Tag: Anant Ambani

Anant Ambani

  • Ambuja Neotia Investment: ৫ বছরে ১৫ হাজার কোটি! আদানি, রিলায়েন্সের পর নেওটিয়ারও বাংলায় বড় লগ্নির পরিকল্পনা

    Ambuja Neotia Investment: ৫ বছরে ১৫ হাজার কোটি! আদানি, রিলায়েন্সের পর নেওটিয়ারও বাংলায় বড় লগ্নির পরিকল্পনা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মুম্বই সফরে রিলায়েন্স ইন্ডাস্ট্রিজের চেয়ারম্যান মুকেশ আম্বানি এবং অনন্ত আম্বানির সঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর (Suvendu Adhikari) বৈঠকের পরই বাংলায় নতুন লগ্নির সম্ভাবনা নিয়ে জল্পনা তৈরি হয়েছিল। সেই আবহেই বুধবার নবান্নে মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক করলেন (Reliance Investment) অম্বুজা নেওটিয়া গোষ্ঠীর চেয়ারম্যান হর্ষবর্ধন নেওটিয়া। বৈঠকে রাজ্যে সংস্থার একাধিক ক্ষেত্রে বিনিয়োগ পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা হয়েছে। অম্বুজা নেওটিয়া গোষ্ঠী আগেই পশ্চিমবঙ্গে আগামী পাঁচ বছরে ১৫ হাজার কোটি টাকার বেশি বিনিয়োগের পরিকল্পনার কথা জানিয়েছিল। স্বাস্থ্য, আতিথেয়তা, পর্যটন, আবাসন এবং বাণিজ্যিক পরিকাঠামো—একাধিক ক্ষেত্রে এই বিনিয়োগের পরিকল্পনা রয়েছে। সংস্থার ঘোষিত পরিকল্পনা অনুযায়ী, পাঁচটি নতুন হাসপাতাল, একাধিক হোটেল এবং একটি বড় গল্ফভিত্তিক আবাসন প্রকল্প গড়ে তোলার কথা রয়েছে। এদিকে রিলায়েন্স গোষ্ঠীর সঙ্গেও রাজ্যে নতুন লগ্নি নিয়ে আলোচনা এগিয়েছে। বুধবার নবান্নে রিলায়েন্সের শীর্ষ আধিকারিকদের একটি প্রতিনিধি দল মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী এবং রাজ্যের প্রশাসনিক কর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করে। আলোচনায় পরিকাঠামো, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি, স্বাস্থ্য পরিষেবা-সহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে বিনিয়োগের সম্ভাবনা খতিয়ে দেখা হয়। সরকারি-বেসরকারি অংশীদারির মাধ্যমেও কয়েকটি প্রকল্প বাস্তবায়নের সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা হয়েছে।

    ইন্টারনেট সংযোগ পরিকাঠামো (Reliance Investment)

    প্রশাসনিক সূত্রের খবর, রিলায়েন্সের সঙ্গে আলোচনায় দিঘায় সংস্থার তৈরি করা সমুদ্রতলের কেবল লাইন কেন্দ্রের বিষয়টিও উঠে আসে। এই প্রকল্প চালু হলে রাজ্যের ইন্টারনেট সংযোগ ও তথ্য আদানপ্রদানের পরিকাঠামো আরও শক্তিশালী হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এর আগে মুম্বইয়ে মুকেশ আম্বানি ও অনন্ত আম্বানির সঙ্গে বৈঠকে রাজ্যে শিল্প বৃদ্ধি এবং কর্মসংস্থান তৈরির সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। রিলায়েন্সের পাশাপাশি রাজ্যে অন্য বড় শিল্পগোষ্ঠীর বিনিয়োগ নিয়েও ইতিমধ্যে আলোচনা চলছে। আদানি গোষ্ঠী ২০৩৫ সালের মধ্যে পশ্চিমবঙ্গে প্রায় এক লক্ষ কোটি টাকা বিনিয়োগের পরিকল্পনার কথা জানিয়েছে। সেই বিনিয়োগের মধ্যে বন্দর, পরিবহণ, বিদ্যুৎ, তথ্যকেন্দ্র, সড়ক ও সেতু এবং স্বাস্থ্য পরিষেবার মতো একাধিক ক্ষেত্র রয়েছে।

