Tag: anubrata mondal

anubrata mondal

  • Anubrata Mondal: অনুব্রত-মামলার শুনানি এবার দিল্লিতে, দুই সুটকেসে ফাইল নিয়ে গেল ইডি

    Anubrata Mondal: অনুব্রত-মামলার শুনানি এবার দিল্লিতে, দুই সুটকেসে ফাইল নিয়ে গেল ইডি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জল্পনা চলছিল বেশ কিছুদিন ধরেই। এবার সেটাই বাস্তবায়িত হতে চলল। আসানসোল থেকে দিল্লিতে সরল গরু পাচার মামলা। দু’টি সুটকেসে ফাইল ভর্তি করে দিল্লি নিয়ে গেলেন ইডির দুই আধিকারিক। মূলত, দুটি সুটকেসে থাকা ফাইলে গরু পাচার মামলায় অভিযুক্ত অনুব্রত মণ্ডল (Anubrata Mondal) এবং অন্যদের সম্পর্কিত যাবতীয় তথ্য রয়েছে। বুধবার সেই ফাইল আসানসোল থেকে দিল্লির রাউস অ্যাভিনিউ আদালতে নিয়ে গেল ইডি। বুধবার ইডির দুই আধিকারিক এসেছিলেন আসানসোল আদালতে। সঙ্গে দুই সিআইএসএফ কর্মী ছিলেন। দু’টি সুটকেসে তাঁরা বেরিয়ে যান।

    দিল্লিতে মামলা স্থানান্তর নিয়ে কী নির্দেশ দিয়েছিল আদালত?

    গত ৬ সেপ্টেম্বর গরু পাচার মামলা আসানসোল থেকে দিল্লির আদালতে স্থানান্তরের নির্দেশ দেয় আদালত। এই মামলায় অভিযুক্ত হিসাবে নাম রয়েছে বীরভূমের তৃণমূল জেলা সভাপতি অনুব্রত মণ্ডল (Anubrata Mondal) ও তাঁর মেয়ে সুকন্যা মণ্ডল, প্রাক্তন দেহরক্ষী সহগল হোসেনের। এ ছাড়া এনামুল হক, বিএসএফ কমান্ড্যান্ট সতীশ কুমার-সহ বেশ কয়েক জন রয়েছেন। তাঁদের বেশির ভাগই এখন তিহাড় জেলে বন্দি। গত ২৮ জুলাই আসানসোলে সিবিআইয়ের বিশেষ আদালতে ইডির তরফে ৪৪ (১/সি) নম্বর ধারায় এই মামলা স্থানান্তরের জন্য আবেদন করে ইডি। দুই দফায় ঘণ্টা দেড়েক ধরে ইডির আবেদনের ভিত্তিতে এই মামলার শুনানি হয়। তৃতীয় বারের শুনানিতে ইডির আর্জি গ্রহণ করে আদালত। বিচারক নির্দেশ দেন, গরু পাচার মামলার শুনানি এখন থেকে দিল্লির আদালতে হবে। ফলে, তৃণমূল নেতা অনুব্রত যে মামলায় গ্রেফতার হয়েছেন, তার যাবতীয় শুনানি হবে সেখানে।

    এ বার দিল্লির আদালতে গরু পাচার মামলার শুনানি!

    বেশ কয়েকবার অনুব্রত (Anubrata Mondal) তিহাড় থেকে আসানসোলের সংশোধনাগারে তাঁকে ফেরানোর আর্জি জানিয়ে বলেন, তিনি অসুস্থ। রোগা হয়ে যাচ্ছেন। তাঁকে বাংলায় ফেরানো হোক। কিন্তু, ওই তৃণমূল নেতার আবেদনের আর শুনানি হয়নি আসানসোলের বিশেষ সিবিআই আদালতে। এ বার দিল্লির আদালতে গরু পাচার মামলার শুনানির তোড়জোড় শুরু করল কেন্দ্রীয় সংস্থা।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Anubrata Mondal: ফের খারিজ অনুব্রতর জামিনের আবেদন! পরবর্তী শুনানি ১৪ জুলাই

    Anubrata Mondal: ফের খারিজ অনুব্রতর জামিনের আবেদন! পরবর্তী শুনানি ১৪ জুলাই

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আবার জামিন খারিজ হল অনুব্রত মণ্ডলের (Anubrata Mondal)। প্রভাবশালী তত্ত্বেই ফের খারিজ হল জামিন। শুক্রবার আসানসোলে সিবিআইয়ের বিশেষ আদালতে তার হয়ে জামিনের আবেদন করেছিলেন আইনজীবী সোমনাথ চট্টরাজ। যে কোনও শর্তে জামিন চেয়েছিলেন অনুব্রত। কিন্তু তা ফিরিয়ে দেয় আসানসোল সিবিআইয়ের বিশেষ আদালত। আগামী ১৪ জুলাই মামলার পরবর্তী শুনানির নির্দেশ দেন বিচারক রাজেশ চক্রবর্তী। প্রসঙ্গত, ২০২২ সালের ১১ অগাস্ট বোলপুরে অনুব্রতর বাড়ি থেকে তাঁকে গ্রেফতার করে সিবিআই। প্রসঙ্গত পঞ্চায়েত নির্বাচনের দামামা বেজে গিয়েছে। আগামী ৮ এপ্রিল রাজ্যে পঞ্চায়েত নির্বাচন হবে। এবার প্রথম অনুব্রত মণ্ডল পঞ্চায়েত নির্বাচনে অনুপস্থিত থাকবেন। ২০১৮ সালে পঞ্চায়েত নির্বাচনে রাস্তায় উন্নয়ন দাঁড়িয়ে থাকার কথা বলেছিলেন কেষ্ট। যা নিয়ে কবিতাও লিখেছিলেন শঙ্খ ঘোষ।

    কী বললেন অনুব্রতের আইনজীবী?

