Tag: anubrta mondal

anubrta mondal

  • Anubrata Mondal: মমতার নির্দেশকে বুড়ো আঙুল! অনুব্রত-কাজল অনুগামীদের সংঘর্ষ

    Anubrata Mondal: মমতার নির্দেশকে বুড়ো আঙুল! অনুব্রত-কাজল অনুগামীদের সংঘর্ষ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বীরভূমের জেলা নেতৃত্বকে জেলায় অনুব্রত মণ্ডল (Anubrata Mondal) ও তাঁর অনুগামীদের গুরুত্ব দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছিলেন। এমনকী জেল থেকে বীরভূমে ফিরলে সব দায়িত্ব ফিরিয়ে দেওয়ার কথা বলা হয়। ফলে, অনুব্রত অনুগামীদের দলে গুরুত্ব পাওয়ার কথা ছিল। কিন্তু, তৃণমূল সুপ্রিমোর নির্দেশই সার। দলীয় সুপ্রিমোর নির্দেশকে অমান্য করার অভিযোগ উঠেছে। বীরভূম জেলার কোর কমিটির ঘোষণা হতেই ফের তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্বে উত্তপ্ত হয়ে উঠল অনুব্রতের খাসতালুক। অনুব্রত গোষ্ঠী ও কাজল গোষ্ঠী একে অপরের বিরুদ্ধে পালটা আক্রমণের অভিযোগ তুলছে। বুধবার রাতে ঘটনাটি ঘটেছে বোলপুরের নাহিনা গ্রামে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে?(Anubrata Mondal)

    অনুব্রত মণ্ডল (Anubrata Mondal) গোষ্ঠীর চার তৃণমূল কর্মী বোলপুরে খেলা দেখে বাড়ি ফিরছিলেন। অভিযোগ, গ্রামে ঢোকার পথেই কাজল গোষ্ঠীর লোকজন তাঁদের উপর চড়াও হয়। যদিও কাজল শেখ গোষ্ঠীর সদস্যদেরও একই অভিযোগ। বোমা, গুলি নিয়ে হামলা করা হয়েছে বলেই দাবি দুপক্ষের। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে তীব্র উত্তেজনা ছড়ায় এলাকায়। দুপক্ষের বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন। বেশ কয়েকজনের মাথা ফেটেছে ও পা ভেঙেছে। সাতজনেরও বেশি বোলপুর মহকুমা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। ঘটনার পরেই পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। বোলপুর থানার বিশাল পুলিশ বাহিনী গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

    নতুন কোর কমিটি গঠনের পরই কোন্দল প্রকাশ্যে

    দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, মঙ্গলবারই বীরভূমের ৯ সদস্যের কোর কমিটি ভেঙে দেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বদলে ৫ সদস্যের কমিটি গঠন হয়। কমিটি থেকে বাদ পড়েছেন অনুব্রত (Anubrata Mondal) বিরোধী হিসেবে পরিচিত কাজল শেখ। নানুরের দায়িত্ব তাঁকে দেওয়া হয়েছে। দলের তরফে জানানো হয়েছে, তৃণমূলের জেলা পরিষদের সভাধিপতি কাজল শেখ স্বাভাবিক নিয়মে পদাধিকার বলেই বীরভূম জেলা তৃণমূল কোর কমিটির আমন্ত্রিত সদস্য। তবে, মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশ দেওয়ার পরই ফের কাজল-অনুব্রত অনুগামীদের দ্বন্দ্বে শাসক দলের ঐক্যে ফাটল দেখা দিয়েছে। যদিও এই বিষয়ে কাজল শেখ কোনও মন্তব্য করতে চাননি।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Anubrata Mondal: আসানসোল জেলের সুপারকে ব্যাঙ্কের নথিসহ দিল্লিতে তলব ইডির, খুলবে কি রহস্যের জট?