    ১৫ হাজার কোটি টাকার বিনিয়োগ পরিকল্পনা অম্বুজা নেওটিয়ার

    অম্বুজা নেওটিয়ার ঘোষিত ১৫ হাজার কোটি টাকার বিনিয়োগ পরিকল্পনার মধ্যে স্বাস্থ্য পরিষেবায় ১,৫০০ কোটি টাকা ব্যয়ের কথা বলা হয়েছিল। এই অর্থে কলকাতা, দুর্গাপুর ও শিলিগুড়িতে পাঁচটি নতুন হাসপাতাল তৈরির পরিকল্পনা রয়েছে। আবাসন ও বাণিজ্যিক পরিকাঠামোয় প্রায় ৬,৫০০ কোটি টাকা এবং (Reliance Investment) গল্ফভিত্তিক একটি বড় আবাসন প্রকল্পে প্রায় ৫,০০০ কোটি টাকা বিনিয়োগের পরিকল্পনাও রয়েছে। হোটেল ও পর্যটন ক্ষেত্রেও বড় পরিকল্পনা রয়েছে সংস্থার। দার্জিলিং, কালিম্পং, ডুয়ার্স, দীঘা, সুন্দরবন, শান্তিনিকেতন ও রায়চকে হোটেল তৈরির পরিকল্পনার কথা সংস্থা জানিয়েছিল। কলকাতা ও শিলিগুড়িতে সম্মেলনকেন্দ্র তৈরির পরিকল্পনাও রয়েছে। তবে প্রস্তাবিত প্রকল্পগুলির কোনটি কবে বাস্তবায়িত হবে, কোথায় কোন প্রকল্প গড়ে উঠবে এবং প্রত্যেক ক্ষেত্রে কত কর্মসংস্থান তৈরি হবে, তার বিস্তারিত চিত্র এখনও স্পষ্ট নয়। বিনিয়োগ প্রস্তাবগুলি বাস্তবায়নের পর্যায়ে পৌঁছলে রাজ্যের শিল্প, স্বাস্থ্য, পর্যটন ও আবাসন ক্ষেত্রে তার প্রভাব আরও পরিষ্কার হবে।

    রাজ্য সরকারের শিল্পনীতির অন্যতম লক্ষ্য এখন বড় বিনিয়োগের পাশাপাশি কর্মসংস্থান তৈরি করা। ফলে (Suvendu Adhikari) রিলায়েন্স, অম্বুজা নেওটিয়া এবং অন্যান্য শিল্পগোষ্ঠীর সঙ্গে ধারাবাহিক আলোচনাকে সেই বৃহত্তর বিনিয়োগ প্রচেষ্টার অংশ হিসেবেই দেখা হচ্ছে (Reliance Investment)।

     

  • Suvendu-Ambani Meeting: অ্যান্টিলিয়ায় আম্বানিদের সঙ্গে শুভেন্দুর বৈঠক, বাংলায় বড় বিনিয়োগের ইঙ্গিত!

    Suvendu-Ambani Meeting: অ্যান্টিলিয়ায় আম্বানিদের সঙ্গে শুভেন্দুর বৈঠক, বাংলায় বড় বিনিয়োগের ইঙ্গিত!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মুম্বইয়ের অ্যান্টিলিয়ায় মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। সোমবার রিলায়েন্স ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের চেয়ারম্যান মুকেশ আম্বানি এবং ডিরেক্টর অনন্ত আম্বানির সঙ্গে বৈঠক করলেন তিনি। বাংলায় রিলায়েন্সের নতুন বিনিয়োগ, বর্তমানে চালু থাকা ব্যবসার সম্প্রসারণ এবং একাধিক নতুন প্রকল্পের সম্ভাবনা নিয়ে বৈঠকে আলোচনা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। রিলায়েন্সের তরফেও বৈঠকের কথা নিশ্চিত করা হয়েছে।

