Tag: America

America

  • US Firms: বরাত পেতে ভারতীয় সংস্থাকে ঘুষ! কাঠগড়ায় তিন বড় মার্কিন সংস্থা, মুখ বাঁচাতে জরিমানা

    US Firms: বরাত পেতে ভারতীয় সংস্থাকে ঘুষ! কাঠগড়ায় তিন বড় মার্কিন সংস্থা, মুখ বাঁচাতে জরিমানা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দুর্নীতির (Bribes) কারণে তদন্তের মুখে পড়েছে বেশ কিছু মার্কিন কোম্পানিও। সম্প্রতি এক প্রতিবেদন থেকে জানা গিয়েছে, তিনটি মার্কিন কোম্পানি ভারতীয় কর্মকর্তাদের ঘুষ দেওয়ার অভিযোগে আমেরিকার নিয়ন্ত্রকের কাছে মামলা নিষ্পত্তি করতে ও মামলার হাত থেকে রেহাই পেতে মোটা অঙ্কের জরিমানা দিয়েছে (US Firms)।

    কাঠগড়ায় তিন কোম্পানি (US Firms)

    এই তিন কোম্পানি হল মুগ ইনকর্পোরেটেড, ওরাক্যল এবং অ্যালবেমার্ল কর্পোরেশন। তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ, বরাত পেতে তারা ভারতের বিভিন্ন দফতর ও রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থার কর্মকর্তাদের ঘুষ দিয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে রেলওয়ে, হিন্দুস্তান অ্যারোনটিক্যাল লিমিটেড  এবং ইন্ডিয়ান অয়েল কর্পোরেশন। প্রতিবেদন অনুযায়ী, তিনটি মামলার মধ্যে দুটিতে ভারতীয় রেলের পদস্থ কর্তাদের মোটা অঙ্কের ঘুষ দিয়েছে মার্কিন ওই সংস্থাগুলি। বিষয়টি জানাজানি হতেই সক্রিয় হয় সে দেশের শেয়ার বাজার নিয়ন্ত্রণকারী সংস্থা সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন। তখন জরিমানা বাবদ গড়ে ঘুষের তিন গুণ টাকা জমা করেছে অভিযুক্ত তিন সংস্থা।

    ঘুষ দেওয়ার অভিযোগ

    মার্কিন তদন্তকারীরা জেনেছেন, আমেরিকান সংস্থা মুগ ইনকর্পোরেটেডের তরফে হ্যাল ও ভারতীয় রেলের পদস্থ কর্তাদের পাঁচ কোটি ডলারের বেশি ঘুষ দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে। সামরিক সরঞ্জাম, মহাকাশ গবেষণা সংক্রান্ত সামগ্রী ও শিল্পক্ষেত্রে ব্যবহৃত ছোটবড় নানা সাইজের যন্ত্রপাতি নির্মাণে মুগের বিশ্বজোড়া নামডাক রয়েছে। চিকিৎসা সরঞ্জামও তৈরি করে আমেরিকার এই সংস্থা। ওই প্রতিবেদন থেকেই জানা গিয়েছে, ঘুষের বিনিময়ে দক্ষিণ-মধ্য রেল থেকে ৩৪ হাজার ৩২৩ ডলার ও হ্যালের থেকে ১৩ লাখ ৯৯ হাজার ৩২৮ মার্কিন ডলারের বরাত হাতিয়ে নিতে চেয়েছে মুগ মোশন কন্ট্রোলস প্রাইভেট লিমিটেড। হ্যালের (US Firms) শীর্ষ আধিকারিকদের এজন্য পাঁচ শতাংশ কমিশন দিয়েছে মুগ। ধরা পড়ার পরে মুগকে জরিমানা বাবদ দিতে হয়েছে ১৬ লাখ ৮০ হাজার মার্কিন ডলার।

    আরও পড়ুন: ‘এক দেশ এক নির্বাচন’ বিল গেল যৌথ কমিটিতে, ৯০ দিনে সিদ্ধান্ত নেবেন ৩১ সাংসদ

    অন্য দিকে, বহুজাতিক তথ্যপ্রযুক্তি সংস্থা ওরাক্যলের বিরুদ্ধেও উঠেছে ভারতীয় রেলের কর্তাদের ৬৮ লাখ ডলার ঘুষ দেওয়ার অভিযোগ। অ্যালবেমার্লে কর্পোরেশনের দেওয়া ঘুষের পরিমাণ ৬ কোটি ৩৫ লাখ ডলার। অভিযোগ, মার্কিন এই সংস্থা ইন্দোনেশিয়া ও ভিয়েতনামে কর্মরত ইন্ডিয়ান অয়েলের কর্তাব্যক্তিদের সঙ্গে অবৈধ লেনদেন (Bribes) করেছে (US Firms)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

  • Syria: রাশিয়ার পর সিরিয়ার বিদ্রোহীদের সঙ্গে যোগাযোগ করল আমেরিকাও, স্বীকার বিদেশমন্ত্রীর

    Syria: রাশিয়ার পর সিরিয়ার বিদ্রোহীদের সঙ্গে যোগাযোগ করল আমেরিকাও, স্বীকার বিদেশমন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রথমবার সিরিয়ার (Syria) বিদ্রোহী গোষ্ঠীর সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগের কথা স্বীকার করল আমেরিকা (America)! রাশিয়ার পর এবার আমেরিকাও সিরিয়ায় বাশার আল-আসাদ সরকারের পতন ঘটানো সশস্ত্র বিদ্রোহী বাহিনী হায়াত তাহরির আল-শাম (এইচটিএস)-এর সঙ্গে যোগাযোগ রাখছে! শনিবার এ কথা জানিয়েছেন আমেরিকার বিদেশমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিঙ্কেন।

    আমেরিকার বিদেশমন্ত্রী কী বললেন? (Syria)

