Tag: Anti-Hindu discrimination

  • Hindus Under Attack: ভারত-বাংলাদেশে হিন্দুদের উপর হামলার অভিযোগ, দেখে নেওয়া যাক সাপ্তাহিক ছবি

    Hindus Under Attack: ভারত-বাংলাদেশে হিন্দুদের উপর হামলার অভিযোগ, দেখে নেওয়া যাক সাপ্তাহিক ছবি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারত ও বিদেশের বিভিন্ন প্রান্তে হিন্দু এবং হিন্দুধর্মের উপর হামলা, ধর্মীয় বিদ্বেষ ও বৈষম্যের একাধিক অভিযোগ সামনে এসেছে (Hindus Under Attack)। ২০২৬ সালের ৪ থেকে ১০ অক্টোবর পর্যন্ত সময়কালের ঘটনাবলী নিয়ে প্রকাশিত একটি সাপ্তাহিক প্রতিবেদনে ভারতে হিন্দু ধর্মীয় স্থান, উৎসব ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য ঘিরে কয়েকটি বিতর্কের পাশাপাশি বাংলাদেশে এক হিন্দু মিষ্টি ব্যবসায়ী ও তাঁর বৃদ্ধা মায়ের উপর হামলার অভিযোগ তুলে ধরা হয়েছে। প্রতিবেদনটির প্রকাশকদের দাবি, হিন্দুদের বিরুদ্ধে বিদ্বেষমূলক আচরণ, ধর্মীয় স্থানে ভাঙচুর, জমি দখল, জোরপূর্বক ধর্মান্তকরণ, হিংসা এবং প্রাতিষ্ঠানিক বৈষম্যের মতো ঘটনা বিভিন্ন অঞ্চলে উদ্বেগ বাড়াচ্ছে। তাঁদের মতে, এই ধরনের ঘটনা মানবাধিকার ও ধর্মীয় স্বাধীনতার প্রশ্নকে আরও গুরুত্বপূর্ণ করে তুলেছে।

    ধর্মীয় স্থান ও উৎসব ঘিরে বিতর্ক (Hindus Under Attack)

    প্রতিবেদনে ভারতের একাধিক ঘটনার উল্লেখ করা হয়েছে। এর মধ্যে সংবাদমাধ্যমে বিতর্কিত ব্যক্তির সাক্ষাৎকার দেওয়া, এক তরুণীর অভিযোগের ভিত্তিতে গ্রেফতার, ধর্মীয় স্থানের কাছে খাদ্য গ্রহণ নিয়ে বিতর্ক, বিশ্ববিদ্যালয়ে বন্দে মাতরম বিষয়ক আলোচনা সভায় বিঘ্ন এবং ধর্মীয় স্থানের কাছে কবরস্থানের জন্য জমি বরাদ্দের বিরোধ অন্যতম। প্রতিবেদন অনুযায়ী, সংবাদমাধ্যম দ্য কুইন্টে শরজিল ইমামের একটি দীর্ঘ সাক্ষাৎকার প্রকাশিত হয়েছে। প্রতিবেদনটির লেখকদের অভিযোগ, সাক্ষাৎকারে শরজিল ইমামের বক্তব্য এমনভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে, যাতে তাঁকে রাজনৈতিক নিপীড়নের শিকার হিসেবে তুলে ধরার সুযোগ তৈরি হয়েছে। শরজিল ইমাম বিভিন্ন মামলায় অভিযুক্ত। তাঁকে সাক্ষাৎকার দেওয়া এবং তাঁর বক্তব্য উপস্থাপনের ধরন নিয়ে অন্য একটি সংবাদমাধ্যমেও সমালোচনা প্রকাশিত হয়েছে। তবে সাক্ষাৎকার প্রকাশ করা এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির বক্তব্যকে সমর্থন করার মধ্যে পার্থক্য রয়েছে।

    তরুণীর অভিযোগে শরীরচর্চার প্রশিক্ষক গ্রেফতার

    প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, চেন্নাইয়ের ওত্তেরি এলাকার বাসিন্দা বছর সাতাশের শরীরচর্চার প্রশিক্ষক ইমতিয়াজ শরিফকে সচিবালয় কলোনি থানার পুলিশ গ্রেফতার করেছে। অভিযোগ, সম্পর্ক শেষ হয়ে যাওয়ার পর তিনি সোশ্যাল মিডিয়ায় এক কলেজপড়ুয়া তরুণীর সঙ্গে নিজের ছবি প্রকাশ করেছিলেন। ঘটনাটির বিস্তারিত এবং অভিযোগের পরবর্তী আইনি অগ্রগতি সম্পর্কে প্রতিবেদনে আর কোনও তথ্য দেওয়া হয়নি।

