Tag: Amritpal Singh

Amritpal Singh

  • RP Act 1951: প্রার্থী হতে পারলেও, ভোট দিতে পারবেন না বন্দিরা, কেন জানেন?

    RP Act 1951: প্রার্থী হতে পারলেও, ভোট দিতে পারবেন না বন্দিরা, কেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তাঁরা বিশ্বের বৃহত্তম গণতান্ত্রিক একটি দেশের নাগরিক। প্রত্যাশিতভাবেই তাঁদের ভোটাধিকার থাকা উচিত। তবে ভোটে দাঁড়াতে পারলেও, ভোট দেওয়ার অধিকার তাঁদের নেই। কারণ তাঁরা বন্দি। গারদে থেকেও নির্বাচনে প্রার্থী হতে পারবেন তাঁরা, তবে নিজের ভোটটা নিজেকেই দিতে পারবেন না। অন্য কাউকেও নয়। কারণ তাঁদের ভোটাধিকারই নেই। হ্যাঁ, বিশ্বের বৃহত্তম গণতান্ত্রিক দেশ ভারতের নিয়ম এটাই (RP Act 1951)।

    ভোটে লড়ছেন অমৃতপাল (RP Act 1951)

    দীর্ঘদিন এই আইন এদেশে থাকলেও, চর্চায় এসেছে সম্প্রতি। কারণ, গত সপ্তাহেই খালিস্তানপন্থী জঙ্গি জেলবন্দি অমৃতপাল সিং লোকসভা নির্বাচনে প্রার্থী হতে চান বলে ঘোষণা করেছেন। ‘ওয়ারিশ পাঞ্জাব দে’-সুপ্রিমো পাঞ্জাবের খাদুর সাহিব কেন্দ্র থেকে লড়ার কথা ঘোষণা করেছিলেন। এই কেন্দ্রে নির্বাচন হওয়ার কথা পয়লা জুন, শেষ দফায়। যদিও তাঁর প্রচারের সুযোগ সীমিত। নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার অধিকারও রয়েছে তাঁর। যতক্ষণ না কোনও ব্যক্তি দোষী সাব্যস্ত হন, ততক্ষণ নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার অধিকার তাঁর রয়েছে। তবে আসন্ন নির্বাচনে ভোট দিতে পারবেন না তিনি। দেশের অন্যান্য বন্দিরাও তা পারবেন না। কেন? প্রশ্ন হল সেটাই। আসুন জেনে নেওয়া যাক, অমৃতপাল প্রার্থী হতে পারলেও, কেন প্রয়োগ করতে পারবেন না ভোটাধিকার।

    অমৃতপালের বিরুদ্ধে অভিযোগ

    বর্তমানে অসমের ডিব্রুগড়ের জেলে বন্দি রয়েছেন অমৃতপাল। ২০২৩ সালের ২৩ এপ্রিল থেকে গারদের আড়ালে রয়েছেন অমৃতপাল। জাতীয় নিরাপত্তা আইনে গ্রেফতার করা হয়েছে তাঁকে। খাদুর সাহিব কেন্দ্র থেকে নির্দল প্রার্থী হিসেবে লড়ছেন তিনি। অমৃতসরের এক থানায় সমর্থকদের সঙ্গে অস্ত্র নিয়ে ঢুকে পড়েছিলেন অমৃতপাল। থানার সামনে দাঁড়িয়ে সঙ্গী লভপ্রীত সিং তুফানকে মুক্তি দেওয়ার হুঁশিয়ারিও দিয়েছিলেন অমৃতপাল। পুলিশ কর্মীদের সঙ্গে সংঘর্ষেও জড়িয়ে পড়েছিলেন। তার পর থেকেই পুলিশের চোখে ধুলো দিয়ে বেড়িচ্ছিলেন তিনি। শেষমেশ পাঞ্জাবের মোগা জেলার রোডে গ্রাম থেকে গ্রেফতার করা হয় ‘ওয়ারিশ পাঞ্জাব দে’-র প্রধানকে (RP Act 1951)। পাঠানো হয় ডিব্রুগড়ের জেলে।

    ভোটাধিকার নেই

    এক সময় অমৃতপাল জানিয়েছিলেন, ভারতীয় সংবিধানে বিশ্বাস নেই তাঁর। সেই অমৃতপালই মত বদলে প্রার্থী হয়েছেন। এগিয়ে চলেছেন গণতান্ত্রিক রাজনীতির দিকে। তবে প্রার্থী হতে পারলেও, ভোটাধিকার প্রয়োগ করার অধিকার তাঁর নেই। কারণ নিয়ম অনুযায়ী, অপরাধী কিংবা অভিযুক্তরা জেলে বসে ভোটে লড়তে পারেন। কিন্তু বিচারাধীন বন্দি বা দোষীরা গারদের আড়ালে থাকাকালীন ভোট দিতে পারেন না। যাঁরা দোষী সাব্যস্ত হননি, তাঁরাও ভোট দিতে পারেন না। অমৃতপাল যেহেতু দোষী সাব্যস্ত হননি, তাই নির্বাচনে প্রার্থী হতে তাঁর কোনও অসুবিধা নেই। কেউ দোষী সাব্যস্ত হলে জেল থেকে ছাড়া পাওয়ার ছ’বছর পর ভোটে লড়তে পারেন।

    ১৯৫১ সালের জনপ্রতিনিধিত্ব আইন

    ১৯৫১ সালের জনপ্রতিনিধিত্ব আইনের (RP Act 1951) ৬২ (৫) ধারায় বলা হয়েছে, পুলিশের আইনি হেফাজতে বা কোনও জেলে থাকলে সেই ব্যক্তি ভোট দিতে পারবেন না। অর্থাৎ জেলবন্দি থাকলে, নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করা গেলেও, ভোট দিতে পারবেন না। ২০১৯ সালে প্রবীণ চৌধুরী বনাম নির্বাচন কমিশনের মামলায় দিল্লি হাইকোর্ট আবার রায় দিতে গিয়ে জানায়, বন্দিদের ভোটাধিকার নেই। অবশ্য জেলবন্দিরা তাঁদের প্রতিনিধিদের সাহায্যে জেলে বসেই মনোনয়নপত্র দাখিল করতে পারবেন। বন্দি অবস্থায় নির্বাচনে জিতলে, শপথ নেওয়ার জন্য অভিযুক্তকে ছুটিও দেওয়া হবে। এতদসত্ত্বেও ভোট দানের অধিকার তাঁদের নেই (RP Act 1951)।

