Tag: Anti Maoist

  • Chhattisgarh: ছত্তিশগড়ে মাওবাদী দমন অভিযান! অবুঝমাড়ে বিপুল পরিমাণে আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করল নিরাপত্তা বাহিনী

    Chhattisgarh: ছত্তিশগড়ে মাওবাদী দমন অভিযান! অবুঝমাড়ে বিপুল পরিমাণে আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করল নিরাপত্তা বাহিনী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ছত্তিশগড়ের (Chhattisgarh) নারায়ণপুর জেলার অবুঝমাড় অঞ্চলে মাওবাদী-বিরোধী অভিযানে বিপুল পরিমাণে অস্ত্রভাণ্ডার উদ্ধার করেছে নিরাপত্তা বাহিনী (Anti Maoist campaign)। সরকারি সূত্রে জানা গেছে, ২৯ অগাস্ট যৌথ বাহিনীর অভিযানে এই অস্ত্রভাণ্ডার উদ্ধার হয়। নারায়ণপুরের পুলিশ সুপার রবিনসন গুড়িয়া এক বিবৃতিতে জানান, ২৪ আগস্ট থেকেই নিরাপত্তা বাহিনী এই অভিযানের প্রস্তুতি শুরু করে। অভিযানে অংশ নেয় ডিস্ট্রিক্ট রিজার্ভ গার্ড (DRG), স্পেশাল টাস্ক ফোর্স (STF) এবং ইন্দো-তিব্বত সীমান্ত পুলিশ (ITBP)। অভিযান চালিয়ে চার-পাঁচটি ভিন্ন স্থান থেকে বিপুল পরিমাণ অস্ত্র উদ্ধার করা হয়।

    কী কী উদ্ধার করা হল

    রবিনসন গুড়িয়া আরও জানান, অবুঝমাড় অঞ্চলের বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে কিছু আত্মসমর্পণকারী মাওবাদীদের কাছ থেকেও অস্ত্র উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে। প্রাপ্ত রিপোর্ট অনুযায়ী (Chhattisgarh), এই অভিযানে উদ্ধার হয়েছে— ৪৯টি বন্দুক,একটি ইনসাস রাইফেল, একটি এসএলআর রাইফেল, একটি স্টেনগান, একটি লাইট মেশিনগান (LMG), আটটি ব্যারেল গ্রেনেড লঞ্চার (BGL), বিভিন্ন মাপের ছোট ও মাঝারি সাইজের গ্রেনেড সেল। প্রসঙ্গত, ২৮ অগাস্ট (বুধবার) ছত্তিশগড়ের বস্তার অঞ্চলের ৩০ জন মাওবাদী আত্মসমর্পণ করেন। ছত্তিশগড়ের উপমুখ্যমন্ত্রী বিজয় শর্মা এক বিবৃতিতে জানান, আত্মসমর্পণকারীদের সরকারি পুনর্বাসন নীতির আওতায় পুনর্বাসন দেওয়া হবে (Chhattisgarh)। তিনি আরও আহ্বান জানান, যারা এখনও উগ্র বামপন্থা অনুসরণ করছেন, তারা যেন সমাজের মূল স্রোতে ফিরে আসেন (Chhattisgarh)। উল্লেখযোগ্যভাবে, ১৭ অগাস্টও ছত্তিশগড় পুলিশের (Anti Maoist campaign) কাছে আরও চারজন মাওবাদী আত্মসমর্পণ করেন।

    মাওবাদী অভিযান চলছেই

    প্রসঙ্গত, মাওবাদী মুক্ত দেশ গড়ার ডাক দিয়েছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। তিনি এই লক্ষ্যে ২০২৬ সালের ৩১ মার্চ তারিখকে একটি নির্ধারিত ডেডলাইন হিসেবে ঘোষণা করেছেন। তাঁর এই ঘোষণার পর থেকেই দেশজুড়ে জোরকদমে চলছে মাওবাদী-বিরোধী অভিযান, যার ইতিবাচক ফলও মিলতে শুরু করেছে। সম্প্রতি নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষে মাওবাদীদের একাধিক শীর্ষনেতাক খতম করা গিয়েছে। এই ঘটনার পর আরও গতি পেয়েছে নিরাপত্তা বাহিনীর অভিযান। এই প্রেক্ষাপটে সরকারও মাওবাদীদের উদ্দেশে সরকার আহ্বান জানিয়েছে, তারা যেন অস্ত্র ছেড়ে সমাজের মূল স্রোতে ফিরে আসে। সরকারের এই আহ্বানে সাড়া দিয়ে অনেক মাওবাদী ইতিমধ্যেই আত্মসমর্পণ করছেন।