    শনিবার জর্ডনের আকাবায় তুরস্ক, মধ্যপ্রাচ্য এবং ইউরোপের বেশ কয়েকটি দেশের প্রতিনিধিদের সঙ্গে সিরিয়ার ভবিষ্যৎ নিয়ে বৈঠকের পর এ কথা স্বীকার করে নেন ব্লিঙ্কেন। তিনি সংবাদমাধ্যমকে জানান, বর্তমান পরিস্থিতির প্রেক্ষিতে সিরিয়ার এইচটিএস এবং অন্যান্য গোষ্ঠীর সঙ্গে যোগাযোগ রাখছে আমেরিকা। সিরিয়া (Syria) প্রশ্নে ব্লিঙ্কেন আরও বলেন, “দামাস্কাসের এ মুহূর্তে এমন একটি সরকারের প্রয়োজন, যারা সংখ্যালঘুদের অধিকারকে সুনিশ্চিত করবে এবং কোনও রকম সন্ত্রাসবাদী গোষ্ঠীকে মদত দেবে না। এ বিষয়ে আমরা সবাই একমত হয়েছি।”

    আরও পড়ুন: “বৈচিত্র্যের ভারতে বিভেদের বিষ ছড়াচ্ছে কেউ কেউ”, সংসদে তোপ প্রধানমন্ত্রীর

    রাষ্ট্রপুঞ্জের বিশেষ দূত কী বললেন?

    রাষ্ট্রপুঞ্জের বিশেষ দূত গেইর পেডারসেনও বৈঠকে অংশ নেওয়া দেশগুলিকে মানবিক ভাবে সিরিয়ার (Syria) পাশে থাকার অনুরোধ জানান। সিরিয়ায় রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলি যাতে ভেঙে না পড়ে, তা-ও নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি। তবে জর্ডনের ওই বৈঠকে সিরিয়ার কোনও প্রতিনিধি উপস্থিত ছিলেন না। ছিল না ইরান কিংবা রাশিয়াও, যারা অতীতে বিভিন্ন সময়ে সিরিয়ার আসাদ সরকারকে আর্থিক ও সামরিক সহায়তা দিয়েছিল। প্রসঙ্গত, গত ৮ ডিসেম্বর প্রেসিডেন্ট আসাদ সরকারকে উৎখাত করে সিরিয়ার রাজধানী দামাস্কাস দখল করেছিল বিদ্রোহী গোষ্ঠী এইচটিএস এবং তাদের সহযোগী ‘জইশ আল-ইজ্জা’র যৌথবাহিনী। দামাস্কাস ছেড়ে সপরিবার রাশিয়ায় আশ্রয় নিয়েছেন আসাদ। তদারকি সরকারের ভারপ্রাপ্ত প্রধান হিসেবে দায়িত্বগ্রহণ করেছেন মহম্মদ আল-বশির।

    এর পরে আমেরিকা, রাশিয়া-সহ বেশ কয়েকটি দেশ জানিয়েছে, তারা সিরিয়ার নতুন সরকারের সঙ্গে আলোচনায় বসতে প্রস্তুত। সেই আবহেই একে একে প্রকাশ্যে আসছে বিভিন্ন দেশের সঙ্গে সিরিয়ার বর্তমান শাসকগোষ্ঠীর যোগাযোগের কথা। প্রকাশ্যে আসছে বিভিন্ন দেশের সঙ্গে সিরিয়ার বর্তমান শাসকগোষ্ঠীর যোগাযোগের কথা। শুক্রবারই জানা গিয়েছে, এইচটিএস নেতা আবু মহম্মদ আল- জুলানির সঙ্গে যোগাযোগ রেখেছে গৃহযুদ্ধ পর্বে ধারাবাহিক ভাবে আসাদের সেনাকে ‘মদত’ দিয়ে আসা রাশিয়াও!

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Donald Trump: জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব আইন বাতিল করে অবৈধ অভিবাসীদের বহিষ্কার চান ট্রাম্প

    Donald Trump: জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব আইন বাতিল করে অবৈধ অভিবাসীদের বহিষ্কার চান ট্রাম্প

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব (Birthright Citizenship) প্রদান বন্ধ করতে চান হবু মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প (Donald Trump)। একইসঙ্গে চান আমেরিকায় (US) থাকা অবৈধ অভিবাসীদের বহিষ্কার করতে। তবে তথাকথিত ড্রিমার অভিবাসীদের সুরক্ষিত রাখতে চান রিপাবলিকান পার্টির এই শীর্ষ নেতা।

    কী বললেন ট্রাম্প?

    ‘মিট দ্য প্রেস উইথ ক্রিস্টেন ওয়েলকার’ অনুষ্ঠানে ট্রাম্প জানান, তিনি অফিসে প্রথম দিনেই একটি এক্সিকিউটিভ অ্যাকশনের মাধ্যমে জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব (Birthright Citizenship) প্রদান বন্ধ করার পরিকল্পনা করছেন। প্রসঙ্গত, আমেরিকায় জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব সেই সকল ব্যক্তিদের দেওয়া হয়, যারা সে দেশে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁদের বাবা-মা অভিবাসী কিনা, তা বিবেচনা করা হয় না। ২০ জানুয়ারি মার্কিন প্রেসিডেন্ট পদে শপথ নেবেন ট্রাম্প। তাঁর আশা, সেদিনই দায়িত্ব নেওয়ার পরে অবৈধ অভিবাসনকে জাতীয় জরুরি অবস্থা হিসেবে ঘোষণা করবেন। সারা দেশে কঠোর অভিযান পরিচালনা করবেন বলেও জানান তিনি। জানা গিয়েছে, ২০২২ সালের জানুয়ারি পর্যন্ত আমেরিকায় রয়েছেন প্রায় ১ কোটি ১০ লক্ষ অবৈধ অভিবাসী। ট্রাম্প (Donald Trump) চান যাঁদের বৈধ স্ট্যাটাস নেই, তাঁদের প্রত্যেককেই বহিষ্কার করা হোক। তিনি বলেন, “আমার মনে হয় আপনাকে এটি করতে হবে। এটি একটি খুব কঠিন কাজ। আপনি জানেন, এখানে নিয়ম, বিধি, আইন রয়েছে।” 