    অ্যান্টিলিয়ায় প্রায় এক ঘণ্টার বৈঠক

    শিল্পমহলের নজরে থাকা এই বৈঠকটি হয় মুম্বইয়ে আম্বানি পরিবারের বাসভবন ‘অ্যান্টিলিয়া’-য়। সূত্রের খবর, প্রায় এক ঘণ্টা ধরে চলে আলোচনা। পশ্চিমবঙ্গে বিনিয়োগের সম্ভাবনা এবং রাজ্যে রিলায়েন্সের ব্যবসার পরিধি আরও বাড়ানোর বিষয়টি বৈঠকে গুরুত্ব পেয়েছে। তথ্যপ্রযুক্তি, সেমিকন্ডাক্টর, বায়োগ্যাস-সহ একাধিক ক্ষেত্রে সম্ভাব্য বিনিয়োগ নিয়েও আলোচনা হয়েছে বলে জানা যাচ্ছে।

    বৈঠকের আগে থেকেই অবশ্য বাংলায় রিলায়েন্সের বিনিয়োগ নিয়ে জল্পনা তৈরি হয়েছিল। কয়েক দিন আগে একটি শিল্প সম্মেলনে মুখ্যমন্ত্রী নিজেই জানিয়েছিলেন, অনন্ত আম্বানির সঙ্গে তাঁর কথা হয়েছে। সেখানেই রিলায়েন্সের সম্ভাব্য বিনিয়োগের ক্ষেত্র হিসেবে ডেটা সেন্টার এবং সেমিকন্ডাক্টর হাবের কথা উল্লেখ করেছিলেন তিনি।

    মুখ্যমন্ত্রী বলেছিলেন, “অনন্ত আম্বানির সঙ্গে আমার কথা হয়েছে। উনি ও মুকেশ আম্বানি বাংলায় আসছেন। বাংলায় বিনিয়োগ করবেন ওঁরা। ডেটা সেন্টার ও সেমি কন্ডাক্টর হাবে কাজ করবেন।” এরপর গণেশ উৎসবের পর মুম্বই গিয়ে মুকেশ আম্বানি ও অনন্ত আম্বানির সঙ্গে বৈঠকের কথা প্রকাশ্যে জানান শুভেন্দু। সেই ঘোষণার পর থেকেই প্রশ্ন উঠছিল, এই সফর কি শুধুই সৌজন্য সাক্ষাৎ, নাকি বাংলায় বড় বিনিয়োগের রূপরেখা তৈরিই মূল লক্ষ্য?

    ‘বনতারা’ প্রকল্প নিয়েও আলোচনা?

    শুধু শিল্প ও প্রযুক্তি ক্ষেত্র নয়, আম্বানিদের ‘বনতারা’ প্রকল্প নিয়েও বাংলার সঙ্গে আলোচনা হওয়ার সম্ভাবনা সামনে এসেছে। সূত্রের খবর, পূর্ব ভারতে বন্যপ্রাণ ও সংরক্ষণকেন্দ্রিক একটি প্রকল্পের সম্ভাব্য ক্ষেত্র নিয়ে ভাবনাচিন্তা চলছে। পশ্চিমবঙ্গ সরকার চাইছে উত্তরবঙ্গের তরাই-ডুয়ার্স অথবা পুরুলিয়া, বাঁকুড়া ও ঝাড়গ্রামের অরণ্যাঞ্চলকে সম্ভাব্য প্রকল্পের জন্য তুলে ধরতে।

    সম্প্রতি পুরুলিয়া সফরে গিয়ে দক্ষিণবঙ্গের প্রথম বন্যপ্রাণ অভয়ারণ্য গড়ে তোলার পরিকল্পনার কথা জানিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। সেই ঘোষণার সঙ্গে ‘বনতারা’-র সম্ভাব্য প্রকল্পের বিষয়টিও নতুন করে আলোচনায় এসেছে। তবে এই মুহূর্তে বাংলায় বনতারা প্রকল্প স্থাপনের বিষয়ে কোনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়নি। বিষয়টি এখনও সম্ভাবনার স্তরেই রয়েছে।

