Tag: amdanga

amdanga

  • North 24 Parganas: তৃণমূলের দুই গোষ্ঠীর সংঘর্ষে উত্তাল আমডাঙ্গা, লাঠি-বোমা-বন্দুকে রণক্ষেত্র এলাকা, আহত ৪

    North 24 Parganas: তৃণমূলের দুই গোষ্ঠীর সংঘর্ষে উত্তাল আমডাঙ্গা, লাঠি-বোমা-বন্দুকে রণক্ষেত্র এলাকা, আহত ৪

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বৃহস্পতিবার রাতে উত্তর ২৪ পরগনার (North 24 Parganas) আমডাঙার বোদাই গ্রাম পঞ্চায়েতের খুড়িগাছি গ্রামে তৃণমূলের সঙ্গে তৃণমূলের ব্যাপক সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। ঘটনায় উভয়পক্ষের মোট চারজন আহত হয়েছেন। এলাকার পঞ্চায়েত সদস্যদের উপর অপর আরেক গোষ্ঠী হামলা করেছে। পরিস্থিতি সামাল দিতে নামানো হয়েছে বিশাল পুলিশ বাহিনী। প্রসঙ্গত শাসক দলের বিধায়ক নিজে এই গোষ্ঠী সংঘর্ষের কথা মানতে নারাজ। ঘটনায় ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়েছে এলাকায়।

    লাঠি, বোমা, বন্দুক নিয়ে সংঘর্ষ (North 24 Parganas)

    আমডাঙার (North 24 Parganas) বোদাই গ্রাম পঞ্চায়েতের সদস্য রাকিবুল ইসলামের উপর আক্রমণ করে তৃণমূল নেতা তৈইব মস্তান। দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষে এলাকা রণক্ষেত্রের রূপ নিয়েছিল। দুই পক্ষের মধ্যে লাঠি, বোমা, বন্দুক নিয়ে সংঘর্ষ হয়েছিল। আহতদের উদ্ধার করে প্রথমে আমডাঙ্গা গ্রামীণ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে দুজনকে প্রাথমিক চিকিৎসা করে ছেড়ে দেওয়া হয়। কিন্তু অপর আরও দুজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাঁদেরকে স্থানান্তরিত করা হয় বারাসত জেলা হাসপাতালে।

    প্রতিবেশীদের বক্তব্য

    সংঘর্ষে আহত তৃণমূলের পঞ্চায়েত সদস্যের প্রতিবেশী হিরামনি বিবি বলেছেন, “এলাকায় (North 24 Parganas) তৃণমূল নেতা তৈয়ব মস্তান নিজে কোনও কাজ করে না। কেবল তোলাবাজি করে খায়। দলের আড়ালে অসামাজিক কাজ-কর্ম করে। মহিলাদের কোনও সম্মান করেনা। ওর আতঙ্কে সকলে সন্ত্রস্ত। প্রতিবাদ করলে বাড়ি থেকে মা-বোনদের তুলে নিয়ে যাওয়ার হুমকি দেওয়া হয়। হাটখোলার মুখে বাড়ি ওর, কেউ কিছু বলতে গেলে রাস্তায় ফেলে দেখে নেওয়ার হুমকি দেয়। আজকে আমাদের ছেলেগুলিকে বেধড়ক মারধর করেছে। মারের আঘাতে গুরুতর জখম হওয়ায় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। ওদের কাছে পিস্তল, বোমা, বন্দুক থাকায় কেউ কিছু করতে সাহস পায়নি। পুলিশ ওদের কথা কাজ করে।”

    আরও পড়ুনঃ নন্দীগ্রাম থানায় ১৫ দিনে ৪৭টা এফআইআর! পুলিশের বিরুদ্ধে মামলা বিজেপির, অনুমতি কোর্টের

    বিধায়কের বক্তব্য

    যদিও তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব মানতে নারাজ আমডাঙার তৃণমূল বিধায়ক রফিকার রহমান। তিনি বলেন, “অচৈতন্য অবস্থায় হাসপাতালে রয়েছেন পঞ্চায়েত (North 24 Parganas) সদস্য রাকিবুল। আগেও ওঁকে আঘাত করা হয়েছে। যে মেরেছে সে এলাকার সমাজ বিরোধী। তবে তার নাম জানি না। তৃণমূলের কোনও যোগ নেই এখানে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • TMC: তৃণমূল নেতা হয়েও রেহাই পেলেন না পুলিশের কাছে, আমডাঙায় জুটল মার!

