশ ঝুলিয়ে দিয়েছিল বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। নোটিশে উল্লেখ করা হয়েছিল, ১৯ এপ্রিল এই জমি নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে বিশ্বভারতী কর্তৃপক্ষ। বুধবারই সেই দিন ছিল। এবার তারা কড়া পদক্ষেপ গ্রহণ করল।

    বিশ্বভারতীকে জবাবি চিঠিতে কী  লিখেছিলেন অমর্ত্য সেন (Amartya Sen)?

    ১৭ এপ্রিল বিশ্বভারতীকে জবাবি চিঠি দিয়েছিলেন অমর্ত্য সেন (Amartya Sen)। অমর্ত্য সেন চিঠিতে লিখেছিলেন, লিজের মেয়াদ শেষ হওয়া পর্যন্ত কেমন করে কেউ এই জমি দাবি করতে পারেন? পাশাপাশি নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ আরও জানান, ‘প্রতীচী’–র জমির আইনশৃঙ্খলা এবং শান্তিরক্ষার নির্দেশ দিয়েছেন জেলাশাসক। এই জমি তাঁর বাবার। ১.৩৮ একর জমি অমর্ত্য সেনের (Amartya Sen) নামে মিউটেশন করা হয়েছে বলে প্রশাসন জানিয়ে দিয়েছে। মিউটেশন করার কথা জানানো হলেও বিশ্বভারতী তাঁদের নিজেদের সিদ্ধান্তে অনড়।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Amartya Sen: অর্মত্য সেনকে উচ্ছেদের নোটিশ বিশ্বভারতীর

    Amartya Sen: অর্মত্য সেনকে উচ্ছেদের নোটিশ বিশ্বভারতীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এবার অর্মত্য সেনকে (Amartya Sen) উচ্ছেদের নোটিশ পাঠালেন বিশ্বভারতী কর্তৃপক্ষ (Viswa Bhrati)। আজ, রবিবারই নোবেল জয়ী অর্থনীতিবিদের শান্তিনিকেতনের ঠিকানায় পৌঁছে গিয়েছে উচ্ছেদের নোটিশ। অর্মত্যর বাড়ি প্রতীচীর ঠিকানায় পাঠানো চিঠিতে বলা হয়েছে ২৯ মার্চ অমর্ত্য অথবা তাঁর কোনও প্রতিনিধি যেন বিশ্বভারতীর সেন্ট্রাল অ্যাডমিশন বিল্ডিংয়ের কনফারেন্স হলে উপস্থিত থাকেন। সেখানেই ওই ‘বিতর্কিত’ জমি নিয়ে শুনানি হবে। বিশ্বভারতী কর্তৃপক্ষের পাঠানো ওই নোটিশে বলা হয়েছে, অর্মত্য সেন বিশ্বভারতীর ১৩ ডেসিমেল জমি দখল করে রেখেছেন। তাই আইন মেনে কেন তাঁকে ওই জমি থেকে উচ্ছেদ করা হবে না, তার জবাব চাওয়া হয়েছে।

    অর্মত্য সেনকে (Amartya Sen) নোটিশ…

    অর্মত্যকে (Amartya Sen) নোটিশ পাঠানোর আগে বিশ্বভারতী কর্তৃপক্ষ একটি চিঠি দিয়েছিলে তাঁকে। তাতে বলা হয়, অতি শীঘ্র ১৩ ডেসিমেল জমি বিশ্ববিদ্যালয়কে ফেরত দিতে হবে। বিশ্বভারতী কর্তৃপক্ষের ওই চিঠিকে ঘিরে শুরু হয় বিতর্ক। অর্মত্যর দাবি, ওই বাড়ির জমির একটা অংশ বিশ্বভারতীর থেকে লিজ নেওয়া, কিছুটা জমি কেনা। বিশ্বভারতী কর্তৃপক্ষ মিথ্যা কথা বলছেন। অর্মত্যর পাশে দাঁড়িয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। শান্তিনিকেতনে গিয়ে তিনি দেখা করেন নোবেল জয়ী এই অর্থনীতিবিদের সঙ্গে। তাঁর হাতে জমির মাপজোক সংক্রান্ত কাগজপত্র তুলে দেন মমতা।

