Tag: anubrata mondal

anubrata mondal

  • Birbhum: কোথাও ড্রামে, কোথাও বালতিতে, প্রচুর তাজা বোমা উদ্ধার অনুব্রতর জেলায়

    Birbhum: কোথাও ড্রামে, কোথাও বালতিতে, প্রচুর তাজা বোমা উদ্ধার অনুব্রতর জেলায়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: একদিকে এগরা, ভাঙড় সহ একাধিক জায়গায় বিস্ফোরণের ঘটনায় তপ্ত রাজ্য। অন্যদিকে তার মধ্যেই বৃহস্পতিবার ড্রাম ভর্তি তাজা বোমা উদ্ধার হল। যা নিয়ে ব্যাপক আলোড়ন পড়ে গিয়েছে বীরভূমে (Birbhum)। এগুলি ফেটে গেলে মারাত্মক ঘটনা ঘটতে পারত ভেবে আতঙ্কিত এলাকার মানুষ। কয়েকদিন আগে দুবরাজপুরে বোমা বিস্ফোরণ হয়। তার রেশ কাটতে না কাটতেই বিপুল পরিমাণ তাজা বোমা উদ্ধার হল। এবার রামপুরহাট থানার নারায়ণপুর গ্রামের হাটতলা সংলগ্ন একটি পুকুরপাড়ের ঝোপ থেকে দুই ড্রাম তাজা বোমা উদ্ধার করল পুলিশ। সকালে স্থানীয়রা ড্রামগুলি দেখতে পান। এমন ঘটনায় সকলে হতবাক। তারপর তাঁরা রামপুরহাট থানার পুলিশকে খবর দেন। পুলিশ ড্রামগুলিকে ঘিরে রেখে সিআইডির বোম স্কোয়াডকে খবর দেয় বোমাগুলি নিষ্ক্রিয় করার জন্য। কোথা থেকে এগুলি এল বা কারা ড্রাম ভর্তি বোমাগুলি রাখল, সে বিষয়ে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।

    জেলা (Birbhum) জুড়ে জোর চর্চা 

    বোমা উদ্ধার হওয়াকে কেন্দ্র করে জোর চর্চা শুরু হয়েছে। পুলিশের প্রাথমিক অনুমান, দুটি ড্রাম মিলিয়ে ৩০টি বোমা রয়েছে। প্রসঙ্গত, বুধবারই বীরভূমের (Birbhum) একটি পরিত্যক্ত কোয়ার্টার থেকে বোমা উদ্ধার হয়েছিল। বোলপুর, দুবরাজপুরের পর কাঁকরতলায় বোমা উদ্ধার হওয়া নিয়ে ব্যাপক আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছিল। সেখানে ১২টি তাজা বোমা উদ্ধার হয়েছিল। সেই রেশ কাটতে না কাটতেই বীরভূমের রামপুরহাট থানার নারায়ণপুর গ্রামের হাটতলা এলাকা থেকে তাজা বোমা উদ্ধার হল। কেন এত বোমা রাখা হয়েছিল?‌ তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।

    বারাবন জঙ্গলেও (Birbhum) বালতি ভর্তি তাজা বোমা উদ্ধার

    বোমা উদ্ধার হল বীরভূম (Birbhum) জেলার খয়রাশোল ব্লকের লোকপুর থানার বারাবন জঙ্গলেও। বোলপুর, দুবরাজপুর, কাঁকড়তলার পর এবার লোকপুর থানার বারাবন জঙ্গলে প্রায় ২২টি তাজা বোমা উদ্ধার করল পুলিশ। গোপন সূত্রে খবর পেয়ে বৃহস্পতিবার সকালে বারাবন জঙ্গলে তল্লাশি চালায় লোকপুর থানার পুলিশ। সেই জঙ্গলের মধ্যে একটি প্লাস্টিক বালতিতে প্রায় ২২ টি তাজা বোমা দেখতে পায় পুলিশ। খবর দেওয়া হয় সিআইডির বোম্ব ডিসপোজাল স্কোয়াডকে। তারপর স্কোয়াডের সদস্যরা এসে বোমাগুলি নিস্ক্রিয় করে। কী কারণে বোমা মজুত করা হয়েছিল, এই বোমা মজুত করার সাথে কারা যুক্ত রয়েছে, ইতিমধ্যেই তা নিয়ে তদন্ত শুরু করেছে লোকপুর থানার পুলিশ। উল্লেখ্য, বুধবার এই বারাবন জঙ্গল মোড় থেকে আগ্নেয়াস্ত্র সহ এক ব্যক্তিকে আটক করেছিল লোকপুর থানার পুলিশ।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Anubrata Mondal: ভাগ্যের কী নির্মম পরিহাস! অনুব্রত মেয়ের মুখোমুখি হলেন সেই তিহাড় জেলে

    Anubrata Mondal: ভাগ্যের কী নির্মম পরিহাস! অনুব্রত মেয়ের মুখোমুখি হলেন সেই তিহাড় জেলে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গরুপাচার মামলায় অনুব্রত মণ্ডল (Anubrata Mondal) গ্রেফতার হয়েছিলেন গত বছরের অগাস্ট মাসে। চলতি বছরের এপ্রিলে গ্রেফতার হন কন্যা সুকন্যা। সূত্রের খবর, ২৬ এপ্রিল কন্যার গ্রেফতারির খবর শুনেই ভেঙে পড়েন অনুব্রত। জানা গেছে, ইডি অফিসারদের কেষ্ট বলেন, শেষ অবধি মেয়েকেও গ্রেফতার করলেন? তখনই মেয়ের সঙ্গে দেখা করার আর্জি জানান কেষ্ট। শনিবার বাবা-মেয়ের দেখা হল, তবে তিহাড় জেলে।

    আরও পড়ুন: দুমাসও বিয়ে হয়নি! রাজৌরিতে জঙ্গি হামলায় প্রাণ গেল বাংলার সিদ্ধান্তর

