Tag: Anubrata

Anubrata

  • Birbhum: গোষ্ঠী কোন্দল? ব্লক সভাপতির পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হল অনুব্রত ঘনিষ্ঠ নেতাকে

    Birbhum: গোষ্ঠী কোন্দল? ব্লক সভাপতির পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হল অনুব্রত ঘনিষ্ঠ নেতাকে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ব্লক সভাপতির পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হল অনুব্রত ঘনিষ্ঠ দুবরাজপুরের (Birbhum) নেতাকে৷ তৃণমূলের শুরু থেকেই দুবরাজপুরের ব্লক সভাপতি ছিলেন ভোলা মিত্র৷ রবিবার ফিরহাদ হাকিমের নেতৃত্ব বীরভূম কোর কমিটির বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়৷ আসন্ন পঞ্চায়েত নির্বাচনের আগে এই সিদ্ধান্ত নেওয়ায় দলের অন্দরে শোরগোল পড়ে গিয়েছে। বীরভূম জেলা কোর কমিটির সদস্য তথা সাংসদ শতাব্দী রায় বলেন, “দুবরাজপুরের ব্লক সভাপতিকে সরিয়ে দেওয়া হল। ওখানে কমিটি গঠন করে দেওয়া হয়েছে৷”

    বিজেপির দখলে এই বিধানসভায় ১৫ জনের কমিটি (Birbhum)

    প্রসঙ্গত, বীরভূমের ১১ টি বিধানসভার মধ্যে দুবরাজপুর (Birbhum) বিজেপির দখলে৷ তাই আসন্ন পঞ্চায়েত নির্বাচনের আগে অনুব্রত মণ্ডল ঘনিষ্ঠ দুবরাজপুর ব্লক সভাপতি ভোলা মিত্রকে সরিয়ে দেওয়া হল৷ পরিবর্তে ১৫ সদস্যের কমিটি গঠন করে দেওয়া হয়৷ তারমধ্যে ২ জন আহ্বায়ক। এদিন বোলপুরে তৃণমূলের দলীয় কার্যালয়ে বীরভূম জেলা কোর কমিটির সদস্যদের নিয়ে বৈঠক করেন রাজ্যের পুর ও নগরোন্নয় মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম। ছিলেন রাজ্যের ক্ষুদ্র-মাঝারি ও কুটির শিল্প মন্ত্রী চন্দ্রনাথ সিংহ, সাংসদ শতাব্দী রায়, অসিত মাল, বিধানসভার উপ-অধ্যক্ষ আশিষ বন্দ্যোপাধ্যায়, বিধায়ক অভিজিৎ সিংহ, জেলা (Birbhum) সভাধিপতি বিকাশ রায়চৌধুরী, তৃণমূল নেতা কাজল শেখ, সুদীপ্ত ঘোষ, বিশ্ববিজয় মাড্ডি৷ গরু পাচার মামলায় জেল হেফাজতে রয়েছেন তৃণমূলের বীরভূম জেলা সভাপতি অনুব্রত মণ্ডল। তাঁকে পদে বহাল রেখে জেলার সাংগঠনিক কার্য পরিচালনার জন্য ৯ জনের কোর কমিটি গঠন করে দিয়েছিলেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। পাশাপাশি, বীরভূমের পর্যবেক্ষকের দায়িত্ব দিয়েছিলেন মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিমকে৷ পর্যবেক্ষক হওয়ার পর এই প্রথম তিনি বীরভূমের (Birbhum) কোর কমিটির সদস্যদের নিয়ে বৈঠক করেন। পরে জেলা কমিটির বৈঠকেও যোগ দেন। আসন্ন পঞ্চায়েত নির্বাচনের আগে দলের ব্লক সভাপতি, অঞ্চল সভাপতি, পঞ্চায়েত প্রধান, পুর প্রধান সহ জেলা নেতাদের নিয়ে বৈঠক করেন মন্ত্রী।

    দলেই থাকব, বললেন ভোলা মিত্র

    পদ থেকে সরিয়ে দেওয়ার পর তৃণমূল নেতা (Birbhum) ভোলা মিত্র বলেন, “দল যা ভালো বুঝবে করবে৷ আমি দলে আছি, দলেই থাকব৷”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Bolpur: অনুব্রত ঘনিষ্ঠ কাউন্সিলারের ওয়ার্ডেই পুরসভার পুকুর ভরাট করে আবাসন নির্মাণ?

