Tag: amrita sinha

amrita sinha

  • CBI: আরও প্যাঁচে ‘কালীঘাটের কাকু’, সুজয়কৃষ্ণকে জিজ্ঞাসাবাদ করতে চায় সিবিআই

    CBI: আরও প্যাঁচে ‘কালীঘাটের কাকু’, সুজয়কৃষ্ণকে জিজ্ঞাসাবাদ করতে চায় সিবিআই

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সুজয়কৃষ্ণ ভদ্র ওরফে কালীঘাটের কাকুর কণ্ঠস্বরের নমুনা মিলেছে এমনটাই আদালতে জানিয়েছে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ED)। সেই আবহে জেলে গিয়ে তাঁকে জেরা করতে চেয়ে আদালতের দ্বারস্থ হল সিবিআই (CBI)। প্রয়োজনীয় অনুমোদনের জন্য বুধবার কলকাতার বিচার ভবনের বিশেষ আদালতে আবেদন করেছে সিবিআই। নিয়োগ দুর্নীতি (Recruitment Scam) কাণ্ডে তদন্তের জন্য তাঁকে জেরা করার প্রয়োজন আছে জানিয়ে আদালতের দ্বারস্থ হয়েছে সিবিআই (CBI)। এমনকি এই মামলায় দ্রুত অয়ন শীল ও শান্তনু বন্দোপাধ্যায়কেও জেরা করতে চায় কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা (CBI)। আরও জানা গেছে আলিপুর আদালতকে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করতে বলেছে এনিয়ে নগর দায়রা আদালত।

    রিপোর্ট জমা দেওয়া হয় বিচারপতি অমৃতা সিনহার এজলাসে

    প্রসঙ্গত, বৃহস্পতিবার কলকাতার ফরেনসিক ল্যাবরেটরি থেকে একটি মুখ বন্ধ খামে সুজয়কৃষ্ণ ভদ্রের কণ্ঠস্বরের রিপোর্ট তাদের দফতরে আসে বলে ইডি সূত্রে খবর। এরপর সেই রিপোর্ট জমা দেওয়া হয় বিচারপতি অমৃতা সিনহার এজলাসে। লাইভ স্ট্রিমিং চলাকালীন তদন্তের স্বার্থে কয়েকটি বিষয় প্রকাশ্যে আনেননি। তবে দুই পক্ষের কথোপকথন থেকে জানা যায় কণ্ঠস্বরের রিপোর্ট মিলেছে। তবে সেই রিপোর্টে খুশি নয় আদালত। কারণ কণ্ঠস্বর মেলার পর যা করণীয় তা করা হয়নি এমনটাই মনে করেছে আদালত। সুজয়কৃষ্ণ ভদ্রের কল রেকর্ডিং এবং পরে সংগ্রহ করা কণ্ঠস্বরের নমুনা ইতিবাচক রয়েছে একথা আদালতে জানানো হলেও যার সঙ্গে কথা সুজয়ের কথা হয়েছিল তাঁকে এখনও হেফাজতে নেওয়া হয়নি বলেই জানা গেছে। কণ্ঠস্বরের নমুনার রিপোর্ট চলে আসায় সেই জটিলতা অনেকটাই কেটে গেছে বলে তদন্তকারী সংস্থা (CBI) সূত্রে খবর।

    গ্রেফতার হওয়ার পর সুজয় কৃষ্ণ ভদ্রের দীর্ঘদিন ঠিকানা ছিল হাসপাতাল

    নিয়োগ দুর্নীতিকাণ্ডে গ্রেফতার হওয়ার পর সুজয়কৃষ্ণ ভদ্রের দীর্ঘদিন ঠিকানা ছিল হাসপাতাল। অসুস্থতার অজুহাতে কখনও সরকারি আবার কখনও বেসরকারি হাসপাতালে থেকেছেন সুজয়কৃষ্ণ ভদ্র। মাঝে একটি বেসরকারি হাসপাতালে তাঁর হার্টে অস্ত্রপচার করা হয় বলে জানানো হয়। তাঁকে হেফাজতে নিয়ে বারবার জিজ্ঞাসাবাদ চালিয়েছে ইডি। যদিও জিজ্ঞাসাবাদে কী উঠে এসেছে তা এখনও জানা যায়নি। প্রসঙ্গত ৩ জানুয়ারি জোকা ইএসআই হাসপাতালে কালীঘাটের কাকু ওরফে সুজয়কৃষ্ণ ভদ্রের কন্ঠস্বরের নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছিল।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Calcutta High Court: “অবৈধ বাড়ি ভাঙার নির্দেশে কোনও স্থগিতাদেশ নয়”, বললেন বিচারপতি সিনহা

