Tag: anubrata mondal

anubrata mondal

  • Anubrata Mondal: কেষ্ট, তাঁর ঘনিষ্ঠদের অ্যাকাউন্টে ১০ কোটির লেনদেন! ব্যাঙ্ককর্মীকে জেরা সিবিআইয়ের

    Anubrata Mondal: কেষ্ট, তাঁর ঘনিষ্ঠদের অ্যাকাউন্টে ১০ কোটির লেনদেন! ব্যাঙ্ককর্মীকে জেরা সিবিআইয়ের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গরু পাচার মাামলায় অভিযুক্ত বীরভূমের জেলা তৃণমূল সভাপতি অনুব্রত মণ্ডলকে দিল্লি নিয়ে গিয়ে জেরা করার জন্য তোড়জোড় শুরু করেছে ইডি। আর এরই মধ্যে ফের অনুব্রত ও তাঁর ঘনিষ্ঠের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে টাকার হদিশ পেয়েছে সিবিআই। সূত্রের খবর অনুযায়ী, তাঁদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে ১০ কোটি টাকার হদিশ পেয়েছে সিবিআই-এর আধিকারিকরা। আর এই টাকার উৎসের সন্ধান করতে বেসরকারি ব্যাঙ্কের কর্মীদের ডেকে পাঠায় সিবিআই। অনুব্রত ও তাঁর ঘনিষ্ঠদের অ্যাকাউন্টের নথিও চাওয়া হবে তাঁদের কাছে। অন্যদিকে গতকাল অনুব্রতের প্রাক্তন পরিচারক বিশ্বজ্যোতি বন্দ্যোপাধ্যায় ওরফে মুনকে জিজ্ঞাসাবাদ করে ইডি।

    ব্যাংকের কর্মীকে জিজ্ঞাসাবাদ সিবিআই-এর

    অনুব্রত ও তাঁর ঘনিষ্ঠদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের টাকার সন্ধান করতে বুধবার সন্ধ্যায় বোলপুরের অস্থায়ী ক্যাম্পে পৌঁছে যান সিবিআই আধিকারিকরা। এখানেই বোলপুরের এক বেসরকারি ব্যাঙ্কের আধিকারিককে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয় বলে সূত্রের খবর। কারা, কত টাকা, কার অ্যাকাউন্টে ও কীভাবে জমা দিয়েছিল তা জানতে চান সিবিআই আধিকারিকরা। পাশাপাশি, আজও ওই বেসরকারি ব্যাঙ্কের কয়েকজন কর্মীকে জিজ্ঞাসবাদ করবে সিবিআই, এমনও জানা গিয়েছে।

    প্রসঙ্গত, সিবিআই দাবি করেছে যে, অনুব্রত ও তাঁর ঘনিষ্ঠদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট থেকে প্রায় ১০ কোটি টাকার সন্ধান পেয়েছে। যার ফলে এই টাকা কার ও কীভাবে এল, আর এর উৎস কী তা জানতেই গতকাল ব্যাঙ্কের কর্মীকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়।

    আরও পড়ুন: অনুব্রতর গাড়িতে লালবাতি কেন? প্রশ্নের মুখে রাজ্য

    ইডির জেরার মুখে কেষ্টর প্রাক্তন পরিচারক মুন

    এর আগেও বিশ্বজ্যোতিকে তলব করেছিল ইডি। তবে এই প্রথম ইডির মুখোমুখি হয়েছেন বোলপুর পুরসভার কাউন্সিলর মুন। ইডি সূত্রে জানা গিয়েছে, বুধবার সকাল ১১টা নাগাদ মুন পৌঁছান দিল্লিতে ইডির দফতরে। তার পর থেকে টানা জিজ্ঞাসাবাদ করা হয় তাঁকে। গরু পাচার মামলায় সিবিআই আদালতে যে চার্জশিট জমা দিয়েছে, তাতে দাবি করা হয়েছে, মুনের অ্যাকাউন্টের মাধ্যমেও লেনদেন হয়েছে কোটি কোটি টাকার। ইতিমধ্যেই বোলপুর পুরসভার ওই কাউন্সিলরের অ্যাকাউন্ট সংক্রান্ত তথ্যও সংগ্রহ করেছেন তদন্তকারীরা। সেই বিষয়গুলি খতিয়ে দেখতে এ বার মুনকে দিল্লিতে নিজেদের দফতরে ডেকে জিজ্ঞাসাবাদ করছে ইডি।

    উল্লেখ্য, ২০১১ সালে অনুব্রত মণ্ডলের বাড়িতে পরিচারকের কাজ করতেন বিশ্বজ্যোতি। মাসিক বেতন ছিল ৫ হাজার টাকা। বোলপুর পুরসভার ১৯ নম্বর ওয়ার্ড থেকে কাউন্সিলরও হন বিশ্বজ্যোতি। এরপর গরুপাচার মামলায় তাঁর নাম উঠে আসে। সিবিআই দাবি করে, তাঁর অ্যাকাউন্ট থেকে কোটি কোটি টাকার লেনদেন হয়েছে। মুনের বাড়িতেও তল্লাশি চালিয়েছিল সিবিআই। তাঁকে ডেকে জেরা করা হয়। আর এবার ইডির নজরে মুন।

  • Lottery scam: ভয় দেখিয়ে টিকিট হাতিয়ে নেন কেষ্ট! আসল লটারি বিজেতার দাবিতে তোলপাড়

