Tag: anubrata mondal

anubrata mondal

  • Birbhum: ‘কেষ্ট’র জেলযাত্রা দেখেও শিক্ষা হয়নি! তাঁরই কায়দায় বিরোধীদের হুঁশিয়ারি কাজল শেখের

    Birbhum: ‘কেষ্ট’র জেলযাত্রা দেখেও শিক্ষা হয়নি! তাঁরই কায়দায় বিরোধীদের হুঁশিয়ারি কাজল শেখের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘চড়াম-চড়াম’, ‘নকুল দানা’ সহ আরও কত কী! তৃণমূলের বীরভূম (Birbhum) জেলার সভাপতি অনুব্রত মণ্ডলের দৌলতে বঙ্গ রাজনীতিতে এই সব শব্দের আমদানি হয়েছিল। গরুপাচার কাণ্ডে অনুব্রত এখন তিহার জেলে রয়েছেন। তাতেও যে অনুব্রতহীন বীরভূমে শাসক নেতাদের তেজ একটুকুও কমছে না, তা প্রমাণ করলেন বীরভূম জেলা পরিষদের সভাধিপতি কাজল শেখ। এখন তিনিও সেই অনুব্রতের ঢঙে হুঁশিয়ারি দেওয়া শুরু করেছেন।

    ঠিক কী বলেছেন কাজল শেখ? (Birbhum)

    বছর ঘুরলেই লোকসভা নির্বাচন। ধীরে ধীরে তপ্ত হতে শুরু করেছে বাংলার মাটিও। এরই মধ্যে অনুব্রত মণ্ডলের সুরেই বীরভূমে (Birbhum) দাঁড়িয়ে হুমকির সুর শোনা গেল কাজল শেখের গলায়। তিনি বললেন, ‘খেলা হবে অপেক্ষা করুন।’ এদিন কাজল বললেন, ভোটের আগে বহিরাগতরা বীরভূমে এলে তাদের কোথায় পাঠাতে হবে, সেটা আমি ঠিক সময়ে দলীয় কর্মীদের জানিয়ে দেব।’ বীরভূমের রামপুরহাটে দলের শ্রমিক সংগঠনের একটি সভা ছিল। সেখানেই রণংদেহি মেজাজে বক্তব্য রাখতে দেখা যায় বীরভূম জেলা পরিষদের সভাধিপতি কাজল শেখকে। এদিনের সভায় বক্তব্য রাখার সময় দলের কর্মীদের উদ্দেশে কাজল বলেন, ‘ভোটের সময় অন্য রাজ্য থেকে প্রতিবারই আসে। ওরা আসবে। আমাদের আজকের প্রজন্মের তরুণ ভাইদের টাকার লোভ দেখিয়ে ভুল পথে চালিত করার চেষ্টা করবে। আমাদের মধ্যে ভেদাভেদ তৈরির চেষ্টা করবে। তাই আমি আমার ভাইয়ের বলব তোমরা একজোট হও, সব সময় চোখ খোলা রেখো, ঘুমিয়ে থেকো না। তাদের সকলকেই নির্দিষ্ট জায়গায় যেতে হবে। তবে কোথায় পাঠাতে হবে সেটা এখন বলব না। সময় এলে ঠিক বলে দেব।’ কেষ্টর ঢঙে তাঁর এই হুঁশিয়ারি নিয়ে এখন জেলাজুড়ে জোর চর্চা শুরু হয়েছে।

    প্রসঙ্গত, জেলায় অনুব্রত বিরুদ্ধ গোষ্ঠী হিসেবে পরিচিত কাজল। তিহারে যাওয়ার পর থেকে দলের সংগঠনের রাশ কাজলের হাতে চলে আসে। দিন দিন কোণঠাসা হয়ে প়ড়ছে কেষ্ট অনুগামীরা। দলীয় কার্যালয় থেকে মুছে ফেলা হচ্ছে কেষ্টর নাম।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Jyotipriya Mallick: গ্রেফতারির পর বালুর হালও কি হবে কেষ্টর মতো? জেলা জুড়ে জল্পনা তুঙ্গে

    Jyotipriya Mallick: গ্রেফতারির পর বালুর হালও কি হবে কেষ্টর মতো? জেলা জুড়ে জল্পনা তুঙ্গে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গ্রেফতার হওয়ার পর এবার কি কেষ্টর মতো জেলার সংগঠন থেকে ডানা ছাঁটা হবে জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের (Jyotipriya Mallick)? তৃণমূল কংগ্রেস ২৪ পরগনা জেলাকে লোকসভা ভিত্তিক সাংগঠনিক ভাগ করেছে। উল্লেখ্য, কোনও ভাগের বিশেষ দায়িত্বে রাখা হয়নি তাঁকে। কেন? খাদ্য দফতর থেকে তুলনামূলক কম গুরুত্বপূর্ণ বন দফতরেও কি পরিকল্পনা করেই সারানো হয়েছিল তাঁকে? আগামী দিনে দলে কি গুরুত্ব আরও কমবে? এই ধরনের নানা জল্পনা চলছে। প্রশ্ন উঠছে, শেষ পর্যন্ত দল পাশে থাকবে তো?

    কেষ্টর মতো কি অপ্রাসঙ্গিক হবেন জ্যোতিপ্রিয়ও (Jyotipriya Mallick)?

    উত্তর ২৪ পরগনায় দীর্ঘদিন ধরে রাজনীতি করে এসেছেন মন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক (Jyotipriya Mallick)। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গী হয়ে, সিপিএমের বিরুদ্ধে নেতৃত্ব দিয়েছেন। ঠিক একই রকমভাবে, বীরভূমের রাজনীতিতে শিরোনামে ছিলেন অনুব্রত মণ্ডল। যদিও কয়লা, গরু পাচারকাণ্ডে সিবিআই-ইডির হাতে গ্রেফতার হয়ে দিল্লির তিহাড় জেলে রয়েছেন কেষ্ট। দীর্ঘ এক বছরের বেশি সময় ধরে জেলে রয়েছেন তিনি। দিন যত এগিয়ে যাচ্ছে, বীরভূমের রাজনীতি থেকে ক্রমশ অপ্রাসঙ্গিক হয়ে যাচ্ছেন অনুব্রত মণ্ডল। ফলে ওয়াকিবহাল মহল মনে করছে, উত্তর ২৪ পরগনা থেকে এবার জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকও অপ্রাসঙ্গিক হবেন। কারণ খাদ্য বণ্টন দুর্নীতির মামলায় ইডি তাঁকে গ্রেফতার করেছে। দল এবার তাঁর মাথা থেকেও হাত সরিয়ে নেবে।

