Tag: ANTONIO LOPEZ HABAS

ANTONIO LOPEZ HABAS

  • ISL 2024: চার ম্যাচ সাসপেন্ড সাদিকু! ফাইনালে চিন্তায় মোহন শিবির, হাবাসের চোখ কাপে

    ISL 2024: চার ম্যাচ সাসপেন্ড সাদিকু! ফাইনালে চিন্তায় মোহন শিবির, হাবাসের চোখ কাপে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আর্মান্দো সাদিকু-কে ছাড়াই আইএসএল ফাইনালে (ISL 2024) দল গড়তে হবে আন্তোনিয়ো লোপেস হাবাস-কে। ভুবনেশ্বরের কলিঙ্গ স্টেডিয়ামে সেমিফাইনালের প্রথম পর্বের দ্বৈরথে ৬৭ মিনিটে লাল কার্ড (দ্বিতীয় হলুদ) দেখেছিলেন সাদিকু। রবিবার ওড়িশার বিরুদ্ধে ফিরতি ম্যাচেও খেলেননি তিনি। সোমবার সাদিকু-কে চার ম্যাচ নির্বাসিত করল সর্বভারতীয় ফুটবল ফেডারেশনের শৃঙ্খলারক্ষা কমিটি। তাঁকে ছাড়াই ফাইনালে নামতে হবে মোহনবাগানকে।

    সাদিকুর অভাব

    চলতি আইএসএলে  (ISL 2024) দেখা গিয়েছে হাবাস প্রায়শই সাদিকুকে পরিবর্ত হিসেবে মাঠে নামিয়ে বাজিমাত করেছেন। কখনও তিনি মনবীর সিং, কিংবা লিস্টন কোলাসোকে তুলে নামিয়েছেন আলবানিয়ার স্ট্রাইকারকে। সাদিকু না থাকায় তাই কিছুটা হলেও সমস্যায় পড়তে হবে হাবাসকে। অনেক সমর্থক আবার মনে করছেন, সাদিকু মোহনবাগানের হয়ে শেষ ম্যাচ খেলে ফেলেছেন। তাঁকে সামনের মরশুমে আর রাখবে না দল কর্তৃপক্ষ। সাদিকু এবার বহু ম্যাচে গোল করে দলকে উদ্ধার করলেও তাঁর সার্বিক পারফরম্যান্স ভাল নয়। তাই কামিন্স ও দিমিত্রিকে রেখে দিলেও সাদিকু বাতিল হতে পারেন। 

    ফাইনাল প্রসঙ্গে 

    ওড়িশাকে হারিয়ে সরাসরি আইএসএল ফাইনালে (ISL 2024) উঠেছে সবুজ-মেরুন। মোহনবাগান লিগ শিল্ড জয় করার ফলে ফাইনাল ম্যাচ হবে যুবভারতীতেই। কলকাতায় ঘরের মাঠে ফাইনাল হচ্ছে বলে উচ্ছ্বসিত কামিংস। তিনি বলেন,‘‘নিজেদের সমর্থকদের সামনে খেলার অনুভূতিই আলাদা। ঘরের মাঠে বাড়তি সুবিধে পাব আমরা।’’ সেমির আর এক নায়ক সাহাল আব্দুল সামাদের কথায়, ‘‘সবচেয়ে কঠিন পরীক্ষার মুখোমুখি হতে চলেছি আমরা। শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত লড়াইয়ে জন্য তৈরি।’’ শনিবার দশম আইএসএলের ফাইনালে যুবভারতীতে থাকতে পারেন নীতা অম্বানী। 

    আরও পড়ুন: গরমে ৪৪ বছরের রেকর্ড ভাঙল কলকাতা! চাতক পাখির মতো বৃষ্টির অপেক্ষায় বাংলা

    কী ভাবছেন স্যার হাবাস

    কলকাতায় খুব গরম। এরই মধ্যে মঙ্গলবার সকালে যুবভারতীতে হাল্কা অনুশীলন করেন মনবীর সিংরা। হাবাস জানালেন, টানা ম্যাচ খেলার ক্লান্তিই প্রধান চিন্তা তাঁর। এই কারণেই ফুটবলারদের এক দিন বিশ্রাম দিয়ে বুধবার থেকে ফাইনালে মুম্বই সিটি এফসি-কে হারানোর প্রস্তুতি শুরু করবেন তিনি। ফাইনাল নিয়ে হাবাস বলেন, ‘‘দলের মানসিক শক্তি দুর্দান্ত বলেই এখানে পৌঁছেছি। ছেলেদের উপরে পূর্ণ আস্থা রয়েছে। বিশ্বাস করি, আইএসএলে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার যোগ্যতা আমাদের রয়েছে।’’ 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • ISL 2024: সমর্থকদের কুর্নিশ হাবাসের, ওড়িশাকে হারিয়ে আইএসএল ফাইনালে মোহনবাগান