    Lottery scam: ভয় দেখিয়ে টিকিট হাতিয়ে নেন কেষ্ট! আসল লটারি বিজেতার দাবিতে তোলপাড়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বীরভূমের তৃণমূল সভাপতি অনুব্রত মণ্ডলের এক কোটি লটারি জেতার তদন্তে এবারে এক চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এসেছে (Lottery Scam)। জানা গিয়েছে, ওই লটারি জিতেছিলেন অন্য এক ব্যক্তি, আর তাঁকে অনুব্রত মণ্ডলের লোকেরা ভয় দেখিয়ে, তাঁর উপর চাপ সৃষ্টি করে সেই লটারি হাতিয়ে নেন। এমনটাই সিবিআই সূত্রে জানা গিয়েছে। সিবিআই এদিন জানিয়েছে, বোলপুরের বড় শিমুলিয়া গ্রামের বাসিন্দা কটাই শেখের ছেলে শেখ নুর আলি এই লটারির টিকিট জিতেছিলেন। অর্থাৎ এই লটারির আসল প্রাপক অনুব্রত নয়, শের নুর আলি। আর শেখ আলির থেকেই এটি হাতিয়ে নেন অনুব্রত।

    আসল বিজেতার থেকে লটারি হাতিয়ে নেন কেষ্ট…

    লটারিকাণ্ডের তদন্ত করতে গিয়ে সিবিআই আধিকারিকরা বৃহস্পতিবার বড় শিমুলিয়া গ্রামে শেখ নুর আলির বাড়িতে তল্লাশি চালান (Lottery Scam)। এরপর শান্তিনিকেতনে সিবিআইয়ের অস্থায়ী ক্যাম্পে ডেকে পাঠানো হয় নুরকে। লটারির রহস্যভেদ করতে গিয়ে খতিয়ে দেখা হয় ওই ব্যক্তির সম্পত্তি ও ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট সংক্রান্ত তথ্য। এমনকি এদিন ‘গাঙ্গুলী লটারি’র দোকানের মালিক বাপি গঙ্গোপাধ্যায়কেও জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। টিকিট তিনিই যাচাই করে দেন বলে দাবি বাপির। আর এরপরেই শেখ নুর আলির বাবা কটাই শেখ বিস্ফোরক অভিযোগ করেন অনুব্রতর বিরুদ্ধে।

    তিনি বলেন, লটারির টিকিট বিক্রি করা কালাম শেখের কাছ থেকে টিকিট কিনেছিলেন তাঁর ছেলে। তাতে টাকা জেতেন তাঁরা। আর তার পরেই শুরু হয় চাপসৃষ্টি, ভয় দেখানো। এর ফলে গ্রামছাড়াও হতে হয় তাঁদের। কিন্তু তাতেও রেহাই হয়নি। ফিরে আসার পর জোর করে কেড়ে নেওয়া হয় লটারির টিকিট। তাঁদের বলা হয়েছিল যে এই লটারি টিকিটের বদলে ৮৩ লক্ষ টাকা দেবেন, কিন্তু শেষপর্যন্ত ৭ লক্ষ টাকা হাতে ধরিয়ে দেওয়া হয় তাঁদের। কটাই শেখ আরও অভিযোগ করেন, শুধুমাত্র চাপ সৃষ্টি করাই হয়নি, টিকিট পেতে তাঁদের প্রাণনাশ, গ্রামছাড়া করার হুমকিও দেওয়া হয়।

    আরও পড়ুন: কেষ্ট, তাঁর ঘনিষ্ঠদের অ্যাকাউন্টে ১০ কোটির লেনদেন! ব্যাঙ্ককর্মীকে জেরা সিবিআইয়ের

    আরও জানা গিয়েছে, এই নুর শেখ আলির খবর সিবিআই আধিকারিকরা লটারি বিক্রেতার থেকে জানতে পেরেছিলেন (Lottery Scam)। সিবিআই আধিকারিকরা আরও জানিয়েছেন, এক্ষেত্রে শেখ নুর আলির থেকে টিকিট আদায় করতে মাহিরি গ্রামের পঞ্চায়েত প্রধান ভজা নামের এক ব্যক্তি ও বিশ্বজ্যোতি ওরফে মুন এ ক্ষেত্রে অনুব্রতর হয়ে মধ্যস্থতা করেন। উল্লেখ্য, অনুব্রতর পরিবার মোট পাঁচটি লটারি জেতে। এক পরিবার বারবার লটারি জিতে চলেছে, এ নিয়ে সিবিআই আধিকারিকরা তদন্তে নেমেছিলেন। লটারি জেতার পিছনে কী রহস্য রয়েছে, তা জানতে মরিয়া হয়ে উঠেছিল সিবিআই। আর আজ শেষপর্যন্ত অনুব্রতর এক কোটি জেতার আসল রহস্য জানতে পারল সিবিআই-এর আধিকারিকরা। 

  • Anubrata Mondal: অনুব্রতর গাড়িতে লালবাতি কেন? প্রশ্নের মুখে রাজ্য

    Anubrata Mondal: অনুব্রতর গাড়িতে লালবাতি কেন? প্রশ্নের মুখে রাজ্য

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তিনি রাজ্যের মন্ত্রী নন। হোমরাচোমরাও কেউ নন। তিনি তৃণমূলের বীরভূম জেলা সভাপতি অনু্ব্রত মণ্ডল (Anubrata Mondal)। তৃণমূল (TMC) নেত্রীর আদরের কেষ্ট। এহেন এক তৃণমূল জেলা সভাপতি অনুব্রত মণ্ডল গাড়িতে লালবাতি ব্যবহার করতেন। বীরভূম থেকে তিনি যখন কলকাতায় আসতেন, কিংবা কলকাতারই এক স্থান থেকে অন্যত্র যেতেন তাঁর গাড়ির মাথায় শোভা পেত লালবাতি। বাজত হুটার। এনিয়ে কলকাতা হাইকোর্টে (Calcutta High Court) দায়ের হয় জনস্বার্থ মামলা। তার পরেই নবান্নের কাছে হাইকোর্ট জানতে চেয়েছে, লাল-নীল কত বাতি, কতজনকে ব্যবহারের অনুমতি দেওয়া হয়েছে। তার অপব্যবহারের জন্য সরকার কি কোনও ব্যবস্থা নিয়েছে?

