Tag: anti conversion law

anti conversion law

  • Love Jihad: লাভ জিহাদ-এর বিরুদ্ধে লড়াই, উত্তরাখণ্ডে ছয় শতাধিক মেয়েকে উদ্ধার হিন্দু সংগঠনগুলির

    Love Jihad: লাভ জিহাদ-এর বিরুদ্ধে লড়াই, উত্তরাখণ্ডে ছয় শতাধিক মেয়েকে উদ্ধার হিন্দু সংগঠনগুলির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লাভ জিহাদ-এর (Love Jihad) বিরুদ্ধে উত্তরাখণ্ডে (Uttarakhand) বড় সাফল্য  হিন্দু সংগঠনগুলির। সম্প্রতি, একটি রিপোর্টে দাবি করা হয়েছে, ওই রাজ্য থেকে লাভ জিহাদ-এর খপ্পর থেকে ছ’শোর বেশি হিন্দু মেয়েকে উদ্ধার করা হয়েছে। আর এই প্রক্রিয়ায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে হিন্দু জাগরণ মঞ্চ (Hindu Jagran Manch), রুদ্র সেনা (Rudra Sena) এবং বৈদিক মিশন (Vaidik Mission)।

    লাভ জিহাদ-এর (Love Jihad) বিরুদ্ধে লড়াই হিন্দু সংগঠনগুলির

    দীর্ঘদিন ধরেই ধর্মান্তরণ এবং শোষণের বিরুদ্ধে সক্রিয়ভাবে কাজ করছে হিন্দু জাগরণ মঞ্চ, রুদ্র সেনা, বৈদিক মিশনের মতো হিন্দু সংগঠনগুলি। এই সংগঠনগুলি লাভ জিহাদের বিরুদ্ধে তাদের লড়াই চালিয়ে যাচ্ছে। তাদের ঐকান্তিক প্রচেষ্টার ফলে এ পর্যন্ত ৬০০-রও বেশি মেয়েকে উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে। দুর্বল মানুষদের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে কঠোর আইনি পদক্ষেপের আহ্বান জানিয়েছে এই সংগঠনের নেতারা।

    সম্প্রতি উত্তরাখণ্ডের রাজধানী দেরাদুন এবং তার আশেপাশের এলাকায় ‘লাভ জিহাদ’-এর (Love Jihad)  ঘটনা উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। এখানে বিশেষ করে দরিদ্র হিন্দু মেয়েদেরকে ধর্মান্তকরণের উদ্দেশ্যে প্রেমের সম্পর্কে ফাঁদে ফেলার অভিযোগ উঠেছে। এর বিরুদ্ধে পদক্ষেপ করেছে হিন্দু জাগরণ মঞ্চ, রুদ্র সেনা, এবং বৈদিক মিশনের মতো কয়েকটি হিন্দু সংগঠন। তারা অসহায় মেয়েদের রক্ষা করতে এগিয়ে এসেছে। উত্তরাখণ্ডের পবিত্র দেবভূমিতে জোরপূর্বক ধর্মান্তরণ রোধে সদা সক্রিয় এই সংগঠনগুলি।

    লাভ জিহাদ কী (Love Jihad)

    ভালোবাসা ও প্রেমের ফাঁদে ফেলে হিন্দু মেয়েদের বিয়ে করেন মুসলিম ছেলেরা। বাধ্য করা হয় ধর্মান্তকরণে। হিন্দু-মুসলিম বিবাহে আপত্তি নেই। কিন্তু জোর করে ভালবাসার ফাঁদে ফেলে ধর্মান্তকরণের চেষ্টাই হল লাভ জিহাদ। বিয়ের পর শুরু হয় অত্যাচার। কখনও কখনও মেরেও ফেলা হয় মেয়েটিকে। এরকম বহু ঘটনার সাক্ষী থেকেছে মানুষ। কেরলের হিন্দু মহিলাদের ধর্মান্তরিত করে জোর করে সন্ত্রাসবাদের সঙ্গে কী ভাবে যুক্ত করা হয়েছে তা নিয়েই আবর্তিত হয়েছে বাঙালি পরিচালকের তৈরি ছবি ‘দ্য কেরালা স্টোরি’। সারা দেশে এক ব্যাধির মতো ছড়িয়ে পড়েছে লাভ জিহাদ। 

