Tag: Antioxidants

Antioxidants

  • Dry Fruits: সন্তানকে প্রতিদিন কিসমিস‌ খাওয়ান? কতটা খাওয়া উচিত? কী হতে পারে বেশি খেলে? 

    Dry Fruits: সন্তানকে প্রতিদিন কিসমিস‌ খাওয়ান? কতটা খাওয়া উচিত? কী হতে পারে বেশি খেলে? 

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    বছর খানেক বয়স পার হলেই শিশুদের কিসমিস (Dry Fruits) দেওয়া হয়। অনেক সময়েই সন্তানকে নিয়মিত কিসমিস দেওয়া হয়। চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, নিয়মিত কিসমিস খেলে শরীরে তার গভীর প্রভাব পড়ে। তাই যাঁরা নিয়মিত কিসমিস খান, তাঁদের সচেতন থাকা জরুরি।

    নিয়মিত কিসমিস খেলে কী হতে পারে? (Dry Fruits)

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, কিসমিসে (Raisins) রয়েছে প্রচুর পরিমাণে আয়রন। তাই শিশুদের নিয়মিত কিসমিস খাওয়ালে রক্তাল্পতার সমস্যা হবে না। পাশপাশি কিসমিসে রয়েছে তামা। তাই রক্তে লোহিত কণিকার উপাদান তৈরিতে কিসমিস বিশেষ সাহায্য করে। কিসমিসে রয়েছে প্রচুর পরিমাণ অ‌্যান্টিঅক্সিডেন্ট। নিয়মিত কিসমিস খেলে রোগ প্রতিরোধ শক্তি বাড়ে। তাই শিশুদের সুস্থ রাখতে নিয়মিত কিসমিস খাওয়ানো জরুরি। এমনই জানাচ্ছেন চিকিৎসকদের একাংশ। দূষণ বাড়ছে। পরিবেশ দূষণের জেরে স্বাস্থ্যের একাধিক সমস্যা দেখা দিচ্ছে। চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, কিসমিস (Dry Fruits) শরীরে দূষণের জেরে তৈরি হওয়া সমস্যা কমাতে বিশেষ সাহায্য করে। কিসমিসে রয়েছে পটাশিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম,‌ ফাইবারের মতো একাধিক খনিজ পদার্থ। তাই নিয়মিত কিসমিস খেলে শরীরে খনিজ পদার্থের চাহিদা পূরণ হবে। শিশুদের ক্লান্তি বোধ কম হবে। এনার্জির জোগান থাকবে। পাশপাশি কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস‌্যাও কমবে বলেই জানাচ্ছেন চিকিৎসকদের একাংশ।

    কত পরিমাণ কিসমিস খাওয়া উচিত?

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, কিসমিস খাওয়ার ক্ষেত্রে পরিমাণের দিকে নজরদারি জরুরি। কারণ, অতিরিক্ত পরিমাণ কিসমিস খেলে শরীরে একাধিক সমস্যা দেখা দিতে পারে। শিশুদের নিয়মিত ৭ থেকে ১০টা কিসমিস (Dry Fruits) দেওয়া যেতে পারে বলে জানাচ্ছেন চিকিৎসকদের একাংশ। প্রাপ্তবয়স্কেরা নিয়মিত ২০ থেকে ২৫ গ্রামের বেশি কিসমিস খেতে পারেন। তবে এর বেশি পরিমাণ কিসমিস খেলে তা শরীরের জন‌্য বিপজ্জনক হতে পারে।

    কেন অতিরিক্ত কিসমিস খাওয়া বিপজ্জনক? (Dry Fruits)