    Anubrata Mondal: আসানসোল জেলের সুপারকে ব্যাঙ্কের নথিসহ দিল্লিতে তলব ইডির, খুলবে কি রহস্যের জট?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্কঃ গরু পাচার কাণ্ডে এনামূল হক, অনুব্রত মণ্ডল (Anubrata Mondal) এবং তাঁর এককালের দেহরক্ষী সায়গল হোসেন, সকলেই একসময় আসানসোল জেলেই ছিলেন। তাঁদের কারাবাসের সময় সংশোধানাগারের সুপার থেকেছেন কৃপাময় নন্দী। এবার গরু পাচারকাণ্ডে আসানসোল সংশোধনাগারের সুপারকে দিল্লিতে তলব করল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি)। জেল সুপারকে শুধু দিল্লিতে ডাকা হয়েছে এমন নয়, তাঁকে আগামী ৫ এপ্রিল তাঁর যাবতীয় ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের নথি সহ আসতে বলেছে ইডি। এদিকে সংবাদমাধ্যমের সামনে জেল সুপার বলেছেন,”ই-মেল পেয়েছি। তবে কি কারণে আমাকে ডেকে পাঠানো হয়েছে তা বলতে পারব না। আমি উচ্চ আধিকারিকদের বিষয়টি জানিয়েছি। তারা যেমন বলবেন আমি সেই পথেই চলব।” গরু পাচারকাণ্ডে দীর্ঘদিন আসানসোল জেলে ছিলেন অনুব্রত মণ্ডল (Anubrata Mondal)। অভিযোগ, এই সময় জেল থেকেই তৃণমূল নেতাদের নির্দেশ দিতেন কেষ্ট। নিজের জেলার যাবতীয় কর্মকাণ্ডের ওপর নজর রাখতেন তিনি। বীরভূমের তৃণমূল নেতা কাজল শেখ নিজেই এই অভিযোগ করেছিলেন। তবে সম্প্রতি দিল্লিতে নিয়ে যাওয়া হয়েছে অনুব্রত মণ্ডলকে (Anubrata Mondal)। কেষ্টর দিল্লি যাত্রা আটকাতে অবশ্য অনেক চেষ্টাই করা হয়েছিল। বীরভূম জেলার নেতারা প্রকাশ্য সভায় বলেছিলেন, পঞ্চায়েত ভোটের আগে জেলায় তৃণমূলের সংগঠন ভেঙে দিতেই পরিকল্পিতভাবে অনুব্রত মণ্ডলকে (Anubrata Mondal) দিল্লি নিয়ে যাওয়া হয়েছে। এমনকী খোদ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নবান্ন থেকে নিজে বলেছিলেন, ‘পঞ্চায়েত আসছে বলে কেষ্টকে দিল্লি নিয়ে যাচ্ছে।’ মমতার এহেন মন্তব্যের প্রেক্ষিতে বিরোধীরা বলেছিলেন, ‘এর থেকেই স্পষ্ট যে অনুব্রত জেলে বসেই দলের কাজ করছিলেন।’ আর এই সব বিতর্কের মাঝেই এবার আসানসোল সংশোধনাগারের সুপারকে ইডির তলব নিয়ে জল্পনা তৈরি হয়েছে রাজ্য রাজনীতিতে।

    জেল সুপারকে কী জিজ্ঞাসা করতে পারে ইডিAnubrata Mondal

    তিহার জেলের আগে বেশ কয়েকমাস আসানসোল সংশোধনাগারে ছিলেন অনুব্রত। যদিও সেই সময় সংশোধনাগারে বহাল তবিয়তে থাকতেন অনুব্রত (Anubrata Mondal), এই অভিযোগ বারে বারে করেছে বিরোধীরা। এনামূল হক, অনুব্রত মণ্ডল এবং তাঁর দেহরক্ষী সায়গল হোসেনের সঙ্গে জেলে কারা দেখা করতে আসত, তা জানতে চাওয়া হতে পারে জেল সুপারের থেকে। এদিকে অনুব্রত যখন আসানসোল সংশোধানাগারে ছিলেন, তখন বেশ কিছু বিষয়ে ইডির প্রশ্নের মুখে পড়েছিল জেল কর্তৃপক্ষ। এমনকী, দিল্লি যাত্রার সময় অনুব্রতকে (Anubrata Mondal) কলকাতা পর্যন্ত নিয়ে যাওয়ার দায়িত্ব ছিল জেল কর্তৃপক্ষের ওপর। সেই সময় কচুরির দোকানে জেলবন্দি অনুব্রত (Anubrata Mondal) দিব্যি বসে তৃণমূলের এক যুবনেতা এবং মেয়ে সুকন্যার গাড়ির চালকের সঙ্গে ‘বৈঠক’ করেছিলেন, যা নিয়ে জেল কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে গাফিলতির অভিযোগ উঠেছিল। আর এবার খোদ জেল সুপারকেই দিল্লিতে তলব করল ইডি।  

    দিল্লির রাউস অ্যাভেনিউ কোর্ট অনুব্রতকে (Anubrata Mondal) ১৪ দিনের জেল হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছে। তাঁকে রাখা হবে তিহার জেলে। পাশাপাশি দিল্লির আদালত অনুব্রতর প্রয়োজনীয় চিকিৎসার ব্যবস্থা করারও নির্দেশ দিয়েছে। পরবর্তী শুনানি আগামী ৩ এপ্রিল। অন্যদিকে, কাকতালীয় হলেও তিহার জেলে এখন রয়েছেন অনুব্রত মণ্ডলের প্রাক্তন দেহরক্ষী ও গরুপাচারকাণ্ডের অন্যতম অভিযুক্ত সায়গল হোসেন।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share