    আরও পড়ুন: “নীতীশ তো চোখের আরাম করতে যাচ্ছেন”, লালুর মন্তব্যে তুঙ্গে বিতর্ক

    ড্রিমারদের সুরক্ষা

    তবে ড্রিমার অভিবাসীদের সুরক্ষার বিষয়টি বিবেচনা করতে প্রস্তুত হবু মার্কিন প্রেসিডেন্ট। ট্রাম্প  বলেন, “রিপাবলিকানরা ‘ড্রিমার’ অভিবাসীদের সুরক্ষার ধারণাটি বিবেচনা করতে প্রস্তুত। যাদের শৈশবে অবৈধভাবে যুক্তরাষ্ট্রে আনা হয়েছিল, তাদের বিষয়টি বিবেচনা করা হবে।” তিনি বলেন, “যাঁদের সঙ্গে অন্যায় আচরণ করা হয়েছে তাঁরা হলেন সেই ব্যক্তিরা যাঁরা ১০ বছর ধরে অনলাইনে কিংবা লাইনে দাঁড়িয়ে দেশটিতে বৈধ উপায়ে আসার চেষ্টা করছেন। আমরা মানুষদের জন্য আসার প্রক্রিয়াকে খুব সহজ করব। তবে তাঁদের অবশ্যই পরীক্ষায় পাস করতে হবে। তাঁদের অবশ্যই বলতে হবে যে স্ট্যাচু অব লিবার্টি কী। তাঁদের আমাদের দেশ সম্পর্কে কিছুটা ধারণা থাকতে হবে। তাঁদের অবশ্যই আমাদের দেশকে ভালোবাসতে হবে।”

    ওয়াকিবহাল মহলের মতে, ট্রাম্পের (Donald Trump) জন্মগত নাগরিকত্বে (Birthright Citizenship) ইতি টানার পরিকল্পনা সহজে বাস্তবায়িত হবে না। এতে তাঁকে আইনি চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হতে হবে। কারণ এই অধিকারটি মার্কিন (US) সংবিধান স্বীকৃত।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

  • BJP: ভারতে অস্থিরতা সৃষ্টির চেষ্টা চলছে, তোপ বিজেপির

    BJP: ভারতে অস্থিরতা সৃষ্টির চেষ্টা চলছে, তোপ বিজেপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: একদল ইনভেস্টিগেটিভ সাংবাদিক ও বিরোধী নেতা রাহুল গান্ধীর সঙ্গে মিলে ভারতে অস্থিরতা সৃষ্টি করার চেষ্টা করছে। এমনই অভিযোগ করছে বিজেপি (BJP)। তারা এই অভিযোগ তুলেছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট এবং সেখানে সক্রিয় ডিপ স্টেট উপাদানগুলির বিরুদ্ধে। গত দুদশকে নয়াদিল্লি ও ওয়াশিংটন একটি শক্তিশালী সম্পর্ক গড়ে তুলেছে। দুই দেশই কিছু মতভেদ ও বিধোধ থাকা সত্ত্বেও (Adani Indictment) সম্পর্ক আরও মজবুত করার অঙ্গীকার করার করেছে। এমতাবস্থায় উঠেছে অভিযোগ।

    বিজেপির দাবি (BJP)

    বিজেপির দাবি, রাহুল গান্ধীর দল কংগ্রেস অর্গানাইজড ক্রাইম অ্যান্ড কোরাপশন রিপোর্টিং প্রজেক্ট (ওসিসিআরপি) এর প্রতিবেদনগুলি ব্যবহার করেছে যা আদানি গ্রুপের ওপর এককভাবে দৃষ্টি নিবদ্ধ করে এবং মোদীকে দুর্বল করতে সরকারের সাথে তার কথিত ঘনিষ্ঠতার কথা বলে বেড়াচ্ছে। ২৬৫ মিলিয়ন ডলারের একটি প্রকল্পে ভারতীয় কর্মকর্তাদের ঘুষ দেওয়ার অভিযোগে গত মাসে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে অভিযুক্ত করা হয়েছে গ্রুপের চেয়ারম্যান গৌতম আদানি এবং আরও সাতজনকে। গ্রুপের দাবি, অভিযোগ, ভিত্তিহীন।

    ওসিসিআরপির প্রতিবেদন

    ওসিসিআরপির প্রতিবেদনে আরও অভিযোগ করা হয়েছে, ভারতের রাষ্ট্র-পৃষ্ঠপোষকতায় পরিচালিত হ্যাকাররা ইসরায়েলের তৈরি পেগাসাস স্পাইওয়্যার ব্যবহার করে সরকার-বিরোধীদের লক্ষ্যবস্তু করেছে। উভয় অভিযোগই অস্বীকার করেছে কেন্দ্রের শাসক দল। বিজেপি আগেই রাহুল গান্ধী এবং ওসিসিআরপি এবং নবতিপর কোটিপতি আর্থিক সহায়তাকারী ও সমাজসেবী জর্জ সোরোসের বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রীকে আক্রমণ করার অভিযোগ এনেছিল।

    আরও পড়ুন: এবার ঢাকার ইসকন মন্দিরে আগুন লাগাল মৌলবাদীরা, পুড়ল লক্ষ্মী-নারায়ণের মূর্তি

    বৃহস্পতিবার বিজেপি একটি ফরাসি সংবাদমাধ্যমের রিপোর্ট উল্লেখ করেছে। তাতে বলা হয়েছে, ওসিসিআরপি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের এজেন্সি ফর ইন্টারন্যাশনাল ডেভেলপমেন্ট এবং অন্য গভীর রাষ্ট্রের ব্যক্তিত্ব যেমন সোরোসের দ্বারা অর্থায়িত। এক্স হ্যান্ডেলে বিজেপি (BJP) বলেছে, ওই রাষ্ট্রের স্পষ্ট উদ্দেশ্য ছিল প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে টার্গেট করে ভারতকে অস্থিতিশীল করা। পদ্ম পার্টির দাবি,  এটি সবসময়ই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্টের পিছনে থাকা একটি অ্যাজেন্ডা ছিল… ওসিসিআরপি রাষ্ট্রের অ্যাজেন্ডা পরিচালনার জন্য একটি সংবাদমাধ্যমের হাতিয়ার হিসেবে কাজ করেছে।