    অনুব্রতের (Anubrata Mondal) আইনজীবী এদিন বলেন, “আমার মক্কেল ২০২২ সালের ১১ অগস্ট থেকে জেল বন্দি হয়ে আছেন। তাঁর বিরুদ্ধে পাঁচটি চার্জশিট জমা পড়েছে। কবে নাগাদ ট্রায়াল শুরু হবে তা জানা যাচ্ছে না। তাঁকে যে কোনও শর্তে জামিন দেওয়া হোক।” তা শুনে পাল্টা প্রভাবশালী তত্ত্ব খাড়া করেন সিবিআইয়ের আইনজীবী।

    কী বললেন বিচারক?

    এদিনও সিবিআই প্রভাবশালী তত্ত্বকে সামনে আনেন। সিবিআইয়ের আইনজীবী রবি কিষাণ বলেন, ‘‘উনি ভীষণই প্রভাবশালী ব্যক্তি। তদন্ত এখন চূড়ান্ত পর্যায়ে। এই সময় তাঁকে জামিন দেওয়া হলে স্বাক্ষীদের প্রভাবিত করতে পারেন।’’  আর এতেই সিলমোহর দেন বিচারক। বিচারক সিবিআইয়ের তদন্তকারী অফিসার সুশান্ত ভট্টাচার্যকে বিচারক রাজেশ চক্রবর্তী জিজ্ঞাসা করেন, ‘‘২৮৩ জন সাক্ষীর বয়ান নেওয়া হয়েছে। আর কত সময় লাগবে?’’ প্রত্যুত্তরে সুশান্ত বলেন, ‘‘নতুন নতুন তথ্য উঠে এসেছে। তার জন্য কয়েক জন সাক্ষীর বয়ান প্রয়োজন।’’ তদন্ত কতদিন চলবে? আদালতের এই প্রশ্নের জবাবে সিবিআইয়ের তদন্তকারী অফিসার বলেন, ‘‘খুব শীঘ্রই চূড়ান্ত চার্জশিট দেওয়া হবে।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Cow Smuggling Case: কেষ্টর প্রাক্তন দেহরক্ষী সায়গলের আরও কোটি টাকার সম্পত্তির হদিশ পেল সিবিআই

    Cow Smuggling Case: কেষ্টর প্রাক্তন দেহরক্ষী সায়গলের আরও কোটি টাকার সম্পত্তির হদিশ পেল সিবিআই

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তিনি ছিলেন নিছকই এক তৃণমূল (TMC) নেতার দেহরক্ষী। কতই বা আর মাইনে! তবে তৃণমূল জমানায় ঘাসফুল শিবিরের ওই নেতার সঙ্গে সঙ্গে ফুলে ফেঁপে উঠেছেন ওই দেহরক্ষীও (Cow Smuggling Case)। ফের একবার প্রমাণ মিলল তার। তৃণমূলের বীরভূম জেলা সভাপতি অনুব্রত মণ্ডলের (Anubrata Mondal) প্রাক্তন দেহরক্ষী সায়গল হোসেনের আরও প্রায় ১ কোটি টাকার সম্পত্তির হদিশ পেয়েছে সিবিআই। শুক্রবার এই মর্মে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার তরফে নথিও পেশ করা হয়েছে আসানসোলের সিবিআই আদালতে। আদালতে সিবিআই জানিয়েছে, জমা দেওয়া চার্জশিটে সায়গলের নামে যে সম্পত্তি দেখানো হয়েছিল, এখন যে কোটি টাকার সম্পত্তির হদিশ মিলেছে, সেটা তার বাইরে। 

    তিহাড়ে সায়গল

    গরু পাচার কেলেঙ্কারি (Cow Smuggling Case) মামলায় ফেঁসে গিয়ে প্রথমে সিবিআই ও পরে ইডির মামলায় গ্রেফতার হয়ে বর্তমানে দিল্লির তিহাড় জেলে রয়েছেন সায়গল। ওই জেলের গরাদেই বিষণ্ণ দিন গুজরান করছেন সায়গল যাঁর দেহরক্ষী ছিলেন, সেই অনুব্রতও। অনুব্রত ও সায়গলের বিপুল পরিমাণ সম্পত্তির হদিশ আগেই পেয়েছিলেন সিবিআইয়ের গোয়েন্দারা। আদালতে তা পেশও করা হয়েছে। তাতে দেখা গিয়েছে, অনুব্রত ও তাঁর পরিবারের অন্য সদস্যদের নামে থাকা প্রায় ৪৫টি জমির দলিলের পাশাপাশি সায়গলের নামেও ডিড রয়েছে সাতটি জমির লিজের।

    আরও সম্পত্তির হদিশ

    সেই খতিয়ানও জমা দেওয়া হয়েছে আদালতে। সায়গলের বাড়ি ও বিভিন্ন ফ্ল্যাটে তল্লাশি চালিয়ে নগদ টাকা, গয়না সহ বিপুল পরিমাণ সম্পত্তির দলিলও উদ্ধার করা হয়েছে। সমস্ত তথ্য খতিয়ে দেখে সিবিআই দাবি করেছিল, অনুব্রত ও সায়গলের সম্পত্তির পরিমাণ গরু পাচার মামলায় মূল অভিযুক্ত এনামুল হকের বাজেয়াপ্ত করা সম্পত্তিকে ছাপিয়ে যেতে পারে। এদিন আদালতে সিবিআই (Cow Smuggling Case) জানায়, সায়গলের কাছ থেকে তারা আরও ৮টি জমির হদিশ পেয়েছে। এর বাজারদর অন্তত ৬০ লক্ষ টাকা। জমিগুলি রয়েছে বীরভূমের সিউড়ি ও মুর্শিদাবাদের ডোমকল এলাকায়।

    আরও পড়ুুন: বাদল অধিবেশনেই সংসদে পেশ অভিন্ন দেওয়ানি বিধি বিল! ভাবনা মোদি সরকারের

