Tag: andal

andal

  • TMC Conflict: দলের প্রধানের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ, পঞ্চায়েতে তালা দিলেন তৃণমূলের সদস্যরা

    TMC Conflict: দলের প্রধানের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ, পঞ্চায়েতে তালা দিলেন তৃণমূলের সদস্যরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দলেরই প্রধান, উপ-প্রধানের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ তুলে পঞ্চায়েত অফিসে তালা দিলেন তৃণমূলের গ্রাম পঞ্চায়েত সদস্যরা। সোমবার অফিস খোলার প্রথম দিনে এই ধরনের ঘটনার সাক্ষী থাকল পশ্চিম বর্ধমানের অন্ডাল ব্লকের খান্দরা গ্রাম পঞ্চায়েত। এদিন এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে তৃণমূলের গোষ্ঠী কোন্দল (TMC Conflict) একেবারে প্রকাশ্যে চলে এসেছে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (TMC Conflict)

    পঞ্চায়েত সূত্রে জানা গিয়েছে, এই পঞ্চায়েতে মোট সদস্য সংখ্যা ২৩ টি। অধিকাংশ সদস্যই তৃণমূলের। তারমধ্যে ১০ জন তৃণমূলের সদস্য পঞ্চায়েতের দুর্নীতির (TMC Conflict) বিরুদ্ধে এদিন বিক্ষোভ দেখান। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় উত্তেজনা তৈরি হয়।  বিক্ষোভকারী তৃণমূলের পঞ্চায়েত সদস্যদের বক্তব্য, আমাদের সমর্থনে প্রধান, উপ প্রধান হয়েছে। আর এখন পরিষেবা বলে কিছু নেই। এলাকায় পানীয় জল নেই। বার বার বলার পরও পঞ্চায়েত থেকে পানীয় জলের ব্যবস্থা করা হচ্ছে না। পঞ্চায়েত সদস্য হিসাবে এলাকার বাসিন্দাদের কাছে অপমানিত হতে হচ্ছে আমাদের। প্রধানকে সমস্যার কথা জানিয়েও কোনও লাভ হয়নি। জল সরবরাহের জন্য টেন্ডার হয়েছে। কিন্তু, কে টেন্ডার পেয়েছে, কীভাবে পেল, প্রধানের কাছে জানতে চাইলে তা আমাদের জানানো হয়নি। প্রধান অপর্ণা বাদ্যকর বেলা দুটোর পর পঞ্চায়েত অফিসে আসেন। ফলে, সাধারণ মানুষ পরিষেবা না পেয়ে ফিরে যান। মিটিংয়ে আমাদের মতো পঞ্চায়েত সদস্যকে ডাকা হয় না। প্রধান, উপ-প্রধান নিজেদের মতো করে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন। পঞ্চায়েতের অনেক কিছুই আমাদের এড়িয়ে করা হয়। তাই, আমরা বাধ্য হয়ে পঞ্চায়েতে তালা ঝুলিয়েছি। আমাদের দাবি পূরণ না হলে আমরা বৃহত্তরও আন্দোলনে নামব।  

    আরও পড়ুন: সমবায় ভোটে তৃণমূলকে হারিয়ে জয়ী বিজেপি, তুলকালাম নন্দীগ্রাম

    পঞ্চায়েতের উপ প্রধান কী সাফাই দিলেন?

    গ্রাম পঞ্চায়েতের উপ প্রধান গণেশ বাদ্যকর বলেন, তৃণমূল (Trinamool Congress) শৃঙ্খলাবদ্ধ দল। সেই দলের পঞ্চায়েত সদস্য হয়ে এই ধরনের জঙ্গি আন্দোলন করা ঠিক না। এতে দলের ভাবমূর্তি খারাপ হচ্ছে। কোনও সমস্যা হলে আমাদের কাছে এসে বলতে পারত। আমাদের বিরুদ্ধে যে সব অভিযোগ করা হচ্ছে, সব ভিত্তিহীন। আসলে এসব করে ওরা দলকে হেয় করছে। আমরা বিষয়টি জেলা নেতৃত্বকে জানিয়েছি। এই ধরনের আন্দোলন করে মানুষের কাছে গ্রহণযোগ্যতা নষ্ট হয়। তাছাড়া কাজের কাজ কিছু হয় না।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Paschim Bardhaman: অন্ডালে ডাইনি সন্দেহে নির্মম অত্যাচারের শিকার ৬০ বছরের বৃদ্ধা