    মামলার নেপথ্যে…

    গত এপ্রিল মাসের শেষের দিকে অনুব্রতর (Anubrata Mondal) গাড়িতে লালবাতির ব্যবহার নিয়ে হাইকোর্টে দায়ের হয় জনস্বার্থ মামলা। মামলাটি করেন আইনজীবী তরুণজ্যোতি তিওয়ারি। তাঁর যুক্তি ছিল, অনুব্রত মণ্ডল এমন কোনও পদে নেই, যাতে লালবাতি লাগানো গাড়ি ব্যবহার করা যায়। তাহলে তিনি লালবাতি লাগানো গাড়ি ব্যবহার করেন কীভাবে? কীভাবে একটি রাজনৈতিক দলের জেলা সভাপতি লালবাতি লাগানো গাড়িতে পুলিশের নজর এড়িয়ে বীরভূম থেকে কলকাতায় আসেন সেই প্রশ্ন তুলে মামলা দায়ের করেন ওই আইনজীবী। মঙ্গলবার হচ্ছিল ওই মামলার শুনানি। এদিন ওই মামলার শুনানিতেই আদালতের গুচ্ছ প্রশ্নের মুখে পড়ে রাজ্য সরকার। প্রধান বিচারপতি রাকেশ শ্রীবাস্তবের প্রশ্ন, রাজ্যজুড়ে লালবাতি, নীলবাতির গাড়ি যথেচ্ছ ব্যবহার হচ্ছে কেন? সবই কি বৈধ? প্রধান বিচারপতি এদিন শুনানির সময় বলেন, ভারতীয় দণ্ডবিধির ৪১৯ নম্বর ধারা অনুযায়ী মামলা রুজু করে পদক্ষেপ নেওয়া যায়। এমন কত মামলা হয়েছে রাজ্যে? তাঁর এও প্রশ্ন, রাজ্যে মাল্টি কালার বাতির প্রচলন রয়েছে কি? এ ব্যাপারে সোমবারের মধ্যে জবাব চেয়েছে হাইকোর্ট। নবান্ন সূত্রে খবর, জেলাস্তরের বহু নেতা বিভিন্ন কমিশন বা বোর্ডের চেয়ারম্যান হিসেবে গাড়িতে বিকন লাইট লাগানোর অনুমতি পেয়েছিলেন। অনুব্রতও (Anubrata Mondal) সেভাবে অনুমতি পেয়েছিলেন।

    আরও পড়ুন: জেলেই অনুব্রত! গরু পাচার মামলায় জামিনের আর্জি খারিজ, পরবর্তী শুনানি ২৫ নভেম্বর

    প্রসঙ্গত, কয়েক বছর আগে লালবাতি লাগানো গাড়িতে চড়ে বর্ধমানের অরবিন্দ স্টেডিয়ামে দলীয় বৈঠকে যোগ দিতে এসেছিলেন অনুব্রত (Anubrata Mondal)। তখন তিনি এসেছিলেন স্টেট রুরাল ডেভেলপমেন্ট এজেন্সির বোর্ড লাগানো একটি গাড়িতে চড়ে। এই গাড়ির মাথায় লাগানো ছিল লালবাতি। তবে সুপ্রিম কোর্টের গাইডলাইন অনুযায়ী, ওই পদে থেকে গাড়িতে লালবাতি ব্যবহার করা যায় না। তা সত্ত্বেও কীভাবে লালবাতি লাগানো গাড়িতে ঘুরেছিলেন অনুব্রত? উঠছে প্রশ্ন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Anubrata Mondal: ইডির বিরুদ্ধে দিল্লি হাইকোর্টের দ্বারস্থ অনুব্রত! সওয়াল করলেন কপিল সিব্বল

    Anubrata Mondal: ইডির বিরুদ্ধে দিল্লি হাইকোর্টের দ্বারস্থ অনুব্রত! সওয়াল করলেন কপিল সিব্বল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কেষ্টকে দিল্লিতে নিয়ে যেতে মরিয়া ইডি। গরুপাচার মামলার তদন্তে রাজধানীতে নিয়ে গিয়ে অনুব্রত মণ্ডলকে (Anubrata Mandal) জিজ্ঞাসাবাদ করতে চায় কেন্দ্রীয় সংস্থা। কেষ্টর প্রোডাকশন ওয়ারেন্ট চেয়ে, গত সপ্তাহে দিল্লির রাউস অ্যাভিনিউ কোর্টে আবেদন জানায় ইডি। তারই পাল্টা হিসেবে গরুপাচার মামলায় এবার ইডির বিরুদ্ধে দিল্লি হাইকোর্টের দ্বারস্থ অনুব্রত মণ্ডল। ইডির আবেদন খারিজের দাবিতে দিল্লি হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন বীরভূমের তৃণমূল জেলা সভাপতি।

    আরও পড়ুন: ‘‘অপেক্ষা করুন, ছবি আসছে, সব সামনে আসবে!’’ শুভেন্দুর নিশানায় কে?

    অনুব্রতের হয়ে কপিল সিব্বল

    বাংলার মামলায় দিল্লিতে এনে কেন জেরা করতে হবে? এই প্রশ্ন তুলে অনুব্রতর পক্ষে দিল্লি হাইকোর্টে সওয়াল করেন আইনজীবী কপিল সিব্বল। অনুব্রতের শারীরিক অবস্থা দেখিয়ে দিল্লি যাত্রা এড়ানোর কথা বলা হয়েছে। আগামী শুক্রবার মামলার শুনানি। ফলে এখনই অনুব্রতকে দিল্লি নিয়ে যেতে পারছে না ইডি (Enforcement Directorate)।  মঙ্গলবার আদালতে অনুব্রতের হয়ে সিব্বল জানান যে,পশ্চিমবঙ্গে এই মামলায় অধিকাংশ অভিযোগ উঠেছে। ফলে বাংলাতেই অনুব্রতকে হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করুক ইডি। সিব্বলের এই যুক্তির বিরোধিতা করে অনুব্রতের দেহরক্ষী তথা গরু পাচার মামলায় ধৃত সায়গল হোসেনের প্রসঙ্গ উত্থাপন করে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। ইডির তরফে বলা হয়,সায়গলকেও জিজ্ঞাসাবাদের জন্য দিল্লিতে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। 

