Tag: anubrata mondal

anubrata mondal

  • Anubrata Mondal: সিবিআই অনুব্রতকে নিয়ে যেতেই একে একে মুখ খুলছেন স্থানীয়রা, কী বলছেন তাঁরা?

    Anubrata Mondal: সিবিআই অনুব্রতকে নিয়ে যেতেই একে একে মুখ খুলছেন স্থানীয়রা, কী বলছেন তাঁরা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: খুব বেশিদিন আগের কথা নয়। বোলপুরে (Bolpur) অনুব্রত মণ্ডলের (Anubrata Mondal) বাড়ি ছিল বীরভূমের (Birbhum) রাজনীতির ‘নিউক্লিয়াস’। নিচুপট্টির এই বাড়ি থেকেই পরিচালিত হত জেলার যাবতীয় কর্মকাণ্ড, তা সে রাজনৈতিক হোক বা প্রশাসনিক। কিন্তু, গত ৩৬-ঘণ্টায় বিস্তর পট-পরিবর্তন ঘটে গেছে। বৃহস্পতিবার, গরুপাচার মামলায় (Cattle smuggling) অনুব্রতকে ১০ দিন সিবিআই (CBI) হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছে আদালত।

    স্থানীয়দের মতে, বীরভূমের ‘বেতাজ বাদশা’ ছিলেন কেষ্ট। তাঁর প্রভাব ও প্রতাপ এতটাই ছিল যে, স্থানীয় প্রশাসন তাঁর নির্দেশেই চলত। এমনকী, দলের শীর্ষ নেতৃত্বকেও কার্যত বুড়ো আঙুল দেখাতেন। এতটাই ছিল তাঁর দাপট। স্থানীয়রা জানালেন, তিনি (অনুব্রত) ছিলেন বীরভূমের অঘোষিত রাজা। গোটা জেলা ছিল তাঁর সাম্রাজ্য। আর সেই সাম্রাজ্য চালাতেন নিচুপট্টির এই বাড়ি থেকেই।

    আরও পড়ুন: অন্যদের গুড়-বাতাসা খাওয়াতেন! সিবিআই হেফাজতে কী খেলেন কেষ্ট?

    অনুব্রত মণ্ডল বাড়িতে থাকলে রাস্তায় গাড়ি, মোটরবাইকের ভিড় লেগে থাকত। বিভিন্ন জায়গা থেকে সাক্ষাত্‍প্রার্থীরাও আসতেন। গমগম করত গাড়ি আর মানুষের ভিড়ে। আজ বাড়ির মালিক সিবিআই হেফাজতে। রয়েছেন নিজাম প্যালেসে। ফলে, শুনশান বোলপুরের নিচুপট্টিতে কেষ্টর বাড়ির চত্বর পুরোপুরি ফাঁকা। এক প্রতিবেশী জানালেন, আজ বাড়িতে কেউ নেই। শুধু কয়েকজন পুলিশ কর্মী রয়েছেন পাহারায়।

    স্থানীয়দের দাবি, পুলিশ ও প্রশাসনের যে সকল উচ্চপদস্থ আধিকারিক বীরভূমে দীর্ঘদিন ধরে পোস্টেড ছিলেন, তাঁদের সকলের সঙ্গেই কেষ্টর সুসম্পর্ক ছিল। বা বলা ভাল, সকলেই কেষ্ট-দার সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রেখেই চলতেন। তাঁদের কথায়, কে-ই বা জলে কুমীর এবং ডাঙায় বাঘের সঙ্গে খারাপ সম্পর্ক রাখতে চায়? ফলে, অনুব্রত যা চাইতেন, জেলায় তাই হতো। রাজনৈতিক হোক বা প্রশাসনিক— সব সিদ্ধান্ত নিতেন অনুব্রতই। 

    আরও পড়ুন: দুর্দিনে পাশে নেই দল, তাই কি কেষ্টর চোখে জল?

    স্থানীয়রা জানিয়েছেন, ২০১৩ সালে বীরভূমে কেষ্ট এমন একটা ‘সিস্টেম’ চালু করেছিলেন, যাতে করে ওই জেলার যাবতীয় প্রধান সিদ্ধান্তগুলি তিনিই নিতেন। মাঝে কেষ্টর একটা বিক্ষুব্ধ গোষ্ঠী তৈরি হয়েছিল বটে। তাঁদের দাবি, একটা গোষ্ঠী সেই সময় মুকুল রায়ের দিকে ঝুঁকেছিল। কিন্তু, সময়ের সঙ্গে সঙ্গে সব উধাও হয়ে যায়। আর অনুব্রত হয়ে ওঠেন বীরভূম জেলার ‘শেষ কথা’।

    স্থানীয়দের মতে, দীর্ঘদিন ধরেই গরু, কয়লা ও বালি পাচারের ভরকেন্দ্র হয়ে উঠেছে বীরভূম। তাঁরা জানান, বীরভূমের বাতাসে টাকা নাকি ভেসে বেড়ায়। আর সবকিছুর হিস্-সা আসত কেষ্টর কাছে। সিবিআইয়ের চার্জশিটে নাম থাকা আব্দুল লতিফ হল গরু হাটের মালিক। তদন্তকারী সংস্থার দাবি, আব্দুল লতিফের সঙ্গে অনুব্রতর দেহরক্ষক বর্তমানে জেল হেফাজতে থাকা সায়গল হোসেনের নিয়মিত যোগাযোগ ছিল।

  • Anubrata FD Accounts: অনুব্রতর ১৭ কোটির FD-তেই লুকিয়ে আরও ১৯ জনের ‘প্রাণভোমরা’! তাই কি ইডি-সিবিআইতে আপত্তি?

    Anubrata FD Accounts: অনুব্রতর ১৭ কোটির FD-তেই লুকিয়ে আরও ১৯ জনের ‘প্রাণভোমরা’! তাই কি ইডি-সিবিআইতে আপত্তি?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গরুপাচার কাণ্ডের (Cattle Smuggling Case) তদন্তে নেমে অনুব্রত মণ্ডল (Anubrata Mondal) ও তাঁর ঘনিষ্ঠ আত্মীয়দের নামে কোটি কোটি টাকার স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তির হদিশ পেয়েছে সিবিআই (CBI)। বুধবার এই প্রেক্ষিতে অনুব্রতর নামে একাধিক ব্যাংকে ছড়িয়ে থাকা ফিক্সড ডিপোজিটে রাখা প্রায় ১৭ কোটি ফ্রিজ করেছে সিবিআই। এখন কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার নজরে কেষ্টর ঘনিষ্ঠদের ব্যাংক অ্যাকাউন্টগুলি।

