Tag: Ananta Ambani

Ananta Ambani

  • PM Modi: নিজে হাতে খাওয়ালেন সিংহ শাবকদের, বিশ্বের সর্ববৃহৎ পশু পুনর্বাসন কেন্দ্রের উদ্বোধন মোদির

    PM Modi: নিজে হাতে খাওয়ালেন সিংহ শাবকদের, বিশ্বের সর্ববৃহৎ পশু পুনর্বাসন কেন্দ্রের উদ্বোধন মোদির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গুজরাটে গড়ে ওঠা বিশ্বের সর্ববৃহৎ পশু উদ্ধার ও পুনর্বাসন কেন্দ্রের উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। মঙ্গলবার প্রধানমন্ত্রী গুজরাটের জামনগরে রিলায়েন্স ফাউন্ডেশনের ‘বনতারা’ উদ্বোধন ও পরিদর্শন করেন নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। জিও প্ল্যাটফর্মের ডিরেক্টর অন বোর্ড অনন্ত আম্বানিকে সঙ্গে নিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি পুরো বনতারা ঘুরে দেখেন। শীল মাছ থেকে গোল্ডেন টাইগার, স্নো লেপার্ড এবং সার্কাস থেকে উদ্ধার করা চারটি স্নো টাইগারের সঙ্গে ছবি তোলেন প্রধানমন্ত্রী। এর পাশাপাশি শিম্পাঞ্জি, ওরাং ওটানের সঙ্গে সময় কাটান মোদি। এদিন প্রধানমন্ত্রী নিজের হাতে একটি এশিয়াটিক সিংহ শাবক, একটি শ্বেতসিংহ শাবক, একটি ক্লাউডেড লেপার্ড শাবক এবং একটি কারাকাল শাবককে নিজে হাতে খাওয়ান। এক পর একটি জিরাফ ও একটি একশৃঙ্গ গন্ডারের শাবককেও খাওয়ান।

    বনতারায় দেড় লক্ষের বেশি প্রাণী রয়েছে (PM Modi)

    গুজরাটের জামনগরে রিফাইনারি কমপ্লেক্সের রিলায়েন্স গ্রিন বেল্টে ৩,০০০ একর জমি জুড়ে বিস্তৃত এই বনতারা বর্তমানে বিশ্বের সর্ববৃহৎ পশু উদ্ধার ও পুনর্বাসন কেন্দ্র। প্রায় দেড় লক্ষের বেশি উদ্ধার হওয়া, বিপন্ন বন্যপ্রাণীর বাস এই বনতারা-য়। ২ হাজারের বেশি প্রজাতির প্রাণী রয়েছে এখানে। বন্যপ্রাণীদের যত্নে প্রতিনিয়ত অগ্রগতি অর্জন করে চলেছে, হাতির জন্য একটি খোলা অভয়ারণ্য থেকে শুরু করে পাঁচটি চিতা শাবকের জন্মও হয়েছে এখানে। ভারত এবং বিদেশের নানা প্রান্ত থেকে উদ্ধার করা আহত এবং বিপন্ন পশু-পাখিদের চিকিৎসা, যত্ন এবং পুনর্বাসনের দায়িত্ব পালন করা হয় বনতারায়। এই কেন্দ্রে একটি উন্নতমানের পশু হাসপাতাল রয়েছে। এই কেন্দ্রে এমন প্রাণী রয়েছে, যা বিশ্বে খুবই বিরল। যেমন দুমুখো সাপ, দুমুখো কচ্ছপ, টেপির, শিল মাছ, বিশাল ভোঁদড় এবং বঙ্গো হরিণ।

    বিদেশ থেকে আসছে আরও চিতা, রাখা হবে মধ্যপ্রদেশের গান্ধীসাগর অভয়ারণ্যে ও গুজরাটের বান্নি তৃণভূমিতে

    মধ্যপ্রদেশের কুনো জাতীয় উদ্যানের পর এ বার ভারতে নতুন দু’টি ঘর পেতে চলেছে আফ্রিকা থেকে আমদানি করা চিতা (Cheetah)। মধ্যপ্রদেশের গান্ধীসাগর অভয়ারণ্যের পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (PM Modi) রাজ্য গুজরাটের বান্নি তৃণভূমিতেও রাখা হবে তাদের। সোমবারই প্রধানমন্ত্রী হাজির ছিলেন গুজরাটের শাসনগিরে জাতীয় বন্যপ্রাণ পর্ষদ (এনবিডব্লিউএল)-এর বৈঠকে। সেখানেই হয় এই সিদ্ধান্ত। প্রসঙ্গত, এশীয় সিংহের এক মাত্র প্রাকৃতিক আবাসস্থল গির জাতীয় উদ্যান লাগোয়া শাসনগিরে। এনবিডব্লিউএলের বৈঠকের পর প্রধানমন্ত্রী মোদি (PM Modi) নিজেই এই সিদ্ধান্তের কথা ঘোষণা করেন। তবে আফ্রিকা থেকে কতগুলি চিতা এনে ওই দুই সংরক্ষিত এলাকায় ছাড়া হবে, সে বিষয়ে সরকারি ভাবে কিছু জানানো হয়নি। ওই বৈঠকে গুজরাটে সিংহ সংরক্ষণের জন্য ৩০০০ কোটি টাকার প্রকল্পের প্রস্তাবও গৃহীত হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।

