Tag: Anurag Kumar

  • Jantar Mantar Protest: যন্তর মন্তরে হিংসার পর গোয়েন্দা ব্যবস্থায় বড় বদল দিল্লি পুলিশের, বিক্ষোভের আগে ১০ তথ্য জোগাড়ের নির্দেশ

    Jantar Mantar Protest: যন্তর মন্তরে হিংসার পর গোয়েন্দা ব্যবস্থায় বড় বদল দিল্লি পুলিশের, বিক্ষোভের আগে ১০ তথ্য জোগাড়ের নির্দেশ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: যন্তর মন্তরে গত ২০ জুলাইয়ের হিংসাত্মক পরিস্থিতি এবং তার পরবর্তী সময়ে ব্যাপক বিক্ষোভের (Jantar Mantar Protest) জেরে নিজেদের গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহ ও বিশ্লেষণ ব্যবস্থায় বড় ধরনের পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে দিল্লি পুলিশ। বড় মাপের বিক্ষোভ, সমাবেশ কিংবা পরিকল্পিত জনজমাবেশের ক্ষেত্রে আগাম প্রস্তুতি আরও জোরদার করতেই এই উদ্যোগ বলে (Mobilisation Funding) পুলিশ সূত্রে খবর। এখন থেকে কোনও বড় বা পরিকল্পিত বিক্ষোভের আগে অন্তত ১০টি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে তথ্য সংগ্রহ করে তা বিশ্লেষণ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

    সূত্রের খবর, দিল্লি পুলিশের কমিশনার অনুরাগ কুমার গোয়েন্দা শাখা এবং বিশেষ শাখাকে এই বিষয়ে বিশেষ নির্দেশ দিয়েছেন। শুধু কোথায় বিক্ষোভ হবে, কখন হবে এবং আনুমানিক কত মানুষ সেখানে উপস্থিত হতে পারেন—এই প্রাথমিক তথ্য সংগ্রহ করেই দায়িত্ব শেষ করা যাবে না। তার বদলে বিক্ষোভের সঙ্গে যুক্ত মানুষ, সংগঠন, নেতৃত্ব, সমাবেশের প্রস্তুতি, অংশগ্রহণকারীদের সার পদ্ধতি এবং স্থানীয় যোগাযোগ-সহ আরও বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহ করতে হবে।

    যন্তর মন্তরে জন জমাবেশ (Jantar Mantar Protest)

    গত ২০ জুলাই দিল্লির যন্তর মন্তর এবং তার আশপাশের এলাকায় বিপুল সংখ্যক মানুষ জমায়েত হয়েছিলেন। প্রশ্ন ফাঁস এবং বিভিন্ন পরীক্ষার সঙ্গে যুক্ত অনিয়মের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবিতে প্রায় ৩০ হাজার মানুষ রাস্তায় নেমে সংসদের দিকে মিছিল করার চেষ্টা করেছিলেন। পরিস্থিতি ক্রমশ উত্তপ্ত হয়ে উঠলে বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ বাঁধে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ বলপ্রয়োগ করে। এর পরেই পুলিশের ভূমিকা নিয়ে বিভিন্ন মহলে শুরু হয় তীব্র সমালোচনা।

    এই ঘটনার পর দিল্লি পুলিশের গোয়েন্দা ব্যবস্থা পর্যালোচনা করা হয়। সেই পর্যালোচনায় আধিকারিকদের একাংশের মনে হয়েছে, বিক্ষোভের আগে অংশগ্রহণকারীদের সম্ভাব্য সংখ্যা, তাঁদের সংগঠিত করার প্রক্রিয়া এবং বিভিন্ন সংগঠনের ভূমিকা সম্পর্কে পর্যাপ্ত ও নির্ভুল আগাম তথ্য পুলিশের হাতে ছিল না। তাই পরিস্থিতি কোন দিকে যেতে পারে, তা যথেষ্ট নির্ভুলভাবে অনুমান করা সম্ভব হয়নি।