    বুধবার দুপুরে অনুব্রত মণ্ডলের বাড়িতে গিয়েছিলেন সিবিআই আধিকারিকরা। সেখানে কথা বলতে চাননি অনুব্রত-কন্যা। তারপর অনুব্রতর বাড়ির কাছে একটি রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্কে যান গোয়েন্দারা। সূত্রের খবর, এসবিআই, ব্যাংক অফ ইন্ডিয়া এবং অ্যাক্সিস ব্যাংকের একাধিক অ্যাকাউন্টে অনুব্রত মণ্ডল ও তাঁর আত্মীয়দের ১৬ কোটি ৯৭ লক্ষ টাকার ফিক্সড ডিপোজিট বা FD ফ্রিজ করে সিবিআই। ইতিমধ্যেই অনুব্রত মণ্ডলের মেয়ে ও ঘনিষ্ঠদের একাধিক সম্পত্তির হদিশ পেয়েছেন কেন্দ্রীয় গোয়েন্দারা। একাধিক সংস্থার খোঁজও পেয়েছেন। তদন্তকারী সংস্থা সূত্রে খবর, অনুব্রত-ঘনিষ্ঠ ১০-১২ জনের নাম উল্লেখ করে ৬টি রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকেকে পাঠানো হয়েছে চিঠি।

    আরও পড়ুন: টেট মামলায় আদালতে হাজিরা কেষ্ট কন্যার, উঠল ‘গরু চোর’ স্লোগান

    সিবিআই একদিকে যেমন কয়লা ও গরুপাচার নিয়ে আদাজল খেয়ে লেগে রয়েছে, ঠিক তেমনভাবেই এসএসসি দুর্নীতিকাণ্ডর শিকড়ের খোঁজে বিভিন্ন দিক খতিয়ে দেখছে আরেক তদন্তকারী সংস্থা এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট বা ইডি (ED)। তবে, হালে প্রকাশ্যে আসা কিছু তথ্য ও ঘটনাপ্রবাহের দৌলতে নতুন করে ভাবতে লেগেছে সিবিআই ও ইডি। কেষ্ট-কন্যা সুকন্যা মণ্ডলের (Sukanya Mondal) বিপুল সম্পত্তির খোঁজ মেলার পাশাপাশি, টেট পাশ না করেই প্রাথমিক স্কুলে শিক্ষিকার চাকরি পাওয়ার ঘটনা গোটা বিষয়টিকে অন্য আঙ্গিক এনে দিয়েছে। তদন্তকারী সংস্থাগুলো এখন খতিয়ে দেখছে, গরুপাচারের পাশাপাশি এসএসসি-টেট কেলেঙ্কারির সঙ্গেও অনুব্রত যোগ রয়েছে কিনা।

    ইতিমধ্যেই, গত ২৩ জুলাই এসএসসি নিয়োগ দুর্নীতি (SSC Recruitment Scam) মামলায় পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে (Partha Chatterjee) গ্রেফতার করে ইডি। তাঁর ঘনিষ্ঠ অর্পিতা মুখোপাধ্যায়ের (Arpita Mukherjee) জোড়া ফ্ল্যাট থেকে নগদ ৫০ কোটি টাকা উদ্ধার করা হয়। তবে, সেখানেই থেমে থাকতে চাইছেন না ইডি আধিকারিকরা। তাঁদের নজরে রয়েছে তৃণমূলের আরও ১৯ জন হেভিওয়েট। আবার গরুপাচার মামলায় গত ১১ অগাস্ট সিবিআইয়ের হাতে গ্রেফতার হন কেষ্ট মণ্ডল। সিবিআই সূত্রে দাবি, প্রভাবশালীদের কাছে গরু পাচারের টাকা নগদে পৌঁছনোর পাশাপাশি, প্রভাবশালীদের সংস্থায় ঋণ হিসেবে বিনিয়োগ করে কালো টাকা সাদা করা হয়েছে।

    এখানে বলে রাখা দরকার, ২০১১, ২০১৬ এবং ২০২১ – পরপর তিনটি বিধানসভা নির্বাচনে নির্বাচনী হলফনামা দিয়েছিলেন তৃণমূলের নেতামন্ত্রীরা। কিন্তু বেশ কয়েকজনের সম্পত্তি আচমকা বহুগুণ ফুলে ফেঁপে যাওয়ার অভিযোগে হাইকোর্টে জনস্বার্থ মামলা দায়ের করা হয়েছিল। সেই মামলায় সম্প্রতি ইডিকে যুক্ত করার নির্দেশ দিয়েছে কলকাতা হাইকোর্ট। তালিকায় ১৯ জন তৃণমূলের নেতা ও মন্ত্রীর নাম রয়েছে। তালিকায় রয়েছেন – ফিরহাদ হাকিম, মলয় ঘটক, জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের মতো নেতারা।

    আরও পড়ুন: বিনা টেটে সুকন্যার মাস্টারি কাঠগড়ায় তুলল ব্রাত্যকে!

    এখন ইডি-সিবিআই খতিয়ে দেখতে চাইছে, অনুব্রতর ফ্রিজ করা ফিক্সড ডিপোজিটগুলোয় তৃণমূলের এই ১৯ জনের মধ্যে কারও ‘বিনিয়োগ’ বা ‘ভাগ’ অথবা ‘হিস্‌সা’ লুকিয়ে আছে কিনা। কেন এমন আশঙ্কা করছেন তদন্তকারীরা? সূত্রের খবর, এর নেপথ্যে রয়েছে অনুব্রত ইস্যুতে এই হেভিওয়েটরা ‘ভোকাল’ হয়ে উঠেছেন, তাতে জোরালো হচ্ছে সন্দেহ। কারণ, পার্থর বেলায় কেউ পাশে দাঁড়ায়নি। উল্টে দলের তরফে ‘লজ্জা’ প্রকাশ করা হয়। কিন্তু, কেষ্টর বেলায় পুরো ভিন্ন চিত্র। সমস্বরে কেন্দ্রীয় তদন্তকারীদের বিরুদ্ধে সরব হয় শাসক শিবির। বাদ যাননি দলের সর্বেসর্বাও। এর থেকেই তদন্তকারীদের সন্দেহ, ক্ষমতায় আসা ইস্তক তৃণমূলের হেভিওয়েটদের সম্পত্তির ওজন লাফিয়ে লাফিয়ে বৃদ্ধি পাওয়ার নেপথ্যে পাচার-যোগ থাকাটাই স্বাভাবিক।

    এখান থেকেই তদন্তকারীদের মনে প্রশ্ন জাগছে— অনুব্রতর ১৭ কোটির FD-তেই লুকিয়ে আরও ১৯ জনের ‘প্রাণভোমরা’? তাই কি ইডি-সিবিআইতে আপত্তি? 

  • Anubrata Mondal: কোথায় কেষ্ট? পার্থর পর এবার কি অনুব্রতর পালা? জোর জল্পনা!