    ২০১১ সালে পাবলিক ইনটারেস্ট ফাউন্ডেশন নামে একটি সংস্থা আদালতে আবেদন করে জানায়, যাঁদের বিরুদ্ধে ক্রিমিনাল চার্জ গঠন করা হয়েছে অথবা যাঁদের ক্রিমিনাল হিস্ট্রি নিয়ে মিথ্যা হলফনামা জমা দেওয়া হয়েছে, তাদেরও নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করা থেকে বিরত রাখতে হবে। এর প্রেক্ষিতে সুপ্রিম কোর্টের পাঁচ বিচারপতি সাংবিধানিক বেঞ্চ জানিয়ে দেয়, কেবলমাত্র সংসদেই বদলানো হতে পারে আরপি অ্যাক্ট (RP Act 1951)।

    আরও পড়ুুন: “টাকায় কি হয়? ভাত হয়, ডাল হয়, থাকবার জায়গা হয়–এই পর্যন্ত, ভগবানলাভ হয়

    ২০১৬ সালে মামলা দায়ের সুপ্রিম কোর্টে

    ২০১৬ সালে আইনজীবী তথা বিজেপির ভূতপূর্ব মুখপাত্র অশ্বিনীকুমার উপাধ্যায়ও একটি পিটিশন দায়ের করেন। সেখানেও বলা হয়, যাঁরা দোষী সাব্যস্ত হয়েছেন, তাঁদেরও নির্বাচন থেকে দূরে রাখা হোক। এই মামলা এখনও চলছে সুপ্রিম কোর্টে। ২০২৩ সালের নভেম্বর মাসে শীর্ষ আদালত জানিয়ে দিয়েছে, যেসব সাংসদ এবং বিধায়কদের বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলার বিচার শেষ হতে দেরি হচ্ছে, সেক্ষেত্রে শীর্ষ আদালত দেশের সব হাইকোর্টের বিচারপতিদের সুয়ো মোটো কেস ফাইলের নির্দেশ দিয়েছে। সুপ্রিম কোর্টের এই নির্দেশের শিরোনাম, “ইন রি: ডেজিগনেটেড কোর্টস ফর এমপিস/এমএলএস”। এই নির্দেশিকায় হাইকোর্টগুলিকে এই সব মামলা নিষ্পত্তির জন্য ‘এক্সপিডিয়াস অ্যান্ড এফেকটিভ’ ডিরেকশন ইস্যু করতে বলা হয়েছে। ২০২৪ সালের এপ্রিল মাসে আদালতে যে রিপোর্ট পেশ করা হয়েছিল, তাতে জানা গিয়েছে এখনও পর্যন্ত পেন্ডিং রয়ে গিয়েছে ৪ হাজার ৪৭২টি মামলা।

    আরপি অ্যাক্টের ৬২ (RP Act 1951) নম্বর ধারায় ভোটাধিকার সম্পর্কে এক গুচ্ছ নিষেধাজ্ঞার কথা বলা হয়েছে। সেখানে বলা হয়েছে, কোনও ব্যক্তি যদি জেলে বন্দি থাকেন, তাহলে তিনি কোনও নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন না। সে যদি তাঁর কারাদণ্ড হয় কিংবা ট্রান্সপোর্টেশন হয় অথবা তিনি পুলিশের ল’ফুল কাস্টডিতে থাকেন (RP Act 1951)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Amritpal Singh: অমৃতপালের বিরুদ্ধে কার্যকর হয়েছে জাতীয় নিরাপত্তা আইন, জানাল পঞ্জাব পুলিশ

    Amritpal Singh: অমৃতপালের বিরুদ্ধে কার্যকর হয়েছে জাতীয় নিরাপত্তা আইন, জানাল পঞ্জাব পুলিশ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অমৃতপালের (Amritpal Singh) বিরুদ্ধে এদিন থেকেই কার্যকর হয়েছে জাতীয় নিরাপত্তা আইন (NSA)। রবিবার একথা জানালেন পঞ্জাব (Punjab) পুলিশের ইনসপেক্টর জেনারেল, হেডকোয়ার্টার সুখচেইন সিংহ। রবিবার সকালে গ্রেফতার করা হয় ওয়ারিস দে পঞ্জাবের নেতা অমৃতপাল সিংহকে। তারপর বেলার দিকে সাংবাদিক বৈঠক করেন সুখচেইন। তিনি বলেন, অমৃতপালের বিরুদ্ধে জাতীয় নিরাপত্তা আইনে ওয়ারেন্ট ইস্যু হয়েছিল। এদিন তাঁকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তারপর থেকেই সেই আইন কার্যকর হয়েছে।

    অমৃতপালের (Amritpal Singh) বিরুদ্ধে কী অভিযোগ?