    জমিগুলি রয়েছে সায়গলের মা ও স্ত্রীর নামে। তাঁদের নামে ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টেরও সন্ধান পেয়েছেন গোয়েন্দারা। অ্যাকাউন্টগুলিতে রয়েছে প্রায় ৩৫ লক্ষ টাকা। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার দাবি, গরু পাচারের কালো টাকা প্রথমে একটি শেল কোম্পানিতে জমা করে সাদা করা হয়েছে। পরে গচ্ছিত রাখা হয়েছে ওই অ্যাকাউন্টগুলিতে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • BJP: অনুব্রতর গড়ে ফের ভাঙন, তৃণমূল সাংসদ অসিত মালের ভাইপো যোগ দিলেন বিজেপিতে

    BJP: অনুব্রতর গড়ে ফের ভাঙন, তৃণমূল সাংসদ অসিত মালের ভাইপো যোগ দিলেন বিজেপিতে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পঞ্চায়েত নির্বাচনের আগে অনুব্রত মণ্ডলের খাসতালুকে তৃণমূলে ভাঙন ধরাল বিজেপি (BJP)। ত্রিস্তর পঞ্চায়েত নির্বাচনের মনোনয়ন পত্র দাখিলের কাজ বৃহস্পতিবারই শেষ হয়েছে। পঞ্চায়েত নির্বাচনের মনোনয়ন দাখিলের শেষ পর্বে দেখা যায় বিভিন্ন দলের টিকিট বন্টন নিয়ে দলীয় কর্মীদের মধ্যে রয়েছে চাপা ক্ষোভ। প্রতিবাদ জানাতে অনেকেই ভোট ময়দানে সামিল হয়েছেন দলীয় গোঁজ প্রার্থী হিসেবে। অনেকে আবার দলবদল করে প্রতিবাদ জানাচ্ছেন। এবার তৃণমূল কংগ্রেসের সরাসরি বিরোধিতা করতে বোলপুর লোকসভা কেন্দ্রের তৃণমূল সাংসদ অসিত মালের ভাইপো রূপেস মাল শুক্রবার  বিজেপির রামপুরহাটে শাখায় যোগদান করলেন। অন্যদিকে, এদিন সকালে বীরভূমের  ময়ূরেশ্বর-১ নম্বর ব্লকের মল্লারপুর-২ নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েতের তৃণমূলের প্রাক্তন বুথ সভাপতি বিকাশ পত্রধর বিজেপিতে যোগদান করলেন। তিনি ময়ূরেশ্বরের তৃণমূল বিধায়ক অভিজিৎ রায়ের ছায়া সঙ্গী হিসেবেই পরিচিত ছিলেন। তবে, তিনি একা দলবদল করেছেন এমন নয়,  তাঁর সঙ্গে এলাকার আরও প্রায় ৩০০ জন কর্মী সমর্থক নিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে বিজেপিতে যোগদান করেন। বিকাশ পত্রধরের  হাতে পতাকা তুলে দেন রাজ্য কমিটির সদস্য অর্জুন সাহা। পাশপাশি উপস্থিত ছিলেন মণ্ডল সভাপতি সহ অনান্যরা। বিধায়ক এবং দলের দুর্নীতির বিরুদ্ধে লড়াই করতে বিজেপিতে যোগদান বলে জানিয়েছেন বিকাশবাবু।

    কী বললেন দলত্যাগী নেতা?

    রাজ্যজুড়ে শাসক দলের গোষ্ঠী কোন্দল বারবার প্রকাশ্যে এসেছে সাম্প্রতিককালে। তবে পঞ্চায়েত নির্বাচনের আগে যে সেই কোন্দল আরও প্রকট হয়েছে। বিশেষ করে অনুব্রত গড় বীরভূম জেলায় তৃণমূলের ভাঙন অব্যাহত রয়েছে। কখনও তৃণমূল কর্মীরা দল ছেড়ে যোগদান করছেন সিপিএমে, কখনও আবার বিজেপিতে (BJP), কখনও আবার কংগ্রেসে। তবে বেশিরভাগ সময় দেখা গিয়েছে শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেস ছেড়ে গেরুয়া শিবিরে যোগদানের সংখ্যা বেশি। পঞ্চায়েত নির্বাচনের আগে এভাবে শাসকদল ভেঙে বিজেপিতে যোগদানের ঘটনা গেরুয়া শিবিরকে নির্বাচনের আগে বাড়তি অক্সিজেন জোগাবে বলে রাজনৈতিক মহল মনে করছে। তৃণমূল সাংসদের ভাইপো রূপেশ মাল বলেন তৃণমূল দলে তিনি যথাযথ সম্মান পাচ্ছিলেন না, তাছাড়া তৃণমূল যোগ্য ব্যক্তিদের বঞ্চিত করে অযোগ্য ব্যক্তিদের পঞ্চায়েত নির্বাচনে প্রার্থী মনোনীত করে টিকিট দিয়েছে। এজন্যই তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগদান করলাম। অন্যদিকে, বিজেপিতে যোগ দিয়ে বিকাশ পত্রধর বলেন, আমি প্রথম দিন থেকে তৃণমূল করতাম। এখন দলটা দুর্নীতিতে ভরে গিয়েছে। দুর্নীতি মুক্ত পঞ্চায়েত গড়তেই তৃণমূল ছেড়েছি। কয়লা, গরু, পাথর খাদানের টাকা সব ভাইপোর (অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়) কাছে যায়। এই টাকায় রাজ্যের অনেক উন্নয়ন হত।  স্থানীয় তৃণমূল বিধায়ক এখন চোরদের নিয়ে ঘোরে। এই দলটা আর করা যায় না। এখন এই এলাকায় বিজেপির জনজোয়ার। ময়ুরেশ্বর পঞ্চায়েত সমিতি দখল করবে বিজেপি।

    কী বললেন বিজেপি (BJP) নেতৃত্ব?