    Anubrata Mondal: কোথায় কেষ্ট? পার্থর পর এবার কি অনুব্রতর পালা? জোর জল্পনা!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বলেছিলেন একুশের (TMC Shahid Diwas) সমাবেশে উপস্থিত থাকবেন। একেবারে দলনেত্রী মমতা (Mamata) বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গেই মঞ্চে থাকবেন। এও জানিয়েছিলেন, তাঁর জেলা থেকে ২ লক্ষ মানুষ সমাবেশে যোগ দেবে। বাকিটা ইতিহাস। কোনও কথাই রাখতে পারেননি কেষ্ট। 

    কিন্তু, একুশের সভায় না থেকে কোথায় ছিলেন অনুব্রত (Anubrata) মণ্ডল? জানা গিয়েছে, বাড়িতেই ছিলেন কেষ্ট। ঘনিষ্ঠ মহলে জানিয়েছেন, তাঁর শরীর ভালো নেই। তাই তিনি যেতে পারেননি। এই প্রথম নয়। বেশ কিছুদিন যাবৎ কেষ্টকে প্রকাশ্যে দেখা যায়নি। দলীয় কার্যালয়ে নেতা-কর্মীদের নিয়ে বৈঠক করলেও প্রকাশ্য কোনও সভায় দেখা যায়নি অনুব্রতকে। সূত্রের খবর, এখন নাকি অনুব্রত বোলপুরের বাড়ি থেকে আর বেরোতে চাইছেন না। কারও সঙ্গে দেখা করছেন না। 

    কিন্তু, কীসের জন্য দলের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সমাবেশে হাজির থাকতে পারলেন না দলনেত্রীর প্রিয় কেষ্ট? এমন কী হয়েছে তাঁর? সূত্রের দাবি, গত কয়েকদিনে বারবার শিরোনামে উঠে এসেছেন বীরভূমের এই নেতা ৷ বর্তমানে পাঁচটি মামলায় কেষ্টর মাথার ওপর কেন্দ্রীয় তদন্তের খাঁড়া ঝুলছে। গরু পাচার, গৌরব সরকার খুনের মামলা, জোড়া বোমা বিস্ফোরণ, বগটুই ও ভাদু শেখের খুনের ঘটনা। এরমধ্যে, বোমা বিস্ফোরণের তদন্ত করছে এনআইএ। বাকিগুলি খতিয়ে দেখছে সিবিআই (CBI)।

    আরও পড়ুন: গরু পাচার মামলায় বিপুল সম্পত্তির হদিশ অনুব্রতর? আদালতে তথ্য দিল সিবিআই

    সূত্রের খবর, এছাড়াও গরুপাচারকয়লা পাচারের ঘটনায় শোনা যাচ্ছে, খুব শীঘ্রেই আসরে নামতে চলেছে ইডি-ও (Enforcement Directorate)। দিল্লির ইডি দফতর থেকে কলকাতার সিবিআই দফতরে চিঠি পাঠানো হয়েছে এবং বিভিন্ন তথ্য চাওয়া হয়েছে। অনেকেই মনে করছেন, এর পর কেষ্ট মণ্ডল ও তাঁর মেয়ে সুকন্যা মণ্ডলের দিকে ঘুরতে পারে ইডি তদন্তের ভার। শোনা যাচ্ছে, মেয়ে ও মৃত স্ত্রীর নামে বিপুল সম্পত্তি রয়েছে কেষ্টর। তার হদিশ মিলেছে। এর পাশাপাশি, রাজ্যের এক মন্ত্রীর সঙ্গে বহু পার্টনারশিপে বেনামি সম্পত্তির খোঁজ পেয়েছে ইডি।

    সবমিলিয়ে, এখন চরম সংকটের মুখে অনুব্রত। একুশের মঞ্চ থেকে দলনেত্রীর মুখ দিয়ে ১৩০ বার ইডি-সিবিআই-ভয় শব্দগুলি বেরিয়েছে। তা শুনেই কি আরও ভয় পাচ্ছেন কেষ্ট?

  • Cattle Smuggling: গরু পাচার মামলায় বিপুল সম্পত্তির হদিশ অনুব্রতর? আদালতে তথ্য দিল সিবিআই

    Cattle Smuggling: গরু পাচার মামলায় বিপুল সম্পত্তির হদিশ অনুব্রতর? আদালতে তথ্য দিল সিবিআই

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গরু পাচার মামলায় (Cattle Smuggling Case) অভিযুক্ত অনুব্রত মণ্ডলের বিপুল পরিমাণ সম্পত্তির হদিশ। শুক্রবার সিবিআই (CBI) আদালতে তোলা হয় সায়গল হোসেনকে। তখনই অনুব্রতর বিপুল সম্পত্তির কথা বিচারককে জানান সিবিআইয়ের আইনজীবী। সিবিআই সূত্রে খবর, এদিন ৪৫টি জমির দলিল জমা দেওয়া হয়েছে আদালতে। সেগুলি সবই অনুব্রত, তাঁর স্ত্রী ও মেয়ের নামে। 

    গরু পাচারকাণ্ডে গ্রেফতার করা হয়েছে অনুব্রতের দেহরক্ষী সায়গল হোসেনকে। অনুব্রত তৃণমূলের বীরভূম জেলা সভাপতি। সূত্রের খবর, এদিন যে জমিগুলির দলিল আদালতে জমা দেওয়া হয়েছে সেগুলি অনুব্রত এবং তাঁর মেয়ে ও প্রয়াত স্ত্রীর নামে রয়েছে। সিবিআইয়ের দাবি, জমিগুলি কেনা হয়েছে ২০১৫ থেকে ২০২০ সালের মধ্যে। যার অর্থ, সায়গলের যে সময় সম্পত্তি কেনাবেচার হদিশ মিলেছে, সেই সময়ই জমি কেনা হয়েছে অনুব্রতর নামেও। যদিও সায়গলের আইনজীবীর দাবি, তাঁরা এ ধরণের সম্পত্তির হিসাব সম্পর্কে কিছু জানেন না। এ ধরণের জমির দলিল আদালতে জমা পড়েছে কিনা, তাও জানা নেই। সায়গলের আইনজীবী অনির্বাণ গুহঠাকুরতা বলেন, গরু পাচার একটি স্মাগলিং কেস। এই কেসে এখনও পর্যন্ত কোনও স্মাগলার গ্রেফতার হয়নি। কেন্দ্রীয় সরকারের কোনও কাস্টমস অফিসারও গ্রেফতার হয়নি। কোনও বিএসএফ অফিসারও গ্রেফতার হয়নি। গরু পাচার হয়েছে বিহার, উত্তরপ্রদেশ হয়ে বাংলাদেশে। অন্য রাজ্যের কোনও পুলিশ বা অন্য কেউ গ্রেফতার হয়নি। যে দেশে এই গরুপাচার হয়েছে বলে বলা হচ্ছে, সেদেশেও এই ঘটনা ঘটেছিল কিনা তার তদন্ত হয়নি। হঠাৎ করেই বীরভূমকে টার্গেট করা হয়েছে। রাজ্য সরকারের পুলিশকে গ্রেফতার করা হয়েছে। কেন্দ্রের এই এজেন্সি রাজনৈতিক উদ্দেশ্য প্রণোদিত হয়ে এই কাজ করছে।

    আরও পড়ুন : গরু পাচারকাণ্ডে সিবিআই দফতরে অনুব্রত মণ্ডল, কী বললেন তৃণমূল নেতা?

