Tag: Andre Russell

Andre Russell

  • T20 World Cup 2024: সেমির দোরগোড়ায় দক্ষিণ আফ্রিকা, শেষ ওভারে হেরে কঠিন লড়াই ইংল্যান্ডের

    T20 World Cup 2024: সেমির দোরগোড়ায় দক্ষিণ আফ্রিকা, শেষ ওভারে হেরে কঠিন লড়াই ইংল্যান্ডের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জমে উঠেছে সুপার এইটের লড়াই। গ্রুপ বি থেকে সেমিফাইনাল (T20 World Cup 2024) কার্যত নিশ্চিত দক্ষিণ আফ্রিকার। প্রথম দুটো ম্যাচে জিতে ৪ পয়েন্ট নিয়ে গ্রুপ শীর্ষে তাঁরা। আর প্রথম ২টো ম্যাচ হেরে এই গ্রুপ থেকে কার্যত বিদায় আয়োজক আমেরিকার। এখন লড়াই ওয়েস্ট ইন্জিজ আর ইংল্যান্ডের। শেষ ম্যাচে আমেরিকার বিপক্ষে জিততেই হবে ফিল সল্টদের। অন্যদিকে দক্ষিণ আফ্রিকাকে শেষ ম্যাচে হারিয়ে দিলে সেমিফাইনালেও দেখা যাবে ক্যালিপসোর মূর্ছনা। এই গ্রুপে একটি করে ম্যাচ জিতে ওয়েস্ট ইন্ডিজ (West Indies) ও ইংল্যান্ড উভয়েরই পয়েন্ট ২। 

    দক্ষিণ আফ্রিকার দাপট

    দক্ষিণ আফ্রিকার (T20 World Cup 2024) বিরুদ্ধে ইংল্যান্ড টস জিতে প্রথমে বোলিংয়ের সিদ্ধান্ত নেয়। প্রথমে ব্যাট করতে নেমে দক্ষিণ আফ্রিকা শুরুটা ভালো করেছিল। তাদের ওপেনিং জুটি ৮৬ রান করে। কিন্তু ভালো শুরু করেও সেটা ধরে রাখতে পারেনি তারা। কুইন্টন ডি কক ৬৫ রান করেন ওপেন করতে নেমে। নির্ধারিত ২০ ওভারে ৬ উইকেট হারিয়ে দক্ষিণ আফ্রিকা করে ১৬৩ রান। জোফ্রা আর্চার নেন তিনটে উইকেট। বিশ্বজয়ীদের সামনে ১৬৪ রানের টার্গেট বড় ছিল না। কিন্তু ফিল সল্ট ফ্লপ হতেই ইংল্যান্ডের পারফরম্যান্সও আশানুরূপ হল না। রান তাড়া করতে নেমে ফিল সল্ট ও জস বাটলারের জুটি ১৫ রান করে। ফিল সল্ট এদিন মাত্র ১১ রান করেন। বাটলার ১৭ রান করে ফেরেন। জনি বেয়ারস্টো ব্যর্থ হন। তিনি করেন ১৬ রান। একটা সময় ১০ ওভারে ৬১ রানে চার উইকেট হারিয়ে ফেলেছিল ইংল্যান্ড। সেখান থেকে দলকে টানেন হ্যারি ব্রুক। বিরতির পর জাতীয় দলে ফিরে তিনি দলকে জয়ের দোরগোড়ায় নিয়ে যান। ৫৩ রানে আউট হন তিনি। তাঁর সঙ্গে পার্টনারশিপ তৈরি করেন লিয়াম লিভিংস্টোন। তিনি করেন ৩৩ রান। নির্ধারিত ২০ ওভারে ৬ উইকেট হারিয়ে ১৫৬ রান করে ইংল্যান্ড। ৭ রানে জিতে যায় দক্ষিণ আফ্রিকা। তাদের হয়ে দুটো করে উইকেট নেন কাগিসো রাবাডা ও কেশব মহারাজ। এই জয়ের ফলে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের (T20 World Cup 2024) সেমিফাইনাল কার্যত নিশ্চিত দক্ষিণ আফ্রিকার।

