Tag: anganwadi

anganwadi

  • Child Nutrition: ভাত-রুটিতে পেট ভরানো নয়, চাই ‘রামধনু খাবার’! শিশুর পাতে কী কী থাকা জরুরি?

    Child Nutrition: ভাত-রুটিতে পেট ভরানো নয়, চাই ‘রামধনু খাবার’! শিশুর পাতে কী কী থাকা জরুরি?

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    পুষ্টিকর খাবার সরাবরাহতেই দায়িত্ব শেষ নয়। বরং পুষ্টির সামগ্রিক দায়িত্ব অঙ্গনওয়ারি কেন্দ্রের। বিশেষত শিশু এবং মহিলাদের পুষ্টির ঘাটতির দিক বিশ্লেষণ করা, স্থানীয় খাদ্যাভ্যাস বুঝে, প্রয়োজনীয় খাবার খাওয়ার পরামর্শ দেওয়া এবং স্বাস্থ্যের উন্নতির উপরে নজরদারি, এই সবকিছুই অঙ্গনওয়ারি কেন্দ্রের হাত ধরেই হবে।
    সেপ্টেম্বর মাস জাতীয় পুষ্টি মাস।‌ দেশজুড়ে স্বাস্থ্য ও পুষ্টি সম্পর্কে সচেতনতা কর্মসূচি চালানো হবে। আর কেন্দ্রীয় সরকারের তরফে জানানো হয়েছে, পুষ্টি সম্পর্কে সচেতনতা বাড়াতে এবং পুষ্টি সংক্রান্ত সমস্যা সমাধানে সবচেয়ে অগ্রনী ভূমিকায় থাকবে অঙ্গনওয়ারি কেন্দ্র!

    কেন অঙ্গনওয়ারি কেন্দ্রগুলোকে বাড়তি গুরুত্ব?

    স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গিয়েছে, দেশ জুড়ে ১৪ লাখের বেশি অঙ্গনওয়ারি কেন্দ্র রয়েছে। এই কেন্দ্রগুলো নিয়মিত প্রায় ৮ কোটি শিশুর কাছে নিয়মিত পুষ্টিকর খাবার পৌঁছে দেয়। তাই ভারতীয় শিশুদের পুষ্টির সমস্যা কমাতে সবচেয়ে বড় হাতিয়ার হতে পারে অঙ্গনওয়ারি কেন্দ্র। শুধু খাবার সরাবরাহের দায়িত্বেই বিষয়টি সীমাবদ্ধ না রেখে, তাই আরও বড় দায়িত্বের পথে হাঁটার পরিকল্পনা রয়েছে।
    স্বাস্থ্য প্রশাসনের একাংশ জানাচ্ছেন, পুষ্টিকর খাবার কী, কোন ধরনের খাবার খাওয়া উচিৎ, কোনটা এড়িয়ে চলা দরকার, বিশেষত, তাজা খাবার গরম রান্না করে খেলে কী ধরনের বাড়তি পুষ্টি পাওয়া যায়, এই সম্পর্কে একেবারে তৃণমূল স্তর থেকে সচেতনতা বাড়াতে সাহায্য করবে অঙ্গনওয়ারি কেন্দ্র। পাশপাশি, শিশুদের স্বাস্থ্যের উন্নতি হচ্ছে কিনা, পুষ্টি পাচ্ছে কিনা, বিকাশ সময়োপযুক্ত কিনা, সেগুলো নিয়মিত যাচাই করবে অঙ্গনওয়ারি কেন্দ্র। কারণ, তাঁদের স্থানীয়দের সঙ্গে যোগাযোগ সহজ। নিয়মিত দেখা হওয়ার সুযোগ বেশি।‌
    শিশুদের পাশপাশি অঙ্গনওয়ারি কেন্দ্র থেকেই গর্ভবতী মায়েদের পুষ্টির সচেতনতা পাঠ দেওয়া হবে। মা ও গর্ভস্থ শিশুর সুস্থ জীবনের জন্য কোন ধরনের খাদ্যাভ্যাস জরুরি, সেটা বোঝানো ও সেদিকে নজরদারির দায়িত্ব থাকবে।

    শিশুর পুষ্টিতে অঙ্গনওয়ারির গুরুত্ব কতখানি?