    মার্কিন স্টেট ডিপার্টমেন্টের এক মুখপাত্র বলেন, “মার্কিন সরকার সাংবাদিকদের পেশাগত উন্নয়ন ও সক্ষমতা বৃদ্ধির জন্য সহায়তা প্রদান করে। তবে এটি এই সংগঠনগুলির (Adani Indictment) সম্পাদকীয় সিদ্ধান্ত বা দিকনির্দেশকে প্রভাবিত করে না (BJP)।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

  • Joe Biden: হোয়াইট হাউস ছাড়ার আগে ছেলে হান্টারকে ক্ষমা করে দিলেন জো বাইডেন

    Joe Biden: হোয়াইট হাউস ছাড়ার আগে ছেলে হান্টারকে ক্ষমা করে দিলেন জো বাইডেন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ছেলেকে ক্ষমা করে দিলেন বাবা। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন (Joe Biden) রবিবার তাঁর ছেলে হান্টার বাইডেনকে (Hunter Biden) ক্ষমা করে দিয়েছেন। এর ফলে ফেডারেল অপরাধমূলক অস্ত্র ও কর ফাঁকির শাস্তির খাঁড়া থেকে মুক্তি পেলেন বাইডেন-পুত্র। ঘটনায় মার্কিন প্রদেশে উঠেছে সমালোচনার ঝড়। পরিবারের সদস্যদের জন্য প্রেসিডেন্সির বিশেষ ক্ষমতা ব্যবহার না করার পূর্ববর্তী প্রতিশ্রুতি থেকে সরে এসে ছেলেকে ক্ষমা করে দিলেন বিদায়ী মার্কিন প্রেসিডেন্ট।

    কী বললেন বাইডেন (Joe Biden)

    হোয়াইট হাউস থেকে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে বাইডেন বলেন, “আজ আমি আমার ছেলে হান্টারের জন্য একটি ক্ষমার আদেশে স্বাক্ষর করেছি। আমি যখন দায়িত্ব নিয়েছিলাম, তখন থেকেই বলেছিলাম যে আমি বিচার বিভাগের সিদ্ধান্তে হস্তক্ষেপ করব না। আমি আমার কথা রেখেছি। এমনকী, যখন দেখেছি আমার ছেলেকে বেছে বেছে এবং অন্যায়ভাবে অভিযুক্ত করা হয়েছে, তখনও।” ডেলাওয়ার ও ক্যালিফোর্নিয়ায় দুটি মামলায় দোষী সাব্যস্ত হওয়ার পরে বাইডেন বলেছিলেন, যে তিনি তাঁর ছেলেকে ক্ষমা করবেন না বা তাঁর সাজা লঘু করবেন না। এই সিদ্ধান্তটি এমন সময়ে তিনি জানিয়েছিলেন যখন হান্টার বাইডেন বন্দুক মামলায় দোষী সাব্যস্ত হয়েছিলেন এবং কর মামলায় দোষ স্বীকার করার পর শাস্তির মুখোমুখি হতে যাচ্ছিলেন।

    হান্টারকে ভিন্নভাবে বিবেচনা করা হয়েছে

    সেই বাইডেনই ছেলেকে ক্ষমা করলেন এমন একটা সময়ে যখন প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হয়েছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং মাত্র দুমাসের মধ্যেই দায়িত্ব নিতে চলেছেন তিনি। জারি করা বিবৃতিতে বলা হয়েছে (Joe Biden), “যারা সিরিয়াস অ্যাডিকশনের কারণে তাঁদের কর সময়মতো পরিশোধ করতে পারেননি, কিন্তু পরে সুদ ও জরিমানা সহ তা পরিশোধ করেছেন, সাধারণত তাদের ক্ষেত্রে অপরাধমূলক শাস্তি দেওয়া হয় না। তবে এটা পরিষ্কার যে হান্টারকে ভিন্নভাবে বিবেচনা করা হয়েছে। হান্টার একজন মাদকাসক্তি থেকে সেরে ওঠা ব্যক্তি, যিনি রিপাবলিকানদের, বিশেষ করে ট্রাম্পের, লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হয়েছিলেন।”

    আরও পড়ুন: ‘কমপক্ষে তিন সন্তান নিন’, নিদান মোহন ভাগবতের

    বাইডেন বলেন, “হান্টারের মামলার তথ্য বিবেচনা করে কোনও বিচার-বিবেচনা বোধ থাকা ব্যক্তি এ ছাড়া অন্য কোনও সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে পারে না যে তাকে শুধু আমার ছেলে হওয়ার কারণে আলাদা করে টার্গেট (Hunter Biden) করা হয়েছে।” তিনি বলেন, “হান্টারকে ভাঙার চেষ্টা করতে গিয়ে, তারা আমাকেও ভাঙার চেষ্টা করেছে – এবং এটা এখানে থামবে এমন কোনও কারণ নেই। তাই ঢের হয়েছে, আর না (Joe Biden)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

  • Donald Trump: ট্রাম্প প্রশাসনে আরও এক ভারতীয়  বংশোদ্ভূতের অভিষেক, কী দায়িত্ব পেলেন কাশ?