    হোপের ব্যাটে ক্যালিপসোর সুর

    সুপার এইটে ওয়েস্ট ইন্ডিজ (West Indies) ৯ উইকেটে হারাল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে (USA)। প্রথমে ব্যাট করে আমেরিকা করে ১২৮ রান। জবাবে  রান তাড়া করতে নেমে ওয়েস্ট ইন্ডিজ ১ উইকেট হারিয়েই জয়ের জন্য প্রয়োজনীয় রান তুলে ফেলে। মাত্র ৩৯ বলে ৮২ রান করে অপরাজিত থেকে যান শাই হোপ। ওপেন করতে নেমে একাই মারলেন ৮টি ছক্কা। নিকোলাস পুরান মাত্র ১২ বলে ২৭ রানে অপরাজিত থেকে যান। তিনিও হাঁকান ৩টি ছক্কা। এই জয়ের ফলে শেষ চারে ওঠার দৌড়ে টিকে রইল ওয়েস্ট ইন্ডিজ। আর টানা দুটো ম্যাচ হেরে আমেরিকার বিদায় প্রায় নিশ্চিত হয়েই গেল। 

  • Andre Russell: বলিউডে আত্মপ্রকাশ রাসেলের, ‘বালিকা বধূ’র সঙ্গে দুরন্ত নাচ

    Andre Russell: বলিউডে আত্মপ্রকাশ রাসেলের, ‘বালিকা বধূ’র সঙ্গে দুরন্ত নাচ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শুধু বাইশ গজেই নয়, বলিউড মাতাতে আসছেন আন্দ্রে রাসেল (Andre Russell)। কেকেআর তারকাকে খুব শীঘ্রই দেখা যাবে একটি মিউজিক ভিডিওতে। এর আগে ক্রিস গেইল, ডোয়েন ব্র্যাভোকে দেখা গিয়েছিল বলিউডে এবার পালা রাসেলের। ‘বালিকা বধূ’ খ্যাত অভিনেত্রী অভিকা গরের সঙ্গে রাসেলের মিউজিক ভিডিয়োটির টিজার আপাতত অনলাইনে ভাইরাল হয়ে গিয়েছে।

    কবে আসছে নয়া ভিডিও

    স্রেফ ক্রিকেটেই জীবন শেষ হয় না ক্যারিবিয়ানদের। ফের একবার তা প্রমাণ করলেন আন্দ্রে রাসেল (Andre Russell)। মাঠে যেভাবে চার-ছক্কা মারেন একইরকম ভাবে ঝড় তুললেন বলিউডেও। ভয়লা ডিগ ব্যানারের অধীনে আন্দ্রে রাসেলের ভিডিওটি মুক্তি পাবে ৯ মে। তার আগেই এর টিজার ব্যাপক সাড়া ফেলেছে। পলাশ মুচ্চাল দ্বারা সুর করা এই মিউজিক ভিডিয়োটিতে একসঙ্গে রয়েছে ক্য়ারাবিয়ান ও বলিউডের মিশেল। ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগে (আইপিএল) তাঁর বিস্ফোরক ব্যাটিং বরাবরই প্রিয় ক্রিকেটপ্রেমীদের কাছে। হিন্দি গানের প্রতি তাঁর প্রেমও কারও অজানা নয়। এবার হিন্দি সংগীতের জগতে রাসেলের পা রাখতে চলা বেশ উত্তেজনা তৈরি করেছে।

    কিছুদিন আগেই শাহরুখ খানের লুট পুট গ্যয়া গেয়ে সকলকে চমকে দিয়েছিলেন রাসেল। এমনকী প্রশংসা পেয়েছিলেন শাহরুখ খানের থেকেও। দু’বারের আইপিএল চ্যাম্পিয়ন কলকাতা নাইট রাইডার্সের সোশ্যাল মিডিয়ায় সেই ভিডিয়োটি শেয়ার করা হয়। এবার পলাশের ভিডিওতে দেখা যাবে রাসেলকে। স্মৃতি মান্ধানার প্রেমিক পলাশ রাসেলকে নিয়ে এসেছেন অন্য জগতে। ‘লড়কি তু কামাল কি’ নামের মিউজিক ভিডিয়োতে দেখা যাবে রাসেলকে। কোন ভূমিকায়, তা অবশ্য এখনও ভাঙেননি পলাশ।