    আরও পড়ুুন: ‘যারা গদিতে ঘুমোয়, তারা ভাবুক, কী হবে’, বললেন কম্বলকাণ্ডে ধৃত জিতেন্দ্র

    সেই সময় অর্মত্যর পাশে বসে বিশ্বভারতী কর্তৃপক্ষকে তোপ দেগেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। বলেছিলেন, এভাবে মানুষকে অপমান করা যায় না। আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারিও দেন মুখ্যমন্ত্রী। প্রসঙ্গত, এরই কয়েক দিন আগে তাঁর বাবা আশুতোষ সেনের পরিবর্তে জমির লিজ হোল্ডার হিসেবে নিজের নাম নথিভুক্ত করার জন্য আবেদন করেন অর্মত্য (Amartya Sen)। বোলপুর ভূমি ও ভূমিসংস্কার দফতরে তার শুনানি ছিল। সেখানে উপস্থিত ছিলেন অর্মত্য ও বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ের আইনজীবীরা।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

     

     

  • Suvendu Adhikar: অমর্ত্য সেনের জমি বিতর্কে মুখ্যমন্ত্রীকে কটাক্ষ শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikar: অমর্ত্য সেনের জমি বিতর্কে মুখ্যমন্ত্রীকে কটাক্ষ শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অমর্ত্য সেনের জমি বিতর্কে বুধবার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে (CM Mamata Banerjee) কটাক্ষ করলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। বৃহস্পতিবার সাংবাদিক বৈঠকে বিরোধী দলনেতা দাবি করেছেন, ‘‘মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যে কাগজগুলি দেখিয়েছেন, তা ভুয়ো।’’ এই প্রসঙ্গে তাঁর কটাক্ষ, ‘‘এই জন্য রাজ্য সরকারকে সবাই ভুয়ো বলছে।’’

    শুভেন্দু-মমতা তরজা

    জমি দখলের অভিযোগ ঘিরে অমর্ত্য সেন এবং বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ের সংঘাত চরমে উঠেছে। এই সময়ে বীরভূম সফরে গিয়ে প্রথমে অমর্ত্য সেনের বাড়িতে যান মুখ্যমন্ত্রী।  তারপর তিনি বলেন, ‘‘যে জমিটা লিজে দেওয়া হয়েছিল তা ১.৩৮৮ একর। আর ওরা বলছে ১.২৫ একর। ‘এল আর’ রেকর্ড বলছে, ১.৩৮ একর। তাই অমর্ত্য সেন ঠিক বলছেন। ১৯৫৬ সালের ‘আরএস’ রিপোর্টেও একই তথ্য রয়েছে।’’ মুখ্যমন্ত্রীর ওই সরকারি নথি ‘ভুয়ো’ বলে বৃহস্পতিবার দাবি করলেন শুভেন্দু। তাঁর বক্তব্য, ‘‘লিজ জমি হস্তান্তরযোগ্য নয়। লিজটা ছিল স্বর্গীয় আশুতোষ সেনের (অমর্ত্য সেনের বাবা)। তিনি মারা যাওয়ার পর লিজ খতম। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যে কাগজগুলি দেখিয়েছেন, সেগুলি ভুয়ো। এই জন্য রাজ্য সরকারকে সবাই ভুয়ো বলছে।’’ 

    আরও পড়ুন: হাইকোর্টে স্বস্তি শুভেন্দুর! রাজ্য শিশু সুরক্ষা কমিশনের শোকজ নোটিসের উপর স্থগিতাদেশ

    জমি বিতর্কে মুখ্যমন্ত্রী যে নথি দেখিয়েছেন তা ‘অপ্রাসঙ্গিক’ বলে আগেই দাবি করেছেন বিশ্বভারতীর উপাচার্য বিদ্যুৎ চক্রবর্তী। এক্ষেত্রে বিশ্বভারতীতে গৈরিকীকরণের চেষ্টা চলছে বলে অভিযোগ করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। এই প্রসঙ্গে মমতাকে কটাক্ষ করেছেন দিলীপ ঘোষ। ট্যুইটারে বিজেপির সর্বভারতীয়-সহ সভাপতি লিখেছেন, ‘‘ওয়াশিং পাউডার দিয়ে মুখ্যমন্ত্রীকে ধুয়ে দিয়েছে বিশ্বভারতী। এত অপমানিত আগে কখনও হননি। বহিরাগত হয়ে হস্তক্ষেপের চেষ্টা করেছেন। অনাহুত হয়ে গিয়েছেন ওখানে। জমি মাফিয়াদের বাঁচাতে বীরভূমে গিয়েছেন তিনি।’’