    আরও পড়ুন: বুধবার থেকে রাজ্যে নির্বাচনী প্রচার শুরু মহাগুরুর! আজ কলকাতায় এলেন মিঠুন

    ইডির মামলা

    ইডির আবেদনের বিরোধিতা করে দিল্লি হাই কোর্টে এই মামলা হওয়ায় অনুব্রতকে নিয়ে যাওয়া নিয়ে ইডির করা মামলার শুনানি মঙ্গলবার হয়নি রাউস অ্যাভিনিউ আদালতে।  গত শুক্রবার দিল্লির রাউস অ্যাভিনিউ আদালতে তৃণমূল নেতার নামে ‘প্রোডাকশন ওয়ারেন্ট’ জারি করার আবেদন করেন ইডির আইনজীবীরা। সেই আবেদন গ্রহণ করেও কোনও নির্দেশ দেননি বিচারক। এদিন ছিল শুনানি। কিন্তু তা স্থগিত হয়ে যায়। ইডির যুক্তি ইতিমধ্যেই এই মামলায় দিল্লিতে নিয়ে গিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে, অনুব্রতকন্যা সুকন্যাকেও। জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে অনুব্রত ও সুকন্যার হিসাবরক্ষক মণীশ কোঠারিকেও। তাঁদের জিজ্ঞাসাবাদ করে গরুপাচার মামলায় (Cattle Smuggling Case) আর্থিক লেনদেন সংক্রান্ত একাধিক নয়া তথ্য মিলেছে। সূত্রের খবর, সেই তথ্যের ভিত্তিতে অনুব্রতকে আরও বিশদে জেরা করতে চায় ইডি।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • Anubrata Mondal: অ্যারেস্ট মেমোয় সই করছেন না কেষ্ট, ওয়ারেন্ট আনতে দিল্লিতে ইডি

    Anubrata Mondal: অ্যারেস্ট মেমোয় সই করছেন না কেষ্ট, ওয়ারেন্ট আনতে দিল্লিতে ইডি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বৃহস্পতিবার এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ED) গ্রেফতার করে জেলবন্দী অনুব্রত মণ্ডলকে (Anubrata Mondal)। ৫ ঘণ্টা টানা জিজ্ঞাসাবাদের পর অনুব্রতকে হেফাজতে নেয় ইডি। খবর পাওয়া গিয়েছিল যে, অনুব্রতকে আজ আসানসোল সিবিআই আদালতে হাজির করানো হবে। কিন্তু ইডি সূত্রে খবর পাওয়া যাচ্ছে, ‘অ্যারেস্ট মেমো’-তে সই করেননি গরুপাচার মামলায় ধৃত বীরভূমের জেলা তৃণমূল সভাপতি। এর ফলে অনুব্রত মণ্ডলের বিরুদ্ধে অ্যারেস্ট ওয়ারেন্ট আনার জন্য সরাসরি দিল্লির উদ্দেশে রওনা দিয়েছেন ইডির আধিকারিকরা। ইডি সূত্রে খবর, দিল্লির ইডি আদালত থেকে কোর্টে হাজির করানোর ওয়ারেন্ট জারি করেই অনুব্রতকে দিল্লিতে নিয়ে যাওয়া হবে।

    অ্যারেস্ট মেমোতে সই করেননি কেষ্ট

    অনুব্রত (Anubrata Mondal) যেহেতু সই করেননি, তাই তাঁকে আসানসোল আদালতে পেশ না করে, ইডির আধিকারিকরা অ্যারেস্ট ওয়ারেন্ট আনতে দিল্লি যাচ্ছেন। গতকাল জিজ্ঞাসাবাদের পর যা জানা গিয়েছে, তা হল, আজ সকালের মধ্যে ইডির আধিকারিকরা আদালতে পৌঁছে রিপোর্ট জমা দেবেন এবং তার ভিত্তিতেই দিল্লিতে নিয়ে যাওয়ার আবেদন করা হবে। আসানসোল সংশোধনাগার কর্তৃপক্ষই যাতে অনুব্রতকে দিল্লি পৌঁছে দেন, সেই আবেদন করবেন ইডির আইনজীবী। অর্থাৎ অনুব্রত মণ্ডলকে দিল্লির আদালতে হাজির করানোর জন্য জারি করা হতে পারে “প্রোডাকশন ওয়ারেন্ট।” তিনি গতকাল সই করে দিলেই এত কিছু করতে হত না ইডির আধিকারিকদের। তাঁরা সরাসরি দিল্লিতে জেরা করার জন্য নিয়ে যেতে পারতেন।

    আরও পড়ুন: সিবিআই- এর পর এবার অনুব্রতকে হেফাজতে নিল ইডি

    গতকালের জেরার মুখে কী বললেন অনুব্রত?

    গরু পাচার মামলায় টাকা সংক্রান্ত বিষয়ে তিনি কিছু জানেন না বলে ইডি-র কাছে দাবি করলেন বীরভূম তৃণমূল জেলা সভাপতি (Anubrata Mondal)। আর তিনি এসবের সব দায়ভার চাপিয়ে দিলেন তাঁর হিসেবরক্ষক মণীশ কোঠারির উপর। গতকাল একাধিক ব্যাংক অ্যাকাউন্ট ও টাকার হিসেব নিয়ে অনুব্রতকে জেরা করতে গিয়েছিলেন ইডির অফিসাররা। জমি সংক্রান্ত নথি নিয়েও জেরা করা হয়। দীর্ঘ ৫ ঘণ্টা জেরা করা হয় তাঁকে। কিন্তু তাঁর উত্তরে তিনি বললেন, টাকা লেনদেনের বিষয়ে কিছুই জানেন না। সব জানেন মণীশ কোঠারি। তাঁর মেয়ে সুকন্যার ব্যাংক অ্যাকাউন্টের কথা জিজ্ঞেস করা হলেও তিনি এর দায়ও মণীশ কোঠারিরি ঘাড়ে চাপিয়ে দেন।