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, কিসমিসে থাকে প্রচুর পরিমাণে প্রাকৃতিক শর্করা। এর জেরেই ঘটতে পারে বিপত্তি। ডায়বেটিস আক্রান্তেরা অতিরিক্ত পরিমাণ কিসমিস খেলে রক্তে শর্করার মাত্রা খুব দ্রুত বাড়তে থাকে। যার জেরে একাধিক সমস্যা হতে পারে। আবার শিশুদের জন্যও অতিরিক্ত কিসমিস বিপজ্জনক। চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, কিসমিসে থাকে প্রচুর ফাইবার। তাই অতিরিক্ত কিসমিস খেলে হজমের গোলমাল হতে পারে। পেটের সমস্যাও দেখা দিতে পারে। যাদের শ্বাসকষ্টের সমস্যা রয়েছে, তাদের জন্য ও অতিরিক্ত কিসমিস খাওয়া বিপজ্জনক হতে পারে বলেই জানাচ্ছেন চিকিৎসকদের একাংশ। তাই খাওয়ার সময় পরিমাণ (Dry Fruits) নিয়ে সতর্কতা জরুরি বলেই তাদের পরামর্শ।

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Eggs: সকালের জলখাবারে রোজ কি ডিম খান? ডিমের কোন পদ শরীরে রোগের ঝুঁকি বাড়ায়?

    Eggs: সকালের জলখাবারে রোজ কি ডিম খান? ডিমের কোন পদ শরীরে রোগের ঝুঁকি বাড়ায়?

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    সকালের জলখাবারে অনেকেরই পছন্দ ডিম সিদ্ধ! আবার অনেকেই হাফ সিদ্ধ ডিম (Eggs) খেতে ভালোবাসেন! পুষ্টিবিদদের একাংশ জানাচ্ছেন, ডিম স্বাদের পাশপাশি স্বাস্থ্যের খেয়াল রাখে‌। ডিমের উপকার অনেক। কিন্তু কিছু ক্ষেত্রে ডিম বিপদও বাড়ায়। তাই ডিম খাওয়ার সময় সতর্কতা জরুরি। না হলেই শরীরে একাধিক সমস্যা দেখা দিতে পারে।

    ডিম কীভাবে খাবেন? (Eggs)

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, ডিম শরীরের জন্য অত্যন্ত উপকারী। ডিমে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ক্যালসিয়াম, একাধিক ভিটামিন এবং প্রোটিন। নিয়মিত ডিম খেলে শরীরে প্রোটিন, ভিটামিন, ক্যালসিয়ামের চাহিদা সহজেই পূরণ হয়। তাছাড়া, ডিম নিয়মিত খেলে হাড়ের ক্ষয় রোগের ঝুঁকি কমে। পেশি মজবুত হয়। এছাড়া রোগ প্রতিরোধ শক্তি বাড়ে‌। কিন্তু চিকিৎসকেরা জানাচ্ছেন, ডিম কীভাবে খাওয়া হচ্ছে, তার উপরেই নির্ভর করছে ডিম শরীরে প্রয়োজনীয় পুষ্টি সরবরাহ করতে পারবে কিনা। 
    পুষ্টিবিদদের একাংশের পরামর্শ, ডিম সিদ্ধ করে খেলেই এর সবরকম পুষ্টিগুণ শরীরে ঢোকে। ডিমের (Eggs) সাদা অংশ এবং কুসুমে দু’রকমের পুষ্টিগুণ আছে‌। সাদা অংশ ক্যালসিয়াম জোগান দেয়। কুসুমে থাকে প্রোটিন এবং ভিটামিন। তাই সিদ্ধ ডিম খাওয়া সবচেয়ে স্বাস্থ্যকর বলেই জানাচ্ছেন পুষ্টিবিদদের একাংশ। ডিম আধসিদ্ধ করে খাওয়া কিংবা অতিরিক্ত কাঁচা সানি সাইড আপের মতো পদ বানিয়ে খাওয়া, একেবারেই স্বাস্থ্যকর নয় বলেই মত বিশেষজ্ঞদের। কারণ, এতে ডায়ারিয়ার ঝুঁকি কয়েকগুণ বেড়ে যায়। তাঁরা জানাচ্ছেন, ডিম ঠিকমতো সিদ্ধ না হলে তাতে সালমোনেল্লা নামে এক প্রকার জীবাণু থাকে‌। এতে ডায়ারিয়ার ঝুঁকি বেড়ে যায়। তাই আধ-সিদ্ধ, ঠিকমতো রান্না না হওয়া ডিম একেবারেই এড়িয়ে চলার পরামর্শ দিচ্ছেন পুষ্টিবিদদের একাংশ।

