Tag: anubrata mondal

anubrata mondal

  • Cattle smuggling case: কয়েক হাজার টাকা মাসমাইনেতে কীভাবে রাইস মিলের মালিক? অনুব্রত-কন্যা সুকন্যাকে জিজ্ঞাসাবাদ সিবিআইয়ের

    Cattle smuggling case: কয়েক হাজার টাকা মাসমাইনেতে কীভাবে রাইস মিলের মালিক? অনুব্রত-কন্যা সুকন্যাকে জিজ্ঞাসাবাদ সিবিআইয়ের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের সিবিআই (CBI) হানা অনুব্রত মণ্ডলের (Anubrata Mandol) বাড়িতে। শুক্রবার দুপুরে কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা বোলপুরের (Bolpur) নীচুপট্টি এলাকায় বীরভূমের জেলা তৃণমূল সভাপতির বাড়িতে হাজির হয়। কেষ্ট-কন্যা সুকন্যা মণ্ডলকে জিজ্ঞাসাবাদ করেন সিবিআই আধিকারিকরা। সিবিআই সূত্রে খবর, এক ঘণ্টা ১০ মিনিট ধরে চলে জিজ্ঞাসাবাদ। সুকন্যা মণ্ডলের বয়ান রেকর্ড করতে এদিন সকালেই পৌঁছয় সিবিআই টিম। কয়েক হাজার টাকা মাসমাইনেতে কীভাবে রাইস মিলের মালিক? প্রশ্নের উত্তর পেতে সুকন্যার বয়ান রেকর্ডের উদ্যোগ সিবিআইয়ের। সিবিআই দলে রয়েছেন বেশ কয়েকজন মহিলা অফিসার।  তাঁদের নিয়েই চলে কথোপকথন।

    অনুব্রত মণ্ডলের বাড়িতেই বীরভূম তৃণমূল কংগ্রেসের (TMC) কার্যালয়। সেখানে বসেই যাবতীয় কাজকর্ম করতেন কেষ্ট। সেখানেই এদিন সিবিআই আধিকারিকরা চিরুনি তল্লাশি চালাচ্ছেন। অনুব্রত গ্রেফতারের পর থেকে বন্ধ ছিল এই ঘরটি। শুক্রবার তালা খুলে ঢুকতে হয় সিবিআই আধিকারিকদের। সকাল ১১টা নাগাদ কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থার প্রতিনিধিরা অস্থায়ী ক্যাম্প থেকে বেরিয়ে সোজা পৌঁছে যান অনুব্রত মণ্ডলের বাড়িতে। সিবিআই আধিকারিকদের হাতে ছিল একটি খাম। যা দেখে অনুমান করা হয়, সুকন্যাকে নোটিস ধরিয়েই জিজ্ঞাসাবাদ চালানো হয়েছে।

    আরও পড়ুন: নবান্ন অভিযানে গিয়ে ‘মিথ্যা’ মামলায় গ্রেফতার, হাইকোর্টের দ্বারস্থ বঙ্গ বিজেপি

    উল্লেখ্য, গত ১৭ অগাস্ট সুকন্যাকে জেরা করতে চেয়েছিলেন সিবিআই আধিকারিকরা। কিন্তু মানসিক অসুস্থতার অজুহাতে সেদিন কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থাকে এড়িয়ে গিয়েছিলেন কেষ্ট-কন্যা। তাই এবার যাবতীয় আইনি প্রক্রিয়া সেরেই সিবিআই আধিকারিকরা সুকন্যাকে জিজ্ঞাসাবাদ করেন।

    অনুব্রত মণ্ডলকে গ্রেফতারের পর একাধিক বেনামি সম্পত্তির হদিস পাওয়া গিয়েছে বলে দাবি তদন্তকারীদের। সেই সূত্র ধরেই বিগত কয়েক দিন বীরভূমের বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালায় সিবিআই। গোয়েন্দাদের অনুমান, দোর্দণ্ডপ্রতাপ তৃণমূল নেতা অনুব্রত মণ্ডলের একাধিক সম্পত্তি মেয়ে সুকন্যার নামে রয়েছে। তাই দুর্নীতির শিকড়ে পৌঁছতে চান তদন্তকারীরা। প্রসঙ্গত, গতকালই অসানসোল সংশোধনাগারে গিয়ে অনুব্রত মণ্ডলকে জিজ্ঞাসাবাদ করে সিবিআই। তার ঠিক পরেই সুকন্যাকে কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থার জিজ্ঞাসাবাদ যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ। সিবিআই সূত্রের খবর, অনুব্রত মণ্ডল ও তাঁর দেহরক্ষী সায়গলকে জেরা করে যে সব তথ্য হাতে এসেছে, তার ভিত্তিতেই সুকন্যাকে জেরা করে সিবিআই।