    ইতিমধ্যেই মণীশের আয় ব্যয়ের ওপর নজর রেখেছেন তদন্তকারীরা। হিসাবরক্ষকের কোম্পানির নথি তলব করে ইতিমধ্যেই দিল্লিতে ডেকে পাঠানো হয়েছে মণীশকে। তদন্তকারীর সংস্থার দাবি, কোম্পানির ব্যালান্সশিট সার্টিফায়েড নয়। নথি জমা দিতে বোলপুর থেকে দিল্লি পৌঁছে যান মনীশের সহকর্মী। এবার অনুব্রতর (Anubrata Mondal) এই বয়ান মণীশের ওপর আরও চাপ বাড়িয়ে দিল বলেই মনে করছেন অভিজ্ঞরা।

  • Anubrata Mondal: সিবিআই- এর পর এবার অনুব্রতকে হেফাজতে নিল ইডি

    Anubrata Mondal: সিবিআই- এর পর এবার অনুব্রতকে হেফাজতে নিল ইডি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ৫ ঘণ্টার টানা জিজ্ঞাসাবাদের পর অনুব্রতকে (Anubrata Mondal) হেফাজতে নিল ইডি (ED)। বৃহস্পতিবার তাঁকে ‘শোন অ্যারেস্ট’ করা হয়েছে। ২৪ ঘণ্টার মধ্যে আদালতে পেশ করতে হবে তাঁকে। এরপর ট্রানজিট রিমান্ডের আবেদন করতে পারে ইডি। সায়গলের মতো অনুব্রতকেও দিল্লি নিয়ে গিয়ে জেরা করা হতে পারে। শুক্রবারই দিল্লির পিএমএলএ কোর্টে অনুব্রতকে গ্রেফতারের বিষয়ে জানিয়ে প্রোডাকশন ওয়ারেন্টের আবেদন জানাতে পারে ইডি। বৃহস্পতিবার এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের তিন গোয়েন্দা আসানসোলে সংশোধনাগারে ৫ ঘণ্টা জেরা করেন অনুব্রতকে। তারপরেই হেফাজতে নেওয়া হয় তাঁকে। জানা গিয়েছে, এখনও ইডির অ্যারেস্ট মেমোতে সই করেননি অনুব্রত মণ্ডল। যদিও এই মামলা যেহেতু পিএমএলএ, সেক্ষেত্রে তদন্তকারী সংস্থা বেশ কিছু অতিরিক্ত সুযোগ সুবিধা পেয়ে থাকে। এই ক্ষেত্রে অ্যারেস্ট মেমোতে অনুব্রত সই না করলে তাঁকে দিল্লি নিয়ে যাওয়া যাবে কিনা সে বিষয়ে পরিষ্কার করে কিছু জানা যায়নি। 

    জেরায় কী জানতে চান গোয়েন্দারা?

    আগেই খবর ছিল, বৃহস্পতিবার জেলে গিয়ে অনুব্রত মণ্ডলকে জেরা করতে চায় ইডি। সেই মতো এ দিন সকালেই ইডির তদন্তকারী দল আসানসোল সংশোধনাগারে পৌঁছে গিয়ে জেরা করতে শুরু করে। ইডি সূত্রে খবর, গরু পাচারে কোটি কোটি টাকা লেনদেন, ব্যাংকের অ্যাকাউন্ট নিয়ে জেরা করে টাকার উৎস সম্পর্কে জানতে চান গোয়েন্দারা। কিন্তু অনুব্রতর উত্তরে খুশি হননি গোয়েন্দারা। অনুব্রত গোয়েন্দাদের বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করেছেন বলেই এই গ্রেফতারি বলে জানা গিয়েছে। 

    আরও পড়ুন: শিলিগুড়িতে এসে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়লেন নিতিন গড়কড়ি, কেমন আছেন মন্ত্রী?

    প্রসঙ্গত, গরু পাচার মামলায় গত অগাস্ট মাসেই গ্রেফতার হয়েছেন তৃণমূলের বীরভূম জেলার সভাপতি অনুব্রত মণ্ডল। অনুব্রতকে গ্রেফতার করার আগেই গ্রেফতার করা হয় তাঁর নিরাপত্তারক্ষী সায়গল হোসেনকে। এতদিন তিনিও আসানসোল সংশোধনাগারে বন্দি ছিলেন। কিছুদিন আগেই একই ভাবে সায়গলকে ‘সোন অ্যারেস্ট’ করে দিল্লি নিয়ে যান তদন্তকারী আধিকারিকরা। এবার অনুব্রতকে ইডি গ্রেফতার করার পর অনেকেই মনে করছেন তাঁকেও দিল্লি নিয়ে যাওয়া হতে পারে। অনুব্রত-সায়গলকে মুখোমুখি বসিয়েও জেরা করা হতে পারে বলে মনে করছেন অনেকে। 

    ইডি সূত্রে দাবি, যেহেতু অনুব্রতকে আদালতে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে হাজির করতে হবে, তাই তাঁকে আসানসোলের আদালতেই পেশ করানো হতে পারে। সেখানে অনুব্রতকে দিল্লি নিয়ে গিয়ে নিজেদের হেফাজতে নেওয়ার আবেদন করতে পারেন গোয়েন্দারা। সায়গলের ক্ষেত্রেও তাই করা হয়েছিল। গোয়েন্দাদের দাবি, অনুব্রতর বহু বেনামী সম্পত্তির হদিশ মিলেছে। সেই সম্পত্তির উৎস সম্পর্কে এখনও মুখ খোলেননি কেষ্ট মণ্ডল। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     
     
  • Dear Lottery: রহস্যের পর্দা ফাঁস করতে ডিয়ার লটারির ২ কর্তাকে দিল্লিতে তলব ইডির  