    দিনে কতগুলি ডিম খাওয়া যেতে পারে? (Eggs)

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, ডিম উপকারী। কিন্তু সেটাও পরিমাণ মতো খাওয়া দরকার। তা না হলে সমস্যা দেখা দিতে পারে। তাই চিকিৎসকদের পরামর্শ, দিনে একটা সিদ্ধ ডিম খাওয়া উচিত। তাঁরা জানাচ্ছেন, তিরিশ বছর পর্যন্ত নিয়মিত কুসুম সহ একটা ডিম খাওয়া যেতে পারে। কিন্তু তিরিশের পরে একটু সতর্কতা জরুরি। অতিরিক্ত ওজন, হৃদরোগ, উচ্চ রক্তচাপ, কোলেস্টেরলের মতো সমস্যা থাকলে সপ্তাহে চার দিন কুসুম সহ একটা ডিম (Eggs) এবং বাকি তিন দিন ডিমের সাদা অংশ খাওয়া যেতেই পারে। তবে যাঁরা অতিরিক্ত শরীর চর্চা করেন, তাঁদের বাড়তি প্রোটিনের প্রয়োজন হয়। তাই তাঁরা একাধিক ডিম একদিনে খেতেই পারেন‌। তবে সেক্ষেত্রে পুষ্টিবিদদের পরামর্শ নেওয়া জরুরি বলেই মত বিশেষজ্ঞ মহলের‌। কারণ, তাঁদের শরীরের ওজন অনুযায়ী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

    শিশুদের নিয়মিত ডিম দেওয়া যেতে পারে? (Eggs)

    শিশুরোগ বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, বয়স আট মাসের পর থেকেই শিশুকে ডিম দেওয়া যেতে পারে। তবে অবশ্যই শিশুকে ভালোভাবে সিদ্ধ করে ডিম দিতে‌ হবে। না হলে একাধিক শারীরিক সমস্যা দেখা দিতে পারে। পাশপাশি একসঙ্গে গোটা ডিম নয়। বরং অর্ধেক ডিম দেওয়াই ভালো বলে মত বিশেষজ্ঞদের একাংশের। কারণ শিশুদের অতিরিক্ত প্রোটিন জাতীয় খাবার দিলে হজমের অসুবিধা হতে পারে। তবে বছর দেড়েকের শিশুদের নিয়মিত একটা সিদ্ধ ডিম (Eggs) খাওয়া ভালো বলেই তাঁরা জানাচ্ছেন। কারণ এতে শরীরে প্রয়োজনীয় ক্যালসিয়াম এবং প্রোটিনের চাহিদা সহজেই‌ পূরণ হয়।

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Dry Fruits: দিনে খান চারেক খেজুরই মোক্ষম দাওয়াই! কোন‌ কোন‌ রোগ থেকে মিলবে রেহাই? 

    Dry Fruits: দিনে খান চারেক খেজুরই মোক্ষম দাওয়াই! কোন‌ কোন‌ রোগ থেকে মিলবে রেহাই? 

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    প্রত্যেক দিনের খাবারের তালিকায় থাকুক খেজুর।‌ দিনে খান চারেক খেজুর খেলেই একাধিক রোগ থেকে মুক্তি সহজেই পাওয়া যাবে। চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, অনেকেই কাজের চাপে দীর্ঘ সময় ভারী খাবার খাওয়ার সুযোগ পান না।‌ খাবারের মাঝে সময়ের ব্যবধান বেড়ে যাওয়ার ফলে নানান শারীরিক জটিলতাও দেখা দেয়। সেই সময়ে সঙ্গে থাকুক খেজুর। অন্তত কয়েকটা খেজুর খেয়ে নিলে সমস্যা কমবে। নিয়মিত খেজুর (Dry Fruits) খেলে এমন অনেক সমস্যার সমাধান পাওয়া যাবে বলে জানাচ্ছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ।

    কোন কোন রোগের দাওয়াই খেজুর?