    বাবা মেয়ের দেখা তিহাড়ে

    জানা গেছে, এদিন দেখা হওয়ার সময় বাবা-মেয়ে দুজনেই আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েন। কথা বলার সময়সীমাও বেঁধে দেয় জেল কর্তৃপক্ষ। মোট ১৫ মিনিট কথা হয় দুজনের। প্রসঙ্গত, জেলে ৬ নম্বর মহিলা সেলে রয়েছেন সুকন্যা, আর কেষ্ট রয়েছেন তার পরের ৭ নম্বর সেলে। একই জেলে থাকলেও গ্রেফতারির পর থেকে এতদিন পর্যন্ত বাবা বা-মেয়ের দেখা বা কথা কিছুই হয়নি। বৃহস্পতিবারই আদালতে যখন কেষ্ট মন্ডলকে (Anubrata Mondal) নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল, তখনই জানা যায়, শনিবার তাঁর সঙ্গে দেখা হবে সুকন্যার। বৃহস্পতিবার তিনি সাংবাদিকদের বলেন, শনিবার দেখা করব। ও তো আমার মেয়ে। একশোবার দেখা করব।

    আরও পড়ুন: চলতি মাসেই কাশ্মীরে জি২০-র বৈঠক, বানচাল করতেই কি লাগাতার জঙ্গি হামলা?

    সুকন্যার জামিনের আবেদন

    অন্যদিকে গরুপাচার মামলায় জামিনের আবেদন করলেন কেষ্ট কন্যা। জানা গিয়েছে, তাঁর আইনজীবী অমিত কুমার এদিন দিল্লির রাউজ অ্যাভিনিউ আদালতে সুকন্যার জামিনের আবেদন করেন। ৩১ বছরের কেষ্টকন্যার জামিনের আবেদনে তাঁর আইনজীবী শারীরিক সমস্যার কথাও উল্লেখ করেছেন। জামিনের আবেদনের শুনানি রয়েছে ১২ মে। শোনা যাচ্ছে, সুকন্যার জামিনের বিরেধিতা করতে পারেন ইডি আধিকারিকরা। কারণ তদন্তকারী অফিসারদের যুক্তি হল, অনুব্রতর (Anubrata Mondal) গরু পাচার সংক্রান্ত যাবতীয় লেনদেন নিজেই দেখাশোনা করতেন সুকন্যা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Anubrata Mondal: তিহাড়েই কেষ্ট! খারিজ আসানসোল জেলে ফেরার আবেদন

    Anubrata Mondal: তিহাড়েই কেষ্ট! খারিজ আসানসোল জেলে ফেরার আবেদন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অনুব্রতর (Anubrata Mondal) আসানসোল জেলে ফেরার আবেদন খারিজ করে দিল দিল্লির রাউস অ্যাভিনিউ আদালত। প্রসঙ্গত, সিবিআইয়ের হাতে গ্রেফতারির পরে কেষ্ট মণ্ডলকে রাখা হয় আসানসোলের সংশোধনাগারে। ইডি হেফাজতে দিল্লি যাত্রা ঠেকাতে নানা কৌশল অবলম্বনও করতে দেখা যায় একদা বীরভূ্মের ত্রাসকে। যে পুলিশ তাঁর কথায় ওঠবস করতো তারাই মামলা ঠুকতে থাকে অনুব্রতর বিরুদ্ধে। অভিযোগ, তৃণমূল কর্মীকে মারধর। দুবরাজপুর আদালতে হাজির করিয়ে মেলে বেশ কয়েকদিনের পুলিশ হেফাজত কিন্তু তাতেও শেষ রক্ষা হয়নি, দিল্লি যেতেই হয়। প্রথমে দুসপ্তাহের ইডি হেফাজতে পরে তাঁর ঠাঁই হয় তিহাড়ে। রাজনৈতিক মহলের একাংশ বলছে, প্রভাবশালী অনুব্রত (Anubrata Mondal) আসানসোল জেলে বসেই পরিচালনা করতেন বীরভূমের সংগঠন, তিহাড়ে বসে তিনি তা করতে পারছেন না, তাই আসানসোল ফেরার জন্য উদগ্রীব হয়ে উঠেছেন তিনি। কোর্টের ভিতরে ও বাইরে দলীয় কর্মীদের সঙ্গে কথাও বলতেন কেষ্ট। জেল হেফাজতে থাকাকালীন শক্তিগড়ে দলীয় কর্মীদের সঙ্গে ল্যাংচা খেতেও দেখা গেছে তাঁকে। কিন্তু এখন তিহাড়ে দু’বার স্নান করার পর্যাপ্ত জলও মিলছে বলে অনুযোগ করেন কেষ্ট।

    আরও পড়ুুন: মানিক ভট্টাচার্যকে নিয়ে বিস্ফোরক তথ্য সিবিআইয়ের, রিপোর্ট পেশ সুপ্রিম কোর্টে

    কী বললেন বিচারক?

    তিনি তিহাড়ে থাকবেন নাকি আসানসোলে ফিরবেন এবিষয়ে অনুব্রতের আবেদনের ভিত্তিতে ১ মে দীর্ঘ শুনানি হয়েছিল দিল্লির আদালতে। তবে সেই দিন কোনও নির্দেশ দেননি বিচারক। অনুব্রতের জেল হেফাজতের মেয়াদ শেষ হওয়ায় বৃহস্পতিবার তাঁকে আদালতে হাজির করানো হয়। এদিনই বিচারক নির্দেশ দেন, অনুব্রত (Anubrata Mondal) তিহাড়েই থাকবেন। প্রসঙ্গত, ইডির আইনজীবী দিল্লির আদালতে আগে একাধিকবার বলেন, একজন অভিযুক্ত কীভাবে স্থির করতে পারেন তিনি কোন জেলে থাকবেন? দিল্লির আদালতে ইডির আইনজীবী অনুব্রতকে (Anubrata Mondal) এও বলেন, তিহাড়কেই ঘর ভেবে ফেলুন। আগামী ৩-৪ বছর এখানেই থাকতে হবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Police Superintendent: তিনমাসের মধ্যে ফের পুলিশ সুপার বদল বীরভূমে! কাকে আনা হল ওই পদে?