    বিজেপির জেলা সভাপতি ধ্রুব সাহা বলেন  তৃণমূলের নবজোয়ার শেষ হতে না হতেই দেখা দিয়েছে ভাটা। আজকে তৃণমূল সাংসদদের নিজের ভাইপো বিজেপিতে যোগদান তারই জ্বলন্ত প্রমাণ। অন্যদিকে, বিজেপি (BJP) নেতা অর্জুন সাহা বলেন, বিকাশ এলাকায় অত্যন্ত জনপ্রিয় নেতা। ভালো সংগঠক। তাঁর নেতৃত্বে কয়েকশো কর্মী সমর্থক আমাদের দল যোগ দিলেন। এতে পঞ্চায়েত নির্বাচনের আগে দলের সংগঠন অনেকটাই মজবুত হল।

    কী বললেন তৃণমূল নেতৃত্ব?

    জেলা পরিষদের কো মেন্টর ধীরেন্দ্রনাথ ব্যানার্জি বলেন বিকাশ পত্রধর এখন তৃণমূলে নেই। সে কোন দল করবে, না করবে সেটা ওর ব্যাপার তৃণমূলের কোনও কিছু যায় আসে না।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Anubrata Mondal: কেষ্টর কোথায় কষ্ট! ‘বাঘ’-কে দেখতে তিহাড়ে ২ তৃণমূল সাংসদ, লক্ষ্য পঞ্চায়েত?

    Anubrata Mondal: কেষ্টর কোথায় কষ্ট! ‘বাঘ’-কে দেখতে তিহাড়ে ২ তৃণমূল সাংসদ, লক্ষ্য পঞ্চায়েত?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জেলবন্দি অনুব্রত মণ্ডল (Anubrata Mondal) ও তাঁর কন্যার সঙ্গে দেখা করতে তিহাড়ে পৌঁছে গেল তৃণমূলের ২ সাংসদ। শুক্রবার, তৃণমূলের ২ প্রতিনিধি— দলের রাজ্যসভার সাংসদ দোলা সেন এবং বোলপুরের সাংসদ অসিত মাল জেলবন্দি অনুব্রতর সঙ্গে দেখা করেন।

    নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় আরও অনেক আগে থেকে কলকাতায় জেলে বন্দি রয়েছেন দলের একদা মহাসচিব পার্থ চট্টোপাধ্যায়। এখনও পর্যন্ত, তাঁকে দেখতে দলের তরফে কাউকে জেলে পাঠানো হয়নি। অথচ, অনুব্রতর সঙ্গে দেখা করতে একেবারে তিহাড়ে পৌঁছে গেল ২ জন সাংসদ! রাজনৈতিক মহলের কাছে এই বিষয়টির অন্য তাৎপর্যপূর্ণ রয়েছে।

    পার্থ বনাম অনুব্রত

    রাজনৈতিক মহলের মতে, দুই দুর্নীতি মামলায় জেলবন্দি দুই হেভিওয়েট নেতার ক্ষেত্রে দলের শীর্ষ নেতৃত্বের দুরকম আচরণ দিনের আলোর মতো পরিষ্কার। শিক্ষা দুর্নীতি মামলায় পার্থ গ্রেফতার হওয়ার পর তাঁর উপর থেকে কার্যত ‘হাত তুলে নেয়’ তৃণমূল। প্রথমে পার্থকে মন্ত্রিত্ব থেকে সাসপেন্ড করা হয়। তারপর দল থেকেও তাঁকে বরখাস্ত করা হয়।

    উল্টোদিকে, গরু পাচার মামলায় ধৃত অনুব্রতর (Anubrata Mondal) ক্ষেত্রে তেমনটা ঘটেনি। এখনও তিনি তৃণমূলের বীরভূম জেলা সভাপতি পদে বহাল। তাঁকে সাংগঠনিক পদ থেকেও সরায়নি তৃণমূল। দল থেকে তো বরখাস্তের প্রশ্নই নেই। এমনকি, একাধিক সমাবেশে ‘কেষ্ট’-র ওপর আস্থা রাখতেই শোনা গিয়েছে তৃণমূলনেত্রীর গলায়। দল যে অনুব্রতর পাশে রয়েছে, তা নিজ মুখে ঘোষণা করেছেন খোদ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

    কেষ্ট-সাক্ষাতের নেপথ্যে কোন রসায়ণ?

    এখন প্রশ্ন হচ্ছে, কেন এখন অনুব্রতর সঙ্গে দেখা করতে গেল তৃণমূল প্রতিনিধিদল? রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, শিয়রে পঞ্চায়েত ভোট। বীরভূম জেলাকে নিজের হাতের তালুর মতো চেনেন কেষ্ট। দলে তো তাঁকে ‘বীরভূমের বাঘ’ বলেও উল্লেখ করা হয়। এখন গরু পাচারকাণ্ডে সেই ‘বাঘ’ এখন তিহাড়ের ‘খাঁচায়’ বন্দি। গতকালই, অনুব্রতর (Anubrata Mondal) শুনানি পিছিয়ে গিয়েছে। আগামী একমাস শুনানি হবে কি না, তার নিশ্চিয়তা নেই। ফলত, গোটা জুন মাসটাই হয়ত, জেলেই থাকতে হবে কেষ্টকে। 

    আরও পড়ুন: বাবার শুনানি স্থগিত, মেয়ের জামিন খারিজ! আপাতত তিহাড়েই কেষ্ট-সুকন্যা

    নজের পঞ্চায়েত ভোট? 