    বিশ্বভারতী-রাজ্য সম্পর্ক

    প্রসঙ্গত, বিশ্বভারতী কেন্দ্রীয় বিশ্ববিদ্যালয়। প্রধানমন্ত্রী পদাধিকার বলে তার আচার্য। দেশের রাষ্ট্রপতি হলেন পদাধিকার বলে পরিদর্শক। অতীতে বাংলায় যখন বামফ্রন্ট সরকার চলছে, তখন পদাধিকার বলে বিশ্বভারতীর আচার্য কখনও ছিলেন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী রাজীব গান্ধী বা মনমোহন সিং। আচার্য হিসাবে বিশ্বভারতীতে এসেছিলেন ইন্দিরা গান্ধীও। কিন্তু দিল্লির শাসকের স্নেহ ও আচ্ছাদন নিয়ে বাংলায় বাম সরকারের সঙ্গে বিবাদ বা এ ধরনের বাকযুদ্ধে কখনও জড়াতে দেখা যায়নি বিশ্বভারতী কর্তৃপক্ষকে। কিন্তু বর্তমান সরকারের সঙ্গে ক্রমশ দূরত্ব বেড়েছে বিশ্বভারতীর।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • Amartya Sen: অমর্ত্যর বাড়ি সম্পর্কিত যে কাগজ মমতা দেখাচ্ছেন, তা অপ্রাসঙ্গিক, সাফ জানালেন উপাচার্য

    Amartya Sen: অমর্ত্যর বাড়ি সম্পর্কিত যে কাগজ মমতা দেখাচ্ছেন, তা অপ্রাসঙ্গিক, সাফ জানালেন উপাচার্য

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নোবেল জয়ী অর্থনীতিবিদ অমর্ত্য সেনের (Amartya Sen) বাড়ি সম্পর্কিত যে কাগজ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee) দেখাচ্ছেন, তা প্রাসঙ্গিক নয়। মঙ্গলবার এই দাবি করলেন বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয় (Visva Bharati) কর্তৃপক্ষ। বিশ্ববিদ্যালয়ের তরফে উপাচার্য বিদ্যুৎ চক্রবর্তী বলেন, যে নথিপত্র মুখ্যমন্ত্রী দিয়েছেন, তা ভুল। কারণ এই জমিটা তাঁর বাবা আশুতোষ সেনের নামে। লিজ হোল্ড জমি কখনও যিনি গত হয়েছেন তাঁর নামে ট্রান্সফার হয় না। যে তথ্যটা মুখ্যমন্ত্রীর স্তাবকেরা তাঁকে দেয়নি।

    উপাচার্য বলেন…

    উপাচার্য বলেন, জমির মিউটেশন হয় ২০০৬ সালে। জমিটির মিউটেশন বাবদ ও প্রতি বিঘায় কর বাবদ রাজ্যকে দিয়েছেন ১৮ হাজার ৯৪০ টাকা। ৩৩ ডেসিমেলে এক বিঘা। যদি অমর্ত্য সেনের কাছে সেই জমিটা থাকতো, তাহলে উনি ১৩৮ ডেসিমেলের কর দিতেন। কিন্তু উনি তা দেননি। তাই উনি ভাল করে জানতেন যে ওঁর কতটা জমি রয়েছে। ২০০৬ সালে জমিটা ট্রান্সফার হয়। তখন সেই ডকুমেন্ট আমরা রাজ্য সরকারকে পাঠিয়ে দিই। উপাচার্য বলেন, গতকাল মুখ্যমন্ত্রী যে ডকুমেন্ট দেখিয়েছেন, সেখানে কোথায় অমর্ত্য সেনের নাম রয়েছে? সবটাই আছে আশুতোষ সেনের নামে। অমর্ত্য সেন আশুতোষ সেনের উত্তরাধিকার হওয়ার জন্য সেই জমিটা পেয়েছেন। জানি না মুখ্যমন্ত্রী কী করে বলছেন জমিটা অমর্ত্য সেনের নামে আছে? সরকারের সব তথ্য ভুল। জমিটা কিন্তু আমাদের। রাজ্য বলছে জমিটা ল্যান্ড ব্যাঙ্ক থেকে দেওয়া হয়েছে। কিন্তু জমিটা রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কিনেছিলেন।