    পুষ্টিবিদদের একাংশ জানাচ্ছেন, খেজুরে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে আয়রন। তাই যে কোনও বয়সের মানুষের রক্তাল্পতা দূর করতে নিয়মিত খেজুর খাওয়া জরুরি। বিশেষত বয়ঃসন্ধিকালে থাকা মেয়েদের নিয়মিত খেজুর খাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ। কারণ, এ দেশে বহু মহিলা রক্তাল্পতার সমস্যায় ভোগেন। তাই নিয়মিত খেজুর খেতে হবে। খেজুরে থাকে ল্যাক্সাটিভ। তাই নিয়মিত খেজুর (Dry Fruits) খেলে পাকস্থলীর একাধিক সমস্যার সমাধান হয়। এমনই জানাচ্ছেন বিশেষজ্ঞ মহল। তাঁরা জানাচ্ছেন, হজমের গোলমাল কিংবা কোষ্ঠকাঠিন্যের মতো সমস্যা দূর করার পাশপাশি পাকস্থলীর আলসারের মতো গুরুতর সমস্যার মোকাবিলাতেও খেজুর খুব কার্যকর ভূমিকা নেয়। 
    হাড়ের ক্ষয়-রোগ রুখতে খেজুর বিশেষ কার্যকর। বিশেষত অস্ট্রিয়পোরেসিসের মতো রোগ মোকাবিলায় খেজুর (Dates) সাহায্য করে। চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, খেজুরে থাকে পটাশিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম, তামা, ভিটামিন এবং ক্যালসিয়াম। তাই খেজুর হাড় সুস্থ রাখতে বিশেষভাবে সাহায্য করে।

    প্রচুর পরিমাণে শক্তি (Dry Fruits) 

    খেজুরে প্রচুর পরিমাণে শক্তি থাকে। একশো গ্রাম খেজুরে ২৮২ কিলোক্যালোরি শক্তি থাকে। তাই শিশু ও গর্ভবতী মহিলাদের জন্য খেজুর বিশেষ কার্যকর। কারণ, এদের দেহে বাড়তি শক্তি জোগান দেওয়া প্রয়োজন। তাই দরকার খেজুর। নিয়মিত খেজুর খেলে শক্তির ঘাটতি হবে না। ক্লান্তি সহজেই দূর হবে। অনিদ্রার সমস্যা মোকাবিলায় খেজুর বিশেষ সাহায্য করে। তাছাড়া, খেজুরে থাকে প্রচুর পরিমাণে খনিজ পদার্থ। তাই হৃদযন্ত্রের পেশিকে কার্যকর করতে খেজুর (Dry Fruits) বিশেষ সাহায্য করে। পাশপাশি খেজুর শরীরের একাধিক হরমোনের ভারসাম্য বজায় রাখতে সাহায্য করে। স্নায়ুরোগ বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, খেজুর পেশি ও হাড়ের পাশাপাশি শরীরের স্নায়ু সচল রাখতেও বিশেষ সাহায্য করে। তাই মাইগ্রেনের সমস্যা থাকলে নিয়মিত খেজুর খাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন পুষ্টিবিদদের একাংশ। এতে মাইগ্রেনের সমস্যা কমবে বলেই তাঁরা জানাচ্ছেন।

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Mushrooms: ব্লাড সুগার থেকে অ্যানিমিয়া, একাধিক কোন কোন সমস্যায় কার্যকর মাশরুম?

    Mushrooms: ব্লাড সুগার থেকে অ্যানিমিয়া, একাধিক কোন কোন সমস্যায় কার্যকর মাশরুম?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মাশরুম খেতে ভালোবাসেন না, এমন মানুষ খুব কমই আছেন। এটি (Mushrooms) রান্নাঘরের নিত্যদিনের খাবারে অন্তর্ভুক্ত হয়েছে অনেক বাড়িতেই। এটি দিয়ে বিভিন্ন মুখরোচক খাবার, স্যুপ, সবজি ও স্ন্যাক্স তৈরি করে খাওয়া যায়। এটি যেমন খেতে ভালো, ঠিক তেমনই এর আছে বিভিন্ন উপকারিতা যা কম নয় এবং অনেক মানুষই তা জানেন না।

    মাশরুমের উপকারিতা (Mushrooms)

