Tag: Amit Malviya

Amit Malviya

  • BJP: বাংলায় সুনীল বনসলই, তিন সহ-পর্যবেক্ষক নিয়ে নতুন পদ্ম-দল

    BJP: বাংলায় সুনীল বনসলই, তিন সহ-পর্যবেক্ষক নিয়ে নতুন পদ্ম-দল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পশ্চিমবঙ্গের সংগঠন সামলানোর দায়িত্বে সুনীল বনসলকেই (Sunil Bansal) রেখে দিলেন বিজেপির (BJP) কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব। বুধবার দলের সর্বভারতীয় সভাপতি নিতিন নবীন ২৮টি রাজ্য এবং ৮টি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের জন্য নতুন পর্যবেক্ষক ও সহ-পর্যবেক্ষকদের নাম ঘোষণা করেন। সেই তালিকায় পশ্চিমবঙ্গের পর্যবেক্ষক হিসেবে নাম রয়েছে বনসলের। তাঁর সঙ্গে সহ-পর্যবেক্ষক করা হয়েছে লাল সিংহ আর্য, রাজেন্দ্র সিংহ এবং পিঙ্কি কুশওয়াহাকে। বিজেপির সাংগঠনিক পুনর্বিন্যাসে একাধিক রাজ্যে নতুন দায়িত্ব বণ্টন করা হলেও পশ্চিমবঙ্গ এবং তেলঙ্গানায় বনসলের দায়িত্ব বহাল রাখা হয়েছে। তেলঙ্গানাতেও তাঁর সঙ্গে নতুন করে দুই সহ-পর্যবেক্ষক নিয়োগ করা হয়েছে।

    তিন সহ-পর্যবেক্ষক নিয়ে বাংলায় বনসলের দল (BJP)

    পশ্চিমবঙ্গে সংগঠন পরিচালনায় বনসলকে সাহায্য করবেন লাল সিংহ আর্য, রাজেন্দ্র সিংহ এবং পিঙ্কি কুশওয়াহা। বিজেপির প্রকাশিত তালিকাতেও এই তিনজনের নাম পশ্চিমবঙ্গের সহ-পর্যবেক্ষক হিসেবে রয়েছে।

    বিজেপির সাংগঠনিক দায়িত্বে বনসলের সঙ্গে নতুন তিন নেতাকে যুক্ত করার মাধ্যমে রাজ্য সংগঠনের কাজ আরও ভাগ করে দেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে। দলের সাংগঠনিক কার্যক্রম এবং নির্বাচনী প্রস্তুতিতে এই দল কাজ করবে বলে বিজেপি সূত্রে খবর।

    পড়শি রাজ্য অসমের দায়িত্বেও বড় পরিবর্তন আনা হয়েছে। অসমের পর্যবেক্ষক করা হয়েছে মঙ্গল পাণ্ডেকে। তাঁর সঙ্গে সহ-পর্যবেক্ষক হিসেবে থাকছেন ফাংনন কোন্যাক এবং আলিপুরদুয়ারের সাংসদ মনোজ টিগ্গা।

    স্মৃতি ইরানি, রাম মাধবদেরও গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব

    সাংগঠনিক পুনর্বিন্যাসে একাধিক প্রবীণ ও পরিচিত নেতাকে বিভিন্ন রাজ্যের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী স্মৃতি ইরানিকে হরিয়ানা ও ছত্তিশগড়ের পর্যবেক্ষক করা হয়েছে। উত্তরপ্রদেশের দায়িত্ব পেয়েছেন দলের সাধারণ সম্পাদক বিনোদ তাওড়ে। তাঁর সঙ্গে সহ-পর্যবেক্ষক হিসেবে রয়েছেন জগদীশ পটেল, মেধা কুলকার্নি, প্রদীপ বর্মা এবং অনন্ত ওঝা।

    দিল্লির দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে বিনয় সহস্রবুদ্ধেকে। তাঁর সঙ্গে সহ-পর্যবেক্ষক হয়েছেন জামিয়াং সেরিং নামগিয়াল এবং দর্শনা জারদোস। মহারাষ্ট্রের পর্যবেক্ষক হয়েছেন বৈজয়ন্ত জয় পাণ্ডা। তাঁর সঙ্গে সহ-পর্যবেক্ষক হিসেবে রয়েছেন অমিত মালব্য, সদানন্দ শেঠ তানাওয়াড়ে এবং কমলজিৎ সেহরাওয়াত।