    Donald Trump: ট্রাম্প প্রশাসনে আরও এক ভারতীয় বংশোদ্ভূতের অভিষেক, কী দায়িত্ব পেলেন কাশ?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের এক ভারতীয়  বংশোদ্ভূতের অভিষেক ট্রাম্প প্রশাসনে! আমেরিকার হবু প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের (Donald Trump) মন্ত্রিসভা-সহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে চলছে ভারতীয়  বংশোদ্ভূতদের নিয়োগ। এবার এফবিআই (ফেডারেল ব্যুরো অফ ইনভেস্টিগেশন)-এর পরিচালক পদে ট্রাম্প বেছে নিলেন কাশ প্যাটেলকে (Kash Patel)।

    কাশ প্যাটেল

    সিআইএর প্রধান হওয়ার দৌড়ে এগিয়েছিলেন কাশ। পরে ওই পদে বসানো হয় জন ব়্যাটক্লিফকে। কাশকে বসানো হল এফবিআইয়ের পরিচালক পদে। এক্স হ্যান্ডেলে ট্রাম্প লিখেছেন, “আমি এটা ঘোষণা করতে পেরে গর্বিত যে কাশ্যপ ‘কাশ’ এফবিআই-এর পরবর্তী পরিচালক হিসেবে কাজ করবেন।” কাশের পুরো নাম কাশ্যপ প্রমোদ প্যাটেল। তিনি দীর্ঘদিন হাউস পারমানেন্ট সিলেক্ট কমিটিতে কাউন্টার টেররিজমের উপদেষ্টা পদে কাজ করেছেন। ২০১৯ সালে হোয়াইট হাউসে কাউন্টার টেররিজম ডিরেক্টরেট অফ দ্য ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিলের সিনিয়র ডিরেক্টর পদে ছিলেন। ২০২০ সালে আমেরিকার অস্থায়ী প্রতিরক্ষা সচিব ক্রিস মিলারের চিফ অফ স্টাফ নিযুক্ত হন কাশ।

    কী বললেন ট্রাম্প?

    নয়া মার্কিন প্রেসিডেন্ট (Donald Trump) (শপথ নেবেন ২০ জানুয়ারি) বলেন, “আমি গর্বের সঙ্গে ঘোষণা করছি যে কাশ্যপ ‘কাশ’ প্যাটেল ফেডারেল ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের (এফবিআই) পরবর্তী পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন। কাশ একজন মেধাবী আইনজীবী, তদন্তকারী এবং ‘আমেরিকা ফার্স্ট’ নীতির প্রবক্তা, যিনি তাঁর পুরো কর্মজীবনে দুর্নীতির উন্মোচন, ন্যায়বিচারের সুরক্ষা এবং আমেরিকান জনগণের সুরক্ষার জন্য কাজ করেছেন। তিনি ‘রাশিয়া, রাশিয়া, রাশিয়া’ ষড়যন্ত্র উন্মোচনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন এবং সত্য, জবাবদিহিতা ও সংবিধানের পক্ষে দৃঢ় অবস্থান নিয়েছেন।”

    আরও পড়ুন: মাও-মুক্ত ছত্তিশগড়ের গ্রাম, বিজলির আলোয় ঘুঁচল ‘আঁধার’

    তিনি বলেন, “আমার প্রথম মেয়াদের সময় কাশ অসাধারণ কাজ করেছেন। তিনি প্রতিরক্ষা বিভাগের চিফ অব স্টাফ, ডেপুটি ডিরেক্টর অব ন্যাশনাল ইন্টেলিজেন্স এবং জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের সন্ত্রাসবাদ-বিরোধী বিষয়ক সিনিয়র ডিরেক্টর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। কাশ ৬০টিরও বেশি জুরি ট্রায়াল পরিচালনা করেছেন।”

    ট্রাম্প বলেন, “এই এফবিআই আমেরিকায় ক্রমবর্ধমান অপরাধের মহামারী শেষ করবে, অভিবাসী অপরাধী গ্যাংগুলোকে ধ্বংস করবে এবং সীমান্ত জুড়ে মানব ও মাদক পাচারের দুষ্ট চক্র বন্ধ করবে।” তিনি বলেন, “কাশ (Kash Patel) আমাদের মহান অ্যাটর্নি জেনারেল পাম বন্ডির অধীনে কাজ করবেন, এফবিআই-এ বিশ্বস্ততা, সাহসিকতা এবং সততা পুনরুদ্ধার করতে (Donald Trump)।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

     

  • Bribery Charges: ঘুষ দেওয়ার অভিযোগই ওঠেনি মার্কিন মুলুকে, বিবৃতি দিয়ে জানাল আদানি গোষ্ঠী

    Bribery Charges: ঘুষ দেওয়ার অভিযোগই ওঠেনি মার্কিন মুলুকে, বিবৃতি দিয়ে জানাল আদানি গোষ্ঠী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মার্কিন মুলুকে গৌতম আদানি-সহ (Adani Green) তিনজনের বিরুদ্ধে ঘুষ দেওয়ার (Bribery Charges) অভিযোগই ওঠেনি। বুধবার রীতিমতো বিবৃতি জারি করে এমনই দাবি করল আদানি শিল্পগোষ্ঠী।

    আদানি গোষ্ঠীর বিবৃতি (Bribery Charges)

    তবে গৌতম, তাঁর ভাইপো সাগর এবং সংস্থার অন্যতম শীর্ষ কর্তা বিনীত জৈনকে আমেরিকার ন্যায় বিচার দফতর অন্য তিনটি অভিযোগে অভিযুক্ত করেছে বলে জানানো হয়েছে বিবৃতিতে। আদানি শিল্পগোষ্ঠী বিদেশি দুর্নীতি সংক্রান্ত আইন ভঙ্গ করেনি বলেও দাবি করেছে গৌতমের সংস্থা। শেয়ার বাজারের ফাইলিংয়ে এসবই জানিয়ে দেওয়া হয়েছে আদানি গোষ্ঠীর তরফে। ঘুষকাণ্ড নিয়ে বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদকে বিভ্রান্তিকর বলেও দাবি করা হয়েছে আদানিদের জারি করা ওই বিবৃতিতে।