    আমিষ খাবার খাওয়া নিয়ে বিতর্ক

    কর্নাটকের কুদালসঙ্গমে শিবমন্দিরের কাছে কয়েকজনের আমিষ খাবার খাওয়ার ঘটনার একটি ভিডিও ফুটেজ সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। ঘটনায় শুরু হয়েছে রাজনৈতিক বিতর্ক। কুদালসঙ্গম জগজ্যোতি বসবন্নের সঙ্গে সম্পর্কিত একটি গুরুত্বপূর্ণ ধর্মীয় স্থান। প্রতিবেদনের দাবি, ঘটনাটি নিয়ে বিজেপির নেতারা প্রশ্ন তুলেছেন, ধর্মীয় স্থানের পবিত্রতা, পরিচ্ছন্নতা এবং ধর্মীয় পরিবেশ বজায় রাখতে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে কি না। যদিও ভিডিওটির সত্যতা যাচাই করা সম্ভব হয়নি (Hindus Under Attack)।

    বন্দে মাতরম বিষয়ক আলোচনা সভায় বিঘ্ন

    কেরলের কাসারগড়ে কেরল কেন্দ্রীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে বন্দে মাতরম বিষয়ক দু’দিনের একটি আলোচনা সভা চলাকালীন বিক্ষোভ ও বিশৃঙ্খলার অভিযোগ উঠেছে। ওই অনুষ্ঠানে রাজ্যপালও বক্তাদের মধ্যে ছিলেন।প্রতিবেদন অনুযায়ী, ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে ২৫ জন শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে পুলিশ স্বতঃপ্রণোদিতভাবে এফআইআর নথিভুক্ত করেছে। তবে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের প্রকৃতি, তাঁদের বক্তব্য এবং তদন্তের অগ্রগতি সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য দেওয়া হয়নি।

    জমি বরাদ্দ নিয়ে আপত্তি

    কর্নাটকের মঙ্গলুরুর মুডুশেদ্দে গ্রামে মুসলিম সম্প্রদায়ের কবরস্থানের জন্য দুই একর জমি বরাদ্দের সিদ্ধান্ত ঘিরে বিতর্ক তৈরি হয়েছে বলে প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে। প্রস্তাবিত জমিটি জারান্দায়া দৈবস্থান নামে পরিচিত একটি ধর্মীয় স্থান, একটি পবিত্র নাগবন এবং কাছাকাছি অবস্থিত জৈন উপাসনাস্থলের নিকটে বলে উল্লেখ করা হয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দা ও কয়েকটি হিন্দু সংগঠনের আপত্তি, ওই এলাকার ঐতিহ্যবাহী ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক গুরুত্ব রক্ষার বিষয়টিকে কেন্দ্র করে। প্রতিবেদনের বক্তব্য অনুযায়ী, স্থানীয়দের একাংশ মনে করছেন, জমি বরাদ্দের স্থান নির্বাচন ধর্মীয় ঐতিহ্য সংরক্ষণের ক্ষেত্রে উদ্বেগ তৈরি করছে। তবে জমি বরাদ্দের প্রশাসনিক প্রক্রিয়া, সরকারি বক্তব্য এবং সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের অবস্থান সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য প্রতিবেদনে নেই।

    বাংলাদেশে হামলার অভিযোগ

    বাংলাদেশে হিন্দু সম্প্রদায়ের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ধর্মীয় স্থানে ভাঙচুর, জমি দখল, ধর্ম অবমাননার অভিযোগকে কেন্দ্র করে জনতার হামলা, নারীদের উপর যৌন হিংসা এবং জোরপূর্বক ধর্মান্তকরণের মতো ঘটনা সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মধ্যে নিরাপত্তাহীনতা তৈরি করছে। প্রতিবেদনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক আবুল বারাকাতের একটি সমীক্ষার কথা উল্লেখ করা হয়েছে। সেখানে দাবি করা হয়েছে, বর্তমান প্রবণতা অব্যাহত থাকলে ২০৫০ সালের মধ্যে বাংলাদেশে হিন্দু জনসংখ্যা লুপ্ত হয়ে যেতে পারে (Hindus Under Attack)।

