Tag: Anti Rabies Vaccine

Anti Rabies Vaccine

  • Nadia: বিনামূল্যে দেওয়ার কথা বললেও সরকারি হাসপাতালে মিলছে না জলাতঙ্কের টিকা! ক্ষুব্ধ রোগীরা

    Nadia: বিনামূল্যে দেওয়ার কথা বললেও সরকারি হাসপাতালে মিলছে না জলাতঙ্কের টিকা! ক্ষুব্ধ রোগীরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সরকারি হাসপাতালে মিলছে না জলাতঙ্কের টিকা। মহকুমা হাসপাতালে প্রতি সপ্তাহে গড়ে রোগী আসেন ৬০ জন করে। দিনের পর দিন হাসপাতালে ঘুরলেও খোঁজ নেই টিকার। এমনকী অনেক রোগীকে নির্ধারিত সময়ে ডোজ নেওয়ার কথা বললেও মিলছে না টিকা। আবার সরকারি হাসপাতালে বিনামূল্যে টিকা দেওয়ার কথা বললেও না মেলায় বাইরের বাজার থেকে চড়া দামে কিনতে হচ্ছে রোগীদের। ঘটনা ঘটেছে নদিয়ার (Nadia) রানাঘাট মহকুমা হাসপাতালে। পরিষেবা না পেয়ে চরম ভোগান্তির সম্মুখীন হতে হচ্ছে সাধারণ রোগীরা। এমনকী প্রশাসনকে অভিযোগ জানিয়েও কোনও লাভ হচ্ছে না বলে জানা গিয়েছে।

    রোগীদের বক্তব্য (Nadia)

    স্থানীয় (Nadia) সূত্রে জানা গিয়েছে, রোগীর জলাতঙ্কের টিকা নিতে গেলেই হাসপাতাল থেকে বলা হয়, এই মুহূর্তে টিকা নেই। পেশায় গাড়ি চালক বিমল বিশ্বাস বলেন, “সপ্তাহ আগে আমার দশ বছরের ছেলেকে কুকুর কামড় দিয়েছে। জলাতঙ্কের টিকার জন্য রানাঘাট মহাকুমা হাসপাতালে গিয়েছিলাম। সেখান থেকে বলা হয়, এই মুহূর্তে টিকা নেই। বাইরে থেকে ওই টিকা নিলে হাসপাতালের নার্সরা এনে দেবেন।” একই ভাবে টিকার চতুর্থ ডোজ নিতে আসা রাজকুমার দেবনাথ অভিযোগ করে বলেন, “হাসপাতাল থেকে টিকা নিতে গেলে বলা হচ্ছে সরবরাহ বন্ধ রয়েছে। তাই বাইরে থেকে পাঁচজন একত্রিত হয়ে ওই টিকা কিনে নিন।”

    অবশ্য ডাক্তারদের বক্তব্য, “কুকুর বিড়াল বাঁদর বা অন্য কোনও প্রাণী কামড়ালে রোগীকে আহত হওয়ার দিনেই টিকা দিতে হয়। এরপর তৃতীয় দিন, সাত দিন এবং আঠাশদিনের মাথায় মোট চারবার করে টিকার ডোজ নিতে হয়। কিন্তু একবার, দুইবার ডোজ নেওয়ার পরবর্তী ডোজ নিতে ব্যাপক সমস্যা হচ্ছে।”

    হাসপাতাল সুপারের বক্তব্য

    রানাঘাট (Nadia) মহকুমা হাসপাতাল সুপার প্রহ্লাদ অধিকারী বলেন, ‘‘বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছি। আশা করছি, মঙ্গলবার জেলা স্তর থেকে টিকা সরবরাহ করা হবে। গ্রামীণ ও ব্লকের প্রাথমিক স্বাস্থ্য কেন্দ্রগুলিতে পর্যাপ্ত টিকা রয়েছে।’’

    জেলা মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিকের বক্তব্য

    নদিয়া (Nadia) জেলার মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক জ্যোতিষ চন্দ্র দাস বলেন, “জেলায় পর্যাপ্ত পরিমাণে জলাতঙ্কের টিকা মজুত রয়েছে। রানাঘাট মহকুমা হাসপাতালের পক্ষ থেকে টিকা শেষ হওয়ার বিষয়ে কোনও কথা ঘোষণা করা হয়নি। রোগীরা যাতে সমস্যায় না পড়তে হয় সেই দিকে নজর রাখা হয়েছে।”   