  • Anti Maoist Operation: ‘অপারেশন সঙ্কল্পে’ বড়সড় সাফল্য বাহিনীর, খতম ৩১ মাওবাদী

    Anti Maoist Operation: ‘অপারেশন সঙ্কল্পে’ বড়সড় সাফল্য বাহিনীর, খতম ৩১ মাওবাদী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘অপারেশন সঙ্কল্পে’ (Anti Maoist Operation) বড়সড় সাফল্য পেল ভারতীয় নিরাপত্তা বাহিনী। পুলিশের দাবি, অভিযানে এখনও পর্যন্ত নিকেশ হয়েছে অন্তত ৩১ জন মাওবাদী (Bijapur)।

    ‘অপারেশন সঙ্কল্প’ (Anti Maoist Operation)

    পুলিশ জানিয়েছে, ছত্তিশগড়-তেলঙ্গানা সীমানায় চলছে ‘অপারেশন সঙ্কল্প’। তাতেই মিলেছে ৩১ জন নিকেশ হওয়ার খবর। এই অভিযান সম্পর্কে অবশ্য বিস্তারিত তথ্য এখনও প্রকাশ করা হয়নি ছত্তিশগড় পুলিশের তরফে। প্রাথমিকভাবে জানানো হয়েছে, ছত্তিশগড়-তেলঙ্গানা সীমানায় কারেগুট্টা পাহাড়ের আশপাশের ঘন জঙ্গলে অপারেশন চলাকালীনই মৃত্যু হয় ওই মাওবাদীদের। বুধবার সাংবাদিক বৈঠক করে এই বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ্যে আনবেন বিজাপুরের পুলিশ সুপার জিতেন্দ্র যাদব।

    ২০ জনকে শনাক্ত

    পুলিশের তরফে জানানো হয়েছে, ৩১ জন মাওবাদীর মধ্যে ২০ জনকে ইতিমধ্যেই শনাক্ত করা হয়েছে। ময়নাতদন্ত ও অন্যান্য আইনি প্রক্রিয়া শেষ করার পরে ১১ জনের দেহ তুলে দেওয়া হয়েছে তাদের পরিবারের হাতে। বাকিদের দেহ শনাক্তকরণের কাজ চলছে। ২১ এপ্রিল শুরু হয়েছে ‘অপারেশন সঙ্কল্প’। নিরাপত্তাবাহিনীর একাধিক ইউনিট – ছত্তিশগড় পুলিশের জেলা রিজার্ভ গার্ড, বাস্তার ফাইটার্স, স্পেশাল টাস্ক ফোর্স, সিআরপিএফ এবং কোবরা ইউনিট এই অভিযানে অংশ নিয়েছে। সব মিলিয়ে প্রায় ২৮ হাজার জওয়ান ঘিরে রেখেছে এই জঙ্গল। জঙ্গলে প্রায় ৫০০ জন মাওবাদী রয়েছে বলে সূত্রের খবর।

    অভিযানে বিপুল পরিমাণ বিস্ফোরক সামগ্রী উদ্ধার হয়েছে বলেও জানিয়েছে পুলিশ। উদ্ধার হয়েছে ৪০০টিরও বেশি আইইডি, প্রায় ৪০টি আগ্নেয়াস্ত্র, প্রায় ২ টন বিস্ফোরক। পুলিশের দাবি, মাওবাদীদের ঘাঁটি (Anti Maoist Operation) চিহ্নিত করে একের পর এক সফল অভিযানের মাধ্যমে ধ্বংস করা হচ্ছে তাদের ঘাঁটি ও অস্ত্রভান্ডার।

    প্রসঙ্গত, ২০২৬ সালের ৩১ মার্চের মধ্যেই মাওবাদমুক্ত ভারত গড়ার বার্তা দিয়েছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। এর পর থেকেই ছত্তিশগড়, ঝাড়খণ্ডের মতো মাও-অধ্যুষিত রাজ্যগুলিতে ব্যাপক গতি পেয়েছে মাওবাদী অভিযান। জানা গিয়েছে, কারেগুট্টা পাহাড়ি এলাকাটি মাওবাদীদের অন্যতম শক্তঘাঁটি। এই এলাকা থেকে মাওবাদীদের নিশ্চিহ্ন করতে এলাকা ঘিরে রেখেছে নিরাপত্তাবাহিনী। এখনও (Bijapur) পর্যন্ত ওই এলাকায় চালানো হয়েছে ৩৫টি অভিযান (Anti Maoist Operation)।

LinkedIn
Share