    বাংলায় ইতিমধ্যেই রিলায়েন্সের জমি

    বাংলায় রিলায়েন্সের বিনিয়োগের সম্ভাবনা একেবারে নতুন নয়। নিউ টাউনের বেঙ্গল সিলিকন ভ্যালি হাবে ইতিমধ্যেই ডেটা সেন্টারের জন্য রিলায়েন্সকে জমি বরাদ্দ করা হয়েছে। পাশাপাশি রাজ্যে সেমিকন্ডাক্টর হাব গড়ে তোলার সম্ভাবনার কথাও মুখ্যমন্ত্রী আগেই জানিয়েছিলেন। ফলে মুম্বইয়ের এই বৈঠককে শুধু নতুন বিনিয়োগের আলোচনা হিসেবে দেখলে পুরো ছবিটি ধরা পড়বে না। রাজ্যে রিলায়েন্সের ইতিমধ্যে থাকা ব্যবসা আরও সম্প্রসারণ করা এবং নতুন ক্ষেত্রের দরজা খোলার বিষয়টিও আলোচনার গুরুত্বপূর্ণ অংশ বলে মনে করা হচ্ছে।

    শিল্পমহলে বিনিয়োগ ঘিরে তৎপরতা

    মে মাসে নতুন সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই পশ্চিমবঙ্গে বড় শিল্পগোষ্ঠীর বিনিয়োগ টানার উদ্যোগের কথা বারবার সামনে এনেছে রাজ্য সরকার। মুখ্যমন্ত্রীর পাশাপাশি শিল্প ও বাণিজ্যমন্ত্রী তাপস রায়ও বিভিন্ন শিল্পগোষ্ঠীর সঙ্গে যোগাযোগ রাখছেন। সরকারের দাবি, নতুন শিল্প স্থাপন, পুরনো শিল্পের সম্প্রসারণ এবং কর্মসংস্থান তৈরির ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা করা হবে।

    সম্প্রতি আদিত্য বিড়লা গোষ্ঠীর সঙ্গেও বাংলায় বিনিয়োগ ও ব্যবসা সম্প্রসারণ নিয়ে আলোচনা হয়েছে। শিল্পমহলে আরও একাধিক বড় গোষ্ঠীর সঙ্গে রাজ্য সরকারের যোগাযোগের খবর সামনে এসেছে। এই আবহে রিলায়েন্সের মতো দেশের অন্যতম বৃহৎ শিল্পগোষ্ঠীর সঙ্গে মুখ্যমন্ত্রীর সরাসরি বৈঠক তাৎপর্যপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

    আদানি গোষ্ঠীর প্রকল্পও সামনে

    একই সময়ে বাংলায় আদানি গোষ্ঠীর প্রকল্প নিয়েও তৎপরতা চলছে। নিউ টাউনে ২,০০০ শয্যার হাসপাতাল তৈরির পরিকল্পনা রয়েছে গোষ্ঠীটির। আগামী ২৪ সেপ্টেম্বর এই প্রকল্পের শিলান্যাসের সম্ভাবনা রয়েছে এবং গৌতম আদানির উপস্থিত থাকার কথা জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। প্রকল্পটির জন্য ১,০০০ শয্যা আর্থিকভাবে পিছিয়ে থাকা রোগীদের বিনামূল্যে চিকিৎসার জন্য রাখার পরিকল্পনার কথাও আগে জানানো হয়েছে।

    এদিকে দুর্গাপুজোর আগেই রাজ্যের ৩৩টি শিল্প সংস্থাকে জমি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। এই উপলক্ষে বিশেষ অনুষ্ঠানের পরিকল্পনাও রয়েছে। শিল্প স্থাপন ও ব্যবসার সম্প্রসারণের পাশাপাশি কর্মসংস্থান তৈরিকে সামনে রেখে একাধিক শিল্পগোষ্ঠীর সঙ্গে যোগাযোগ বাড়াচ্ছে রাজ্য সরকার।