    ধর্মান্তরণের বিরুদ্ধে লড়াই

    উত্তরাখণ্ডে (Uttarakhand) ভিন্ন ধর্মে বিবাহ (Love Jihad) নিয়ে আইন থাকলেও সম্প্রতি সেখানে লাভ জিহাদের ঘটনা বাড়ছে। রুদ্র সেনার নেতা রাকেশ তোমার ‘উত্তরাখণ্ডি’ দাবি করেছেন যে প্রতিবেশী অঞ্চল থেকে মুসলিম পুরুষরা বিশেষত জৌনসার বাওয়ার উপজাতীয় বেল্টের মেয়েদের টার্গেট করছে। তিনি জানান, এই ছেলেরা মিথ্যে, মূলত ভুয়ো হিন্দু পরিচয় দিয়ে এবং বিভিন্ন প্রলোভনমূলক কৌশল ব্যবহার করে দরিদ্র এবং নাবালিকা মেয়েদের প্রেমের ফাঁদে ফেলে। এরপর শুরু হয় যৌন নির্যাতন। অভিযোগ, এই মেয়েদের সঙ্গে মিথ্যে প্রেমের সম্পর্ক তৈরি করে তাঁদের নানা গোপন মুহূর্তের ছবি ক্যামেরাবন্দি করা হয়। তারপর সেই ভিডিও রেকর্ড দেখিয়ে চলে ব্ল্যাকমেল। সব শেষে ইসলাম ধর্মে ধর্মান্তরণে বাধ্য করা হয়। রাকেশ জানান, গত দুই বছর ছয় মাসে রুদ্র সেনা ৩৮ জন মেয়েকে লাভ জিহাদের ‘চক্র থেকে’ উদ্ধার করতে সক্ষম হয়েছে। এই মেয়েদের তাদের পরিবারের সঙ্গে পুনরায় মিলিয়ে দেওয়া হয়েছে। এ সংক্রান্ত বেশ কিছু রিপোর্ট পুলিশের কাছে জমা দিয়েছে তারা।

    বৈদিক মিশনের আইনি লড়াই

    বৈদিক মিশনের প্রধান ব্যক্তি জগদ্বীর সাইনির গলাতেও উদ্বেগের সুর। তিনি উল্লেখ করেছেন যে পাসওয়া দুন অঞ্চলে এমন ৪৩টি ঘটনা ঘটেছে, যার অনেকগুলিই বর্তমানে আইনি পর্যালোচনার অধীনে রয়েছে। তিনি চারজন দরিদ্র মেয়ের হয়ে আদালতে লড়াই করছেন যারা, মুসলিম ছেলেদের দ্বারা প্রতারিত হয়েছেন। 

    আরও পড়ুন: নির্বিঘ্নেই শেষ দ্বিতীয় দফাও, হাত উপুড় করে ভোট দিলেন ভূস্বর্গবাসী

    হিন্দু জাগরণ মঞ্চের প্রচেষ্টা

    হিন্দু জাগরণ মঞ্চের প্রতিনিধি মুকেশ আনন্দ জানিয়েছেন, গত দশ বছরে তারা লাভ জিহাদের (Love Jihad) ৫৮৫টি ঘটনা প্রত্যক্ষ করেছে। উত্তরাখণ্ডের ডিরেক্টর জেনারেল অফ পুলিশ (ডিজিপি) অভিনব কুমার জানিয়েছেন, এই ধরনের অপরাধীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। উত্তরপ্রদেশের মতো উত্তরাখণ্ডেও চালু আছে লাভ জিহাদ বিরোধী আইন। ফলে পুলিশ-প্রশাসন খবর পেলেই বিষয়টি নিয়ে সক্রিয় হয়। মেয়েদের কাছে জানতে চাওয়া হয়, এই বিয়ে কি সত্যিই প্রেমের পরিণতি নাকি অন্য কিছু। কোনওরকম সন্দেহ হলেই পদক্ষেপ করা হয়। তবে হিন্দুত্ববাদী সংগঠনগুলোর দাবি, বেশিরভাগ সময়েই মেয়েরা ভয়ে কিছু বলতে পারে না।

    সক্রিয় সরকার (Uttarakhand)