    Bolpur: অনুব্রত ঘনিষ্ঠ কাউন্সিলারের ওয়ার্ডেই পুরসভার পুকুর ভরাট করে আবাসন নির্মাণ?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অনুব্রত মণ্ডল (Bolpur) ঘনিষ্ঠ তৃণমূল কাউন্সিলারের ওয়ার্ডে পুকুর ভরাট করার অভিযোগ ঠিকাদারের বিরুদ্ধে। এই পুকুরের জমি বাংলার ভূমি অ্যাপ রেকর্ডে জলাশয় বলে চিহ্নিত রয়েছে। তা সত্ত্বেও বাস্তুতন্ত্র নষ্ট করে জেসিবি মেশিন দিয়ে মাটি-বালি ফেলে ভরাট করা হচ্ছে সেই জলাশয়। ২০২০ সাল থেকে এই মর্মে ভূমি ও ভূমি সংস্কার দফতর, মহকুমা শাসক এবং জেলাশাসকের কাছে অভিযোগ করা হয়েছে। কিন্তু অভিযোগ পেয়েও নিশ্চুপ প্রশাসন।

    অভিযুক্ত ব্যক্তি অনুব্রত ঘনিষ্ঠ

    গরুপাচার মামলায় জেল হেফাজতে রয়েছেন তৃণমূলের বীরভূম জেলা সভাপতি অনুব্রত মণ্ডল। তাঁর ঘনিষ্ঠ তৃণমূলের কাউন্সিলার ওমর শেখকে গরুপাচার মামলায় একাধিকবার ডেকে জেরা করেছে সিবিআই ও ইডি৷ অর্থাৎ, কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার নজরে রয়েছে বোলপুর (Bolpur) পৌরসভার ১৫ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলার। সেই ওয়ার্ডেই দীর্ঘদিনের একটি জলাশয় বন্ধ করে দেওয়া হচ্ছে বলে জানা গেছে। জলাশয়টি ভরাট করে বহুতল নির্মাণ করা হবে৷ তাই দিনরাত জেসিবি মেশিন দিয়ে মাটি ফেলে বন্ধ করে দেওয়া হচ্ছে জলাশয়টি৷ মাটি ভরাটের ফলে বর্তমানে দেখে মনেই হবে না যে এটি একটা নিত্যব্যবহার্য জলাশয় ছিল।

    ভরাটের ফলে সমস্যা

    পুরসভার (Bolpur) জলাভূমি, পুকুর ইত্যাদি বন্ধ করা আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ৷ এতে প্রাকৃতিক ভারসাম্য নষ্ট হয়, বাস্তুতন্ত্র নষ্ট হয়৷ বোলপুরের ১৫ নম্বর ওয়ার্ডের নতুন পুকুর এলাকায় এই পুকুরটিতে এক সময় স্থানীয় মানুষজন স্নান করা, জামাকাপড় কাচা, বাসন ধোয়ার কাজ নিত্যদিন করতেন৷ এছাড়াও এলাকার বৃষ্টির অতিরিক্ত জল জমা হত এই পুকুরেই। প্রতিমা নিরঞ্জনও হত এই পুকুরে। কিন্তু এইসব কাজ এখন বন্ধ। সেটি ব্যবহার করতে না পেরে এলাকার মানুষের অভিযোগ, পুকুর ভরাট করে আবাসন নির্মাণ করে টাকা কামানোর রাস্তা করেছেন শাসকদলের নেতারা। প্রশাসন জেনেও চুপ রয়েছে।