    Paschim Bardhaman: অন্ডালে ডাইনি সন্দেহে নির্মম অত্যাচারের শিকার ৬০ বছরের বৃদ্ধা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মলমূত্র মিশিয়ে খাওয়ানো, মাথা ন্যাড়া করা, আগুনে পোড়ানো সহ ভয়ংকর অত্যাচারের শিকার হলেন এক বৃদ্ধা। এই বৃদ্ধা আতঙ্কে ঘরছাড়া হয়েছেন বর্তমানে। বৃদ্ধাকে উদ্ধার করে পাশে দাঁড়িয়েছে আদিবাসী সমাজের সংগঠন। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। পশ্চিম বর্ধমানে (Paschim Bardhaman) এই ঘটনায় অত্যন্ত চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে এলাকায়।

    কীভাবে ঘটল ঘটনা (Paschim Bardhaman)?

    বর্তমান স্মার্ট যুগে দাঁড়িয়েও কুসংস্কারে বিশ্বাসী একদল মহিলার পৈশাচিক অত্যাচারের শিকার হন এক বৃদ্ধা। ঘটনাটি ঘটেছে অন্ডালের (Paschim Bardhaman) দক্ষিণ খণ্ড ডামারিবাঁধ আদিবাসী পাড়ায়। অভিযো, এক গুণিনের নির্দেশেই বৃদ্ধার উপর এমন অকথ্য অত্যাচার করা হয়েছে। আতঙ্কে ১৩ দিন ধরে ঘরছাড়া রয়েছেন নির্যাতিতা বৃদ্ধা।

    নির্যাতিতা বৃদ্ধার বক্তব্য

    নির্যাতিতা বৃদ্ধা জানান, ফরিদপুর (Paschim Bardhaman) থানার ইচ্ছাপুর এলাকার এক গুণিন তথা ওঝা সরস্বতী বাউরি, তাঁকে ডাইনি অপবাদ দেয়। অন্ডাল এলাকার কয়েকজন স্থানীয় ওই গুণিনের কাছে গেলে সে বলে, ওই বৃদ্ধা নাকি তুকতাক জানে। এর পরেই চলতি মাসের ৭ তারিখে প্রায় ১৪-১৫ জন এসে বৃদ্ধার কাছ থেকে ২০ হাজার টাকা নেয় এবং মারধরও করে বলে জানা যায়। এরপর তাঁকে নগ্ন করে মাথা ন্যাড়া করে এবং মলমূত্র মিশিয়ে জোর করে খাওয়ানো হয়। আর তারপর মাথায় বাঁশ লাঠি দিয়ে মেরে অচেতন করে দিয়ে আগুন দেয় গায়ে বলে অভিযোগ করেন ওই বৃদ্ধা। বাধা দিতে গেলে বৃদ্ধার ছেলেমেয়েকেও মারধর করা হয়। বৃদ্ধার আত্মীয়রা কোনওপ্রকার উদ্ধার করে কাঁকসা ব্লক স্বাস্থ্য কেন্দ্রে ভর্তি করেন। এরপর ওই দিন থেকে আতঙ্কে ঘরছাড়া বৃদ্ধা আশ্রয় নিয়েছেন মেয়ের বাড়িতে।

    ঘরে ফেরাতে আদিবাসী সংগঠন

    নির্যাতিত এই বৃদ্ধাকে বাড়ি ফেরাতে উদ্যোগী হয়েছেন আদিবাসী সংগঠনের সদস্যরা। বৃহস্পতিবার তাঁরা পুলিশ প্রশাসনের দ্বারস্থ হন। ওই বৃদ্ধা, অভিযুক্ত গুণিন সহ আরও ১৫ জন নির্যাতনকারীর বিরুদ্ধে দুর্গাপুর (Paschim Bardhaman) ফরিদপুর ব্লকের বিডিও ও অন্ডাল থানার পুলিশে অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Andal: ২২ ঘণ্টা পরেও বেরিয়ে আসছে বিষাক্ত গ্যাস ও ধোঁয়া!