    এই অভিজ্ঞতার পরেই বিশেষ শাখাকে আরও বিস্তারিত এবং ব্যবহারযোগ্য গোয়েন্দা তথ্য প্রস্তুত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এখন থেকে কোনও বিক্ষোভের ক্ষেত্রে শুধু জনসমাগমের সম্ভাব্য আকার বা ঘটনাস্থলের তথ্য নয়, বরং বিক্ষোভের সামগ্রিক কাঠামো সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহের উপর গুরুত্ব দেওয়া হবে।

    পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, বিক্ষোভে অংশগ্রহণকারীদের সম্পর্কে আলাদা করে তথ্য সংগ্রহ করা হবে। কোন রাজ্য থেকে কত মানুষ আসছেন, তাঁদের কীভাবে সংগঠিত করা হচ্ছে, কারা তাঁদের নিয়ে আসছেন এবং বিক্ষোভের পিছনে কোন কোন গুরুত্বপূর্ণ নেতা বা সংগঠকের ভূমিকা রয়েছে—এসব বিষয়ও খতিয়ে দেখা হবে। একই সঙ্গে বিক্ষোভের মূল উদ্দেশ্য, নির্দিষ্ট দাবি এবং আন্দোলনের কর্মসূচি সম্পর্কে আগাম ধারণা তৈরি করার চেষ্টা করা হবে (Mobilisation Funding)।

    জোগাড় করা হবে যাবতীয় তথ্য

    বিক্ষোভকারীরা দিল্লিতে কোথায় থাকছেন, তাঁদের স্থানীয় যোগাযোগ কারা, দিল্লিতে তাঁদের কী ধরনের স্থানীয় সংযোগ রয়েছে—এই তথ্যও সংগ্রহ করবে পুলিশ। এর পাশাপাশি বিভিন্ন সংগঠনের সঙ্গে তাঁদের যোগাযোগ এবং বিক্ষোভের সম্ভাব্য অর্থের উৎস সম্পর্কেও তথ্য সংগ্রহ করা হবে। এত বড় জমায়েতের জন্য প্রয়োজনীয় পরিবহণ, থাকা, খাবার এবং অন্যান্য ব্যবস্থাপনা কীভাবে করা হচ্ছে, সেই বিষয়েও নজর রাখা হবে।

    এক কথায়, দিল্লি পুলিশের নতুন গোয়েন্দা ব্যবস্থার লক্ষ্য শুধু “কোথায় বিক্ষোভ হবে” বা “কখন বিক্ষোভ হবে”—এই দু’টি প্রশ্নের উত্তর খুঁজে বের করা নয়। বরং বিক্ষোভের পিছনে কারা রয়েছেন, কারা মানুষকে সংগঠিত করছেন, কোন কোন এলাকা বা রাজ্য থেকে মানুষ আসছেন, তাঁদের স্থানীয় যোগাযোগ কারা, কোন সংগঠনগুলি যুক্ত এবং কীভাবে গোটা কর্মসূচির প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে—তার একটি পূর্ণাঙ্গ চিত্র তৈরি করাই এখন পুলিশের লক্ষ্য (Jantar Mantar Protest)।

    বড় জনসমাগমের ক্ষেত্রে ফিল্ড লেভেলে থাকা পুলিশকর্মী এবং ঊর্ধ্বতন আধিকারিকদের মধ্যে দ্রুত তথ্য আদানপ্রদান নিশ্চিত করতেও বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। পুলিশ কমিশনার বেতার যোগাযোগ ব্যবস্থার বিষয়ে কড়া নির্দেশ দিয়েছেন। বিক্ষোভের সময় ঘটনাস্থলে থাকা পুলিশকর্মীদের কাছ থেকে ঊর্ধ্বতন আধিকারিকদের কাছে দ্রুত তথ্য পৌঁছনো এবং প্রয়োজনীয় নির্দেশ দ্রুত নীচে পৌঁছে দেওয়ার জন্য গোটা বেতার যোগাযোগ ব্যবস্থা পরীক্ষা করা হয়েছে। পরীক্ষায় যে সমস্ত ত্রুটি বা ঘাটতি ধরা পড়েছে, সেগুলি দ্রুত সংশোধন করা হয়েছে বলে সূত্রের খবর।