    আন্দ্রে রাসেল (Andre Russell) কেকেআরের অত্যন্ত জনপ্রিয় ক্রিকেটার। দীর্ঘদিন খেলছেন বেগুনি জার্সিতে। তাঁর খারাপ সময়ে শাহরুখ পাশে ছিলেন, এ কথাও একবার বলেছিলেন রাসেল। এ বারের আইপিএলে দুরন্ত পারফর্ম করছেন রাসেল। ব্যাট-বল হাতে বেশ সফল। কেকেআরকে ১০ বছর পর আবার চ্যাম্পিয়ন করার জন্য মরিয়া রাসেল অ্যান্ড কোং। এর মধ্যে রাসেলকে অন্য রূপে দেখে পাগল নেটিজেনরা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • IPL 2024: বোলারদের দিনে ৪ উইকেট নিয়ে জবাব স্টার্কের, এক যুগ পর ওয়াংখেড়েতে জয় কলকাতার

    IPL 2024: বোলারদের দিনে ৪ উইকেট নিয়ে জবাব স্টার্কের, এক যুগ পর ওয়াংখেড়েতে জয় কলকাতার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দীর্ঘ এক যুগ পর ওয়াংখেড়েতে জয়ের খরা কাটল কলকাতার। ১২ বছর পরে ওয়াংখেড়েতে মুম্বই ইন্ডিয়ান্সকে হারাল কলকাতা নাইট রাইডার্স। ২০১২ আইপিএলে এক বারই গৌতম গম্ভীরের নেতৃত্বে ওয়াংখেড়েতে মুম্বইয়ের বিরুদ্ধে সাফল্য পেয়েছিল নাইটরা। সেই রাত ফিরে এল, এখন মাঠে নয় ডাগ আউটে বসে গৌতম গম্ভীর। ম্যাচ শেষে নাইট মেন্টরের মুখে তৃপ্তির হাসি। তৃপ্ত ২০১২তে ম্যাচ জেতানোর নায়ক সুনীল নারিন। সে বার ৪ উইকেট নিয়েছিলেন নারিন। এবার ৪ উইকেট নিলেন চলতি আইপিএলে সবচেয়ে দামি প্লেয়ার মিচেল স্টার্ক। 

    ম্যাচ আপডেট

    টসে জিতে শুক্রবার প্রথমে বল করার সিদ্ধান্ত নেন মুম্বই অধিনায়ক হার্দিক পান্ডিয়া। সেই সিদ্ধান্ত কাজে লাগে। ১৬৯ রানে কলকাতাকে বেঁধে ফেলে জসপ্রীত বুমরারা ৷ কলকাতার ভেঙ্কটেশ আইয়ার ৭০ রানের অনবদ্য ইনিংস খেলেন ৷ ইমপ্যাক্ট প্লেয়ার হিসেবে নেমে ৪২ রান করেন মনীশ পাণ্ডে ৷ পালটা রান তাড়া করতে নেমে মুম্বইয়ের একমাত্র সূর্যকুমারের ব্যাট চলে ৷ ৫৬ রান করে আউট হন স্কাই ৷ আর ২৪ রান করেন টিম ডেভিড ৷ বাকি টপ থেকে মিডল ও টেল-এন্ডার ব্যাটারের ব্যক্তিগত সর্বোচ্চ অবদান ১৩ রান ৷ কলকাতার হয়ে এদিন সফল বোলার স্টার্ক। ৩.৫ ওভারে ৩৩ রান দিয়ে ৪ উইকেট তুলে নেন তিনি। ৪ ওভার বল করে ২২ রান দিয়ে ২ উইকেট নিয়েছেন বরুণ চক্রবর্তী ও সুনীল নারিন। ৩০ রান দিয়ে রাসেলও নিয়েছেন ২ উইকেট। ১৮.৫ ওভারে ১৪৫ রানে অলআউট হয়ে যায় মুম্বই ইন্ডিয়ান্স। ২৪ রানে ম্যাচ জিতে প্লে-অফের একেবারে কাছে পৌঁছে যায় কেকেআর। 