    Andal: ২২ ঘণ্টা পরেও বেরিয়ে আসছে বিষাক্ত গ্যাস ও ধোঁয়া!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২০২০ সালের ১৪ ই জুন দুপুর দেড়টা। বিকট শব্দে কেঁপে উঠেছিল অন্ডালের (Andal) হরিশপুর গ্রামের মাটি। হুড়মুড়িয়ে ভেঙে পড়েছিল বাড়িঘর। একাধিক বাড়ি তলিয়ে গিয়েছিল মাটির নিচে। কেউ কিছু বুঝে ওঠার আগেই ভিটেমাটি হারা হন গ্রামবাসীরা। ঘটনার আকস্মিকতা কাটিয়ে ওঠার পর তাঁরা বুঝতে পারেন, গ্রামের কাছেই থাকা ইসিএলের খোলা মুখ খনির কয়লা উৎপাদনের কারণেই ধসে তাঁরা সর্বস্বান্ত হয়ে গেছেন। ইসিএল ও রাজনৈতিক নেতারা গ্রামে এসে ক্ষতিগ্রস্ত বাসিন্দাদের পাশে থাকার আশ্বাস দিয়েছিলেন। মিলেছিল পুনর্বাসনের আশ্বাসও।

    তিন বছর পর একই ঘটনা (Andal)

    ধসের ঘটনার পর তিন বছর অতিক্রান্ত। ফের সোমবার ঠিক একই সময় বেলা ১ টা ৩০ মিনিট থেকে ২ টোর মধ্যে হরিশপুর গ্রামের ঝরে পাড়া এলাকা থেকে ৫০ মিটার দূরে ইসিএলের (Andal) একটি পরিত্যক্ত খনি গহ্বর থেকে বিষাক্ত গ্যাস ও ধোঁয়া বের হতে দেখে আতঙ্কিত হয়ে পড়েন এলাকাবাসীরা। তড়িঘড়ি ঘটনাস্থলে আসে মাধবপুর কোলিয়ারির কর্তৃপক্ষ। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, আজ থেকে প্রায় ৪০ বছর আগে এই এলাকায় ইসিএল-এর একটা খনি ছিল, যেটা বর্তমানে পরিত্যক্ত। হঠাৎ সেই পরিত্যক্ত খনি থেকে কালো ধোঁয়ার সাথে বিষাক্ত গ্যাস নির্গত হতে দেখে আতঙ্কিত হয়ে পড়েন হরিশপুর গ্রামের বাসিন্দারা।

    বাধার মুখে ইসিএল (Andal)

    ইসিএল পরিত্যক্ত খনি গহ্বর মাটি দিয়ে ভরাট করার উদ্যোগ নিলে, প্রথমেই গ্রামবাসীদের বাধার মুখে পড়তে হয় তাদের। গ্রামবাসীদের দাবি, পুনর্বাসন দিতে হবে গ্রামের লোকেদের। যদিও নিজেদের সুরক্ষার খাতিরেই পরে ওই পরিত্যক্ত খনি গহ্বর মাটি দিয়ে ভরাট করাতে রাজি হয় এলাকার মানুষ। কিন্তু ২২ ঘন্টা অতিক্রান্ত হওয়ার পরও ধোঁয়া ও বিষাক্ত গ্যাস নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থ ইসিএল। গতকাল রাত থেকে মেশিন দিয়ে খনি গহ্বরের মাটি ভরাটের কাজ চলছে। কিন্তু ২২ ঘন্টা অতিক্রান্ত হওয়ার পরও এলাকায় (Andal) আতঙ্ক রয়েছে এখনও।

    কী দাবি স্থানীয় বাসিন্দাদের (Andal)?

    লাজন্তী বাউরি নামে স্থানীয় এক মহিলা জানান, যেভাবে পাড়ার একেবারে কাছেই পরিত্যক্ত ঘনি থেকে (Andal) বিষাক্ত গ্যাস ও ধোঁয়া বের হচ্ছে, তাতে স্বাভাবিকভাবেই ভয় ধরেছে মনে । কখন যে কী হয়, এই ভয়ই তাড়া করছে তাঁদের। আর ভয়ের কারণেই নাওয়া খাওয়া ভুলে গতকাল রাত থেকে পরিবার-পরিজন নিয়ে বাড়ির বাইরে সারারাত জেগে কাটাতে হয়েছে তাঁদের। তিনি জানান, ইসিএল বা অন্য কোনও প্রশাসনিক দফতরের লোক কোনওরকম আশ্বাস দেননি। তাই স্বাভাবিকভাবেই আতঙ্ক পিছু ছাড়ছে না। তাঁরা চান, পুনর্বাসন দিক ইসিএল। যাতে করে তাঁরা পরিবার-পরিজন নিয়ে নির্ভয়ে, শান্তিতে বসবাস করতে পারেন।