    Calcutta High Court: “অবৈধ বাড়ি ভাঙার নির্দেশে কোনও স্থগিতাদেশ নয়”, বললেন বিচারপতি সিনহা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “বেআইনিভাবে নির্মাণের অভিযোগে বাড়ি ভাঙার নির্দেশের ওপর কোনওরকম স্থগিতাদেশ নয়। স্থগিতাদেশের কোনও আবেদনই শুনব না। যে আদালতই নির্দেশ দিক, সেটাই বহাল থাকবে।” মঙ্গলবার এমনই মন্তব্য করলেন বিচারপতি অমৃতা সিনহা। আদালত জানিয়েছে, আগে মানুষের জীবন সুরক্ষিত হোক, আদালত এই ধরনের মামলায় কোনও হস্তক্ষেপই করবে না। বাড়ি ভাঙার নির্দেশের বিরুদ্ধে কোনও মামলার অনুমতিও নয়। মঙ্গলবার বিচারপতি সিনহার এজলাসে এ সংক্রান্ত তিনটি মামলার আবেদন এসেছিল। একটি মামলাও গৃহীত হয়নি।

    বিচারপতি সিনহার প্রশ্ন (Calcutta High Court)

    এদিন ইকবালপুরের একটি বেআইনি নির্মাণ মামলার শুনানি হচ্ছিল বিচারপতি (Calcutta High Court) অমৃতা সিনহার এজলাসে। বাড়িটির বাইরের অংশ ভাঙার নির্দেশ দিয়েছিল আদালত। এই মামলায় পুরসভা ৩০ দিন সময় চেয়েছিল। এর পরেই বিচারপতি সিনহার প্রশ্ন, একটা বাড়ির বাইরের অংশ ভাঙতে ৩০ দিন সময় লাগে? বাড়ি ভাঙার নির্দেশ কার্যকর করতে প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি আছে কিনা, তা জানাতে পুরকমিশনারের হলফনামা তলব করেছে আদালত। ৯ এপ্রিল ওই হলফনামা জমা দেওয়ার নির্দেশ দেন বিচারপতি সিনহা। তিনি বলেন, “যখন একটা বিল্ডিং ভাঙে তখন কয়েক সেকেন্ড সময় লাগে। আর সেই বাড়ি ভাঙতে এখানে ৩০ দিন সময় লাগবে কেন?”

    বহুতল বিপর্যয়ে ভয়ঙ্কর ছবি

    গার্ডেনরিচে (Calcutta High Court) বহুতল বিপর্যয়ের পর উঠে আসছে ভয়ঙ্কর সব ছবি। একটি বহুতলের ওপর হেলে পড়েছে আর একটি বহুতল। দুই বহুতলের মাঝে ফাঁক মাত্র এক আঙুলের। ৯টি প্রাণের বিনিময়ে নড়েচড়ে বসেছে কলকাতা পুরসভাও। থানাগুলিকেও নজরদারির নির্দেশ দিয়েছে পুলিশের হেড কোয়ার্টার লালবাজার। এহেন আবহেই এমন পর্যবেক্ষণ বিচারপতি সিনহার। বিচারপতি বলেন, “বাইরের অংশের কলাম আর বিম ভাঙার নির্দেশ দেওয়া ছিল। বাইরের দেওয়াল ভাঙতেও এত সময়! কেন? প্রশ্ন বিচারপতি সিনহার। তার পরেই তিনি (Calcutta High Court) বলেন, “যখন একটা বিল্ডিং ভাঙে তখন কয়েক সেকেন্ড সময় লাগে, আর সেই বাড়ি ভাঙতে এখানে ৩০ দিন সময় লাগবে কেন?