    ISL 2024: সমর্থকদের কুর্নিশ হাবাসের, ওড়িশাকে হারিয়ে আইএসএল ফাইনালে মোহনবাগান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ঘরের মাঠে অপরাজেয় মোহনবাগান (ISL 2024)। সোজাসুজি আইএসএল সেমিফাইনালে ফিরতি লেগের ম্যাচে রবিবার যুবভারতীতে ওড়িশাকে ২-০ গোলে হারিয়ে দিল মোহনবাগান। সমর্থকদের আনন্দে ভেসে আইএসএল ফাইনালে চলে গেল সবুজ মেরুন। এবার ট্রফি জয়ের অপেক্ষা। জেসন কামিংস এবং সাহাল আব্দুল সামাদ গোল করলেন। দুই পর্ব মিলিয়ে ৩-২ জিতে ফাইনালে উঠে গেল হাবাসের ছাত্ররা। প্রথম পর্বে তারা হেরেছিল ১-২ গোলে।

    ম্যাচে মেহনবাগান

    এদিন ঘরের মাঠে ৬৬ হাজার দর্শকের সামনে প্রাধান্য বেশি ছিল মোহনবাগানেরই (ISL 2024)। দিমিত্রি পেত্রাতোসের পাশাপাশি কামিংসকে প্রথম একাদশে রেখেছিলেন মোহনবাগানের কোচ আন্তোনিয়ো লোপেস হাবাস। কামিংস গোল করে আস্থার দাম রেখেছেন। চোট সারিয়ে দীর্ঘ দিন পরে নেমে গোল করেছেন সাহালও। এদিন ২২ মিনিটে গোলের দরজা খুলে দেন বাগানের অজি স্ট্রাইকার জেসন কামিন্স। বক্সের বাইরে থেকে প্রতিপক্ষের দূর্গ লক্ষ্য করে একটা শট নিয়েছিলেন পেত্রাতোস। কিন্তু, অমরিন্দরের কাছে তা প্রতিহত হয়। বাগানের ভাগ্য ভালো যে অমরিন্দর বলটা তালুবন্দি করতে পারেননি। তিনি ঠেলে সামনের দিকে পাঠিয়ে দেন। ফিরতি শটে ফাঁকা জালে বল জড়িয়ে দেন কামিংস। এরপর আক্রমণ বাড়াতে থআকে ওড়িশা। প্রথমার্ধে আর গোল হয়নি। দ্বিতীয়ার্ধে ফের আক্রমণের ঝড় ওঠে। ৭১ মিনিটে অনিরূদ্ধ থাপার পরিবর্তে মাঠে নামলেন আবদুল সাহাল। হাবাস যেন কোনওক্রমে ম্যাচটা নির্ধারিত সময়ের মধ্যে শেষ করতে চাইছিলেন। নির্ধারিত ৯০ মিনিটের পর আরও ৭ মিনিট অতিরিক্ত সময় দেওয়া হয়। ৯৩ মিনিটে মোহনবাগানের হয়ে জয়সূচক গোলটি করলেন সাহাল আবদুল সামাদ। 

    সাহালের স্বপ্ন

    জাতীয় দলের হয়ে খেলতে গিয়ে চোট পেয়েছিলেন। সেই চোট সারতে লেগে গেল প্রায় তিনটে মাস। অপেক্ষা ছিল কবে সবুজ-মেরুন জার্সি গায়ে মাঠে নামবেন তিনি। মাঠে তো নামলেনই, গোল করে মোহনবাগানকে আইএসএলের ফাইনালে তুলে দিলেন সাহাল আব্দুল সামাদ। ম্যাচের পর সাহাল বলেন, “মাঠে নেমে যে ভাবেই হোক দলকে সাহায্য করতে চেয়েছিলাম। কোচ বলেছিলেন, বুদ্ধি দিয়ে খেলো। মাঠে খোলা মনে থাকো। কোনও রকম চাপ মাথার মধ্যে নেবে না। আমি সেটাই করেছি। এত দিন ধরে এই মুহূর্তটার জন্য অপেক্ষা করতে হয়েছে আমাকে। চোট-আঘাত ফুটবলেরই অংশ। আমি ধৈর্য রেখেছিলাম। কঠোর পরিশ্রম করেছি। ঈশ্বরকে ধন্যবাদ যে আমরা ফাইনালে উঠেছি।” সাহাল বলেন, “মাঠে আসার পর একটাই লক্ষ্য ছিল, বক্সের মধ্যে যতটা সম্ভব থেকে সুযোগের অপেক্ষা করা। মনবীর অসাধারণ খেলেছে। আমার নয়, ওটা ওর গোল। আমরা একটা দল হিসাবে খেলি। এটা দলেরই গোল।”

    আরও পড়ুন: আগামী তিন দিন তাপপ্রবাহের সতর্কতা, সপ্তাহান্তে বৃষ্টির পূর্বাভাস, কী বলছে আলিপুর?