    TMC: তৃণমূল নেতা হয়েও রেহাই পেলেন না পুলিশের কাছে, আমডাঙায় জুটল মার!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এদৃশ্য সচরাচর দেখা যায় না। শাসক দলের নেতাকে পেটাচ্ছে পুলিশ! তাও আবার তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের জেরে। আমডাঙার (Amdanga) ঘটনায় শনিবার রাত পর্যন্ত ক্ষোভের আগুন জ্বলেছে এলাকার তৃণমূল নেতৃত্ব। পুলিশের মারে হাত ভেঙেছে তৃণমূল নেতা মোস্তাক আহমেদ মন্ডলের। ঘটনায় শোরগোল পড়েছে এলাকায়।

    ঘটনা কীভাবে ঘটল?

    স্থানীয় সূত্রে খবর, ওঁই তৃণমূল (TMC) নেতা পার্থ ভৌমিক ঘনিষ্ঠ কয়েকজনের সঙ্গে বিকেলে চায়ের দোকানে বসে আড্ডা দিচ্ছিলেন। সেই সময় পুলিশ আচমকা ওঁই তৃণমূল কর্মীকে মারতে শুরু করেছে। মোস্তাকের অবশ্য, অভিযোগ কোনও প্ররোচনা ছাড়াই পুলিশ মারধর করতে শুরু করে। আটকাতে গেলে আমাকেও লাঠিপেটা করা হয়। মারের চোটে হাত ভেঙে গিয়েছে। সেই অবস্থাতেই তাঁকে থানায় তুলে নিয়ে আসা হয়।

    জাতীয় সড়ক অবরোধ

    ঘটনার খবর পেয়ে তৃণমূল নেতা মোস্তাকের অনুগামীরা ৩৪ নম্বর জাতীয় সড়ক কল্যাণী এক্সপ্রেসওয়ে অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখান। গভীর রাত পর্যন্ত টায়ার জ্বালিয়ে বিক্ষোভ দেখান স্থানীয় তৃণমূল নেতা কর্মীরা। উত্তেজনা এতটাই বৃদ্ধি পায় যে ক্ষোভ থামাতে ময়দানে নামেন ব্যরাকপুরের (Barrackpore) তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী পার্থ ভৌমিক।

    আরও পড়ুনঃ মনোনয়নে সরকারি স্টিকার লাগানো গাড়ি! বিধিভঙ্গের অভিযোগ মহুয়ার বিরুদ্ধে

    তৃণমূলের বক্তব্য

    কেন পুলিশ মারধর করল? জিজ্ঞেস করা হলে মোস্তাক বলেন, “আমার উপর পুলিশের কী কারণে রাগ আমি জানি না। যেভাবে ধরে মারল আমার কিছু বলার নেই। আমার সারা শরীরে লাঠির আঘাত করেছে। গোটা শরীরে যন্ত্রণা আছে।” অপরদিকে মোস্তাকের অনুগামীরা জানিয়েছেন, “স্থানীয় বিধায়ক রফিকুর রহমান বিজেপি প্রার্থী অর্জুন সিংকে নিয়ে গোপনে মিটিং মিছিল করছেন। এই কাজের প্রতিবাদ করায় বিধায়কের নির্দেশে পুলিশ তাঁকে মারধর করেছে।” যদিও রফিকুর রহমান অর্জুন সিংকে নিয়ে মিটিং করার কথা অস্বীকার করেছেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • South 24 Parganas: জয়নগর, আমডাঙার পর এবার গোসাবা! ফের তৃণমূল নেতা খুন