    সম্প্রতি উত্তরাখণ্ডের পুরুলা শহর, দারচুলা, চামোলি, নন্দনগর, সহ বেশ কয়েকটি জায়গায় সাম্প্রদায়িক সংঘর্ষের খবর পাওয়া গিয়েছে। এই সাম্প্রদায়িক সংঘর্ষগুলির কারণ হিসেবে বেশিরভাগ জায়গাতেই উঠে এসেছে লাভ জিহাদ (Love Jihad) ও ল্যান্ড জিহাদের তত্ত্ব। এরপরেই উত্তরাখণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী পুস্কর সিং ধামি বেআইনি কার্যকলাপের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন। জানা গিয়েছে, সে রাজ্যে এখন মূল সমস্যা হচ্ছে মুসলিম অনুপ্রবেশের (Land Jihad) কারণে জনবিন্যাসের পরিবর্তন। এই কারণে ধর্মান্তকরণ এবং লাভ জিহাদের (Love Jihad) মতো ঘটনাগুলিও ঘটছে। এই সমস্ত কিছুর বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ করতে নির্দেশ দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। এই মর্মে উত্তরাখণ্ডের (Uttarakhand) মুখ্যমন্ত্রী সে রাজ্যের ডিজিপি অভিনব কুমার এবং অন্যান্য উচ্চপদস্থ পুলিশকর্তাদের সঙ্গে উচ্চপর্যায়ের বৈঠকও করেছেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Anti Conversion Law: ধর্মান্তরণে জড়িত থাকলেই ব্যবস্থা, রায় এলাহাবাদ হাইকোর্টের

    Anti Conversion Law: ধর্মান্তরণে জড়িত থাকলেই ব্যবস্থা, রায় এলাহাবাদ হাইকোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জোরপূর্বক ধর্মান্তকরণের (Anti Conversion Law) ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ রায় দিল এলাহাবাদ হাইকোর্ট (Allahabad HC)। রায়ে বলা হয়েছে, জোরপূর্বক ধর্মান্তরণের ক্ষেত্রে যে-ই জড়িত থাকুক না কেন, তাঁর খাতাব কিংবা ধর্মীয় পরিচয় যাই হোক না কেন, ‘উত্তরপ্রদেশ প্রোহিবিশন অফ আনলফুল কনভার্সান অফ রিলিজিয়াস অ্যাক্ট, ২০২১’ অনুযায়ী তাঁর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

    জোরপূর্বক ধর্মান্তকরণে ব্যবস্থা (Anti Conversion Law)

    আদালত স্পষ্ট করে দিয়েছে, জোরপূর্বক ধর্মান্তকরণের ক্ষেত্রে যদি কোনও ফাদার, মওলানা, কর্মকান্দি বা অন্য কোনও খেতাবধারী জড়িত থাকেন, তবে তাঁদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। মওলানা মহম্মদ শানে আলমের বিরুদ্ধে অভিযোগ, তিনি এক যুবতীকে জোরপূর্বক ইসলামে ধর্মান্তরিত করেছিলেন এবং একজন মুসলিম পুরুষের সঙ্গে তাঁর বিবাহ দিয়েছিলেন। পরে গ্রেফতার করা হয় আলমকে। জামিনের আবেদন করেন মওলানা। সেই আবেদনের প্রেক্ষিতেই এলাহাবাদ হাইকোর্টের এই নির্দেশ। একই সঙ্গে বিচারপতি রোহিত রঞ্জন আগরওয়ালের বেঞ্চ তাঁর জামিনের আবেদনও খারিজ করে দিয়েছে (Anti Conversion Law)।

    ধর্ম পরিবর্তনের স্বাধীনতা

    এর আগে অন্য একটি মামলায় এলাহাবাদ হাইকোর্ট জানিয়েছিল, ধর্ম পরিবর্তন করার স্বাধীনতা সবারই রয়েছে। কিন্তু সেই ধর্ম পরিবর্তন হতে হবে সমাজের আপত্তি ছাড়া এবং আইনিভাবে।কীভাবে ধাপে ধাপে সেই প্রক্রিয়া সম্পন্ন হতে পারে, শুনানিতে তারও একটি রূপরেখা তৈরি করে দিয়েছিলেন বিচারপতি প্রশান্ত কুমার। আদালতের পর্যবেক্ষণ, ধর্ম পরিবর্তনে সমাজে যাতে আপত্তি না ওঠে, সেটা দেখাও কর্তব্য। এজন্য হলফনামা দাখিলের পরে ধর্ম পরিবর্তনের ইচ্ছের কথা এলাকায় বহুল প্রচারিত কোনও সংবাদপত্রে বিজ্ঞাপন দিয়ে জানাতে হবে। এতে কোনও জায়গা থেকে আপত্তি না উঠলে তার পরে বিষয়টি গেটেজ নোটিফিকেশন করে চূড়ান্ত করা যেতে পারে।