    Dear Lottery: রহস্যের পর্দা ফাঁস করতে ডিয়ার লটারির ২ কর্তাকে দিল্লিতে তলব ইডির  

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ডিয়ার লটারি(Dear Lottery)-কাণ্ডের শেকড় খুঁজতে কোমর কষে নামল ইডি (ED)। এবার দিল্লিতে (Delhi) ইডির অফিসে তলব করা হয়েছে ডিয়ার লটারি সংস্থার দুই শীর্ষ কর্তাকে। আগামী সপ্তাহেই কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার মুখোমুখি হতে বলা হয়েছে ডিয়ার লটারি সংস্থার আধিকারিকদের। এবারই প্রথম ওই লটারি সংস্থার কর্তাদের দিল্লিতে তলব করেছে ইডি। তবে আগেই একবার ওই লটারি সংস্থার ডিরেক্টরকে গ্রেফতার করা হয়েছিল। অবশ্য ইডি নয়, গ্রেফতার করেছিল কলকাতা পুলিশ। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সূত্রে খবর, ডিয়ার লটারি সংস্থার তরফে নির্বাচনী বন্ড ১৫০ কোটি টাকা জমা দেওয়া হয়েছিল। সে ব্যাপারে বিশদ জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আগামী সপ্তাহে দিল্লিতে ইডি দফতরে হাজির হতে বলা হয়েছে ডিয়ার লটারির কর্ণধার ও এক ডিরেক্টরকে।

    লটারি জিতেছিলেন অনুব্রত

    বছরখানেক আগে ডিয়ার লটারিতে (Dear Lottery) টিকিট কেটে এক কোটি টাকা জিতেছিলেন তৃণমূলের (TMC) বীরভূম জেলা সভাপতি অনুব্রত মণ্ডল। বীরভূমের যে দোকান থেকে ওই লটারির টিকিট বিক্রি করা হয়েছিল, সেই লটারির দোকানের মালিককে তলব করেছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সিবিআই। কেবল অনুব্রত (Anubrata Mondal) নন, ডিয়ার লটারির প্রথম পুরস্কার জিতেছেন জোড়াসাঁকোর বিধায়ক তৃণমূলের বিবেক গুপ্তর স্ত্রী রুচিরাও। তার পরেই ডিয়ার লটারি নিয়ে তোপ দেগেছিলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা বিজেপির শুভেন্দু অধিকারী। ট্যুইট-বাণে তিনি বিঁধেছিলেন তৃণমূল নেতৃত্বকে। তিনি লিখেছিলেন, আমি অনেক দিন ধরেই বলছি এই ডিয়ার লটারি আসলে হচ্ছে ভাইপো লটারি। টাকা তছরুপের একটা বন্দোবস্ত। তিনি লিখেছিলেন, টিকিট কাটছে সাধারণ মানুষ আর বাম্পার প্রাইজ জিতছে তৃণমূলের লোকজন। প্রথমে অনুব্রত মণ্ডল।

    আরও পড়ুন: জেলে গিয়ে অনুব্রতকে জেরা করতে পারবে ইডি, অনুমতি আদালতের

    এবার রুচিরা গুপ্ত। এই প্রথম নয়, এর আগেও একাধিকবার ডিয়ার লটারি নিয়ে সরব হয়েছেন শুভেন্দু। তাঁর অভিযোগ, রাজ্য লটারি তুলে দিয়ে এই ডিয়ার লটারির মাধ্যমে আসলে ব্যবস্থা করা হয়েছে শাসকদলের কোষাগার ভরার। অনুব্রতর জেলার এক তৃণমূল নেতার ভাইয়ের স্ত্রীও ডিয়ার লটারিতে কোটি টাকা পেয়েছেন। কেন্দ্রীয় সংস্থার তদন্তকারীদের অনুমান, গরু পাচার বা কালো টাকা সাদা করতেই লটারি ইস্যু করা হয়ে থাকতে পারে।

    প্রসঙ্গত, অনুব্রত সংক্রান্ত মামলার তদন্তে লটারি সংক্রান্ত বেশ কিছু তথ্য খতিয়ে দেখছেন কেন্দ্রীয় আধিকারিকরা। অনুব্রত ও তাঁর কন্যা সুকন্যার সম্পত্তির সঙ্গে লটারির যোগ রয়েছে বলে অনুমান। ওই লটারি অনুব্রত কিংবা তাঁর পরিবারের কেউ কেটেছিলেন কিনা, সেই সব দিক খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা। ডিয়ার লটারি (Dear Lottery) সংস্থার দুই আধিকারিককে জেরা করে এই রহস্যের পর্দা ফাঁস করতে চাইছেন ইডির আধিকারিকরা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Anubrata Mondal: জেলেই অনুব্রত! গরু পাচার মামলায় জামিনের আর্জি খারিজ, পরবর্তী শুনানি ২৫ নভেম্বর

    Anubrata Mondal: জেলেই অনুব্রত! গরু পাচার মামলায় জামিনের আর্জি খারিজ, পরবর্তী শুনানি ২৫ নভেম্বর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জেলেই থাকতে হবে তৃণমূলের বীরভূম জেলা সভাপতি অনুব্রত মণ্ডলকে (Anubrata Mondal)। গরু পাচার মামলায় শুক্রবার তাঁকে আসানসোল আদালতে তোলা হয়। এদিনও তাঁর জামিনের আবেদন খারিজ করে দেন বিচারক। তাঁকে আগামী ২৫ নভেম্বর পর্যন্ত জেল হেফাজতের (Judicial Custody) নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

    আদালতে অনুব্রত

    দীর্ঘদিন পর আজ অনুব্রতকে আদালতে পেশ করা হয়। তিনি জামিন পাবেন কি পাবেন না,তা নিয়ে আলোচনা চলছিল। অবশেষে ফের প্রভাবালী তত্ত্বেই তাঁর জামিনের আর্জি খারিজ হয়ে যায়। এদিন আসানসোল আদালত চত্বরে অনুব্রতকে হাসিখুশিই দেখায়। 

    আরও পড়ুন: নেতার পরিচারক থেকে কাউন্সিলর, অনুব্রত-ঘনিষ্ঠ বিশ্বজ্যোতিকে দিল্লিতে তলব ইডির