    তৃপ্ত হাবাস

    লিগ-শিল্ড (ISL 2024) আগেই জিতেছিল সবুজ-মেরুন। এ বার ফাইনাল জিতে ‘ডাবল’ করার সুযোগ তাদের সামনে। ম্যাচের পর তৃপ্ত স্যার হাবাস। সেমিফাইনালে পরিকল্পনা কী ছিল? হাবাসের সাফ জবাব, “আমি আর আমার দল হারার আগে হারতে জানে না। ৯০ মিনিট লড়াই করতে হবে এই বার্তা দিয়েছিলাম দলকে। দল সেটা করে দেখিয়েছে। দ্রুত সম্ভব গোল করার লক্ষ্য নিয়েই আমরা নেমেছিলাম। কিন্তু ম্যাচটা অনেক লম্বা হবে, এই আশঙ্কাও ছিল। শারীরিক ভাবে আমরা অনেক ভাল জায়গায় ছিলাম। সেটাই পার্থক্য গড়ে দিয়েছে বলে আমার বিশ্বাস।” 

    রবিবাসরীয় সন্ধ্যায় কানায় কানায় পূর্ণ ছিল যুবভারতী। শিল্ড জয়ের দিন ৬১,৭৭৭ আর সেমিফাইনালে সেটাও ছাপিয়ে গিয়ে যুবভারতী গর্জন শুনল ৬২,০০৭ সমর্থকের। তারও ভুয়সী প্রশংসা শোনা গেল হাবাসের গলায়। জানালেন, “সমর্থকদের গর্জন ফুটবলারদের এনার্জি জুগিয়েছে। বিশ্বাস ছিল আমরা পারব। এত সমর্থক পুরো ম্যাচে আমাদের পাশে থেকেছে। চাপের ম্যাচে এটা অত্যন্ত জরুরি ছিল।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • ISL 2023-24: যুবভারতীতে সমর্থকদের পাশে নিয়ে ওড়িশাকে উড়িয়ে দিতে বদ্ধ পরিকর মোহনবাগান

    ISL 2023-24: যুবভারতীতে সমর্থকদের পাশে নিয়ে ওড়িশাকে উড়িয়ে দিতে বদ্ধ পরিকর মোহনবাগান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: যুবভারতীতে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই। ওড়িশার (ISL 2023-24) কাছে প্রথম পর্বে ১-২ গোলে হেরেছে মোহনবাগান। সরাসরি ফাইনালে উঠতে হলে যুবভারতীতে আগামী রবিবার অন্তত দু’গোলের ব্যবধানে জিততেই হবে শুভাশিসদের। তবে এক গোলের ব্যবধানে জিতলে ম্যাচ গড়াবে অতিরিক্ত সময় ও টাইব্রেকারে। কিন্তু সরাসরি ম্যাচ জিতেই ফাইনাল নিশ্চিত করতে চায় সবুজ-মেরুন। তার জন্য মোহনবাগান ফুটবলারদের ভরসা যুবভারতীর শব্দব্রহ্ম। অধিনায়ক শুভাশিস বসু বলছিলেন, ‘‘আমরা ঘুরে দাঁড়াবোই। কলকাতায় নিজেদের দর্শকদের সামনে জিতে আইএসএলের ফাইনালে উঠব।’’ জনির কথায়, ‘‘সমর্থকরাই আমাদের অনুপ্রেরণা। মুম্বইয়ের বিরুদ্ধে ম্যাচে যেমন যুবভারতীর গ্যালারি ভর্তি ছিল, একই ছবি দেখতে চাই ওড়িশা-দ্বৈরথেও।’’ 