    জেলায় শেষ কথা বলতেন

    জ্যোতিপ্রিয় (Jyotipriya Mallick) নিজে ছাত্র রাজনীতি থেকে উঠে এসেছিলেন। তৃণমূলের জন্মলগ্ন থেকেই প্রথম সারির নেতা ছিলেন তিনি। ২০০১ সালে প্রথম বিধায়ক হিসাবে নির্বাচিত হন তৃণমূল কংগ্রেসের প্রতীকে। ২০০৬ সাল থেকে উত্তর ২৪ পরগনার জেলা রাজনীতির ময়দানে অদ্বিতীয় ব্যক্তি ছিলেন জ্যোতিপ্রিয়। এমনকি তাঁর কথা ছাড়া, জেলার রাজনীতিতে একটা গাছের পাতাও নড়ত না বলে জানা যায়।

    তৃণমূলের বক্তব্য

    পদাধিকার বলে জ্যোতিপ্রিয় (Jyotipriya Mallick) কোণঠাসা হলেও, উত্তর ২৪ পরগনার সংগঠনে তাঁর বেশ প্রভাব রয়েছে বলে মনে করছেন জেলা তৃণমূলের একাংশের মানুষ। এই জেলায় মতুয়া সম্প্রদায়ের একটি বিরাট ভোট ব্যাঙ্ক রয়েছে। আর তাকে প্রভাবিত করার ক্ষেত্রে, তাঁর ভূমিকা বেশ গুরুত্বপূর্ণ। বলা হয়ে থাকে, একটা সময় পর্যন্ত মুকুল রায় অতি সক্রিয় থাকলেও, তাঁর প্রতাপের সামনে কেউ জেলায় হাত দিতে পারতেন না। অবশ্য বরানগরের বিধায়ক তথা ব্যারাকপুর জেলার তৃণমূল সভাপতি তাপস রায় বলেন, “সমর্থকরা প্রতিবাদে আরও শক্তিশালী হবেন। তৃণমূল দলের সংগঠন দুর্বল হওয়ার কোনও সম্ভাবনা নেই। জেলার সংগঠন পিছু হটবে না। আমরা আরও লড়াই করবো।”

    কিন্তু মন্ত্রীর দফতর বদল থেকে শুরু করে সাংগঠনিক দায়িত্ব এবং ইডির হাতে গ্রেফতার হওয়ার পর কি আরও গুরুত্ব কমবে? এটাই এখন বড় প্রশ্ন।    

           

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Anubrata Mondal: উলটপুরাণ, থানায় রক্তাক্ত অবস্থায় কাতরাচ্ছেন অনুব্রতর ভাই, পুলিশ ফিরেও তাকাচ্ছে না!

    Anubrata Mondal: উলটপুরাণ, থানায় রক্তাক্ত অবস্থায় কাতরাচ্ছেন অনুব্রতর ভাই, পুলিশ ফিরেও তাকাচ্ছে না!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দৃশ্যটা ভাবুন। বীরভূমের এক সময়ের বেতাজ বাদশা অনুব্রত মণ্ডলের (Anubrata Mondal) ভাই বোলপুর থানার মেঝেয় রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে কাতরাচ্ছেন। হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার জন্য কাতর আর্জি জানাচ্ছেন। সামনেই বসে দুই পুলিশকর্মী। তাঁরা যেন শুনেও শুনছেন না। এমনই দৃশ্যের সাক্ষী থাকল বোলপুর, যে বোলপুরে পুলিশ অফিসারদের দাঁড় করিয়ে ধমক দিতে দেখা গেছে অনুব্রতকে। যে বোলপুরে এক সময় গাছের পাতা নড়তে গেলেও নাকি অনুব্রত মণ্ডলের অনুমতি লাগত। যে বোলপুরে অনুব্রতই ছিলেন শেষ কথা।

    কী ঘটনা ঘটেছিল?

    বর্তমানে গরু পাচার মামলায় তৃণমূলের বীরভূম জেলা সভাপতি অনুব্রত মণ্ডল (Anubrata Mondal) তিহার জেলে বন্দি৷ বৃহস্পতিবার তাঁর ভাই সুমিত মণ্ডলকে বেধড়ক মারধরের অভিযোগ ওঠে। অভিযোগ, অনুব্রত মণ্ডলের নিচুপট্টির বাড়ি সংলগ্ন বোলপুরের বাড়িপুকুরের কাছে বিসর্জনের সময় তাঁকে মারধর করে এলাকার দুই যুবক। মেরে তাঁকে রক্তাক্ত করে দেওয়া হয়। সেই অবস্থায় রাতেই বোলপুর থানায় আসেন তিনি। কিন্তু, থানায় লিখিত অভিযোগ করা সত্ত্বেও তাঁকে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে নিয়ে যায়নি পুলিশ, এমনটাই অভিযোগ৷ অনুব্রতর মণ্ডলের ভাই সুমিতের অভিযোগ, “থানায় এসে সবটা জানানো সত্ত্বেও পুলিশ আমাকে হাসপাতালে নিয়ে যায়নি৷ অনুব্রত মণ্ডলের ভাই বলেই আমাকে মারধর করা হয়েছে। আর যেহেতু আমার দাদা তিহারে বন্দি, তাই পুলিশ অসহযোগিতা করছে। আমি প্রচণ্ড অসুস্থতা বোধ করছি৷ এটা বলার পরেও পুলিশ আমাকে হাসপাতালে নিচ্ছে না।” এদিন, থানার মধ্যেই রক্তাক্ত অবস্থায় দীর্ঘক্ষণ পড়ে থাকতে দেখা যায় অনুব্রত মণ্ডলের ভাই সুমিত মণ্ডলকে৷ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার জন্য চিৎকার করতে দেখা যায় তাঁকে। তাও তাঁকে হাসপাতালে নিয়ে যায়নি বোলপুর থানার পুলিশ৷ এমনকি, কর্তব্যরত অফিসারকে দেখা যায় পোশাকহীন অবস্থায় ডিউটি করতে।

    মেরে মাথা ফাটিয়ে দেওয়ার অভিযোগ

    অনুব্রত মণ্ডলের (Anubrata Mondal) ভাই সুমিত মণ্ডল বলেন, “বিসর্জনের সময় কামরুল আলি ও আকাশ কুণ্ডু আমাকে আক্রমণ করে। আমাকে মেরে মাথা ফাটিয়ে দেয়। আমার দাদা আজ তিহারে বন্দি তাই আমাকে মারধর করেছে৷ আর তাই পুলিশ আমাকে অসহযোগিতা করছে৷”

    কী বললেন অনুপম হাজরা?