    আরও পড়ুুন: সিএএ-তে স্থগিতাদেশ নয়, তিন সপ্তাহে কেন্দ্রের জবাব তলব সুপ্রিম কোর্টের

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

     
     
  • Abhishek Banerjee: সাত দিনে অভিষেক সহ ‘লিপস অ্যান্ড বাউন্ডস’-এর ডিরেক্টরদের সম্পত্তির খতিয়ান চাইল হাইকোর্ট

    Abhishek Banerjee: সাত দিনে অভিষেক সহ ‘লিপস অ্যান্ড বাউন্ডস’-এর ডিরেক্টরদের সম্পত্তির খতিয়ান চাইল হাইকোর্ট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিয়োগ দুর্নীতির মামলায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় ও লিপস অ্যান্ড বাউন্ডসের সমস্ত ডিরেক্টরের সম্পত্তির খতিয়ান তলব করল কলকাতা হাইকোর্ট। আগামী ২১ সেপ্টেম্বরের মধ্যে এই নথি আদালতে জমা দিতে হবে ইডি ও সিবিআইকে। বৃহস্পতিবার এই নির্দেশ দিয়েছেন বিচারপতি অমৃতা সিনহা। 

    ২১ সেপ্টেম্বরের মধ্যে নথি জমা দিতে হবে 

    বৃহস্পতিবার নিয়োগ দুর্নীতি মামলার শুনানিতে ইডির কাছে লিপ‌্স অ্যান্ড বাউন্ডস সংস্থার পাঁচটি বিষয় জানতে চায় হাইকোর্ট। লিপস অ্যান্ড বাউন্ডসের আয় – ব্যয়ের হিসাব ও সংস্থা তৈরি থেকে আজ পর্যন্ত তাদের কর্মকাণ্ড জানতে চেয়েছেন বিচারপতি। এদিন আদালতে বিচারপতি সিনহা ইডির আইনজীবীকে বলেন, “যাদের বিরুদ্ধে তদন্ত করছেন তাদের সম্পত্তির হিসাব জানেন? লিপস অ্যান্ড বাউন্ডসের সিইও ও ডিরেক্টরদের কার কত সম্পত্তি তার তালিকা আদালতকে জানাতে হবে। সেজন্য ২১ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সময় দেওয়া হল। ” এদিন বিচারপতি সিনহার নির্দেশ, নিয়োগ দুর্নীতির অভিযোগের তদন্তে যে সকল টলিউডের অভিনেতা এবং অভিনেত্রীর নাম উঠে এসেছে, তা নিয়ে ইডিকে রিপোর্ট দিতে হবে। জানাতে হবে ওই সব অভিনেতার নাম এবং তাঁদের সম্পত্তির বিবরণও।

    আর কী বলল আদালত

    ইডি সূত্রে খবর, সংস্থার ডিরেক্টরের তালিকায় রয়েছেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সম্পাদক অভিষেকের পরিবারের বেশ কয়েক জন। এই সংস্থাতেই আগে ডিরেক্টর ছিলেন নিয়োগ দুর্নীতিকাণ্ডে ধৃত সুজয়কৃষ্ণ ভদ্র। বৃহস্পতিবার বিচারপতি সিনহা আরও জানান, সংস্থার সব সদস্যের সম্পত্তির বিবরণ দিতে হবে। সংস্থার সংগঠনের স্মারকলিপি জমা করতে হবে ইডিকে। সংস্থার নথিভুক্তকরণের (রেজিস্ট্রেশন) তারিখ জানাতে হবে। নিয়োগ দুর্নীতিকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে গ্রেফতার হন সুজয়কৃষ্ণ ওরফে ‘কালীঘাটের কাকু’। এর পরেই ইডির আতশকাচে আসে তাঁর সংস্থা লিপ‌্স অ্যান্ড বাউন্ডস। সেই সংস্থার দফতরে ম্যারাথন তল্লাশি চালায় ইডি। ইডির আধিকারিকদের সূত্রে খবর, তল্লাশির পর সংস্থার বেশ কিছু নথি তাঁদের হাতে এসেছে।

    আরও পড়ুন: নারদকাণ্ডে ফের নাড়াচাড়া! ম্যাথু স্যামুয়েলকে কলকাতায় তলব সিবিআইয়ের

    অভিষেকের দাবি

    বুধবার দীর্ঘ জেরার পর অভিষেকের কাছে ইডি তাঁর ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের সম্পত্তির খতিয়ান চেয়েছে বলে সূত্রের খবর। বুধবারের জেরার পর অভিষেক জানিয়েছেন, তিনি এখনো লিপস অ্যান্ড বাউন্ডসের সিইও পদে রয়েছেন। তাঁর পরিবারের একাধিক সদস্য ওই সংস্থার ডিরেক্টর পদে রয়েছেন। এমনকী নিয়োগ দুর্নীতির ১০ পয়সা লিপস অ্যান্ড বাউন্ডসের অ্যাকাউন্টে ঢোকেনি বলে দাবি অভিষেকের। কিন্তু আদালত সেই সংস্থার নথি তলব করার পর এখন কী করবেন তৃণমূলের সেকেন্ড ইন কমান্ড? 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Kuntal Ghosh: অভিষেকের নাম বলার জন্য চাপ! কুন্তলের চিঠির অভিযোগ ভিত্তিহীন দাবি সিবিআই-এর