    দলে ‘দক্ষ সংগঠক’ হিসাবে পরিচিত অনুব্রত (Anubrata Mondal)। পঞ্চায়েত হোক বা বিধানসভা, অতীতে একাধিক ভোট বৈতরণী পার করিয়েছেন কেষ্ট। সব ভোটে কেষ্ট-ফ্যাক্টর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে, তা নিয়ে তৃণমূল শীর্ষ নেতৃত্বের মনে কোনও সন্দেহ নেই। আসন্ন পঞ্চায়েত ভোটে, কেষ্টর থাকা আর না থাকার মধ্যে ফারাকটা বিলক্ষণ জানে দল। তাই তাঁর সঙ্গে দেখা করাটা দরকার ছিল। পঞ্চায়েত ভোটের জন্য বীরভূম জেলায় তৃণমূল নেতা-কর্মী থেকে শুরু করে দলের নেতৃত্বের জন্য অনুব্রতর কোনও বার্তা থেকে থাকলে, তা আদান-প্রদান হবে।

    পাশে থাকার বার্তা?

    রাজনৈতিক মহলের আরেকটা অংশ মনে করছে, নিজের থেকেও কেষ্টর বেশি উদ্বেগ তাঁর মেয়েকে নিয়ে। একই মামলায় মেয়ে সুকন্যাও তিহাড়ে বন্দি। ফলে, মেয়ের স্বার্থে যদি কেষ্টর মুখ খুলে যায়, তাহলে তৃণমূলের মাথাদের জন্য আরও বিপদ বাড়বে। শিক্ষা দুর্নীতি মামলায় কয়েকজনকে রাজসাক্ষী করা হতে পারে বলে বৃহস্পতিবারই আদালতে জানিয়েছে সিবিআই। এবার গরু পাচার মামলায় যদি অনুব্রত (Anubrata Mondal) মুখ খোলেন, তাহলে কী হতে পারে, তা আগাম আঁচ করে হয়ত ভয় পাচ্ছেন দলের শীর্ষ নেতৃত্ব। যে কারণে, দল যে তাঁর পাশে আছে, সেই বার্তা অনুব্রতকে দেওয়াটা গুরুত্বপূর্ণ হয়ে পড়েছিল।

    সব মিলিয়ে কেষ্টকে দেখতে তৃণমূল প্রতিনিধিদলের তিহাড় যাত্রাকে ঘিরে বঙ্গ রাজনীতিতে তুমুল আলোড়ন!

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Anubrata-Sukanya: বাবার শুনানি স্থগিত, মেয়ের জামিন খারিজ! আপাতত তিহাড়েই কেষ্ট-সুকন্যা

    Anubrata-Sukanya: বাবার শুনানি স্থগিত, মেয়ের জামিন খারিজ! আপাতত তিহাড়েই কেষ্ট-সুকন্যা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গরু পাচার মামলায় দিল্লির আদালতে জোড়া ধাক্কা খেলেন বীরভূমের দাপুটে মণ্ডল-পরিবারের দুই জেলবন্দি সদস্য (Anubrata-Sukanya)। একদিকে, যেমন কেষ্ট মণ্ডলের শুনানি স্থগিত হয়ে গেল, তেমন অন্যদিকে ওই আদালতেই খারিজ হয়েছে মেয়ে সুকন্যার জামিনের আর্জি। ফলে, এখন বাপ-বেটিকে আপাতত দিল্লির তিহাড় জেলেই থাকতে হবে। 

    শারীরিক অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে দিল্লির রাউস অ্যাভিনিউ কোর্টে জামিনের আবেদন করেছিলেন বীরভূম জেলা তৃণমূল সভাপতি অনুব্রত। বৃহস্পতিবার দিল্লি হাইকোর্টের বিচারপতি দীনেশ কুমার শর্মা গরহাজির থাকায় অনুব্রতর জামিনের আবেদনের শুনানি হয়নি। ওদিকে সুকন্যার জামিনের আবেদন খারিজ করে দেয় রাউস অ্যাভিনিউ আদালত (Anubrata-Sukanya)।

    সুকন্যার শুনানিতে মণীশের বয়ান হাতিয়ার ইডি-র

    শুনানিতে সুকন্যার আইনজীবী আদালতে সওয়াল করেন, সুকন্যার বয়স কম। তিনি এই দুর্নীতিতে যুক্ত নন। তিনি সব রকম ভাবে ইডিকে সহযোগিতা করেছেন। ফলে, তাঁকে জামিন দেওয়া হোক। পাল্টা ইডি জানায়, বাবার কারবারে প্রত্যক্ষভাবে জড়িত ছিলেন সুকন্যা। তিনিই গরু পাচারের টাকা বিনিয়োগের ব্যাপারে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতেন। এ ব্যাপারে এই মামলায় জেলবন্দি অনুব্রতর হিসেবরক্ষক মণীশ কোঠারির বয়ানকে হাতিয়ার করে তদন্তকারী সংস্থা। ইডি-র আইনজীবী জানান, অনুব্রত মণ্ডলের হিসাবরক্ষক মণীশ কোঠারি জানিয়েছেন, সুকন্যা ব্যবসার দেখাশোনা করতেন এবং তাঁকেও নির্দেশ দিতেন। উভয় পক্ষের সওয়াল শুনে জামিন খারিজ করেন বিচারক।

    আরও পড়ুন: গ্রেফতারের আগে ‘কালীঘাটের কাকু’-র ওপর ৭ মাস নজর রাখেন গোয়েন্দারা!

    গোটা জুন মাস তিহাড়েই কাটবে কেষ্ট-সুকন্যার? (Anubrata-Sukanya)?

    প্রসঙ্গত, গত ২৬ এপ্রিল দিল্লিতে ইডির সদর দফতরে সুকন্যাকে দিনভর জিজ্ঞাসাবাদের পর গ্রেফতার করা হয়। ৩১ বছরের সুকন্যাকে তিন দিন নিজেদের হেফাজতে রেখে জিজ্ঞাসাবাদ করে ইডি। তার পর থেকে সুকন্যা তিহাড় জেলে। সোমবার থেকে আদালতে গরমের ছুটি পড়ে যাওয়ায় আগামী এক মাসে আর এই মামলার শুনানি হওয়ার সম্ভাবনা নেই। তাই মনে করা হচ্ছে, গোটা জুন মাস তিহাড় জেলেই কাটাতে হবে অনুব্রত এবং সুকন্যাকে (Anubrata-Sukanya)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Anubrata Mondal: ‘‘রাইস মিলে চুরি হচ্ছে’’! অ্যাকাউন্ট ডি-ফ্রিজের আর্জি কেষ্টর, কী জবাব দিলেন বিচারক? 