    এদিন ৬টা ৪৫ মিনিট নাগাদ পঞ্জাবের ভিলেজ রোড এলাকায় গ্রেফতার করা হয় অমৃতপালকে। অমৃতপাল স্বঘোষিত ধর্মগুরু। খালিস্তানের দাবিতে সম্প্রতি সুর চড়িয়েছেন তিনি। তাঁকে ধরতে যৌথভাবে তল্লাশি চালায় পঞ্জাব পুলিশ ও গোয়েন্দা শাখা। তিনি বলেন, অমৃতপালকে অসমের ডিব্রুগড়ে পাঠানো হয়েছে। আইন অনুযায়ী পরবর্তী পদক্ষেপ করা হবে। তিনি বলেন, যাঁরা দেশের শান্তি ও ঐক্য বিঘ্নিত করার চেষ্টা করছেন, তাঁদেরও সতর্ক করে দেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, অমৃতসর পুলিশ ও গোয়েন্দা শাখার যৌথে উদ্যোগে তল্লাশি চালানো হয়। তারপরেই এদিন সকালে গ্রেফতার করা হয় তাঁকে (Amritpal Singh)।

    আরও পড়ুুন: কার্গিল যুদ্ধে জীবন বলিদান দিয়েছিলেন বাবা, এবার শহিদ হলেন ছেলে কুলওয়ান্ত

    পবিত্রতা বজায় রাখতে এদিন পুলিশ গুরুদ্বার সাহিবে প্রবেশ করেনি। জাতীয় নিরাপত্তা আইনে এদিন তাঁকে নিয়ে যাওয়া হয়েছে ডিব্রুগড়ে। অমৃতপালকে গ্রেফতার করার পরে তাঁকে নিয়ে আসা হয় ভাতিন্ডায় বায়ুসেনা স্টেশনে। সেখান থেকেই বিমানে তাঁকে নিয়ে যাওয়া হয় ডিব্রুগড়ে। প্রসঙ্গত, গত ১০ এপ্রিল অমৃতপালের সঙ্গী পাপালপ্রীত সিংহকে গ্রেফতার করে পুলিশ। তাঁকেও গ্রেফতার করা হয়েছে জাতীয় নিরাপত্তা আইনে। অমৃতপালকে গ্রেফতারের পরে পরেই পঞ্জাব পুলিশের তরফে মোগার বাসিন্দাদের কাছে আবেদন জানানো হয় শান্তি ও ঐক্য বজায় রাখতে। ভুয়ো খবর ছড়ানো থেকেও তাঁদের বিরত থাকতে বলা হয়েছে।

    প্রসঙ্গত, শনিবারই কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ অমৃতপালের (Amritpal Singh) গ্রেফতারি প্রসঙ্গে বলেছিলেন, যে কোনও সময় গ্রেফতার করা হতে পারে। এক সময় তিনি মুক্তভাবে সর্বত্র ভ্রমণ করতে পারতেন। কিন্তু এখন আর তিনি ওই সব কাজ করতে পারবেন না।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     
  • Amritpal Singh: উত্তরাখণ্ডে গা-ঢাকা দিয়েছেন অমৃতপাল? অ্যালার্ট জারি পুলিশের

    Amritpal Singh: উত্তরাখণ্ডে গা-ঢাকা দিয়েছেন অমৃতপাল? অ্যালার্ট জারি পুলিশের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পলাতক খালিস্তানি নেতা অমৃতপাল সিং (Amritpal Singh) আম্বালা থেকে হরিয়ানা রোডওয়েজের একটি বাসে উঠেছিলেন এবং কুরুক্ষেত্রের পিপলিতে নেমেছিলেন, একজন বাসচালক দিল্লি এবং পাঞ্জাব পুলিশের সামনে এমনই তথ্য তুলে ধরেছেন বলে জানা গিয়েছে।

    কী দেখা গেল সিসিটিভি ফুটেজে?

    পাঞ্জাবের খালিস্তানপন্থী নেতা অমৃতপাল সিংকে (Amritpal Singh) শেষবার হরিয়ানার কুরুক্ষেত্রে দেখা গিয়েছে। এমনটাই দাবি পাঞ্জাব পুলিশ। নিজেদের দাবির সমর্থনে পাঞ্জাব পুলিশ একটি সিসিটিভি ফুটেজও প্রকাশ করেছে। সেই ফুটেজে ছাতা মাথায় এক ব্যক্তিকে দেখা গিয়েছে। কিন্তু, তাঁর মুখ দেখা যায়নি। ফুটেজ দেখা গিয়েছে পিছন থেকে। ওই ব্যক্তির পরনে ছিল প্যান্ট-জামা।

    অমৃতপালের (Amritpal Singh) গ্রামেই চলত অস্ত্র প্রশিক্ষণ

    পলাতক মোস্ট ওয়ান্টেড অমৃতপাল সিং। পাঞ্জাবের পুলিশের সঙ্গে রীতিমত চোর-পুলিশ খেলায় মেতে উঠেছে এই অমৃতপাল সিং। এবার পুলিশের হাতে এসেছে এমনই কিছু তথ্য যা চমকে দিতে বাধ্য। গ্রামেই চলত অস্ত্র প্রশিক্ষণের পাঠ। কীভাবে অমৃতপাল সিং তার সাম্রাজ্য বিস্তার করেছে তা এখন ভাবাচ্ছে দুঁদে গোয়েন্দাদেরও।

    ‘ওয়ারিস পঞ্জাব দে’ সংগঠনের প্রধান অমৃতপাল (Amritpal Singh)

    ‘ওয়ারিস পঞ্জাব দে’ সংগঠনের প্রধান অমৃতপাল। সম্প্রতি পঞ্জাবকে অশান্ত করে তোলার পিছনে এই যুবকের বড় ভূমিকা রয়েছে বলেই মনে করছে পাঞ্জাব পুলিশ। রয়েছে পাকিস্তানের যোগও। বছর তিরিশের অমৃতপাল পূর্বে দুবাই এর ট্রাক চালক ছিলেন বলে জানা গেছে। সেখান থেকে তাঁকে পরিকল্পনামাফিক ভারতে পাঠানো হয় পাঞ্জাবের কালোদিন ফিরিয়ে আনার জন্য। তার সংগঠনের মাধ্যমে গোটা পাঞ্জাবে স্বাধীন খালিস্তান রাষ্ট্রের দাবি ছড়ানোর চেষ্টা চালাচ্ছিল অভিযুক্ত। ইতিমধ্যে তার বেশ কয়েকজন সহযোগীকে গ্রেফতার ও আটক করা হয়েছে। এমনকী, যারা তাকে পালাতে সাহায্য করেছে, তাদেরকেও গ্রেফতার করেছে পঞ্জাব পুলিশ। কিন্তু, এখনও অবধি অমৃতপালকে গ্রেফতার করা যায়নি।