    Police Superintendent: তিনমাসের মধ্যে ফের পুলিশ সুপার বদল বীরভূমে! কাকে আনা হল ওই পদে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তিনমাসে দুবার। বীরভূমে পুলিশ সুপার (Police Superintendent) বদল যেন জলভাত হয়ে দাঁড়িয়েছে। তৃণমূলের নবজোয়ার কর্মসূচিতে শীঘ্রই বীরভূমে পা রাখবেন ‘যুবরাজ’ তথা তৃণমূলের সেকেন্ড ইন কমান্ড অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। বীরভূমের বেতাজ বাদশা বলে পরিচিত অনুব্রত মণ্ডল এখন স-কন্যা দিন কাটাচ্ছেন তিহার জেলে। এরকম একটা অবস্থায় ফের বদল করা হল জেলার পুলিশ সুপারকে। এতদিন এই পদে ছিলেন ভাস্কর মুখোপাধ্যায়। এবার সেই পদে আসছেন রাজনারায়ণ মুখোপাধ্যায়। ভাস্করবাবুকে পাঠানো হল বারাসত পুলিশ জেলার সুপারের দায়িত্ব দিয়ে। সেখানকারই পুলিশ সুপারের দায়িত্বে ছিলেন রাজনারায়ণ মুখোপাধ্যায়।

    এখানে অনেকেই বেশিদিন স্থায়ী হননি

    সামনেই পঞ্চায়েত ভোট। গোটা রাজ্যের মানুষের আগ্রহের কেন্দ্রবিন্দুতে বরাবরই থাকে অনুব্রতর গড় বলে পরিচিত এই বীরভূম। এখানে সংঘর্ষ, বোমাবাজির মতো ঘটনা লেগেই থাকে। বিভিন্ন ঘটনায় জেলার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে বারবার সরব হন বিরোধীরা। প্রশাসনিক সূত্রেই জানা গিয়েছে, বিগত বিধানসভা নির্বাচনের আগে তৎকালীন পুলিশ সুপার (Police Superintendent) মিরাজ খালিদকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছিল। তখন অবশ্য নির্বাচন কমিশনের সুপারিশেই প্রশাসন ওই পদক্ষেপ করেছিল। তাঁর জায়গায় আনা হয়েছিল নগেন্দ্রনাথ ত্রিপাঠীকে। উল্লেখ্য, বগটুইকাণ্ডের মতো সাড়া জাগানো ঘটনার পরও তাঁকে সরানো হয়নি। কিন্তু গত ফেব্রুয়ারিতে তাঁকে সরিয়ে ওই পদে আনা হয় ভাস্কর মুখোপাধ্যায়কে। তারপর তিনমাসও কাটলো না। ফের বদল। 

    কেন ঘন ঘন পুলিশ সুপার বদল?

    এই জেলায় ২০১৮ সালে দায়িত্ব নেওয়া শ্যাম সিংহ দু বছরেরও বেশি সময় পুলিশ সুপার (Police Superintendent) পদে ছিলেন। কিন্তু তিনি যাঁর কাছ থেকে দায়িত্ব বুঝে নিয়েছিলেন, সেই কুণাল আগরওয়াল ওই পদে ছিলেন ভাস্করবাবুর মতোই, মাত্র চার মাস। একটি সূত্রে জানা গিয়েছে, এর আগে এই জেলায় চার বছরে সাতবার পুলিশ সুপার বদলের মতো ঘটনাও ঘটেছে। ফলে অনেকেই বলছেন, এর মধ্যে নতুনত্ব কিছু নেই। অন্য একটি সূত্রে জানা গিয়েছে, ভাস্করবাবুর ডিআইজি হওয়ার জোরালো সম্ভাবনা রয়েছে। জুলাই মাসেই তাঁর পদোন্নতি হতে পারে, এমন একটা সম্ভাবনা রয়েছে। তাই তিনিই নাকি এই পদে থাকতে চাননি। যদিও অন্য সূত্র বলছে, পঞ্চায়েত ভোটের আগেই বদলি-পর্ব সেরে নিতে চাওয়ার মূল উদ্দেশ্য হল, নতুন সুপারকে এখানকার পরিস্থিতির সঙ্গে ওয়াকিবহাল করে তোলা, যাতে ভোটে কোনও অসুবিধা না হয়। অন্যদিকে, এর আগে উত্তর ২৪ পরগনার পুলিশ সুপার পদের দায়িত্ব সামলেছেন ভাস্করবাবু। তাই নিজের চেনা জায়গাতেই কি তাঁকে ফিরিয়ে নিয়ে যাওয়া হল? সবকিছুই এখন ধোঁয়াশার মধ্যে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Anubrata Mondal: অনুব্রত ঘনিষ্ঠকে পার্টি অফিসে মারধর করে বের করে দিলেন কাজল অনুগামীরা! কোথায় জানেন?