    পুলিশের লক্ষ্য

    পুলিশের এই উদ্যোগের উদ্দেশ্য অবশ্য কোনও ধরনের বিক্ষোভ বন্ধ করা নয় বলেই সূত্রের দাবি। বড় জনসমাবেশের সময় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি সম্পর্কে আরও নির্ভুল মূল্যায়ন করা এবং প্রয়োজন অনুযায়ী আগাম প্রস্তুতি নেওয়াই এর মূল লক্ষ্য। বিশেষ করে যে সমস্ত বিক্ষোভে দিল্লির বাইরের বিভিন্ন রাজ্য থেকে বিপুল সংখ্যক মানুষ আসেন অথবা একাধিক সংগঠন একই কর্মসূচিতে যুক্ত থাকে, সেগুলির ক্ষেত্রে আরও বেশি গুরুত্ব দিয়ে আগাম তথ্য সংগ্রহ করা হবে।

    যন্তর মন্তরের ২০ জুলাইয়ের ঘটনা দিল্লি পুলিশের কাছে বড় ধরনের শিক্ষা হয়ে দাঁড়িয়েছে বলেই মনে করা হচ্ছে। বিপুল জনসমাগমের ক্ষেত্রে শুধুমাত্র ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করাই যথেষ্ট নয়—সমাবেশের আকার, অংশগ্রহণকারীদের উৎস, সংগঠকদের ভূমিকা, আন্দোলনের উদ্দেশ্য এবং সম্ভাব্য পরিস্থিতি সম্পর্কে আগাম নির্ভুল তথ্য থাকা জরুরি। সেই প্রয়োজন থেকেই গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহের পুরনো পদ্ধতিকে আরও বিস্তৃত এবং কার্যকর করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে (Jantar Mantar Protest)।

    নতুন ব্যবস্থায় বিক্ষোভের আগে পাওয়া তথ্যকে একাধিক স্তরে বিশ্লেষণ করা হবে। এর ফলে কোনও সমাবেশ শান্তিপূর্ণভাবে হওয়ার সম্ভাবনা কতটা, কোথায় অতিরিক্ত সতর্কতা প্রয়োজন এবং কোন পরিস্থিতিতে আইনশৃঙ্খলার অবনতি ঘটতে পারে—সেই সব বিষয়ে পুলিশের প্রস্তুতি আরও শক্তিশালী হবে বলেই মনে করা হচ্ছে (Mobilisation Funding)।

    বদলাতে পারে দিল্লি পুলিশের কৌশল

    দিল্লি পুলিশের এই পদক্ষেপের ফলে আগামী দিনে বড় বিক্ষোভ ও জনসমাবেশ পরিচালনায় তাদের কৌশলেও পরিবর্তন আসতে পারে। বিশেষত দিল্লির বাইরে থেকে আসা বিপুল জনসমাগম এবং একাধিক সংগঠনের যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত কর্মসূচিগুলির ক্ষেত্রে আগাম তথ্য সংগ্রহ ও বিশ্লেষণ আরও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবে। যন্তর মন্তরের ঘটনার পর পুলিশের লক্ষ্য এখন একটাই—পরিস্থিতি উত্তপ্ত হওয়ার পরে (Mobilisation Funding) ব্যবস্থা নেওয়ার বদলে, সম্ভাব্য ঝুঁকি সম্পর্কে আগে থেকেই স্পষ্ট ধারণা তৈরি করে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় আরও বেশি করে প্রস্তুত থাকা (Jantar Mantar Protest)।

     

  • Sonam Wangchuk: ২০ দিনের অনশন ভাঙল হাসপাতালে, ভোররাতে সোনম ওয়াংচুককে যন্তর মন্তর থেকে সরাল দিল্লি পুলিশ