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • SSC recruitment scam: হাসপাতাল-বর্মে রক্ষা অনুব্রতর, পার্থর কী হবে?

    SSC recruitment scam: হাসপাতাল-বর্মে রক্ষা অনুব্রতর, পার্থর কী হবে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সিবিআই(cbi) এড়াতে এসএসকেএমে(sskm) গিয়ে ভর্তি হয়ে গিয়েছেন তৃণমূলের(tmc) বীরভূম জেলা সভাপতি অনুব্রত মণ্ডল(anubrata mondal)। অন্ততঃ বিরোধীদের অভিযোগ এমনই। অনুব্রত পারলেও, রাজ্যের প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়(partha chaterjee) পারবেন না। কারণ বাধা হয়ে দাঁড়াবে (calcutta high court) হাইকোর্টের রায়। বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের সিঙ্গল বেঞ্চ সাফ জানায়, নিজাম প্যালেসে সিবিআই দফতরে হাজিরা দিতে হবে পার্থকে। সেই নির্দেশের বিরুদ্ধে তড়িঘড়ি ডিভিশন বেঞ্চে যান পার্থ। চার সপ্তাহের স্থগিতাদেশ জারি করে ডিভিশন বেঞ্চ। 

    গরু পাচারকাণ্ডে সিবিআই তলব করে অনুব্রতকে। পরপর পাঁচবার ডেকে পাঠানো হয়  বীরভূমের এই দাপুটে তৃণমূল নেতাকে। প্রতিবারই নানা অজুহাতে সিবিআই এড়ান তিনি। শেষবারের বেলায় অনুব্রত সটান গিয়ে ভর্তি হয়ে যান এসএসকেএমে। সিবিআই এড়াতেই অনুব্রত হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন বলে দাবি করেন বিরোধীরা। সোশ্যাল মিডিয়ায়ও হাসির রোল ওঠে।

    নবম-দশম শ্রেণির শিক্ষক নিয়োগ এবং গ্রুপ-ডি পদে নিয়োগে দুর্নীতির অভিযোগ ওঠে। ঘটনায় নাম জড়ায় এসএসসির বেশ কয়েকজন শীর্ষ কর্তার। ওই ঘটনায় পার্থকে জেরা করার সিদ্ধান্ত নেয় সিবিআই। মামলাকারী আব্দুল গনি আনসারির দায়ের করা নবম ও দশম শ্রেণির শিক্ষক নিয়োগের মামলায় বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের সিঙ্গল বেঞ্চ রায় দেয়, এদিনই বিকেল সাড়ে পাঁচটার মধ্যে নিজাম প্যালেসে সিবিআই দফতরে হাজির হতে হবে পার্থকে। তবে সিবিআই এড়াতে কোনওভাবেই তিনি এসএসকেএমের উডবার্ন ওয়ার্ডে ভর্তি হতে পারবেন না।

    কলকাতা হাইকোর্টের সিঙ্গল বেঞ্চের রায়ের প্রেক্ষিতে ডিভিশন বেঞ্চে আবেদন করেন পার্থ। শেষমেশ এসএসসি নিয়োগ সংক্রান্ত মামলায় চার সপ্তাহের স্থগিতাদেশ দেয় ডিভিশন বেঞ্চ। এই চার সপ্তাহ কোনও তদন্ত করতে পারবে না সিবিআই। তার পরেই স্বস্তির শ্বাস ফেলেন তৃণমূল নেতৃত্ব। 