    Anubrata Mondal: ‘‘রাইস মিলে চুরি হচ্ছে’’! অ্যাকাউন্ট ডি-ফ্রিজের আর্জি কেষ্টর, কী জবাব দিলেন বিচারক? 

    মাধ্যম নিউড ডেস্ক: গরুপাচার মামলায় তিহাড় জেলবন্দি অনুব্রত মণ্ডল (Anubrata Mondal) বৃহস্পতিবার ভার্চুয়াল হাজিরা দিলেন আসানসোলের সিবিআই আদালতে। শুনানির সময় কেষ্ট (Anubrata Mondal), বিচারক রাজেশ চক্রবর্তীকে জানান, তাঁর রাইসমিলের জিনিসপত্র চুরি হয়ে যাচ্ছে। এমনকী তাঁর অনুপস্থিতিতে জিনিসপত্র নষ্ট হয়ে যাচ্ছে বলেও দাবি করেন তৃণমূলের বীরভূম জেলার সভাপতি। এর পাশাপাশি বিচারকের কাছে ভোলেব্যোম চালকলের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট খুলে দেওয়ারও আবেদন করেন কেষ্ট। প্রায় ২০০ শ্রমিক বেতন পাচ্ছেন না বলে অনুযোগ করেন তিনি। আরও একবার কেষ্ট সিবিআই আদালতে জানান, তাঁর শারীরিক অবস্থা মোটেও ভাল নেই। এর পরিপ্রেক্ষিতে বিচারক রাজেশ চক্রবর্তী বিষয়টি তিহাড় জেল কর্তৃপক্ষকে জানাবেন বলে জানিয়েছেন। এদিনের শুনানিতে তাঁর সঙ্গে হাজির ছিলেন একদা দেহরক্ষী সায়গল হোসেনও। প্রসঙ্গত, দুজন একই জেলে রয়েছেন। গত মাসের ২৫ তারিখ ইডির কাছে গ্রেফতার হওয়ার পরে মেয়ে সুকন্যারও ঠাঁই হয়েছে তিহাড়ে। প্রসঙ্গত, আসানসোল জেলে ফিরতে চেয়ে কেষ্টর করা আবেদন ইতিমধ্যে খারিজ করে দিয়েছে দিল্লির রাউজ অ্যাভিনিউ কোর্ট।

    কেষ্ট-বিচারক কথোপকথন….

    সূত্রের খবর এদিনের শুনানির শুরুতেই বিচারক রাজেশ চক্রবর্তী বলেন, ‘‘আপনাকে খুব ক্লান্ত লাগছে। অনুব্রতবাবু (Anubrata Mondal), কেমন আছেন?’’ অনুব্রত (Anubrata Mondal) জবাব দেন, ‘‘শরীর ভাল নেই। সব রকম অসুবিধা হচ্ছে।’’ বিচারক বলেন, ‘‘ডাক্তার দেখছে তো?’’ কেষ্ট উত্তর দেন, ‘‘ডাক্তার দেখাচ্ছি। জেলের মেডিক্যাল ওয়ার্ডে পড়ে আছি।’’ বিচারক বলেন, ‘‘বুঝতে পারছি।’’ এরপর বিচারক রাজেশ চক্রবর্তী, সায়গলের সঙ্গে গয়না সংক্রান্ত কথোপকথন শুরু করেন। সায়গলের শুনানি শেষ হতেই অনুব্রত বলে ওঠেন, ‘‘স্যর চালকলের অ্যাকাউন্টটা খুলে দিন।’’ বিচারক তখন জিজ্ঞাসা করেন, ‘‘কোন চালকল?’’ অনুব্রত জবাব দেন, ‘‘ভোলেব্যোম চালকল। ওই দু’টি অ্যাকাউন্ট যেন খুলে দেওয়া হয়। শ্রমিকেরা বেতন পাচ্ছেন না। ২০০ শ্রমিক আছে। বহু জিনিসপত্র নষ্ট হচ্ছে।’’ উত্তরে বিচারক বলেন, ‘‘আপনার মুখের কথায় আমি কোনও অ্যাকাউন্ট তো খুলে দেওয়ার নির্দেশ দিতে পারি না। আইনজীবীর মাধ্যমে আবেদন করুন। আপনার ও সিবিআই দু’পক্ষের কথা শুনে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Cattle Smuggling Case: গরুপাচার কাণ্ডে গ্রেফতারির এখানেই শেষ নয়! আদালতে জানাল ইডি

    Cattle Smuggling Case: গরুপাচার কাণ্ডে গ্রেফতারির এখানেই শেষ নয়! আদালতে জানাল ইডি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তদন্ত এগিয়ে চলেছে দ্রুত গতিতে। গরুপাচার কাণ্ডে (Cattle Smuggling Case) গ্রেফতারির এখানেই শেষ নয়। আরও অনেককেই গ্রেফতার করা হবে এই মামলায়। ইডির আইনজীবী নীতেশ রাণা দিল্লির রাউস অ্যাভিনিউ কোর্টে এই কথা জানিয়েছেন। মঙ্গলবার, ইডি-র আইনজীবীর এই দাবি ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।

    আর কে?