    South 24 Parganas: জয়নগর, আমডাঙার পর এবার গোসাবা! ফের তৃণমূল নেতা খুন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অন্যায়ের প্রতিবাদ করতে গিয়ে এভাবে দলের কর্মীদের হাতে বেঘোরে প্রাণ দিতে হবে তা ভাবতে পারেননি দক্ষিণ ২৪ পরগনার (South 24 Parganas) গোসাবার তৃণমূলের বুথ সভাপতি মুছাকালি মোল্লার পরিবারের লোকজন। এর আগে এই জেলার জয়নগরে সইফুদ্দিন লস্কর নামে এক তৃণমূল নেতাকে গুলি করে খুন করে দুষ্কৃতীরা। এর পরই উত্তর ২৪ পরগনার আমডাঙা থানার কামদেবপুর বাজার এলাকায় স্থানীয় পঞ্চায়েত প্রধান রূপচাঁদ মণ্ডলকে লক্ষ্য করে বোমা মেরে খুন করা হয়। সেই ঘটনার জের মিটতে না মিটতেই ফের এবার গোসাবায় খুন হলেন তৃণমূলের বুথ সভাপতি। জেলা পুলিশের এক আধিকারিক বলেন, খুনের ঘটনায় জড়িত সন্দেহে আটজনকে আটক করা হয়েছে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (South 24 Parganas)

    জানা গিয়েছে, দক্ষিণ ২৪ পরগনার (South 24 Parganas) রাধানগর-তারানগর এলাকায় পথশ্রীর রাস্তা তৈরি করাকে কেন্দ্র করে গন্ডগোলের সূত্রপাত। সেই রাস্তা নিম্ন মানের সামগ্রী দিয়ে করা হচ্ছে বলে অভিযোগ ছিল। নিম্নমানের সামগ্রী দিয়ে রাস্তা তৈরি করার প্রতিবাদ করেছিলেন তৃণমূলের বুথ সভাপতি মুছাকালি মোল্লা। এরপরেই স্থানীয় এক গোষ্ঠী তাঁর বিরুদ্ধে মারমুখী হয়ে ওঠে। মুছাকালি মোল্লাকে বেধড়ক পেটানো হয়। ঘটনায় গুরুতর জখম হলে তাঁকে প্রথমে স্থানীয় হাসপাতাল ও পরে কলকাতার এসএসকেএম হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানেই এদিন বিকেলে মৃত্যু হয় তাঁর। ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় উত্তেজনা রয়েছে। জানা গিয়েছে, রাস্তার কাজের সঙ্গে তৃণমূলের একটি গোষ্ঠীর লোকজন জড়িত ছিল। তাই, প্রকাশ্যে নিম্নমানের রাস্তা নিয়ে প্রশ্ন তোলায় তারা শিক্ষা দিতে তাঁর উপর চড়াও হয়। তাই, এই ঘটনায় তৃণমূলের একটি গোষ্ঠী জড়িত বলেই প্রাথমিকভাবে মনে করা হচ্ছে। তদন্ত শুরু করেছে সুন্দরবন কোস্টাল থানার পুলিশ। গোটা ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে এলাকায়। কিছুদিন আগেই জয়নগর অগ্নিগর্ভ হয়ে ওঠে। এবার সেই ঘটনার জের মিটতে না মিটতেই নতুন করে উত্তেজনা ছড়াল গোসাবায়।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • North 24 Parganas: গ্রাম পঞ্চায়েত প্রধান খুনে অধরা মূল অভিযুক্ত, তৃণমূল বিধায়ককে ঘিরে বিক্ষোভ

    North 24 Parganas: গ্রাম পঞ্চায়েত প্রধান খুনে অধরা মূল অভিযুক্ত, তৃণমূল বিধায়ককে ঘিরে বিক্ষোভ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উত্তর ২৪ পরগনার (North 24 Parganas) আমডাঙার পঞ্চায়েত প্রধান খুনের পর পাঁচদিন কেটে গেলেও এক অভিযুক্ত ছাড়া কাউকেই পুলিশ ধরতে পারেনি। ঘটনার মূল চক্রী আবু তোয়েব হোসেন মণ্ডলকে আটক করার পরেও ছেড়ে দেওয়া হয় বলে অভিযোগ পরিবারের। এই অভিযোগ তুলে আমডাঙার তৃণমূল বিধায়ক রফিকুর রহমানকে ঘিরে বিক্ষোভ দেখালেন নিহত শাসক দলের প্রধানের পরিবারের লোকজন ও স্থানীয় বাসিন্দারা। বিক্ষোভের মুখে পড়ে ঘটনাস্থল থেকে আমডাঙা থানার আইসিকে বিধায়ক ফোন করে খুনে জড়িতদের ধরার কথা বলেন। দ্রুত ব্যবস্থা না-নেওয়া হলে সর্বোচ্চ স্তরে বিষয়টি জানানো হবে বলে তিনি মৃতের পরিজনদের আশ্বাস দিয়েছেন।

