Tag: anubrata mondol

anubrata mondol

  • Anubrata Mondal: সুকন্যাকে ফের হাজিরার নির্দেশ! কেষ্ট-ঘনিষ্ঠ আরও তিনজনকে দিল্লিতে তলব ইডির

    Anubrata Mondal: সুকন্যাকে ফের হাজিরার নির্দেশ! কেষ্ট-ঘনিষ্ঠ আরও তিনজনকে দিল্লিতে তলব ইডির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গরুপাচার মামলায় অনুব্রত মণ্ডল (Anubrata Mondal) ঘনিষ্ঠ তিন মহারথীকে তলব করল ইডি। তদন্তকারী সংস্থা সূত্রে খবর, কৃপাময় ঘোষ, মলয় পীঠ ও রাজীব ভট্টাচার্যকে দিল্লিতে তলব করা হয়েছে। রবিবারের মধ্যে এদের দিল্লিতে হাজিরা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে ইডি। 

    অনুব্রত-মণীশ-সুকন্যাকে মুখোমুখি জেরা

    ইতিমধ্যেই গরুপাচার মামলায় দিল্লিতে গ্রেফতার হয়েছেন অনুব্রতর হিসাবরক্ষক মণীশ কোঠারি (ED arrests Manish Kothari)। হাজিরা দিতে বলা হয়েছে অনুব্রত কন্যা সুকন্যা মণ্ডলকে (Anubrata Mondal daughter Sukanya Mondal। অনুব্রত, মণীশের সঙ্গে সুকন্যাকে মুখোমুখি বসিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করতে চান ইডির অফিসাররা। উল্লেখ্য, গরু পাচার মামলার গ্রেফতার অনুব্রত মণ্ডলের (Anubrata Mondal) বিপুল সম্পত্তির উৎস খোঁজার চেষ্টা করছেন কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার আধিকারিকরা। গরু পাচারের সঙ্গে যুক্ত টাকা আরও কোনও প্রভাবশালীর কাছে গিয়েছে কি না, সেই সব তথ্যও খুঁজে বের করার চেষ্টা করছে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। এমন অবস্থায় কেষ্ট, মণীশ ও সুকন্যাকে মুখোমুখি বসিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে, তাঁদের আগের বয়ানের সঙ্গে এখনকার বয়ান মিলিয়ে দেখতে পারবেন তদন্তকারী সংস্থার অফিসাররা। এদিকে সূত্র মারফত জানা যাচ্ছে, ইডির ডাক পাওয়ার পর কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার থেকে আরও কিছুটা সময় চেয়েছেন সুকন্যা। তাঁকে ২০ মার্চের মধ্যে ইডি অফিসে হাজিরা দিতে বলা হয়েছে বলে জানা যাচ্ছে।

    আজই দিল্লিতে তলব কৃপাময়কে

    এই সময়ে ইডি অনুব্রত ঘনিষ্ঠ এই তিনজনকে ডেকে পাঠানোয় নিঃসন্দেহে চাপে পড়লেন কেষ্ট। সম্প্রতি আসানসোল থেকে যাওয়ার পথে বর্ধমানের শক্তিগড়ের একটি হোটেলে দাঁড়ায় অনুব্রত মণ্ডলের গাড়ি। সূত্রের খবর, প্রাতঃরাশ করার জন্য অনুব্রত নেমেছিলেন সেখানে। কিন্তু সেখানে পুলিশি প্রহরায় তৃণমূল ছাত্রপরিষদ নেতা কৃপাময় ঘোষ, সুকন্যা মণ্ডলের গাড়ি চালক তুফান মৃধা ও আরও এক অজানা বক্তির সঙ্গে আলোচনা করতে দেখা যায় অনুব্রতকে। এরইমধ্যে কৃপাময়দের তলব করায় নতুন করে জল্পনা ছড়িয়েছে। 

    আরও পড়ুন: চার ঘণ্টা ধরে জেরা কুন্তলের স্ত্রী জয়শ্রীকে! নিয়োগ দুর্নীতি নিয়ে কী কী জানতে চাইল ইডি?