    Kuntal Ghosh: অভিষেকের নাম বলার জন্য চাপ! কুন্তলের চিঠির অভিযোগ ভিত্তিহীন দাবি সিবিআই-এর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নাম বলতে তাঁকে চাপ দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছিলেন কুন্তল ঘোষ। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার বিরুদ্ধে এই অভিযোগ জানিয়ে জেলে বসে চিঠি লিখেছিলেন কুন্তল। এই অভিযোগ ভিত্তিহীন বলে আদালতে জানিয়ে দিল সিবিআই। শুক্রবার বিচারপতি অমৃতা সিনহার বেঞ্চে সিবিআই জানায়, কুন্তলকে কেউ চাপ দিচ্ছেন এমন কোনও প্রমাণ পাওয়া যায়নি। এমনকী জেলের সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখেও কোনও সূত্র পাননি তদন্তকারীরা। এরপরই কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার উদ্দেশে বিচারপতি সিনহা বলেন, ‘‘এখনও কেন কিং পিন অবধি পৌঁছনো যাচ্ছে না।’’

    অভিযোগ ভিত্তিহীন

    গত ২৯ মার্চ ধর্মতলায় শহিদ মিনারের সভা থেকে অভিষেক দাবি করেছিলেন, হেফাজতে থাকার সময় মদন মিত্র, কুণাল ঘোষকে তাঁর নাম নিতে বলেছিল কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। এর পরেই রাজ্যে শিক্ষায় নিয়োগ দুর্নীতিতে ধৃত তৃণমূলের বহিষ্কৃত যুবনেতা কুন্তল ঘোষ দাবি করেন যে, অভিষেকের নাম বলার জন্য তাঁকে ‘চাপ’ দিচ্ছে ইডি, সিবিআই। এই সংক্রান্ত অভিযোগ জানিয়ে নিম্ন আদালতে চিঠিও দেন কুন্তল। পুলিশি হস্তক্ষেপ চেয়ে চিঠি পাঠান কলকাতার হেস্টিংস থানাতেও। তার পর হাই কোর্টের বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় তাঁর পর্যবেক্ষণে জানান, প্রয়োজনে সিবিআই বা ইডি এই ঘটনায় অভিষেককে জিজ্ঞাসাবাদ করতে পারবে। 

    আরও পড়ুন: ‘‘ভোট-পরবর্তী হিংসায় ফের আক্রান্ত গ্রামবাংলা, এটাই কি গণতন্ত্র?’’ নিন্দা শুভেন্দুর

     শুক্রবার হাই কোর্টে রিপোর্ট দিয়ে সিবিআই জানায় যে, কুন্তলের অভিযোগ ভিত্তিহীন। সিবিআইয়ের তরফে এ-ও জানানো হয়েছে যে, কুন্তলের জেলযাত্রার প্রথম দিন থেকে ওই চিঠি লেখা পর্যন্ত সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখতে যে নির্দেশ দিয়েছিল আদালত, তাতে মাত্র কয়েক দিনের ফুটেজ পাওয়া গিয়েছে। বাকি ফুটেজ নেই। জেল থেকে মাত্র কয়েকদিনের ফুটেজ দেওয়া হয়। সেই ফুটেজে কোথাও কোনও চাপ দেওয়ার ঘটনা দেখা যায়নি। এরপরই কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার উদ্দেশে বিচারপতি সিনহা বলেন, ‘‘এখনও কেন কিং পিন অবধি পৌঁছনো যাচ্ছে না।’’

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

  • Calcutta High Court: ভোটে কারচুপি! বিডিও-র বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের অনুমতি হাইকোর্টের