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Kuno National Park: চিতা বাঁচাতে কুনো ন্যাশনাল পার্ক এলাকায় হাজার কুকুরকে অ্যান্টি র‌্যাবিস প্রতিষেধক   

    Kuno National Park: চিতা বাঁচাতে কুনো ন্যাশনাল পার্ক এলাকায় হাজার কুকুরকে অ্যান্টি র‌্যাবিস প্রতিষেধক   

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মধ্যপ্রদেশের কুনো ন্যাশনাল পার্কের (Kuno National Park) আশপাশের হাজারেরও বেশি কুকুরকে দেওয়া হল অ্যান্টি র‌্যাবিস প্রতিষেধক (Anti Rabies Vaccine)। এই পার্কেই আগামী সপ্তাহে আফ্রিকা থেকে চিতা (cheetah) নিয়ে আসা হচ্ছে। ইন্ডিয়াজ অ্যাম্বিসাস প্রোজেক্টে আফ্রিকা থেকে নিয়ে আসা হচ্ছে ওই চিতাগুলিকে। নবাগত অতিথিরা যাতে সংক্রমিত না হয়, সেই কারণেই কুকুরদের দেওয়া হচ্ছে অ্যান্টি র‌্যাবিস প্রতিষেধক।      

    অগাস্টের ১৭ তারিখে আফ্রিকার নামিবিয়া থেকে মধ্যপ্রদেশের কুনো ন্যাশনাল পার্কে নিয়ে আসা হচ্ছে ৮টি চিতা। এগুলির মধ্যে পাঁচটি পুরুষ, তিনটি স্ত্রী। সেদিন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি চিতা পুররুদ্ধার প্রোগ্রামের সূচনা করবেন। ঘটনাচক্রে এই দিনটি আবার প্রধানমন্ত্রীর জন্মদিনও।

    আরও পড়ুন : নিজের জন্মদিন মধ্যপ্রদেশের জাতীয় উদ্যানে কাটাবেন প্রধানমন্ত্রী, ছাড়া হবে ৫টি চিতা

    এই পার্ক লাগোয়া এলাকায় বসতি রয়েছে। তাই অনেকের বাড়িতেই রয়েছে পোষ্য কুকুরও। কুনো ন্যাশনাল পার্কের ডিভিশনাল ফরেস্ট অফিসার পিকে ভার্মা বলেন, এক হাজারের বেশি পোষ্য এবং রাস্তার কুকুরকে অ্যান্টি র‌্যাবিস প্রতিষেধক দেওয়া হয়েছে। পাঁচ কিলোমিটার এলাকা জুড়ে এই অভিযান হয়েছে। চিতা সহ এই পশু সংরক্ষণ কেন্দ্রের অন্য প্রাণীরা যাতে নিরাপদে থাকে, তাই এই ব্যবস্থা। চিতা কুকুর শিকার করতে পারে ভেবে তাদের প্রতিষেধক দেওয়া হয়নি বলেই জানান তিনি। ভার্মা বলেন, সাধারণত একটি চিতা কোনও শিকার হত্যা করলে তার অর্ধেকটা খেয়ে চলে যায়। পরে খিদে পেলে ফের আসে বাকিটা খেতে। ইতিমধ্যে কোনও পাগলা কুকুর যদি ওই মৃত আধখাওয়া পশুর দেহ খায়, তাহলে পরে ওই পশুর দেহ খেলে সংক্রমিত হতে পারে চিতা। এভাবেই সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়বে গোটা জঙ্গলে। ভার্মা বলেন, যদি কোনও পাগলা কুকুর জঙ্গলের আশপাশের গবাদি পশুকে কামড়ায়, ওই গবাদি পশুদের যদি কোনও চিতা শিকার করে, তাহলে ওই চিতারাও সংক্রমিত হয়ে পড়বে। সেই একটি চিতার থেকে সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়বে বাকি চিতাদের মধ্যে। তিনি জানান, এপ্রিলে শুরু হওয়া প্রতিষেধকদান অভিযান প্রায় শেষের মুখে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

LinkedIn
Share