    আরও পড়ুুন: ‘সবার আগে দেশ, সব থেকে আগে দেশবাসী’, বাজেট প্রসঙ্গে বললেন প্রধানমন্ত্রী

    বিশ্বভারতীর উপাচার্য জানান, তাঁদের কাছে যে নথি রয়েছে, তাতে অমর্ত্য সেনের ১.২৫ একর জমিই রয়ছে। তিনি বলেন, অমর্ত্য সেনের কোনও অপমান হোক, সেটা চাই না। কারণ তিনি এখনও পর্যন্ত আলোচনায় বসে সমস্যা মিটিয়ে নেওয়ার জন্য আবেদন করেছেন। উপাচার্য বলেন, সরকার পক্ষ, প্রশাসনের লোকজন থাকুন। বিশ্বভারতীর লোকজনও থাকুন। সবার উপস্থিতিতে জমির মাপজোক করা হোক। উপাচার্যের দাবি, বিশ্বভারতীর বিপুল পরিমাণ জমি দখল হয়ে গিয়েছে। নিয়ম মেনে সেগুলি উদ্ধারের চেষ্টাই তিনি করছেন বলে দাবি উপাচার্যের। সেই কারণেই উপাচার্য চান, ওই জমি ফিরিয়ে দিয়ে অন্যদের বার্তা দিন অমর্ত্য (Amartya Sen)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Suvendu Adhikari: বিপুল জনসমাগম! নেতাইয়ের সভা থেকে মমতা-অভিষককে আক্রমণ শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: বিপুল জনসমাগম! নেতাইয়ের সভা থেকে মমতা-অভিষককে আক্রমণ শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিপুল জনসমাগমের মধ্য দিয়ে মাত্র তিন কিলোমিটার রাস্তা হাঁটলেন ৫০ মিনিট ধরে। তৃণমূলের গড়ে নিজের জাত চেনালেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। সোমবার ভিড়ে ঠাসা লোকজনের মাঝে লালগড় থেকে নেতাই পর্যন্ত মাত্র তিন কিমি রাস্তা শুভেন্দুর হেঁটে পৌঁছতে ৫০ মিনিট সময় লেগে যায়। শহিদ বেদির পাশে বিজেপির দলীয় পতাকা দেওয়া সভামঞ্চের ব্যাকড্রপে ছিল শুভেন্দু, নরেন্দ্র মোদি, জেপি নাড্ডা, সাংসদ কুনার হেমব্রম-সহ রাজ্য সভাপতি ও জেলা সভাপতির ছবি। 

    শুভেন্দু যা বললেন

    এদিনের সভায় শুভেন্দু বলেন, ‘‘কে রুখে দেয় আমি দেখব। আমিও জানি কী ভাবে সোজা করতে হয়। অনেক বড় বড় মাতব্বরকে সোজা করেছি। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের চোদ্দ পুরুষও আমাকে আটকাতে পারবে না।’’ নেতাই কাণ্ডের জেলমুক্ত অভিযুক্তদের নাম না করে শুভেন্দু বলেন, ‘‘যাঁরা দশ-বারো বছর জেল খেটে ফিরে এসেছেন, তাঁরা ভদ্র থাকুন, ভাল থাকুন। বেশি আর লাল ঝান্ডা নিয়ে উৎপাত করবেন না। এসব করতে যাবেন না। আবার বিপদে পড়বেন। পাশে কেউ দাঁড়াবে না। এখন সব গেরুয়া ঝান্ডা হয়ে গিয়েছে। আপনারা পারবেন না তৃণমূলকে টাইট দিতে। আমরা ছাড়া কেউ পারবে না।’’ 