    Calcutta High Court: ভোটে কারচুপি! বিডিও-র বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের অনুমতি হাইকোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পঞ্চায়েত নির্বাচন সংক্রান্ত মামলা গুলো জনস্বার্থ মামলা হিসেবে দায়ের করা যেতে পারে। শুক্রবার পঞ্চায়েত ভোট সংক্রান্ত একটি মামলায় এমনই তাৎপর্যপূর্ণ মন্তব্য করল কলকাতা হাইকোর্ট। এদিন হাওড়ার সলপে বিরোধীদের জয়ী ঘোষণা করেও শাসকদলের পরাজিত প্রার্থীদের শংসাপত্র দেওয়ার অভিযোগ সংক্রান্ত মামলার শুনানি চলাকালীন ওই মন্তব্য করেন বিচারপতি অমৃতা সিনহা। 

    বিডিও-র বিরুদ্ধে মামলা

    এদিন শুনানির সময় মামলাকারীদের উদ্দেশে বিচারপতি সিনহা বলেন, ‘পঞ্চায়েত নির্বাচন সংক্রান্ত মামলা গুলো আপনারা জনস্বার্থ মামলা হিসেবে দায়ের করছেন না কেন? বৃহত্তর পরিসরে এই ঘটনাগুলির সঙ্গে সরাসরি জনস্বার্থ জড়িয়ে রয়েছে। এইগুলো জনস্বার্থেরই বিষয়।’ বিরোধীদলের প্রার্থীরা ভোটে জিতলেও শাসকদলের প্রার্থীদের জয়ের শংসাপত্র দেওয়ার অভিযোগ ওঠে হাওড়ার সলপে। মামলাকারী প্রার্থীরা স্থানীয় বিডিও-র বিরুদ্ধে অভিযোগ করেছেন। বিচারপতি সিনহা এদিন বিডিও-র বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করার অনুমতি দিয়েছেন। 

    ব্যালট পেপার ছিনতাই-মামলা

    অন্যদিকে, বালিতে গণনাকেন্দ্রের বাইরে ব্যালট পেপার পাওয়া যাওয়ার ঘটনায় আদালতে হাজিরা দিলেন জগাছার বিডিও। শুক্রবার বিচারপতি অমৃতা সিনহার এজলাসে হাজিরা দিয়ে গণনাকেন্দ্রের সিসিটিভি ফুটেজ আদালতে পেশ করেন তিনি। আদালতের তরফে এই সিসিটিভি ফুটেজ সংরক্ষণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বিচারপতি বলেন, দেখতে হবে, কে বা কারা ব্যালট পেপার গণনাকেন্দ্রের বাইরে নিয়ে এল। এদিন আদালতে জগাছার বিডিও বলেন, বালির ওই গণনাকেন্দ্র থেকে ব্যালট পেপার ছিনতাই হয়েছে। সেকথা জানিয়ে পুলিশে এফআইআর করেছেন তিনি। কমিশনকেও ঘটনার কথা জানিয়েছেন। তবে কমিশন এব্যাপারে কী পদক্ষেপ করেছে তা তাঁর জানা নেই। ওদিকে কমিশনের তরফে জানানো হয়েছে রাজ্যে ৬৯৬টি বুথে পুনর্নির্বাচন হয়েছে। এছাড়া ৬০০০টি বেনিয়মের অভিযোগ কমিশনে জমা পড়েছে। সেগুলি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। কোনও বেনিয়ম ধরা পড়লে পদক্ষেপ করবে কমিশন। এদিন আদালতে পেশ হওয়া সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখার নির্দেশ দিয়েছেন বিচারপতি অমৃতা সিনহা। আগামী ২৫ জুলাই মামলাটির ফের শুনানি হবে।

    আরও পড়ুন: ভাঙড়ের পথে নওশাদকে আটকাল পুলিশ! গাড়িতেই বসে আইএসএফ বিধায়ক

    রামনগরেও বিতর্ক

    রামনগরের জেলা পরিষদে জয়ী ঘোষণা পরেও সার্টিফিকেট দেওয়া হয়নি বিজেপি প্রার্থীকে। জয়ের সার্টিফিকেট চেয়ে মামলা করেন তিনি। এদিন এই মামলার প্রেক্ষিতে বিচারপতি অমৃতা সিনহার বেঞ্চে হাজিরা দিলেন সেখানকার বিডিও। সশরীরে এজলাসে হাজিরা দিলেন রামনগরের পঞ্চায়েতের রিটার্নিং অফিসার। রামনগর-২-এর বিডিও অখিল মণ্ডল জানান, ভোটের ফলাফল রেকর্ডিং এর সময় অদলবদল হয়। রামনগর ২ নং ব্লকের গণনা কেন্দ্রের সমস্ত সিসিটিভি ফুটেজ হাইকোর্টে জমা রাখতে নির্দেশ দেন বিচারপতি সিনহা। বিডিও-এর কাছে হলফনামা তলব করেন তিনি। ২৫ জুলাই এই মামলার পরবর্তী শুনানি।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Panchayat Election 2023: ভাঙড়ে ৮২ জন আইএসএফ প্রার্থীর নাম ‘মুছে গেল’ কীভাবে? প্রশ্ন হাইকোর্টের