    এই আবহে মুম্বইয়ের অ্যান্টিলিয়ায় মুকেশ ও অনন্ত আম্বানির সঙ্গে শুভেন্দু অধিকারীর বৈঠক বাংলায় রিলায়েন্সের পরবর্তী বিনিয়োগ-পরিকল্পনা নিয়ে নতুন করে আগ্রহ তৈরি করেছে। তবে কোন প্রকল্পে কত বিনিয়োগ হবে, তার চূড়ান্ত ঘোষণা এখনও হয়নি।

  • Suvendu Adhikari: বিতর্কিত সংস্থাকে রাজ্যে বিনিয়োগের ছাড়পত্র নয়, জুনপুটে বড় প্রকল্প করবে ডিআরডিও, জানালেন মুখ্যমন্ত্রী

    Suvendu Adhikari: বিতর্কিত সংস্থাকে রাজ্যে বিনিয়োগের ছাড়পত্র নয়, জুনপুটে বড় প্রকল্প করবে ডিআরডিও, জানালেন মুখ্যমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘রাজ্যে পালাবদলের পর বেসরকারি লগ্নির একাধিক প্রস্তাব এলেও আবেদনকারী সংস্থার বিস্তারিত তথ্য ও অতীত কর্মকাণ্ড খতিয়ে দেখেই বিনিয়োগের ছাড়পত্র দেওয়া হবে। বিতর্কে থাকা কোনও সংস্থাকে কোনওভাবেই ছাড়পত্র দেওয়া হবে না।’ শুক্রবার ফের সরকারের এমন নীতিগত অবস্থান স্পষ্ট করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)।

    এদিন সল্টলেকের একটি শপিং মলে বিপণির উদ্বোধন অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে রাজ্যে বিনিয়োগ সংক্রান্ত সরকারের অবস্থান (DRDO Project) ব্যাখ্যা করেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি জানান, বেসরকারি সংস্থার পাশাপাশি কেন্দ্রীয় প্রতিরক্ষামন্ত্রকও এ রাজ্যে বিনিয়োগ করতে চলেছে। পূর্ব মেদিনীপুরের জুনপুটে সেই প্রকল্পের জন্য জমি দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে বলেও জানান তিনি। শীঘ্রই প্রকল্পটির বিস্তারিত পরিকল্পনা সরকারের তরফে জানানো হবে।

    মুখ্যমন্ত্রীর সাফ কথা (Suvendu Adhikari)

    শুভেন্দু জানান, ভারতীয় প্রতিরক্ষা গবেষণা ও উন্নয়ন সংস্থা বা ডিআরডিও রাজ্যে একটি বড় প্রকল্প তৈরি করতে চলেছে। তাঁর কথায়, “ডিআরডিওর তরফে পূর্ব মেদিনীপুর উপকূলের জুনপুটে একটি বড় প্রকল্প করা হচ্ছে। এ বিষয়ে আমি বিস্তারিত ভাবে পরে জানাব।”

    উল্লেখ্য, বাম আমলে কাঁথি মহকুমার হরিপুরে সমুদ্রসৈকতের কাছে প্রস্তাবিত পরমাণু বিদ্যুৎকেন্দ্র গড়ে ওঠেনি। সেই সময় তৎকালীন বিরোধী তৃণমূলের তরফে প্রকল্পটির বিরোধিতা করা হয়েছিল। পরবর্তী সময়ে তৃণমূল ক্ষমতায় থাকাকালীন হরিপুর থেকে অল্প দূরত্বে জুনপুটে ডিআরডিওর ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ কেন্দ্র তৈরির কাজও ২০২৪ সালে বন্ধ হয়ে যায়।

    এ প্রসঙ্গে শুভেন্দু বলেন, “প্রতিরক্ষামন্ত্রকের তরফে রাজ্যকে চিঠি পাঠানো হলেও, কোনও জবাব দেওয়া হয়নি। আমি এসে তাদের সেই চিঠির জবাব দিয়েছি। ওখানে বড় প্রকল্প হবে। তাকে ঘিরে উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড হবে সেখানে।”