    তিন অভিযোগে কাঠগড়ায়

    প্রসঙ্গত, ঘুষকাণ্ডে আদানি গোষ্ঠীর কর্ণধার গৌতম-সহ মোট সাতজনের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের হয়েছে। শেয়ার বাজার ফাইলিংয়ে আদানি গোষ্ঠীর তরফে জানানো হয়েছে, সিকিউরিটিজ জালিয়াতি ষড়যন্ত্র, অনলাইন লেনদেন জালিয়াতি ষড়যন্ত্র এবং সিকিউরিটিজ জালিয়াতির অভিযোগ আনা হয়েছে আদানিদের বিরুদ্ধে। গত বুধবার মার্কিন মুলুকের শেয়ার বাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন ও ন্যায় বিচার দফতর গৌতম, তাঁর ভাইপো সাগর ও তাঁদের সহযোগীদের বিরুদ্ধে অভিযোগ (Bribery Charges) তোলে, তাঁরা ২৬.৫ কোটি মার্কিন ডলার ঘুষ দিয়ে ভারতের বিভিন্ন রাজ্যে বাজারের থেকে বেশি দামে সৌরবিদ্যুৎ বিক্রির বরাত আদায় করেছিলেন।

    এর থেকে আদানিদের ২০ বছর ধরে ২০০ কোটি মার্কিন ডলার মুনাফা লুটে নেওয়ার পরিকল্পনা ছিল। ঘুষ দিয়ে বরাত আদায়ের তথ্য গোপন রেখে এই প্রকল্পের জন্য আদানি গ্রিন সংস্থা বাজারে বন্ড ছেড়ে লগ্নিকারীদের কাছ থেকে ৭৫ কোটি মার্কিন ডলার সংগ্রহ করেছে। এর মধ্যে মার্কিন লগ্নিকারীদের কাছ থেকে তোলা হয়েছে ১৭ কোটি ৫০ লাখ মার্কিন ডলার।

    আরও পড়ুন: ট্রাম্প প্রশাসনে গুরু দায়িত্বে বাঙালি, মার্কিন স্বাস্থ্য ব্যবস্থার মাথায় কলকাতার জয়ন্ত

    কোনও সংস্থা মার্কিন শেয়ার বাজার থেকে অর্থ সংগ্রহ করলে, তারা সে দেশের সব আইন মেনে চলতে বাধ্য। এ ক্ষেত্রে আদানিরা ঘুষের টাকার একাংশ বন্ডের মাধ্যমে আমেরিকার বাজার থেকে সংগ্রহ করেছে বলে অভিযোগ। সে দেশের নিয়ম অনুযায়ী, এটা বেআইনি। তার জেরে দায়ের হয়েছে মামলা। যদিও বিবৃতি (Adani Green) দিয়ে অভিযোগ অস্বীকার করেছে আদানি গোষ্ঠী (Bribery Charges)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

     
     
  • Donald Trump: চিন-কানাডার পণ্যে চড়া আমদানি শুল্ক আরোপের ঘোষণা ট্রাম্পের

    Donald Trump: চিন-কানাডার পণ্যে চড়া আমদানি শুল্ক আরোপের ঘোষণা ট্রাম্পের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আশঙ্কা ছিলই। শেষমেশ সত্যিই হল। প্রেসিডেন্ট পদে শপথ নেওয়ার আগেই বড় ঘোষণা করলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প (Donald Trump)। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ভাবী (এখনও শপথ নেননি) প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়ে দিলেন তাঁর আগামী বাণিজ্য-নীতির কথা। তিনি বলেন, “২০ জানুয়ারি, আমার প্রথম এক্সিকিউটিভ নির্দেশগুলোর একটি হিসেবে, আমি সমস্ত প্রয়োজনীয় নথিতে স্বাক্ষর করব, যা মেক্সিকো এবং কানাডা (Tariffs On China Canada) থেকে আমেরিকায় প্রবেশ করা সমস্ত পণ্যের ওপর ২৫ শতাংশ শুল্ক আরোপ করবে।”

    শুল্ক আরোপ (Donald Trump)

    তিনি যে মেক্সিকো, কানাডা এবং চিন থেকে আমদানিকৃত পণ্যের ওপর ব্যাপক শুল্ক আরোপ করবেন, সেই ইঙ্গিত আগেই দিয়েছিলেন। সোমবার রীতিমতো ঘোষণাই করে দিলেন। নিজের ট্রুথ সোশ্যাল অ্যাকাউন্টে একাধিক পোস্টে ট্রাম্প জানান, ‘তিনি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বৃহত্তম বাণিজ্যিক অংশীদারদের থেকে আমদানিকৃত সব পণ্যের ওপর শুল্ক আরোপ করবেন।’ অন্য একটি পোস্টে ট্রাম্প লেখেন, ‘অতিরিক্ত শুল্কের বাইরে তিনি চিনের ওপরও ১০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করবেন।’ তিনি বলেন, “ফেন্টানিল পাচার মোকাবিলায় ব্যর্থতার প্রতিক্রিয়া হিসেবে এই শুল্ক আরোপ করা হবে।”

    ট্রাম্পের নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি

    প্রসঙ্গত, শুল্ক আরোপ ট্রাম্পের অর্থনৈতিক নীতির একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। নির্বাচনী প্রচারে গিয়ে তিনি মিত্র এবং প্রতিপক্ষ উভয়ের উপরই ব্যাপক শুল্ক আরোপের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। এদিন সেই সংক্রান্ত ঘোষণাটিই করলেন ভাবী মার্কিন প্রেসিডেন্ট।

    ট্রাম্পের সিদ্ধান্তের প্রতিক্রিয়া দিতে দেরি করেনি চিন ও কানাডা। দুই দেশই জানিয়েছে, আমেরিকার সঙ্গে তাদের প্রত্যেকের বাণিজ্যিক সহযোগিতা ‘মিউচুয়ালি বেনিফিসিয়াল’। চিনা দূতাবাসের মুখপাত্র লিউ পেংইউ জানান, কেউই বাণিজ্য যুদ্ধে জয়ী হবে না। ফেন্টানিল পাচার রোধে চিনের প্রচেষ্টার পক্ষে সাফাইও গেয়েছেন তিনি। লিউ বলেন, “চিন বিশ্বাস করে, চিন ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক সহযোগিতা প্রকৃতিগতভাবে মিউচুয়ালি বেনিফিসিয়াল।”       