    স্বাস্থ্য মন্ত্রক সূত্রে জানা গিয়েছে, সদ্যোজাত থেকে শিশুর ছ’বছর বয়স পর্যন্ত পুষ্টির অনেকটাই দায়িত্ব অঙ্গনওয়ারি কেন্দ্রের উপরে থাকছে। একবেলা খাবার দেওয়ার পাশপাশি, বিকাশের পর্যবেক্ষণ করা, অভিভাবকদের পুষ্টি সম্পর্কে সচেতন করা এবং প্রাক প্রাথমিক পর্বে শিশুর মস্তিষ্কের বিকাশ কতখানি হচ্ছে, সেদিকে খেয়াল রাখার দায়িত্ব অঙ্গনওয়ারি কেন্দ্রের।
    বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, শিশুর বিকাশের ক্ষেত্রে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো ছ’মাস থেকে ছয় বছর বয়স। এই সময়ে শারীরিক বিকাশের পাশপাশি মানসিক বিকাশ হয়। যার প্রভাব সারা জীবন থাকে। পুষ্টি শুধু শরীরের জন্য নয়। মস্তিষ্কের বিকাশের জন্য পুষ্টির গুরুত্ব অপরিসীম। কারণ পর্যাপ্ত পুষ্টি না পেলে শিশুর মস্তিষ্কের বিকাশ ঠিকমতো হবে না। তার বৌদ্ধিক শক্তি বিকশিত হবে না।
    তাই শিশুদের নিয়মিত কোন ধরনের খাবার দেওয়া হচ্ছে, কোথায় ঘাটতি থাকছে, কীভাবে সেই ঘাটতি কমানো যাবে, এই সবকিছুই অঙ্গনওয়ারি কেন্দ্র নজরে রাখবে। নিয়মিত প্রশাসনের সঙ্গে যোগাযোগ রেখে, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে পরামর্শ করে স্থানীয় স্তরের পুষ্টির সমস্যা সমাধান করবে।
    ভারতে শিশু পুষ্টির সবচেয়ে বড় সমস্যা সুষম খাবার দেওয়া হয় না। কার্বোহাইড্রেটের পাশাপাশি প্রোটিন, ভিটামিন এবং মিনারেল নিয়মিত শিশু শরীরে পৌঁছনো জরুরি। যা অঙ্গনওয়ারি কেন্দ্রের মাধ্যমে শিশুর কাছে সহজেই নিয়মিত পৌঁছে যায়।

    ভারতীয় শিশুর পুষ্টিতে ঘাটতি কোথায়?

    স্বাস্থ্য মন্ত্রকের তথ্য অনুযায়ী, ভারতীয় শিশুদের খাবারে পুষ্টির ঘাটতি রয়েছে। মন্ত্রকের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ভারতের ১২ শতাংশ শিশু পেট ভরা খাবার পেলেও, পুষ্টিকর খাবার পাচ্ছে না। অর্থাৎ প্রয়োজনীয় প্রোটিন, ভিটামিন এবং মিনারেলের ঘাটতি থাকছে। সুষম খাবারের অভাব হচ্ছে। ওই পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ভারতের ৩৫ শতাংশ শিশুর বয়সের তুলনায় উচ্চতা কম। ভারতের ১৯ শতাংশ শিশুর উচ্চতার অনুপাতে ওজন কম। ভারতের ৩২ শতাংশ শিশু প্রয়োজনের তুলনায় কম ওজন থাকছে। এগুলো স্বাস্থ্যে দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব ফেলছে। ফলে, ঠিকমতো শারীরিক ও মানসিক বিকাশ হচ্ছে না।

    পেট ভরানো নয়, পুষ্টিতে ভরপুর খাবারেই বাড়তি গুরুত্ব!