    ১) বহুমূত্র বা ডায়াবেটিস নিরাময়ে মাশরুম: বর্তমানে প্রায় বাড়িতেই ডায়াবেটিস রোগীর উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়। এই মাশরুম ডায়াবেটিস আক্রান্ত রোগীদের জন্য খুবই উপকারী। মাশরুমের মধ্যে ফ্যাট ও শর্করার পরিমাণ কম থাকে এবং ফাইবার বেশি থাকার কারণে বহুমূত্র বা ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য এটি খুবই উপকারী। এটি নিয়মিত খেলে ব্লাড সুগার কমানো সহজ হয়ে ওঠে।
    ২) চর্মরোগ প্রতিরোধে মাশরুম: বিভিন্ন ধরনের চর্মরোগ যেমন চুলকানি, দাদ প্রভৃতি থেকে মাশরুম (Mushrooms) অনেক উপকার করে। মাশরুম থেকে এমনকি মাথার খুশকি প্রতিরোধক ওষুধ তৈরি করা হয়।
    ৩) গর্ভবতী ও শিশুদের রোগ প্রতিরোধ: আমিষ, শর্করা, চর্বি, ভিটামিন ও মিনারেলের সমন্বয় আছে এই মাশরুমে যা শরীরের ইমিউন সিস্টেমকে বাড়িয়ে তোলে। এছাড়াও বিভিন্ন রোগ যেমন স্কার্ভি, পেলেগ্রা প্রভৃতি থেকে গর্ভবতী মা এবং শিশুদের রক্ষা করা যায় এই মাশরুম থেকে। কারণ এর মধ্যে রয়েছে নিয়োসিন ও অ্যাসকরবিক অ্যাসিড ও প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি। 
    ৪) দাঁত ও হাড় গঠন: মাশরুমের মধ্যে আছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন ডি, ফসফরাস ও ক্যালসিয়াম, যা শিশুদের হার ও দাঁত গঠনে অত্যন্ত উপকারী।
    ৫) ক্যান্সার প্রতিরোধে সাহায্যকারী: মাশরুমের (Mushrooms) মধ্যে আছে ল্যামপট্রোল, বেটা-ডি, বেনজো পাইরিন, টারপিনোয়েড যা ক্যান্সার ও টিউমার প্রতিরোধ করতে সাহায্যকারী। জাপানের একটি ক্যান্সার ইনস্টিটিউটের সমীক্ষায় দেখা গেছে মাশরুম ক্যান্সার প্রতিহত করতে অত্যন্ত উপকারী। এমনকি ফ্রান্সের লোকেরা প্রচুর পরিমাণে মাশরুম খান বলে তাদের মধ্যে ক্যান্সার রোগের প্রাদুর্ভাব কম। 
    ৫) উচ্চ রক্তচাপ ও হৃদরোগ প্রতিরোধ করে: মাশরুমের মধ্যে আছে কিছু গুরুত্বপূর্ণ উপাদান যেমন ইরিটাডেনিন, লোভাস্টনিন, এনটাডেনিন, কিটিন, ভিটামিন বি, সি ও ডি মানুষের উচ্চ রক্তচাপ এবং হৃদরোগ নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে। 
    ৬) হেপাটাইটিস বি ও জন্ডিস প্রতিরোধক: মাশরুমে (Mushrooms) প্রচুর পরিমাণে ফলিক অ্যাসিড, আয়রন এবং লিংকজাই ৮ নামক এমাইনো অ্যাসিড থাকায় হেপাটাইটিস বি ও জন্ডিসের মতো রোগ প্রতিরোধ করা সম্ভব।
    ৭) অ্যানিমিয়া বা রক্তাল্পতা নিয়ন্ত্রণ: শরীরে রক্তাল্পতা বা অ্যানিমিয়া দেখা দিলে মাশরুম (Mushrooms) খাওয়া অত্যন্ত উপকারী হতে পারে। শরীরের রক্তে হিমোগ্লোবিনের মাত্রা বাড়াতে মাশরুম খুবই উপকারী।

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Banana: ছেলের বুদ্ধি খুলছে না? একেবারে ছোট্ট থেকেই নিয়মিত কলা খাওয়ানো অভ্যাস করুন