    তদন্তকারী সংস্থার একটি সূত্রের দাবি, বৃহস্পতিবারই কৃপাময়কে দিল্লিতে তলব করা হয়েছে। ইডি সূত্রে খবর, কৃপাময় বোলপুরের নিচু বাঁধগোড়ার বাসিন্দা। পেশায় মৎস্য বিভাগের কর্মীও। বোলপুরের তৃণমূলের পার্টি অফিস দেখাশোনার দায়িত্বেও ছিলেন তিনি। তদন্তকারীদের সূত্রেরও আরও দাবি, কৃপাময় অনুব্রতের নানান সম্পত্তির দেখাভালও করতেন। অন্য দিকে, মাসখানেক আগেই তুফানকে তলব করেছিল সিবিআই। সূত্রের দাবি, কিছু দিন আগে তাঁর নামে বিপুল সম্পত্তির হদিসও মিলেছে। অনুব্রতর অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ এই তিনজনই অনেক কিছু জানেন বলে মনে করছেন ইডি আধিকারিকরা।

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Amit Malviya: ভেঙে পড়ছে সাম্রাজ্য! অনুব্রত প্রসঙ্গে মমতাকে খোঁচা অমিত মালব্যর

    Amit Malviya: ভেঙে পড়ছে সাম্রাজ্য! অনুব্রত প্রসঙ্গে মমতাকে খোঁচা অমিত মালব্যর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অনুব্রত মণ্ডলকে দাগি অপরাধীর তকমা দিয়ে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে বিঁধলেন  বিজেপির (BJP) আইটি সেলের প্রধান অমিত মালব্য (Amit Malviya)। অনুব্রতর দিল্লি যাত্রার পর এদিন সামাজিক মাধ্যমে বিজেপি নেতা অমিত লেখেন, “মানুষের রক্ত শোষণ করে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সাম্রাজ্য তৈরি করেছেন । তার সাম্রাজ্য অপরাধের উপর দাঁড়িয়ে আছে। শেষমেশ, তা ভেঙে পড়তে শুরু করেছে।” 

    কী বললেন অমিত মালব্য

    দীর্ঘ টানাপড়েন শেষে গরু পাচার মামলার তদন্তে দোলের দিনই তৃণমূলের (Trinamool Congress) অনুব্রত মণ্ডলকে (Anubrata Mondal) ইডির হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে। তারপরই বিন্দুমাত্র সময় ব্যয় না করেই ‘বীরভূমের বাঘ’ কে নিয়ে দিল্লির উদ্দেশে পাড়ি দেয় কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। এখন দিল্লিতে কেষ্ট। মুখ্যমন্ত্রীর কাছের লোক অনুব্রত। তাঁকে ‘কেষ্ট’ বলেই ডাকেন মমতা (Mamata Banerjee)। সম্প্রতি সাগরদিঘি উপনির্বাচনে হারের পরও সাংবাদিক সম্মেলনে অনুব্রতর দিল্লি যাত্রা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন তৃণমূল সুপ্রিমো। তাই অনুব্রত বিপাকে পড়াতেই অমিত মালব্য নিশানা করেন মুখ্যমন্ত্রীকে। অমিত মালব্য আরও লেখেন, “অনুব্রত মণ্ডল একজন ভয়ঙ্কর অপরাধী এবং মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ডান হাত। তাকে দিল্লি নিয়ে যাওয়া হয়েছে। একাধিক অপরাধের সঙ্গে জড়িত থাকার জন্য তার বিরুদ্ধে তদন্ত চলছে। তিনি (অনুব্রত) তার (মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের) আশ্রয়েই এতদিন বেড়ে উঠেছেন।”

    অমিতের মতে, এই রাজ্যে অপরাধীদের পৃষ্ঠপোষতা করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হিসাবে, মমতার নজরদারিতে যারা অপরাধ ও তোলাবাজি সিন্ডিকেট পরিচালনা করেন তাদের রাষ্ট্রীয় সুরক্ষা দেন। প্রসঙ্গত, গত বছরের রাখি পূর্ণিমার দিন সিবিআই এর হাতে গ্রেফতার হন তৃণমূলের অনুব্রত মণ্ডল। এরপর এই দাপুটে নেতার ঠাঁই হয় আসানসোলের বিশেষ সংশোধনাগারে।

    আরও পড়ুন: চিনা মোবাইল-অ্যাপ ব্যবহার নয়, ভারতীয় সেনাকে সতর্ক করল কেন্দ্রীয় গোয়েন্দারা

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share