    শিশুর শরীর ও মস্তিষ্কের বিকাশের জন্য পেট ভরানো খাবারে নয়, বরং পুষ্টিকর খাবারেই বাড়তি গুরুত্ব দিতে হবে। এমনটাই পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা। তাঁরা জানাচ্ছেন, ভারতের খাদ্যাভ্যাস বৈচিত্র্যময়। উত্তর থেকে দক্ষিণ, পূর্ব থেকে পশ্চিম, একেকটি রাজ্যে, খাবারের ধরণ আলাদা। তাই অঙ্গনওয়ারি কেন্দ্রের দায়িত্ব, স্থানীয় খাদ্যাভ্যাসের ধরণ বুঝে, শিশুদের পুষ্টিকর খাবার নজর দেওয়া।

    ভাত কিংবা রুটির মতো খাবার বেশি দিয়ে পেট ভরিয়ে রাখলে শিশুর পুষ্টিতে ঘাটতি দেখা দেবে। এমনটাই জানাচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা। তাঁদের পরামর্শ, শিশুকে পরিমিত পরিমাণে ভাত বা রুটি দিতে হবে। তার সঙ্গে পেট ভরানোর মতো নানান রকমের সবজি, বাদাম বা দানাশস্য জাতীয় খাবার দিতে হবে যাতে ভিটামিন ও মিনারেলের চাহিদা পূরণ হয়। আর শিশুর শারীরিক ও মানসিক বিকাশে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ পুষ্টি উপাদান হলো প্রোটিন। তাই নিয়মিত শিশুকে প্রোটিন দিতে হবে। শিশু যাতে প্রত্যেক দিন ডিম, মাংস, মাছ, মাশরুম, পনীর কিংবা সোয়াবিনের মতো প্রোটিন জাতীয় খাবার খায়, সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। তবেই শিশুর বিকাশ ঠিকমতো হবে।

    পুষ্টিবিদদের পরামর্শ, শিশুর পাতে পড়বে রামধনু খাবার। অর্থাৎ, ভাত কিংবা রুটির সঙ্গে গাজর, পালং শাক, বেগুনের মতো নানান রকমের সবজি থাকবে, তার সঙ্গে ডাল থাকবে, আর থাকবে ডিম, মাংস বা পনীরের মতো প্রোটিন। নানান রকমের খাবার খেলে তবেই পুষ্টিতে ভরপুর খাবার হবে। বিকাশ ঠিকমতো হবে।

  • Bankura: অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রে শিশুদের খিচুড়িতে মিলল টিকটিকি

    Bankura: অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রে শিশুদের খিচুড়িতে মিলল টিকটিকি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাঁকুড়ার (Bankura) অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রে থেকে দেওয়া খিচুড়িতে মিলল টিকটিকি। আর সেই খিচুড়ি খেয়ে বেশ কিছু শিশু অসুস্থ হয়ে পড়ায় ব্যাপক আতঙ্কের সৃষ্টি হয় এলাকায়। বাঁকুড়ার ইন্দপুর ব্লকের হাটগ্রাম উপরপাড়া অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রের ঘটনা।

    কী ঘটেছে বাঁকুড়ার (Bankura) অঙ্গনওয়াড়ী কেন্দ্রে?

    প্রতিদিনের মতন সকালে অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্র থেকে খিচুড়ি নিয়ে বাড়িতে ফেরে শিশুরা। খিচুড়ি খাওয়ার পর কয়েকজন শিশু বমি করতে থাকে। কিছুক্ষণের মধ্যেই পাড়ায় পরপর শিশুদের অসুস্থ হওয়ার খবর মিলতেই অভিভাবকরা ছুটে গিয়ে অঙ্গনওয়াড়ি (Bankura) কেন্দ্রে পৌঁছান। ছাত্রদের অসুস্থতার কারণ খুঁজতে গিয়ে অভিভাবকেরা খিচুড়ির মধ্যে টিকটিকি খুঁজে পাওয়ার ঘটনা দেখতে পান। আর তারপরেই ব্যাপক চাঞ্চল্য শুরু হয় এলাকায়। 

    অসুস্থ শিশুদের নিয়ে যাওয়া হল Bankura মেডিকেল কলেজে

    খাবার খেয়ে অসুস্থ শিশুর সংখ্যা আরও বাড়তে থাকলে, তড়িঘড়ি করে স্থানীয় স্বাস্থ্য কেন্দ্রে শিশুদের নিয়ে যাওয়া হয়। সেখান থেকে বাঁকুড়া (Bankura) সম্মিলনী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানোর নির্দেশ দেন স্বাস্থ্য কেন্দ্রের চিকিৎসকেরা। সেই মতো বাঁকুড়া সম্মিলনী মেডিকেলে কলেজ হাসপাতালে প্রায় ১৯ জন শিশুকে নিয়ে আসা হয়।