    Panchayat Election 2023: ভাঙড়ে ৮২ জন আইএসএফ প্রার্থীর নাম ‘মুছে গেল’ কীভাবে? প্রশ্ন হাইকোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভাঙড়ে আইএসএফ প্রার্থীদের মনোনয়নের বিষয়টি রাজ্য নির্বাচন (Panchayat Election 2023) কমিশনকে খতিয়ে দেখতে বললেন বিচারপতি অমৃতা সিনহা। ভাঙড়ে ইন্ডিয়ান সেক্যুলার ফ্রন্ট (আইএসএফ)-এর যে ৮২ জন প্রার্থীর নাম ওয়েবসাইট থেকে মুছে গিয়েছে, তাঁদের প্রত্যেকের অভিযোগ আলাদা করে খতিয়ে দেখতে হবে। তাঁদের নির্বাচনে অংশ নেওয়ার সুযোগ করে দিতে হবে। এই পদক্ষেপ করতে হবে ২৮ জুনের মধ্যে। রাজ্য নির্বাচন কমিশনকে সোমবার এই নির্দেশই দিলেন বিচারপতি।

    অভিযোগ সত্য হলে, তাঁকে ভোটে লড়ার সুযোগ দিতে হবে

    এদিন, বিচারপতি সিনহা বলেন, নির্বাচনে (Panchayat Election 2023) কেউ বিনা প্রতিদ্বন্দিতায় জয়ী হতে পারেন না। উল্লেখ্য, গত ১৫ জুন মনোনয়ন পেশের শেষ দিনে আদালতের নির্দেশে ভাঙড় ২ নম্বর ব্লকের আইএসএফ প্রার্থীদের এসকট করে নিয়ে যাচ্ছিল পুলিশ। পথে তৃণমূলি দুষ্কৃতীরা হামলা চালায়। বিকেল পর্যন্ত অনেক চেষ্টা করে বিডিও অফিসে ঢোকেন আইএসএফ প্রার্থীরা। এর পর মনোনয়নপত্র পেশ করেন। যদিও ততক্ষণে মনোনয়ন পেশের আনুষ্ঠানিক সময় শেষ হয়ে গিয়েছে। মনোয়ন পরীক্ষার কাজ শুরু হলে ওই ৮২ জন প্রার্থীর নাম কমিশনের তালিকায় দেখা যায়। কিন্তু ২০ জুন মনোয়ন প্রত্যাহারের শেষ দিন সন্ধ্যায় তালিকা থেকে গায়েব হয়ে যায় তাদের নাম। এর পর আদালতের দ্বারস্থ হন ওই ৮২ জন  প্রার্থী।

    আরও পড়ুন: বিশ্বের উন্নয়ন, মঙ্গলের শক্তি হল ভারত-মার্কিন বন্ধুত্ব! অভিমত মোদির

    গত বুধবার মামলার শুনানি হয়েছিল হাইকোর্টে। সেদিনই বিচারপতি অমৃতা সিনহা মন্তব্য করেছিলেন, ‘‘একটি নির্বাচন (Panchayat Election 2023) ঘিরে এত অভিযোগ। এটা রাজ্যের পক্ষে লজ্জার! রাজ্যের উচিত, আদালতের নির্দেশ মতো আইনশৃঙ্খলার বিষয়টি সঠিক ভাবে নিয়ন্ত্রণ করা। তা না হলে বা অশান্তি, রক্তপাত, জীবনহানি হলে নির্বাচন বন্ধ করে দেওয়া উচিত।’’ সোমবার এই মামলাতেই বিচারপতির নির্দেশ, ৮২ জন আইএসএফ প্রার্থীর প্রত্যেকের অভিযোগ খতিয়ে দেখতে হবে। কারও অভিযোগ সত্য হলে, তাঁকে ভোটে লড়ার সুযোগ করে দিতে হবে কমিশনকে। 
     