    সাধারণ মানুষের অভিযোগ

    এলাকার বাসিন্দা (Bolpur) সমীর ভট্টাচার্য বলেন, আমি এই পুকুর ভরাট নিয়ে অভিযোগ করেছিলাম। জমির দাগ নম্বর এবং রেকর্ড অনুযায়ী এটা জলাশয়৷ তিনি আরও বলেন, অভিযোগের পর জেলাশাসক আমাকে জানিয়েছিলেন, বিষয়টি দেখবেন৷ এমনকী জেলাশাসক স্বয়ং বলেন, প্রশাসনের কোনও আধিকারিক যদি এই বিষয়ে পদক্ষেপ না নেয়, আমি যেন জানাই৷ আবার দেখছি পুকুরটি ভরাট করে দেওয়া হচ্ছে৷ ২০২০ সাল থেকে স্থানীয় বাসিন্দা তথা সিপিআইএমের প্রবীণ নেতা সমীর ভট্টাচার্য এই বিষয়ে জেলা, ব্লক ভূমি ও ভূমি সংস্কার দফতর, বোলপুর মহকুমা শাসক, জেলাশাসকের কাছে একাধিকবার লিখিত অভিযোগ করেছিলেন। কিন্তু অভিযোগের জেরে মাঝে কিছুদিন সেই কাজ বন্ধ থাকলেও ফের বহুতল নির্মাণের জন্য জেসিবি মেশিন দিয়ে বন্ধ করে দেওয়া হচ্ছে পুকুরটি। যা নিয়ে নিশ্চুপ প্রশাসন৷

    প্রশাসন এবং ঠিকাদারের প্রতিক্রিয়া

    বোলপুর (Bolpur) ভূমি ও ভূমি সংস্কার দফতরের আধিকারিক সঞ্জয় রায় বলেন, আমি খোঁজ নিয়ে দেখছি কী হয়েছে৷ আর এই মুহূর্তে এর থেকে বেশি কিছু আর বলতে পারব না। আবার কাজের সঙ্গে যুক্ত ঠিকাদার অরূপকুমার মুখোপাধ্যায়ের সঙ্গে ফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি পুকুর ভরাটের অভিযোগ পুরোপুরি অস্বীকার করেন৷ এখন এই সমস্যার সমাধান প্রশাসন কবে করবে, সেটাই দেখার।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • TMC: মাথায় বন্দুক ঠেকিয়ে জমি দখলের অভিযোগ, সতর্ক করা হল অনুব্রত ঘনিষ্ঠ তৃণমূল নেতাকে

    TMC: মাথায় বন্দুক ঠেকিয়ে জমি দখলের অভিযোগ, সতর্ক করা হল অনুব্রত ঘনিষ্ঠ তৃণমূল নেতাকে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অনুব্রত ঘনিষ্ঠ তৃণমূল (TMC) নেতার বিরুদ্ধে মাথায় বন্দুক ঠেকিয়ে জমি দখলের অভিযোগ করা হয়েছিল খোদ মুখ্যমন্ত্রীর কাছে৷ সদ্য অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বীরভূম সফরে এসে অভিযুক্ত ওই নেতা আব্দুল কেরিম খানের বিরুদ্ধে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়ে যান৷ সেইমতো এদিন বোলপুর দলীয় কার্যালয়ে তাঁকে ডেকে বৈঠক করে জেলার কোর কমিটি। জানা গিয়েছে, প্রয়োজনীয় কাগজপত্র চাওয়ার পাশাপাশি তাঁকে সতর্ক করা হয়েছে তৃণমূলের তরফে।

    কী অভিযোগ জমা পড়েছে?

    নানুরের বাসাপাড়ায় প্রতি বছর মিলন মেলা হয়৷ অভিযোগ, মেলা কমিটির নামে বিস্তীর্ণ একটি মাঠের জায়গা বিভিন্নজনের কাছে বলপূর্বক, ভয় দেখিয়ে লিখিয়ে নেওয়া হয়েছে৷ নানুরের তৃণমূল (TMC) নেতা তথা বীরভূম জেলা পরিষদের পূর্ত কর্মাধ্যক্ষ আব্দুল কেরিম খানের বিরুদ্ধে গ্রামবাসীরা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে লিখিত অভিযোগ করেন৷ সেই অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছিল, ‘পার্টি অফিসে ডেকে মাথায় বন্দুক ঠেকিয়ে মেলা কমিটির নামে জমি লিখিয়ে নেওয়া হয়েছে।’