    খালসা ফৌজের নামে গুলি চালানোর প্রশিক্ষণ

    মোস্ট ওয়ান্টেড অমৃতপাল সিং সম্পর্কে প্রতিদিনই নিত্যনতুন ও চমকপ্রদ প্রকাশ ঘটছে। অমৃতপালের বন্দুকধারী বাহিনীর এক ভিডিও পেয়েছে পুলিশ। অমৃতপালের জল্লুপুর খেদা গ্রামে এই ফায়ারিং রেঞ্জ তৈরি করা হয়েছিল। পুলিশ তার ভিডিও প্রকাশ করেছে। সেখানে দেখা যায়, অমৃতপালের সঙ্গে থাকা আনন্দপুর খালসা ফৌজের সদস্যরা গুলি চালানোর অনুশীলনে মত্ত রয়েছে।ইতিমধ্যে অমৃতপাল আনন্দপুর খালসা ফৌজ (AKF) এর লোগোও প্রকাশিত হয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     

     

  • Amritpal Singh: রয়েছে আইএসআই যোগ! ছদ্মবেশ ধারণ করেছেন অমৃতপাল, বলছে পাঞ্জাব পুলিশ

    Amritpal Singh: রয়েছে আইএসআই যোগ! ছদ্মবেশ ধারণ করেছেন অমৃতপাল, বলছে পাঞ্জাব পুলিশ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পুলিশের চোখে ধুলো দিয়ে গত দু’দিন ধরে পলাতক খালিস্তানি নেতা অমৃতপাল সিং (Amritpal Singh)। দুবাই এর ট্রাক চালক, বছর তিরিশের অমৃতপাল সিংকে (Amritpal Singh) পাঞ্জাবে পাঠানো হয়েছে খলিস্তানপন্থী আন্দোলনকে জোরদার করার জন্য। তাঁর পিছনে রয়েছে পাক গুপ্তচর সংস্থা আইএসআই-এর মদত। এমনটাই অভিযোগ রয়েছে এদেশের শীর্ষ গোয়েন্দা আধিকারিকদের। এরমধ্যেই অমৃতপাল (Amritpal Singh) এবং হরবিন্দর সিং রিন্দার মধ্যে সংযোগ খুঁজে পেয়েছে পাঞ্জাব পুলিশ। সূত্রের খবর, এই হরবিন্দর সিং রিন্দাকে নিষিদ্ধ সন্ত্রাসী ঘোষণা করেছে ভারত সরকার। বর্তমানে তিনি পাকিস্তানে রয়েছেন বলে খবর। পাঞ্জাব পুলিশের একজন শীর্ষ আধিকারিকের মতে, অমৃতপাল সিং (Amritpal Singh) বর্তমানে তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ রাখছেন।

    কী বলছেন গোয়েন্দারা?

    গোয়েন্দা সূত্রে জানা গেছে, অমৃতপাল সিং (Amritpal Singh) অন্যান্য খালিস্তানি নেতা এবং পাকিস্তানের গুপ্তচর সংস্থা আইএসআই-এর সঙ্গেও সংযোগ বজায় রেখে চলছেন। কারণ পাঞ্জাবের কালোদিন ফিরিয়ে আনাই লক্ষ্য আইএসআই-এর। গত কয়েকদিন ধরেই পাঞ্জাব পুলিশ তাঁকে খুঁজছে। রবিবার তাঁকে পলাতক ঘোষণা করা হয়। বাইকে চেপে তিনি পালিয়ে গেছেন, এমনই অভিযোগ পুলিশের।

    ছদ্মবেশ ধারণ করেছে অমৃতপাল (Amritpal Sing), বক্তব্য পুলিশের

    গত দু’দিন ধরে অমৃতপালকে হন্যে হয়ে খুঁজছে পাঞ্জাব পুলিশ। তাই তাঁরা মনে করছেন, আত্মগোপন করার জন্য নিশ্চয়ই নিজের চেহারায় কোনও পরিবর্তন এনেছেন তিনি। অর্থাৎ অমৃতপাল ছদ্মবেশ ধারণ করে পালাতে চাইছেন বলেই ধারণা পুলিশের। আর তাই মঙ্গলবার পাঞ্জাব পুলিশ সাতরকম বেশের সাতটি ছবি প্রকাশ করেছেন।

    সেখানে তাঁর পরিচিত চেহারা যেমন রয়েছে, তেমন সম্ভাব্য অন্যান্য রূপও আছে। কোনওটায় অমৃতপালের দাড়ি-গোঁফ কামানো, কোনওটায় আবার পাগড়ি নেই। কোনও বেশে আবার সুন্দর করে দাড়ি-গোঁফ ছাটা। পাঞ্জাব পুলিশ মনে করছে, এধরনেরই কোনও ছদ্মবেশ নিয়ে এখন গা ঢাকা দিয়ে আছেন এই খলিস্তানি নেতা। তাই সাধারণ মানুষ এবং পুলিশের চোখে সে যাতে ধুলো দিয়ে পালাতে না পারে, তাই চেষ্টার ত্রুটি রাখছে না পুলিশ। ইতিমধ্যে একাধিক জায়গায় এই সাতটি সম্ভাব্য রূপের ছবি ছড়িয়ে দেওয়া হয়েছে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

     

     

  • Avtar Singh Khanda: লন্ডনে ভারতীয় দূতাবাসে হামলার ‘মাস্টারমাইন্ড’ অবতার সিং খান্দার মৃত্যু