    হাবাসের পরিকল্পনা

    চলতি মরশুমে তিনটে খেতাব জয়ের স্বপ্ন দেখছে মোহনবাগান। তার জন্য রবিবার মোহন শিবিরের কাছে মরণ বাঁচন ম্যাচ। ওড়িশা-গাঁট টপকাতেই হবে। আন্তোনিয়ো লোপেস হাবাস থেকে জনি কাউকো— সকলেই আত্মবিশ্বাসী নির্ধারিত ৯০ মিনিটেই ওড়িশাকে হারিয়ে ফাইনালে ওঠার ব্যাপারে। হাবাস বললেন, ‘‘একটা গোল করলেই ম্যাচ গড়াবে অতিরিক্ত সময়ে। আমাদের লক্ষ্য ৯০ মিনিটের মধ্যে দু’গোল করে সরাসরি ফাইনালে যাওয়ার। তবে অতিরিক্ত সময়ে খেলার জন্যও মানসিক ভাবে প্রস্তুত হয়ে নামতে হবে।’’ তবে রক্ষণ নিয়ে বিরক্ত হাবাস বলেন, ‘‘রক্ষণে অনেক ভুল হয়েছে। ফুটবলারদের মধ্যে দূরত্ব প্রয়োজনের চেয়ে অনেক বেশি ছিল। এই কারণেই দ্বিতীয় গোল হজম করতে হয়েছিল। কৃষ্ণের সঙ্গে হেক্তর যখন বল দখলের লড়াই করছিল, তখন ওর প্রয়োজন ছিল এক জন সেন্ট্রাল মিডফিল্ডারের সহায়তা। কিন্তু ওর ২৫ গজের মধ্যে কেউ ছিল না।’’ 

    ফিরছেন হামিল

    বৃহস্পতিবার থেকে যুবভারতীতে (ISL 2023-24) ফিরতি দ্বৈরথের প্রস্তুতি শুরু করেছেন কোচ আন্তোনিয়ো লোপেস হাবাস। ওড়িশা ম্যাচে প্রথম একাদশে খেলা ফুটবলার-রা হাল্কা অনুশীলন করেই উঠে যান। বাকিদের নিয়ে ঘণ্টা দেড়েক প্রস্তুতি সারলেন তিনি। নির্বাসন কাটিয়ে ব্রেন্ডন হামিল ফিরছেন। তাঁকে অনুশীলন ম্যাচে জেসন কামিংসদের বিরুদ্ধে খেলিয়ে দেখে নিলেন সবুজ-মেরুনের কোচ। 

    রয় কৃষ্ণকে আটকানোর ছক

    যুবভারতীতে রয় কৃষ্ণকে আর গোল করতে না দেওয়াই লক্ষ্য মোহনবাগানের। কলিঙ্গ স্টেডিয়ামে গত ম্যাচে ৩৯ মিনিটে হেক্টর ইউতসের ভুলেই গোল করে ওড়িশা এফসি-র জয় নিশ্চিত করেছিলেন মোহনবাগানের প্রাক্তনী রয় কৃষ্ণ। ওড়িশার কাছে ১-২ গোলে হারের জন্য স্পেনীয় ডিফেন্ডার ইউতসেকেই কাঠগড়ায় তুলছেন সবুজ-মেরুন সমর্থকরা। কিন্তু এবার অন্য ছক কষছেন হেক্টর। লা লিগায় লিয়োনেল মেসি, ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডো, করিম বেঞ্জেমা-দের বিরুদ্ধে খেলা সবুজ-মেরুন তারকার হুঙ্কার, ‘‘যুবভারতীতে কৃষ্ণ আর গোল করতে পারবে না।’’ নিজের ভুল শুধরে নেওয়ার চ্যালেঞ্জ তাঁর গলায়। সবুজ-মেরুন তারকা দিমিত্রি পেত্রাতোসের মুখেও একই সুর। তিনি বলেন, ‘‘যুবভারতীতে ম্যাচে আমরাই এগিয়ে থাকব। রবিবার আমাদের অন্যরূপ দেখবেন।’’

    টিকিটের চাহিদা

    তৃতীয়বার ভারত সেরা হওয়ার লড়াই মোহনবাগানের সামনে। একটা ম্যাচের ফল দেখে এখনই হতাশ হতে নারাজ সমর্থকেরা। তাই দল পিছিয়ে থাকলেও রবিবার যুবভারতীতে টিকিটের চাহিদা কমেনি। টিকিটের জোগান দিতে গিয়ে হিমশিম খাচ্ছেন মোহনবাগান কর্তারা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • ISL 2023-24: ব্যর্থ রক্ষণ, ক্ষুব্ধ কোচ হাবাস! সেমিফাইনালের ফিরতি লেগে ঘুরে দাঁড়ানোর বার্তা মোহনবাগানের

    ISL 2023-24: ব্যর্থ রক্ষণ, ক্ষুব্ধ কোচ হাবাস! সেমিফাইনালের ফিরতি লেগে ঘুরে দাঁড়ানোর বার্তা মোহনবাগানের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ডুরান্ড কাপ, লিগ শিল্ড জয়ের পর মোহনবাগানের পাখির চোখ আইএসএল (ISL 2023-24) খেতাব ধরে রাখা। সেই লড়াই ধাক্কা খেয়েছে ভুবনেশ্বরের কলিঙ্গ স্টেডিয়ামে। ওড়িশার কাছে ২-১ গোলে হার মানতে হয়েছে সবুজ মেরুন শিবিরকে। কিন্তু এখনই আশাহত হতে নারাজ মোহন কোচ হাবাস। ফিরতি লেগে ঘরের মাঠে সমর্থকদের মন ভরানোর অপেক্ষায় মোহনবাগান। মঙ্গলবার ম্যাচ শেষে অবশ্য দলের ছেলেদের আত্মতুষ্টির কথাও বললেন হেড মাস্টার হাবাস।