    দক্ষিণ ভারতে তামিলনাড়ু ও উত্তরাখণ্ডের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে রাম মাধবকে। তামিলনাড়ুতে তাঁর সঙ্গে সহ-পর্যবেক্ষক হিসেবে রয়েছেন নির্মল কুমার সুরানা এবং ডি কে অরুণা। উত্তরাখণ্ডে তাঁর সঙ্গে রয়েছেন অরবিন্দ মেনন ও বাঁসুরি স্বরাজ।

    সিকিমের দায়িত্বে দার্জিলিংয়ের সাংসদ রাজু বিস্ত

    দার্জিলিংয়ের সাংসদ রাজু বিস্তকে সিকিমের পর্যবেক্ষক করা হয়েছে। বিজেপির এই সিদ্ধান্তের কথা সিকিমের দলীয় নেতৃত্বও জানিয়েছেন। মধ্যপ্রদেশের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে ত্রিপুরার প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব কুমার দেবকে। বিজেপির প্রকাশিত তালিকায় ওড়িশার দায়িত্বে ডি পুরন্দেশ্বরী এবং গুজরাতের দায়িত্বে তরুণ চুঘের নামও রয়েছে (BJP)।

    কেন্দ্রীয় প্রচার ও সংবাদমাধ্যমের দায়িত্বে রদবদল

    রাজ্যভিত্তিক সাংগঠনিক দায়িত্বের পাশাপাশি দলের সংবাদমাধ্যম ও যোগাযোগ ব্যবস্থাতেও পরিবর্তন করা হয়েছে। অনিল বালুনিকে দলের যোগাযোগ বিভাগের সমন্বয়কারী করা হয়েছে। এই বিভাগের অধীনে থাকবে জাতীয় সংবাদমাধ্যম এবং সোশ্যাল মিডিয়ার কাজ। আশিস ঊষা আগরওয়ালকে জাতীয় সংবাদমাধ্যম বিভাগের আহ্বায়ক করা হয়েছে।

    বিজেপির এই নতুন সাংগঠনিক কাঠামো ২০২৭ সালের একাধিক বিধানসভা নির্বাচনের প্রস্তুতির প্রেক্ষাপটে গুরুত্বপূর্ণ বলেই দাবি পদ্ম শিবির সূত্রের। বিশেষ করে উত্তরপ্রদেশ, তামিলনাড়ু, উত্তরাখণ্ড-সহ একাধিক রাজ্যে আগামী নির্বাচনী প্রস্তুতিকে সামনে রেখেই দায়িত্ব বণ্টন করা হয়েছে।

    পশ্চিমবঙ্গে বনসলকে (Sunil Bansal) বহাল রাখার সঙ্গে তিন নতুন সহ-পর্যবেক্ষক যুক্ত হওয়ায় রাজ্য সংগঠনের দায়িত্বে একটি সম্প্রসারিত কাঠামো তৈরি হল। ২০২২ সালে পশ্চিমবঙ্গের দায়িত্ব পাওয়ার পর থেকে বনসল রাজ্য সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন। এবারও তাঁকেই দায়িত্বে রেখে নতুন তিন নেতাকে তাঁর সঙ্গে যুক্ত করলেন কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব। এক বিজেপি (BJP) নেতার কথায়, “সুনীল বনসল জেলায় জেলায়, এমনকি ব্লক স্তর পর্যন্ত গিয়ে সংগঠনের সঙ্গে সমন্বয়ের কাজ করেছেন। তাই তাঁকে ফের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।”

     

  • Bankim Chandra: ‘বন্দে মাতরম’ বিতর্কে সোনিয়াকে চিঠি বঙ্কিমচন্দ্রের বংশধরের, নিঃশর্ত ক্ষমা চাওয়ার দাবি