    সফল স্টার্ক

    বিশ্বকাপের সফল বোলার কেকেআর-এর হয়ে সব সমালোচনার জবাব দিলেন মিচেল স্টার্ক। বিপুল পরিমাণ অর্থ ব্যয়ে কেনা মিচেল স্টার্ক টুর্নামেন্টের শুরুতে একেবারেই ভালো পারফরম্যান্স করতে পারেননি। সেই স্টার্ককে শুক্রবার রাতে পাওয়া গেল অন্য রকম ফর্মে। ম্যাচে চার উইকেট নিয়ে গড়ে ফেললেন এক অনন্য নজির। আইপিএলে কলকাতা নাইট রাইডার্সের ইতিহাসে মুম্বইয়ের বিরুদ্ধে যেসব বোলাররা এক ম্যাচে চার বা তার বেশি উইকেট নেওয়ার নজির গড়েছেন তাদের তালিকায় নাম নথিভুক্ত করালেন স্টার্ক। স্টার্ক‌ ছাড়া এই তালিকায় রয়েছেন আর মাত্র দুই জন। একজন সুনীল নারিন। যিনি আবার এই তালিকায় দু’বার জায়গা পেয়েছেন। অপর জন জনপ্রিয় অলরাউন্ডার আন্দ্রে রাসেল। এদিন গ্যালারি থেকে স্বামী স্টার্কের প্রত্যাবর্তন দেখলেন স্ত্রী তথা অজি মহিলা ক্রিকেট দলের অধিনায়ক অ্যালিসা হিলি৷ 

    প্লে অফের পথে কলকাতা

    শুক্রবার মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের ঘরের মাঠে, তাদের হারিয়েই প্লে-অফের রাস্তা একেবারে মজবুত করে ফেলল কলকাতা নাইট রাইডার্স। ১০ ম্যাচে তাদের পয়েন্ট এখন ১৪। রাজস্থানের ঘাড়েই এবার নিঃশ্বাস ফেলছে কেকেআর। ১০টির মধ্যে ৭টিতে জিতেছে কলকাতার দল। তিনটি ম্যাচে তারা হেরেছে। পয়েন্ট টেবলের দুই নম্বরেই রয়েছে নাইটরা। শ্রেয়স আইয়ারের নেতৃত্বাধীন দলের নেট রানরেট +১.০৯৮। এক নম্বর জায়গা ধরে রেখেছেন সঞ্জু স্যামসনরা। ১০ ম্যাচ খেলে আটটিতেই জয় ছিনিয়ে নিয়েছে রাজস্থান। দু’টি ম্যাচ হেরেছে তারা। ১৬ পয়েন্ট নিয়ে লিগ টেবলের শীর্ষস্থানের দখল রেখেছে সঞ্জুর দল। তাদের নেট রানরেট +০.৬২২। একই সঙ্গে এদিন ম্যাচ হেরে আইপিএল থেকে বিদায়ের ঘণ্টা প্রায় নিশ্চিত হার্দিকের মুম্বইয়ের। 


    দুই দলই অল আউট

    চলতি আইপিএলে যেন প্রতি ম্যাচেই রান‌ বন্যার সাক্ষী থেকেছেন দর্শকেরা। এক এক ম্যাচে তৈরি হয়েছে এক একটি ব্যাটিং রেকর্ড। প্রতি ম্যাচেই বোলারদের কপালে জুটেছে বেদম পেটানি। উল্টো ছবি দেখা গেল কেকেআর বনাম মুম্বই ম্যাচে। এদিন অল আউট হয়েছে দুই দল। ১৭ বছরের আইপিএল ইতিহাসে মাত্র চারটি ম্যাচে দুই দলই অল আউট হয়ে গিয়েছে। প্রথমবার এই ঘটনা ঘটেছিল আইপিএল শুরুর বছর দুই পরে। ২০১০ সালে এই ঘটনা প্রথম ঘটে নাগপুরে দিল্লি বনাম রাজস্থান ম্যাচে। দ্বিতীয় ঘটনা ঘটে প্রথম ঘটনার ৭ বছর বাদে। ২০১৭ সালে এই ঘটনা ঘটেছিল কলকাতাতে নাইট রাইডার্স বনাম আরিসিবি ম্যাচে। পরের বছর অর্থাৎ ২০১৮ সালে এই ঘটনা ফের ঘটে মুম্বই ইন্ডিয়ান্স বনাম সানরাইজার্স হায়দরাবাদের ম্যাচে। তালিকায় সর্বশেষ জায়গা করে নিল ২০২৪ সালে ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামে মুম্বই বনাম কলকাতার ম্যাচটি।