    Anubrata Mondal: অনুব্রত ঘনিষ্ঠকে পার্টি অফিসে মারধর করে বের করে দিলেন কাজল অনুগামীরা! কোথায় জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্কঃ গরু পাচারকাণ্ডে অভিযুক্ত অনুব্রত মণ্ডল (Anubrata Mondal) এখন তিহার জেলে রয়েছেন। এবারই প্রথম অনুব্রতহীন (Anubrata Mondal)  পঞ্চায়েত নির্বাচন হতে চলেছে। স্বাভাবিকভাবেই এই জেলায় এবার সংগঠন দেখার রাশ তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজের হাতে নিয়েছেন। ২৪ মার্চ কালীঘাটে তিনি বীরভূম জেলার নেতৃত্বের সঙ্গে বৈঠক করেন। সেই বৈঠকে দলীয় নেতার বিরুদ্ধে মুখ খোলার জন্য কাজল শেখকে তৃণমূল নেত্রী ধমক দেন বলে দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে। ফলে, কালীঘাটের মিটিং নিয়ে বীরভূমে শাসক দলের অন্দরে জোর চর্চা শুরু হয়েছে। এরইমধ্যে নানুরে দলীয় কার্যালয়ে কেষ্ট (Anubrata Mondal)  ঘনিষ্ঠ সংখ্যালঘু সেলের নেতা রিঙ্কু চৌধুরীকে বেধড়ক পেটানোর অভিযোগ উঠেছে কাজল শেখের অনুগামীদের বিরুদ্ধে। তৃণমূলের ওই নেতার জামাও ছিঁড়ে দেওয়া হয়। পরে, তাঁকে পাটি অফিস থেকে বের করে দেওয়া হয় বলে অভিযোগ। পঞ্চায়েত ভোটের আগে কেষ্ট (Anubrata Mondal)  অনুগামী এবং কাজল অনুগামীদের কোন্দল নিয়ে ফের সরগরম বীরভূমের রাজনীতি।

    ঠিক কী হয়েছিল? Anubrata Mondal

    এমনিতেই কাজল শেখের সঙ্গে অনুব্রত মণ্ডলের (Anubrata Mondal) বরাবরই দ্বন্দ্ব রয়েছে। কারণ, নানুর গণহত্যায় কাজল শেখের পরিবারের তিনজনের মৃত্যু হয়। আর এই গণহত্যার নেপথ্যের নায়ক তত্কালীন বাম নেতা রানা সিংহ বলে কাজল শেখের অনুগামীদের দাবি। ফলে, তৃণমূল ক্ষমতায় আসার পর কেষ্ট মণ্ডলের (Anubrata Mondal) হাত ধরে রানা সিংহ তৃণমূলে যোগ দেন। যেটা কাজল শেখ ভালোভাবে মেনে নেয়নি। প্রকাশ্যে এই ঘটনা নিয়ে মুখ খুলেছিলেন। কিন্তু, অনুব্রতের (Anubrata Mondal) ক্ষমতাবৃদ্ধি যত হয়েছে, কাজল শেখ তত দলে কোণঠাসা হয়ে পড়েছে। গরু পাচারকাণ্ডে কেষ্টর (Anubrata Mondal)  জেলযাত্রার পর থেকে বীরভূমে কাজল ফের স্বমহিমায়। তৃণমূল নেত্রীর নির্দেশে তিনি কোর কমিটিতে ঠাঁই পান। ফলে, কাজলের অনুগামীরা এখন চাঙা। গোটা এলাকা তাঁরা দাপিয়ে বেড়াচ্ছেন। দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে,  শনিবার দলীয় কার্যালয়ে কেষ্ট (Anubrata Mondal)  ঘনিষ্ঠ সংখ্যালঘু সেলের নেতা রিঙ্কু চৌধুরী বসেছিলেন। সেখানে অন্যান্য কর্মীরাও ছিলেন। কালীঘাটের বৈঠক নিয়ে কার্যালয়ে আলোচনা হয়। সেই সময় তৃণমূলের নানুর ব্লকের সভাপতি সুব্রত ভট্টাচার্য কার্যালয়ে ঢোকেন। তাঁর উপস্থিতিতে  বচসা শুরু হয়। এরপরই কাজল শেখের অনুগামীরা তাঁর উপর চড়াও হয় বলে অভিযোগ।

    কী বললেন আক্রান্ত তৃণমূল নেতা রিঙ্কু চৌধুরী? Anubrata Mondal

    দলীয় কার্যালয় থেকে জামা ছিঁড়ে বের করে দেওয়ার ঘটনায় দলীয় কোন্দল প্রকাশ্যে চলে আসে।  কারণ, রিঙ্কু অনুব্রত ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত। তাই, তাঁর উপর হামলা চালানোর অর্থ কেষ্ট মণ্ডলকে (Anubrata Mondal)  কাজল অনুগামীরা আমল দিতে নারাজ তা প্রমাণ হয়ে গেল বলে রাজনৈতিক মহল মনে করছে। হামলার প্রসঙ্গে রিঙ্কু চৌধুরী বলেন, আমি অনুব্রত মণ্ডলের (Anubrata Mondal)  অনুগামী। আমি দলীয় কার্যালয়ে বসেছিলাম। কাজল শেখ, সুব্রত ভট্টাচার্যরা বলল অনুব্রত মণ্ডলের (Anubrata Mondal)  কোনও লোককে পার্টি অফিসে ঢুকতে দেওয়া হবে না। পার্টি অফিসে থাকতে পারবে না। এরপরই ওরা আমার উপর হামলা চালায়। মারধর করে জামা ছিঁড়ে আমাকে কার্যালয় থেকে বের করে দেয়।

    কী বললেন তৃণমূলের নানুর ব্লকের সভাপতি? Anubrata Mondal

    তৃণমূলের নানুর ব্লকের সভাপতি সুব্রত ভট্টাচার্য বলেন, মারধর করা হয়নি। এটা মিথ্যা অভিযোগ। রিঙ্কু পার্টি অফিসে এসে কালীঘাটের বৈঠক নিয়ে কর্মী-নেতাদের বিরুদ্ধে নানা প্ররোচনামূলক কথা বলতে থাকেন। আমাদের দলের কর্মীরা তাতে রেগে যায়। আমি রিঙ্কুকে কার্যালয় থেকে চলে যেতে বলি। কিন্তু, ও আমাকে মারধর করতে আসে। এটা দেখেই দলের ছেলেরা রেগে যায়। তারা পার্টি অফিস থেকে তাকে বের করে দেয়। তাঁকে কোনও মারধর করা হয়নি।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Anubrata Mondal: অনুব্রত মণ্ডলকে নিয়ে একী বললেন তৃণমূলের প্রাক্তন বিধায়ক গদাধর হাজরা?