    চাওয়া হল কাগজপত্র

    ৯ থেকে ১১ মে বীরভূম সফরে এসে জনসংযোগ যাত্রা করেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। ১২ মে জেলা ছেড়ে যাওয়ার আগে দলের কোর কমিটিকে ডেকে রুদ্ধদ্বার বৈঠক করেন তিনি। জানা গিয়েছে, সেই বৈঠকেই নানুরের তৃণমূল (TMC) নেতা আব্দুল কেরিম খানের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার নিদান দিয়ে যান তিনি৷ সেইমতো এদিন বোলপুর দলীয় কার্যালয়ে কোর কমিটির বৈঠক ডাকা হয়৷ উপস্থিত ছিলেন সাংসদ শতাব্দী রায়, অসিত মাল, মন্ত্রী চন্দ্রনাথ সিংহ, জেলা সভাধিপতি বিকাশ রায়চৌধুরী, লাভপুরের বিধায়ক অভিজিৎ সিংহ, তৃণমূল নেতা কাজল শেখ, সুদীপ্ত ঘোষ প্রমুখ৷ এই বৈঠকে জেলা পরিষদের পূর্ত কর্মাধ্যক্ষ আব্দুল কেরিম খানকে ডাকা হয়েছিল৷ জানা গিয়েছে, কেন মেলার মাঠ দখল করেছে সে, তার কাগজপত্র চাওয়া হয়৷ পাশাপাশি তাঁকে সতর্ক করা হয়েছে।

    উঠল গোষ্ঠীকোন্দল প্রসঙ্গও

    প্রসঙ্গত, এই আব্দুল কেরিম খানের সঙ্গে দীর্ঘদিনের দ্বন্দ্ব রয়েছে নানুরের তৃণমূল (TMC) নেতা তথা কোর কমিটির সদস্য কাজল শেখের। সেই গোষ্ঠীকোন্দল প্রসঙ্গেও এদিন বৈঠকে আব্দুল কেরিম খানকে সতর্ক করা হয়েছে। বৈঠক শেষে সাংসদ শতাব্দী রায় বলেন, “অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশমতো আব্দুল কেরিম খানকে ডাকা হয়েছিল। অভিযোগ অনুযায়ী তাঁর কাছে সমস্ত কাগজপত্র চাওয়া হয়েছে। সেগুলো দেখার পর কী ব্যবস্থা নেওয়া হবে, সে ব্যাপারে সিদ্ধান্ত হবে।” কোর কমিটির আহ্বায়ক তথা জেলা সভাধিপতি বিকাশ রায়চৌধুরী বলেন, “আমরা এদিন তাঁর কাছে সব নথি চেয়েছি৷ অভিযোগ উঠেছে যখন, সেটা খতিয়ে দেখতেই হবে৷ তারপর সিদ্ধান্ত হবে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Anubrata Mondal: ভাল নেই অনুব্রত! জেলা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হল কেন?

    Anubrata Mondal: ভাল নেই অনুব্রত! জেলা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হল কেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সোমবার সকালে আসানসোল জেলা হাসপাতালে স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য নিয়ে যাওয়া হল তৃণমূলের বীরভূম জেলার সভাপতি অনুব্রত মণ্ডলকে। আসানসোল সংশোধনাগার থেকে হাসপাতাল যাওয়ার পথে এদিন সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে অনুব্রত বলেন, ‘‘শরীর ভাল নেই।’’হাসপাতালে ঢোকার মুখে বুকে ব্যথার কথাও জানান তিনি। দিন দিন ওজন কমছে তাঁর। গত তিনমাসে ৯ কেজি ওজন কমেছে অনুব্রতর। 

    অনুব্রতের সমস্যা

    হাসপাতাল সূত্রে খবর, ফিসচুলার সমস্যা নিয়ে জেলা হাসপাতালের জরুরি বিভাগে এসেছিলেন অনুব্রত মণ্ডল (Anubrata Mandal)। প্রায় এক ঘন্টা ধরে হাসপাতালের জরুরি বিভাগের পাশে স্পেশ্যাল অবজার্ভেশন রুমে তাঁর স্বাস্থ্যপরীক্ষা হয়। এমনিতেই অনুব্রত মণ্ডলের সুগার, রক্তচাপ, ফিসচুলা -সহ মোট ৩৭ রকমের ওষুধ চলে। তার জন্য সংশোধনাগারের মেডিক্যাল ওয়ার্ডে রাখা রয়েছে নিবুলাইজার ও অক্সিজেন কনসিন্টারেটর। তবে সূত্রের খবর,অনুব্রত মণ্ডল সুস্থই আছেন। আসানসোল জেলা হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে, চিকিৎসক শুভজিৎ দত্ত, সার্জন স্মরণ হেমব্রম, জয়ন্ত গঙ্গোপাধ্যায় এবং হাসপাতালের মেডিক্যাল অফিসার উত্তমকুমার রায় অনুব্রতের চিকিৎসা করবেন। তাঁর নানা পরীক্ষা করা হবে বলেও হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে। 

    আরও পড়ুুন: একশো দিনের কাজে ‘পুকুর চুরি’! মৃত ব্যক্তির অ্যাকাউন্টেও ঢুকেছে মজুরি!