    কী বললেন অধিনায়করা

    এদিন ম্যাচে হেরে নিজের হতাশা প্রকাশ করেন মুম্বই দলের অধিনায়ক হার্দিক পান্ডিয়া। ম্যাচের পরে মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের ক্যাপ্টেন বলেন, ‘আমি বলতে চাই যে, ব্যাটিং ইনিংসে আমরা পার্টনারশিপ গড়তে পারিনি এবং পরপর উইকেট হারাচ্ছিলাম, টি-টোয়েন্টিতে আপনি যদি পার্টনারশিপ না করেন, তাহলে আপনার ক্ষতি হবেই।’ ম্যাচ শেষে তৃপ্ত নাইট অধিনায়ক শ্রেয়স আইয়ার বলেন, ‘আমরা আপাতত প্লে-অফের দরজায় রয়েছি। এই ম্যাচে অনেক কিছুই মাথায় ঘুরছিল। হারলে কী হতে পারে, এসবও ঘুরছিল। এক যুগ পর এখানে জিতলাম, এই পরিসংখ্যান আমার জানা ছিল না।’ আইপিএলে ইমপ্যাক্ট প্লেয়ার নিয়মেরও প্রশংসা শোনা যায় শ্রেয়সের কথায়। এদিন ব্যাটিংয়ে বিপর্যয়ের সামনে পড়েছিল কেকেআর। মণীশ পান্ডেকে ইমপ্যাক্টে নামানো হয়। ভেঙ্কটেশ আইয়ার ও মণীশ পান্ডে জুটিতে ৮৩ রান যোগ হয়। কেকেআর ইনিংসে সেটাই টার্নিং পয়েন্ট। শ্রেয়সের কথায়, ‘ইমপ্যাক্ট প্লেয়ার নিয়ম এই ম্যাচে আমাদের দারুণ ভাবে সাহায্য করেছে। প্রথম ম্যাচ থেকেই মণীশ সুযোগের অপেক্ষায় ছিল। ওর জন্যই লড়াই করার মতো স্কোরে পৌঁছতে পেরেছি।’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • RCB vs KKR: পরপর দু-ম্যাচে জয়, আরসিবি-কে সাত উইকেটে হারিয়ে পয়েন্ট টেবিলে দুই নম্বরে কেকেআর

    RCB vs KKR: পরপর দু-ম্যাচে জয়, আরসিবি-কে সাত উইকেটে হারিয়ে পয়েন্ট টেবিলে দুই নম্বরে কেকেআর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গৌতম গম্ভীরের যাদু হোক বা রাসেলের মস্তিষ্ক অথবা দলীয় সংহতি, চলতি আইপিএলে দুরন্ত শুরু করেছে কলকাতা নাইট রাইডার্স। ইডেনে হায়দরাবাদের বিপক্ষে রুদ্ধশ্বাস জয়ের পর চিন্নাস্বামীতে বিরাটদের বিপক্ষে একাধিপত্য বজায় রেখে জিতল নাইটরা। পরপর দুই ম্যাচ জিতে আইপিএলের পয়েন্ট টেবিলে দ্বিতীয় স্থানে উঠে এল কেকেআর। 

    অ্যাওয়ে ম্যাচে প্রথম জয়

    ট্রেন্ড ভাঙল অবশেষে। এবারের আইপিএলে এই প্রথম নিজেদের ঘরের মাঠে কোনও দল হারল। এর আগে সব ম্যাচে জিতেছিল হোম টিম। কলকাতা নাইট রাইডার্স আরসিবিকে চিন্নাস্বামী স্টেডিয়ামে হারিয়ে সেই ট্রেন্ড ভেঙে দিল। ২০১৫ সালের পর থেকে বেঙ্গালুরুর মাঠে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরুর কাছে হারেনি কলকাতা নাইট রাইডার্স। এই নিয়ে বেঙ্গালুরুর মাঠে টানা ছ’টি ম্যাচ জিতল কলকাতা।

    বিরাট-ব্যাট

    একতরফা ম্যাচে ব্যাটে-বলে দুরন্ত পারফর্ম করে শনিবার অ্যাওয়ে গেমে সহজ জয় পেল কলকাতা নাইট রাইডার্স। বেঙ্গালুরুকে সাত উইকেটে হারায় নাইটরা। দল হারলেও এদিন চওড়া ছিল বিরাটের ব্যাট। আসন্ন টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে তাঁর ব্যাট যে ভারতকে ফের ভরসা জোগাবে তা এদিন বুঝিয়ে দিয়েছেন কিং কোহলি। অধিনায়ক কোহলি কেন তাঁকে সদা পাশে চান তা-ও বুঝিয়েছেন বিরাট।