    আরও পড়ুন: অন্যায় করলেও সাত খুন মাফ! সিভিকদের বোনাস বৃদ্ধি করে মন জয়ের চেষ্টা

    আলমের কাজ ধর্মান্তর বিরোধী আইন লঙ্ঘন করেছে কিনা, তা পরীক্ষা করে দেখছে এলাহাবাদ হাইকোর্ট (Anti Conversion Law)। যাঁকে ধর্মান্তকরণ করা হয়েছে বলে আলমের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে, তাঁকে ভুল বোঝানো, ধর্ম পরিবর্তনে জোর করা, প্রতারণা করা, আনডিউ ইনফ্লুয়েন্স, জবরদস্তি কিংবা প্রলোভন দেখানো হয়েছে কিনা, তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ওই আইনের ২ (১) নম্বর ধারায় বলা হয়েছে, রিলিজিয়ান কনভার্টার হবেন তিনিই, যিনিই এই ধরনের নিষিদ্ধ উপায়ে ধর্ম পরিবর্তন করাবেন। আদালত (Allahabad HC) দেখেছে, আইনের এই সংজ্ঞায় অনায়াসেই সংজ্ঞায়িত করা যায় আলমকে। এই আইনের বলেই তাঁকে দায়ী করা যায় (Anti Conversion Law)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Anti Conversion Law: যোগী রাজ্যে আরও কঠোর বেআইনি ধর্মান্তকরণ আইন, কী কী বদল এল?

    Anti Conversion Law: যোগী রাজ্যে আরও কঠোর বেআইনি ধর্মান্তকরণ আইন, কী কী বদল এল?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চলতি সপ্তাহের মঙ্গলবার (৩০ জুলাই) উত্তরপ্রদেশ বিধানসভায় পাশ হয়েছে বেআইনি ধর্মান্তকরণ প্রতিরোধ আইন (সংশোধনী) ২০২৪। এই সংশোধনী বিলে (Anti Conversion Law) শাস্তির বিধানকে আরও কঠোর করা হয়েছে। দোষী প্রমাণিত হলে, এখন সর্বোচ্চ শাস্তি হিসেবে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড হতে পারে। যোগী আদিত্যনাথ সরকারের পাশ করা বিলে এই বেশ কিছু পরিবর্তন আনা হয়েছে যা পূর্বের বেআইনি ধর্মান্তকরণ প্রতিরোধ আইন ২০২১-এ ছিল না।

    দুর্বল জনগোষ্ঠীর রক্ষাকবচ নয়া বিল (Anti Conversion Law)

    উত্তরপ্রদেশ (Uttar Pradesh) সরকারের তরফে জানানো হয়েছে নতুন এই বিল আগের থেকে আরও কঠোর করা হয়েছে এবং তা রক্ষাকবচ হিসেবে কাজ করবে অপ্রাপ্তবয়স্ক, শারীরিক ও মানসিক প্রতিবন্ধী ব্যক্তি, মহিলা, তফশিলি জাতি, তফশিলি উপজাতি সমেত সমাজের অন্যান্য দুর্বল বা পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীকে। এছাড়া যে কোনও রকমের গণ ধর্মান্তকরণ প্রক্রিয়াকে প্রতিরোধ করবে এই বিল। আগের আইনে দুর্বল জনগোষ্ঠীর কোনও সদস্যকে বেআইনিভাবে ধর্মান্তকরণ করা হলে ১০ বছরের সাজার বিধান ছিল, বর্তমান বিলে তা বাড়িয়ে ১৪ বছর করা হয়েছে। এর পাশাপাশি, জরিমানার পরিমাণও ২৫ হাজার থেকে বাড়িয়ে ১ লাখ টাকা করা হয়েছে। অন্যদিকে, গণ-ধর্মান্তকরণের ক্ষেত্রে আগের আইনের ৩ বছরের সাজার মেয়াদগুলি বেড়ে হয়েছে ১০ বছর ও ৭ বছরের সাজার মেয়াদগুলি বেড়ে হয়েছে ১৪ বছর। জরিমানার পরিমাণও আগের থেকে বেড়েছে, ৫০ হাজার থেকে বেড়ে তা হয়েছে ১ লাখ।