    অভিভাবকেদের প্রতিক্রিয়া

    এক অসুস্থ শিশুর বাবা নিমাই ভদ্র বলেন, যে শিশুদের বাঁকুড়া মেডিকেলে নিয়ে আসা হয়েছে, তাদের মধ্যে অনেকেই বমি করছে। কারও কারও পেটে ব্যথাও রয়েছে। তিনি আরও অভিযোগ করেন, অঙ্গনওয়াড়ি (Bankura) কেন্দ্রের রাঁধুনিদের গাফিলতির জন্যই এমন দুর্ঘটনা ঘটল। তাঁরা যদি সতর্ক হয়ে রান্না করতেন, তাহলে এই বিপদ হতো না। প্রসঙ্গক্রমে তিনি বলেন, সব শিশুরা যতক্ষণ না সুস্থ ও স্বাভাবিক হচ্ছে, ততক্ষণ দুশ্চিন্তা থেকে রেহাই নেই। এদিকে, এই ঘটনায় গ্রামেও ছড়িয়েছে চাঞ্চল্য। পড়ুয়াদের অভিভাবক থেকে গ্রামবাসী সকলেই অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রের রাঁধুনিদের বিরুদ্ধে সরব হয়েছেন। পাশাপাশি শুধু ইন্দপুর নয়, সারা জেলার এই কেন্দ্রগুলিতে রান্নার ক্ষেত্রে ফুড সেফটি নর্মস কড়া ভাবে মেনে চলার প্রশাসনিক নির্দেশ জারিরও দাবি জোরালো হচ্ছে। এখন দেখার, এই ঘটনার পর আদৌ প্রশাসনের টনক নড়ে কিনা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Anganwadi Corruption: শিক্ষকের পর এবার অঙ্গনওয়াড়ির  সুপারভাইজার পদে নিয়োগেও ‘দুর্নীতি’?

    Anganwadi Corruption: শিক্ষকের পর এবার অঙ্গনওয়াড়ির সুপারভাইজার পদে নিয়োগেও ‘দুর্নীতি’?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এবার অঙ্গনওয়াড়ির সুপারভাইজার পদে নিয়োগ ঘিরেও উঠল দুর্নীতির (Anganwadi Corruption) অভিযোগ। এনিয়ে আদালতে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে পশ্চিমবঙ্গ অঙ্গনওয়াড়ি কর্মী ও সহায়িকা কল্যাণ সমিতি। সম্প্রতি শিলিগুড়িতে সংগঠনের তৃতীয় রাজ্য সম্মেলনে এই প্রস্তাব নেওয়া হয়েছে। শূন্য থেকে ছয় বছর বয়সি শিশুদের এবং প্রসূতি মায়েদের পরিচর্চার দায়িত্ব এই অঙ্গনওয়াড়ি কর্মীদের। এর বাইরেও তাঁদের অনেক সরকারি কাজ করানো হয়। পালস পোলিও, দুয়ারে সরকারের শিবির, নির্বাচন, স্বাস্থ্যশিবির সবেতেই অঙ্গনওয়াড়ি কর্মীরা ‘ছাই ফেলতে ভাঙা কুলো’।

    সুপারভাইজার পদে নিয়োগ-দুর্নীতি নিয়ে আদালতের দ্বারস্থ হওয়ার হুমকি কেন ?