    আরও পড়ুন: ঝগড়া অতীত, হাসিমুখে আলিঙ্গন! আইপিএল ম্যাচের মধ্যেই কোহলিকে জড়িয়ে ধরলেন গম্ভীর

    ম্যাচ আপডেট

    এদিন ম্যাচে টস জিতে প্রথমে বোলিং করার সিদ্ধান্ত নেন কেকেআর। আরসিবির ব্যাটিংয়ে এদিন কার্যত একা লড়াই করে সর্বোচ্চ স্কোর করলেন বিরাট কোহলি। ৫৯ বলে ৮৩ রানের ইনিংস খেলেন কোহলি। ৪টি চার ও ৪টি ছয় মারেন তিনি। বিরাট ছাড়া ক্যামেরন গ্রিন ৩৩, গ্লেন ম্যাক্সওয়েল ২৮ ও দীনেশ কার্তিক ২০ রান করেন। শেষ পর্যন্ত ২০ ওভারে ৬ উইকেট হারিয়ে ১৮২ রান করে আরসিবি। কলকাতার হয়ে দুটি করে উইকেট নেন হর্ষিত রানা ও আন্দ্রে রাসেল। বেঙ্গালুরুর ১৮২ রানের জবাবে কলকাতা ১৯ বল আগেই জয়ের রান তুলে দেয়। কাজে আসে না আইপিএলে কোহলির ৫২তম অর্ধশতরান। কলকাতার এই জয় বিশেষ অবদান রয়েছে তিন ব্যাটারের। শুরু থেকে নারিন (৪৭) ও ফিল সল্ট (৩০) যেভাবে খেলছিলেন তাতে বোঝাই গিয়েছে কলকাতা আজও ছন্দে রয়েছে। শেষদিকে শ্রেয়স (৩৯) ও ভেঙ্কটেশ (৫০) যা খেলেছেন তাতেই খেলার পার্থক্য হয়ে গিয়েছে।

    নারিনের ৫০০ ম্যাচ

    নিজের ৫০০তম টি-টোয়েন্টি ম্যাচ স্মরণীয় করে রাখলেন কেকেআরের ক্যারিবিয়ান অলরাউন্ডার। এদিন, নারিন ২২ বলে ৪৭ রানের ইনিংসে মেরেছেন ৫টি ছক্কা ও দুটি চার। তবে এই ম্যাচে জয়ের কৃতিত্ব নারিন ছাড়াও রাসেলকে দিলেন ক্যাপ্টেন শ্রেয়স। তিনি জানান, বোলিংয়ের সময় এদিন কেকেআর প্রচুর স্লোয়ার বল করেছে। পেসারেরা ক্রমাগত স্লোয়ার দেন যাতে রান তোলা কঠিন হয়ে যায়। এই বুদ্ধি বেরিয়েছে রাসেলের মাথা থেকেই। শ্রেয়স বলেন, “ম্যাচ শুরুর কিছু ক্ষণ পরেই রাসেল এসে আমাদের বলে দিয়েছিল, এই উইকেট থেকে বোলারদের বিশেষ কিছু পাওয়ার নেই। তাই আমরা স্লোয়ার বলের পরিকল্পনা করেছিলাম। এত দ্রুত পরিস্থিতি বুঝে যাওয়া এবং সেটা কাজে লাগানো, এটা দেখে দারুণ লেগেছে।”  এরপর শ্রেয়সের মুখে শোনা যায় নারিনের প্রশংসা। তাঁর কথায়, “নারিন মাঠে নামলে ওর একটাই কাজ, বল মাঠের বাইরে পাঠানো। যত বেশি সম্ভব রান করাই ওর কাজ। আজকের ইনিংসটা তার আদর্শ উদাহরণ। ওকে দিয়ে ওপেন করাব কি না সেটা ম্যাচের আগে ভাবনাচিন্তা করেছি। কিন্তু আজকের ইনিংসটা খুব ভাল।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • IPL 2023: শেষ বলে নাইটদের নায়ক রিঙ্কু! রাসেল থেকে রানা সকলেই দিলেন সার্টিফিকেট