    সোমবার ছিল রূপচাঁদের পারলৌকিক কাজ (North 24 Parganas)

    গত ১৬ নভেম্বর উত্তর ২৪ পরগনার (North 24 Parganas) আমডাঙার কামদেবপুরহাট সংলগ্ন রাস্তার ধারে দুষ্কৃতীদের বোমায় নিহত হন পঞ্চায়েত প্রধান রূপচাঁদ মণ্ডল। পরের দিন মৃতের পরিজনদের সঙ্গে দেখা করে তিনি পাশে থাকার আশ্বাস দেন। দোষীদের গ্রেফতারের আশ্বাস দিয়েছিলেন মন্ত্রী পার্থ ভৌমিক, সাংসদ অর্জুন সিং। সোমবার ছিল রূপচাঁদের পারলৌকিক কাজ। তাঁর বাড়িতে প্রথমে গিয়েছিলেন বারাকপুরের সাংসদ অর্জুন সিং। পরে পৌঁছান আমডাঙার বিধায়ক রফিকুর রহমান। বাড়িতে বিধায়ক আসতেই তাঁকে ঘিরে তুমুল বিক্ষোভ দেখান মৃতের পরিবারের লোকজন ও তৃণমূল কর্মীদের একাংশ। বিধায়ক রফিকুর রহমানের কাছে জবাব চান মৃতের আত্মীয়া।

    নিহত তৃণমূল প্রধানের স্ত্রী কী বললেন?

    মৃত রূপচাঁদের স্ত্রী সুরূফা বিবির অভিযোগ, ‘চার দিন কেটে গেলেও এখনও স্বামীর খুনিদের পুলিশ গ্রেফতার করতে পারেনি। মূল অভিযুক্ত তোয়েবকে আটক করেছিল পুলিশ। কিন্তু, তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়। এখনও সে অধরা। আমি চাই, দোষীদের কঠোর শাস্তি হোক।’ মৃতের পরিজনদের আরও অভিযোগ, ‘সঠিকভাবে তদন্ত করলে এফআইআরে নাম থাকা তোয়েব-সহ চার জনকেই পুলিশ গ্রেফতার করতে পারত।’ তাঁরা দ্রুত অভিযুক্তদের গ্রেফতারের দাবিও জানান।

    আমডাঙার বিধায়কের কী বক্তব্য?

    আমডাঙার বিধায়ক রফিকুর বলেন, ‘এলাকার মানুষ ব্যাপক ক্ষুব্ধ হয়ে রয়েছেন। তাদের ক্ষোভ থাকাটা স্বাভাবিকই। চার দিন পরেও কেন বাকি অভিযুক্তরা ধরা পড়ল না, সেই দাবি করেছেন নিহতের পরিবার ও প্রতিবেশীরা। আমি আইসির সঙ্গে কথা বলেছি। পাশাপাশি ওনারা তোয়েবকে আটক করার পর ছেড়ে দেওয়ার যে অভিযোগ করছেন, সেটা নিয়েও কথা হয়েছে।’

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • North 24 Parganas: জয়নগরের পর আমডাঙা! প্রকাশ্যে বোমা মেরে তৃণমূলের প্রধানকে খুন করল দুষ্কৃতীরা

    North 24 Parganas: জয়নগরের পর আমডাঙা! প্রকাশ্যে বোমা মেরে তৃণমূলের প্রধানকে খুন করল দুষ্কৃতীরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বৃহস্পতিবার ভরসন্ধ্যায় খুন হলেন উত্তর ২৪ পরগনার (North 24 Parganas) আমডাঙা পঞ্চায়েতের তৃণমূল প্রধান রূপচাঁদ মণ্ডল। রাত ৮টা নাগাদ ঘটনাটি ঘটেছে আমডাঙা থানার সোনাডাঙা এলাকায়। তৃণমূলের প্রধানকে লক্ষ্য করে বোমা ছোড়ে দুষ্কৃতীরা। বোমার আঘাতে গুরুতর জখম অবস্থায় তড়িঘড়ি উদ্ধার করে পুলিশ আমডাঙা গ্রামীণ হাসপাতালে তাঁকে নিয়ে যায়। পরে তাঁকে স্থানান্তরিত করা হয় বারাসতের একটি বেসরকারি হাসপাতালে। সেখানেই রূপচাঁদের মৃত্যু হয়। এর আগে দক্ষিণ ২৪ পরগনার জয়নগরে দাপুটে তৃণমূল নেতাকে প্রকাশ্যে খুন করার ঘটনা ঘটে। এক সপ্তাহের মধ্যে পর পর দুজন শাসক দলের নেতা খুন হওয়ার ঘটনায় রাজ্যে পুলিশ-প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (North 24 Parganas)