    এই অমানুষিক পরিশ্রম করেও ন্যায্য সাম্মানিক পাচ্ছেন না তাঁরা। প্রাপ্য সুযোগসুবিধা থেকেও তাঁদের বঞ্চিত করা হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন সংগঠনের প্রধান উপদেষ্টা সুবীর সাহা। তাঁর অভিযোগ, সীমাহীন বঞ্চনার সঙ্গে এবার যোগ হয়েছে সরকারি স্থায়ী পদে নিয়োগের সুযোগ কেড়ে নেওয়া। তিনি বলেন, অঙ্গনওয়াড়ি কর্মীদের সহকারি স্থায়ী সুপারভাইজার পদে উন্নীত করার ক্ষেত্রে কেন্দ্রীয় সরকার ২৫ শতাংশ সংরক্ষণ বাড়িয়ে ৫০ শতাংশ করেছে। রাজ্যে ৩৪০০ সুপারভাইজার পদে নিয়োগ প্রক্রিয়া চলছে। তাতে ১৭০০ অঙ্গনওয়াড়ি কর্মীকে নিয়োগ করার কথা। কিন্তু দেখা যাচ্ছে মাত্র ৪১২ জন অঙ্গনওয়াড়ি কর্মীকে সুপারভাইজার পদে নিয়োগ করা হচ্ছে। কেন্দ্রের সিদ্ধান্ত থাকা সত্ত্বেও প্রায় ১৩০০ অঙ্গনওয়াড়ি কর্মী সুপারভাইজার পদে নিয়োগ পাচ্ছেন না। প্রায় ১৩০০ সুপারভাইজার পদে রাজ্যের শাসকদলের নেতা-কর্মী-মন্ত্রীরা দুর্নীতি (Anganwadi Corruption) করছেন। এ নিয়ে আমরা রাজ্যের মন্ত্রী শশী পাঁজার দ্বারস্থ হয়েছিলাম। কিন্তু তাঁর কাছ থেকে এ ব্যাপারে কোনও ইতিবাচক সাড়া মেলেনি। এবার সব বিধায়ক ও সাংসদের কাছে এই তথ্য তুলে ধরা হবে। তারপর আমরা এই সুপারভাইজার পদে নিয়োগ-দুর্নীতি নিয়ে আদালতের দ্বারস্থ হব। 

    মোবাইল নিয়েও দুর্নীতি ?

    অঙ্গনওয়াড়ি কর্মীদের মোবাইল কেনার জন্য প্রাপ্য টাকা না পাওয়ার বিষয়টি নিয়েও সংগঠনের তৃতীয় রাজ্য সম্মেলনে আলোচনা হয়েছে। সংগঠনের প্রধান উপদেষ্টা বলেন, খবর রয়েছে কেন্দ্র সরকার অঙ্গনওয়াড়ি কর্মীদের মোবাইল কেনার জন্য আট হাজার টাকা করে দিয়েছে। কেননা এখন সবকিছুই অনলাইনে হয়ে গিয়েছে। অঙ্গনওয়াড়ি কর্মীদের মোবাইল ফোন থেকে রিপোর্ট পাঠাতে হয়। পশ্চিমবঙ্গে অঙ্গনওয়াড়ি কর্মীরা সেই মোবাইল কেনার টাকা পাননি (Anganwadi Corruption)। কেউ গয়না বিক্রি করে, কেউ ধারদেনা করে মোবাইল কিনে সরকারি কাজ করছেন। রাজ্যের ১ লক্ষ ১৬ হাজার অঙ্গনওয়াড়ি কর্মীকে মোবাইল কেনার টাকা দেয়নি রাজ্য সরকার।
    কুড়ি থেকে ৬৫ বছর বয়সের মহিলাদের অঙ্গনওয়াড়ির কর্মী হিসেবে কাজ করার সুযোগ থাকছে। ৬৫ বছর হয়ে গেলে সেই কর্মীদের অবসর নিতে হয়। অবসরের সময় এককালীন মাত্র তিন লাখ টাকা দেওয়া হয়। সুবীরবাবু বলেন, আমাদের দাবি, অঙ্গনওয়াড়ি কর্মীদের প্রভিডেন্ট ফান্ড, পেনশন, গ্র্যাচুইটি দিতে হবে।

    সরব বিজেপি নেতৃত্ব

    শিলিগুড়িতে উত্তরবঙ্গ মাড়োয়ারি ভবনে গত আট এপ্রিল পশ্চিমবঙ্গ অঙ্গনওয়াড়ি কর্মী ও সহায়িকা কল্যাণ সমিতি তৃতীয় রাজ্য সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। ১৮টি জেলা থেকেই প্রায় তিন হাজার সদস্যা উপস্থিত হয়েছিলেন। আর এই বিপুল সমাবেশ শিলিগুড়ি বিধায়ক বিজেপির শঙ্কর ঘোষ, ডাবগ্রাম-ফুলবাড়ির বিধায়ক বিজেপির শিখা চট্টোপাধ্যায় উপস্থিত ছিলেন। তাঁরাও এই সম্মেলনে অঙ্গনওয়াড়ি কর্মীদের প্রতি রাজ্যের সীমাহীন শোষণ, বঞ্চনা ও অবিচার (Anganwadi Corruption) নিয়ে সরব হন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share