    সভা শেষে শহিদ পরিবারের সদস্য ও আহতদের মঞ্চে ডেকে নেন শুভেন্দু। এসেছিলেন নেতাই শহিদ স্মৃতিরক্ষা কমিটির প্রাক্তন সভাপতি দ্বারকানাথ পন্ডাও। শুভেন্দুর অভিযোগ, ‘‘শহিদবেদিতে আমাকে মালা দিতে বাধা দেওয়ার বিষয়টি দ্বারকাবাবু ও নেতাইবাসী মানেননি। তাই দ্বারকাবাবুকে স্মৃতিরক্ষা কমিটি থেকে সরানো হয়েছিল। এটা বিজেপির কর্মসূচি। উনি বিজেপির সদস্য নন, তাই তাঁকে আহ্বান করতে পারি না। কিন্তু উনি নিজে এসে পুরো গ্রামের মানুষের মনের কথা বলে দিলেন।’’ এদিন অমর্ত্য সেনের উদ্দেশে বিজেপির আক্রমণের বিরোধিতায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মন্তব্যকে কটাক্ষ করেন শুভেন্দু।

    আরও পড়ুন: সরকারি বাসভবনে থেকেও পুলিশকর্তাদের একাংশ বাড়িভাড়া ভাতা পান কীভাবে? প্রশ্ন শুভেন্দুর

    অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রশংসা

    বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের ভূমিকার প্রশংসা করে তিনি বলেন, ‘মাননীয় বিচারপতি সমাজ সংস্কারের কাজ করছেন। ব্যক্তিগত আক্রমণের মুখে পড়েও তিনি যে সাহসিকতার পরিচয় দিচ্ছেন, দুর্নীতির একেবারে মূল উপড়ে ফেলতে চাইছেন তাকে স্বাগত জানাচ্ছি আমি’। এদিনের সভায় শুভেন্দুবাবুর সঙ্গে হাজির ছিলেন খড়গপুরের বিধায়ক হিরণ চট্টোপাধ্যায়। এদিন নিজের উত্তরীয় খুলে তা দিয়ে নেতাইয়ের ‘শহিদ বেদি’ পরিষ্কার করতে দেখা যায় শুভেন্দুকে। তার পর মাল্যদান করেন তিনি। এদিনের সভায় বক্তব্য রাখতে উঠে নাম না করে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে তীব্র আক্রমণ করেন শুভেন্দু।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     

  • Visva Bharati: অধিকৃত জমি ফিরিয়ে দেওয়ার আবেদন! অমর্ত্য সেনকে চিঠি বিশ্বভারতী কর্তৃপক্ষের

    Visva Bharati: অধিকৃত জমি ফিরিয়ে দেওয়ার আবেদন! অমর্ত্য সেনকে চিঠি বিশ্বভারতী কর্তৃপক্ষের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ অমর্ত্য সেনের (Amartya Sen) বিরুদ্ধে জমি দখলের অভিযোগ তুলে চিঠি পাঠাল বিশ্বভারতী কর্তৃপক্ষ (Visva Bharati University)। শুধু অভিযোগ নয়, অবিলম্বে জমি ফিরিয়ে দেওয়ার আবেদনও করা হয়েছে বিশ্বভারতী কর্তৃপক্ষের তরফে। চিঠিতে বিশ্বভারতী কর্তৃপক্ষ জানিয়েছেন, অমর্ত্য সেন বিশ্বভারতীর ১৩ ডেসিমেল জায়গা দখল করে রেখেছেন। সমীক্ষার মাধ্যমে এমনটা জানতে পেরেছেন কর্তৃপক্ষ। 