    এদিকে, এদিন সিবিআই আইনজীবী রাকেশ কুমার ফের সায়গলের প্রভাবশালী তত্ত্ব তুলে তার জামিনের বিরোধিতা করেন। দু’পক্ষের সওয়াল-জবাব শেষে বিচারক রাজেশ চক্রবর্তী সায়গলের জামিনের আবেদন নাকচ করে দেন। তাঁকে ফের ১৪ দিনের জেল হেফাজতের নির্দেশ দেওয়া হয়। এই মামলার পরবর্তী শুনানির দিন ধার্য হয়েছে ২২ জুলাই।

    গত ১০ জুন সায়গলকে প্রথম আসানসোল বিশেষ সিবিআই আদালতে তোলা হয়। সেদিন সিবিআই সাতদিনের হেফাজতে নেয় তাকে। এরপর ফের ১৭ জুন সিবিআই আদালতে নিয়ে আসা হয় তাকে। সেদিনও বিচারক জামিন নাকচ করে সাতদিনের সিবিআই হেফাজতের নির্দেশ দেন। ২৪ জুন ফের আসানসোল সিবিআই আদালতে নিয়ে আসা হয় সায়গলকে। সেদিন সায়গলের জেল হেফাজত হয়। এদিন ফের তোলা হয় আসানসোলের বিশেষ সিবিআই আদালতে।

    প্রসঙ্গত, গরু পাচার মামলায় ধৃত সায়গল তৃণমূল কংগ্রেসের বীরভূম জেলা সভাপতি অনুব্রত মণ্ডলের দেহরক্ষী। সিবিআইয়ের দাবি, তার কাছেই গরু পাচার মামলার অনেক তথ্য রয়েছে। সিবিআই সায়গলকে একাধিকবার নিজাম প্যালেসে ডেকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে। সায়গলের বক্তব্যে অসঙ্গতি থাকায় পরে গ্রেফতার করা হয় তাঁকে। কেবল সায়গল নয়, এই মামলায় গ্রেফতার করা হয়েছে এনামুল হক ও বিএসএফের কমান্ডান্ট সতীশ কুমারকে। এই মুহূর্তে তাঁরা শর্ত সাপেক্ষে জামিনে মুক্ত। তবে মামলার প্রধান অভিযুক্ত বিনয় মিশ্র এখনও পলাতক। যদিও তাঁর ভাই বিকাশকে গ্রেফতার করেছিল সিবিআই।

  • Saigal Hossain: সায়গলকে ঘিরে থাকতেন ১৪ ‘ভূত’, জানেন কি তাঁরা কারা?

    Saigal Hossain: সায়গলকে ঘিরে থাকতেন ১৪ ‘ভূত’, জানেন কি তাঁরা কারা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অনুব্রত মণ্ডলের (Anubrata Mondal) দেহরক্ষী পুলিশ কনস্টেবল সায়গল হোসেনের (Saigal Hossain) সাম্রাজ্যে হানা দিয়ে কার্যত চক্ষু চড়কগাছ তদন্তকারীদের। সায়গলের নামি-বেনামি সম্পত্তির হিসাব কষে কয়েকশো কোটি টাকার হদিশ মিলেছে। তার মধ্যে ৬০টি জমির ডিড মিলেছে শুধু ডোমকলেই। সিবিআই (CBI) তদন্তকারীরা জানাচ্ছেন, সায়গলকে ঘিরে অন্তত ১৪ জনের সন্ধান মিলেছে, যাঁরা তোলাবাজির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। এই ১৪ জনের গ্যাং ধরা পড়লেই আরও কয়েকশো কোটি টাকার হদিশ মিলবে বলে মনে করছেন তদন্তকারীরা।

    সিবিআই সূত্রের খবর, সায়গলের সাম্রাজ্য ছড়িয়ে রয়েছে বেশ কয়েকটি জেলায়। তাঁর সঙ্গতকারীদের মধ্যে ডোমকলের ব্রিজ মোড়ের বাসিন্দা এক ব্যক্তিকে নজরে রাখা হয়েছে। জমির কাগজ, সোনাদানা বা নগদের বিস্তারিত বিবরণ তাঁর কাছে আছে বলে মনে করছেন তদন্তকারীরা। ডোমকলের রসুলপুর, ডোমকল বিডিও মোড়, ডোমকলের ভাদুরিয়া পাড়ার আরও ছয় যুবকও রয়েছে তদন্তকারীদের নজরে।

    আরও পড়ুন: কেন গ্রেফতার অনুব্রতর দেহরক্ষী, এত সম্পত্তি হল কীভাবে?

    জানা যাচ্ছে, দুবরাজপুরের দুই ব্যক্তি, সিউড়ির হাটজানবাজারের এক যুব তৃণমূল নেতা, ইলামবাজারের দুই তৃণমূল নেতা, রানিনগর শেখ পাড়া এবং ইসলামপুরের নাজিরপুরের দুই যুবকও ছিলেন সায়গল সাম্রাজ্যের নিয়ন্ত্রক। তদন্তকারীদের দাবি, এই ১৪ জন তৃণমূল নেতা ও ব্যবসায়ীর মাধ্যমেই সায়গল অপারেট করত। গ্রেফতারির পর এঁদের অনেকেই এলাকা ছেড়ে গা ঢাকা দিয়েছেন। তবে আজ না হয় কাল গরু, কয়লা, পাথর, বালির সাম্রাজ্যে হানা দেওয়া হলেই এরা ধরা পড়বেন বলে জানাচ্ছেন তদন্তকারীরা।

    এদের মধ্যে দু-এক জন ইতিমধ্যেই তদন্তে সহযোগিতাও করছেন। সেই কারণেই সায়গলের ৬০টির বেশি জমির ডিড, ছটি বাড়ি-ফ্ল্যাট, পেট্রল পাম্প, রিসর্ট, ডাম্পার, অজস্র মোটরবাইক, চারচাকা, সোনা, নগদ উদ্ধার হয়েছে। দ্রুত আরও সম্পত্তি উদ্ধার হতে চলেছে বলে তদন্তকারীরা জানাচ্ছেন।

    আরও পড়ুন: ফের সাতদিনের সিবিআই হেফাজতে অনুব্রতর দেহরক্ষী সায়গল হোসেন

    তাঁদের অনেকের প্রশ্ন, যদি অনুব্রত মণ্ডলের দেহরক্ষী এক পুলিশ কনস্টেবলের কাছ থেকেই এত টাকা-সম্পত্তি উদ্ধার হয়, তা হলে আরও বড় চাঁইরা ধরা পড়লে কী পরিমাণ সম্পত্তি পাওয়া যাবে। গরুপাচার (Cattle smuggling) চক্রে আরও কিছু গুরুত্বপূর্ণ গ্রেফতারি সামনের দিনে হতে চলেছে বলে তদন্তকারী সংস্থা সূত্রে ইঙ্গিত মিলেছে।

  • CBI Summons Anubrata: ফের গরুপাচার মামলায় অনুব্রতকে তলব সিবিআইয়ের, হাজির হবেন কেষ্ট?