    Bankim Chandra: ‘বন্দে মাতরম’ বিতর্কে সোনিয়াকে চিঠি বঙ্কিমচন্দ্রের বংশধরের, নিঃশর্ত ক্ষমা চাওয়ার দাবি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘বন্দে মাতরম’ সম্পূর্ণ গাওয়া নিয়ে বিতর্কের জেরে কংগ্রেস নেত্রী সোনিয়া গান্ধীকে চিঠি লিখলেন বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের বংশধর তথা পশ্চিমবঙ্গের বিধায়ক বিজেপির সুমিত্র চট্টোপাধ্যায়। ঘটনায় গভীর ক্ষোভ ও যন্ত্রণা প্রকাশ করে তিনি সোনিয়ার কাছে নিঃশর্ত ক্ষমা চাওয়ার দাবি জানিয়েছেন। সুমিত্র ২০২৬ সালের পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনে নৈহাটি কেন্দ্র থেকে বিজেপির টিকিটে জয়ী হয়েছেন। চিঠিতে সুমিত্র অভিযোগ করেন, ‘বন্দে মাতরম’-এর সম্পূর্ণ পরিবেশনা থামানোর চেষ্টা আসলে “ঐতিহাসিক ভুলের নির্লজ্জ পুনরাবৃত্তি”। তাঁর দাবি, বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের অমর সৃষ্টি ‘বন্দে মাতরম’-এর পূর্ণাঙ্গ সংস্করণ গাওয়ার সময় কংগ্রেস কর্মীদের থামানোর বারবার চেষ্টা তাঁকে গভীরভাবে মর্মাহত করেছে।

    ‘বন্দে মাতরম’-এর সম্পূর্ণ সংস্করণ (Bankim Chandra)

    সুমিত্রর কথায়, “আজ, ১৫ আগস্ট ২০২৬, স্বাধীনতার ৮০তম বর্ষপূর্তির এই পবিত্র সকালে, যখন দেশের প্রতিটি মানুষ ভারতমাতাকে শ্রদ্ধা জানাতে নিবেদিত, তখন সর্বভারতীয় কংগ্রেস কমিটির সদর দফতরে যা ঘটেছে, তা শুধু দুর্ভাগ্যজনক নয়, বরং ঐতিহাসিক ভুলের নির্লজ্জ পুনরাবৃত্তি।” তিনি এও বলেন, “বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের অমর সৃষ্টি ‘বন্দে মাতরম’-এর সম্পূর্ণ সংস্করণ কংগ্রেস কর্মীরা যখন গাইছিলেন, তখন তাঁদের অস্বস্তি, অসন্তোষ এবং বারবার থামানোর চেষ্টা আমাকে গভীরভাবে ব্যথিত করেছে। একজন সাধারণ ভারতীয় নাগরিক, দেশপ্রেমিক এবং সর্বোপরি ঋষি বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের পরিবারের সরাসরি বংশধর হিসেবে গভীর বেদনা, শূন্যতা ও যন্ত্রণা নিয়ে আমি এই চিঠি লিখছি।” কংগ্রেসের বিরুদ্ধে দ্বিচারিতার অভিযোগও তুলেছেন বিজেপি বিধায়ক। ১৯৩৭ সালে মুসলিম লিগের অধিবেশনে মহম্মদ আলি জিন্নার ‘বন্দে মাতরম’-কে মুসলিমবিরোধী আখ্যা দেওয়ার প্রসঙ্গ তুলে তিনি দাবি করেন, সেই আপত্তির জেরে কংগ্রেস সরকারি অনুষ্ঠানে গানটির প্রথম দু’টি প্রকৃতিবন্দনামূলক স্তবক গাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল। তাঁর বক্তব্য, সেই আপসের ছায়া এখনও কংগ্রেসের মতাদর্শ ও আচরণে দেখা যায়।

    দ্বিচারিতা নতুন কিছু নয়

    চিঠিতে সুমিত্র লেখেন, “ইতিহাসের দিকে ফিরে তাকালে দেখা যায়, আপনাদের কথিত দ্বিচারিতা নতুন কিছু নয়। ইতিহাস সাক্ষ্য দেয়, ১৯৩৭ সালের অক্টোবরে আপনারাও মহম্মদ আলি জিন্নার অযৌক্তিক আপত্তির কাছে নতিস্বীকার করে এই চিরন্তন দেশাত্মবোধক গানকে খণ্ডিত করেছিলেন। সেই আপসের ছায়া এখনও আপনাদের মতাদর্শে দৃশ্যমান এবং আজ আপনাদের আচরণে তা আবারও স্পষ্ট হয়ে উঠেছে।” ঘটনার জেরে পশ্চিমবঙ্গের মানুষের আবেগেও আঘাত লেগেছে বলে দাবি করেন তিনি। তাঁর কথায়, “আজকের এই দুর্ভাগ্যজনক ঘটনায় পশ্চিমবঙ্গের মানুষের আবেগ গভীরভাবে আহত হয়েছে। বিষয়টি আপনাকে জানানো আমার নৈতিক কর্তব্য বলে মনে করি।” সোনিয়ার উদ্দেশে তাঁর আবেদন, “বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের পরিবারের বংশধর হিসেবে অত্যন্ত বিনীত কিন্তু দৃঢ় ভাষায় আমি আপনাকে আত্মসমালোচনা করে আমার সমস্ত দেশবাসীর কাছে, বিশেষ করে পশ্চিমবঙ্গের মানুষের কাছে, আপনার আচরণের জন্য নিঃশর্ত ক্ষমা চাওয়ার আহ্বান জানাচ্ছি। ইতিহাস কাউকে ক্ষমা করে না। যে নেতৃত্ব নিজের স্বাধীনতার মন্ত্রকেই সম্মান করতে ব্যর্থ হয়, ইতিহাসে তাঁর স্থান বিস্মৃতির অন্ধকারে।”