    আক্রান্ত ব্যবসায়ী ও তাঁর মা

    প্রতিবেদন অনুযায়ী, ঝিনাইদহ জেলার ফুলহারি ইউনিয়নের ১৫ নম্বর ওয়ার্ডে সুব্রত দই-মিষ্টি ভান্ডারের মালিক সুব্রত বাবু ও তাঁর শতায়ু মা হামলার শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ। সুব্রতবাবুর বক্তব্য, কয়েকজন লোক দাম না দিয়েই এর আগেও তাঁর দোকান থেকে জোর করে দই নিয়ে গিয়েছিলেন। ৫ অক্টোবর তারা ফের দোকানে এসে টাকা না দই-মিষ্টি নিয়ে পালানোর চেষ্টা করলে তিনি বাধা দেন। এরপরেই দুষ্কৃতীরা প্রথমে সুব্রত ও পরে তাঁর বৃদ্ধা মায়ের উপর হামলা চালান বলে অভিযোগ। তবে অভিযুক্তদের পরিচয়, পুলিশের পদক্ষেপ, মামলা নথিভুক্ত হয়েছে কি না এবং আক্রান্তদের শারীরিক অবস্থা সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়নি।

    ধর্মীয় বিদ্বেষ-বৈষম্য নিয়ে প্রতিবেদনের দাবি

    প্রতিবেদনের লেখকদের মতে, হিন্দুদের বিরুদ্ধে বিদ্বেষ কখনও সরাসরি হিংসা বা ধর্মীয় স্থানে হামলার মাধ্যমে প্রকাশ পায়, আবার কখনও আইন, প্রশাসন, প্রতিষ্ঠান ও জনপরিসরের বিভিন্ন আচরণের মধ্য দিয়ে সূক্ষ্মভাবে প্রকাশিত হতে পারে। তাঁদের অভিযোগ, এই ধরনের বৈষম্য শনাক্ত করতে আইন, নীতি ও ঘটনাগুলির ধারাবাহিক ধরন বিশ্লেষণ করা প্রয়োজন। এ প্রসঙ্গে প্রতিবেদনে দীপাবলিতে আতশবাজি ব্যবহারের উপর নিষেধাজ্ঞা বা বিধিনিষেধের বিষয়টিও তুলে ধরা হয়েছে। লেখকদের দাবি, পরিবেশদূষণ নিয়ন্ত্রণের যুক্তিতে এই বিধিনিষেধ আরোপ করা হলেও হিন্দু উৎসবের ক্ষেত্রে তার প্রয়োগ এবং অন্যান্য ক্ষেত্রে পরিবেশগত নিয়মের প্রয়োগের মধ্যে তুলনা করা দরকার (Hindus Under Attack)। তবে আতশবাজি ব্যবহারের উপর বিধিনিষেধ সাধারণত বায়ুদূষণ, জনস্বাস্থ্য ও পরিবেশ সুরক্ষার যুক্তিতে আরোপ করা হয়। কোনও নির্দিষ্ট সিদ্ধান্তকে ধর্মীয় বৈষম্য হিসেবে চিহ্নিত করতে হলে তার আইনি ভিত্তি, প্রয়োগের ধরন এবং তুলনামূলক তথ্য যাচাই করা জরুরি।

    মানবাধিকার ও ধর্মীয় স্বাধীনতা রক্ষায় নিরপেক্ষ তদন্তের গুরুত্ব

    ভারত ও বাংলাদেশে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের নিরাপত্তা, ধর্মীয় স্বাধীনতা এবং সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য রক্ষার প্রশ্নটি গুরুত্বপূর্ণ। তবে এ ধরনের ঘটনায় অভিযোগ, রাজনৈতিক বক্তব্য এবং যাচাই করা তথ্যের মধ্যে স্পষ্ট পার্থক্য রাখা জরুরি। উল্লেখ্য, প্রতিটি ঘটনার ক্ষেত্রে নিরপেক্ষ তদন্ত, পুলিশের আনুষ্ঠানিক বক্তব্য, প্রত্যক্ষদর্শীদের বিবরণ এবং প্রাসঙ্গিক নথি যাচাইয়ের মাধ্যমে প্রকৃত পরিস্থিতি নির্ধারণ করা প্রয়োজন। একই সঙ্গে ধর্মীয় পরিচয় নির্বিশেষে আক্রান্ত ব্যক্তিদের নিরাপত্তা ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা এবং কোনও সম্প্রদায়ের বিরুদ্ধে সামগ্রিক বিদ্বেষ ছড়িয়ে পড়া রোধ করাও সমান গুরুত্বপূর্ণ (Hindus Under Attack)।

     

  • Hindus Under Attack: অব্যাহত হিন্দু ও হিন্দু ধর্মের ওপর আক্রমণ, এক ঝলকে সাপ্তাহিক সংবাদ