    এই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে বিজেপি নেতা অনুপম হাজরা বলেন, “রাজ্যের পুলিশ মন্ত্রীর নাম মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর এক সময়ের খুব কাছের ভাই এবং দক্ষ সংগঠক ছিলেন অনুব্রত মণ্ডল (Anubrata Mondal)। সেই অনুব্রত মণ্ডলের ভাই রক্তাক্ত অবস্থায় থানার মেঝেতে পড়ে রয়েছেন এবং পুলিশ তাঁকে কোনও রকম সাহায্য করছে না। তাঁর কাতর আর্তিকে এক কথায় অবজ্ঞা করছে। এখান থেকে শিক্ষনীয় বিষয় একটাই, যারা বোলপুরে বা রাজ্যের অন্যত্র তৃণমূল কংগ্রেসটা করছেন, তাঁরা একটু ভেবেচিন্তে করবেন। কারণ মমতা কখন যে আপনার ওপর থেকে হাতটা তুলে নেবে, আপনি ধরতেও পারবেন না। উনি থাকতে ভয়ও নেই, ভরসাও নেই। এই ঘটনায় তা প্রমাণ হয়ে গেল।”

      

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ। 

  • Anubrata Mondal: ৬ বছর পর সক্রিয় পুলিশ! পুরনো মামলায় কেষ্ট-ঘনিষ্ঠ তৃণমূল নেতার বউদি গ্রেফতার

    Anubrata Mondal: ৬ বছর পর সক্রিয় পুলিশ! পুরনো মামলায় কেষ্ট-ঘনিষ্ঠ তৃণমূল নেতার বউদি গ্রেফতার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বীরভূম জেলার বেতাজ বাদশা অনুব্রত মণ্ডল (Anubrata Mondal)। তাঁর ঘনিষ্ঠ কোনও দলীয় নেতা বা কর্মী হলে তাঁকে স্পর্শ করার সাহস ছিল না। পুলিশও তার দিকে তাকানোর সাহস ছিল না। শাসক দলের এরকম দাপুটে নেটার ঘনিষ্ঠ হওয়ার জন্য সকলেই চেষ্টা করতেন। এখন সেই কেষ্ট ঘনিষ্ঠ হওয়ায় অনেকের কাছে কাল হয়ে দাঁড়িয়েছে। বীরভূমে কি তাহলে কেষ্ট ম্যাজিক উধাও? এমনিতেই এমনিতেই গরু পাচার দুর্নীতি মামলায় গত এক বছরের বেশি সময় ধরে অনুব্রত মণ্ডল তিহারে রয়েছেন। দুর্নীতির অভিযোগ থাকলেও খাতায় কলমে তিনি এখনও জেলা সভাপতির পদে বহাল।  সময়ের সঙ্গে বদলাচ্ছে তৃণমূলের জেলা সংগঠনের কর্তৃত্বের রাশ। অনুব্রত ‘বিরোধী’ নানুরের কাজল শেখ এখন দলের গুরুত্ব পেয়েছেন। তিনি জেলা পরিষদের সভাধিপতিও। বীরভূম জেলাজুড়ে কোণঠাসা হয়ে পড়ছে অনুব্রত নামটাও। কয়েকদিন আগেই নানুরের হোসেনপুরে দলীয় কার্যালয়ে তাঁর ছবি মুছে দেওয়া হয়েছে। এরপর বোলপুরেও একই ঘটনা ঘটেছে। দলীয় কার্যালয়ে তাঁর নাম মুছে ফেলা হয়েছে। স্বাভাবিকভাবে পুলিশ এখন অনুব্রত ঘনিষ্ঠদের পুরানো মামলা খুঁজের বের করে নিয়ম মেনে ব্যবস্থা গ্রহণ করছে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে?

    স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, বেশ কয়েক বছর আগে ঝাড়খণ্ডের শিউলি মিত্রের সঙ্গে বীরভূমের চিনপাই গ্রামের অনিমেশ মিত্রের বিয়ে হয়। তিনি দুবরাজপুরের তৃণমূল নেতা ভোলানাথ মিত্রের দাদার ছেলে। ভোলানাথবাবু জেলায় অনুব্রত ঘনিষ্ঠ (Anubrata Mondal) নেতা হিসেবেই পরিচিত। ২০১৩ সালে তৃণমূল নেতার ভাইপোর বিরুদ্ধে  আদালতে বধূ নির্যাতনের মামলা হয়। ২০১৭ সালে তাঁর ও তাঁর মায়ের নামে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি হয়। এতদিন পুলিশের খাতায় তাঁরা পলাতক ছিলেন। স্থানীয়দের অভিযোগ, এতদিন অনুব্রত ঘনিষ্ঠ হওয়ায় ভোলানাথের দাপটে তাঁর বউদি ভারতী মিত্র এবং ভাইপো অনিমেশ মিত্রকে গ্রেফতার করার সাহস হয়নি পুলিশের। এবার আর ভোলানাথবাবুর মাথার উপর অনুব্রত নেই। দলের মধ্যেও কেষ্ট এখন ব্রাত্য। তাই, প্রায় ৬ বছর আগে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি হওয়ার মামলা সদাইপুর থানার পুলিশ অনুব্রত ঘনিষ্ঠ নেতার বউদিকে গ্রেফতার করেছে। যদিও ভাইপো এখনও অধরা রয়েছে।

    কী বললেন অনুব্রত (Anubrata Mondal) ঘনিষ্ঠ তৃণমূল নেতা?

    ভোলানাথবাবু দুবরাজপুর ব্লকের তৃণমূলের সভাপতি ছিলেন। কেষ্ট জেলে যাওয়ার পর তাঁর বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ ওঠায় তাঁকে পদ সরিয়ে দেওয়া হয়। দলের কোর কমিটিতে তাঁর ঠাঁই হয়। এতদিন পর গ্রেফতারি প্রসঙ্গে ভোলানাথবাবু বলেন, ব্লক সভাপতি ছিলাম বলে পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি, এটা ঠিক নয়। বউদি বা ভাইপোর বিরুদ্ধে যে অভিযোগ উঠেছে তা ঠিক নয়। আইন আইনের পথে চলবে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Anubrata Mondal: বীরভূমে কি কেষ্ট-রাজ খতম! একের পর এক সরিয়ে ফেলা হচ্ছে ছবি

    Anubrata Mondal: বীরভূমে কি কেষ্ট-রাজ খতম! একের পর এক সরিয়ে ফেলা হচ্ছে ছবি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গরু পাচারকাণ্ডে এখন জেলবন্দি তৃণমূলের বীরভূম জেলার সভাপতি অনুব্রত মণ্ডল। বছরখানেক ধরেই তিনি জেলার বাইরে। দলের রাশ এখন কেষ্ট বিরোধী হিসেবে জেলায় পরিচিত কাজ সেখের হাতে। অনুব্রতকে (Anubrata Mondal) কি সত্যিই ঝেড়ে ফেলতে চাইছে দল? একের পর এক ঘটনায় কার্যত সেই তত্ত্বেই পড়ছে সিলমোহর। এতদিন বীরভূম জেলায় একাধিক জায়গায় তার নাম, ছবি মুছে ফেলা কিংবা ছবি ব্যবহার না করা হলেও কেষ্টর খাসতালুক বোলপুরে কখনও হয়নি। এবার বোলপুরে সেটাই ঘটল।