    অমিত মালব্যর অভিযোগ

    এর আগে বিজেপি নেতা অমিত মালব্য অভিযোগ করেছিলেন, স্বাধীনতা দিবসের অনুষ্ঠানে কংগ্রেসের সদর দফতরে ‘বন্দে মাতরম’-এর সম্পূর্ণ পরিবেশনা বন্ধ করার চেষ্টা হয়েছিল। সোশ্যাল মিডিয়ায় এক বার্তায় তাঁর দাবি, অনুষ্ঠানে জাতীয় সংগীতের প্রথম স্তবকগুলি গাওয়ার পর সোনিয়া “অসন্তুষ্ট” হয়ে তা থামানোর কথা বলেছিলেন। রাহুলও (গান্ধী) গান শেষ করার ইঙ্গিত দিয়েছিলেন বলে দাবি করেন মালব্য। তবে পরে তাঁদের জানানো হয় যে গানটি চলবে এবং শেষ পর্যন্ত ‘বন্দে মাতরম’ পূর্ণাঙ্গ পরিবেশন করা হয়। এই ঘটনার নিন্দা করে মালব্য অভিযোগ করেন, গান্ধী পরিবারের সঙ্গে সাংস্কৃতিক আত্মবিশ্বাস ও সভ্যতাগত শিকড়ে প্রতিষ্ঠিত ভারতের ধারণার সম্পর্ক বরাবরই অস্বস্তিকর। ঘটনা প্রসঙ্গে সুমিত্র বলেন, “তাঁর কাজ সত্যিই লজ্জাজনক। এটি দেশের প্রতি অপমান। গোটা ভারত এবং বাঙালি সম্প্রদায়ের প্রতি অপমান। আমার গোটা পরিবার এতে ব্যথিত হয়েছে। আমার মনে হয়েছে, এত বছর ভারতে বসবাস করেও সোনিয়া গান্ধী তাঁর ইতালীয় সংস্কৃতিকে ভুলতে পারেননি।”

    সোনিয়াকে ই-মেলে চিঠি

    তিনি জানান, বিষয়টি জানিয়ে সরাসরি সোনিয়াকে ই-মেলে চিঠি পাঠিয়েছেন এবং দলের সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গেকেও তার প্রতিলিপি দিয়েছেন। তাঁর কথায়, “দেখা যাক, তাঁরা বিষয়টি বুঝতে পারেন কি না।” তিনি আরও স্পষ্ট করেন, ভারতের রাষ্ট্রপতি বা অন্য কোনও সরকারি আধিকারিককে তিনি চিঠি দেননি, যাঁকে এই ঘটনার জন্য দায়ী মনে করেছেন, তাঁকেই সরাসরি জানিয়েছেন এবং দলের প্রধানকে প্রতিলিপি পাঠিয়েছেন।

     

  • West Bengal BJP: বিতর্ক নয়, বাজেটের সাফল্য পৌঁছে দিতে হবে মানুষের কাছে, বিজেপি বিধায়কদের কড়া বার্তা নেতৃত্বের

    West Bengal BJP: বিতর্ক নয়, বাজেটের সাফল্য পৌঁছে দিতে হবে মানুষের কাছে, বিজেপি বিধায়কদের কড়া বার্তা নেতৃত্বের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে প্রথম বিজেপি সরকারের (West Bengal BJP) বিভিন্ন জনকল্যাণকামী পদক্ষেপ এবং সাম্প্রতিক বাজেটের ইতিবাচক দিকগুলি (Budget Benefits) সাধারণ মানুষের কাছে তুলে ধরার ওপর বিশেষ জোর দিল পদ্ম-দলের শীর্ষ নেতৃত্ব। সম্প্রতি দলীয় বিধায়কদের নিয়ে আয়োজিত দু’দিনের বিশেষ বৈঠকে সাফ জানিয়ে দেওয়া হয়, রাজনৈতিক উত্তেজনা সৃষ্টি বা বিতর্কিত কর্মকাণ্ডে জড়ানোর বদলে সরকারের উন্নয়নমূলক কাজের প্রচারেই বেশি গুরুত্ব দিতে হবে।