    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Panchayat Election 2023: শুক্রতেও মনোনয়ন জমা দিতে পারবেন বসিরহাটের ৬০ বিজেপি প্রার্থী

    Panchayat Election 2023: শুক্রতেও মনোনয়ন জমা দিতে পারবেন বসিরহাটের ৬০ বিজেপি প্রার্থী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজনৈতিক হিংসার জেরে পঞ্চায়েত ভোটে (Panchayat Election 2023) মনোয়নপত্র জমা দিতে পারেননি বলে অভিযোগ তুলে বিচারপতি অমৃতা সিনহার এজলাসে আবেদন করেছিলেন বসিরহাটের ৬০ জন বিজেপি প্রার্থী। ওই ৬০ প্রার্থীর মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার সময়সীমা বাড়ানো নির্দেশ দিলেন বিচারপতি সিনহা। আদালতের নির্দেশ, ‘‘সময় নেই! তাই নির্দেশনামার জন্য অপেক্ষা করার দরকার নেই। আদালতে শুনানির ভার্চুয়াল লিঙ্ক রাজ্য নির্বাচন কমিশন সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠাবেন। এই লিঙ্কে নির্দেশ শুনেই পদক্ষেপ করতে হবে।’’

    আদালতের নির্দেশ

    পঞ্চায়েত নির্বাচনে (Panchayat Election 2023) মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার শেষ দিন ছিল বৃহস্পতিবার। কিন্তু রাজনৈতিক সন্ত্রাসের জেরে বসিরহাটের চারটি ব্লকের বিজেপি প্রার্থীরা পুলিশ নিয়ে গিয়েও মনোনয়ন জমা দিতে পারেননি। তাই তারা আদালতের দ্বারস্থ হয়েছিল। আর্জি ছিল মনোনয়নের সময়সীমা বাড়ানো হোক। শুক্রবার বিচারপতি অমৃতা সিনহা নির্দেশ দেন, বসিরহাটের ৪টি ব্লক— সন্দেশখালি-১ এবং ২, মিনাখা, ন্যাজাট এবং হাড়োয়ার ৬০ জন প্রার্থীর জন্য মনোনয়নের সময়সীমা বাড়ানো হয়েছে। বসিরহাট মহকুমাশাসকের দফতরের বিপরীতে বিজেপির দলীয় কার্যালয়ে প্রার্থীরা উপস্থিত রয়েছেন। তাঁরা শুধু রাস্তা টপকে এ পারে আসবেন। পুলিশ নিরাপত্তা দিয়ে প্রার্থীদের মহকুমা শাসকের দফতরে ঢোকাবেন। নির্দেশ বিচারপতির।

    আরও পড়ুন: মমতার চোখে তিনি ছিলেন আদর্শ, সেই পঞ্চায়েত প্রধানই টিকিট পেলেন না!

    শুক্রবার শুনানি শেষে বিচারপতি সিনহা বলেন, যাঁরা মনোয়ন (Panchayat Election 2023) জমা দিতে পারেননি, তাঁদের পর্যাপ্ত পুলিশি নিরাপত্তা দিয়ে মনোয়ন জমা দেওয়ার ব্যবস্থা করতে হবে। বসিরহাটের পুলিশ সুপার এবং বসিরহাটের সাব ডিভিশনাল অফিসার উপস্থিতে মনোনয়ন পত্র দাখিল করবেন বিজেপি প্রার্থীরা। এদিন বিকেল ৪টা পর্যন্ত যাঁরা মনোয়ন দেবেন তাঁদের মনোয়ন জমা নিতে হবে। উল্লেখ্য, বৃহস্পতিবারই প্রধান বিচারপতি টিএস শিবজ্ঞানম ও বিচারপতি হিরন্ময় ভট্টাচার্যের ডিভিশন বেঞ্চ জানায়, শিক্ষাবন্ধু ও ভলেন্টিয়ারদের মনোয়ন জমা দেওয়ার সময়সীমা একদিন বাড়াতে হবে। সেই মর্মেই এইদিন বিজেপি প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার সময়সীমা বাড়ানোর পক্ষে রায় দিলেন বিচারপতি অমৃতা সিনহা।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Abhijit Gangopadhyay: বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়ের এজলাস থেকে সরানো হল প্রাথমিকের দুই মামলা