    গরু পাচার মামলায় গত শুক্রবার আসানসোলের বিশেষ সিবিআই আদালতে হাজির করানো হয়েছিল অনুব্রতকে। তাঁকে ১৪ দিন জেল হেফাজতে রাখার নির্দেশ দেন বিচারক রাজেশ চক্রবর্তী। পরবর্তী শুনানি ৩ মার্চ। জেল সূত্রে খবর, এটা রুটিন চেকআপ। প্রতি দু’মাস অন্তর জেলবন্দিদের হাসপাতালে চেকআপ করার নিয়ম। সেই মত অনুব্রত মণ্ডলকে আসানসোল জেলা হাসপাতালের ইমার্জেন্সি বিভাগে আনা হচ্ছে। গত অগস্ট মাস থেকে আসানসোল বিশেষ সংশোধনাগারে রয়েছেন বীরভূমের জেলা সভাপতি। অগস্ট মাসে তাঁকে জেলা হাসপাতালে আনা হয়েছিল। তারপর ২০ নভেম্বর অনুব্রত মণ্ডলকে হাসপাতালে আনা হয়েছিল বুকে ব্যথার জন্য। সেদিন তাঁর ‘বডি ওয়েট’ করা হয়েছিল। তাতে দেখা যায়, তাঁর ওজন ১০০ কেজি। অর্থাৎ আগে থেকে ওজন কমে গিয়েছে। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • Rice Mills and Cattle Smuggling: বীরভূমে ১৭টি চালকলে ঢুকেছে গরু পাচারের টাকা?  কেষ্টর যোগসূত্রে তদন্তে ইডি-সিবিআই

    Rice Mills and Cattle Smuggling: বীরভূমে ১৭টি চালকলে ঢুকেছে গরু পাচারের টাকা? কেষ্টর যোগসূত্রে তদন্তে ইডি-সিবিআই

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গরু পাচারের (Cattle Smuggling) তদন্তে নেমে বীরভূমেই অন্তত ১৭টি চালকলের সন্ধান পেল ইডিসিবিআই (ED-CBI)। জেলার ৮২টি চালকলের মধ্যে এই ১৪টি চালকলে তৃণমূল বোমমারা নেতা অনুব্রত মণ্ডলের (Anubrata Mondal) প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ যোগসূত্র রয়েছে বলে জানতে পেরেছেন তদন্তকারীরা। তবে তদন্ত এখানেই থেমে থাকছে না জেলার এক মন্ত্রী এবং এক বিধায়কের বকলমে নেওয়া কয়েকটি চালকলের সন্ধানও তদন্তকারীরা পেয়েছেন। অনুব্রত পর্ব মেটার পরই ওই চালকলগুলি নিয়ে তদন্ত শুরু করবে ইডি। কারণ, জানা গিয়েছে, গত পাঁচ বছরে জাতীয় খাদ্য সুরক্ষা মিশনের অধীনে যে চাল মিলগুলি থেকে সংগ্রহ করা হয়েছিল তাতেও প্রভাব খাটানো হয়েছে। বীরভূমের অন্য চালকলগুলিকে বঞ্চিত করে বিপুল পরিমাণে চাল রাজ্য খাদ্য দফতরকে সরবরাহ করেছে অনুব্রত ও তার বেনামে থাকা চালকলগুলি। অন্য চালকল মালিকেরা সে বিষয়ে ইতিমধ্যেই বিশদ তথ্য তদন্তকারীদের হাতে তুলে দিয়েছে।

    আরও পড়ুন: সিবিআই থেকে জেল হেফাজত হতেই কেষ্ট-‘কলঙ্ক’ ঝেড়ে ফেলতে চাইছে তৃণমূল?