    হাইকোর্টের রায় নিয়ে কোনও মন্তব্য করতে না চাইলেও, বিরোধীদের দাবি, সিবিআই এড়াতে রাজ্যের শাসক দলের অনেক নেতাই গিয়ে ভর্তি হয়ে যান এসএসকেএমের উডবার্ন ওয়ার্ডে। যার প্রমাণ মিলল বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়ের রায়ে।  সিবিআই এড়াতে হেভিওয়েট তৃণমূল নেতারা যে গিয়ে তড়িঘড়ি এসএসকেএমে ভর্তি হয়ে গিয়েছেন, তার হাতে গরম উদাহরণ রয়েছে আরও। তৃণমূল নেতা মদন মিত্র, প্রয়াত মন্ত্রী সুব্রত মুখোপাধ্যায় এবং কলকাতার প্রাক্তন মেয়র শোভন চট্টোপাধ্যায়ও সিবিআই এড়াতে হাসপাতালে গিয়ে ভর্তি হয়েছিলেন বলে অভিযোগ। 

     

  • Saigal Hossain: ফের সাতদিনের সিবিআই হেফাজতে অনুব্রতর দেহরক্ষী সায়গল হোসেন

    Saigal Hossain: ফের সাতদিনের সিবিআই হেফাজতে অনুব্রতর দেহরক্ষী সায়গল হোসেন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের সাতদিনের সিবিআই (CBI) হেফাজতে অনুব্রত মণ্ডলের (Anubrata Mondal) দেহরক্ষী সায়গল হোসেন (Saigal Hossain)। গরুপাচার (Cattle smuggling) মামলায় এদিন আসানসোলের বিশেষ সিবিআই আদালতে পেশ করা হয় তৃণমূলের (TMC) বীরভূম জেলা সভাপতির দেহরক্ষীকে। দেড় ঘণ্টা ধরে দু’পক্ষের সওয়াল জবাব শোনার পর এদিন সায়গল হোসেনকে ফের ৭ দিনের হেফাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন বিচারক। 

    কেন গ্রেফতার অনুব্রতর দেহরক্ষী, এত সম্পত্তি হল কীভাবে?

    সাতদিন সিবিআই হেফাজতে থাকার পর শুক্রবার আসানসোল বিশেষ সিবিআই আদালতে তোলা হয় অনুব্রত মণ্ডলের দেহরক্ষী সায়গল হোসেনকে। কলকাতা নিজাম প্যালেস থেকে সিবিআই আধিকারিকরা সকালে রওনা দেন। আসানসোলের বিশেষ সিবিআই আদালতে তাঁকে পেশ করা হয় সাড়ে ১১টা নাগাদ।

    এদিনের শুনানিতে সায়গলের পুনরায় হেফাজতের দাবি পেশ করে সিবিআই। তদন্তকারী সংস্থার তরফে বলা হয়, সায়গলের কাছে গরু পাচার মামলার অনেক তথ্য রয়েছে। তাঁর বক্তব্যে বেশ কিছু অসঙ্গতি ধরা পড়েছে। এছাড়াও আয়বহির্ভূত বিপুল সম্পত্তির হদিশ পাওয়া গেছে সায়গলের কাছ থেকে। ফলে, গরুপাচার মামলায় তদন্তের অগ্রগতির জন্য তাঁকে আরও জেরা করা প্রয়োজন। 

    তদন্তকারীদের একাংশ জানাচ্ছেন, জেলে যাওয়ার আগে এনামুলের সঙ্গে সায়গলের এক বছরে শতাধিক বার টেলিফোনে কথা হয়েছে। তদন্তে দেখা গিয়েছে, এনামুলের ওই ফোনটি নেওয়া ছিল তাঁর এক ভাইয়ের নামে। তিনি স্বীকার করে নেন, তাঁর নামে ফোনটি নেওয়া হলেও সেটা ব্যবহার করতেন এনামুলই। তদন্তকারীদের আরও দাবি, নামে-বেনামে প্রচুর সম্পত্তির মালিক এই সায়গল। সম্প্রতি, বিভিন্ন জায়গায় তল্লাশি চালিয়ে বিপুল সম্পত্তির হদিশ মিলেছে। সেই সম্পত্তির উৎস কী, তা জানতে তাঁকে হেফাজতে নেওয়া প্রয়োজন। দু’পক্ষের সওয়াল-পর্ব শেষে সায়গলকে ফের সাত দিনের সিবিআই হেফাজতে পাঠিয়ে দেন বিচারক। এই মামলার পরবর্তী শুনানি দিন ধার্য করা হয়েছে আগামী ২৪ জুন।

    আরও পড়ুন: অনুব্রত মন্ডলের দেহরক্ষী সায়গলের বোলপুরের বাড়িতে সিবিআইয়ের তল্লাশি

  • Anubrata Daughter CBI: হতে পারে জিজ্ঞাসাবাদ, কেন সিবিআই স্ক্যানারে কেষ্ট-কন্যা?