    Anubrata Mondal: অনুব্রত মণ্ডলকে নিয়ে একী বললেন তৃণমূলের প্রাক্তন বিধায়ক গদাধর হাজরা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্কঃ অনুব্রত মণ্ডলকে (Anubrata Mondal) দিল্লি নিয়ে গিয়ে যদি কষ্ট দেওয়া হয়, বীরভূম জেলার বিজেপি কর্মীদের আমরা কষ্ট দেব। রবিবার বীরভূমের নানুরে দলীয় সভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে তৃণমূলের প্রাক্তন বিধায়ক গদাধর হাজরা এই মন্তব্য করেন। পঞ্চায়েত নির্বাচনের আগে তাঁর এই হুমকি নিয়ে রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা শুরু হয়েছে।

    বিজেপি কর্মীদের ঠিক কী হুঁশিয়ারি দিলেন তৃণমূলের প্রাক্তন বিধায়ক? Anubrata Mondal

    সামনেই পঞ্চায়েত নির্বাচন। জেল থেকে ছাড়া না পেলে এবার প্রথম অনুব্রতহীন (Anubrata Mondal) পঞ্চায়েত ভোট হবে এই জেলায়। স্বাভাবিকভাবে এটা জেলা নেতৃত্বের কাছে মস্তবড় চ্যালেঞ্জ। এদিনের সভায় গদাধরবাবু বলেন, অনুব্রত মণ্ডলকে(Anubrata Mondal) নিয়ে গিয়ে এই জেলার সংগঠন শেষ করার যে পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে তা হতে দেব না। জেলা কোর কমিটির সদস্য কাজল শেখ সহ আমরা সকলে রয়েছি। সামনের পঞ্চায়েত এবং লোকসভা নির্বাচনে আমরা দেখিয়ে দেব, অনুব্রত মণ্ডলকে দিল্লি নিয়ে গিয়ে ওরা যদি আঘাত করে, কষ্ট দেয় তাহলে এই জেলার বিজেপি কর্মীদের কষ্ট দেব। এই জেলায় বিজেপিকে কী করে শেষ করতে হয় সেটা দেখিয়ে দেব।

    কে এই গদাধর হাজরা?  একসময় গদাধর হাজরা নানুর বিধানসভার (২০১১-২০১৬) বিধায়ক ছিলেন। বিধায়ক থাকার সময় তিনি নানুরের দাপুটে নেতা কাজল শেখের সঙ্গ ছেড়ে অনুব্রত মণ্ডলের (Anubrata Mondal) অনুগামী হয়েছিলেন। ২০১৬ সালে দল তাঁকে টিকিট দিলেও তিনি জিততে পারেননি। বলা ভাল, তার বিরুদ্ধ গোষ্ঠী হিসেবে পরিচিত কাজল শেখ তাঁর জয়ের পথে প্রধান বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছিল। নানুরে সেবার সিপিএম জয়ী হয়। পরবর্তী সময়ে তিনি গেরুয়া শিবিরে কিছুদিনের জন্য নাম লিখিয়েছিলেন। সেখানেও খুব বেশিদিন টিকতে না পেরে ফের তৃণমূলে ফিরে আসেন। একসময় জেলা যুব তৃণমূলের সভাপতি হয়ে গোটা বীরভূম চষে বেরিয়েছিলেন। এখন তৃণমূলে ফেরার পর তিনি কার্যত কোণঠাসা। তিনি এখন নানুর ব্লকের মাত্র দুটি অঞ্চলের সভাপতি।  জেলা কোর কমিটির নেতা কাজল শেখ, নানুরের বিধায়ক বিধানচন্দ্র মাঝি এবং নানুরের ব্লক সভাপতি সুব্রত ভট্টাচার্যের হাতেই এলাকার রাশ রয়েছে। ফলে, জেলা তো দূরের কথা নানুরে খুব বেশি দাপট দেখাতে পারে না বলে দলের অন্দরেই এই নিয়ে চর্চা রয়েছে। এমনকী দলীয় মিটিংয়ে তাঁকে ডাকা হত না বলে দলীয় নেতাদের কাছে তিনি উষ্মা প্রকাশ করেছিলেন। এমনকী কিছুদিন আগে সংবাদ মাধ্যমের সামনে সেকথা বলতে গিয়ে গদাধরবাবু বলেছিলেন, নানুরের ব্লক সভাপতি গ্রুপবাজি করছে। আমাকে মিটিংয়ে না ডাকলে কেন যাব? তাঁর বক্তব্যেই পরিষ্কার নানুরে তৃণমূল আড়াআড়িভাবে বিভক্ত। যদিও রবিবার নানুরের সভায় এক মঞ্চে দলীয় বিধায়ক, ব্লক সভাপতির সঙ্গে গদাধরবাবুকে এক আসনে বসতে দেখা গিয়েছে। পঞ্চায়েত নির্বাচনের আগে তাঁর এই হুমকি নিয়ে রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা শুরু হয়েছে। অনুব্রত মণ্ডলের (Anubrata Mondal)   নামকে সামনে রেখে বিজেপি কর্মীদের হুমকি দিয়ে দলীয় কর্মীদের কাছে আগের মতো তিনি প্রাসঙ্গিক হতে চাইছেন বলে রাজনৈতিক মহল করছেন।