    সিবিআইয়ের আইনজীবীর দাবি

    এদিন অনুব্রতের আইনজীবী তাঁর জামিনের আবেদন করেন। তার বিরোধিতা করেন সিবিআইয়ের আইনজীবী কালীচরণ মিশ্র। তিনি বলেন, অনুব্রত এতটাই প্রভাবশালী যে তাঁকে মুক্তি দেওয়া হলে তিনি সাক্ষীদের হুমকি দেবেন, যা তদন্তকে প্রভাবিত করবে। তথ্যপ্রমাণও নষ্ট করা হতে পারে। এই প্রেক্ষিতে কালীচরণ রাজ্যের মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিমের কথা উল্লেখ করেন। সম্প্রতি বীরভূমে গিয়ে ফিরহাদ দাবি করেছিলেন, অনুব্রত বাঘ। তাঁকে কত দিন খাঁচায় বন্দি করে রাখবে! আইনজীবী এই প্রসঙ্গ তুলে বলেন, ‘‘বুঝতেই পারছেন, অনুব্রত কতটা প্রভাবশালী একজন ব্যক্তি যে, রাজ্যের মন্ত্রী পর্যন্ত তাঁকে বাঘ হিসেবে অভিহিত করছেন। তিনি বেরিয়ে এলে সাক্ষীদের হুমকি দেবেন।’’ইতিমধ্যেই সাক্ষীদের ভয় দেখানো হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন সিবিআইয়ের আইনজীবী।

    আরও পড়ুন: অনুব্রত জেলে, তাই রক্ষাকবচ গুরুত্বহীন! ভোট-পরবর্তী হিংসা মামলায় শীর্ষ আদালত

    ইতিমধ্যেই সাক্ষীদের ভয় দেখানো হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন সিবিআইয়ের আইনজীবী। এছাড়াও সিবিআই জানায়, কোটি কোটি টাকা রয়েছে অনুব্রতের নামে। বেআইনি সম্পত্তিও রয়েছে তাঁর। যদিও অনুব্রতের আইনজীবী সঞ্জয় দাশগুপ্তর দাবি, এর তদন্ত তো করবে ইডি। তাহলে সিবিআই জামিনের বিরোধিতা করছে কেন? তিনি জানান, গরু পাচার-কাণ্ডে অভিযুক্তদের জামিন হয়ে গিয়েছে। অথচ, ৯২ দিন ধরে জেলে রয়েছেন অনুব্রত। তাঁর সওয়াল, ‘‘যে কোনও শর্তে অনুব্রতকে জামিন দেওয়া হোক।’’ 

    দু’পক্ষের সওয়াল-জবাব শেষে শুনানির পর কিছুক্ষণ রায়দান স্থগিত রাখেন বিচারক। অবশেষে বেলা বাড়লে অনুব্রতের জামিনের আবেদন খারিজ করে দেয় আদালত। তাঁকে ১৪ দিনের জেল হেফাজতে পাঠানো হয়। পরবর্তী শুনানি ২৫ নভেম্বর।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Tulu Mondal: ইডির জিজ্ঞাসাবাদের পরেই পুলিশের হাতে গ্রেফতার টুলু মণ্ডল

    Tulu Mondal: ইডির জিজ্ঞাসাবাদের পরেই পুলিশের হাতে গ্রেফতার টুলু মণ্ডল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গরুপাচার মামলায় (Cattle Smuggling Scam) সিবিআই (CBI) ও ইডি (ED)-এর যৌথ স্ক্যানারে ছিলেন তিনি। চলছিল জিজ্ঞাসাবাদও। দিল্লিতে মূল কার্যালয়ে তাঁকে তলবও করেছিল কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। আর তার আগেই রবিবার বীরভূম পুলিশের হাতে একটি খুনের মামলায় গ্রেফতার হলেন অনুব্রত-ঘনিষ্ঠ টুলু মণ্ডল (Tulu Mondal)। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, পুরনো একটি মামলায় টুলুকে গ্রেফতার করা হয়েছে ৷ তারপর থেকেই শুরু হয়েছে নয়া জল্পনা ৷ প্রশ্ন উঠছে, তবে কি গরুপাচার মামলায় যাতে কেন্দ্রীয় গোয়েন্দারা টুলুকে জেরা করতে না পারে, তাই আগেভাগে রাজ্য পুলিশের হেফাজতে নিয়ে নেওয়া হল? 

    জানা গিয়েছে, বীরভূমে পাথরের বেআইনি কারবারের মুল হোতা এই টুলু মণ্ডল ৷ এ নিয়ে তাঁর বিরুদ্ধে নানা সময় নানা অভিযোগ উঠেছে ৷ কিন্তু, অনুব্রত মণ্ডলের সঙ্গে সুসম্পর্কের কারণে এর আগে কখনই তাঁর বিরুদ্ধে কোনও পদক্ষেপ নেয়নি রাজ্য পুলিশ। তাহলে হঠাৎ এই সক্রিয়তা কেন? এই প্রশ্নেই এখন উত্তাল রাজ্যনীতি। যদিও এখনও কোনও মহল থেকেই কোনও সদুত্তর পাওয়া যায়নি। 

    সম্প্রতি টুলু মণ্ডলের বাড়িতে অভিযান চালায় সিবিআই ও ইডি ৷ প্রায় ৫ ঘণ্টা ধরে চলে তল্লাশি ৷ তাতে বহু গুরুত্বপূর্ণ নথি উদ্ধার করা হয় বলে দাবি গোয়েন্দাদের ৷ অনেকেই ধারণা করেছিলেন যেকোনও দিন আবারও টুলুকেও তলব করতে পারে গোয়েন্দা সংস্থা। আর তার আগেই এই গ্রেফতার। 