    ঠিক কী হয়েছে বোলপুরে? (Anubrata Mondal)

    বীরভূমের বেতাজ বাদশা ছিলেন অনুব্রত (Anubrata Mondal)। গ্রেফতারির পরও একুশের বিধানসভা ভোটের পর জেলা তৃণমূলের পোস্টার বয় ছিলেন অনুব্রত মণ্ডলই। তাঁক সামনে রেখে নির্বাচনী বৈতরনী পার করার চেষ্টা করেছিল দল। এখন সেই কেষ্ট কিনা দলে ব্রাত্য হয়ে পড়ছেন। বোলপুর থানার বাহিরী পঞ্চায়েতের তৃণমূল কার্যালয়ে এতদিন জ্বল জ্বল করত অনুব্রত মণ্ডলের ছবি। সেই ছবি মুছে ফেলা হয়েছে আগেই। এবার ফাঁকা দেওয়ালে পুরানো ছবির অস্তিত্বটুকুও মুছে ফেলা হল। যেটা বোলপুরের মাটিতে এতদিন ভাবা যেত না। অনুব্রতের সেই ছবির জায়গায় বোলপুরের বাহিরী পঞ্চায়েতের তৃণমূল কার্যালয়ের দেওয়ালে এবার অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় ও কাজল শেখের ছবি দেওয়া ব্যানার লাগিয়ে দেওয়া হয়। আর যা নিয়েই শুরু হয়েছে রাজনৈতিক চাপানউতোর।

    ছাঁটাই-পর্ব চলছে ক’দিন ধরেই

    দুদিন আগেই নানুরের হোসেনপুরে অনুব্রতের ছবি মুছে ফেলা হয়েছিল। তার আগে দুবরাজপুরে একটি দুয়ারে সরকারের অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রী, অভিষেকের সঙ্গে কাজল সেখের ছবি শোভা পেলেও ঠাঁয় হয়নি কেষ্টর ছবি। সম্প্রতি, পঞ্চায়েতে স্থায়ী সমিতি গঠনেও জেলা তৃণমূলের পর পর পদক্ষেপ দেখে প্রশ্ন উঠেছিল অনুব্রত ছোঁয়া কি এড়াতে চাইছে তৃণমূল? কারণ-কাজল শেখের হাতে জেলার রাশ যাওয়ার পরই একের পর এক অনুব্রত অনুগামীদের এক ঘরে করে দেওয়ার অভিযোগ সামনে আসছে। স্থায়ী সমিতিতে বহু বছর ধরে থাকা সদস্য হওয়া সত্ত্বেও অনুব্রত অনুগামী হিসেবে পরিচিতরা এবার স্থায়ী সমিতিতে জায়গা পাননি। গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের জেরে সপ্তাহখানেক আগেই খয়রাশোল এর ব্লক সভাপতি কাঞ্চন অধিকারী পদ থেকে পদত্যাগ করেন। তিনি অনুব্রত ঘনিষ্ঠ বলেই জেলায় পরিচিত। পার্টি অফিস থেকে ছবি মুছে ফেলার পাশাপাশি কেষ্ট ঘনিষ্ঠদের ধীরে ধীরে ডানা ছাঁটা শুরু হয়েছে বলে রাজনৈতিক মহলে গুঞ্জন শুরু হয়েছে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

  • Anubrata Mondal: ইডি-র নজরে এবার মার্বেল মোড়া তৃণমূলের কার্যালয়, কেষ্ট ঘনিষ্ঠ চারজনকে দিল্লিতে তলব

    Anubrata Mondal: ইডি-র নজরে এবার মার্বেল মোড়া তৃণমূলের কার্যালয়, কেষ্ট ঘনিষ্ঠ চারজনকে দিল্লিতে তলব

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গরু পাচার কাণ্ডে ধৃত বীরভূম জেলায় তৃণমূলের জেলা সভাপতি অনুব্রত মণ্ডল (Anubrata Mondal) এখন তিহার জেলে রয়েছেন। দিল্লিতে এই মামলার বিচার চলছে। এরমধ্যে অনুব্রতের ‘ঘনিষ্ঠ’ হিসাবে পরিচিত বোলপুর শহরের ২২ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলার শিবনাথ রায় সহ চার জনকে দিল্লিতে তলব করেছে ইডি। ৩ অক্টোবর থেকে এক সপ্তাহের মধ্যে দিল্লিতে ইডির সদর দফতরে তাঁদের হাজিরা দিতে বলা হয়েছে। যা নিয়ে বীরভূম জেলাজুড়ে চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে।

    কেন ইডি-র তলব? (Anubrata Mondal)

    পাঁচ বছর আগে রথযাত্রার দিন বোলপুর শহর তৃণমূলের কার্যালয়ের উদ্বোধন করেছিলেন বীরভূম জেলা তৃণমূলের সভাপতি অনুব্রত মণ্ডল (Anubrata Mondal) । তিন তলা ভবনটির অধিকাংশ ঘর শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত। মেঝেয় দামি মার্বেল। রয়েছে ফলস সিলিং। বিল্ডিং জুড়ে বসানো রয়েছে সিসি ক্যামেরা। ঝাঁ চকচকে পার্টি অফিস দেখে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে একবার অনুব্রত উত্তর দিয়েছিলেন, ‘২০১৩ সালে আমি এই বাড়ি ন্যায্য মূল্যে কিনেছিলাম।’ এবার সেই বাড়িই এ বার এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের (ইডি) নজরে! কার টাকায় এই বিলাসবহুল দলীয় অফিস তৈরি হল, তারই তদন্তে কেন্দ্রীয় সংস্থা। সূত্রের খবর, ভবন তৈরিতে কয়েক কোটি টাকা খরচের উৎস কী, তা তদন্ত করে দেখতে চায় ইডি। সেই সূত্রেই  কোন পথে এত টাকা এসেছিল, মূলত সেটা জানতেই এই চার জনকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে বলে ইডি। ওই দলীয় কার্যালয়ে থাকা মা কালীর বিপুল অঙ্কের গয়নাও তদন্তকারীদের নজরে রয়েছে। বিভিন্ন সূত্রে জানা গিয়েছে, বোলপুরের বিশাল দলীয় কার্যালয়টি প্রথমে তৃণমূল নেতা তথা কাউন্সিলার শিবনাথ রায় এবং বোলপুর পুরসভার তিন কর্মীর নামে কেনা হয়েছিল। পরে অনুব্রতের তৈরি করে দেওয়া ট্রাস্টের নামে সেটি হস্তান্তর করা হয়। শিবনাথ-সহ ওই চার জনকেই তলব করা হয়েছে।

    অনুব্রত (Anubrata Mondal) ঘনিষ্ঠ তৃণমূল কাউন্সিলার কী বললেন?