    Anubrata Daughter CBI: হতে পারে জিজ্ঞাসাবাদ, কেন সিবিআই স্ক্যানারে কেষ্ট-কন্যা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অনুব্রতর পর সিবিআই (CBI)-এর স্ক্যানারে অনুব্রত মণ্ডলের কন্যা সুকন্যা মণ্ডল (Sukanya Mondal)। এবার তাঁকেও জিজ্ঞাসাবাদ করতে  চায় এই কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা (CBI)। তদন্তে নেমে সুকন্যা মণ্ডলের নামে একাধিক সম্পত্তির হদিস পেয়েছেন সিবিআই আধিকারিকরা। আর এরপরেই বাড়িতে গিয়ে সুকন্যার সঙ্গে কথা বলার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তাঁরা।

    আরও পড়ুন: গরু পাচারের ৪২ ঘাটে যুক্ত ৬২ আইসি-ওসি এবার সিবিআইয়ের আতসকাচে

    এর আগেই জানা গিয়েছিল যে, সুকন্যা মণ্ডলের নামে দুটি সংস্থা রয়েছে। সেই সংস্থা দুটিতে বহু বেআইনি লেনদেনের খোঁজ পেয়েছেন সিবিআই আধিকারিকরা। সংস্থাগুলিতে প্রচুর টাকার ঋণ নেওয়া হয়েছিল। গোয়েন্দাদের দাবি, মেয়ের নাম ব্যবহার করে সংস্থা দুটি চালাতেন কেষ্ট নিজেই। আর এই অনুমান সত্যি কি না তা জানতেই সুকন্যাকে জিজ্ঞাসাবাদ করতে চাইছেন তাঁরা। রেকর্ড করা হতে পারে তাঁর বয়ানও। 

    অনুব্রত মণ্ডলের (Anubrata Mondal) মেয়ের নাম যে দুটি সংস্থার সঙ্গে জড়িয়েছে, তার মধ্যে একটি হল অ্যাগ্রো কেমিক্যাল সংস্থা। ওই সংস্থায় সুকন্য়া মণ্ডলের নামে বেশিরভাগ শেয়ার রয়েছে। এই সব সংস্থাগুলিতে কোনওভাবে গরুপাচার কাণ্ডের টাকা ঘুরপথে ঢুকত কি না, তা খতিয়ে দেখছেন কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার আধিকারিকরা। সেই কারণেই এই জিজ্ঞাসাবাদ। সুকন্যাকে কোনও রকম অসুবিধায় ফেলতে চাইছেন না গোয়েন্দারা। তাই সিবিআই অফিসে না ডেকে বাড়িতে গিয়েই সুকন্যা মণ্ডলকে জিজ্ঞাসাবাদ করতে চান তাঁরা। 

    আরও পড়ুন: অনুব্রতর বাড়িতে চিকিৎসক পাঠানোর নির্দেশ দিয়ছিলেন কে? এবার বিস্ফোরক দাবি সুপারের

    অনুব্রত কন্যা ছাড়াও আরও ১২-১৫ জন এই মামলায় সিবিআই – এর নজরে রয়েছে। ইতিমধ্যেই অনুব্রত মণ্ডলের দেহরক্ষী সায়গল হোসেনকে গ্রেফতার করেছে সিবিআই। মিলেছে তাঁর বিপুল সম্পত্তির খোঁজ। 