    সূত্রের খবর, অনুব্রত মণ্ডল-ঘনিষ্ট পাথর ব্যবসায়ী টুলু মণ্ডলকে একটি খুনের ঘটনায় গ্রেফতার করেছে মহম্মদবাজার থানার পুলিশ। স্থানীয় চরিচা গ্রামে এক ব্যক্তিকে খুনের ঘটনায় এই পাথর ব্যবসায়ীর যোগ থাকায় তাঁকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে। অভিযুক্তকে সিউড়ি আদালতে তোলা হলে, আদালত এই অভিযুক্তকে চার দিনের পুলিশ হেফাজতে নির্দেশ দেন বিচারক। এই টুলু মণ্ডলের সঙ্গে অনুব্রত মণ্ডলের ঘনিষ্টতার কথা সর্বজনবিদিত। 

    আরও পড়ুন: কর্মী ছাটাই শুরু করেছে ট্যুইটার, ভয় বাড়ছে H1B ভিসাধারীদের

    এই ব্যবসায়ী ব -কলমে পাথরের শিল্পাঞ্চল থেকে বেআইনি ভাবে টাকা তুলত। তাঁর সিউড়ির বাড়ি সহ পৈতৃক ভিটে ,অফিসে এই কেন্দ্রীয় দুই সংস্থা সারাদিন ধরে তল্লাশি চালায়। ইডি-র জিজ্ঞাসাবাদ শেষ করে গতকালই, এই পাথর ব্যবসায়ী দিল্লি থেকে বীরভূমে ফিরেছেন। গতকালই রাজ্যের মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম এসে রাত্রীবাস করেছেন বীরভূমে। জেলার রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা করেছেন জেলা নেতাদের সঙ্গে। অনুব্রতহীন জেলায় তৃনমুল এখন ছন্নছাড়া। তাই অনুব্রত যাতে অন্য কারো জবানবন্দিতে ফের বিপাকে না পড়েন, তার জন্যই কি মন্ত্রীর অঙ্গুলিহেলনে এই পদক্ষেপ নিল রাজ্য পুলিশ? 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     

     

  • Sukanya Mondal: ‘‘সব বলে এসেছি…’’, ইডি-র সামনে কোন কোন সত্যের খোলসা করলেন কেষ্ট-কন্যা?

    Sukanya Mondal: ‘‘সব বলে এসেছি…’’, ইডি-র সামনে কোন কোন সত্যের খোলসা করলেন কেষ্ট-কন্যা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: টানা তিনদিন দফায় দফায় দিল্লিতে অনুব্রত (Anubrata Mondal) কন্যা সুকন্যা মণ্ডলকে (Sukanya Mondal) জিজ্ঞাসাবাদ করে ইডি (Enforcement Directorate)। ইডির তলবেই বুধবার দিল্লিতে উড়ে গিয়েছেন সুকন্যা। শুক্রবার প্রায় সাড়ে সাত ঘণ্টা ধরে চলে জিজ্ঞাসাবাদ। বুধ, বৃহস্পতির পর শুক্রবারও দিল্লিতে ইডির দফতরে হাজিরা দেন সুকন্যা। সেখানে দীর্ঘ জেরার পর বেরিয়ে সুকন্যা সাংবাদিকদের বলেন, ‘‘যা সত্যি, সবটাই বলে এসেছি।’’ যদিও ঠিক কী বলেছেন, তা নিয়ে মুখ খোলেননি কেন্দ্রীয় গোয়েন্দারা।

    দিল্লিতে ইডির হেড কোয়ার্টারে বুধবার প্রায় আট ঘণ্টা জিজ্ঞাসাবাদ করা হয় কেষ্ট-কন্যাকে। এর পর বৃহস্পতিবার সকালে ইডির দফতরে ঢুকে সন্ধ্যেয় বের হন তিনি। বৃহস্পতিবার বেরোনোর সময় সুকন্যাকে জানানো হয়, শুক্রবার আবার আসতে হবে। সেই মতো শুক্রবার সকাল ১১টা নাগাদ তিনি ঢোকেন ইডির দফতরে। সূত্রমতে, পেশায় স্কুল শিক্ষক সুকন্যার অ্যাকাউন্টে কোটি কোটি টাকা কী ভাবে এল, সেই প্রশ্নই সুকন্যাকে করেন গোয়েন্দা আধিকারিকরা। গোয়েন্দা সূত্রে জানা গিয়েছে, এ প্রশ্নের জবাব বার বারই এড়িয়ে গিয়েছেন সুকন্যা। সুকন্যার জবাবে এখনও সন্তুষ্ট নন গোয়েন্দারা। সুকন্যার পাশাপাশি বুধ এবং বৃহস্পতিবার ইডির দফতরে তলব করা হয়েছিল  অনুব্রতর হিসাবরক্ষক মণীশ কোঠারিকে। শুক্রবারও তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডেকে পাঠানো হয়। 

    আরও পড়ুন: আদৌ কি লটারি জিতেছিলেন অনুব্রত? লটারি বিক্রেতার বয়ানে ঘনীভূত রহস্য

    এদিকে মেয়ের চিন্তায় টিভির পর্দা থেকে চোখই সরছে না বাবা অনুব্রতর। টানা তিন দিন একটানা টিভির পর্দায় নজর রাখলেন বীরভূম তৃণমূলের জেলা সভাপতি। এমনিই গভীর রাত পর্যন্ত জেগে থাকেন অনুব্রত। মেয়েকে টানা জিজ্ঞাসাবাদ শুরু হওয়ার পর থেকে, কার্যত দু’চোখের পাতা এক করেননি তিনি। রাতেও সেলের আলো জ্বালিয়ে রাখেন। কারারক্ষীরা জানিয়েছেন, পাহারা দেওয়ার সময়ে উঁকি দিয়ে তাঁরা দেখেছেন অনুব্রত জেগেই রয়েছেন। জানা গিয়েছে, দিনভর কারও সঙ্গে কথা বলেননি এই তিন দিন। শুধু খাবার খাওয়ার সময় কারারক্ষীদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেছিলেন অনুব্রত। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।   

     

     

     

LinkedIn
Share