    তৃণমূল কাউন্সিলার শিবনাথ বলেন, ইডির সমন পেয়েছি। তৃণমূলের দলীয় কার্যালয় কেনার সময় অনুব্রত আমাদের কয়েক জনকে বেশ কিছু জায়গায় সই করিয়েছিলেন। আমার মনে হয় তার জন্যই ডেকে পাঠানো হয়েছে। তদন্তে সবরকমভাবে সহযোগিতাও করব। তবে এত তাড়াতাড়ির মধ্যে দিল্লি যাওয়া সম্ভব নয় বলে ই-মেল করে জানিয়েছি ইডি-কে।

    রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে তরজা

    সিপিএমের জেলা সম্পাদক গৌতম ঘোষ বলেন, যা কালো টাকা বা যা বেআইনি সম্পদ, তার সবটা অনুব্রত একা নয়, সবাই মিলেই করেছেন। সুতরাং সত্য উদ্ঘাটন করতে গেলে সকলকেই জিজ্ঞাসাবাদ করতে হবে। বিজেপির বোলপুর সংগঠনিক জেলা সভাপতি সন্ন্যাসীচরণ মণ্ডলের দাবি, অনুব্রতের অনুগামীরা কালো টাকার সঙ্গে যুক্ত আছেন। শুধু সময়ের অপেক্ষা। আরও বহু জনকে ডাকবে। তৃণমূলের জেলা সহ- সভাপতি মলয় মুখোপাধ্যায় বলেন, বোলপুরের জেলা পার্টি অফিসের ট্রাস্টি সম্পর্কে কিছু জিজ্ঞাসাবাদ করার জন্য ওই চার জনকে ডাকা হয়েছে বলে জেনেছি। বিরোধীরা ভিত্তিহীন অভিযোগ করছেন।

    অন্যদিকে, ইডি-র নজরে পার্টি অফিস থাকার পাশপাশি  নানুরের হোসেনপুরের পরে এ বার বোলপুরের বাহিরি-পাঁচশোয়া এলাকায় দলীয় কার্যালয়ে। সেখানে অনুব্রতের নাম ও ছবি আগেই মোছা হয়েছিল বলে খবর। সেই চুনকাম করা অংশের উপরে সম্প্রতি সাঁটানো হয়েছে তৃণমূলে সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় ও নবনির্বাচিত জেলা পরিষদের সভাধিপতি কাজল শেখের ছবি। এমন ঘটনায় ফের তৃণমূলের অন্দরে চর্চা শুরু হয়েছে, দলের জেলা সভাপতি থাকা সত্ত্বেও কি অনুব্রতের অস্তিত্ব ধীরে ধীরে  মুছে ফেলতে চাইছে দল?

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Anubrata Mondal: বীরভূমে তৃণমূল কার্যালয় থেকে মুছে ফেলা হল অনুব্রতের ছবি, কীসের ইঙ্গিত?

    Anubrata Mondal: বীরভূমে তৃণমূল কার্যালয় থেকে মুছে ফেলা হল অনুব্রতের ছবি, কীসের ইঙ্গিত?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বীরভূম জেলার বেতাজ বাদশা অনুব্রত মণ্ডল। সেই অনুব্রত মণ্ডলই (Anubrata Mondal) কি না দলের মধ্যে ব্রাত্য হয়ে পড়ছেন। এমনিতেই গরু পাচার দুর্নীতি মামলায় গত এক বছরের বেশি সময় ধরে তিনি তিহারে রয়েছেন। দুর্নীতির অভিযোগ থাকলেও খাতায় কলমে তিনি এখনও জেলা সভাপতির পদে বহাল। কিন্তু, বীরভূমের সংগঠনের হাল ধরতে ময়দানে নেমেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তবে, সময়ের সঙ্গে বদলাচ্ছে তৃণমূলের জেলা সংগঠনের কর্তৃত্বের রাশ। অনুব্রত ‘বিরোধী’ নানুরের কাজল শেখ এখন দলের গুরুত্ব পেয়েছেন। তিনি জেলা পরিষদের সভাধিপতিও। সেই কাজলের খাসতালুক নানুরেই অবাককাণ্ড। জেলায় তৃণমূলের অন্দরে কেষ্ট জমানা শেষ হয়ে কি কাজল সেখের জমানা শুরু হয়েছে?

    ঠিক কী হয়েছে নানুরে? (Anubrata Mondal)

    নানুর থানার হোসেনপুর গ্রামে তৃণমূলের দলীয় কার্যালয়ের ঢোকার মুখে দেওয়ালে দীর্ঘদিন ধরে একদিকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় অন্যদিকে অনুব্রত মণ্ডলের (Anubrata Mondal) ছবি আঁকা ছিল। ঠিক পাশের দেওয়ালে অনুব্রত মণ্ডল জিন্দাবাদ লেখা ছিল। আর সেই লেখা এবং ছবিও মুছে ফেলা হয়েছে। যদি তা কে করেছে বা কারা করেছে কেউ কিছু বলতে পারছে না। প্রসঙ্গত, কিছুদিন আগেই এই জেলায় একটি দুয়ারে সরকার শিবিরের আগে হোর্ডিংয়ে তৃণমূল নেত্রীর সঙ্গে কাজল সেখের ছবি ছিল। সেখানে কেষ্ট মণ্ডলের ঠাঁই হয়নি। যা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা হয়েছিল। এবার ফের দলীয় কার্যালয় থেকে তাঁর ছবি মুছে ফেলা হল। বীরভূমে অনুব্রত জমানা যে শেষ হতে বসেছে তা এই দুটি ঘটনা তার জ্বলন্ত প্রমাণ।

    কী বললেন তৃণমূল নেতৃত্ব?

    একসময়ের অনুব্রত (Anubrata Mondal) ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত নানুরের ব্লক সভাপতি সুব্রত ভট্টাচার্য। অনুব্রত জমানা শেষ হলেও এখনও তিনি স্বপদে বহাল রয়েছেন। দলের মধ্যে এই ধরনের ঘটনায় তিনিও বিব্রত। কিন্তু, তার বেশি আস্ফালন করার কোনও জায়গা নেই। তাই, বিষয়টি জানার পরই তিনি বলেন, আমি বিষয়টি খোঁজ নিয়ে দেখব। আর সামনেই দুর্গাপুজো, তাই হয়তো কেউ মুছে ফেলেছে। নতুন করে করা হবে। এর বেশি তিনি কিছু বলতে চাননি।

    কী বললেন বিজেপি নেতৃত্ব?