    Avtar Singh Khanda: লন্ডনে ভারতীয় দূতাবাসে হামলার ‘মাস্টারমাইন্ড’ অবতার সিং খান্দার মৃত্যু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ক্যানসারে আক্রান্ত হয়ে লন্ডনের হাসপাতালে মারা গেলেন অমৃতপাল সিংয়ের সহযোগী এবং খালিস্তান লিবারেশনের প্রধান অবতার সিং খান্দা (Avtar Singh Khanda)। প্রায় ১৪ দিন আগে বার্মিংহামের স্যান্ডওয়েল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল তাকে। খান্দার মৃত্যুর সংবাদ ছড়িয়ে পড়তেই তার সমর্থকদের মধ্যে দেখা দিয়েছে হতাশা। ব্লাড ক্যানসারে খালিস্তানী নেতার (Khalistani leader) যে মৃত্যু হয়েছে, তা মানতে নারাজ অনুগামীরা। তাদের মতে, হাসপাতালে বিষ প্রয়োগ করে খান্দাকে হত্যা করা হয়েছে। 

    কে এই অবতার সিং খান্দা

    ব্রিটিশ গোয়েন্দা সূত্রে খবর, গত বেশ কয়েক বছর আগে ব্লাড ক্যানসারের আক্রান্ত হয়েছিলেন খান্দা (Avtar Singh Khanda)। সেই সময় চিকিৎসা করিয়ে ভালোই ছিলেন। কিন্তু বুধবার গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন তিনি। ভর্তি করা হয়েছিল বার্মিংহাম সিটি হাসপাতালে। লাইফ সাপোর্টে ছিলেন। বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় প্রায় সাড়ে বারোটা নাগাদ খালিস্তান লিবারেশন ফোর্সের প্রধানের মৃত্যু হয় বলে খবর। অবতার সিং রাজনৈতিক আশ্রয়ে ব্রিটেনে বসবাস করত। লন্ডন থেকে শিখ যুবকদের বিচ্ছিন্নতাবাদী আন্দোলনে সামিল করার জন্য প্রধান ভূমিকা পালন করেছিলেন খান্দা। কীভাবে বোমা তৈরি করতে হয় এবং আইইডি পরিচালনা করতে হয় সে বিষয়ে বিপথগামী শিখ যুবকদের প্রশিক্ষণ দিত মৃত খালিস্তানী নেতা। অবতার সিং খান্দা-র বাবাও খালিস্তান (Khalistani leader) লিবারেশনের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। ১৯৯১ সালে জঙ্গি কার্যকলাপের সময় পুলিশের গুলিতে মৃত্যু হয় তার।  এছাড়া অবতারের মায়ের সঙ্গে খালিস্তানি জঙ্গি গুরজন্ত সিং বুধসিংওয়ালারও যোগাযোগ ছিল।

    আরও পড়ুন: মণিপুরে জ্বলছে গ্রাম, জঙ্গলে বাসিন্দারা! তল্লাশি অভিযান শুরু সেনার

    ভারতীয় হাইকমিশনে হামলার নেতা

    অমৃতপাল সিংয়ের বিরুদ্ধে পঞ্জাব পুলিশের অভিযানের পর বিগত ১৯ মার্চ লন্ডনে ভারতীয় হাইকমিশনে ‘হামলা’ চালিয়েছিল খালিস্তানপন্থীরা (Khalistani leader)। বিচ্ছিনতাবাদী মনোভাবাপন্নদের সেই কর্মসূচির মাথায় ছিল খালিস্তান লিবারেশন ফোর্সের প্রধান অবতার (Avtar Singh Khanda)। অমৃতপালের হ্যান্ডলারও ছিল এই অবতার। সম্প্রতি সিসিটিভি ফুটেজ থেকে অবতার সিং এবং আরও তিন খালিস্তানি জঙ্গিদের চিহ্নিত করেছিল এনআইএ। ধৃত খালিস্তানী নেতা অমৃতপালের উত্থানের পিছনে মৃত অবতার সিং খান্দার হাত ছিল। ‘ওয়ারিস পাঞ্জাব দে’-র প্রতিষ্ঠাতা দীপ সিধুর মৃত্যুর পর অমৃতপালের হাতে সংগঠনের দায়িত্ব তুলে দিয়েছিলেন খান্দা।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Amritpal Singh: পুলিশের জালে খালিস্তানপন্থী বিচ্ছিন্নতাবাদী নেতা অমৃতপাল সিংহ

    Amritpal Singh: পুলিশের জালে খালিস্তানপন্থী বিচ্ছিন্নতাবাদী নেতা অমৃতপাল সিংহ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অবশেষে গ্রেফতার খালিস্তানপন্থী বিচ্ছিন্নতাবাদী নেতা অমৃতপাল সিংহ (Amritpal Singh)। পঞ্জাবের (Punjab) মোগা শহর থেকে গ্রেফতার করা হয় তাঁকে। এক মাসেরও বেশি সময় ধরে ফেরার থাকার পর শেষমেশ গ্রেফতার করা হল স্বঘোষিত এই ধর্মগুরুকে। কয়েকটি সূত্রের দাবি, অমৃতপাল পুলিশের কাছে আত্মসমর্পণ করেছেন। যদিও পুলিশের দাবি, রবিবার ভোরে মোগা শহর থেকে গ্রেফতার করা হয় বিচ্ছিন্নতাবাদী এই নেতাকে।