    CBI Summons Anubrata: ফের গরুপাচার মামলায় অনুব্রতকে তলব সিবিআইয়ের, হাজির হবেন কেষ্ট?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গরুপাচার-কাণ্ডে (Cattle Smuggling) সোমবার অনুব্রত মণ্ডলকে (Anubrata Mondal) ফের তলব করল সিবিআই (CBI)।  বীরভূম তৃণমূল জেলা সভাপতিকে সকাল ১১টার মধ্যে নিজাম প্যালেসে (Nizam Palace) হাজিরার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। 

    এর আগে, গরুপাচার মামলায় ৬ বার সিবিআইয়ের তলব পেয়েও হাজিরা এড়ান অনুব্রত মণ্ডল। শেষে ১৯ মে প্রথমবার এই মামলায় সিবিআইয়ের মুখোমুখি হন তিনি। সিবিআইয়ের দুর্নীতিদমন শাখা (Anti Corruption Branch) তাঁকে প্রায় সাড়ে ৩ ঘণ্টা জিজ্ঞাসাবাদ করে। বুকে ব্যথা অনুভব করায় সেখান থেকে সরাসরি অনুব্রত চলে যান এসএসকেএম-এ (SSKM)। 

    অনুব্রত মণ্ডলের আয়করের নথি, সম্পত্তির খতিয়ান ও ব্যাংকের নথি চেয়ে পাঠায় তদন্তকারী সংস্থা। তা আইনজীবি মারফত জমাও দেন তিনি। সিবিআই সূত্রের খবর, অনুব্রত মণ্ডল যে নথি জমা দেন, তা খতিয়ে দেখা হয়। আয়কর দফতরের কাছেও নথি চেয়ে পাঠায় তারা। গরু পাচার কাণ্ডে ধৃত কেষ্টর দীর্ঘদিনের দেহরক্ষী সায়গল হোসেনকে হেফাজতে নিয়ে জেরা করেছে সিবিআই। সূত্রের খবর, তাঁর কাছ থেকেই সিবিআই জানতে পারে কেরিম খান ও টুডু মণ্ডলের নাম। তদন্তকারী সংস্থা জানতে পারে, সায়গলের ব্যবসা দেখাশোনা করতেন কেরিম।

    আরও পড়ুন: অনুব্রত-ঘনিষ্ঠ কেরিম খান, টুলু মণ্ডলের বাড়িতে যৌথ অভিযানে ইডি-সিবিআই

    এই তথ্যের ভিত্তিতে বুধবার কয়লা ও গরুপাচার কাণ্ডে বুধবার বীরভূমের একাধিক জায়গা তল্লাশি চালায় সিবিআই ও ইডি-র যৌথ দল। অনুব্রত ঘনিষ্ঠ তৃণমূল (TMC) নেতা তথা বীরভূম জেলা পরিষদের পূর্ত কর্মাধ্যক্ষ কেরিম খান, কেরিম খানের ছেলের ঘনিষ্ঠ ব্যবসায়ী জিয়াউল হক এবং কেষ্টর কাছের এক পাথর ব্যবসায়ী টুডু মণ্ডলের (Stone trader Tudu Mondal) বাড়িতে সকাল সকাল হানা দেয় সিবিআই। 

    পাশাপাশি, তল্লাশি চালানো হয় কেরিম খানের ডান হাত হিসাবে পরিচিত তৃণমূল নেতা তথা নানুরের আটকুলা গ্রামে চালের আড়তের মালিক মুক্তার শেখের বাড়িতেও। সূত্রের খবর, তল্লাশিতে কয়েক লক্ষ টাকা সহ একাধিক নথি পান তদন্তকারীরা। এমনকি প্রচুর নথি পেয়েছেন তাঁরা। আর এরপরেই সেগুলি খতিয়ে দেখা হয়। আর সেই সমস্ত তথ্যের ভিত্তিতেই অনুব্রত মন্ডলকে সিবিআই জেরা করতে চায় বলে জানা যাচ্ছে।

    এদিকে, আবারও জামিন নাকচ হল সায়গল হোসেনের। শুক্রবার শুনানির শেষে আসানসোল বিশেষ সিবিআই আদালতের বিচারক রাজেশ চক্রবর্তী সায়গলকে ১৪ দিনের জেল হেফাজতের নির্দেশ দেন। আগামী ১৮ অগাস্ট আবার আসানসোল বিশেষ সিবিআই আদালতে তোলা হবে বীরভূম জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি অনুব্রত মণ্ডলের দেহরক্ষীকে। গত ৯ জুন তাঁকে গ্রেফতার করে সিবিআই। অভিযোগ, গরু পাচারের টাকা লগ্নির ক্ষেত্রে সায়গল মধ্যস্থতাকারী হিসেবে কাজ করেছিলেন। 

    আরও পড়ুন: ঘনিষ্ঠতা! তিনি ভালোভাবে চেনেনই না অর্পিতাকে, পার্থর কথা শুনে অবাক ইডি

  • CBI Summons Bankers: গরুপাচার মামলায় বীরভূমের চার ব্যাংক আধিকারিককে তলব সিবিআইয়ের

    CBI Summons Bankers: গরুপাচার মামলায় বীরভূমের চার ব্যাংক আধিকারিককে তলব সিবিআইয়ের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গরুপাচার মামলায় (Cow Smuggling Case) নয়া মোড়। এবার সিবিআই (CBI)- তলব (Summons) করল বীরভূমের (Birbhum) চার রাষ্ট্রায়াত্ত ব্যাংক আধিকারিককে (Banker)। আজই কলকাতা এসে পৌঁছেছেন তাঁরা। নিজাম প্যালেসে ইতিমধ্যেই জিজ্ঞাসাবাদ শুরু হয়েছে তাঁদের। এই আধকারিকদের নিজের সঙ্গে এই মামলা সংক্রান্ত বেশ কিছু নথি নিয়ে হাজির হতে বলেছে কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা। অবুব্রত ঘনিষ্ঠদের ১৭ কোটি টাকার ফিক্সড ডিপোজিটের নথি সিবিআই আধিকারিকদের হাতে এসেছে বলে খবর। এছাড়া কেষ্ট (Anubrata Mondal) আত্মীয়দের একাধিক ব্যাংকে অ্যাকাউন্ট রয়েছে অনুমান করছে গোয়েন্দারা। আর এই বিষয়ে খোঁজ খবর নিতেই চার ব্যাংক আধিকারিককে ডেকে পাঠিয়েছে সিবিআই। 

    আরও পড়ুন: অনুব্রত, তাঁর ঘনিষ্ঠদের নথিভুক্ত সম্পত্তি ঠিক কত? জানলে চোখ কপালে উঠবে

    ইতিমধ্যেই গরুপাচার মামলায় যুক্ত থাকার অভিযোগে সিবিআইয়ের হাতে গ্রেফতার হয়েছেন তৃণমূল কংগ্রেসের বীরভূম জেলার সভাপতি অনুব্রত মণ্ডল। গ্রেফতার হয়েছেন তাঁর দেহরক্ষী সায়গল হোসেন। ফের ১৮ দিনের জেল হেফাজতে পাঠানো হয়েছে তাঁকে। ১৫ সেপ্টেম্বর সিবিআই- এর বিশেষ আদালতে তোলা হবে। 

    সম্প্রতি গরুপাচার মামলা নিয়ে মুখ খুলেছেন, কেতুগ্রামের তৃণমূল বিধায়ক শেখ শাহনওয়াজ। তিনি বলেন, বীরভূমের পর মুর্শিদাবাদ, নদিয়া সব পেরিয়ে গরু পাচার হয় বিভিন্ন জায়গায়, সেই সব জেলার প্রশাসন-পুলিশ, সমস্ত রাজনৈতিক নেতা সমস্ত ব্যাপারগুলো হয়েই তো এগুলো হয়।” যখন গরুপাচার মামলা নিয়ে উত্তাল গোটা রাজ্য, তখনই এমন বিস্ফোরক মন্তব্য করেন, তৃণমূল বিধায়ক। প্রসঙ্গত, কিছুদিন আগে পর্যন্ত তাঁর বিধানসভা কেন্দ্র কেতুগ্রামের তৃণমূলের দায়িত্বে ছিলেন অনুব্রত মণ্ডল। আর সেই অনুব্রতকে নিয়েই মুখ খুলেছেন শেখ শাহনওয়াজ।

    আরও পড়ুন: গরু পাচারের টাকার খোঁজ পেতে সায়গলকে হেফাজতে নিতে চায় ইডি!