    শুক্রবার নানুনের হোসেনপুরে তৃণমূল পার্টি অফিসের ছবি পোস্ট করেছেন বিজেপির কেন্দ্রীয় সম্পাদক অনুপম হাজরা। সেই ছবিতে দেখা যাচ্ছে, জোড়া-ফুলের দলীয় কার্যালয়ের বাইরের দেওয়ালের একদিকে রয়েছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছবি। তার পাশে অনুব্রতের (Anubrata Mondal) ছবির জায়গায় রং লেপা রয়েছে। অনুপম হাজরা বলেন, নানুরের হোসেনপুর গ্রামের তৃণমূল কার্যালয়ে অনুব্রত মণ্ডলের ছবি মুছে ফেলা হল। দিদিমণি তো আগেই মুছে দিয়েছেন মন থেকে,এবার দেওয়াল থেকে মোছা শুরু হল। তৃণমূলে একটাই নীতি – চুরি করে যতদিন তুমি পার্টিকে দিতে পারবে ততদিন তুমি ‘ভালো ছেলে’ আর ধরা পড়লেই পার্টি তোমাকে চেনে না।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • West Bengal Road: উন্নয়ন সত্যিই যেন রাস্তায় দাঁড়িয়ে! জমা জলে জাল ফেলে বিক্ষোভে গ্রামবাসীরা

    West Bengal Road: উন্নয়ন সত্যিই যেন রাস্তায় দাঁড়িয়ে! জমা জলে জাল ফেলে বিক্ষোভে গ্রামবাসীরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বীরভূমের এক সময়ের বেতাজ বাদশা অনুব্রত মণ্ডল বলেছিলেন, উন্নয়ন রাস্তায় দাঁড়িয়ে। তাঁর কথা যেন অক্ষরে অক্ষরে ফলে যাচ্ছে। দিকে দিকে বেহাল রাস্তা তাঁর সেই কথাকেই যেন কটাক্ষ করছে। সাধারণ মানুষ হাড়ে হাড়ে টের পাচ্ছেন, উন্নয়ন কাকে বলে। তাঁরা এও বুঝছেন, ভোট আসে ভোট যায়, শুধুই মেলে প্রতিশ্রুতি। গ্রামের যাতায়াতের একমাত্র রাস্তা বেহাল দশা নিয়েই পড়ে থাকে। হেলদোল নেই প্রশাসনের। পরিস্থিতি এমনই যে, ধৈর্যচ্যুত হয়ে চাঁদা তুলে রাস্তা (West Bengal Road) মেরামতির কাজে হাত লাগালেন গ্রামের মানুষ।

    নদিয়ার শান্তিপুর ব্লকের বাবলা পঞ্চায়েতের বিবেকানন্দ নগর দক্ষিণপাড়া এলাকার ঘটনা। এলাকার মানুষের দাবি, এই রাস্তা দিয়ে কয়েকশো পরিবার যাতায়াত করে, একটু বৃষ্টি হলেই জমে থাকে এক হাঁটু জল। জল শুকিয়ে যাওয়ার পরে গোটা রাস্তা কাদায় পরিণত হয়। এছাড়াও রাস্তার বেশ কিছু অংশ বিপজ্জনক অবস্থায় রয়েছে। বিগত দিনে একাধিকবার তাঁরা পঞ্চায়েত প্রধানকে জানিয়েছিলেন। কিন্তু রাস্তা ঠিক করার কাজে হাত লাগানো হয়নি। ছেলেমেয়েরা স্কুলে যেতে গেলে এক হাঁটু জল ডিঙিয়ে যেতে হয়। জল জমে থাকার কারণে মশার লার্ভা এবং বিষাক্ত পোকামাকড়ের উৎপত্তি হয়।  এলাকার মানুষের সিদ্ধান্ত, দীর্ঘদিন ধরে প্রশাসনকে জানিয়েও যখন কোনও লাভ হয়নি, তখন নিজেরাই এই রাস্তা ঠিক করবেন। তাই এলাকার মানুষই চাঁদা তুলে রাস্তা মেরামতির কাজে হাত লাগিয়েছেন।

    টাকাই নেই, মেরামতি (West Bengal Road) হবে কী করে?

    যদিও এ প্রসঙ্গে ওই এলাকার পঞ্চায়েত সদস্য বলেন, রাস্তাটির বেহাল অবস্থার কথা তিনি পঞ্চায়েতে জানিয়েছিলেন। অল্পদিনের মধ্যেই রাস্তাটি পাকাপোক্ত ভাবে করার আশ্বাস দিয়েছে পঞ্চায়েত। যদিও বাবলা পঞ্চায়েতের বিজেপি প্রধান সুস্মিতা মুন্ডা বলেন, সবেমাত্র তিনি দায়িত্বভার হাতে নিয়েছেন। এখনও পর্যন্ত উন্নয়নের খাতে তাঁর কাছে টাকা এসে পৌঁছায়নি। তাই তিনি কাজ শুরু করতে পারছেন না। তবে খুব তাড়াতাড়ি তাঁর পঞ্চায়েতের যে সমস্ত রাস্তার (West Bengal Road) অবস্থা খুবই বেহাল রয়েছে, সেগুলির দ্রুত কাজ শুরু করবেন। তিনি এও বলেন, আগের পঞ্চায়েত প্রধান উন্নয়নের ক্ষেত্রে কী কাজ করেছে, তা আমার জানার দরকার নেই। আমি এই পঞ্চায়েতের কীভাবে উন্নয়ন করা যায়ে, সেই চেষ্টা করব।

    রাস্তার জন্য জীবনযাপন দুর্বিষহ

    রাস্তার বেহাল অবস্থার চিত্র দিকে দিকে। নদিয়ার হাঁসখালি থানার দক্ষিণপাড়া গ্রাম পঞ্চায়েতের ভগবতীতলা ১৫৭ নম্বর বুথ এলাকার কথাই ধরা যাক। অল্প বৃষ্টিতেই এক হাঁটু জল জমে যায়। রাস্তা দিয়ে চলাফেরা করতে রীতিমতো হিমশিম খেতে হয় এলাকাবাসীদের। পাশাপাশি এলাকার কেউ অসুস্থ হয়ে গেলে রোগীকে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে নিয়ে যেতে বেশি ভাড়া দিলেও ভাঙা রাস্তা দিয়ে কোনও টোটো, অটো কিংবা অ্যাম্বুলেন্সের চালক গাড়ি নিয়ে আসতে চায় না। বেহাল রাস্তার কারণে বর্ষাকালে স্কুল-কলেজে বা প্রাইভেট টিউশনিতে সময়মতো পৌঁছতে পারে না ওই এলাকার ছাত্রছাত্রীরা। দীর্ঘদিন ধরে যাতায়াত করার মূল রাস্তার (West Bengal Road) এই ভগ্নদশার কারণে একপ্রকার এলাকাবাসীদের জীবন যাপন করা দুর্বিষহ হয়ে উঠেছে। অথচ এই রাস্তাটি কৃষ্ণগঞ্জ ও বাদকুল্লা যাওয়ার রাস্তা।