    সায়গলের বিরুদ্ধে যে চার্জশিট দাখিল করা হয়েছে তাতে অনুব্রত মণ্ডলের নাম রয়েছে। সিবিআই গোয়েন্দাদের অনুমান, অনুব্রতর হয়ে বাজার থেকে টাকা তুলতেন সায়গলই। আর এভাবেই তৈরি করেছেন এই বিপুল সম্পত্তি। এখনও পর্যন্ত কেষ্টর দেহরক্ষীর থেকে যে সম্পত্তিগুলি বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে সেগুলি হল, ডোমকলে ৩৬টি জমির প্লট (বাজার দর ২ কোটি ৫৮ লাখ টাকা), বোলপুরে ৭ টি জমির প্লট (বাজার দর ১ কোটি ৫ লাখ টাকা), সিউড়িতে ৭টি জমির প্লট (বাজারদর ৭২ লাখ টাকা), বীরভূমের অন্যত্র পাঁচটি জমির প্লট (বাজার দর ৮৫ লাখ টাকা), নিউটাউন এলাকায় একটি ফ্ল্যাট (বাজার দর ১০ লাখ), বিমানবন্দর নিউটাউন এলাকায় ৩টি ফ্ল্যাট (বাজার দর ৬০ লাখ টাকা), ইলামবাজারে একটি পেট্রোল পাম্প, ২টি লরি, ৩৭ লাখ টাকার গয়না এবং সাড়ে চার লাখ টাকা নগদ। 

     

  • Sukanya Mondal: টেট পাশ না করেই স্কুলে প্রাথমিক শিক্ষকের চাকরি? এবার কাঠগড়ায় কেষ্ট-কন্যা সুকন্যা

    Sukanya Mondal: টেট পাশ না করেই স্কুলে প্রাথমিক শিক্ষকের চাকরি? এবার কাঠগড়ায় কেষ্ট-কন্যা সুকন্যা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পরেশ (Paresh Adhikary)-কন্যার অঙ্কিতার (Ankita Adhikary) পর এবার অনুব্রত (Anubrata Mondal)-কন্যার বিরুদ্ধেও উঠল টেট পরীক্ষায় (Primary TET) পাশ না করে স্কুলে চাকরি পাওয়ার অভিযোগ। আর এই অভিযোগ বিস্ফোরক ঘিরে জোর আলোড়ন। ২৪-ঘণ্টার মধ্যে স্কুলের রেজিস্টার আদালতে পেশ করার নির্দেশ হাইকোর্টের (Calcutta Highcourt)। 

    আয় বহির্ভূত সম্পত্তির অভিযোগ তো ছিলই, এবার কেষ্ট-কন্যা সুকন্যা মণ্ডলের (Sukanya Mondal) বিরুদ্ধে উঠল টেট অনুত্তীর্ণ হয়েও চাকরি নেওয়ার অভিযোগ। বোলপুরের কালিকাপুরে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রাথমিক শিক্ষকের চাকরি পেয়েছেন সুকন্যা। এদিন কলকাতা হাইকোর্টে মামলাকারী সৌমেন নন্দী অভিযোগ করেন, অনৈতিক ভাবে, টেট পাশ না করেই স্কুলের চাকরি পেয়েছেন অনুব্রত কন্যা সুকন্যা। বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের (Justice Abhijit Ganguly) বেঞ্চে ওঠা মামলায় বুধবার অভিযোগ করা হয়েছে, সুকন্যা নাকি স্কুলেও যেতেন না। অথচ, অনুব্রতর বাড়িতে পৌঁছে যেত হাজিরার রেজিস্ট্রার। 

    আরও পড়ুন: স্কুলে চাকরি করেই কয়েক’শ কোটির সম্পত্তি সুকন্যার! কী করে? উত্তরের খোঁজে সিবিআই