    চিঠিতে যা লেখা রয়েছে

    কর্তৃপক্ষের দাবি, ভবিষ্যতে নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ যাতে সমস্যার মুখে না পড়েন, সেই তাগিদ থেকেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। বিশ্বভারতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের (Visva Bharati University)উপাচার্য বিদ্যুৎ চক্রবর্তী বলেন, “এই চিঠিটার মূল বক্তব্য হচ্ছে এটাই যে, অধ্যাপক সেন, কাগজ অনুযায়ী কিছু জমি বেশি নিয়েছেন। যে জমিটা ওনার পাওয়ার কথা ছিল, তার থেকে কিছু বেশি জমি ওনার আয়ত্তে আছে। সেই জমিটার ব্যাপারে আমরা আগেও ওনাকে লিখেছিলাম যে, জমিটা ফেরত দেওয়ার ব্যবস্থা করুন। যেহেতু উনি এখন শান্তিনিকেতনে আছেন, সেইজন্য হাতে হাতে একটা চিঠি দেওয়ার ব্যবস্থা হয়েছে। আমরা এ নিয়ে আলোচনা করতেও প্রস্তুত। উনি যদি কালকে আমাদের ডাকেন, আজকে চিঠিটা ওনার হাতে পৌঁছান হয়েছে। আমরা এই সমস্যাটার সমাধান করতে চাই। উনি একজন নমস্য ব্যক্তি, জগত বিখ্যাত একজন অর্থনীতিবিদ। আমরা খুব গর্বিত উনি শান্তিনিকেতনে থাকেন। তাই আমরাও চাই না এই ব্যাপারটা নিয়ে ভবিষ্যতে কোনও সমস্যার মধ্যে উনি পড়েন।”

    আরও পড়ুন: ইস্তফা প্রকাশ তৃণমূলের, ভোট কিনতে বাংলার মতো টাকার টোপ মেঘালয়েও!

    পরিবারের দাবি

    প্রসঙ্গত, নোবেলজয়ী অমর্ত্য সেনের বিরুদ্ধে বিশ্বভারতীর (Visva Bharati University) জমি দখলের অভিযোগ অবশ্য এটাই প্রথম নয়। বছর দুয়েক আগেও নোবেলজয়ীর বিরুদ্ধে এই অভিযোগে সরব হয়েছিল বিশ্বভারতী। কর্তৃপক্ষের দাবি, অধ্যাপক সেন বিশ্বভারতীর (Visva Bharati University) শ্রীপল্লির সুরুল মৌজায় ১৩ ডেসিম‍েল জায়গা দখল করে রেখেছেন। ১৯৪৩ সালের ২৭ অক্টোবর অমর্ত‍্যর পিতা আশুতোষ সেনকে মোট ১২৫ ডেসিমেল জায়গা লিজে দেয় বিশ্বভারতী। সেই জায়গার অতিরিক্ত এই ১৩ ডেসিম‍েল জায়গা দখল করে রাখা হয়েছে বলে জানিয়েছে বিশ্বভারতী কর্তৃপক্ষ। অধ্যাপক সেনের পরিবারের তরফে বলা হয়েছে, “এতদিন বিষয়টি মৌখিক ছিল। এখন বিশ্বভারতী কর্তৃপক্ষ যেহেতু চিঠি দিয়েছেন, তাই উত্তরও লিখিত ভাবেই দেওয়া হবে। সে জন্যে আইনজ্ঞদের পরামর্শ নেওয়া হচ্ছে।”

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Sukanta Majumdar: গঙ্গা আরতি করতে হিন্দুদের কেন অনুমতি নিতে হবে? প্রশ্ন সুকান্ত মজুমদারের

    Sukanta Majumdar: গঙ্গা আরতি করতে হিন্দুদের কেন অনুমতি নিতে হবে? প্রশ্ন সুকান্ত মজুমদারের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নোবেল জয়ী অর্থনীতিবিদ অমর্ত্য সেনকে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হয়ে প্রচারে নামতে বললেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। সম্প্রতি অমর্ত্য সেন দাবি করেছেন, দেশের পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী হওয়ার যোগ্যতা আছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। এপ্রসঙ্গে বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদারের জবাব, অমর্ত্য সেনকে অনুরোধ করবো, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হয়ে প্রচারে নামতে। রবিবার সন্ধ্য়ায় ভাটপাড়ায় গঙ্গা আরতি কার্যক্রমে যোগ দিয়ে একথা বলেন তিনি। একই সঙ্গে সুকান্ত মজুমদারের হুঁশিয়ারি, মমতা ও তাঁর পুলিশের ক্ষমতা নেই গঙ্গা আরতি বন্ধ করার। মুসলিমদের যদি রাস্তায় বসে নামাজ পড়তে কোনও অনুমতির প্রয়োজন না পড়ে, তাহলে হিন্দুদের গঙ্গা আরতি করতে গেলে কেন অনুমতি নিতে হবে? প্রশ্ন তোলেন সুকান্ত। 