    Sonam Wangchuk: ২০ দিনের অনশন ভাঙল হাসপাতালে, ভোররাতে সোনম ওয়াংচুককে যন্তর মন্তর থেকে সরাল দিল্লি পুলিশ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অনির্দিষ্টকালের অনশনে ইতি। টানা ২০ দিনের অনশনের পর জলবায়ু আন্দোলনকারী সোনম ওয়াংচুককে যন্তর মন্তর থেকে শনিবার ভোররাতে সফদরজং হাসপাতালে নিয়ে গেল দিল্লি পুলিশ। দিল্লি হাইকোর্টের নির্দেশ, এবং তাঁর শারীরিক অবস্থার অবনতির কথা উল্লেখ করেই এই পদক্ষেপ করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। শনিবার ভোরের দিকে অত্যন্ত পরিকল্পিতভাবেই এই অভিযান চালানো হয়। এর ফলে রাজধানীর অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ আন্দোলন কেন্দ্র যন্তর মন্তরে ওয়াংচুকের দীর্ঘ অনশন কর্মসূচির ইতি ঘটল। দিল্লি পুলিশের দাবি, বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের মতামতের ভিত্তিতেই শুধুমাত্র চিকিৎসাজনিত কারণেই তাঁকে হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে।

    সোনম ওয়াংচুক (Sonam Wangchuk)

    দিল্লি পুলিশের তরফে জানানো হয়েছে, ওয়াংচুক বর্তমানে সফদরজং হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন। দীর্ঘদিন অনশন ও শরীরে জলশূন্যতার কারণে তিনি দুর্বল হয়ে পড়েছেন। তবে আপাতত তাঁর শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল। চিকিৎসকদের পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে এবং প্রয়োজনীয় চিকিৎসা চলছে। দিল্লি পুলিশের বক্তব্য, “সোনম ওয়াংচুককে প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্য পরিষেবার জন্য সফদরজং হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। দীর্ঘদিন অনশন ও শরীরে জলশূন্যতার কারণে তিনি দুর্বল হয়ে পড়েছেন। বর্তমানে তাঁর অবস্থা স্থিতিশীল হলেও শরীরের স্বাভাবিক কার্যক্ষমতা ফিরিয়ে আনতে তাঁকে নিয়মিত পর্যবেক্ষণ ও চিকিৎসার মধ্যে রাখতে হবে।” পুলিশ জানিয়েছে, দিল্লি হাইকোর্টের নির্দেশ এবং বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের পরামর্শ অনুযায়ী ওয়াংচুকের শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় তাঁকে হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে। নয়াদিল্লির উপ-পুলিশ কমিশনার সোশ্যাল মিডিয়ায় জানিয়েছেন, “মাননীয় দিল্লি হাইকোর্টের নির্দেশ এবং বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের পরামর্শ অনুযায়ী সোনম ওয়াংচুকের শারীরিক অবস্থার অবনতির কারণে তাঁকে প্রয়োজনীয় চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে।”

    শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল

    পুলিশ আন্দোলনকারীদের শান্তিপূর্ণভাবে যন্তর মন্তরের আন্দোলনস্থল খালি করার আবেদনও জানিয়েছে। চিকিৎসকদের প্রাথমিক পরীক্ষায় দেখা গিয়েছে, দীর্ঘ অনশন সত্ত্বেও ওয়াংচুকের শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল রয়েছে। চিকিৎসকদের রিপোর্ট অনুযায়ী, তাঁর জীবনরক্ষাকারী শারীরিক সূচকগুলি স্বাভাবিক ছিল। রক্তচাপ এবং শরীরে জলের মাত্রাও গ্রহণযোগ্য অবস্থায় ছিল। তবে রক্তে শর্করার মাত্রা সামান্য কম পাওয়া যায়। তিনি হালকা ডায়রিয়ার অভিযোগও জানান। দীর্ঘদিন অনশন ও জলশূন্যতার কারণে দুর্বল হয়ে পড়ায় তাঁকে নিয়মিত পর্যবেক্ষণে রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। কিছু প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, প্রাথমিকভাবে চিকিৎসা বা হাসপাতালে স্থানান্তরের জন্য ওয়াংচুক সম্মতি দিতে চাননি। যদিও এ বিষয়ে এখনও পর্যন্ত সরকারের তরফে কোনও নিশ্চিত তথ্য প্রকাশ করা হয়নি। পুলিশের শীর্ষ সূত্রের দাবি, নয়াদিল্লির পুলিশ কমিশনার অনুরাগ কুমার দায়িত্ব নেওয়ার পর উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে এই অভিযানের পরিকল্পনা চূড়ান্ত হয়। ইচ্ছাকৃতভাবেই ভোরের সময়টি বেছে নেওয়া হয়, কারণ সেই সময় যন্তর মন্তরে আন্দোলনকারীর সংখ্যা তুলনামূলকভাবে কম ছিল।