  • Mukesh Ambani: অনন্ত-রাধিকার বাগদান পর্বের জন্য কেন এই মন্দিরকে বেছেছিলেন আম্বানিরা, জানেন?

    Mukesh Ambani: অনন্ত-রাধিকার বাগদান পর্বের জন্য কেন এই মন্দিরকে বেছেছিলেন আম্বানিরা, জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নীতা আম্বানি এবং মুকেশ আম্বানির (Mukesh Ambani) ছোট পুত্রের বাগদান পর্ব সম্পন্ন হল রাজস্থানের একটি মন্দিরে। দীর্ঘদিনের প্রেমিকা রাধিকা মার্চেন্টের সঙ্গে এদিন বাগদান সারলেন অনন্ত আম্বানি। প্রথা মেনে রাজস্থানের শ্রীনাথজী মন্দিরে এই অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়। বাগদান পরবর্তী সময়ে এলাকার সমস্ত উপজাতিদের নিয়ে ভুরিভোজের ব্যবস্থা করে আম্বানি পরিবার। জানা গেছে এরপর মুম্বই ফিরে গিয়ে বলিউডের তাঁদের বন্ধুমহল এবং পরিবারের সমস্ত আত্মীয়-স্বজনদের নিয়ে একটি ঘরোয়া অনুষ্ঠান করে আম্বানিরা।

    কিন্তু আম্বানি (Mukesh Ambani)  পুত্রের বাগদান পর্ব অনুষ্ঠিত হচ্ছে মন্দিরে এটা শুনতে কেমন লাগছে না? শোনা যাচ্ছে, আম্বানি পুত্র একটি পবিত্র ধর্মস্থানে বাগদান পর্ব সম্পন্ন করতে চেয়েছিলেন এবং সে কারণেই রাজস্থানের এই মন্দিরকে বেছে নেওয়া হয়েছিল।

    দেশের কোন কোন মন্দির বিখ্যাত হয়ে রয়েছে বিবাহের জন্য

    তবে ভারতবর্ষে বেশ কিছু মন্দির আছে যেগুলি বৈবাহিক অনুষ্ঠান সম্পন্ন করার জন্য বিখ্যাত হয়ে রয়েছে। যেমন উত্তরাখণ্ডের ত্রিযুগীনারায়ন মন্দির যেখানে শিব পার্বতীর বিবাহ সম্পন্ন হয়েছিল বলে ভক্তদের বিশ্বাস রয়েছে এই স্থানকে বিবাহের জন্য খুব পবিত্র বলে মনে করা হয়। আবার দিল্লীর বিড়লা মন্দির অথবা লক্ষ্মীনারায়ণ মন্দির যেখানে আর্যসমাজ গণবিবাহের আয়োজন করে, এই মন্দিরও বিবাহের জন্য বিখ্যাত।
    কেরালার গুরুবাউর মন্দির বিখ্যাত হয়ে রয়েছে বিবাহের জন্য যেখানে কৃষ্ণ মূর্তির সামনে বিবাহ সম্পন্ন হয়। প্রথমে একটি টিকিট কাটতে হয় তারপর ১০ মিনিটের অনুষ্ঠানের জন্য অনুমতি দেওয়া হয়। বিবাহের পরে স্থানীয় পৌরসভাতে ম্যারেজ রেজিস্ট্রেশন সার্টিফিকেটের জন্য আবেদন করতে হয়।

    প্রসঙ্গত, আম্বানি (Mukesh Ambani)  পুত্রের মন্দিরে গিয়ে বাগদান, এটি প্রথম বা নতুন কিছু নয়। ১৯৯৬ সালেও শ্রীদেবী এবং বনি কাপুরের মধ্যে বাগদান পর্ব মন্দিরে সম্পন্ন হয়েছিল। আবার ইসা দেওয়াল এবং ভরত তাকানির মধ্যেও বাগদান পর্ব সম্পন্ন হয়েছিল মন্দিরে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।       

     
LinkedIn
Share