     

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Collapse: রাস্তা জুড়ে ফের ধস! আতঙ্কে এলাকা ছাড়ছেন বাসিন্দারা

    Collapse: রাস্তা জুড়ে ফের ধস! আতঙ্কে এলাকা ছাড়ছেন বাসিন্দারা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের ধস (Collapse) ! এবার ধসের (Collapse) আতঙ্কে ঘর ও দোকানপাট ছাড়ছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। শুক্রবার দুপুরে এমনই চিত্র উঠে এল অন্ডালের পড়াশকোল এলাকায়। এদিন দুপুর থেকেই অন্ডালের পড়াশকোল এলাকার বিভিন্ন জায়গায় ফাটল দেখা দিলে আতঙ্কিত হয়ে পড়েন স্থানীয়রা। বিশেষ করে চোখের সামনে চলাচলের রাস্তা জুড়ে বিশাল ফাটল দেখে অনেকের রাতে ঘুম চলে যায়।  পড়াশকোল এলাকার প্রসিদ্ধ পদ্মাবতী মন্দির রয়েছে এখানে। মন্দিরে পুজো দিতে বহু ভক্ত সমাগম হয়। কিন্তু, এদিনের ধসের কারণে মন্দিরে ভক্তদের সংখ্যাও কম ছিল।

    ধস (Collapse) নিয়ে কী বললেন এলাকাবাসী?

    শুক্রবার দুপুরে স্থানীয়দের একাংশ লক্ষ্য করেন ,পড়াশকোলের বগুলা কাজরা যাওয়ার প্রধান রাস্তার উপর জায়গায় জায়গায় গভীর আকারের ফাটল দেখা দিয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দারা বলেন, গত দুই বছর আগে এই এলাকায় ব্যাপক আকারে ই সি এল- এর খোলা মুখ খনির কারণেই ধসের (Collapse) সৃষ্টি হয়েছিল।  সেই মুহূর্তে এলাকা ও ঘরবাড়ি ছাড়তে বাধ্য হয়েছিলেন স্থানীয় বাসিন্দারা। এখনও এলাকার বহু মানুষ আতঙ্কে ধস (Collapse) কবলিত এলাকা থেকে দূরে ক্লাব ঘরে বাস করছেন। দুই বছর আগে ধসের পর স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে নিয়ে পুলিশ প্রশাসন, শাসক দল, ইসিএল আধিকারিকদের বৈঠক করে। সেই সময় এলাকাবাসীদের পুনর্বাসনের বিষয়টি আলোচনা হয়। কিন্তু দু’বছর পার হয়ে গেলেও কাজের কাজ কিছুই হয়নি। আজও আতঙ্কে বসবাস করছেন এলাকার মানুষ । প্রসঙ্গত, পড়াশকোল এলাকা থেকে ঢিল ছোঁড়া দূরত্বে জামবাদ খোলামুখ খনি এলাকায় দু’বছর আগে ধসে তলিয়ে যায় আস্ত একটা বাড়ি,তলিয়ে যায় বাড়ির লোকজনও। বেশ কয়েক দিনের চেষ্টার পর মৃতদেহ উদ্ধার হয় মাটির তলা থেকে। এই ঘটনার পরেই আতঙ্কিত জামবাদ,পড়াশকোল এলাকার বাসিন্দারা পুনর্বাসনের দাবি জানান ইসিএলের দফতরে। কিন্তু সেই দাবি পূরণ হয়নি বলে অভিযোগ এলাকাবাসী। জীবনের ঝুঁকি নিয়েই তাঁরা এলাকায় থাকছিলেন। এদিন নতুন করে ধস (Collapse) শুরু হওয়ায় আতঙ্কিত এলাকাবাসীরা দোকানপাট ও ঘরবাড়ি ছেড়ে অন্যত্র পালাতে বাধ্য হচ্ছেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