    তদন্তকারী সূত্রের খবর, ২০১১ সালে সরকারে আসার পর থেকেই বীরভূমের একের পর এক চালকল হাতে নিতে থাকেন অনুব্রত ও তাঁর বেনামিরা। গত ১১ বছরে এমনই ১৭টি মিল দখল করেছে তাঁরা। এখন ইডির তদন্তের সামনে তাঁদের দেখাতে হবে, কীভাবে লগ্নি এনে এই চালকলগুলি তাঁরা দখল করেছিলেন বা কিনে নিয়েছিলেন। তদন্ত সংস্থা সূত্রের দাবি, শ্রী অম্বিকা, শান্তিময়ী, সাংড়া, সর্বোত্তম, জয় মা দুর্গা, জয় মা ভগবতী, জয় মা মহায়ামা, শ্রী কৃষ্ণ, শিবশম্ভু, মোহনানন্দ, জয় ভারত, সিউড়ি কেন্দ্রীয় সমবায় কৃষি বিপণনের নামে থাকা মিল, ইলামবাজারের জোনাল কোঅপারেটিভের অধীনে থাকা চালকল, ভোলে ব্যোম, বাবা জম্পেশ্বর, জয় বাবা জম্পেশ্বর, জম্পেশ্বর অ্যাগ্রো নামে চালকলগুলিতে অনুব্রত মণ্ডলের বিনিয়োগ লুকিয়ে থাকতে পারে বলে মনে করছেন তদন্তকারীরা। এছাড়া বর্ধমান এবং পুরুলিয়ার কয়েকটি মিলেও নজর রয়েছে তদন্তকারীদের।

    ইডি-সিবিআইয়ের দাবি, অনুব্রতের কন্যা, বিদ্যুৎ গায়েন, রাজীব ভট্টাচার্য, চন্দ্রনাথ মুখোপাধ্যায়, সঞ্জীব মজুমদার, রাজা ঘোষ, সিদ্ধার্থ মণ্ডলের নামে থাকা মিলগুলি নিয়ে তদন্ত চালানো হচ্ছে। চালকল মালিকদের নথিপত্র, ব্যাংকের কাগজপত্র দেখিয়ে প্রমাণ করতে হবে তাঁরা অনুব্রত মণ্ডলের টাকা এই চালকলগুলিতে খাটাচ্ছেন না। তাঁদের নিজস্ব বিনিয়োগের তথ্যও দিতে হবে। 

    আরও পড়ুন: সিবিআই হেফাজত শেষ, জেলেই গেলেন অনুব্রত

    তদন্তকারীরা জানাচ্ছেন, ২০১৪ সালের পর থেকে পর পর চালকলে যে বিপুল বিনিয়োগ হয়েছে তাতে গরু, কয়লা, বালি, পাথরের বেআইনি টাকা ঢুকে থাকতে পারে। সেই কারণেই তদন্তের মুখে এই ১৭টি মিল। তদন্তকারীদের বক্তব্য, ওই মিলগুলির মালিকরা তাঁদের স্বাধীন লগ্নির তথ্য না দিতে পারলে আয়ের সঙ্গে সঙ্গতিহীন সম্পত্তির মামলা আলাদাভাবে রুজু হবে বলে তদন্তকারী সংস্থা সূত্রে জানা গিয়েছে। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।  

  • Setting Guru Daitapati: কয়লা-গরু পাচারে সন্ধান ‘সেটিং গুরু’ দয়িতাপতির,  খোঁজ নিচ্ছে ইডি-সিবিআই

    Setting Guru Daitapati: কয়লা-গরু পাচারে সন্ধান ‘সেটিং গুরু’ দয়িতাপতির, খোঁজ নিচ্ছে ইডি-সিবিআই

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কয়লা-গরু পাচার (Cattle-Coal smuggling scam) কাণ্ডে চাঞ্চল্যকরভাবে নাম জড়াচ্ছে পুরীর (Puri) জগন্নাথ মন্দিরের (Jagannath Temple) এক দয়িতাপতির (Daitapati)। তিনি নাকি তৃণমূলী মহলে ‘সেটিং গুরু’ (TMC Setting Guru) নামে পরিচিত। অতীতে সিবিআই-ইডি-আয়করের (ED-CBI-Income Tax) নোটিস এলেই তৃণমূলের (TMC) অনেক নেতাই এই সেটিং গুরুর কাছে হাজির হতেন। তিনি নাকি তাঁর ভক্তকূলের মধ্যে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থায় কাজ করেন এমন অনেকের সঙ্গে যোগাযোগ করিয়ে দিতেন। বলাই বাহুল্য কিঞ্চিত দক্ষিণার মাধ্যমে।