    ‘ডুজ অ্যান্ড ডোন্টজে’র পাঠ (West Bengal BJP)

    দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, বৈঠকে নেতৃত্ব পরিষ্কার জানিয়ে দিয়েছেন, ডিম ছোড়া, দলীয় কার্যালয় দখল কিংবা কোনও ধরনের উসকানিমূলক কার্যকলাপ বিজেপি সমর্থন করে না। তার বদলে সরকারের বিভিন্ন কল্যাণমূলক সিদ্ধান্ত, বাজেটের ঘোষণা এবং প্রশাসনিক সাফল্য মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বিধায়কদের। বাজেটে সরকারি কর্মীদের জন্য ডিএর ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণা করা হয়েছে। বর্তমানে চালু থাকা ১৮ শতাংশ ডিএর সঙ্গে আরও ২০ শতাংশ বাড়িয়ে মোট হার ৩৮ শতাংশে নিয়ে যাওয়ার কথা বলা হয়েছে। আগামী ১ অক্টোবর থেকে এই সিদ্ধান্ত কার্যকর হওয়ার কথা। এর পাশাপাশি নয়া কর্মসংস্থানের লক্ষ্যে এক লাখ চাকরি সৃষ্টির পরিকল্পনার কথাও বাজেটে উল্লেখ করা হয়েছে। বিজেপি নেতৃত্বের মতে, এই ধরনের সিদ্ধান্ত মানুষের কাছে তুলে ধরতে পারলে সরকারের ইতিবাচক ভাবমূর্তি আরও শক্তিশালী হবে।

    বিধায়কদের সতর্ক-বার্তা

    বিশ্ববাংলা কনভেনশন সেন্টারে আয়োজিত এই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী, বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য, কেন্দ্রীয় নেতা সুকান্ত মজুমদার, সুনীল বনসল, অমিত মালব্য এবং অমিতাভ চক্রবর্তী-সহ একাধিক শীর্ষ নেতা। বৈঠকে নবনির্বাচিত বিধায়কদের দায়িত্ব ও কর্তব্য সম্পর্কেও বিস্তারিত আলোচনা হয়। প্রথমবার নির্বাচিত বিধায়কদের বিধানসভা ও সাংগঠনিক কাজের বিভিন্ন দিক সম্পর্কেও শিখিয়ে-পড়িয়ে নেওয়া হয় (West Bengal BJP)। দল এবং সরকারের ভূমিকার মধ্যে ভারসাম্য বজায় রাখা, সংগঠনের সঙ্গে সমন্বয় রক্ষা এবং শৃঙ্খলার মধ্যে থেকে রাজনৈতিক কাজ পরিচালনার প্রয়োজনীয়তার কথাও মনে করিয়ে দেন পদ্ম নেতারা। কোথাও যাতে তোলাবাজি বা অনিয়মের অভিযোগ না ওঠে, সেই বিষয়েও (Budget Benefits) বিধায়কদের সতর্ক করে দেওয়া হয়েছে বলে বিশ্বস্ত সূত্রে খবর (West Bengal BJP)।

  • Waqf Properties: ‘উমিদ’ সেন্ট্রাল পোর্টালে যাচাইকরণ প্রক্রিয়ায় বাতিল বাংলার ৩,৫০৯টি ওয়াকফ সম্পত্তি