    স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, এদিন সন্ধ্যাবেলা উত্তর ২৪ পরগনার (North 24 Parganas) আমডাঙার কামদেবপুর হাটে ছিলেন রূপচাঁদবাবু। আচমকা সেই সময় তাঁর কাছে একটা ফোন আসে। ফোন পাওয়া মাত্রই তিনি রাস্তা পার হতে যান। অভিযোগ, সেই সময় কেউ বা কারা তাঁকে লক্ষ্য করে বোমা ছোড়ে। রাস্তাতেই রক্তাক্ত অবস্থায় লুটিয়ে পড়েন তিনি। স্থানীয়রা দ্রুত তাঁকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে তাঁর অবস্থার অবনতি হলে বারাসতে একটি বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানেই তাঁর মৃত্যু হয়। ঘটনার খবর পেয়ে হাসপাতালে যান সাংসদ অর্জুন সিং, স্থানীয় বিধায়ক রফিকুর রহমান সহ একাধিক ব্লক নেতৃত্ব। জানা গিয়েছে, রাতেই জাতীয় সড়ক অবরোধ করে তৃণমূল কর্মীরা হামলাকারীদের গ্রেফতারের দাবি জানান। এই হামলার পিছনে তৃণমূলের গোষ্ঠীকোন্দল দায়ী, জমি বেচাকেনার ভাগবাঁটোয়ারা নিয়ে বিবাদের জেরে এই ঘটনা-এমনই অভিযোগ বিরোধীদের।

    কী বললেন তৃণমূল বিধায়ক?

    খুনের ঘটনার পিছনে তৃণমূলের গোষ্ঠী কোন্দলের সব অভিযোগ নস্যাৎ করে দিয়েছেন আমডাঙার বিধায়ক রফিকুর রহমান। তিনি বলেন, ‘এলাকায় কোনও গোষ্ঠীকোন্দলের বিষয় নেই।’ কিন্তু, কেন তাঁকে বোমা মারা হল, সে বিষয়ে স্পষ্ট করে কোনও কিছু বলতে পারেনি।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Amdanga: প্রশাসনকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে অবাধে চলছে গাছ কাটা, অভিযুক্ত স্থানীয় তৃণমূল নেতারা

    Amdanga: প্রশাসনকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে অবাধে চলছে গাছ কাটা, অভিযুক্ত স্থানীয় তৃণমূল নেতারা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তৃণমূল মানে সাত খুন মাফ! দক্ষিণ ২৪ পরগনার ভাঙড়ে আরাবুল ইসলাম সরকারি জমিতে তৃণমূলের পার্টি অফিস করছেন। এভাবে এলাকায় নিজের দাপট দেখান আরাবুল। প্রশাসন কোনও ব্যবস্থা নেয়নি। এবার পড়শি জেলা উত্তর ২৪ পরগনার (North 24 Parganas) আমডাঙার সাধনপুর পঞ্চায়েতের গজবন্দ গ্রামের মাঠে সরকারি জমিতে থাকা একের পর বড় বড় গাছ কেটে চুরি হয়ে যাচ্ছে। স্থানীয় তৃণমূল নেতাদের মদতেই এই সরকারি গাছ চুরি হচ্ছে বলে অভিযোগ। যা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা শুরু হয়েছে।

    ঠিক কী অভিযোগ? (North 24 Parganas)

    স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, ওই গ্রামের মাঠে প্রায় ১৫ বিঘা জলাশয় বিশিষ্ট ঝিল রয়েছে। তার চারদিকে লাগানো রয়েছে বড় বড় গাছ। মূলত, জলাশয়ের শোভা বাড়ানোর জন্যই সরকারি এই গাছগুলিকে লাগানো হয়েছে। আর গাছগুলির পরিচর্যা করে থাকে আমডাঙা ব্লক প্রশাসন। আর সেই গাছ অবাধে চুরি হচ্ছে বলে দাবি স্থানীয় বাসিন্দাদের। স্থানীয় বাসিন্দারা বলেন, অ়ঞ্চলের কথায় গাছ কাটা হচ্ছে। অঞ্চলে তৃণমূল ক্ষমতায় রয়েছে। ফলে, তৃণমূল নেতাদের মদতেই এই গাছ কাটা চলছে। তাই, প্রশাসনের পক্ষ থেকে ব্যবস্থা নেওয়া দরকার।

    স্থানীয় পঞ্চায়েত প্রধান কী বললেন?