    IPL 2023: শেষ বলে নাইটদের নায়ক রিঙ্কু! রাসেল থেকে রানা সকলেই দিলেন সার্টিফিকেট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রবল আকুতি ইডেনের জনতার। রিঙ্কু… রিঙ্কু…শব্দব্রহ্ম তখন গ্যালারি জুড়ে। জয়ের জন্য কলকাতা নাইট রাইডার্সের প্রয়োজন ১ বলে ২ রান। রিঙ্কু পারবেন, এই বিশ্বাস ছিল সমর্থকদের। কারণ, এই আইপিএলেই (IPL 2023) তিনি গুজরাটের বিরুদ্ধে অসাধ্য সাধন ঘটিয়েছিলেন শেষ পাঁচ বলে পাঁচটি ছক্কা হাঁকিয়ে। এবারও হতাশ করলেন না বাঁহাতি রিঙ্কু। শেষ বলে তিনি বাউন্ডারি হাঁকিয়ে ফের জেতালেন দলকে। পাঞ্জাব কিংসকে ৫ উইকেটে হারানোর সুবাদে জেগে রইল প্লে-অফে ওঠার আশাও।  ১১ ম্যাচ খেলে কেকেআরের সংগ্রহ ১০ পয়েন্ট। রয়েছে পঞ্চম স্থানে। 

    রিঙ্কুর বিশ্বাস

    ম্যাচ শেষে রিঙ্কু বলছিলেন, ‘আমি শেষ বল নিয়ে ভাবিনি। পাঁচ ছক্কার ম্যাচেও একইভাবে ব্যাট করেছিলাম। অর্শদীপের শেষ ডেলিভারিতে শট খেলেই দৌড়ে গিয়েছিলাম সিঙ্গলস নিতে। কারণ, মাথায় ছিল এক রান হলেও ম্যাচটা টাই হবে। তখন সুযোগ মিলবে আরও একবার। কিন্তু নন স্ট্রাইকার এন্ডে গিয়ে দেখলাম বলটা বাউরন্ডারি লাইন টপকে গিয়েছে। দলকে এমন একটা জয় এনে দিতে পেরে ভীষণই ভালো লাগছে। আসলে এই পরিস্থিতি মোকাবিলা করার জন্য অনুশীলনে অনেক পরিশ্রম করি। তারই সুফল পাচ্ছি।’

    রাসেল-রানার সার্টিফিকেট

    দলকে জিতিয়ে কেকেআর (IPL 2023) সমর্থকদের হৃদয় জিতলেন রিঙ্কু সিং। আর ২৩ বলে ৪২ রানের ঝোড়ো ইনিংসের সুবাদে ম্যাচের সেরা হলেন রাসেল। তবে তাঁর সামনেও ম্যাচ শেষ করার সুযোগ ছিল। ২ বলে যখন ২ রান দরকার, তখন অহেতুক সিঙ্গলস নিতে গিয়ে রান আউট হন রাসেল। দল চাপে পড়ে যায়। কিন্তু কেন তিনি এমনটা করতে গেলেন? রাসেল জানিয়েছেন, ‘আমার ইচ্ছা ছিল রিঙ্কু ম্যাচটা ফিনিশ করুক। ও দুর্দান্ত এক ক্রিকেটার। ও ভালো ফিনিশারও। তাই সিঙ্গলস নিতে চেয়েছিলাম। তার আগে আমাদের মধ্যে আলোচনাও হয়েছিল। রিঙ্কু জিজ্ঞাসা করেছিল, তুমি যদি বলটা ব্যাটে লাগাতে না পারো, তাহলে কি দৌড়ে রান নেবে? আমি রাজি হয়েছিলাম। তবে জয়টা আমার ব্যাটেই আসা উচিত ছিল। কিন্তু অর্শদীপের ডেলিভারি ছিল অসাধারণ।’

    আরও পড়ুন: বাতাস থেকে জলীয় বাষ্প শুষে নিচ্ছে ‘মোকা’! দক্ষিণবঙ্গ জুড়ে তাপপ্রবাহের ভ্রুকুটি

    কেকেআর অধিনায়ক নীতীশ রানাও প্রশংসায় ভরিয়েছে রিঙ্কু সিংকে। তিনি বলেছেন, ‘আগে ইডেনের গ্যালারি চিৎকার করত রাসেল, রাসেল বলে। এখন রিঙ্কু, রিঙ্কু করছে। একজন ক্রিকেটারের এর চেয়ে বড় প্রাপ্তি আর কী-ই বা হতে পারে।’

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Andre Russell: লক্ষ্য দেশের হয়ে দুটো বিশ্বকাপ! জানেন কী বললেন কেকেআর তারকা আন্দ্রে রাসেল