    আত্মতুষ্টির ফল

    কোচ হাবাস বলেন, ‘‘ওড়িশার ম্যাচে একাধিক ফুটবলারের ব্যক্তিগত ভুলের জন্যই আমাদের হারতে হল। আমি কাউকে কাঠগড়ায় তুলতে চাই না। দলগত ভাবে ভুল করলে কঠিন হয়ে পড়ে লড়াই। আমাদের রক্ষণে অনেক ভুল হয়েছে। বোঝাপড়া ছিল না। ফুটবলারদের মধ্যে দূরত্ব প্রয়োজনের চেয়ে অনেক বেশি ছিল। এই কারণেই দ্বিতীয় গোলটা খেতে হয়। ওই সময়ে হেক্তরের প্রয়োজন ছিল এক জন সেন্ট্রাল মিডফিল্ডারের সাহায্য। কিন্তু ওর ২৫ মিটারের মধ্যে কেউ ছিল না।’’দলের আত্মতুষ্টি নিয়েও সরব হন হেডস্যার। তাঁর কথায়, ‘‘লিগ-শিল্ড জয়ের পরে সম্ভবত আমাদের শিবিরে একটু গা ছাড়া মনোভাব এসে গিয়েছিল। এটা অবশ্য খুবই স্বাভাবিক একটা ঘটনা। ফুটবলে এ রকম ঘটেই থাকে। প্রথমে গোল করে এগিয়ে গিয়েও ম্যাচে নিজেদের ধরে রাখতে পারিনি আমরা। ’’

    আরও পড়ুন: ওড়িশার কাছে ২-১ ব্যবধানে হার! আইএসএল ফাইনালে যেতে কী করতে হবে মোহনবাগানকে?

    ঘুরে দাঁড়াবে দল

    ভুবনেশ্বরে ২-১ গোলে জিতে ফাইনালে (ISL 2023-24) ওঠার দৌড়ে কিছুটা এগিয়ে গিয়েছে ওড়িশ। মোহনবাগানকে ফাইনালে উঠতে হলে আগামী ২৮ এপ্রিল, রবিবার যুবভারতীতে সেমিফাইনালের দ্বিতীয় পর্বে ওড়িশার বিরুদ্ধে জিততেই হবে। দু’গোলের ব্যবধানে জিতলে সরাসরি ফাইনালে চলে যাবে লিগ-শিল্ড জয়ীরা। ১-০ গোলে জিতলেও ফাইনালে ওঠার সম্ভাবনা আশা বেঁচে থাকবে মোহনবাগানের। কারণ, সে ক্ষেত্রে সেমিফাইনালের দুই পর্ব মিলিয়ে ফল ২-২ হবে। তখন অতিরিক্ত সময় খেলা হবে। তাতেও ফয়সালা না হলে টাইব্রেকারে নিষ্পত্তি হবে। হাবাস বলছেন, ‘‘আমি বিশ্বাস করি, কলকাতায় ঘুরে দাঁড়ানোর ক্ষমতা আমাদের আছে।’’ একই সুর শোনা গিয়েছে অধিনায়কের গলাতেও। ম্যাচ শেষে কলিঙ্গ স্টেডিয়াম ছাড়ার সময় শুভাশিস বলেন, ‘‘রবিবারের ম্যাচেই আমরা ঘুরে দাঁড়াবো। কলকাতায় সকল দর্শকদের সামনে দাপটের সাথে খেলে আইএসএলের ফাইনালে পৌঁছাব। প্রথমদিকে আমরা এগিয়ে ছিলাম। তবে গোল হজম করার পর সমস্ত কিছু বদলাতে শুরু করেছিল। আমরা জেতার মতোই খেলেছিলাম। কয়েকদিন আগে মুম্বইকে হারিয়ে আমরা যেভাবে শিল্ড জিতেছি, ঠিক তেমনভাবেই সমস্ত ফ্যানসদের সামনে ওডিশা দলকে হারিয়ে আমরা ফাইনাল নিশ্চিত করব।’’  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • East Bengal vs Mohun Bagan: খেতাবের দৌড়ে এগিয়ে থাকাই লক্ষ্য মোহনবাগানের, চমক দিতে পারে ইস্টবেঙ্গল