    সরকারি গাছ কাটার বিষয়টি সামনে আসতেই পঞ্চায়েত কর্তৃপক্ষ চরম বিড়ম্বনায় পড়েছে। গাছ কাটার দায় ঝেড়ে ফেলতে চাইছেন স্থানীয় পঞ্চায়েত প্রধান অলোক বাগ। বরং, তিনি বলেন, বিষয়টি খতিয়ে দেখতে বিডিওকে জানানো হয়েছে।

    ব্লক প্রশাসনের আধিকারিকের কী বক্তব্য?

    আমডাঙার বিডিও নবকুমার দাস বলেন, বিষয়টি জানার পরই এই বিষয়ে আমি পদক্ষেপ গ্রহণ করেছি। গাছ কাটা রুখতে আমরা যথার্থ চেষ্টা করব। সরকারি সম্পত্তি রক্ষা করা আমাদের দায়িত্ব। তাই, সরকারি গাছ কোনওভাবেই আমরা আর কাটতে দেব না। আর কারা গাছ কেটেছে তা খতিয়ে দেখে পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Duttapukur: দত্তপুকুরে তিন ট্রাক বোঝাই বেআইনি বাজি বাজেয়াপ্ত, গ্রেফতার ২

    Duttapukur: দত্তপুকুরে তিন ট্রাক বোঝাই বেআইনি বাজি বাজেয়াপ্ত, গ্রেফতার ২

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দত্তপুকুরের (Duttapukur) মোচপোলে বোমা বিস্ফোরণে প্রাণ হারিয়েছে ৯ জন। তালিকায় শিশু থেকে বৃদ্ধ সকলেই রয়েছেন। যদিও স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, মৃতের সংখ্যাটা অনেক বেশি। মঙ্গলবারই বিস্ফোরণস্থলের পাশে দুটি গোডাউন থেকে প্রায় ১৩ হাজার বাজি বাজেয়াপ্ত করে পুলিশ। তারপরও বেপরোয়া অসাধু ব্যবসায়ীরা। এবার এসটিএফের হাতে মঙ্গলবার রাতে আমডাঙা এলাকা থেকে আটক হল বাজি বোঝাই ৩ টি ট্রাক।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছিল? (Duttapukur)  

    দত্তপুকুরে (Duttapukur) ভয়াবহ বিস্ফোরণের পর নড়েচড়ে বসেছে পুলিশ। বিভিন্ন থানা এলাকায় অভিযান শুরু করেছে। আর তাতেই বেআইনি বাজি কারবারিদের মাথ হাত পড়েছে। মোচপোলে মঙ্গলবার ১৩ হাজার কেজি বাজি বাজেয়াপ্ত হতেই রাতের অন্ধকারে বেআইনি বাজি পাচার করার চেষ্টা করছিল একদল অসাধু ব্যবসায়ী। মঙ্গলবার রাতে মজুত করা বাজি পাচারের আগেই  তিনটি ফুল পাঞ্জাব ট্রাক সহ একজন বাজি ব্যবসায়ী ও একজন ট্রাক মালিককে গ্রেফতার করল রাজ্য এসটিএফ। জানা গিয়েছে, ট্রাক ভর্তি করে বাজি নিয়ে পালানোর সময় বেড়াবেড়িয়া এলাকায় একটি ওজন পরিমাপের কেন্দ্র ধরমকাঁটায় ট্রাকে তিনটি আস্তরণ দিয়ে ঢাকা ছিল এই বেআইনি বাজিগুলি। সেখানে ওজন করা হচ্ছিল বাজি ভর্তি ট্রাকের। খবর পেয়ে এসটিএফ আধিকারিকরা সেখানে হানা দেয়। ট্রাকের ঢাকা সরাতেই চক্ষু চড়কগাছ এসটিএফ আধিকারিকদের। ৩ টি ট্রাকেই প্রচুর নিষিদ্ধ বাজি যা বাজেয়াপ্ত করে বাজি ব্যবসায়ী বিমল ধারা ও ট্রাক মালিক সরিফ আলিকে ঘটনাস্থল থেকে গ্রেফতার করা হয়। প্রশ্ন উঠছে, তাহলে কি মোচপোলের বাজি বিস্ফোরণের দুদিন পরে অবৈধ কারবারিরা লাগোয়া এলাকা থেকে ট্রাক ভর্তি করে বাজি নিয়ে পালাতে গিয়ে ধরা পড়ে যায়। এসটিএফ সূত্রে জানা গিয়েছে, বাজি ভর্তি ট্রাক রাখা থাকলেও ড্রাইভার ও খালাসি ট্রাক রেখে পালিয়ে যায়। এই চক্রের সঙ্গে আর কে কে জড়িত রয়েছে তার খোঁজে তদন্ত শুরু করেছে এসটিএফ।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