  • Andal: সরকারি প্রকল্পের সেড সহ দরজা-জানলা চুরি, খবর নেই পঞ্চায়েতে

    Andal: সরকারি প্রকল্পের সেড সহ দরজা-জানলা চুরি, খবর নেই পঞ্চায়েতে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দুষ্কৃতিরা চুরি করে নিয়ে গেছে বর্জ্য নিষ্কাশন প্রকল্পের সেড সহ দরজা জানালা। শুক্রবার ঘটনাটি সামনে আসে অন্ডালের কাজোরা পঞ্চায়েত (Andal) এলাকায়। পঞ্চায়েত প্রধান বলেন খবর নিয়ে দেখব। থানায় চুরির অভিযোগ জানানো হয়েছে। এখন তদন্ত শুরু করেছে স্থানীয় পুলিশ।

    অভিযোগ কি ?

    ২০১৮-১৯ সালে (Andal) কাজোরা গ্রামপঞ্চায়েতের রায়দত্ত কোপাডাঙ্গা এলাকায় আনুমানিক কুড়ি লক্ষ টাকা ব্যয়ে তৈরি হয়েছিল একটি কঠিন তরল বর্জ্য নিষ্কাশন প্রকল্প। দীর্ঘদিন অব্যবহৃত অবস্থায় পড়ে থাকার পর সম্প্রতি সেই প্রকল্পটিতে শুরু হয় বর্জ্য নিষ্কাশনের কাজ। কিন্তু প্রকল্পটি চালু হতেই দেখা দেয় বিশেষ বিতর্ক। খনি সংস্থা ইসিএলের একটি সার্ভে দল এলাকাটি পরিদর্শন করে জানায় প্রকল্পের এলাকাটি ইসিএলের। জায়গা ছেড়ে দেওয়ার কথা জানানো হয় পঞ্চায়েতকে। এরপরই প্রায় কিছুটা দূরে প্রকল্পটি স্থানান্তরিত করা হয়। কিন্তু প্রকল্প স্থানান্তর হলেও পুরনো প্রকল্পটির দরজা-জানলা-টিনের সেড সহ কাঠামোগুলি স্থানান্তর করা হয়নি। শুক্রবার সকালে স্থানীয়রা আচমকা দেখতে পায় পুরনো প্রকল্পের নির্মাণ সামগ্রী টিনের সেড, লোহার দরজা, জানালা কিছু নেই। সম্ভবত সেগুলি চুরি করে নিয়ে গেছে দুষ্কৃতিরা এমনটাই স্থানীয়দের অভিযোগ। এরপর চুরির খবর পৌঁছায় কাজোড়া পঞ্চায়েত দপ্তরে।

    পঞ্চায়েত প্রধানের ভূমিকা

    পঞ্চায়েত প্রশাসনের (Andal) পক্ষ থেকে এই দিন দুপুরে অন্ডাল থানায় চুরির ঘটনা জানিয়ে অভিযোগ দায়ের করা হয়। স্থানীয় পঞ্চায়েতের প্রধান প্রাণকৃষ্ট নুনিয়া জানান, রায়দত্ত কোপাডাঙ্গায় কঠিন তরল বর্জ্য নিষ্কাশন প্রকল্পটি তৈরি করা হয়েছিল কিন্তু ইসিএলের সাথে জায়গাটির মালিকানা নিয়ে ঝামেলা হওয়ার পরে পঞ্চায়েত তার প্রকল্পটি দূরে নিয়ে চলে যায়। সেড সহ কাঠামোগুলি পরে নতুন জায়গায় আনার পরিকল্পনা ছিল। আরও বলেন শুনলাম সেগুলি নাকি চুরি হয়েছে। আমি জানি না কি হয়েছে, গিয়ে খবর নিয়ে দেখতে হবে। তবে এদিন পঞ্চায়েত প্রধান বলেন স্থানীয়দের কাছ থেকে খবর পাই সেগুলি নাকি চুরি হয়ে গেছে। এলাকার মানুষ পঞ্চায়েত প্রশাসনের উদাসীনতাকে দায়ী করছেন। প্রশাসন সরকারি সম্পত্তির প্রতি কতটা দায়িত্বশীল সেই বিষয় নিয়েও প্রশ্ন উঠছে নানা মহলে। পরে অন্ডাল থানায় অভিযোগ দায়ের হলে তদন্ত শুরু হয়েছে বলে জানান এক আধিকারিক।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • ECL: খনি এলাকায় বাড়ছে ফাটল! নতুন করে ধসের আতঙ্কে এলাকাবাসী