    অনুব্রত এবং তাঁর ঘনিষ্ঠদের মোট সম্পত্তির পরিমাণ জানতে চায় সিবিআই। দুর্নীতির গভীরতা ঠিক কতটা মূলত তা জানাই লক্ষ্য কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থার। আর তা জানতেই একের পর এক তল্ব করছেন গোয়েন্দারা। সূত্রের খবর, ওই চার রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকের কর্মীদের বেশ কিছু নির্দিষ্ট প্রশ্ন করবেন সিবিআই গোয়েন্দারা। অনুব্রত এবং তাঁর ঘনিষ্ঠদের ব্যাংক অ্যাকাউন্টের লেনদেন সম্পর্কে জানতে চাওয়া হবে। তদন্তকারী আধিকারিকরা জানতে চাইতে পারেন, ওই অ্যাকাউন্টগুলিতে টাকা আসত কোথা থেকে, এবং যেত কোথায় তার বিস্তারিত নথি।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Cattle smuggling: কেন গ্রেফতার অনুব্রতর দেহরক্ষী, এত সম্পত্তি হল কীভাবে?

    Cattle smuggling: কেন গ্রেফতার অনুব্রতর দেহরক্ষী, এত সম্পত্তি হল কীভাবে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সিবিআইয়ের (CBI) হাতে গ্রেফতার হয়েছেন তৃণমূল (TMC) নেতা অনুব্রত মণ্ডলের (Anubrata Mondal) দেহরক্ষী সায়গল হোসেন। সিবিআইয়ের দাবি, আয়ের সঙ্গে সঙ্গতিহীন সম্পত্তি মিলেছে ওই কনস্টেবলের কাছ থেকে। মিলেছে সোনা এবং নগদ। পরিবারের এক নিকটাত্মীয় মারা যাওয়ার পর তাঁর স্থানে পুলিশের (Bengal Police) চাকরিতে ঢোকেন সায়গল। ক্রমেই কেষ্ট মণ্ডলের দেহরক্ষী, তারপর থেকে প্রভাব এবং প্রতিপত্তি দুই-ই বিপুল হয়েছে। অভিযুক্ত হয়েছেন গরু পাচার (Cattle smuggling) মামলায়। শেষ পর্যন্ত গ্রেফতার।

    কিন্তু কেন সিবিআই সায়গলকে ধরল?

    তদন্তকারী সংস্থা সূত্রের খবর, ২০১৭-১৮ সালে মুর্শিদাবাদ থেকে গ্রেফতার হওয়া বিএসএফের (BSF) কমান্ডান্ট জিবু ম্যাথু ধরা পড়ার পরই গরু পাচারের চক্রটি বেরিয়ে আসে। সিবিআইয়ের কোচি শাখা ওই মামলার তদন্ত করছে। তাতেই গ্রেফতার হয়েছিল গরু পাচারের অন্যতম মূল মাথা এনামুল শেখ (Enamul Sheikh)। আর এখান থেকেই যোগাযোগ মিলেছে সায়গলের। সায়গলের গুরু ঠাকুরদেরও খুব কাছাকাছি পৌঁছে গিয়েছে সিবিআই। শুধু কিছু সময়ের অপেক্ষা। 

    তদন্তকারীদের একাংশ জানাচ্ছেন, জেলে যাওয়ার আগে এনামুলের সঙ্গে সায়গলের এক বছরে শতাধিক বার টেলিফোনে কথা হয়েছে। তদন্তে দেখা গিয়েছে, এনামুলের ওই ফোনটি নেওয়া ছিল তাঁর এক ভাইয়ের নামে। তিনি স্বীকার করে নেন, তাঁর নামে ফোনটি নেওয়া হলেও সেটা ব্যবহার করতেন এনামুলই। 

    আরও পড়ুন: এসএসসি দুর্নীতিতে কোটি কোটি টাকার লেনদেন! গেছে কার পকেটে? তদন্তে ইডি

    প্রশ্ন, এনামুল বারবার সায়গলের সঙ্গে কথা বলতেন কেন? তদন্তকারীরা মনে করছেন, বীরভূম ছিল গরু পাচারের অন্যতম করিডর। জেলায় পাঁচটি গরুর হাট থেকে নিয়মিত গরু বাংলাদেশে পাচার হয়। এছাড়া সায়গলের ‘বস’ অনুব্রত মণ্ডল সেই সময় রাজনৈতিকভাবেও মুর্শিদাবাদ যাতায়াত শুরু করেছিলেন। তদন্তে জেরার সময় অনেকেই সিবিআইকে জানিয়েছেন, সায়গলের কাছে আসা অধিকাংশ ফোনই আসলে অনুব্রত মণ্ডলের সঙ্গে কথা বলার জন্যই আসত। 

    পাঁচ দফা জেরাপর্বে সে কথা সায়গল স্বীকার করতে চাইছিলেন না। উল্টে এমন কয়েকজনের নাম তদন্তকারীদের সামনে তিনি নিয়ে এসেছিলেন যাঁদের বিষয়ে সিবিআইয়ের কাছে বিশদ তথ্য ছিল না। ফলে গরু পাচারের চক্রটি আরও বড় করে দিয়েছিলেন সায়গল। সপ্তাহে দু-তিন বার কেন এনামুল তাঁর সঙ্গে কথা বলতেন, তা এবার হেফাজতে নিয়ে জানতে চাইবে সিবিআই। এপ্রিলের শেষে তাঁর গাড়ি দুর্ঘটনায় পড়ে। মারা যায় তাঁর ছোট্ট মেয়ে। তারপর থেকেই সায়গল কিছুটা তদন্তে সহযোগিতা শুরু করেন বলে খবর।

    এ তো গেল গরুপাচার নিয়ন্ত্রণে সায়গল এবং তাঁর মাথাদের যোগসূত্রের কথা। নামে-বেনামে সায়গলের সম্পত্তি দেখলে চোখ কপালে উঠবে সবার। সিবিআইয়ের তদন্তকারীরা জেনেছেন, কয়েকশো কোটি টাকার মালিক তিনি। গত ১ এবং ২ জুন টানা তল্লাশি চালায় সিবিআই। কলকাতাতেই তাঁর তিনটি ফ্ল্যাট মিলেছে। এছাড়া ডোমকল ও বোলপুরে প্রাসাদের মতো বাড়ি। সবই হয়েছে গত পাঁচ ছয় বছরে। একটি বাড়ি থেকে মিলেছে নগদ ১৫ লক্ষ টাকা। সবমিলিয়ে পাওয়া গিয়েছে প্রায় ২ কেজি সোনা। তার মধ্যে একটি ফ্ল্যাট থেকেই ৯০০ গ্রাম সোনা পাওয়া গিয়েছে। 

    আরও পড়ুন: টানা চার ঘণ্টা জেরা, ধকল সইতে না পেরে হাসপাতালে অনুব্রত!