    Abhijit Gangopadhyay: বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়ের এজলাস থেকে সরানো হল প্রাথমিকের দুই মামলা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কলকাতা হাইকোর্টের (Calcutta High Court) বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের (Abhijit Gangopadhyay) এজলাস থেকে সরানো হল প্রাথমিকের দুটি মামলা। ওই মামলা দুটি দেওয়া হয়েছে বিচারপতি অমৃতা সিনহাকে। এবার থেকে এই দুই মামলার শুনানি হবে বিচারপতি সিনহার এজলাসে। হাইকোর্টের ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি টিএস শিবজ্ঞানমের নির্দেশ মতো সরানো হয়েছে এই মামলা দুটি। এদিন যে দুটি মামলা বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়ের বেঞ্চ থেকে সরানো হল, সেই দুটিই ছিল প্রাথমিকে নিয়োগ কেলেঙ্কারির মূল মামলা। মামলাকারী সৌমেন নন্দী ও রমেশ মালিক। প্রাথমিকের এই মামলাতেই প্রথম সিবিআই তদন্তের নির্দেশ দিয়েছিলেন বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায় (Abhijit Gangopadhyay)। তার আগে অবশ্য প্রাথমিকের মামলার বিচার করতেন বিচারপতি সিনহা।

    অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের (Abhijit Gangopadhyay) এজলাস থেকে সরানো হল…

    প্রসঙ্গত, সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশের পর সোমবার সকালে বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়ের কাছ থেকে মামলার ফাইল ফেরত চায় কলকাতা হাইকোর্ট। হাইকোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেলকে এই নির্দেশ দেয় ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতির কার্যালয়। তৃণমূল নেতা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের মামলায় সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড়ের বেঞ্চ বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়ের এজলাস থেকে নিয়োগ সংক্রান্ত দুটি মামলা সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছিল। এদিন সেই নিয়োগ মামলার দুই ফাইলই চেয়ে পাঠানো হয়েছে বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়ের এজলাস থেকে।

    আরও পড়ুুন: ‘‘শাসকদলের মিছিলে অসুবিধা হয় না?’’ ডিএ আন্দোলনকারীদের নবান্ন অভিযানে অনুমতি হাইকোর্টের

    প্রসঙ্গত, নিয়োগ কেলেঙ্কারি মামলার শুনানি চলাকালীনই বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায় (Abhijit Gangopadhyay) ওই মামলা নিয়ে একটি টিভি চ্যানেলে সাক্ষাৎকার দেন বলে অভিযোগ। যা শুনে সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি বলেন, বিচারপতিরা কোনওভাবেই তাঁদের বিচারাধীন বিষয় নিয়ে টিভি চ্যানেলে সাক্ষাৎকার দিতে পারেন না। উনি যদি সাক্ষাৎকার দিয়ে থাকেন, তা হলে তিনি ওই মামলা শোনার অধিকার হারিয়েছেন। তার পরেই সেই সাক্ষাৎকারের অনুবাদ কপি হাইকোর্টের কাছে রিপোর্ট চেয়ে পাঠায় দেশের শীর্ষ আদালত। সেই মতো অনুবাদের প্রতিলিপি দেওয়া হয় মহামান্য সুপ্রিম কোর্টকে। তারপরই মামলা সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ দেন সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি।

    সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ জানার পর বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায় (Abhijit Gangopadhyay) বলেছিলেন, আমার ধারণা ধীরে ধীরে সব মামলাই সরিয়ে নেওয়া হবে আমার এজলাস থেকে। তিনি এও জানিয়েছিলেন, সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ তিনি পালন করবেন যথাযথভাবে। পরে আজ আমার মৃত্যুদিন বলেও আক্ষেপ করেছিলেন বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়। তিনি এও বলেছিলেন, আমি কোনও ব্যক্তিগত স্বার্থ নিয়ে এই মামলার বিচারের দায়িত্ব নিইনি। তবে দুর্নীতির বিরুদ্ধে আমি বরাবর সরব হয়েছি। বিচারক হিসেবে যতদিন আছি, ততদিন দুর্নীতির বিরুদ্ধে কথা বলব। যখন থাকব না, অন্য কাজ করব, তখনও দুর্নীতির বিরুদ্ধে সরব হব। প্রসঙ্গত, এদিন ১১ বান্ডিল ফাইল ফেরতের প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার পরেই নতুন বেঞ্চ গঠন করেন ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share