    ধর্মীয় বিভাজন

    মকর সংক্রান্তি উপলক্ষে রবিবার সন্ধ্যায় ভাটপাড়া নাগরিক বৃন্দের পরিচালনায় সেখানকার বলরাম সরকার ঘাটে গঙ্গা আরতির আয়োজন করা হয়। সেখানে যোগ দিয়ে বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার প্রশ্ন তোলেন, রাজ্যে হিন্দুদের ধর্মাচরণে এত বাধা দেওয়া হয় কেন? মুসলিমদের যদি রাস্তায় বসে প্রার্থনা করতে কোনও অনুমতির প্রয়োজন না পড়ে, তাহলে হিন্দুদের গঙ্গা আরতি করতে গেলে কেন অনুমতি নিতে হবে? এদিনের এই অনুষ্ঠানে সুকান্ত ছাড়াও ছিলেন পশ্চিমবঙ্গ অখিল ভারতীয় সন্ত সমাজের পরমাত্মাজী মহারাজ, ব্যারাকপুর সংগঠনিক জেলার সভাপতি সন্দীপ বন্দ্যোপাধ্যায়, বিজেপির রাজ্য সম্পাদিকা ফাল্গুনী পাত্র, রাজ্য যুব মোর্চার সম্পাদক উত্তম অধিকারী, হিন্দু জাগরণ মঞ্চের ব্যারাকপুর জেলার সম্পাদক রোহিত সাউ, রাহুল বিশ্বাস, ব্যারাকপুর জেলার সাধারণ সম্পাদক আবিষ্কার ভট্টাচার্য, জেলার অফিস সম্পাদক প্রণব মন্ডল, যুব নেতা কুন্দন সিং ও বিট্টু জয়সওয়াল-সহ অন্যান্য কার্যকর্তারা।

    আরও পড়ুন: গত পাঁচ বছরে বিমান দুর্ঘটনার খতিয়ান, জেনে নিন মৃত্যুর পরিসংখ্যানও

    অমর্ত্য সেনকে আর্জি 

    এদিনের অনুষ্ঠান শেষে ভাঙড়ে প্রাক্তন বাম বিধায়কের পুত্রকে অস্ত্র-সহ গ্রেফতার প্রসঙ্গে সুকান্ত মজুমদার বলেন, ভাঙর অস্ত্রের ডাম্পিং গ্রাউন্ডে পরিণত হয়েছে। ওখানে তৃণমূল নেতাদের বাড়িতে আধুনিক অস্ত্রশস্ত্র রয়েছে। কেন্দ্রীয় বাহিনীর সাহায্য নিয়ে ওই অস্ত্রশস্ত্র উদ্ধার করা উচিত। এটা রাজ্য পুলিশের কাজ নয়। প্রসঙ্গত, সম্প্রতি সংবাদ সংস্থাকে দেওয়া এক সাক্ষাতকারে নোবেল জয়ী র্অথনীতিবিদ অমর্ত্য সেন (Amartya Sen) জানান, দেশের পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী হওয়ার যোগ্যতা আছে মমতা  বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Mamata Banerjee)। আঞ্চলিক দলগুলিকে একজোট হওয়ার কথাও বলেন তিনি। এ প্রসঙ্গে সুকান্ত বলেন উনি পণ্ডিত ব্যাক্তি । ওনার মত উনি প্রকাশ করতেই পারেন। একই সঙ্গে অর্মত্য সেনকে মমতার হয়ে প্রচার করার কথাও বলেন তিনি।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     

     

  • Amartya Sen: কেন অমর্ত্য সেন নিচ্ছেন না বঙ্গবিভূষণ? বিদেশে থাকার জন্যই কি, না অন্য কারণ?

    Amartya Sen: কেন অমর্ত্য সেন নিচ্ছেন না বঙ্গবিভূষণ? বিদেশে থাকার জন্যই কি, না অন্য কারণ?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আজ রাজ্য সরকারের তরফে প্রদান করা হবে বঙ্গবিভূষণ পুরস্কার (Banga Vibhushan)। রাজ্যের তরফে ঘোষণা করা হয়েছিল, এবছর নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ অমর্ত্য সেন (Nobel laureate Amartya Sen)  পেতে চলেছেন বঙ্গবিভূষণ পুরস্কার। 