    তদন্তকারীদের দাবি, নামে-বেনামে পেট্রল পাম্প, রিসর্টেরও মালিক সায়গল। আরও বিস্ফোরক খবর হল, ডেউচা-পাচামির (Deucha Pachami) এক ক্রাশার মালিক সায়গলের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে প্রায় ৬০ লক্ষ টাকা পাঠিয়েছেন। সেই নথিও সিবিআইয়ের হাতে এসেছে। অনুব্রতর দেহরক্ষীর আয়কর রিটার্নে কোথাও এসবের উল্লেখই নেই। কেন কোনও ব্যবসায়ী তাঁকে এত বিপুল পরিমাণ টাকা পাঠাচ্ছেন, তা এবার হেফাজতে থাকাকালীন জানাতে হবে সায়গলকে। তদন্তকারীরা জানতে চাইবেন, বেনামি সম্পত্তিগুলি আসলে কার? 

    সিবিআইয়ের এক তদন্তকারীর কথায়, যদি তৃণমূলের নেতা কেষ্ট মণ্ডলের দেহরক্ষীই এত বিপুল সম্পত্তির অধিকারী হোন, তা হলে দলের আরও বড় মাথাদের কথা ভেবে দেখুন। গরুপাচার থেকে শুরু করে কয়লাপাচার (Coal Smuggling) ও এসএসসি নিয়োগ কেলেঙ্কারি (SSC Recruitment Scam) যোগে এঁদের সকলকেই এবার আইনি প্রক্রিয়ায় আসতে হবে। তদন্তকারীরা জানাচ্ছেন, গরু পাচারকাণ্ডে (Cattle Smuggling) শুধু সায়গল নন, জড়িত রয়েছেন বীরভূমের (Birbhum) বেশ কয়েকজন পুলিশ অফিসার, রাজনৈতিক নেতা। তাঁদেরও বিচারের প্রক্রিয়ায় দ্রুত আনার জন্য তদন্তের জাল বিস্তার হচ্ছে।

  • Anubrata Mondal: রাজীব ভট্টাচার্য কি কেষ্টর ‘বেনামি’, কার চিকিৎসার জন্য ৬৬ লাখ দিয়েছিলেন? তদন্তে ইডি-সিবিআই

    Anubrata Mondal: রাজীব ভট্টাচার্য কি কেষ্টর ‘বেনামি’, কার চিকিৎসার জন্য ৬৬ লাখ দিয়েছিলেন? তদন্তে ইডি-সিবিআই

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রথমে সায়গল হোসেন (Saigal Hossain)। তারপর বিদ্যুৎবরণ গায়েন (Bidyut Gayen)। এবার গরুপাচার কাণ্ডে (Cattle smuggling case) সিবিআইয়ের নজরে অনুব্রত মণ্ডলের (Anubrata Mondal) আরেক ঘনিষ্ঠ রাজীব ভট্টাচার্য (Rajib Bhattacharya)। 

    কেষ্টর সম্পত্তির খোঁজে আজ, সোমবার বোলপুরের শিব শম্ভু রাইস মিলে হানা দিয়েছে সিবিআই (CBI)। গত কয়েকদিনের মধ্যে এই নিয়ে দ্বিতীয় চালকলে হানা দিল কেন্দ্রীয় সংস্থা। এর আগে ভোলে ব্যোম রাইস মিলে (Bhole Vyom Ricemill) হানা দিয়েছিল সিবিআই। সেখান থেকে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ নথি উদ্ধার করে তদন্তকারী দল। জানা গিয়েছে কেষ্টর ঘনিষ্ঠ হিসেবে একাধিক রাইস মিলের সঙ্গে জড়িত এই রাজীব।

    কিন্তু, কে এই রাজীব? কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সূত্রে দাবি, কেষ্টর সবকটি রাইস মিলের ‘অপারেটর’ হচ্ছেন এই রাজীব। জানা গিয়েছে, একসময়ে বীরভূমের ছোট চাল ব্যবসায়ী ছিলেন রাজীব ভট্টাচার্য। অনুব্রত মণ্ডলের ঘনিষ্ঠ হওয়ার পর বিপুল সম্পত্তি মালিক হন তিনি। বর্তমানে রাজীবের আওতায় ৫টি রাইস মিল রয়েছে।

    আরও পড়ুন: কেষ্ট যোগ! ভোলে ব্যোমের পর শিবশম্ভু রাইস মিলে হানা সিবিআইয়ের, কী মিলল?

    কীভাবেই বা সিবিআই রেডারে এলেন তিনি? গরুপাচার কাণ্ডের তদন্তে নেমে রাজীবের নাম জানতে পারে সিবিআই। ইতিমধ্যে তাঁকে একবার জেরাও করে তদন্তকারী সংস্থা। তদন্তকারী সংস্থার কাছে জমা দিতে হয় আয়-ব্যয় সংক্রান্ত সমস্ত হিসেবনিকেশ। আর তাতেই ইডি-সিবিআইয়ের হাতে এসেছে চাঞ্চল্যকর তথ্য। 

    কী এসেছে ইডি-সিবিআইয়ের হাতে? রাজীব ভট্টাচার্যর আয়-ব্যয়ের হিসেব খতিয়ে দেখতে গিয়ে একটি চমকপ্রদ তথ্য পান গোয়েন্দারা। রাজীবের পেশ করা তাঁর সংস্থার ২০১৮-১৯ অর্থবর্ষের ব্যালান্স শিটে দেখা যাচ্ছে, ওই সময় টাটা মেডিক্যাল সেন্টার ট্রাস্টকে দেওয়া হয়েছিল ৬৬ লক্ষ টাকা। প্রশ্ন হচ্ছ, কীসের জন্য এই বিপুল অঙ্কের টাকা দেওয়া হয়েছিল হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে? 

    গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল, প্রায়ই একই সময় ওই হাসপাতালেই ভর্তি ছিলেন কেষ্টর স্ত্রী ছবি মণ্ডল। কাকতালীয়? নাকি, অনুব্রতর স্ত্রীর (বর্তমানে প্রয়াত) চিকিৎসার খরচ বাবদই কি দেওয়া হয়েছিল ওই টাকা? সূত্রের খবর, জেরায় কেষ্ট দাবি করেছেন, তাঁর নাকি বেনামিতে কোনও সম্পত্তিই নেই। যা আছে, তাঁর ও পরিবারের নামে!