    East Bengal vs Mohun Bagan: খেতাবের দৌড়ে এগিয়ে থাকাই লক্ষ্য মোহনবাগানের, চমক দিতে পারে ইস্টবেঙ্গল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রতিপক্ষ ইস্টবেঙ্গলের তুলনায় অনেকটাই এগিয়ে থেকে রবিবার মাঠে নামবে মোহনবাগান। তবে অতিরিক্ত আত্মবিশ্বাস নয়। স্বাভাবিক খেলাই খেলতে চায় সবুজ-মেরুন। অন্যদিকে ইস্টবেঙ্গল আইএলএল-এ কয়েক কদম পিছনে রয়েছে। দুটো দলের লক্ষ্য আলাদা। মোহনবাগান চায় তিন পয়েন্ট পেয়ে শীর্ষে পৌঁছতে। আর ইস্টবেঙ্গলের লক্ষ্য প্রথম ছয়ে শেষ করা। কলকাতা ডার্বিতে পিছিয়ে থেকে নামছে ইস্টবেঙ্গল। ম্যাচের আগের দিন সে কথা মেনেও নিলেন ইস্টবেঙ্গলের কোচ কার্লেস কুয়াদ্রাতও।

    কী বলছেন কুয়াদ্রাত

    রবিবারের ম্যাচে ইস্টবেঙ্গল ‘আন্ডারডগ’ কি না এই প্রশ্নের উত্তরে মোহনবাগানের প্রশংসা করে কুয়াদ্রাত বলেন, “আমার মনে হয় ঠিক। বিশেষত দুটো দলের সাম্প্রতিক পারফরম্যান্স দেখলে সেটাই মনে হবে। সত্যি কথাটা স্বীকার করে নেওয়া উচিত। তবে আমি দলের খেলোয়াড়দের বিশ্বাস করি। জানি ওরা প্রতিটা ম্যাচেই নিজেদের সেরাটা দিচ্ছে। নির্দিষ্ট পরিকল্পনা নিয়ে এগোতে হবে আমাদের। এই মরসুমে মোহনবাগানের বিরুদ্ধে যা যা পরিকল্পনা করেছি সবই কাজে লেগেছে। ডুরান্ড কাপের ফাইনালে হারলেও আমরা অনেক ভাল খেলেছি। এখনও পর্যন্ত এই মরসুমে বড় ম্যাচে আমরা এগিয়ে। তবু রবিবারের ম্যাচে আমরা লড়াই চালিয়ে যাব।” ইস্টবেঙ্গলের কোচ আত্মবিশ্বাসী যে তাঁর দল প্রথম ছয়ে শেষ করবে। বলেছেন, “মানছি শেষ কয়েকটা ম্যাচের ফলাফল ভাল যায়নি। কিন্তু শেষ কয়েকটা জায়গা নিয়ে প্রবল লড়াই হচ্ছে। এটা ফুটবলের জন্য ভাল। আমার খেলোয়াড়েরা অনুপ্রাণিত। এখনও পর্যন্ত ডার্বিতে ভাল খেলেছি। ওরা লিগ-শিল্ডের জন্য লড়াই করছে। আমরা প্রথম ছয়ের জন্য। তাই একটা তফাত তো থাকবেই। অঙ্কের হিসাবে এখনও প্রথম ছয়ে শেষ করার সম্ভাবনা রয়েছে আমাদের।”

    কী বলছেন হাবাস

    মোহনবাগানের কোচ আন্তোনিয়ো লোপেস হাবাস স্পষ্ট জানিয়েছেন, ডার্বি নিয়ে আলাদা করে কোনও আবেগ তাঁর নেই। তাঁর লক্ষ্য তিন পয়েন্ট পেয়ে শীর্ষস্থানে ওঠা। অধিনায়ক শুভাশিস বসুর মুখেও একই কথা। চলতি মরসুমে চারটি ডার্বির দু’টিতে জিতেছে ইস্টবেঙ্গল। একটিতে মোহনবাগান। একটি ড্র। আইএসএলের প্রথম পর্বের ডার্বি ২-২ ড্র হওয়ার পর দ্বিতীয় ডার্বিতে জিততে মরিয়া মোহনবাগান। আবেগের চেয়েও এই ম্যাচে জিতলে তারা লিগ-শিল্ড জেতার ব্যাপারে অনেকটাই এগিয়ে থাকবে। এটাই উদ্দেশ্য বিদেশি কোচের। ইন্ডিয়ান সুপার লিগের ওয়েবসাইটে মোহনবাগানের অধিনায়ক শুভাশিস বলেছেন, “এখন প্রতিটা পয়েন্টই আমাদের কাছে গুরুত্বপূর্ণ। লিগ-শিল্ডের দৌড়ে আমরা রয়েছি। তাই ইস্টবেঙ্গলের বিরুদ্ধে আমরা তিন পয়েন্টের জন্যই ঝাঁপাব, যাতে শীর্ষে উঠতে পারি। ডার্বি কলকাতার সমর্থকদের কাছে খুবই গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচ। সমর্থকদের মুখে হাসি ফোটানো আমাদের দায়িত্ব। গত বার পারিনি। আশা করি এ বার পারব।”