    Waqf Properties: ‘উমিদ’ সেন্ট্রাল পোর্টালে যাচাইকরণ প্রক্রিয়ায় বাতিল বাংলার ৩,৫০৯টি ওয়াকফ সম্পত্তি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তৃণমূল শাসিত বঙ্গে ‘উমিদ’ (UMEED) সেন্ট্রাল পোর্টালে যাচাইকরণ প্রক্রিয়ায় ৩,৫০৯টি ওয়াকফ সম্পত্তি (Waqf Properties) বাতিল করা হয়েছে। পোর্টালটিতে আপলোড করা হয়েছিল মোট ৮৫,১১০টি ওয়াকফ সম্পত্তি। তার মধ্যে মাত্র ১৮,৪৯৭টি সম্পত্তি যাচাই ও অনুমোদিত হয়েছে। রাজ্যসভার সাংসদ শমীক ভট্টাচার্যের প্রশ্নের উত্তরে একথা জানিয়েছে কেন্দ্রীয় সংখ্যালঘু বিষয়ক মন্ত্রক। জানা গিয়েছে, পশ্চিমবঙ্গে মোট ৮০,৫৪৮টি ওয়াকফ সম্পত্তির মধ্যে মাত্র ২৩,০৯১টি উমিদ পোর্টালে আপলোড করা হয়েছিল। এর কারণ জানতে চান বিজেপি সাংসদ। জানতে চান, ঘটনায় দায়ী কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে কী ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

    শমীকের প্রশ্ন (Waqf Properties)

    শমীক জানতে চান, ৬ ডিসেম্বর ২০২৫ তারিখে পোর্টাল বন্ধ হওয়ার আগে কেন মাত্র ২৩,০৯১টি সম্পত্তি আপলোড করা হয়েছিল? এটি উমিদ কাঠামোর নির্ধারিত সময়সীমা লঙ্ঘন বলে গণ্য হবে কিনা। তাঁর প্রশ্ন, একাধিক পর্যালোচনা ও ক্ষমতা বৃদ্ধির উদ্যোগ থাকা সত্ত্বেও পশ্চিমবঙ্গ ওয়াকফ বোর্ড কেন (Waqf Properties) এত কম সংখ্যক সম্পত্তি আপলোড করেছে? বিজেপির এই সাংসদ এও জানতে চান, নির্ধারিত সময়ে আপলোড না হওয়া সম্পত্তিগুলির আইনি অবস্থান কী? ভবিষ্যতেই বা কী ব্যবস্থা নেওয়া হবে? দায়ী কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে কোনও পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে কিনা, তাও জানতে চান তিনি।

    কী বললেন কিরেন রিজিজু

    সংখ্যালঘু বিষয়ক কেন্দ্রীয় মন্ত্রী কিরেন রিজিজু জানান, ৬ জুন ২০২৫ তারিখে উমিদ সেন্ট্রাল পোর্টাল চালু হয়। সংশোধিত আইনের আওতায় রেজিস্ট্রিকৃত সমস্ত ওয়াকফ সম্পত্তির তথ্য ৬ মাসের মধ্যে আপলোড করা বাধ্যতামূলক ছিল। প্রয়োজনে ওয়াকফ ট্রাইব্যুনাল আরও ৬ মাস সময় বাড়াতে পারত। নির্ধারিত সময় শেষ হওয়ার পর ওই দিন রাত্রি ১১:৫৯-এ পোর্টাল বন্ধ করা হয়। তিনি বলেন, “প্রথম ৬ মাসে পশ্চিমবঙ্গ থেকে ২৩,০৯১টি সম্পত্তির তথ্য (Waqf Properties) আপলোড করা হয়েছিল। এর মধ্যে ৭১৬টি অনুমোদিত হয় এবং ১৬১টি বাতিল করা হয়, বাকিগুলি বিভিন্ন পর্যায়ে ছিল। পরে ওয়াকফ ট্রাইব্যুনালের মাধ্যমে পশ্চিমবঙ্গের জন্য সময় বাড়ানো হয়। পরে ফের পোর্টাল খোলা হয়েছে। খোলা থাকবে ২৪ জুন ২০২৬ পর্যন্ত। ১৭ মার্চ, ২০২৬ পর্যন্ত প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, মোট ৮৫,১১০টি সম্পত্তি আপলোড হয়েছে, যার মধ্যে ১৮,৪৯৭টি অনুমোদিত এবং ৩,৫০৯টি বাতিল হয়েছে। মন্ত্রক জানিয়েছে, আপলোডিং, যাচাই ও অনুমোদনের কাজ এখনও চলছে।চূড়ান্ত তথ্য যেমন, মামলা, দখলদারিত্ব, শ্রেণিবিভাগ, সম্পত্তির মূল্য ইত্যাদি—সম্পূর্ণ প্রক্রিয়া শেষ না হওয়া পর্যন্ত নির্ধারণ করা যাবে না (Waqf Properties)।