    মাছ ধরার জাল নিয়ে বিক্ষোভ

    স্থানীয়দের অভিযোগ, রাস্তার বেহাল দশার কথা একাধিকবার স্থানীয় প্রশাসনিক মহল ছাড়াও জেলা প্রশাসনের কাছে জানানোর পরেও আজ পর্যন্ত কোনও সুরাহা মেলেনি। যার কারণে এদিন বাধ্য হয়েই জল জমে থাকা রাস্তায় মাছ ধরার জাল নিয়ে এলাকাবাসীরা রাস্তায় নেমে পথ অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করে। বিক্ষোভে শামিল হন ওই এলাকার স্কুল-কলেজ পড়ুয়া থেকে শুরু করে বিভিন্ন বয়সী পুরুষ-মহিলা, এমনকি বয়স্ক মানুষরাও। তাঁদের দাবি, অবিলম্বে রাস্তা মেরামতির ব্যবস্থা প্রশাসন না করলে আগামী দিনে বৃহত্তর আন্দোলনের পথে হাঁটতে তাঁরা বাধ্য হবেন। স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি নিজের বুথে এই রাস্তার (West Bengal Road) বেহাল দশা হলে অন্য জায়গায় কী হতে পারে!

    সেই আশ্বাস!

    এই প্রসঙ্গে পঞ্চায়েত সমিতির প্রাক্তন সভাপতি তথা বর্তমান সদস্যা মুনমুন বিশ্বাস রাস্তাটির বেহাল দশার কথা স্বীকার করে নেন। তিনি বলেন, রাস্তাটি মেরামতি করার জন্য পঞ্চায়েতের পক্ষ থেকে ইতিমধ্যেই টেন্ডার প্রসেসিং হয়ে গিয়েছে। ওয়ার্ক অর্ডার বেরোলেই মেরামতির কাজ শুরু হবে। পাশাপাশি বর্ষাকালে রাস্তায় জল জমে যাওয়ার সমস্যার সমাধানের জন্য ড্রেন তৈরি করার পরিকল্পনা রয়েছে স্থানীয় প্রশাসনের। এছাড়াও পথশ্রী প্রকল্পের মধ্যেও রাস্তাটির (West Bengal Road) নাম নথিভুক্ত করা হয়েছে। এখন দেখা যাক, কবে রাস্তাটি সারানো হয়, কবে সাধারণ গ্রামের মানুষ দুঃখ-যন্ত্রণা থেকে মুক্তি পায়।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Birbhum News: বীরভূমে কোন্দল শাসক দলে, কাজল শেখ দায়িত্ব পেতেই ছাঁটাই কেষ্ট-ঘনিষ্ঠরা?

    Birbhum News: বীরভূমে কোন্দল শাসক দলে, কাজল শেখ দায়িত্ব পেতেই ছাঁটাই কেষ্ট-ঘনিষ্ঠরা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বীরভূমে তৃণমূল কংগ্রেসের গৃহযুদ্ধ চরম আকার ধারণ করেছে। বর্তমানে জেলবন্দি রয়েছেন জেলার সভাপতি অনুব্রত মণ্ডল। তাঁর অনুপস্থিতিতে জেলা পরিষদের সভাধিপতির দায়িত্বভার রাজ্য নেতৃত্ব দিয়েছে অনুব্রতর বিরোধী নেতা বলে পরিচিত কাজল শেখকে (Birbhum News)। এবার জেলা পরিষদের সভাধিপতির দায়িত্ব পাওয়া মাত্রই অনুব্রত ঘনিষ্ঠদের ছাঁটতে শুরু করেছেন কাজল শেখ, এমনই অভিযোগ শোনা যাচ্ছে জেলা তৃণমূলের অন্দরে।

    প্রথমবার জিতেই জেলা সভাধিপতি কাজল শেখ

    বীরভূমে অনুব্রত মণ্ডল ঘনিষ্ঠ বলে পরিচিত সিউড়ির বিধায়ক বিকাশ চৌধুরিকে সরিয়ে ২০২৩ সালের পঞ্চায়েত নির্বাচনে সভাধিপতির দায়িত্ব দেওয়া হয় কাজল শেখকে (Birbhum News)। এবার জেলা পরিষদের কেষ্ট-ঘনিষ্ঠ কর্মাধ্যক্ষদের সরানোর তোড়জোড় শুরু করেছেন কাজল শেখ, এমনই অভিযোগ অনুব্রত গোষ্ঠীর। এ নিয়ে তৃণমূলকে রীতিমতো কটাক্ষ করেছেন জেলা বিজেপির সভাপতি ধ্রুব সাহা। কাজল শেখ অবশ্য বলছেন, যে কাজ করবে সেই স্থান পাবে। পুরনোরা কি সারাজীবন থেকে যাবে? নতুনরা কি চান্স পাবে না? খুব স্বাভাবিকভাবে অনুব্রত ঘনিষ্ঠদের সরানোর সিদ্ধান্ত যে সঠিক, তা আকারে-ইঙ্গিতে এভাবেই বুঝিয়ে দিচ্ছেন কাজল শেখ। জেলা পরিষদের কর্মাধ্যক্ষ পদে ছিলেন অনুব্রত অনুগামী নারায়ন হালদার এবং রবি মুর্মু। তাঁরা নিজেরাই চিঠি দিয়ে জানিয়ে দিয়েছেন যে তাঁরা পদে থাকতে চাইছেন না। পূর্ত কর্মাধ্যক্ষ হিসেবে কাজল শেখ (Birbhum News) ইতিমধ্যে তাই নাম ঘোষণা করেছেন নুরুল ইসলামের।

    গোষ্ঠী কোন্দল জেলা তৃণমূলে (Birbhum News)

    বীরভূম তৃণমূলের অন্দরের এই কোন্দল অবশ্য জনগণের কাছেও ধামাচাপা থাকেনি। কারণ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গেই বিভিন্ন কাট-আউটে দেখা যেত অনুব্রত মণ্ডলের ছবি। কিন্তু হাল আমলে অনুব্রতর ছবি বাদ গেছে। সর্বত্র দেখা যাচ্ছে কাজল শেখের ছবি। বিজেপির বীরভূম জেলা সভাপতি ধ্রুব সাহার দাবি, ‘‘দাদার ভক্ত হবে না ভাইজানের ভক্ত হবে, এই লড়াই যত দিন যাবে, তত সামনে আসবে। শুধু এলোমেলো করে দে মা, লুটেপুটে খাই। এই ব্যবস্থাই চলছে (Birbhum News) তৃণমূলের।’’

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ

  • Anubrata Mondal: বীরভূমে কি ব্রাত্য হয়ে গেলেন অনুব্রত! ‘দুয়ারে সরকার’ শিবিরে উধাও ছবি