    কিন্তু, রবিবার, জানা যায়, রাজ্য সরকারের দেওয়া বঙ্গবিভূষণ পুরস্কার গ্রহণ করছেন না নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ (Nobel winning economist Amartya Sen)। কারণ হিসেবে প্রবীণ অর্থনীতিবিদের পরিবারের তরফে জানানো হয়, বর্তমানে বিদেশে রয়েছেন। এখন দেশে ফিরছেন না অমর্ত্য সেন। তাই তিনি পুরস্কার নিতে পারছেন না। এখানেই শেষ নয়। পরিবারের মাধ্যমে অমর্ত্য আরও জানিয়েছেন, তিনি অনেক পুরস্কার পেয়েছেন। এ বার নতুন কাউকে ওই সম্মান দেওয়া হোক।

    যদিও, এই পুরস্কার না নেওয়ার নেপথ্যে অন্য কারণ দেখতে পাচ্ছেন অনেকে। এসএসসি কাণ্ডে (SSC scam) এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের (Enforcement Directorate) হানায় মন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের (Partha Chatterjee) ঘনিষ্ঠ বলে পরিচিত অর্পিতা মুখোপাধ্যায়ের (Arpita Mukherjee) বাড়ি থেকে বস্তা বস্তা ভর্তি প্রায় ২২ কোটি টাকা উদ্ধার হয়। সেই টাকা রাখা ছিল শিক্ষা দফতরের খামে মোড়া অবস্থায়। ঘটনায় ইডি-র (ED) হাতে গ্রেফতার হন পার্থ ও অর্পিতা। 

    আরও পড়ুন: হুইল চেয়ারে আইসিসিইউ রোগী! পার্থকে দেখে বিস্মিত হৃদরোগ চিকিৎসকদের একাংশ

    এই ঘটনায় রাজ্য তো বটেই, গোটা দেশে আলোড়ন পড়ে গেছে। তোলপাড় হচ্ছে রাজ্য রাজনীতি। এই প্রেক্ষিতে ২ দিন আগেই, রাজ্য সরকারকে আক্রমণ করতে গিয়ে বঙ্গবিভূষণ মনোনীতদের উদ্দেশে পুরস্কার প্রত্যাখ্যান করার আবেদন জানিয়েছিলেন সিপিএম নেতা সুজন চক্রবর্তী। একেবারে চিঠি লিখে বিশিষ্টদের কাছে আবেদন করেন সিপিএম নেতা বলেছিলেন, “রাজ্য সরকার কলুষিত, তাদের দেওয়া সম্মান বয়কট করুন।”

    সেই সময়ই অমর্ত্য সেনের উদ্দেশে বাম নেতার আবেদন ছিল, যে সকল এসএসসি চাকরীপ্রার্থী আন্দোলন করছে, তারা অমর্ত্য সেনকে অনুপ্রেরণা হিসেবে দেখে। তাদের চোখে অমর্ত্য সেন ‘আইডল’। সেই সব ছেলেমেয়েদের কথা মনে করে তিনি (অমর্ত্য) যেন এই পুরস্কার প্রত্যাখ্যান করেন।

    অমর্ত্য সেনের পুরস্কার গ্রহণ না করার সিদ্ধান্তের নেপথ্যে পার্থর গ্রেফতারি কাণ্ডের প্রভাব রয়েছে বলে মনে করছেন অনেকে। সিপিএমের একাংশের দাবি, সুজনের আহ্বানে সাড়া দিয়েই অমর্ত্য সম্মান নিতে রাজি হননি। তবে ঘটনাক্রম বলছে, পার্থকাণ্ডের আগেই অমর্ত্য তাঁর সিদ্ধান্ত জানিয়ে দিয়েছিলেন। তবে, পার্থ কাণ্ডের সঙ্গে এর সরাসরি প্রভাব না থাকলেও, সাম্প্রতিক অতীতে রাজ্যে ঘটে যাওয়া একাধিক দুর্নীতি, হত্যা, ধর্ষণ ও কেলেঙ্কারির ঘটনাপ্রবাহের প্রভাব থাকলেও থাকতে পারে বলে মনে করছেন অনেকে। 

    আরও পড়ুন: শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতির টাকা পৌঁছে গিয়েছে বাংলাদেশে! ইডি সূত্রে উঠে এল নতুন তথ্য

LinkedIn
Share