    অমিত মালব্যর প্রশ্ন

    এদিকে, বিজেপি নেতা অমিত মালব্য প্রশ্ন তোলেন, “এত বড় সংখ্যক সম্পত্তি যাচাইয়ে কেন বাতিল হল? তাহলে কি তথ্যগত ত্রুটি ছিল, নাকি কারচুপি হয়েছে, নাকি নথিপত্র অসম্পূর্ণ ছিল?” প্রশাসনিক ব্যর্থতার জন্য দায়ী ব্যক্তিদের জবাবদিহিও দাবি করেন তিনি। উল্লেখ্য, ২০২৫ সালের ৩ জুলাই “ইউনিফায়েড ওয়াকফ ম্যানেজমেন্ট, এমপাওয়ারমেন্ট, এফিসিয়েন্সি অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট রুলস, ২০২৫” জারি করা হয়। ওয়াকফ (সংশোধনী) আইন, ২০২৫-এর অধীনে এই ডিজিটাল ব্যবস্থার লক্ষ্য ছিল, রেকর্ড ডিজিটাইজেশন, নজরদারি বৃদ্ধি, অডিট দ্রুত করা এবং স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা।

     

  • Udhayanidhi Stalin: সনাতন ধর্মকে অপমান, মাদ্রাজ হাইকোর্টে তিরস্কৃত তামিলনাড়ুর উপমুখ্যমন্ত্রী উদয়নিধি স্ট্যালিন

    Udhayanidhi Stalin: সনাতন ধর্মকে অপমান, মাদ্রাজ হাইকোর্টে তিরস্কৃত তামিলনাড়ুর উপমুখ্যমন্ত্রী উদয়নিধি স্ট্যালিন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সনাতন ধর্মকে অপমান করা এবং ঘৃণা-ভাষণ দেওয়ার জন্য তামিলনাড়ুর উপ-মুখ্যমন্ত্রী ও যুবকল্যাণ ও ক্রীড়ামন্ত্রী উদয়নিধি স্ট্যালিনকে চরম ভর্ৎসনা করল মাদ্রাজ হাইকোর্টের মাদুরাই বেঞ্চ।  সেই সঙ্গে বিজেপি নেতা অমিত মালব্যের বিরুদ্ধে দায়ের করা এফআইআর বাতিল করা হল। হাইকোর্ট জানিয়েছে, একটি বিতর্কিত বক্তব্যের প্রতিক্রিয়া জানানোর জন্য কাউকে শাস্তি দেওয়া অন্যায়, বিশেষত যখন সেই বক্তব্য প্রদানকারীর বিরুদ্ধে কোনও পদক্ষেপই করা হয়নি। এই এফআইআরটি দায়ের করা হয়েছিল মালব্যের সোশ্যাল মিডিয়ায় করা কিছু পোস্টের কারণে, যেখানে তিনি ‘সনাতন ধর্ম’ (Sanatana Dharma) নিয়ে মন্তব্য করার জন্য উদয়নিধি স্ট্যালিনের (Udhayanidhi Stalin) কড়া সমালোচনা করেছিলেন।

    মালব্যের প্রতিক্রিয়া আইন লঙ্ঘন করেনি (Udhayanidhi Stalin)

    বিচারপতি এস শ্রীমতী বলেন, “অমিত মালব্য কেবল তামিলনাড়ুর মন্ত্রী উদয়নিধি স্ট্যালিনের একটি প্রকাশ্য বক্তব্যের প্রতিক্রিয়া জানিয়েছিলেন। তাঁর বিরুদ্ধে মামলা চালিয়ে যাওয়া ভুল এবং ক্ষতিকর হবে।” বিচারপতি এও বলেন, “মালব্যের প্রতিক্রিয়া কোনও আইন লঙ্ঘন করেনি এবং মামলাটি চালু রাখলে তা আইনি ব্যবস্থার অপব্যবহার হবে।” লাইভ ল–এর একটি প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে। আদালত এই প্রসঙ্গে একটি উদ্বেগজনক প্রবণতা নিয়েও তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করেছে। আদালত উল্লেখ করেছে, যে মন্ত্রীর বক্তব্যকে ঘিরে বিতর্ক তৈরি হয়েছে, তাঁর বিরুদ্ধে কোনও মামলা দায়ের করা হয়নি, অথচ সেই বক্তব্য নিয়ে প্রশ্ন তোলা এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে দ্রুত ফৌজদারি মামলা করা হয়েছে। বিচারপতি বলেন, “এটি অত্যন্ত বেদনাদায়ক যে যাঁরা আপত্তিকর বা বিদ্বেষমূলক বক্তব্য দেন, তাঁরা প্রায়ই পার পেয়ে যান, কিন্তু যাঁরা তাঁর প্রতিক্রিয়া জানান, তাঁদের বিরুদ্ধে পুলিশি ব্যবস্থা নেওয়া হয়।”