    অঙ্ক বলছে, রবিবার ডার্বিতে ড্র করলেই প্লে-অফে জায়গা পাকা করে নিতে পারে সবুজ-মেরুন শিবির। এই মুহূর্তে লিগ টেবলে চারটি দলের সর্বোচ্চ ৩৩ পয়েন্ট পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। মোহনবাগানের পয়েন্টও এখন ৩৩। তারা যদি ডার্বিতে এক পয়েন্ট নিয়ে ৩৪-এ পা দেয়, তা হলে আর তাদের পরের দলগুলির পক্ষে মোহনবাগানের নাগাল পাওয়া সম্ভব হবে না। ফলে মোহনবাগানের প্লে-অফে যোগ্যতা অর্জন নিশ্চিত হয়ে যাবে। অন্যদিকে শেষ ছয়ে থাকতে গেলে ইস্টবেঙ্গলকে এই ম্যাচ জিততেই হবে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Mohun Bagan: শহরে এলেন কোচ হাবাস, সুপার কাপের শেষ চারে যেতে ডার্বি জিততেই হবে মোহনবাগানকে 

    Mohun Bagan: শহরে এলেন কোচ হাবাস, সুপার কাপের শেষ চারে যেতে ডার্বি জিততেই হবে মোহনবাগানকে 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বড় ম্যাচের তিনদিন আগে কলকাতা এসে গেলেন মোহনবাগান (Mohun Bagan) কোচ আন্তনিও লোপেজ হাবাস (Antonio Lopez Habas)। মঙ্গলবার দলের সঙ্গে যোগ দেবেন তিনি। কলিঙ্গ সুপার কাপের ডার্বি শুক্রবার। তার আগে টিমের সঙ্গে হাবাসের যোগ দেওয়া নিশ্চিত ভাবেই মনোবল বাড়াবে সবুজ-মেরুন শিবিরের। সুপার কাপের (Super Cup) সেমিফাইনালে পৌঁছতে হলে ডার্বি জিততেই হবে মোহনবাগানকে। অন্যদিকে  ডার্বি ড্র হলেই শেষ চারে চলে যাবে ইস্টবেঙ্গল (East Bengal)। 

    ডার্বিতে সুবিধা জনক জায়গায় ইস্টবেঙ্গল

    সুপার কাপে এখনও পর্যন্ত মোহনবাগান ও ইস্টবেঙ্গল  দু’দলই নিজেদের দু’টি ম্যাচ জিতেছে। ফলে দু’দলেরই পয়েন্ট ৬। এই পরিস্থিতিতে শুক্রবার ডার্বিতে মোহনবাগান ও ইস্টবেঙ্গলের মধ্যে যে দল জিতবে তারা যাবে সুপার কাপের সেমিফাইনালে। সহজ হিসাব। কিন্তু ম্যাচ ড্র হলে সেমিফাইনালে উঠবে ইস্টবেঙ্গল। সুপার কাপের নিয়ম অনুযায়ী, গ্রুপের দু’দলের পয়েন্ট সমান থাকলে দেখা হয় গোলপার্থক্য। দু’দলেরই গোলপার্থক্য সমান (২)। অর্থাৎ, ডার্বি ড্র হলে গোলপার্থক্য একই থাকবে। তখন দেখা হবে কোন দল বেশি গোল করেছে। আর সেখানেই এগিয়ে লাল-হলুদ। গ্রুপের দুই ম্যাচে ইস্টবেঙ্গল গোল করেছে ৫টি। গোল খেয়েছে ৩টি। ফলে গোলপার্থক্য ২। অন্য দিকে মোহনবাগান গোল করেছে ৪টি। খেয়েছে ২টি। ফলে তাদেরও গোলপার্থক্য ২। যদি ডার্বি ড্র হয় তা হলে বেশি গোল করার নিরিখে মোহনবাগানকে টপকে সুপার কাপের সেমিফাইনালে উঠবে ইস্টবেঙ্গল। 