    মামলাকারীর আরও অভিযোগ, শুধু সুকন্যাই নয়, চাকরি পেয়েছেন অনুব্রতর আরও ৫ আত্মীয়। আদালতে মামলাকারীর আইনজীবী ফিরদৌস শামিম দাবি করেন, সুকন্যার মতো স্কুলে চাকরি পেয়েছেন অনুব্রতর আপ্ত সহায়ক অর্ক দত্তও। চাকরি পেয়েছেন অনুব্রতর ভাই, ভাইপো, ছাড়াও ২ ঘনিষ্ঠ। শুনানির শেষে আগামীকাল অর্থাৎ বৃহস্পতিবার ৩ টার মধ্যে সুকন্যা সহ ৬ জনকে টেট সার্টিফিকেট নিয়ে হাজিরার নির্দেশ দেয় আদালত। একইসঙ্গে, কালকের মধ্যে স্কুলের ভারপ্রাপ্ত শিক্ষিকাকে রেজিস্টার নিয়ে হাজিরার নির্দেশ দেন বিচারপতি। হাজিরা না দিলে কড়া পদক্ষেপের হুঁশিয়ারিও দেয় কলকাতা হাইকোর্ট। আদালতের এই নির্দেশ যাতে কার্যকর করা হয়, তা নিশ্চিত করতে বীরভূমের পুলিশ সুপারকে আদালতের রায় জানানোর নির্দেশও দেওয়া হয়েছে।

    এমনিতেই স্কুল শিক্ষিকা হয়ে কী করে কয়েক’শ কোটি টাকার সম্পত্তি করলেন সুকন্যা, তার উৎস খুঁজতে তৎপর হয়েছে সিবিআই। তদন্তকারীদের অনুমান, গরুপাচারের টাকা দিয়েই এই বিপুল সম্পত্তি কেনা হয়ে থাকতে পারে। যে উত্তর খুঁজতে এদিন সকালে, বোলপুরের নিচুপট্টিতে অনুব্রতর বাড়িতে সুকন্যাকে জেরা করতে পৌঁছ গিয়েছিল সিবিআই। কিন্তু, সুকন্যার তরফে জানিয়ে দেওয়া হয় যে, মা বেঁচে নেই, বাবা হেফাজতে। তিনি বাড়িতে একা রয়েছেন। মানসিক ভাবে ভেঙে পড়েছেন। তাই এমতাবস্থায় তিনি কথা বলতে চান না। 

    আরও পড়ুন: গরু পাচারের ৪২ ঘাটে যুক্ত ৬২ আইসি-ওসি এবার সিবিআইয়ের আতসকাচে

  • Cattle Smuggling Case: নিশুতি রাতে পাচার হত পাল পাল গরু, কীভাবে চলত অপারেশন?

    Cattle Smuggling Case: নিশুতি রাতে পাচার হত পাল পাল গরু, কীভাবে চলত অপারেশন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অপেক্ষা সূয্যি ডোবার। তার পরেই অন্ধকার হয়ে যেত বীরভূম (Birbhum)-মুর্শিদাবাদের (Murshidabad) বিস্তীর্ণ অংশ। অন্ধকার ফুঁড়ে ছড়ি হাতে বের হত গরু পাচারকারীরা। নিশুতি রাতে কেবল শোনা যেত গরুর খুরের ঠক ঠক শব্দ। আর মাঝে মধ্যে পাচারকারীর হ্যাট, হ্যাট আওয়াজ। এভাবেই দিনের পর দিন পাচার হয়ে যেত পাল পাল গরু। দেশের সীমান্ত পেরিয়ে সেই গরু চলে যেত বিভুঁইয়ে, বাংলাদেশে (Bangladesh)। তারপর ভায়া কষাইখানা হয়ে সটান খানদানিদের টেবিলে টেবিলে। এই গরু পাচার চক্রেই নাম জড়িয়েছে তৃণমূলের বীরভূম জেলা সভাপতি অনুব্রত মণ্ডলের (Anubrata Mandol)। বিএসএফের (BSF) এক শীর্ষ কর্তা সহ আরও কয়েকজনের। 

    কিন্তু কীভাবে চালানো হত গোটা অপারেশন? আসুন জেনে নেওয়া যাক, সেই গল্পই। সিবিআই সূত্রে খবর, যেসব গরু পাচার হত, তার সিংহভাগই আসত পাঞ্জাব, হরিয়ানা, মধ্যপ্রদেশ, উত্তরপ্রদেশ এবং রাজস্থান থেকে। যেসব গরুর প্রজনন ক্ষমতা নেই, বয়সের কারণে বাতিল হয়ে যাওয়া বলদই মূলত ঝাড়খণ্ড সীমান্ত হয়ে পাচারকারীদের হাত ধরে পৌঁছাত বীরভূমে। এই বীরভূমের ইলামবাজারে বসে বিরাট গরুর হাট। হাট চালাত গরু ব্যবসায়ী আবদুল লতিফ। ব্যবসার খাতিরেই লতিফ সম্পর্ক রেখে চলত জেলার সর্বেসর্বা অনুব্রতর সঙ্গে। হাট থেকে ফের গরু চলে যেত পাচারকারীদের হাতে। ট্রাকে করে সেই গরু বীরভূমের ফুটিসাঁকো বা বাদশাহি রোড ধরে সটান চলে যেত মুর্শিদাবাদে। 