    Andre Russell: লক্ষ্য দেশের হয়ে দুটো বিশ্বকাপ! জানেন কী বললেন কেকেআর তারকা আন্দ্রে রাসেল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ওয়েস্ট ইন্ডিজের হয়ে খেলতে চান। জিততে চান বিশ্বকাপ। দেশের জার্সিতেই শতরান সবচেয়ে বেশি তৃপ্তি দেয় জানালেন ক্যারিবিয়ান তারকা ক্রিকেটার আন্দ্রে রাসেল। দেশের হয়ে শেষ ২০২১ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপেই খেলেছিলেন তিনি। তারপর আর খয়েরি-হলুদ জার্সি গায়ে বাইশ গজে নামা হয়নি রাসেলের। সম্প্রতি জাতীয় দলের কোচ ফিল সিমন্সের সঙ্গে মনোমালিন্যের জেরে রাসেলের জাতীয় দলে ফেরা নিয়ে প্রশ্নচিহ্ন দেখা দেয়। তবে সব জল্পনা উড়িয়ে দিয়ে আইপিএলে কলকাতার হয়ে খেলা তারকা অলরাউন্ডার রাসেল নিজেই জানিয়ে দেন, জাতীয় দলে ফেরার জন্য মুখিয়ে রয়েছেন তিনি।  

    সম্প্রতি ক্যারিবিয়ান কোচ ফিল সিমন্স বলেছিলেন, “দেশের হয়ে খেলার জন্য আমি দ্বারে দ্বারে গিয়ে সকলকে বলতে পারব না”। টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ওয়েস্ট ইন্ডিজ দল সম্পর্কে বলতে গিয়ে এভাবেই বিরক্তি প্রকাশ করেছিলেন সিমন্স। আন্দ্রে রাসেল, সুনীল নারাইনের মতো যাঁরা দেশের হয়ে না খেলে ফ্রাঞ্চাইজি ক্রিকেট খেলে বেড়ান, মূলত তাঁদের দিকেই ইঙ্গিত করে এ কথা বলেছিলেন কোচ। তবে, কোচের কথার জবাব দিতে খুব বেশি দেরি করেননি রাসেল।

    সোশ্যাল মিডিয়ায় ক্যারিবিয়ান অলরাউন্ডার লিখেছিলেন, ‘জানতাম এ রকম কিছুই আসবে, তবে আমি চুপ থাকব।’ তার এই কথার পাশে ছিল রাগের চারটি ইমোজি। পরে অবশ্য সেই পোস্ট মুছে ফেলেন রাসেল। পোস্ট মুছে ফেললেও কোচের সঙ্গে মনোমালিন্যের গুঞ্জন মাথাচাড়া দিচ্ছিল। তার মধ্যেই রাসেলের এই কথা, ফের বিতর্ক উসকে দিল। 

    আরও পড়ুন: এএফসি চ্যাম্পিয়নশিপে ব্রাত্য কেরলের মহিলা ফুটবল দল! প্রধানমন্ত্রীকে আবেদন

    রাসেল এখন খেলছেন ইংল্যান্ডের ‘দ্য হানড্রেড’-এ। সেখানেই একটি ম্যাচের আগে ধারাভাষ্যকার ড্যারেন স্যামির সঙ্গে কথা বতে গিয়ে এই অভিমত ব্যক্ত করেন রাসেল। তিনি বলেন, “অহেতুক সমালোচনা করা হচ্ছে। আমাদের মধ্যে একটি পরিষ্কার আলোচনা হয়েছিল। তারপরও এ ধরনের কথা। তবে, আমি চুপই থাকব, ড্যারেন।”

    ২০১২ ও ২০১৬ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে স্যামির নেতৃত্বে ওয়েস্ট ইন্ডিজ বিশ্বসেরার খেতাব জিতেছিল। সে দুই বিশ্বকাপেই ওয়েস্ট ইন্ডিজের গুরত্বপূর্ণ খেলোয়াড় ছিলেন রাসেল। প্রাক্তন অধিনায়ককে রাসেল মনের কথা বলেন। তিনি জানান, “এমন নয় যে আমাকে নতুন করে শুরু করতে হবে। বয়স ৩৪ হয়ে গেছে, আমি ওয়েস্ট ইন্ডিজের হয়ে অন্তত আরও একটি কিংবা দুটি বিশ্বকাপ জিততে চাই।”

LinkedIn
Share