    অমৃতপাল সিংহের (Amritpal Singh) বিরুদ্ধে অভিযোগ…

    দীর্ঘদিন দুবাইয়ে থাকার পর ভারতে (India) ফিরে ওয়ারিস পঞ্জাব দে সংগঠন গড়েন অমৃতপাল। দাবি জানান খালিস্তানের। কিছুদিন আগে তাঁর সংগঠনের একজনকে গ্রেফতার করার পর ব্যাপক আন্দোলন করেন এই বিচ্ছিন্নতাবাদী নেতার অনুগামীরা। হামলা চালান থানায়। তার পরেই অমৃতপালকে (Amritpal Singh) গ্রেফতারের সিদ্ধান্ত হয়। তাঁর খোঁজে পঞ্জাবের বিভিন্ন জেলায় তল্লাশি অভিযান শুরু করে পুলিশ। তবে তাঁর টিকি ছোঁওয়া যাচ্ছিল না। ১০ এপ্রিল পুলিশ গ্রেফতার করে অমৃতপালের সঙ্গী পপ্পলপ্রীতকে। রবিবার ভোরে গ্রেফতার হন অমৃতপাল। যদিও মোগা পুলিশ এই গ্রেফতারির বিষয়ে বিস্তারিত কিছু জানায়নি। পুলিশ সূত্রে খবর, অমৃতপালকে অসমে ডিব্রুগড়ের জেলে স্থানান্তরিত করা হচ্ছে।

    আরও পড়ুুন: হিন্দু ছাত্রদের উত্যক্ত করা হচ্ছে ব্রিটেনের স্কুলগুলিতে, প্রকাশ রিপোর্টে

    সেখানে তাঁর অন্য অনুগামীদেরও রাখা হয়েছে। অমৃতপালের দলের আরও আট সদস্যকে অসমের জেলে রাখা হয়েছে। জানা গিয়েছে, অমৃতপালকে গ্রেফতার করা হয়েছে জাতীয় নিরাপত্তা আইনে। সূত্রের খবর, পঞ্জাব পুলিশ এবং কেন্দ্রীয় গোয়েন্দাদের যৌথ প্রচেষ্টায় অমৃতপালকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তাঁর বিরুদ্ধে বিভিন্ন জাতির মধ্যে বৈষম্য ছড়ানো, খুনের চেষ্টা, পুলিশকে আক্রমণ  পুলিশের কাজে বাধা দেওয়ার মতো গুরুতর অভিযোগ রয়েছে।

    দিন তিনেক আগে অমৃতসর বিমানবন্দর থেকে আটক করা হয় অমৃতপালের (Amritpal Singh) স্ত্রী কিরণদীপকে। লন্ডনে যাওয়ার পথে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করা হয় তাঁকে। তার মধ্যেই পুলিশের জালে বিচ্ছিন্নতাবাদী নেতা অমৃতপাল। ১৮ মার্চ থেকে পঞ্জাবের জলন্ধর, হোশিয়ারপুর ও অমৃতসরের একাধিক গ্রামে ছদ্মবেশে আশ্রয় নিয়েছিলেন তিনি। তাঁর খোঁজে হন্যে হচ্ছিল পুলিশ। পুলিশের চোখে ধুলো দিয়ে পঞ্জাব ঘেঁষা রাজস্থানে পালিয়ে গিয়েছিলেন বলেও দাবি করেছিলেন গোয়েন্দারা। তার জেরে রাজস্থানের হনুমানগড় ও গঙ্গানগর জেলায় চিরুনি তল্লাশি চালায় পুলিশ। এদিন ভোরে হন গ্রেফতার।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Amritpal Singh: আন্দোলনের টাকা জোগাড় করতে  সেক্স চ্যাটের ফাঁদ পেতেছিলেন অমৃতপাল?

    Amritpal Singh: আন্দোলনের টাকা জোগাড় করতে  সেক্স চ্যাটের ফাঁদ পেতেছিলেন অমৃতপাল?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গুণের শেষ নেই পলাতক খালিস্তানপন্থী (Khalistani) নেতা অমৃতপাল সিংহের (Amritpal Singh)! আন্দোলনের টাকা জোগাড় করতে সেক্স চ্যাটের ফাঁদ পেতেছিলেন পঞ্জাব (Punjab) ওয়ারিস দে সুপ্রিমো। অন্তত পুলিশের দাবি তেমনই। ইতিমধ্যেই স্বঘোষিত ওই শিখ ধর্মগুরুর কিছু ফোন চ্যাটিং ও ভয়েস নোটের সন্ধান পেয়েছেন তদন্তকারী আধিকারিকরা। জানা গিয়েছে, সেক্স চ্যাট করতে একাধিক সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করতেন অমৃতপাল।

    অমৃতপাল সিংহের (Amritpal Singh) গুণপনা…

    তদন্তকারীদের কথায়, বিবাহিত কিংবা অবিবাহিত মহিলাদের সঙ্গে প্রেমের অভিনয়ে সিদ্ধহস্ত ছিলেন খালিস্তানপন্থী ওই নেতা। নতুন কোনও মহিলার সঙ্গে আলাপ হলেই, যৌন উত্তেজক কথাবার্তা শুরু করে দিতেন তিনি (Amritpal Singh)। পঞ্জাব পুলিশের এক আধিকারিক জানান, অধিকাংশ ক্ষেত্রেই অমৃতপালের পাতা ফাঁদে পা দিতেন মহিলারা। সেক্স চ্যাট শুরু হলেই সেগুলি রেকর্ড করা হত। পরে সেগুলি দেখিয়েই ব্ল্যাকমেইলিংয়ের মাধ্যমে টাকা আদায় করতেন তিনি। বেশি টাকা পেতে অনেক সময় অশ্লীল ভিডিও বা সুপার ইম্পোজ করা ভিডিও-ও ব্যবহার করতেন অমৃতপাল।

    পঞ্জাব পুলিশের এক শীর্ষ কর্তা বলেন, ইন্সটাগ্রামে আমরা যে ধরনের চ্যাটিং পেয়েছি, তা রীতিমতো চমকে দেওয়ার মতো। একজন মহিলাকে অমৃতপাল লিখেছে, আমাদের বিবাহ বহির্ভূত সম্পর্ক তাহলে পাকা হল? মধুচন্দ্রিমায় আমরা দুবাইতে যাব। জানা গিয়েছে, অমৃতপালের বিভিন্ন ডেরা থেকে উদ্ধার হওয়া একাধিক মোবাইল ফোনে এরকম প্রায় ১২টি ভয়েস নোটের হদিশ মিলেছে। ফোনের ইনবক্সেও মিলেছে সেক্স চ্যাটের হদিশ। পুলিশ সূত্রে খবর, সেক্স চ্যাটের ক্ষেত্রে অমৃতপাল যেমন টার্গেট করতেন বিবাহিত মহিলাদের, তেমনি অবিবাহিত মহিলারাও ছিলেন তাঁর নজরে। অতিরিক্ত টাকা পেতেই এসব করা হত বলে অনুমান পুলিশ কর্তাদের।