    এনামুল হক, সতীশ কুমার, সায়গল হোসেন থেকে অনুব্রত ও তাঁর কন্যা সুকন্যা মণ্ডল, মণীশ কোঠারিদের গ্রেফতারের পর আর কার পালা? জল্পনা চলছে। এর আগে ইডি আদালতে জানিয়েছে, ভুয়ো ঋণ দেখিয়ে নিজের বেআইনি কারবার ঢাকার চেষ্টা করেছিলেন অনুব্রত মণ্ডল। এই ভুয়ো ঋণের সঙ্গে যোগ পাওয়া গিয়েছে তাঁর হিসাবরক্ষক মণীশ কোঠারির। তাঁরই এক আত্মীয়ের মাধ্যমে অনুব্রত এই ঋণ নিয়েছিলেন বলে অভিযোগ। ইডি দাবি করে, মণীশ কোঠারির আত্মীয় মনোজ মেহেনত ২.৪ শতাংশ কমিশনে ভুয়ো ঋণের ব্যবস্থা করে দিতেন অনুব্রতকে। কালো টাকা সাদা করতে এই পথ বেছে নিয়েছিলেন বীরভূমের তৃণমূল জেলা সভাপতি।

    সুকন্যাই ঠিক করতেন 

    এদিন অনুব্রত মণ্ডল প্রার্থনা করেছেন, তাঁর মেয়ে সুকন্যা যেন দ্রুত জামিন পেয়ে যান। আগামী ১২ মে রাউস অ্যাভিনিউ কোর্টে সুকন্যার জামিনের শুনানি হবে। অনুব্রত আজ রাউস অ্যাভিনিউ কোর্ট চত্বরে সাংবাদিকদের সামনে বলেছেন, ‘‘ঈশ্বর যেন জামিনটা করিয়ে দেন।’’ গত শনিবার তিহাড় জেলে অনুব্রতের সঙ্গে সুকন্যার দেখা হয়েছিল। তবে ইডির দাবি, গরুপাচারের (Cattle Smuggling Case) থেকে প্রাপ্ত কালো টাকা কোথায় কী ভাবে খাটানো হবে তা ঠিক করতেন অনুব্রতর মেয়ে সুকন্যা মণ্ডলই। অনুব্রতর সিএ মণীশ কোঠারিই নাকি জেরায় ইডিকে এই কথা জানিয়েছেন। 

    আরও পড়ুন: ছত্তীসগঢ়ে ২০০০ কোটি টাকার দুর্নীতি! অবৈধ মদ ব্যবসায় ‘কিংপিন’ এক আইএএস অফিসার, দাবি ইডির

    ১২ জুলাই ফের শুনানি

    আজ গরুপাচার (Cattle Smuggling Case) মামলার মূল অভিযুক্ত এনামুল, সতীশ কুমার, সায়গল হোসেন, অনুব্রত মণ্ডলদের দিল্লির বিশেষ সিবিআই আদালতে তোলা হয়। গত ডিসেম্বরে ইডি গরুপাচারের তদন্তে চার্জশিট দায়েরের পরে আরও তিনটি অতিরিক্ত চার্জশিট পেশ করেছে। এনামুল, বিনয় ও বিকাশ মিশ্র, বিএসএফ অফিসার সতীশ কুমার, অনুব্রত ও সুকন্যা মণ্ডল-সহ মোট ১২ জন অভিযুক্ত এবং এনামুল-অনুব্রতদের ১৪টি সংস্থার নাম রয়েছে চার্জশিটে। আজ অভিযুক্তদের সকলকেই ইডি-র চার্জশিটের প্রতিলিপি তুলে দেওয়া হয়েছে। রাউস অ্যাভিনিউ কোর্ট জানিয়েছে, ১২ জুলাই ফের শুনানি হবে। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Anubrata Mondal: গরুপাচার করে কেষ্টর আয় ৭৭ কোটি ৫৬ লক্ষ টাকা! চার্জশিটে উল্লেখ ইডির

    Anubrata Mondal: গরুপাচার করে কেষ্টর আয় ৭৭ কোটি ৫৬ লক্ষ টাকা! চার্জশিটে উল্লেখ ইডির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শুধু গরুপাচার করেই অনুব্রত (Anubrata Mondal) করেছেন ৭৭ কোটি ৫৬ লক্ষ টাকার সম্পত্তি যা চার্জশিটে উল্লেখ করেছে ইডি। যা শুনে কপালে চোখ উঠেছে অনেকেরই। চার্জশিটে আরও চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এসেছে। অনুব্রতর (Anubrata Mondal) বাড়ির পরিচারকের বেতন ১৫ হাজার টাকা। মাসিক এই বেতন নিয়ে বিদ্যুৎবরণ গায়েনের সম্পত্তির পরিমাণ ছাড়িয়েছে ৭ কোটিরও বেশি। তাঁর নমিনির নাম আবার সুকন্যা মণ্ডল। বাড়ির ধোপা বিজয় রজকের নামেও অনুব্রত অ্যাকাউন্ট খুলেছিলেন। সেখানেও চলত বিপুল আর্থিক লেনদেন। অনুব্রতর জামাকাপড় কাচা ছাড়াও ধোপার কাজ ছিল বীরভূম জেলা সভাপতির গা’ হাত মালিশ করে দেওয়া। এমনটাও উল্লেখ রয়েছে চার্জশিটে। বছরখানেক আগে কোটি টাকার লটারি জেতার খবর চাউর হয় কেষ্ট মণ্ডলের নামে। তদন্তকারীরা জানতে পারেন, আসল বিজেতাকে ভয় দেখিয়ে নিজের নামে তা করেছিলেন অনুব্রত। উদ্দেশ্য কালো টাকা সাদা করা। ইডির চার্জশিটে আরও দাবি, বোলপুরের বিভিন্ন তৃণমূল নেতা-কর্মীদের নামে ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট খুলেছিলেন অনুব্রত। সেখানে জমা পড়ত গরুপাচারের টাকা। বীরভূম জেলা সভাপতি নিজের নামে, কন্যার নামে, পরিচারকের নামে একাধিক জমি কিনেছিলেন। এছাড়াও ভোলে বোম চালকল, শিব শম্ভু চালকল, কালীমাতা ট্রেডার্স, মা দুর্গা ট্রেডার্সের মতো সংস্থাও কিনেছিলেন কেষ্ট। ইডির দাবি, রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক প্রভাব খাটিয়ে গরুপাচারে অনুব্রত মণ্ডল সাহায্য করতেন এনামূল হককে। যার বিনিময়ে মোটা টাকা জমা পড়ত কেষ্টর ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে। সবটাই অনুব্রত (Anubrata Mondal) করতেন তাঁর দেহরক্ষী সায়গলের ফোন ব্যবহার করে। 