    তৃণমূলের প্রাক্তন বিধায়কের মন্তব্যকে কোনওভাবে আমল দিতে নারাজ বিজেপির বীরভূম জেলার সভাপতি ধ্রুব সাহা। তিনি বলেন, পাঁচিলের উপরে বসেঅনুব্রত মণ্ডলকে (Anubrata Mondal) দিল্লি নিয়ে গিয়ে যদি কষ্ট দেওয়া হয়, বীরভূম জেলার বিজেপি কর্মীদের আমরা কষ্ট দেব। রবিবার বীরভূমের নানুরে দলীয় সভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে তৃণমূলের প্রাক্তন বিধায়ক গদাধর হাজরা এই মন্তব্য করেন। পঞ্চায়েত নির্বাচনের আগে তাঁর এই হুমকি নিয়ে রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা শুরু হয়েছে। ওরা এখন জল মাপছে। মানুষ আর ওদের কথা বিশ্বাস করবে না। আর ওই নেতা নিজেই দলে কোণঠাসা রয়েছেন। বিজেপি কর্মীদের হুমকি দিয়ে পঞ্চায়েত নির্বাচনের আগে বাজার গরম করার চেষ্টা করছে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ

  • Recruitment Scam: পার্থর ‘গুরুভাই’ ইনি, তাঁর ডাক এড়াতেন না কেষ্টও! কে এই বিভাস অধিকারী?

    Recruitment Scam: পার্থর ‘গুরুভাই’ ইনি, তাঁর ডাক এড়াতেন না কেষ্টও! কে এই বিভাস অধিকারী?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিয়োগ দুর্নীতিতে (Recruitment Scam) উঠে এল আরও এক নতুন নাম! চাকরি চুরিতে সিবিআই এবং ইডি সমানভাবে তদন্ত চালানোর পরিপ্রেক্ষিতে উঠে আসছে একের পর এক এজেন্টের নাম। চন্দন মণ্ডল, তাপস মণ্ডল, হৈমন্তী গঙ্গোপাধ্যায় থেকে শুরু করে শাহিদ ইমামের মত নাম উঠে আসার পাশাপাশি এবারে সামনে এল বীরভূমের নলহাটির এক ব্যক্তি বিভাস অধিকারীর নামও। সূত্রের খবর, নলহাটি-২ ব্লকের শীতলপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের কৃষ্ণপুর গ্রামে বাড়ি বিভাসের। জানা গিয়েছে, তিনি বর্তমানে তৃণমূল লোহাপুর ব্লক সভাপতি। যদিও বিভাসের দাবি, এই মুহূর্তে তিনি প্রত্যক্ষ রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত নন। কিন্তু সূত্রের দাবি, পার্থ, মানিকের পাশাপাশি  শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতির অন্যতম মাথা হলেন বিভাস অধিকারী।

    কীভাবে বিভাসের নাম উঠে এল?

    কুন্তল ঘোষের গ্রেফতারির পর নিয়োগ দুর্নীতির (Recruitment Scam) তদন্তে সবার প্রথমে গোপাল দলপতির নাম উল্লেখ করেন কুন্তল। এরপর গোপাল দলপতির মুখে শোনা গিয়েছিল ‘কালীঘাটের কাকু’র কথা। ‘কালীঘাটের কাকু’র আসল নাম যে সুজয়কৃষ্ণ ভদ্র, তা সামনে আনেন নিয়োগ দুর্নীতিকাণ্ডে ধৃত তাপস মণ্ডল। তারপর ‘রহস্যময়ী নারী’ অর্থাৎ হৈমন্তী গঙ্গোপাধ্যায়ের নাম সামনে আনেন যুব তৃণমূলের রাজ্য সম্পাদক কুন্তল ঘোষ। আর এবার কুন্তল ও গোপাল— দুজনের মুখেই উঠে এল বিভাস অধিকারীর নাম। কুন্তল দাবি করেছেন, তাপসের মত বিভাসও এক জন ‘এজেন্ট’। বিভাসকে কেন তলব করছে না কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা, এই প্রশ্ন করেছিলেন দুর্নীতিতে নাম জড়ানো গোপাল দলপতিও।

    কে এই বিভাস?

    সূত্রের দাবি, প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের ‘গুরুভাই’ এই বিভাস অধিকারী (Recruitment Scam)। শিক্ষা ‘দুর্নীতি’র সূচনাপর্বে বিভাসই নাকি পার্থর ‘গুরু’ ছিলেন। শুধু তাই নয়, স্থানীয় সূত্রের খবর, বিভাস এমনই এক হেভিওয়েট তৃণমূল নেতা ছিলেন, যাঁর ডাক এড়াতেন না স্বয়ং কেষ্টও। সূত্রের দাবি, বিভাসের ডাকে সাড়া দিয়ে কখনও গ্রামে এসেছেন বীরভূমের কেষ্ট মণ্ডল, কখনও মুকুল রায়, কখনও পার্থ চট্টোপাধ্যায়। এককথায় তাঁর কথা শাসকদলের কোনও নেতাই এড়িয়ে যেতেন না। ফলে এর থেকেই বোঝা যাচ্ছে, কতটা দাপুটে এই বিভাস অধিকারী।

    আরও পড়ুন: লালগোলার চাকরিপ্রার্থীর আত্মহত্যায় যোগ রয়েছে নিয়োগ দুর্নীতির! কী বললেন বিচারপতি মান্থা