    Hindus Under Attack: অব্যাহত হিন্দু ও হিন্দু ধর্মের ওপর আক্রমণ, এক ঝলকে সাপ্তাহিক সংবাদ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হিন্দু ও হিন্দু ধর্মের ওপর আক্রমণ অব্যাহত। দেশের পাশাপাশি বিশ্বের বহু অঞ্চলেও এই নির্যাতন ধীরে ধীরে এক ধরনের গণহত্যার রূপ নিচ্ছে (Hindus Under Attack)। কয়েক দশক ধরে বিশ্ব এই আক্রমণের প্রকৃত গভীরতা ও ব্যাপ্তি উপেক্ষা করে আসছে, যা খুবই উদ্বেগজনক (Roundup Week)। হত্যা, জোরপূর্বক ধর্মান্তর, জমি দখল, উৎসবে হামলা, মন্দির ও মূর্তি ভাঙচুর, ঘৃণা ভাষণ, যৌন হিংসা থেকে শুরু করে প্রাতিষ্ঠানিক ও আইনি বৈষম্য পর্যন্ত, সর্বত্র হিন্দুরা তাঁদের অস্তিত্বের ওপর ক্রমবর্ধমান আক্রমণ এবং নজিরবিহীন হিন্দু-বিদ্বেষের সম্মুখীন হচ্ছেন। ১৭ থেকে ২৩ মে, ২০২৬ – এই সপ্তাহে বিভিন্ন ঘটনার ছবিটা একবার দেখে নেওয়া যাক।

    ইসলামিক সংগঠনের দাবি (Hindus Under Attack)

    প্রায় ৪৮টি ইসলামিক সংগঠন ১৭ মে বেঙ্গালুরুর টাউন হলে একজোট হয়ে কংগ্রেস নেতৃত্বাধীন রাজ্য সরকারের কাছে সম্প্রদায়ভিত্তিক একাধিক দাবি পেশ করেছে। ঘটনায় কর্নাটকে সূত্রপাত হয়েছে রাজনৈতিক বিতর্কের। ফেডারেশন অফ কর্নাটক মুসলিম অর্গানাইজেশন্সের ব্যানারে আয়োজিত এই সম্মেলনে মুসলিমদের জন্য পৃথক বাজেট বরাদ্দ, সংরক্ষণ কোটা পুনর্বহাল ও সম্প্রসারণ, ধর্মান্তর-বিরোধী ও গবাদি পশু জবাই সংক্রান্ত আইন বাতিল, এবং ইসলামিক সম্প্রদায়ের জন্য আরও বেশি রাজনৈতিক প্রতিনিধিত্বের দাবি জানানো হয়। এইচআর অ্যান্ড সিই (HR&CE) প্রশাসনের অধীনস্থ রামেশ্বরমের অরুলমিগু রামনাথস্বামী মন্দিরে অভ্যন্তরীণ তদন্তে লাড্ডু প্রসাদম প্রস্তুতি, বিক্রি এবং বিনামূল্যে বিতরণ ব্যবস্থায় ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ ওঠায় ছ’জন কর্মীকে বরখাস্ত করা হয়েছে। অনুমান, এর ফলে ৩.৪০ কোটি টাকারও বেশি ক্ষতি হয়েছে।

    গাড়ি বোমা বিস্ফোরণকাণ্ডে এনআইএর চার্জশিট

    দিল্লির লালকেল্লা এলাকায় গাড়ি বোমা বিস্ফোরণের ঘটনায় জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা (NIA) ১০ জন অভিযুক্তের বিরুদ্ধে ৭,৫০০ পাতার চার্জশিট দাখিল করেছে। ওই ঘটনায় ১১ জন নিহত ও বহু মানুষ জখম হয়েছিলেন। এনআইএর চার্জশিটে দাবি করা হয়েছে, ‘অপারেশন হেভেনলি হিন্দ’ নামে একটি ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে জঙ্গি নেটওয়ার্ক ব্যবহার করে ভারতে শরিয়া শাসন প্রতিষ্ঠার পরিকল্পনা ছিল দুষ্কৃতীদের।মহারাষ্ট্রের মিরা রোড এলাকায় এক হিন্দু দম্পতির ওপর হামলা ও হয়রানির অভিযোগ উঠেছে (Hindus Under Attack)। অভিযোগ, ওলা-উবার চালক অজয় রাজেন্দ্র চৌধুরী এবং তাঁর বান্ধবী রোমা জয়ভগবান কাগদাকে সিএনজি ফিলিং স্টেশনে লাইনে দাঁড়ানো নিয়ে বিবাদের জেরে হিলাল খানের নেতৃত্বে একদল ব্যক্তি আক্রমণ করে। এফআইআর অনুযায়ী, পরিস্থিতি দ্রুত উত্তপ্ত হয়ে সংঘর্ষে রূপ নেয়।

    মন্দির চত্বরের ভেতরে হিজাব পরে!