    Anubrata Mondal: বীরভূমে কি ব্রাত্য হয়ে গেলেন অনুব্রত! ‘দুয়ারে সরকার’ শিবিরে উধাও ছবি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তৃণমূলের জেলা সভাপতি অনুব্রত মণ্ডল (Anubrata Mondal) ছিলেন বীরভূমের বেতাজ বাদশা। তাঁর কথাতেই এই জেলায় বাঘে-গরুতে একঘাটে জল খেত। ফলে, সরকারি হোক বা দলীয় কর্মসূচি, অনুব্রতের ছবি থাকা এক প্রকার অঘোষিত নির্দেশ ছিল জেলায়। গরু পাচার মামলায় গত বছর গ্রেফতার হওয়ার পরে যত দিন গিয়েছে, ততই কেষ্ট ম্যাজিক উধাও হয়ে গিয়েছে। দাপিয়ে বেড়াচ্ছেন তাঁর বিরুদ্ধ গোষ্ঠীর নেতা হিসেবে পরিচিত কাজল সেখ। এখন কেষ্টকে কার্যত ঝেড়ে ফেলা দেওয়ার মতো অবস্থা দাঁড়িয়েছে বলে দলের অন্দরে গুঞ্জন শুরু হয়েছে।

    দুয়ারে সরকার কর্মসূচিতে ব্রাত্য কেষ্ট! (Anubrata Mondal)

    ‘দুয়ারে সরকার’ শিবির বসেছে বীরভূমের দুবরাজপুর ব্লকের তৃণমূল পরিচালিত লোবা গ্রামে। লোবা পঞ্চায়েতের তরফে যে তোরণটি বসানো হয়েছে, তার উপরে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, নিচে দু’পাশে দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় এবং বীরভূম জেলা পরিষদের সভাধিপতি কাজল শেখের ছবি। এমন তোরণ থেকে বীরভূমের তৃণমূল জেলা সভাপতি অনুব্রত মণ্ডলের (Anubrata Mondal) ছবি আগেই সরেছিল। দলীয় সূত্রেই খবর, ‘প্রভাবশালী’ তকমা ঘোচাতে উঁচুতলা থেকেই দলীয় কর্মসূচিতে অনুব্রতের নামে স্লোগান দেওয়া বা তাঁর ছবি ব্যবহারে একসময়ে ‘নিষেধাজ্ঞা’ জারি হয়েছিল। আর এখন দলীয় বা সরকারি কর্মসূচিতে ‘ব্রাত্য’ অনুব্রত। একটা সময়ে মমতা, অভিষেকের সঙ্গে তোরণ, ফ্লেক্স বা ব্যানারে দেখা যাচ্ছিল জেলার অন্য নেতা বা মন্ত্রীর ছবি। তৃণমূল সূত্রেই জানা যাচ্ছে, পঞ্চায়েত ভোটের মুখে অনুব্রতের ছবি ফেরানোর ‘নির্দেশ” এসেছিল ঠিকই, কিন্তু সাময়িক। ঠিক সেই সময় থেকেই ‘উত্থান’ কাজল শেখের। দলের নানুর ব্লক কমিটির কার্যকরী সভাপতি কাজলকে প্রথমবার ভোটের টিকিট দেয় দল। প্রথম বারেই বিপুল ব্যবধানে জিতে সভাধিপতি হওয়ার পরে তাঁর ‘প্রভাব’ ও ‘দাপট’ আরও বেড়েছে জেলায়। অনুব্রতের জায়গা দখল করেছেন কাজল।

    কী বললেন তৃণমূলের জেলা পরিষদের সভাধিপতি?

    অনুব্রত-পরবর্তী অধ্যায় কি শুরু হয়ে গিয়েছে জেলায়? যার প্রতিফলন দেখা গেল লোবা পঞ্চায়েতের তরুলিয়া উচ্চ বিদ্যালয় আয়োজিত দুয়ারে সরকার শিবিরের তোরণে। যদিও কাজলের কথায়, ‘তিনি আমার অভিভাবক। আমার রাজনৈতিক গুরু। উনি জেলা সভাপতি আছেন।’ ব্যস ওই পর্যন্ত। বাস্তবে অন্য চিত্র দেখছে দলের কর্মীরা। এই প্রসঙ্গে জেলার এক নেতা বললেন,’ বিকাশদা এখন পদে নেই। কেষ্টদা (Anubrata Mondal) জেলাতেই নেই! এটা মনে রাখতে হবে। এটাই বাস্তব।’

    কেন্দ্রীয় বাহিনীর পাহারায় উড়ানে গেল অনুব্রতের (Anubrata Mondal) নথি

    অনুব্রত মণ্ডলের গরু পাচার মামলার যাবতীয় নথি দিল্লিতে নিয়ে গেলেন ইডির আধিকারিকরা। বুধবার বিকেল পাঁচটা নাগাদ অন্ডাল বিমানবন্দর থেকে দু’টি ট্রলি ভর্তি মামলার নথি নিয়ে দিল্লিতে উড়ে যান ইডির দুই আধিকারিক। তাঁদের সঙ্গে দিল্লি গিয়েছেন আসানসোল সিবিআইয়ের বিশেষ আদালতের দুই কর্মীও। দিল্লির আদালতে নথি জমা দেবেন তাঁরাই। এদিন গোটা টিমের নিরাপত্তায় ছিলেন কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানরা। জানা গিয়েছে, বিশেষ কোনও কারণ না থাকলে আজ বৃহস্পতিবার দিল্লির রাউজ অ্যাভিনিউ আদালতে গরু পাচার মামলার নথি জমা পড়ে যাবে। তারপর সিবিআইয়ের বিশেষ আদালতের দুই কর্মী দিল্লি থেকে ফিরে আসবেন।

    এবার পুজোতে তিহাড়েই থাকতে হবে সুকন্যাকে!

    এক-দুই মাস নয়, চারমাস পিছিয়ে গিয়েছে মূল গরুপাচার মামলার শুনানি। সূত্রের খবর, ২০২৪ সালের ১০ জানুয়ারি মামলার পরবর্তী শুনানি। এদিকে, দিল্লি হাইকোর্টে সুকন্যার জামিনের আবেদন আপাতত পিছিয়ে গিয়েছে বলে খবর। অর্থাৎ এবছর আর জামিনের আবেদন না হওয়ার সম্ভাবনা। সামনের বছর জামিনের আবেদন হতে পারে। যার ফলে এবার পুজোতে তিহাড়েই থাকতে হবে সুকন্যাকে। এই আদালতেই জামিনের জন্য আবেদন করেছেন অনুব্রত মণ্ডল (Anubrata Mondal)। কিন্তু তিনি কি পুজোর সময় বের হতে পারবেন? এনিয়ে এখনও কোনও নিশ্চয়তা মেলেনি। সেপ্টেম্বরের শেষ দিকে সেই মামলার শুনানি হবে। তারপরই বোঝা যাবে তিনি আদৌ পুজোর সময় জেল থেকে বের হতে পারবেন কি না।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share