    আত্মীয় নয়, অভিযোগ জানাতে পারবেন যে কোনও ব্যক্তি

    পূর্বের ধর্মান্তকরণ (Anti Conversion Law) সংক্রান্ত যে আইন ছিল, সেখানে যাঁদেরকে জোর করে ধর্মান্তকরণ করা হত তাঁদের আত্মীয়রাই শুধুমাত্র অভিযোগ দায়ের করতে পারতেন। আগে এই ধরনের মামলায় অভিযোগ নথিভুক্ত করাতে, নির্যাতিত বা নির্যাতিতা অথবা তাঁর মা-বাবা অথবা ভাই-বোনের উপস্থিত থাকাটা আবশ্যক ছিল। এঁদের উপস্থিতি ছাড়া, যে কেউ চাইলেই অভিযোগ জানাতে পারতেন না। তবে, সংশোধিত বিলে বলা হয়েছে, ধর্মান্তকরণের অভিযোগের ক্ষেত্রে যে কোনও ব্যক্তি এফআইআর নথিভুক্ত করতে পারবেন। যে কেউ এই বিষয়ে পুলিশকে লিখিত তথ্য দিতে পারবেন। অর্থাৎ, সেই ব্যক্তি নির্যাতিত বা নির্যাতিতার নিকতাত্মীয় না হলেও চলবে। এই পরিবর্তনের ফলে আইনটি আরও ব্যাপক ও বিস্তৃত হল বলেই মনে করছেন ওয়াকিবহাল মহলের একাংশ।

    বাড়ানো হয়েছে শাস্তির মেয়াদ

    এর পাশাপাশি নতুন বিলে শাস্তিও বাড়ানো হয়েছে। নতুন বিল অনুযায়ী যদি কোনও ব্যক্তি হুমকি, বিয়ের প্রতিশ্রুতি বা অন্যান্য উপায়ের মাধ্যমে অন্য কোন ব্যক্তিকে ধর্মান্তকরণ করতে বাধ্য করেন বা ধর্মান্তকরণ করতে প্ররোচনা দেন, তবে তাঁদের ন্যূনতম কুড়ি বছরের কারাদণ্ড হতে পারে যা আজীবন কারাদণ্ড পর্যন্ত বাড়ানো (Anti Conversion Law) হতে পারে। এই একই শাস্তি তাঁদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য হবে, যাঁরা নাবালিকা, নারী বা অন্যান্য পাচার কাজের সঙ্গে যুক্ত।

    বিদেশি বা অবৈধ উৎস থেকে ধর্মীয় কাজে ফান্ডিং রোধ

    নতুন যে বিল পাশ করা হয়েছে সেখানে বিদেশ থেকে বা অন্য কোন অবৈধ উৎস থেকে ধর্মীয় কর্মকাণ্ডে আর্থিক ফান্ডিং রোধ করার বিষয়ে নজর দেওয়া হয়েছে এবং এই ধরনের কাজের সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিদের ন্যূনতম সাত বছরের কারাদণ্ডের বিধান রয়েছে বিলে। এর পাশাপাশি তা বেড়ে ১৪ বছর পর্যন্ত হতে পারে।

    দায়রা আদালতের নীচে কোনও আদালতে এই ধরনের মামলার শুনানি নয়

    এই বিলে বলা হয়েছে, দায়রা আদালতের নীচে কোনও আদালতে এই ধরনের মামলার শুনানি করা যাবে না। এছাড়া, এই আইনের অধীনে সমস্ত অপরাধকেই জামিন অযোগ্য করা হয়েছে। বলা হয়েছে, সরকার পক্ষের আইনজীবী তাঁর যুক্তি দেওয়ার আগে কোনও অভিযুক্তর জামিনের আবেদন বিবেচনা করা যাবে না।

    নির্যাতিত বা নির্যাতিতার যাবতীয় চিকিৎসার এবং পুনর্বাসনের খরচ বহন করবে অভিযুক্ত

    জানা গিয়েছে, নয়া বিল অনুযায়ী অভিযুক্তদের কাছ থেকেই নির্যাতিত বা নির্যাতিতার যাবতীয় চিকিৎসার এবং পুনর্বাসনের খরচ বহন করা হবে। অতিরিক্ত ক্ষতিপূরণও দিতে হবে অভিযুক্তকে। যার পরিমাণ পাঁচ লাখ টাকা পর্যন্ত হতে পারে। উল্লেখ্য, ক্ষতিপূরণের (Uttar Pradesh) এই টাকা অভিযুক্তদের দিতে হবে মূল জরিমানার বাইরে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • VHP Resolution: ধর্মান্তরণ রুখতে সারা দেশে ইউনিফর্ম সিভিল কোডের আর্জি বিশ্ব হিন্দু পরিষদের