    ECL: খনি এলাকায় বাড়ছে ফাটল! নতুন করে ধসের আতঙ্কে এলাকাবাসী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিগত কয়েকদিনে খনি অঞ্চলে অণ্ডাল ও পাণ্ডবেশ্বর এলাকায় বেশ কয়েকটি ধসের ঘটনা ঘটেছে। কয়েকদিন আগেই পাণ্ডবেশ্বরের অণ্ডাল থানার পড়াশকোল এলাকায় বহুলা – কাজোড়া যাওয়ার প্রধান রাস্তার উপর একাধিক জায়গায় বিশাল আকারে ফাটলের জেরে স্থানীয় বাসিন্দারা আতঙ্কিত হয়ে পড়েছিলেন। এমনকী আতঙ্কে অনেকে ঘরবাড়ি, দোকানপাট ছেড়ে পালাতে বাধ্য হন। সেই জের মিটতে না মিটতেই ই সি এল (ECL) এর কেন্দা এরিয়ার শংকরপুর খোলা মুখ খনি চত্বরে একাধিক জায়গায় ফাটল দেখা দেওয়ায় নতুন করে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। গত তিন-চারদিন ধরেই ফাটল ক্রমশ বাড়ছে। আর এতেই আতঙ্কিত এলাকাবাসী।

    কী বললেন স্থানীয় বাসিন্দারা?

    এক লরির চালক বলেন, ২৬ এপ্রিল রাত সাড়ে দশটা নাগাদ আচমকা এলাকাটা কেঁপে ওঠে। প্রথমে ভূমিকম্প ভেবেছিলাম। সকাল হতেই নজরে আসে এলাকার বিভিন্ন জায়গায় গভীর ফাটল। খবর দেওয়া হয় ই সি এলের (ECL) আধিকারিকদের। পাশাপাশি খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে আসে অণ্ডাল থানার বনবহাল ফাঁড়ির পুলিশ। সুরক্ষার খাতিরে সেই মুহূর্তে খনির কাজ বন্ধ রাখা হয়। কিন্তু, দুদিন কাজ বন্ধ রাখার পর ফের বিপদের ঝুঁকি নিয়েই শুরু হয় খনির কাজ। শুক্রবার আবার কেন্দা এরিয়ার শংকরপুর খোলা মুখ খনি এলাকায় ফের ফাটল শুরু হয়। শনিবার সেই পুরানো ফাটল বড় আকার নেওয়ায় আতঙ্ক ছড়ায় খনি চত্ত্বর এবং আশেপাশের গ্রামেও। স্থানীয় বাসিন্দারা বলেন, এই ফাটলের কারণে এলাকায় যেকোনও সময় ধস নামতে পারে। খনি এলাকার ৫০০ মিটার দূরে রয়েছে দুটি গ্রাম। যেভাবে দিনে দিনে খনি চত্ত্বর জুড়ে ফাটল দেখা দিচ্ছে, তাতে আগামীদিনে গ্রাম পর্যন্ত পৌঁছাতে পারে। সব দেখেও উদাসীন ই সি এল (ECL) কর্তৃপক্ষ। সিঁদুলি থেকে শীতলপুর যাওয়ার প্রধান রাস্তার দু’পাশেই দেখা দিয়েছে গভীর ফাটল। খনির চত্বর থেকে ৩০০ মিটার দূরে রয়েছে দিঘির বাগান নামক একটা জনবসতি। দিঘির বাগান এলাকার বাসিন্দা আরশাদ হোসেন বলেন, যেভাবে ধীরে ধীরে ফাটল বাড়ছে এবং আশেপাশের মাঠ ধীরে ধীরে বসছে তাতে আতঙ্কিত হওয়া স্বাভাবিক। আর এখন মেঘলা আবহাওয়া। বৃষ্টি নামলেই এই ফাটলই বড় ধসের আকার নেবে। এই নিয়ে ই সি এল (ECL) কর্তৃপক্ষকে বারবার জানানোর পরও কোনও কাজ হয়নি। অবিলম্বে ফাটল প্রতিরোধে কোনও ব্যবস্থা না নিলে বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটার আশঙ্কা রয়েছে। এই বিষয়ে ইসিএলের কেন্দা এরিয়ার জেনারেল ম্যানেজারের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে ফোন না ধরায় তাঁর প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share