    কিন্তু সেই সেটিং গুরুর যাবতীয় কারবার নাকি এখন আর কাজ করছে না। তৃণমূলের অন্দরের চর্চা, সম্প্রতি যে কজন বড় মাথা সিবিআই, ইডির হাতে গ্রেফতার হয়েছেন তাঁরাও সেটিং গুরু দয়িতাপতির শরণাপন্ন হয়েছিলেন। এবার অগ্রিম দক্ষিণাও দিয়েছিলেন। কিন্তু তারপরেও শেষ রক্ষা হয়নি। তৃণমূলের লোকজন এখন সেই সেটিং গুরুর চ্যালা চামুণ্ডাদের খুঁজতে শুরু করেছেন। এমনই একজন বিপদ বুঝে পূরী পালিয়ে গিয়েছে বলে জানা গিয়েছে।

    আরও পড়ুন: সাত মাসে তিন বার দুবাই যাত্রা অভিষেকের, ফিসফিসানি দলের অন্দরেই

    কে এই সেটিং গুরু?

    তৃণমূলের অন্দরের খবর, পুরীর জগন্নাথ মন্দিরের দয়িতাপতির ওড়িশার চেয়েও কলকাতায় ভক্ত সংখ্যা বেশি। তিনি কলকাতায় এলে ডেরা বাঁধেন গড়িয়াহাটের কাছে। সেখানেই তৃণমূলের হেভিওয়েটরা তাঁর কাছে ভিড় করেন। কারণ, কালীঘাট চত্বরে বছরে দু-তিনবার মহাযজ্ঞ করে থাকেন তিনি। ফলে সর্বোচ্চস্তরে এক ফোনেই নানা কাজ করিয়ে দেওয়া নাকি তাঁর বাঁ হাতের খেলা। তৃণমূলের বহু নেতাকে টিকিট দেওয়া, কাউন্সিলারকে চেয়ারম্যান বানানো, বিধায়ককে মন্ত্রী বানানোর হাতযশ তাঁর রয়েছে। সেই সূত্রেই সেটিং গুরুর কাছে ভিড়ও হয়।

    এবারও ইডি-সিবিআইয়ের নোটিস পাওয়া ভারী নেতারা তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ করেছিলেন। দক্ষিণ শহরতলির কোনও এক কাঞ্জিলালের কাছে দক্ষিণাও পৌঁছে দিয়েছিলেন তাঁরা। এমনকি সিবিআই-ইডি ম্যানেজ হয়ে গিয়েছে বলেও সেটিং গুরু দাবি করেছিলেন। কিন্তু বাস্তবে দেখা যায়, এবার ইডি-সিবিআই বেশি সক্রিয়। অন্যান্যবার সিবিআই জেরার জন্য ডেকে গ্রেফতার করত। এবার রীতিমতো বাড়ি গিয়ে কেন্দ্রীয় বাহিনী দিয়ে ঘিরে ফেলে ভারী নেতাদের গ্রেফতার করছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। আরও কিছু নেতা ও পুলিশ কর্তা সেই তালিকায় আছে বলে শোনা যাচ্ছে।

    আরও পড়ুন: গরু পাচারের ৪২ ঘাটে যুক্ত ৬২ আইসি-ওসি এবার সিবিআইয়ের আতসকাচে

    কিন্তু সেটিং গুরুর কাছে দক্ষিণা পৌঁছে যাওয়ার পরও কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার সক্রিয়তা না কমায় তৃণমূল নেতারা কাঞ্জিলালের সন্ধান শুরু করেছে। শোনা যাচ্ছে দিন কয়েক আগে ওই ব্যক্তি রাজ্য ছেড়ে শ্রীক্ষেত্রের উদ্দেশে পালিয়েছে। কিন্তু তৃণমূল নেতাদের আফসোসের শেষ নেই। এই খবর সিবিআই-ইডির কাছেও পৌঁছেছে। ফলে সেটিং গুরুর কারবার নিয়ে নজরদারিও শুরু করেছে তারা।   