    Banana: ছেলের বুদ্ধি খুলছে না? একেবারে ছোট্ট থেকেই নিয়মিত কলা খাওয়ানো অভ্যাস করুন

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    শিশুর জন্মের পরের প্রথম ছ’মাসে শুধুই মায়ের দুধ খাওয়ানো হয়। কিন্তু তারপরেই ধীরে ধীরে শক্ত খাবার দেওয়া হয়। ভাতের পাশাপাশি‌ যেসব ফল নিয়মিত শিশুকে দেওয়া হয়, তার মধ্যে রয়েছে কলা। অধিকাংশ মায়েরাই শিশুকে নিয়মিত কলা (Banana) খাওয়ান। বিশেষত শিশুর সাত-আট মাস বয়স থেকেই কলা দেওয়া হয়। কিন্তু নিয়মিত কলা খেলে কী হতে পারে? কী বলছেন চিকিৎসকেরা! 

    শরীরে কী প্রভাব পড়ে? (Banana) 

    শিশুরোগ বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, কলা হজমে খুব সাহায্য করে। শিশুরা প্রথম শক্ত খাবার খেতে শিখলে হজমের গোলমাল হতে পারে। অনেক শিশুই হজমের সমস্যায় ভোগে। পেটের সমস্যাও দেখা দেয়। ফলে, এই ছয়-সাত মাস বয়সে কলা খাওয়ালে শিশুদের হজম শক্তি বাড়ে। কলাতে ফাইবার থাকে। তাই হজমে বিশেষ সাহায্য করে। পাশপাশি‌ অনেকক্ষণ পেট ভরা থাকে। 
    শিশুরা অধিকাংশ সময়েই খুব ছোটাছুটি করে। ফলে তাদের বাড়তি এনার্জি জরুরি।‌ কলায় থাকে ম্যাঙ্গানিজ, বায়োটিন, পটাশিয়াম। এগুলি শরীরে শক্তি জোগাতে সাহায্য করে। এছাড়া এনার্জিও জোগান দেয়। নিয়মিত কলা খেলে শিশুদের সহজেই ক্লান্তি দূর হবে। এমনই জানাচ্ছেন চিকিৎসকদের একাংশ। 
    কলাতে ভিটামিন এ থাকে। চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, শিশুদের চোখের জন্য কলা খুব উপকারী। তাই দৃষ্টিশক্তি বজায় রাখতে নিয়মিত কলা খাওয়ানোর পরামর্শ দিচ্ছেন তাঁরা। তাছাড়া, কলায় প্রচুর ক্যালসিয়াম রয়েছে। নিয়মিত কলা (Banana) খেলে শিশুদের হাড় শক্ত হবে। 

    মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা (Banana) 

    শিশুরোগ চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, কলা মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা বাড়াতে বিশেষ‌ সাহায্য করে। তাই নিয়মিত শিশুদের কলা খাওয়ালে বুদ্ধির বিকাশ হয়। পুষ্টিবিদদের একাংশ জানাচ্ছেন, কলায় পটাশিয়াম থাকে। পটাশিয়াম মস্তিষ্কের রক্ত সঞ্চালনে বিশেষ সাহায্য করে। ঠিকমতো রক্ত সঞ্চালন হলে মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা বাড়ে। 
    কলায় থাকে আয়রন। তাই হিমোগ্লোবিন তৈরিতে ও রক্তাল্পতা রুখতে কলা নিয়মিত খাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন চিকিৎসকেরা। শিশুরোগ বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, মেয়েরা রক্তাল্পতায় বেশি‌ ভোগে। যার জেরে পরবর্তী জীবনে নানান সমস্যাও দেখা যায়।‌ তাই ছোট থেকেই নিয়মিত কলা (Banana) খেলে রক্তাল্পতার সমস্যা কমবে। 
    তাছাড়া কলা‌ কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতেও সাহায্য করে। 

    তাই চিকিৎসকদের পরামর্শ, শক্ত খাবার দেওয়া শুরু করলেই নিয়মিত শিশুদের কলা খাওয়ানো উচিত। কলার একাধিক পুষ্টিগুণ রয়েছে। তাই নিয়মিত কলা খেলে শরীর সুস্থ থাকবে।

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share