    রাজ্যে বিনিয়োগের পরিবেশের ভাবমূর্তি বদলাতে সরকার উদ্যোগী হয়েছে বলেও দাবি করেন মুখ্যমন্ত্রী। শিল্পায়নের পক্ষে বার্তা দিয়েছেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্যও। তবে শিল্প ও বাণিজ্য টানার ক্ষেত্রে অনিয়ম বা দুর্নীতিকে কোনওভাবেই বরদাস্ত করা হবে না বলে এ দিন স্পষ্ট করে দেন শুভেন্দু।

    তিনি (Suvendu Adhikari) বলেন, “যেসব সংস্থা রাজ্যে বিনিয়োগ করতে আসছে, তাদের বিশ্বাসযোগ্যতা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ওই সংস্থাগুলি দুর্নীতির টাকায় চলছে কি না, তা দেখা হচ্ছে। সংস্থার বিরুদ্ধে কোনও প্রতারণা বা তদন্তকারী সংস্থার কাছে কোনও অভিযোগ রয়েছে কি না, তাও দেখা হচ্ছে।”

    পূর্বতন সরকারের শিল্পনীতি নিয়ে আক্রমণ

    এ দিন পূর্বতন সরকারের শিল্প নিয়ে অনীহার প্রসঙ্গও তোলেন শুভেন্দু। তাঁর অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে নানা কারণে রাজ্যে বাণিজ্য ও শিল্পবান্ধব পরিবেশ নষ্ট হয়ে গিয়েছিল। সেই পরিস্থিতি বদলাতে গত চার মাস ধরে সরকারি ও বেসরকারি উদ্যোগে একাধিক কর্মসূচি করা হচ্ছে বলেও জানান তিনি।

    শুভেন্দুর অভিযোগ, আগের সরকারের আমলে ঘটা করে শিল্প-বাণিজ্য সম্মেলনের আয়োজন করা হলেও বাস্তবে সেই অনুপাতে বিনিয়োগ আসেনি। তাঁর দাবি, “তখন শুধুমাত্র ছবি তোলার পর্ব চলত।”

    বর্তমান সরকার (DRDO Project) সেই পরিস্থিতি বদলাতে প্রথমে জমির ব্যবস্থা, ব্যাঙ্কের অর্থায়ন এবং পরিবেশ সংক্রান্ত ছাড়পত্রের মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলি খতিয়ে দেখছে। এরপরই শিল্পসংস্থা ও ব্যবসায়ীদের পাশে দাঁড়ানো হচ্ছে বলে জানান মুখ্যমন্ত্রী।

    অনন্ত আম্বানির সঙ্গে লগ্নি নিয়ে কথা

    রাজ্যে নতুন বিনিয়োগের সম্ভাবনা নিয়ে শিল্পপতি অনন্ত আম্বানি এবং তাঁর বাবা মুকেশ আম্বানির সঙ্গেও কথা হয়েছে বলে জানান শুভেন্দু। তিনি বলেন, “আমার সঙ্গে অনন্ত আম্বানির কথা হয়েছে। অনন্ত এবং ওঁর বাবা মুকেশ আম্বানি এখানে লগ্নি করা নিয়ে আগ্রহ দেখিয়েছেন। ওঁরা আমাকে মুম্বইয়ে আমন্ত্রণ জানিয়েছেন। গণেশ চতুর্থীর পরেই ওঁদের সঙ্গে দেখা করতে যাব।”

    সরকারের দাবি (Suvendu Adhikari), জমি, অর্থায়ন ও পরিবেশ সংক্রান্ত ছাড়পত্রের মতো বিষয়গুলি আগে নিশ্চিত করে শিল্পের জন্য প্রয়োজনীয় পরিকাঠামো তৈরির দিকে জোর দেওয়া হচ্ছে। একই সঙ্গে সম্ভাব্য বিনিয়োগকারী সংস্থার বিশ্বাসযোগ্যতা যাচাই করে তবেই চূড়ান্ত অনুমোদন দেওয়ার নীতিও বজায় রাখা হবে।

     

LinkedIn
Share