    আদালতের পর্যবেক্ষণ

    লাইভ ল–এর প্রতিবেদনে আদালতের পর্যবেক্ষণ উদ্ধৃত করে বলা হয়েছে, “এই আদালত অত্যন্ত কষ্টের সঙ্গে লক্ষ্য করছে যে, যাঁরা বিদ্বেষমূলক বক্তব্যের সূচনা করেন, তাঁরা সম্পূর্ণরূপে মুক্ত থাকেন, কিন্তু যাঁরা সেই বক্তব্যের প্রতিক্রিয়া জানান, তাঁরা আইনের কঠোরতার মুখে পড়েন। এমনকি আদালতও প্রতিক্রিয়া জানানো ব্যক্তিদের প্রশ্ন করছে, কিন্তু যারা বিদ্বেষমূলক বক্তব্য দিয়েছেন, তাঁদের বিরুদ্ধে আইন প্রয়োগ করা হচ্ছে না (Udhayanidhi Stalin)।” প্রসঙ্গত, ২০২৩ সালে ‘সনাতন বিলোপ সম্মেলন’ (Sanatana Abolition Conference) নামে একটি অনুষ্ঠানে উদয়নিধি স্ট্যালিন সনাতন ধর্মের তুলনা করেছিলেন ডেঙ্গি ও ম্যালেরিয়ার মতো রোগের সঙ্গে (Sanatana Dharma)। একে বিলোপ করার কথাও বলেছিলেন তিনি। তাঁর এই মন্তব্য দেশজুড়ে তীব্র প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি করেছিল এবং বিভিন্ন আদালতে একাধিক মামলা দায়ের হয়েছিল।

    স্ট্যালিনের মন্তব্য

    এই বক্তব্যের পর অমিত মালব্য সোশ্যাল মিডিয়ায় ওই ভাষণের একটি ভিডিও ক্লিপ শেয়ার করেন এবং মন্ত্রীর বক্তব্যের অর্থ ও উদ্দেশ্য নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। এরপর তাঁর বিরুদ্ধে ঘৃণা ছড়ানো এবং ভ্রান্ত তথ্য প্রচারের অভিযোগে একটি অভিযোগ দায়ের করা হয়। অনুষ্ঠানে উদয়নিধি স্ট্যালিন যে বক্তব্য দেন, তার একটি আনুমানিক অনুবাদ নীচে দেওয়া হল, যা ব্যাপক বিতর্কের জন্ম দিয়েছিল। “কিছু বিষয়ের বিরোধিতা করা যায় না, সেগুলিকে নির্মূল করতে হয়। আমরা শুধু ডেঙ্গি, মশা, ম্যালেরিয়া বা করোনার বিরোধিতা করতে পারি না, সেগুলি নির্মূল করতে হয়। সনাতনের ক্ষেত্রেও কেবল বিরোধিতা নয়, একে নির্মূল করা উচিত।”

    স্ট্যালিনের এই প্রতিক্রিয়ায় অমিত মালব্য এক্স হ্যান্ডেলে লেখেন (Sanatana Dharma), “তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী এম কে স্ট্যালিনের পুত্র ও ডিএমকে সরকারের মন্ত্রী উদয়নিধি স্ট্যালিন সনাতন ধর্মকে ম্যালেরিয়া ও ডেঙ্গির সঙ্গে তুলনা (Udhayanidhi Stalin) করেছেন। তাঁর মতে, এর বিরোধিতা নয়, একে নির্মূল করা উচিত। সংক্ষেপে বলতে গেলে, তিনি ভারতের ৮০ শতাংশ জনসংখ্যাকে গণহত্যার আহ্বান জানাচ্ছেন, যাঁরা সনাতন ধর্ম অনুসরণ করেন।” মালব্য আদালতে জানান, তিনি কেবল প্রকাশ্যে দেওয়া একটি বক্তব্যই শেয়ার করেছিলেন এবং তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন। তাঁর দাবি, তাঁর পোস্টগুলির অপব্যাখ্যা করা হয়েছে এবং তাঁর বিরুদ্ধে করা মামলাটি রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত (Udhayanidhi Stalin)।

     

LinkedIn
Share