    আরও পড়ুুন: আর সাংসদ নন রাহুল গান্ধী! লোকসভার সদস্যপদ খারিজ করলেন স্পিকার ওম বিড়লা

    পঞ্জাব পুলিশের ইনসপেক্টর জেনারেল (হেডকোয়ার্টারস) সুখচাঁইন সিংহ গিল বলেন, তাজিন্দির সিংহ গিলকে জিজ্ঞাসাবাদ করে এবং তাঁর মোবাইলে আসা বিভিন্ন মেসেজ থেকে জানা গিয়েছে অনেক কিছুই। এটাও জানা গিয়েছে, অমৃতপালরা (Amritpal Singh) দেশ-বিরোধী কাজকর্মে লিপ্ত ছিল। প্রসঙ্গত, তাজিন্দর হলেন অমৃতপালের ব্যক্তিগত নিরাপত্তারক্ষী। পুলিশের ওই কর্তা বলেন, কিছু ভিডিও উদ্ধার হয়েছে। তাতে দেখা যাচ্ছে, জুল্লুপুর খেরা এলাকায় অমৃতপালরা গুলি চালনা অনুশীলন করছে। অমৃতপালের ডেরা থেকে উদ্ধার হওয়া কিছু ফুটেজ ও ছবি থেকে এটাও জানা গিয়েছে, তারা আনন্দপুর খালসা ফৌজের হলোগ্রামও তৈরি করেছে। অস্ত্রশস্ত্র লোডিং-আনলোডিংয়ের ভিডিও-ও পাওয়া গিয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Amritpal Singh: আইএসআইয়ের সঙ্গে হাত মিলিয়ে পঞ্জাবে অশান্তি বাঁধানোর ছক, অমৃতপালের ছিল মহিলা ‘আসক্তি’ও!

    Amritpal Singh: আইএসআইয়ের সঙ্গে হাত মিলিয়ে পঞ্জাবে অশান্তি বাঁধানোর ছক, অমৃতপালের ছিল মহিলা ‘আসক্তি’ও!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘গুরু’ জার্নেল সিংহ ভিন্দ্রানওয়ালের মতোই পাকিস্তানের (Pakistan) গুপ্তচর সংস্থা আইএসআইয়ের (ISI) সঙ্গে হাত মিলিয়ে পঞ্জাবজুড়ে অশান্তি বাঁধানোর ছক কষেছিলেন পলাতক খালিস্তানপন্থী নেতা অমৃতপাল সিংহ (Amritpal Singh)। অমৃতপাল আইএসআইয়ের মদতে পাক সীমান্তে অস্ত্র এবং মাদক চোরাচালানে জড়িত ছিলেন বলেও গোয়েন্দা রিপোর্টে বলা হয়েছে। অমৃতপালের নির্দেশেই অমৃতসরের জল্লুপুর খেরা এলাকায় একটি অনুমোদনহীন রিহ্যাব সেন্টার খুলেছিলেন তিনি। সেখানে তরুণদের জেহাদির মন্ত্রে দীক্ষিত করা হত। এলাকার একটি গুরুদ্বারেও অস্ত্র মজুত করার ব্যবস্থা করেছিলেন ওয়ারিস পঞ্জাব দে-র শীর্ষ নেতা।

    অমৃতপাল সিংহ (Amritpal Singh)…

    বিচ্ছিন্নতাবাদী নেতা ভিন্দ্রানওয়ালের মতোই স্বাধীন ও সার্বভৌম খালিস্তান রাষ্ট্র গড়ার আহ্বান জানিয়ে বিপুল অর্থ সংগ্রহ করতেন অমৃতপাল (Amritpal Singh)। সংগঠনের কোনও কমিটিতেই আয়ব্যয়ের হিসেব দেওয়া হত না। পাকিস্তান থেকে প্রচুর অস্ত্রশস্ত্র, রসদ ও মাদক পাচ্ছিলেন অমৃতপাল। গোয়েন্দাদের অনুমান, গত এক বছরে সীমান্তে ড্রোনের মাধ্যমে মাদকের চোরাচালান বেড়ে যাওয়ায় অমৃতপালের প্রত্যক্ষ ভূমিকা রয়েছে। ভারতে কৃষক আন্দোলনে প্রত্যক্ষভাবে যোগ দিয়েছিলেন অমৃতপাল। পরে পারিবারিক ব্যবসা সামলাতে চলে যান দুবাইয়ে। এই দুবাই আইএসআইয়ের অন্যতম বড় ঘাঁটি। কৃষি আন্দোলনে তাঁর বড় ভূমিকা দেখে অমৃতপালকে বেছে নেয় আইএসআই। জানা গিয়েছে, অতীতের খালিস্তানি আন্দোলনের সঙ্গে প্রত্যক্ষ কোনও সম্পর্ক ছিল না অমৃতপালের। আইএসআইয়ের সংস্পর্শে এসেই তিনি খালিস্তানি আন্দোলন নিয়ে প্রচার শুরু করেন দুবাইয়ে।

    আরও পড়ুুন: বিভিন্ন পুরসভায় নিয়োগ কেলেঙ্কারি, তদন্ত চেয়ে কেন্দ্রকে চিঠি সুকান্তর