    VHP Resolution: ধর্মান্তরণ রুখতে সারা দেশে ইউনিফর্ম সিভিল কোডের আর্জি বিশ্ব হিন্দু পরিষদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশ জুড়ে ধর্মান্তরণ রুখতে আন্দোলনে নামছে বিশ্ব হিন্দু পরিষদ। স্কুল-কলেজ-সহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানেও হিন্দুত্বের জাগরণ ঘটাতে সক্রিয় ভিএইচ পি। অবৈধ ধর্মান্তরণ রুখতে, লাভ জিহাদের ঘটনায় লাগাম টানতে দেশজুড়ে একটি কঠোর আইনের দাবি জানিয়েছে বিশ্ব হিন্দু পরিষদ। একই সঙ্গে ইউনিফর্ম সিভিল কোড-এর আর্জিও জানানো হয়েছে। যার ফলে সারা বিশ্বে ধর্মীয় গোঁড়ামির উগ্র প্রভাব রোধ করা যাবে। ধর্মীয় সন্ত্রাসেও লাগাম টানা যাবে। পরিষদের সর্বভারতীয় কার্যকরী সভাপতি অলোক কুমার সম্প্রতি বিবৃতি দিয়ে এই দাবি করেন।

    ধর্মান্তরণ রুখতে পদক্ষেপ

    অলোক কুমার বলেন, “আমরা ভারতের কোনো অংশকে দার-উল-ইসলাম হতে দেব না। ভিএইচপি, বজরং দল, দুর্গাবাহিনী সহ সমাজের শ্রদ্ধেয় সাধক ও চিন্তাবিদরা এর বিরুদ্ধে অবিচলভাবে লড়াই করে যাচ্ছেন। লাভ জিহাদের বিপক্ষেও আমরা লড়ে যাব।” তিনি আরও জানান, পরিষদ চায়, ধর্মান্তরণের মাধ্যমে যাঁরা হিন্দু থেকে মুসলমান বা খ্রিস্টান হচ্ছেন, তাঁদের সংরক্ষণের সরকারি সুবিধা দেওয়া বন্ধ হোক। অর্থাৎ তফসিলি জাতি, উপজাতি এবং অন্যান্য অনগ্রসর শ্রেণির হিন্দুরা যদি ধর্ম বদল করেন তবে তাঁদের লেখাপড়া, চাকরি-সহ অন্যান্য ক্ষেত্রে সংরক্ষণের সুবিধা যেন বন্ধ করে দেওয়া হয়। পরিষদ মনে করছে, এমন নীতি চালু হলে দেশে ধর্মান্তরকরণ কমবে। পরিষদ ইতিমধ্যেই এ নিয়ে বড় মাপের আন্দোলনে নামছে। পরিষদ ‘সামাজিক সমরসতা অভিযান’ নামে একটি কর্মসূচিও নিয়েছে। 

    আরও পড়ুন: ‘‘কোনও ভুল করেননি নরেন্দ্র মোদি’’, নোটবন্দির সিদ্ধান্তকে সিলমোহর সুপ্রিম কোর্টের

    অলোক কুমার জানান,‘‘গোটা দেশেই তফসিলি জাতি, জনজাতি সমাজের মানুষদের বিভিন্ন প্রলোভন দেখিয়ে ধর্মান্তরিত করা হচ্ছে। অনেকেই ধর্মান্তরণের পরেও হিন্দু হিসাবে সংরক্ষণের যাবতীয় সুযোগসুবিধা নিয়ে চলেছেন। এটা বন্ধ করতে দেশের সর্বত্র প্রচারাভিযান চলবে।’’ একই সঙ্গে মাদ্রাসা এবং মিশনারি স্কুলগুলিকে “নিয়ন্ত্রণ” করার কথাও বলেন তিনি। এই স্কুলগুলি ধর্মীয় সংস্কার শেখায়। সেখানে হিন্দু ধর্মেরও প্রাধান্য রাখতে হবে। সরকার এ বিষয়ে কী পদক্ষেপ করবে তা নিয়ে অলোক জানান, বিশ্ব হিন্দু পরিষদ সামাজিক সংগঠন। রাজনীতির সঙ্গে কোনও যোগ নেই। আমরা সমাজকে এই বিষয়ে জাগ্রত করতে চাই। অতীতেও পরিষদ সে কাজই করেছে। সমাজ জাগ্রত হলে সরকার সেই পথ নিতে বাধ্য হয়।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

LinkedIn
Share