  • North 24 Parganas: ব্যাপক বোমাবাজি দেগঙ্গা-আমডাঙা-অশোকনগরে, আতঙ্কিত সাধারণ ভোটাররা!

    North 24 Parganas: ব্যাপক বোমাবাজি দেগঙ্গা-আমডাঙা-অশোকনগরে, আতঙ্কিত সাধারণ ভোটাররা!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পঞ্চায়েত ভোটের দিনে উত্তর ২৪ পরগনা জেলা জুড়ে ব্যাপক সন্ত্রাস। ভোট কেন্দ্রে বুথ দখল, ছাপ্পা, বোমাবাজি এবং হত্যার ঘটনায় উত্তাল রাজ্যের পঞ্চায়েত নির্বাচন। শাসকদলের দৌরাত্ম্যের বিরুদ্ধে বিরোধীরা সরব সর্বত্র। এই জেলার দেগঙ্গা, আমডাঙা, অশোকনগরে চলে ব্যাপক বোমাবাজি। শাসক বনাম আইএসএফ কর্মীদের মধ্যে চলে প্রত্যক্ষ লড়াই।

    দেগঙ্গায় বোমাবাজি

    বেড়াচাঁপা (North 24 Parganas) ১ নং পঞ্চায়েতের বেলপুর বেলডাঙা এফপি হাইস্কুলে দেগঙ্গা বেলডাঙা ১২৪ নম্বর বুথে ভোট চলাকালীন ব্যাপক বোমাবাজির অভিযোগ শাসকদলের বিরুদ্ধে। পরিস্থিতি এমনই হয় যে, ভোট বন্ধ করে দেওয়া হয়। ভাঙচুর চালানোর পাশাপাশি ব্যালট পেপার পুড়িয়ে জলে ফেলে দেওয়ার অভিযোগ উঠছে শাসক দলের বিরুদ্ধে। এরপরই ভোটকেন্দ্রের ভেতরে ঢুকে ব্যালট বাক্স সহ ভোটের যাবতীয় কাগজপত্র ফেলে দেওয়া হয়। প্রাণ বাঁচাতে বুথ ছেড়ে পালিয়ে যান ভোট কর্মীরা। ১৩৬ নম্বর বুথে ভোটের লাইনে দাঁড়ানো এক মহিলা ভোটার জানান, ভোটের লাইনে ছিলাম আমরা। হঠাৎই দেখতে পাই বোমাবাজি শুরু করে শাসক দলের বহিরাগতরা। কিছু বুঝে ওঠার আগেই চারিদিকে বোম মারে তারা। প্রাণ বাঁচাতে পালাই সবাই। আমডাঙার রাহানা ৮০, ৮১, ৮২, নম্বর বুথে ভোটারদের ঢুকতে বাধা দেওয়া হয়। অভিযোগের তীর তৃণমূলের দিকে। ঘটনার জেরে রাহানায় ৩৪ নম্বর জাতীয় সড়ক অবরোধ করে আইএসএফ কর্মী-সমর্থকরা।