    সূত্রের খবর, বিভাস অধিকারী এলাকায় রাজনীতিক ছাড়াও ধর্মীয় ব্যক্তি হিসেবে পরিচিত। সূত্র মারফত জানা যাচ্ছে, বিভাস অধিকারীর চারটি বি.এড, ডি.এলএড কলেজ রয়েছে। আয়ুর্বেদিক ওষুধ তৈরির কারখানা রয়েছে তাঁর। এছাড়াও বিভিন্ন জায়গায় কোটি কোটি টাকার সম্পত্তি রয়েছে। তবে সেই সকল সম্পত্তি ধর্মীয় ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়। বিভাস অধিকারী ১৯৯১ সালে উচ্চ মাধ্যমিক দেন এবং ইংরেজিতে ব্যাক পান। পরে বহরমপুর থেকে স্পোকেন ইংলিশ শেখেন। মুর্শিদাবাদের পাঁচগ্রামে একটি বাংলা ইংরেজি টাইপ স্কুল চালান। ভাগীরথী করেসপন্ডেন্স কলেজ নামে এর একটি শাখাও গড়ে তোলেন তাঁর মামার সহযোগিতায়। এর পাশাপাশি ২০০০ সাল নাগাদ বহরমপুর থেকে একটি পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন তিনি। সেই সময় থেকে একটি বেসিক ট্রেনিং স্কুল গড়ে তোলার চেষ্টা চালাতে দেখা যায় তাকে। যদিও ২০১১ সাল পর্যন্ত রাজ্য সরকারের থেকে অনুমোদন না পেলেও এনসিইআরটি অনুমোদন থাকায় তাঁর ব্যবসা রমরমিয়ে চলে। কলকাতায় ফ্ল্যাট রয়েছে এখন। সিউড়ির কাছে কোটি কোটি টাকার সম্পত্তি কেনা হয়েছে বলেও অভিযোগ রয়েছে (Recruitment Scam)।

    তবে সবথেকে চাঞ্চল্যকর তথ্য, প্রাথমিক টেটে একেবারে প্রথমপর্বে ২ হাজার ভুয়ো শিক্ষক নিয়োগে (Recruitment Scam) এই বিভাসের ভূমিকা অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ ছিল বলে তদন্তকারী সংস্থা সূত্রে খবর। আর সেই সূত্র ধরেই খোঁজ চালাচ্ছে ইডি। যদিও এ নিয়ে বিভাস অধিকারী বলেন, “আমি চাই আসল সত্য প্রকাশ্যে আসুক। কোনও অবৈধ কিছু নেই। ১০০ বার ডাকলে ১০০ বার যাব। আমি কোনও সক্রিয় রাজনীতি করি না। আগামিদিনে ইডি বা সিবিআই ডাকলে অলওয়েজ ওয়েলকাম। প্রথম থেকে বলে আসছি। ইডি তদন্ত করেছে। আমার যাবতীয় কাগজপত্র যা চেয়েছিল, সবই জমা দিয়েছি। ওরা আজ পর্যন্ত কিছুই পায়নি।”

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Anubrata Mondal: লটারি দুর্নীতি নিয়ে জেরা! অনুব্রত কন্যা সুকন্যাকে ফের দিল্লিতে তলব ইডির

    Anubrata Mondal: লটারি দুর্নীতি নিয়ে জেরা! অনুব্রত কন্যা সুকন্যাকে ফের দিল্লিতে তলব ইডির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অনুব্রত কন্যা সুকন্যা মণ্ডলকে আবার দিল্লিতে তলব করল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ED)। ইডি সূত্রে খবর, আগামী ১ ডিসেম্বর তাঁকে দিল্লিতে ডেকে পাঠানো হয়েছে। ঘটনাচক্রে, ওই দিনই দিল্লি হাই কোর্টে উঠবে অনুব্রতের মামলা। গরু পাচার মামলা ও অর্থ তছরুপের ক্ষেত্রে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য অনুব্রত মণ্ডলকেও দিল্লি নিয়ে গিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করতে চায় এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। অনুব্রতকে দিল্লি নিয়ে যেতে চেয়ে দিল্লির রাউস অ্যাভিনিউ আদালতে মামলা করে ইডি। তবে তা ঠেকাতে দিল্লি হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন বীরভূমের তৃণমূল জেলা সভাপতি। সেই মামলার শুনানিও ১ ডিসেম্বর।

    আবারও দিল্লি যাত্রা সুকন্যার

    চলতি মাসের শুরুতেই সুকন্যাকে পর পর তিন দিন দফায় দফায় দিল্লিতে জিজ্ঞাসাবাদ করেছিল ইডি। গত ৪ নভেম্বর শেষ বার ইডির দফতরে দীর্ঘ ক্ষণ জেরা করা করা হয় অনুব্রত কন্যাকে। দফতর থেকে বাইরে বেরিয়ে সুকন্যা জানিয়েছিলেন, ‘‘যা সত্যি, সবটাই বলে এসেছি।’’ যদিও তদন্তকারীদের কাছে তিনি ঠিক কী বলেছেন, তা সবিস্তারে জানাননি তিনি। আবারও রাজধানীতে তাঁকে কেন তলব করা হল ইডি সূত্রে তা এখনও পর্যন্ত জানানো হয়নি। তবে  তদন্তকারীদের দাবি, ২০১৪ সালের আগে সুকন্যার বছরে আয় ছিল ৩ লাখ টাকার মতো। ২০১৫ সাল থেকে লাগাতার আয় বেড়েছে তাঁর। গত দু’বছরে সুকন্যার বার্ষিক আয় ১ কোটি টাকার কাছাকাছি পৌঁছে গিয়েছে। তদন্তে নেমে ইডি জানতে পেরেছে, বোলপুরে ‘ভোলে ব্যোম’ নামে একটি চালকলের যৌথ মালিকানা রয়েছে সুকন্যার। দু’টি সংস্থারই ডিরেক্টর তিনি। ব্যাঙ্কে কোটি কোটি টাকার ‘ফিক্সড ডিপোজিট’ রয়েছে।