    কানাডা জানিয়েছে, এটি আমেরিকার জ্বালানি সরবরাহের জন্য অপরিহার্য এবং এই (Donald Trump) সম্পর্ক আমেরিকার শ্রমিকদের জন্যও উপকারী। কানাডার উপ প্রধানমন্ত্রী ক্রিস্টিয়া ফ্রিল্যান্ডের তরফে জারি করা বিবৃতিতে বলা হয়েছে, “আমরা অবশ্যই নতুন প্রশাসনের সঙ্গে এই বিষয়গুলি নিয়ে আলোচনা চালিয়ে যাব।”

    আরও পড়ুন: বাংলাদেশে গ্রেফতার নিপীড়িত হিন্দুদের মুখ চিন্ময় প্রভু

    উল্লেখ্য যে, এর আগের দফায় হোয়াইট হাউসে থাকাকালীন, ট্রাম্প চিনের সঙ্গে সর্বাত্মক বাণিজ্য যুদ্ধ শুরু করেছিলেন। শত শত বিলিয়ন ডলারের চিনা পণ্যের ওপর চড়া শুল্ক আরোপ করেছিলেন। সেই সময় তিনি যুক্তি হিসেবে (Tariffs On China Canada) উল্লেখ করেছিলেন অন্যায্য বাণিজ্য প্রথা, মেধাস্বত্ব চুরি এবং বাণিজ্য ঘাটতির কথা (Donald Trump)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

  • Ukraine Russia War: এবার ব্রিটেনের থেকে পাওয়া ‘স্টর্ম শ্যাডো’ ক্ষেপণাস্ত্র রাশিয়ায় প্রয়োগ করল ইউক্রেন

    Ukraine Russia War: এবার ব্রিটেনের থেকে পাওয়া ‘স্টর্ম শ্যাডো’ ক্ষেপণাস্ত্র রাশিয়ায় প্রয়োগ করল ইউক্রেন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মার্কিন মিসাইলের পর এবার রাশিয়ায় ব্রিটিশের তৈরি ‘স্টর্ম শ্যাডো’ ক্ষেপণাস্ত্র প্রয়োগ করল ইউক্রেন (Ukraine Russia War)। জানা গিয়েছে, ব্রিটেনে তৈরি ওই ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হেনেছে রাশিয়ার গভীরে, সামরিক লক্ষ্যবস্তুতে। ইউক্রেনের এহেন আঘাতের পরেই বিশ্বের আকাশে ঘন হয়েছে যুদ্ধের নিকষ কালো মেঘ।

    রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ (Ukraine Russia War)

    সম্প্রতি হাজার দিন পার করেছে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ। রাশিয়া মোতায়েন করেছে কোরিয়ান সৈন্য। ইউক্রেনের এই প্রতিক্রিয়াকে তারই পাল্টা পদক্ষেপ হিসেবে দেখছেন বিশেষজ্ঞরা। ঘটনার তীব্র নিন্দা করেছে পশ্চিমি বিশ্ব। ইউক্রেন এই প্রথম ব্রিটেনের সরবরাহ করা ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করল দেশের সীমান্তের বাইরে। এর আগে ব্রিটেন এই ক্ষেপণাস্ত্রগুলির ব্যবহার ইউক্রেনের অভ্যন্তরীণ অভিযানের মধ্যেই সীমাবদ্ধ রেখেছিল। তবে এই ক্ষেপণাস্ত্রগুলিকে রাশিয়ার লক্ষ্যবস্তুতে ব্যবহার করার অনুমতি দেওয়ার সিদ্ধান্তটি নেওয়া হয়েছে মস্কোর আনকনভেনশনাল অ্যালাইজ এবং ট্যাকটিসের ওপর ক্রমবর্ধমান নির্ভরতার প্রতিক্রিয়া হিসেবে।

    ‘স্টর্ম শ্যাডো’র হানা

    জানা গিয়েছে (Ukraine Russia War), ব্রিটেনে তৈরি এই ক্ষেপণাস্ত্রগুলি আঘাত হানে রাশিয়ার কুর্স্ক অঞ্চলে এবং কৃষ্ণসাগরের বন্দর শহর ইয়েস্কের ওপরে। এই দুটি বাদে অন্য স্টর্ম শ্যাডোগুলিকে আটকানো হয় বলে দাবি রাশিয়ার। প্রসঙ্গত, এই হামলার কয়েকদিন আগেই মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন ইউক্রেনকে আর্মি ট্যাকটিক্যাল মিসাইল সিস্টেম (ATACMS) রুশ অবস্থান লক্ষ্য করে ব্যবহারের অনুমোদন দেন। এই সপ্তাহের শুরুর দিকে মার্কিন এই অস্ত্রগুলো ব্রিয়ানস্কে রাশিয়ার একটি অস্ত্রাগারে আক্রমণে ব্যবহৃত হয়েছিল।

    আরও পড়ুন: ট্রাম্প প্রশাসনে ঠাঁই একাধিক ভারতপন্থীর, কাঁপন ধরছে পাকিস্তানের বুকে!