    আরও পড়ুন: বোলপুরে ফের সিবিআই হানা, এবার অনুব্রত ঘনিষ্ঠ পুরকর্মীর বাড়িতে তদন্তকারীরা

    আবার সূত্রের খবর, রাজীব তদন্তকারী সংস্থার কাছে দাবি করেন, অনুব্রত মণ্ডলের সঙ্গে তাঁর কেবলমাত্র রাজনৈতিক সম্পর্ক রয়েছে। ব্যবসায়িক কোনও সম্পর্ক নেই। প্রশ্ন হচ্ছে, তাই যদি হয়, তাহলে হঠাৎ কেন রাজীব ভট্টাচার্যর সংস্থা থেকে টাটা মেডিক্যাল সেন্টারকে দেওয়া হল এই বিপুল পরিমাণ টাকা? এই রাজীব ভট্টাচার্যর নামেই কি আদতে লুকিয়ে রয়েছে অনুব্রতর বেনামি সম্পত্তির ভাণ্ডার? সবদিক খতিয়ে দেখছে ইডি-সিবিআই।

  • Bagtui Violence: বগটুইকাণ্ডে নাম জড়াল বিধানসভার ডেপুটি স্পিকারের, প্রত্যক্ষদর্শীর বিস্ফোরক দাবিতে বিপাকে তৃণমূল

    Bagtui Violence: বগটুইকাণ্ডে নাম জড়াল বিধানসভার ডেপুটি স্পিকারের, প্রত্যক্ষদর্শীর বিস্ফোরক দাবিতে বিপাকে তৃণমূল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সাম্প্রতিককালের একটি ঘটনা যা গোটা রাজ্যকে নাড়িয়ে দিয়েছে তা হল বীরভূমের (Birbhum) বগটুইকাণ্ড (Bagtui violence)। রামপুরহাটের (Rampurhat) এই হত্যাকাণ্ড নিয়ে রাজ্য রাজনীতি তোলপাড়। ইতিমধ্য়েই এই কাণ্ডের তদন্ত শুরু করেছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সিবিআই (CBI)। আর এরমধ্য়েই উঠে আসছে একটার পর এক চাঞ্চল্যকর তথ্য। 

    ইতিমধ্য়েই, এই কাণ্ডে নাম জড়িয়েছে একাধিক তৃণমূল নেতার। এই কাণ্ডের পরেই তৃণমূল নেতা আনারুল হোসেনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এই নেতা এখন সিউড়ি জেলে বন্দি। এবার উঠে এল উঠে এল রামপুরহাটের তৃণমূল বিধায়ক তথা বিধানসভার ডেপুটি স্পিকার আশিস বন্দ্যোপাধ্যায়ের নাম। স্থানীয় বিধায়ক আশিসের বিরুদ্ধে এই ঘটনায় জড়িত থাকার বিস্ফোরক অভিযোগ এনেছেন এই হত্যাকাণ্ডের প্রত্যক্ষদর্শী তথা নিহতদের আত্মীয় মিহিলাল শেখ। যা নিয়ে চরম অস্বস্তিতে তৃণমূল কংগ্রেস।

    সম্প্রতি, মিহিলাল শেখ দাবি করেছেন, ‘আশিস বন্দোপাধ্যায় আনারুলকে দিয়ে এসব কাণ্ড ঘটিয়েছেন। উনিই আনারুলকে ব্লক সভাপতি করেছেন। তিনি আনারুলকে গাইড করছেন। কাউকে যেন না ছাড়া হয়।’ এখানেই থেমে থাকেননি মিহিলাল। আশিসের বিরুদ্ধে আরও তোপ দাগেন তিনি। ক্ষোভের সুরে তাঁর অভিযোগ, ধৃতরা জেলের ভিতর রাজার হালে আছে। স্থানীয় বিধায়কের মদতে জেলের ভিতর তাদের সব সুবিধা পৌঁছচ্ছে।

    আশিসের নাম এই প্রথম উঠে এল এমনটা নয়। বীরভূমের জেলা সভাপতি অনুব্রত মণ্ডল এর আগে আনারুলকে সরিয়ে দেওয়া প্রসঙ্গে আশিস বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রসঙ্গ উল্লেখ করেছিলেন। তিনি বলেছিলেন, ‘পঞ্চায়েত নির্বাচনের পরেই আনারুলকে সরিয়ে দেওয়ার জন্য আমি আশিসকে বলেছিলাম।’ 

    গত ২১ মার্চ রামপুরহাটের বগটুই গ্রামে খুন হন ১ নম্বর ব্লকের বড়শাল গ্রাম পঞ্চায়েতের উপপ্রধান ভাদু শেখ। তারপর বগটুই গ্রামের একাধিক বাড়িতে আগুন ধরিয়ে শিশু ও মহিলা সহ ৭ জনকে পুড়িয়ে মারার অভিযোগ ওঠে। পরে রামপুরহাট মেডিক্যাল কলেজ হা পাতালে ঘটনায় আহত আরও দুই মহিলার মৃত্যু হয়। হাইকোর্টের নির্দেশে জোড়া ঘটনার তদন্তভার দেওয়া হয় সিবিআইকে। এখনও পর্যন্ত এই ঘটনায় তৃণমূল নেতা আনারুল হোসেনসহ মোট ২৮ জনকে গ্রেফতার করেছে সিবিআই।

    ইতিমধ্যেই সিবিআই একের পর এক বহু প্রশাসনিক আধিকারিক এবং তৃণমূল নেতাদের জিজ্ঞাসাবাদ করেছে। সেক্ষেত্রে ডেপুটি স্পিকারের নাম জড়ানোই তাঁকেও কি জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে? সেই প্রশ্ন এখন ঘোরাফেরা করছে। চরম অস্বস্তিতে বিধানসভার ডেপুটি স্পিকার আশিস। মিহিলালের স্পষ্ট দাবি, ‘আশিস বন্দ্যোপাধ্যায় আমাদের ওপর অত্যাচার করছে। যারা পুড়িয়ে মেরেছে তারা জেলে থেকেও সমস্ত রকমের সুযোগ সুবিধা পাচ্ছে। জেলে এলাহিভাবে থাকার ব্যবস্থা হয়েছে। বিয়ার খাচ্ছে, বিরিয়ানি, বাইরের খাবার পাচ্ছে। আর এসব ব্যবস্থা করছে আশিস বন্দ্যোপাধ্যায়।’ 

    যদিও, মিহিলালের (Mihilal Sheikh) যাবতীয় অভিযোগ খারিজ করেছেন রামপুরহাটের বিধায়ক। আশিস বন্দ্যোপাধ্য়ায়ের (Deputy Speaker Ashish Banerjee) পাল্টা দাবি, মিহিলাল কারও শেখানো বুলি আওড়াচ্ছেন। পরিকল্পিতভাবে তিনি দলকে ও আমাকে হেয় করতে চাইছেন। তিনি বলেন, ‘এক মাস হয়ে গেল তারপর এখন এই ঘটনায় আমার নাম জড়ানো হচ্ছে। আমার মনে হয় এইসব পুরোপুরি মিথ্যা, শেখানো কথা। প্রমাণ থাকলে আমি নির্বাসন নেব।’

     

     

LinkedIn
Share