    সেখানেই গরু নিয়ে পাচারকারীরা অপেক্ষা করত সূয্যি ডোবার। কেবল সূর্য অস্ত গেলেই হবে না। পাচারকারীদের অপেক্ষা করতে হত বিএসএফ এবং কাস্টমসের একাংশের সবুজ সংকেতেরও। তারাই পাচারকারীদের জানিয়ে দিত, কোন দিন কখন লাইন খোলা হবে। নির্দিষ্ট দিনে এক কিংবা দু ঘণ্টার জন্য চোখে ঠুলি পরে বসে থাকত বিএসএফ। তার পর কখনও স্থলপথে কখনও বা জলপথে হাত বদল হয়ে যেত গরুর পাল। বাংলাদেশের পাচারকারীদের হাতে গরু তুলে দিতে পারলেই কেল্লাফতে। মিলবে মোটা অঙ্কের টাকা। পাঁচ হাজার টাকার গরুই হাত ফের হয়ে বিক্রি হয় আট থেকে দশগুণ বেশি দামে।
    আরও পড়ুন : গরুপাচার মামলায় গ্রেফতার অনুব্রত মণ্ডল! নিয়ে যাওয়া হতে পারে সিবিআই ক্যাম্প অফিসে
    লাভের কড়ি মোটা হলেও, সে টাকার সবটা ভোগে লাগত না পাচারকারীদের। টাকার বখরা দিতে হত পুরো চ্যানেলে থাকা লোকজনকে। যেসব থানার ওপর দিয়ে আসত গরুর পাল, সেখানকার থানার কর্তা এবং শাসকদলের নেতাদের দিতে হত নজরানা। যিনি যেমন মাপের নেতা, তাঁর পকেটে ঢুকবে তেমন পরিমাণ টাকা। শুধু নেতাদের নজরানা দিলেই যে সব কিছু মসৃণ গতিতে চলবে, তা তো নয়! তাই বখরার একটা অংশ দিতে হত বিএসএফ কর্তাদের একাংশকেও। কারণ তাঁরাই ‘গোপন’ সীমান্ত  নির্দিষ্ট সময়ে ‘ওপেন’ করে দেন। তাই গরু-পাচারের টাকার ভাগ পেতেন বিএসএফের কমান্ডান্ট পর্যায়ের আধিকারিক, ডিআইজি কিংবা আইজি স্তরের একাংশও। এঁদের বিরুদ্ধে অভ্যন্তরীণ তদন্ত শুরু করেছে বিএসএফ। গ্রেফতার হয়েছেন বিএসএফ কমান্ডান্ট সতীশ কুমার, জেডি ম্যাথু। গরু পাচার মামলায় ইতিমধ্যেই সিবিআইয়ের হাতে গ্রেফতার হয়েছেন অনুব্রত। গ্রেফতার হয়েছে তার দেহরক্ষী সায়গল হোসেনও। গ্রেফতার হয়েছে মূল অভিযুক্ত এনামূল হক। তবে এখনও অধরা হাটের মালিক লতিফ।

    আরও পড়ুন : গ্রেফতার হতে না হতেই কেষ্টকে ঝেড়ে ফেলল তৃণমূল!

    এখনও নিয়মিত বসে ইলামবাজারের হাট। বিক্রি হয় গরুও। তবে অনুব্রতরা গ্রেফতার হওয়ার পর ভয়ে সিঁটিয়ে গিয়েছে পাচারকারীরা। তাই বিক্রি কমেছে গরুর। কমেছে দামও। কাজলকালো চোখে জল নিয়ে নতুন মালিকের অপেক্ষায় হা পিত্যেশ করে দাঁড়িয়ে থাকে হাটের গরু। 

     

LinkedIn
Share