    কর্নাটকের বাগালকোট জেলার ঐতিহাসিক বাদামি মন্দির কমপ্লেক্সে এক মুসলিম কর্মীকে মন্দির চত্বরের ভেতরে স্যান্ডেল ও হিজাব পরে দেখা যায়। ঘটনায় প্রবল বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। উপস্থিত হিন্দু ভক্ত ও পর্যটকদের আপত্তির পর ঘটনাটির ভিডিও ফুটেজ সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়। ধর্মীয় রীতি ও উপাসনালয়ের মর্যাদা নিয়ে তীব্র জনমতও তৈরি হয় (Roundup Week)। মাদিকেরির কোদাগু জেলার হেরুর এলাকায়ও ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়েছে। অভিযোগ, এলাকার একটি আদিবাসী কলোনিতে নির্মিত একটি ভবন থেকে খ্রিস্টান ধর্ম প্রচার ও ধর্মান্তর কার্যকলাপ চালানোর তোড়জোড় করা হচ্ছিল। রিপোর্ট অনুযায়ী, তামিলনাড়ু থেকে একদল খ্রিস্টান ওই ভবনের উদ্বোধনে এলে স্থানীয় বাসিন্দারা আপত্তি জানান। প্রাক্তন গ্রাম পঞ্চায়েত সভাপতি মান্ডোডি জগন্নাথের নেতৃত্বে থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়। ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে পুলিশ (Hindus Under Attack)।

    হিন্দু পরিবারের ওপর আক্রমণ

    পুনের ধানোরি এলাকার একটি ঘটনা সম্প্রতি সোশ্যাল মিডিয়ায় ব্যাপক আলোচনার বিষয় হয়ে ওঠে। ব্যক্তিগত জমি অবৈধভাবে দখল এবং আদালতের নির্দেশে পুনর্দখল ঘিরে সংঘর্ষের ঘটনা এটি। অভিযোগ, জনৈক ইলাহি শেখ প্রায় ১০ বছর ধরে এক হিন্দু মালিকানাধীন জমি দখল করে রেখেছিলেন। আদালতের নির্দেশে জমির মালিক ফের জমির দখল নিতে গেলে শুরু হয় অশান্তি। অভিযোগ, শেখ ও তাঁর দলবল ওই হিন্দু পরিবারের ওপর আক্রমণ চালায়।

    হিন্দু-বিরোধী মনোভাবের প্রতিফলন

    বস্তুত, অনেক ঘৃণাজনিত অপরাধ নির্দিষ্ট ধর্মীয় শিক্ষা ও রাজনৈতিক মতাদর্শে নিহিত হিন্দু-বিরোধী মনোভাব দ্বারা প্রভাবিত বলে দাবি করা হয়। ইসলামিক দেশগুলিতে হিন্দু-বিরোধী মনোভাব স্পষ্ট হলেও, ভারতের মতো তথাকথিত ধর্মনিরপেক্ষ রাষ্ট্রগুলির প্রতিষ্ঠান ও জনপরিসরেও আরও সূক্ষ্ম ধরনের হিন্দু-বিরোধী মনোভাব কাজ করে বলে অনেকে মনে করেন। এটি হিন্দুফোবিয়া ও ঘৃণাজনিত অপরাধের অনুকূল পরিবেশ তৈরি করে। এই ধরনের দৈনন্দিন বৈষম্য প্রায়ই চোখ এড়িয়ে যায়, যদি না প্রচলিত আইন ও ঘটনাপ্রবাহ গভীরভাবে বিশ্লেষণ করা হয়। দীপাবলিতে ধীরে ধীরে আতশবাজি নিষিদ্ধ করার বিষয়টিকে অনেকেই (Roundup Week) এর উদাহরণ হিসেবে দেখান। আপাতভাবে এটি দূষণ সংক্রান্ত মনে হলেও, বৃহত্তর প্রেক্ষাপটে হিন্দু উৎসবগুলির ওপর বিধিনিষেধ (Hindus Under Attack) এবং সেই নিষেধাজ্ঞার যুক্তির অভাব নিয়ে দ্বৈত মানদণ্ডের অভিযোগও ওঠে।

     

LinkedIn
Share