    আরও পড়ুন: চিন্তায় রাখলেন রোহিত-বিরাট! শিবম-যশস্বীর দাপটে সিরিজ ভারতের

    মোহন-শিবিরে যোগ দিচ্ছেন হাবাস

    কার্যত কোচ ছাড়াই সবুজ-মেরুন সুপার কাপের প্রথম দুটো ম্যাচ খেলেছে। সহকারী কোচ ক্লিফোর্ড মিরান্ডা টিম সামলেছেন। প্রথম ম্যাচে শ্রীনিদি ডেকানকে ২-১ হারিয়েছিল টিম। পরের ম্যাচে হায়দরাবাদ এফসিকে একই স্কোরলাইনে হারিয়েছে। পর পর দুটো ম্যাচ জেতায় মনোবল তুঙ্গে টিমের। হাবাস যোগ দিলে ডার্বির ছকও সাজিয়ে নিতে পারবেন। সুপার কাপের এই গ্রুপ নিশ্চিত ভাবে কঠিন। গ্রুপ থেকে একটিই টিম যাবে সেমিফাইনালে। মোহনবাগানের কাছে ডার্বি যে কারণে খুব গুরুত্বপূর্ণ।  কলকাতার দুই বড় টিমের পয়েন্ট সমান। এমনকি গোল পার্থক্য দুই টিমের সমান। কিন্তু গোল করার নিরিখে এগিয়ে লাল-হলুদ। তাই কিছুটা হলেও ডার্বিতে এগিয়ে ইস্টবেঙ্গল।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Mohun Bagan: মোহনবাগান কোচের পদ থেকে সরলেন ফেরান্দো, দায়িত্বে আন্তোনিও হাবাস 

    Mohun Bagan: মোহনবাগান কোচের পদ থেকে সরলেন ফেরান্দো, দায়িত্বে আন্তোনিও হাবাস 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নতুন বছরের শুরুতেই মোহনবাগানের (Mohun Bagan) কোচের পদ থেকে সরে গেলেন জুয়ান ফেরান্দো (Juan Ferrando)। তাঁর জায়গায় দায়িত্ব দেওয়া হল টেকনিক্যাল ডিরেক্টর আন্তোনিও লোপেজ হাবাসকে। তাঁর কোচিংয়েই সুপার কাপ এবং মরসুমের বাকি ম্যাচ খেলবে মোহনবাগান। এর আগে হাবাস সবুজ-মেরুনের কোচ ছিলেন। এ মরসুমের শুরুতে তাঁকে টেকনিক্যাল ডিরেক্টর করে দলের সঙ্গে রাখা হয়েছিল। এবার ফেরান্দোকে সরিয়ে আবার কোচ হিসেবে ফিরিয়ে আনা হল হাবাসকে।

    ফেরান্দোর সাফল্য

    ২০২১ সালে কোচ করা হয়েছিল ফেরান্দোকে (Juan Ferrando)। সে বার হাবাসের কোচিংয়ে আইএসএলে সাফল্য আসছিল না। ওই মরসুমেই গোয়ার কোচ হিসেবে ডুরান্ড কাপ জিতেছিলেন জুয়ান ফেরান্দো। ওই সাফল্যের কথা মাথায় রেখে মরসুমের মাঝপথে হাবাসকে সরিয়ে বাগানের (Mohun Bagan) কোচ হয়েছিলেন ফেরান্দো। দু’বছর পর সেই ফেরান্দোকে সরিয়ে আবার বাগানের হটসিটে এলেন হাবাস। এএফসি কাপে ব্যর্থতা, আইএসএলে পরপর তিন ম্যাচে হার, এর জেরেই ফেরান্দোর ওপর অসন্তোষ তৈরি হয়েছিল। মোহনবাগান এ বারের আইএসএলে এখনও পর্যন্ত ১০টি ম্যাচে ৬টি জিতেছে। পেয়েছে ১৯ পয়েন্ট। গত বারের চ্যাম্পিয়ন দল রয়েছে পাঁচ নম্বরে।

    হাবাসেই ভরসা

    দু’বছরে সবুজ-মেরুনের ৭৭টি ম্যাচে কোচ ছিলেন ফেরান্দো (Juan Ferrando)। এর মধ্যে ৪২টি ম্যাচে জিতেছিল দল। হেরেছিল ২০টিতে। বাকি ১৫টি ম্যাচ ড্র হয়। ফেরান্দোর প্রশিক্ষণেই গত মরসুমে আইএসএল চ্যাম্পিয়ন হয় মোহনবাগান (Mohun Bagan)। তার পরে জেতে ডুরান্ড কাপও। কিন্তু এ বারের আইএসএলে টানা তিনটি ম্যাচে হারের পরেই দায়িত্ব ছেড়ে দিলেন ফেরান্দো। ৯ জানুয়ারি থেকে শুরু কলিঙ্গ সুপার কাপ। এক সপ্তাহ সময় পাবেন হাবাস দল গোছানোর জন্য। হাবাসেই আপাতত ভরসা রাখছেন কর্তারা। আশা করা হচ্ছে, হাবাসের হাত ধরেই মোহনবাগান আবার জয়ে ফিরবে।

     

    আরও পড়ুন: বিশেষ ক্লাস কিংবদন্তি বোরার! এশিয়ান কাপে সুনীলদের ট্রেনিং ট্রেভরের

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share