    কালো টাকা সাদা করার দায়িত্ব কেষ্ট দিয়েছিলেন মণীশ কোঠারিকে

    জানা গেছে, কালো টাকা সাদা করার দায়িত্বভার ছিল মণীশ কোঠারির উপর। তিনি কেষ্ট মণ্ডলের কাছ থেকে নগদে ২৮ লক্ষ টাকা নিয়েছেন। প্রতিমাসে মণীশ কোঠারিকে বেতন বাবদ ৫০ হাজার টাকা করে দিতেন অনুব্রত। অন্যদিকে আজ শনিবারই দেখা হওয়ার কথা কেষ্ট ও সুকন্যার। জানা গিয়েছে, তিহাড় জেলের পাশাপাশি সেলে রয়েছেন তাঁরা। ইডি সূত্রে খবর, অনুব্রত-মণীশ-সুকন্যার বিবৃতি একেবারেই পরস্পর বিরোধী। অনুব্রত (Anubrata Mondal) বলছেন, মণীশের পরিকল্পনা মাফিক ব্যবসা সাজিয়েছেন তিনি, মণীশ বলছেন সুকন্যার নির্দেশে কাজ করতেন তিনি, সুকন্যা বলছেন, সবটাই বাবা জানে। তাঁর কাজ ছিল শুধু বাবার নির্দেশ মতো সই করা। প্রসঙ্গত, ইতিমধ্যে অনুব্রতর আসানসোল জেলে ফেরার আর্জি খারিজ করে দিয়েছে দিল্লির রাউজ অ্যাভিনিউ আদালত। আপাতত বীরভূম তৃণমূলের জেলা সভাপতিকে থাকতে হবে তিহাড়ে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Sukanta Majumdar: চার্জশিট পেশের পরেও দলীয় পদে কেন অনুব্রত? প্রশ্ন সুকান্তর

    Sukanta Majumdar: চার্জশিট পেশের পরেও দলীয় পদে কেন অনুব্রত? প্রশ্ন সুকান্তর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চার্জশিট পেশের পরেও দলীয় পদে বহাল রয়েছেন অনুব্রত, তাঁকে সরানোর হিম্মত নেই মমতার কারণ, তিনি নাম বলে দিতে পারেন। শুক্রবার এমনই মন্তব্য করেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)। তাঁর আরও প্রশ্ন, হিমশৈলের চূড়া রয়েছে অনুব্রতর কাছে, জলের নীচের অংশ কার কাছে আছে? এদিন এনআরসি ইস্যুতেও মমতাকে একহাত নেন বালুরঘাটের সাংসদ। তাঁর মতে, রাজ্যের সংখ্যালঘুদের এনআরসি নিয়ে ভুল বোঝাচ্ছেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী। রাজ্যের মুসলিমরা বুঝতে পেরেছেন মমতার এই দ্বিচারিতা, তাই তাঁরা সরে আসছেন। প্রসঙ্গত, দুমাস আগেই সংখ্যালঘু অধ্যুষিত মুর্শিদাবাদের সাগরদিঘি উপনির্বাচনে ধরাশায়ী হয় শাসকদল। জেতেন কংগ্রেসের বায়রন বিশ্বাস। রাজনৈতিক মহলের একাংশের ধারণা, ক্রমশ সংখ্যালঘু মানুষদের আস্থা হারাচ্ছে তৃণমূল, তারই প্রতিফলন দেখা গেছে সাগরদিঘিতে, ২০২১ সালে বিপুল ভোটে জেতা আসন শাসকদলকে খোয়াতে হয়।

    প্রসঙ্গ অনুব্রত…

    শুক্রবার দলীয় দফতরে বসে সুকান্তবাবু (Sukanta Majumdar) বলেন, প্রশাসনের পুরো চেষ্টা ছিল যাতে অনুব্রতকে রাজ্যে রাখা যায়। প্রশাসন যে তৃণমূলের অঙ্গুলিহেলনে চলছে এদিন সে কথাও বলেন তিনি। বিজেপির রাজ্য সভাপতির আরও দাবি, এত অভিযোগের পরেও কেষ্ট মণ্ডলকে বীরভূম জেলা সভাপতি পদ থেকে সরানো হয়নি।

    প্রসঙ্গ এনআরসি…

    এনআরসি নিয়ে মুসলিমদের মুরগি বানাচ্ছেন মমতা এমন অভিযোগও তোলেন সুকান্ত (Sukanta Majumdar)। তাঁর মতে, মুসলিমদের ক্রমাগত প্ররোচনা দিচ্ছেন মুখ্যমন্ত্রী। তৃণমূলের শত প্ররোচনা সত্ত্বেও পশ্চিমবঙ্গের মুসলিম অধ্যুষিত এলাকাগুলিতে শান্তি শৃঙ্খলা বজায় রয়েছে বলে জানান সুকান্ত। সুকান্তর আশ্বাস, এই মূহূর্তে এনআরসির কোনও পরিকল্পনা নেই কেন্দ্রীয় সরকারের। তবুও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সিএএ আইন পাশ করার সময় রাজ্যে যে পরিস্থিতি হয়েছিল তাই আবারও ফিরিয়ে আনতে চাইছে বলে জানান বালুরঘাটের। প্রসঙ্গত, ২০১৯ সালের ডিসেম্বর মাসে সিএএ আইন পাশ হওয়ার পরেই অগ্নিগর্ভ হয়ে ওঠে পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন এলাকা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share