    গোয়েন্দাদের দাবি, অস্ত্র প্রশিক্ষণ নিতে অমৃতপালকে আইএসআই পাঠিয়েছিল জর্জিয়ায়। পরে পাঠানো হয় ভারতে। এখানেই রিহ্যাব সেন্টারের আড়ালে চলত জেহাদি বানানোর প্রশিক্ষণ। নেশা ছাড়তে যাঁরা আসতেন, তাঁদের বাধ্য করা হত ওয়ারিস পঞ্জাব দে-র কর্মসূচিতে যোগ দিতে। এহ বাহ্য। সংবাদ মাধ্যমে প্রকাশ, একাধিক মহিলার সঙ্গে পরকীয়া করতেন অমৃতপাল (Amritpal Singh)। ভিডিও কলে দিতেন কুপ্রস্তাব। নিজের ইনস্টাগ্রাম থেকে মহিলাদের সঙ্গে বন্ধুত্ব পাতাতেন তিনি। নামহীন সম্পর্কে জড়ানোর প্রস্তাবও দিতেন তাঁদের। বিবাহিত কিংবা অবিবাহিত সকলের সঙ্গেই শুধুমাত্র শারীরিকভাবে ঘনিষ্ঠ হতে চাইতেন ওয়ারিস পঞ্জাব দে সুপ্রিমো। নেট মাধ্যমে মহিলাদের অশ্লীল ভিডিও পাঠিয়ে ভয়ও দেখাতেন তিনি। মহিলাদের সঙ্গে তাঁর কথোপকথনের কিছু অংশ এবং ভয়েস নোট প্রকাশ্যে আসায় জানা গিয়েছে অমৃতপালের মহিলা-সঙ্গ-প্রীতির কথা।

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ

  • Amritpal Singh: গুরুদ্বারে অস্ত্র মজুত, রিহ্যাব সেন্টারের আড়ালে ‘খাডকু’ তৈরি করতেন অমৃতপাল?

    Amritpal Singh: গুরুদ্বারে অস্ত্র মজুত, রিহ্যাব সেন্টারের আড়ালে ‘খাডকু’ তৈরি করতেন অমৃতপাল?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মাদক ছাড়ানোর নামে খোলা হয়েছিল রিহ্যাব সেন্টার। সেই সেন্টারের আড়ালে যুবকদের প্রশিক্ষণ দিয়ে মানব বোমা (Human Bomb) বা খাডকু তৈরির কাজ চলছিল। গুরুদ্বারেও (Gurudwara) প্রচুর অস্ত্র মজুত করে রেখেছিলেন খালিস্তানপন্থী নেতা অমৃতপাল সিংহ (Amritpal Singh)। অন্তত পুলিশের অনুমান এমনই। পঞ্জাব পুলিশ জানিয়েছে, কমবয়সী ছেলেদের জঙ্গি দলে টেনে আনার কাজ করত অমৃতপালের সংগঠন। পরে তাঁদের দেওয়া হত অত্যাধুনিক অস্ত্র চালনার প্রশিক্ষণ। তরুণদের দলে টেনে মানব বোমা তৈরি করাই কাজ ছিল এই স্বঘোষিত শিখ ধর্মগুরুর। অমৃতপালের জঙ্গি বাহিনীতে যুক্ত যেসব তরুণের মৃত্যু হত, তাঁদের শহিদ আখ্যা দেওয়া হত।

    অধরা অমৃতপাল (Amritpal Singh)…

    এদিকে, দু দিন কেটে গেলেও এখনও অধরা অমৃতপাল (Amritpal Singh)। খালিস্তানপন্থী এই নেতার খোঁজ না পাওয়া গেলেও, তাঁর সংগঠন ওয়ারিস দে পঞ্জাবের আরও ১০ সদস্যকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলেই জানিয়েছে পুলিশ। ধৃতদের কাছ থেকে বেআইনি অস্ত্রশস্ত্র উদ্ধার করেছে পুলিশ। তাঁদের ব্যবহৃত তিনটি গাড়িও আটক করেছে পুলিশ। রাজ্যে যাতে আইনশৃঙ্খলার অবনতি না হয়, সেজন্য নিরাপত্তা বাড়ানো হয়েছে পঞ্জাবজুড়ে।

    রবিবার পঞ্জাব পুলিশের পক্ষ থেকে এক ট্যুইট-বার্তায় জানানো হয়েছে, অমৃতপাল সিংয়ের সমর্থিত ওয়ারিস দে পঞ্জাবের বিরুদ্ধে দু দিন ধরে অভিযান চলছে। পঞ্জাবে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নষ্ট করার চেষ্টা যারা করছে, তাদের গ্রেফতার করা হয়েছে। অমৃতপালকে ধরতে আন্তঃরাজ্য সীমান্তগুলিতে সমস্ত গাড়ির চেকিং চলছে। পঞ্জাবের পাশাপাশি চেকিং চলছে পড়শি রাজ্য হরিয়ানায়ও।

    আরও পড়ুুন: লন্ডনে ভারতীয় দূতাবাস থেকে তিরঙ্গা নামাল খালিস্তানপন্থীরা, কড়া প্রতিক্রিয়া ভারতের

    জলন্ধর পুলিশের ডিআইজি স্বপন শর্মা বলেন, এখনও অবধি ১০জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। সাতটি বেআইনি অস্ত্র ও ৩০০-রও বেশি বুলেট উদ্ধার করা হয়েছে। অমৃতপাল সিং (Amritpal Singh) ও তাঁর ঘনিষ্ঠ সহকারীদের ব্যবহার করা তিনটি গাড়িও উদ্ধার করেছে পঞ্জাব পুলিশ। এখনও জারি রয়েছে তল্লাশি অভিযান। এদিকে, শনিবার অমৃতপালের সহকারি যে ৭৮ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে, নিরাপত্তার খাতিরে তাঁদের মধ্যে চারজনকে অসমের ডিব্রুগড়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। এঁরা অমৃতপালের খুবই ঘনিষ্ঠ ছিলেন। এঁদের ম্যারাথন জিজ্ঞাসাবাদ করে অমৃতপালের হদিশ পেতে চাইছে পুলিশ।

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

LinkedIn
Share