    আমডাঙায় বোমাবাজি

    চন্ডীপুর (North 24 Parganas) পঞ্চায়েতের প্রভাকরহাটি গ্রামের ৬৩ নম্বর বুথে তৃণমূল-আইএসএফ সংঘর্ষ হয়। ব্যাপক বোমাবাজি হয় বলে খবর হয়। প্রথমে তৃণমূল বুথে ঢুকে ব্যালট ছিনতাই করে ছাপ্পা ভোট দেয়। এরপর প্রতিরোধ করে পাল্টা বোমাবাজি করে আইএসএফ। বুথের ভিতরে ব্যালট বক্সের সামনে বোম রেখে ছাপ্পা দেয় সশস্ত্র শাসক দল।

    অশোকনগরে ব্যাপক বোমাবাজি

    অশোকনগর (North 24 Parganas) থানার সুলেমানপুর এলাকায় এক বাই ৭৩ নম্বর বুথে আইএসএফ ও তৃণমূলের মধ্যে চলে ব্যাপক বোমাবাজি। হাবড়া এসডিপিও রোহিত শেখের নেতৃত্বে পুলিশ বাহিনী পাঁচজনকে অশোকনগর থানায় নিয়ে যায়। আপাতত সুলেমানপুর এলাকা থমথম।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • TMC: প্রকাশ্যে শ্যুটআউট! আমডাঙায় গুলিবিদ্ধ তৃণমূল কর্মী

    TMC: প্রকাশ্যে শ্যুটআউট! আমডাঙায় গুলিবিদ্ধ তৃণমূল কর্মী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রবিবার রাতে উত্তর ২৪ পরগনার আমডাঙায় শ্যুটআউটের ঘঠনাকে কেন্দ্র করে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে। দুষ্কৃতীদের গুলিতে জখম হন এক তৃণমূল (TMC) কর্মী। আক্রান্ত তৃণমূল (TMC) কর্মীর নাম আবু তোয়েব। তাঁর বাড়ি ঘুরিগাছি এলাকায়। ঘটনার পর পরই স্থানীয় লোকজন উদ্ধার করে তাঁকে বারাসতের একটি হাসপাতালে ভর্তি করেন। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে তাঁকে কলকাতায় স্থানান্তরিত করা হয়। দলীয় কোন্দলের জেরে এই হামলা, না এর পিছনে অন্য কোনও কারণ রয়েছে তা নিয়ে ধোঁয়াশা তৈরি হয়েছে। যদিও কে বা কারা গুলি করেছে তা এখনও স্পষ্ট নয়। ঘটনায় আমডাঙার বোদাই পঞ্চায়েত এলাকায় ব্যপক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে। ইতিমধ্যেই থানায় অভিযোগ দায়ের হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, অভিযোগ হয়েছে। ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে।

    ঠিক কী ঘটেছে?

    আবু তোয়েব এলাকায় সক্রিয় তৃণমূল (TMC) কর্মী হিসেবে পরিচিত। রাত সাড়ে নটা নাগাদ তিনি সন্তোষপুরে একটি কাজে গিয়েছিলেন। সেখান থেকে বাইকে করে তিনি ঘুরিগাছি গ্রামের বাড়ি ফিরছিলেন। মাঝপথেই মথুরা এলাকায় তাঁকে লক্ষ্য করে দুষ্কৃতীরা গুলি চালায় বলে অভিযোগ। পুলিশ সূত্রে খবর, এক রাউন্ড গুলি চলে। ডান হাতের কব্জিতে গুলি লাগে তাঁর। দুষ্কৃতীরা গুলি করে ঘটনাস্থল থেকে চম্পট দেয়। গুলি চলার আওয়াজ শুনেই ঘটনাস্থলে হাজির হন স্থানীয় বাসিন্দারা। স্থানীয়রা রক্তাক্ত অবস্থায় ওই ব্যক্তিকে উদ্ধার করে বারাসতের বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করে। ঘটনার পরেই সঙ্গে সঙ্গে ঘটনাস্থলে যান আমডাঙা থানার পুলিশ।

    কী বললেন তৃণমূল (TMC) নেতা?

    স্থানীয় তৃণমূল (TMC) নেতা এস কে ইনামুল রহমান বলেন, তোয়েব আমাদের দলের সক্রিয় কর্মী। ভালো সংগঠক। দলের কাজে ও সবসময় ঝাঁপিয়ে পড়েন। ওর উপর এভাবে কারা গুলি চালাল তা বুঝতে পারছি না। আমরা পুলিশ প্রশাসনের কাছে অভিযোগ জানিয়েছি। পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share