    আরও পড়ুন: জামিনের আবেদনই করলেন না, আরও ১৪ দিন জেল হেফাজতেই কেষ্ট

    লটারি দুর্নীতি

    সুকন্যা শেষ বার ইডি দফতরে হাজিরা দেওয়ার পরে অনুব্রতের বিরুদ্ধে লটারি-দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। সিবিআই সূত্রে খবর, অনুব্রত ও তাঁর মেয়ে সুকন্যার নামে লটারিতে কোটি কোটি টাকা পাওয়া নিয়ে তদন্ত চলছে জোরকদমে।   তদন্ততে উঠে এসেছে, গত চার বছরে অনুব্রত, তাঁর স্ত্রী, মেয়ে সুকন্যা, তাঁদের আত্মীয় ও তাঁর ঘনিষ্ঠদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে ১৬ কোটি ৪৫ লক্ষ টাকা জমা পড়েছে। বীরভূমের দু’টি রাষ্ট্রায়ত্ত ও একটি বেসরকারি ব্যাঙ্কে ওই অ্যাকাউন্টগুলি রয়েছে। জিজ্ঞাসাবাদ করতে  ইতিমধ্যেই তিন ব্যাঙ্ক আধিকারিককে তলব করেছে সিবিআই। বুধবারও বোলপুরে একটি বেসরকারি ব্যাঙ্ক শাখার আধিকারিককে ডেকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছেন তদন্তকারীরা। সুকন্যা শেষ বার ইডি দফতরে হাজিরা দেওয়ার পরে অনুব্রতের বিরুদ্ধে লটারি-দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।   

  • Anubrata Mondal: সিবিআই-এর তলব এড়িয়ে ই-মেল করলেন কেষ্ট কন্যা, কী লিখেছেন চিঠিতে?

    Anubrata Mondal: সিবিআই-এর তলব এড়িয়ে ই-মেল করলেন কেষ্ট কন্যা, কী লিখেছেন চিঠিতে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সিবিআই-এর ডাক এড়ালেন কেষ্ট (Anubrata Mondal) কন্যা সুকন্যা (Sukanya Mondal)। গরু পাচার মামলায় (Cattle Smuggling Case) জেলে রয়েছেন অনুব্রত মণ্ডল, এমন পরিস্থিতিতে সুকন্যা মণ্ডলকে গতকাল সিবিআই ডেকেছিল। কিন্তু তিনি সিবিআই-এর দফতরে উপস্থিত না হয়ে পাঠিয়েছেন চিঠি। কী আছে চিঠিতে? সূত্রের খবর অনুযায়ী, সুকন্যা রয়েছেন রাজ্যের বাইরে। তাই তিনি সিবিআই-এর কাছে সময় চেয়েছেন। তিনি জানিয়েছেন রাজ্যের বাইরে থাকার জন্য তিনি হাজিরা দিতে পারেননি। সূত্রের খবর অনুযায়ী, তাঁর সংস্থার আয়–ব্যয়ের গড়মিলের নথি নিয়েই গতকাল, সোমবার সিবিআই সুকন্যাকে হাজিরার নির্দেশ দিয়েছিল।

    তবে গতকাল শুধুমাত্র কেষ্ট কন্যা সুকন্যাকেই নয়, অনুব্রত (Anubrata Mondal) ঘনিষ্ঠ বিদ্যুৎবরণ গায়েন-কেও হাজিরার নির্দেশ দিয়েছিল সিবিআই। আর তিনিও সুকন্যার মতই সিবিআই-এর ডাক এড়িয়ে গেলেন। তবে গতকাল সিবিআই-এর ডাক এড়ানোর কোনও কারণ জানানো হয়নি। সুকন্যার সংস্থা এএনএম অ্যাগ্রোকেম ফুড প্রাইভেট লিমিটেডকে নোটিস ধরিয়ে সেটির আয়ব্যয়ের যাবতীয় নথি চেয়ে সোমবার সুকন্যা ও বিদ্যুৎবরণকে তলব করেছিল সিবিআই।

    জানা গিয়েছে, আইনজীবী মারফত সিবিআইকে পাঠানো চিঠিতে সুকন্যা দাবি করেছেন, তাঁর বন্ধুর চিকিৎসার জন্য তিনি এখন চেন্নাইতে রয়েছেন। সেখান থেকে ফিরে এসে নিজেই যোগাযোগ করবেন তদন্তকারী সংস্থার সঙ্গে। ফলে তিনি সময় মত পৌঁছতে পারেননি। তবে পরবর্তীতে কবে তিনি হাজিরা দিতে যাবেন, তা এখনও জানা যায়নি। আরও জানা গিয়েছে, সুকন্যা ই-মেল করে সিবিআইকে নিজের সংস্থার আয়ব্যয়ের হিসাব দিয়েছেন বলে সূত্রের খবর।

    আরও পড়ুন: এবার কেষ্টকন্যা সুকন্যাকে দিল্লিতে তলব ইডির

    তদন্তকারী সংস্থার দাবি, ২০১৫ সালের পর থেকে হঠাৎ সুকন্যা মণ্ডলের স্থাবর ও অস্থাবর সম্পত্তির পরিমাণ বেড়েছে। ব্যাংক থেকে মিলেছে ১৮ কোটি টাকার ফিক্সড ডিপোজিটের নথি। এছাড়াও বেশ কয়েকটি চাল কলের মালিকানা রয়েছে তাঁর নামেই, তাই তাঁর আয়–ব্যয়ের হিসেব নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করতে চাইছে সিবিআই অফিসাররা। সিবিআই-কে আগে যেসব নথি তিনি পাঠিয়েছিলেন তাতে অনেক তথ্য স্পষ্ট উল্লেখ নেই, তাই নোটিস পাঠিয়ে তাঁকে হাজিরার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল।

    প্রসঙ্গত, এর আগেও গত সেপ্টেম্বরে সুকন্যাকে নোটিস দিয়েছিল সিবিআই। সেসময় নিজের অসুস্থতার দোহাই দিয়ে সময় চেয়ে নিয়েছিলেন সুকন্যা। পরে আইনজীবী মারফত নথি পাঠানো হয়েছিল। এ বারও নোটিস পেয়ে তলব এড়ালেন অনুব্রত-কন্যা (Anubrata Mondal)। আবার সিবিআই তলবের পাশাপাশি আগামী ২৭ তারিখ দিল্লিতে সুকন্যাকে তলব করেছে ইডি-ও। ফলে সিবিআই-এর তলব এড়ানোর পাশাপাশি ইডির তলবও তিনি এড়িয়ে যাবেন কিনা সেটিই এখন দেখার।

LinkedIn
Share