  • Anubrata Mondal: ১০ দিনের সিবিআই হেফাজত অনুব্রতের! জানেন কী বলল আদালত

    Anubrata Mondal: ১০ দিনের সিবিআই হেফাজত অনুব্রতের! জানেন কী বলল আদালত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গরু পাচার কাণ্ডে (Cattle Smuggling Case) গ্রেফতার বীরভূম জেলা তৃণমূল সভাপতি অনুব্রত মণ্ডলকে (Anubrata Mandal) ১০ দিনের সিবিআই হেফাজতের নির্দেশ দিল আসানসোলের বিশেষ সিবিআই (CBI) আদালত। বৃহস্পতিবার বিকেলে এই রায় শোনান বিচারক। এদিন আদালতে অনুব্রতর জামিনের আবেদনই করেননি তাঁরা আইনজীবী। সিবিআই তাঁকে ১৪ দিনের জন্য হেফাজতে চায়। সূত্রের খবর, আজ রাতেই অনুব্রতকে কলকাতায় নিয়ে আসতে পারে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী আধিকারিকেরা।

    বৃহস্পতিবার সকালে গ্রেফতারির পর বীরভূমের এই দোর্দণ্ডপ্রতাপ নেতাকে বিকেল ৫টা নাগাদ আসানসোলে সিবিআই-এর বিশেষ আদালতে তোলা হয়। বিচারপতি রাজেশ চক্রবর্তী ধৃত জেলা তৃণমূল সভাপতিকে ২০ অগাস্ট পর্যন্ত সিবিআই হেফাজতে পাঠান। তাঁর শারীরিক অবস্থার খোঁজ নেন বিচারপতি। আদালতের নির্দেশ, কোনও কারণে স্বাস্থ্য পরীক্ষার প্রয়োজন পড়লে, অনুব্রতকে কলকাতার কমান্ড হাসপাতালে দেখাতে হবে। ওই সময় তাঁর দু’জন আইনজীবীকে সঙ্গে রাখতে হবে। তাঁর বিরুদ্ধে ভারতীয় দণ্ডবিধির ১২০ বি ধারা এবং আর্থিক দুর্নীতি দমন আইনের ৭,১০,১১ এবং ১২ নম্বর ধারায় অভিযোগ দায়ের হয়। 

    আরও পড়ুন: অনুব্রতর মতো দুষ্কৃতীদের পৃষ্ঠপোষকতা করেন মমতা, তোপ অমিত মালব্যর

    অনুব্রতকে আদালতে নিয়ে পৌঁছতেই উত্তেজনা ছড়ায়। আদালত চত্বরে ‘চোর’, ‘গরুচোর’ বলে চিৎকার করে ওঠে উপস্থিত জনতা। অনেকে চটি হাতে তেড়ে যায়। বিক্ষোভ হয় আদালত ভবনের ভিতরেও। এর পর কোনওক্রমে অনুব্রতকে কোর্ট লকআপে ঢোকায় সিবিআই। অনুব্রতর আইনজীবী জানান, অনুব্রত অসুস্থ। তা সত্বেও তাঁকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তখন অনুব্রতর কাছে তাঁর অসুস্থতার ব্যাপারে জানতে চান বিচারক। বিচারককে অনুব্রত বলেন, তাঁর শ্বাসকষ্ট রয়েছে। বুকে ব্লকেজ, ব্যথা রয়েছে। উচ্চ রক্তচাপ, ফিসচুলা, কিডনিক সমস্যা এবং পা ফুলে যাওয়ার কথাও উল্লেখ করেন বীরভূম জেলা তৃণমূলের সভাপতি।

    পালটা সওয়ালে সিবিআইয়ের আইনজীবী বলেন, অনুব্রত মণ্ডলের বিরুদ্ধে তাঁদের কাছে একাধিক প্রমাণ রয়েছে। তাঁর ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট খতিয়ে দেখে জানা গিয়েছে তাতে মোটা টাকার লেনদেন হয়েছে। অনুব্রতকে জেরা করলে অনেক নতুন তথ্য পাওয়া যেতে পারে। তাই তাঁকে ১৪ দিনের জন্য হেফাজতে চায় সিবিআই। দুপক্ষের বক্তব্য শুনে অনুব্রত মণ্ডলকে ১০ দিনের সিবিআই হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছেন বিচারক। আগামী ২০ অগাস্ট ফের তাঁকে আদালতে পেশ করতে হবে।

LinkedIn
Share