    ওয়াশিংটন যদিও মস্কোর পারমাণবিক উত্তেজনা বাড়ানোর সতর্কতাকে শুধুমাত্র কথার কথা বলে উড়িয়ে দিয়েছে, তবু রাশিয়ার পারমাণবিক নীতি উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে তামাম বিশ্বে। সংশোধিত এই নীতি অনুযায়ী, যে কোনও বৃহৎ এয়ার স্ট্রাইক বা রাশিয়ার সার্বভৌমত্বকে হুমকির মুখে ফেলে এমন আক্রমণের প্রতিক্রিয়ায় পারমাণবিক অস্ত্র ব্যবহারের অনুমতি দেওয়া হয়েছে। এদিকে, ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি পশ্চিমি সমর্থন সক্রিয়ভাবে চেয়ে যাচ্ছেন। তিনি বলেন, রাশিয়ার সরবরাহ কেন্দ্রগুলোকে লক্ষ্যবস্তু করা ইউক্রেনের প্রতিরক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ (Ukraine Russia War)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

     

  • Lawrence Bishnois: আমেরিকায় গ্রেফতার লরেন্স বিষ্ণোইয়ের ভাই আনমোল, ভারতে ফেরানোর উদ্যোগ

    Lawrence Bishnois: আমেরিকায় গ্রেফতার লরেন্স বিষ্ণোইয়ের ভাই আনমোল, ভারতে ফেরানোর উদ্যোগ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আমেরিকায় গ্রেফতার লরেন্স বিষ্ণোইয়ের (Lawrence Bishnois) ভাই আনমোল বিষ্ণোই ওরফে ভানু। কিছুদিন আগে এনআইএ তাঁর মাথার দাম ঘোষণা করেছিল ১০ লক্ষ টাকা। উল্লেখ্য, সপ্তাহখানেক আগেই আনমোলকে দেশে ফেরানোর প্রক্রিয়া শুরু করেছিল মুম্বই পুলিশ। এরই মধ্যে তাঁর গ্রেফতার হওয়ার ঘটনা প্রকাশ্যে এসেছে।

    ঠিক কী অভিযোগ ছিল? (Lawrence Bishnois)

    গোয়েন্দা সূত্রে খবর, চলতি মাসের শুরুতেই আমেরিকায় (America) লরেন্সের (Lawrence Bishnois) ভাইয়ের বিরুদ্ধে জামিন অযোগ্য ধারায় গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি হয়েছিল। সূত্রের খবর, ক্যালিফোর্নিয়ায় তাঁকে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। মহারাষ্ট্রের প্রাক্তন মন্ত্রী তথা এনসিপি নেতা বাবা সিদ্দিকিকে খুন এবং বলিউড তারকা সলমন খানের বাড়ির সামনে গুলি চালানোর ঘটনায় নাম জড়িয়েছিল বিষ্ণোই গ্যাংয়ের। মুম্বই পুলিশ সূত্রে খবর, এই দুই ঘটনাই ঘটেছিল আনমোলের নির্দেশে। তিনিই বিদেশে বসে হামলার পরিকল্পনা করেছিলেন। চলতি বছরের এপ্রিল মাসে সলমনের বাড়ির সামনে গুলি চালায় দুষ্কৃতীরা। সেই ঘটনার পরই পরিকল্পনা হয়েছিল সলমন-ঘনিষ্ঠদের খুন করার। সেই তালিকায় প্রথম নামই ছিল এনসিপি নেতা সিদ্দিকির। সলমনের বাড়ির সামনে গুলি চলার ঘটনা-সহ মোট ১৮টি মামলায় অভিযোগ রয়েছে আনমোলের বিরুদ্ধে। ২০২২ সালের মে মাসে পঞ্জাবি সঙ্গীতশিল্পী সিধু মুসেওয়ালার হত্যায়ও তাঁর যোগ রয়েছে বলে সন্দেহ করা হয়। মুসেওয়ালার ওপর হামলায় যাঁরা অভিযুক্ত তাঁদের অস্ত্রের জোগান দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে লরেন্সের ভাইয়ের বিরুদ্ধে। জাতীয় তদন্তকারী সংস্থার (এনআইএ) ‘মোস্ট ওয়ান্টেড’ তালিকায় নাম রয়েছে আনমোলের।

    আরও পড়ুন: ব্যাট হাতে প্রস্তুত শীত! কলকাতায় ১৮ ডিগ্রি, পুরুলিয়ায় ১২, কী বলছে হাওয়া অফিস?

    লরেন্সের অপরাধ জগৎ দেখতেন আনমোল!

    বাবা সিদ্দিকিকে খুনের ঘটনার তদন্তে উঠে আসে আনমোলের নাম। তদন্তকারীদের দাবি, ওই ঘটনায় যাঁদের গ্রেফতার করা হয়েছে, তাঁদের সঙ্গে বিদেশ থেকে নিয়মিত যোগাযোগ রাখতেন আনমোল। ‘স্ন্যাপচ্যাটে’ তার প্রমাণও মিলেছে। সূত্রের খবর, ভাড়া করা আততায়ীদের সিদ্দিকি ও তাঁর পুত্র জিশানের ছবিও পাঠিয়েছিলেন আনমোল। প্রসঙ্গত, লরেন্স (Lawrence Bishnois) ২০১৫ সাল থেকে গুজরাতের সবরমতী জেলে বন্দি রয়েছেন। তাঁর হয়ে বিষ্ণোই  গ্যাংয়ের বিভিন্ন অপরাধমূলক কাজকর্ম আনমোলই পরিচালনা করেন বলে পুলিশ সূত্রে খবর। তাঁকে দেশে ফেরানোর অনুমতি চেয়ে গত মাসেই মুম্বইয়ের এক নিম্ন আদালতে আবেদন জানিয়েছিল পুলিশ। এ ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট ভাবে সলমনের বাড়ির সামনে গুলি চলার ঘটনার কথাও আদালতে উল্লেখ করেছিল পুলিশ। ওই ঘটনার তদন্ত শুরুর পর থেকে আনমোলের কোনও খোঁজ পাচ্ছিল না পুলিশ। তাঁকে পলাতক হিসাবে চিহ্নিত করা হয়েছিল। সম্প্রতি আমেরিকা থেকে এ বিষয়ে কিছু নির্দিষ্ট তথ্য এসেছিল মুম্বই পুলিশের অপরাধ দমন শাখার হাতে। তার পর তদন্তকারীরা তাঁকে দেশে ফেরাতে উদ্যোগী হন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share