    ত্রিস্তরীয় নিরাপত্তা বলয়

    পুলিশের আরও দাবি, ওয়াংচুকের ঘনিষ্ঠ সহযোগী অভিজিৎ দিপকে সাময়িকভাবে মঞ্চ ছেড়ে যাওয়ার সময়টিকেও কৌশলগত সুযোগ হিসেবে ব্যবহার করা হয়। সেই সময় মঞ্চে আন্দোলনের মূল সমন্বয়কারী উপস্থিত ছিলেন না। এদিন ৩০ থেকে ৩৫ জন সাদা পোশাকের পুলিশকর্মী নয়াদিল্লি জেলার বিশেষ শাখা এবং স্থানীয় পুলিশের পক্ষ থেকে ব্যারিকেড ঘেরা আন্দোলনস্থলে প্রবেশ করেন। সূত্রের দাবি, পুরো অভিযানটি অত্যন্ত গোপনীয়তার সঙ্গে পরিচালিত হয়। হাতে গোনা কয়েকজন ঊর্ধ্বতন আধিকারিকই সম্পূর্ণ পরিকল্পনা সম্পর্কে জানতেন। ফিল্ড লেভেলের পুলিশকর্মীদের শুধু ঘটনাস্থলে উপস্থিত থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ত্রিস্তরীয় নিরাপত্তা বলয় তৈরি করে অভিযান চালানো হয়। প্রথমে সাদা পোশাকের পুলিশকর্মীরা মঞ্চ ঘিরে ফেলেন এবং পরে ওয়াংচুকের শয্যার চারপাশে অবস্থান নেন। এরপর বড় সাদা চাদর দিয়ে চারদিক ঢেকে তাঁকে সেখান থেকে বের করে আনা হয়, যাতে ভিড় জমায়েত বা সংঘাতের পরিস্থিতি তৈরি না হয়। দ্বিতীয় স্তরে কেন্দ্রীয় রিজার্ভ পুলিশ বাহিনী এবং ক্যুইক রেসপন্স টিমের সদস্যরা ব্যারিকেডের বাইরে আন্দোলনকারীদের আটকে, এবং পরিস্থিতির অবনতি রুখে দেন।

    দিল্লি পুলিশের বক্তব্য

    তৃতীয় স্তরে দিল্লি পুলিশের ঊর্ধ্বতন আধিকারিকরা অ্যাম্বুল্যান্স এবং পুলিশের গাড়ির কাছে তৈরি নিয়ন্ত্রণকেন্দ্র থেকে গোটা অভিযান তদারকি করেন। ওয়াংচুককে অ্যাম্বুল্যান্সে তোলার পর সফদরজং হাসপাতালে দ্রুত পৌঁছে দিতে যান চলাচলের বিশেষ ব্যবস্থা করা হয়। অভিযান শেষ হওয়ার কিছুক্ষণ পর অভিজিৎ দিপকে আন্দোলনস্থলে ফিরে এসে অভিযোগ করেন, তাঁর অনুপস্থিতির সুযোগ নিয়ে ওয়াংচুককে সেখান থেকে সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। তিনি ঘোষণা করেন, ওয়াংচুক হাসপাতালে ভর্তি হলেও, আন্দোলন থামবে না। তিনি নিজেই অনশন শুরু করে আন্দোলন চালিয়ে যাবেন। এদিকে, দিল্লি পুলিশের দাবি, আদালতের নির্দেশ কার্যকর করার সময় কিছু আন্দোলনকারী বাধা দেওয়ার চেষ্টা করেছিলেন। তবে পুলিশ সর্বোচ্চ সংযম দেখিয়ে নিরাপদভাবেই পুরো অভিযান সম্পন্ন করেছে। উপ-পুলিশ কমিশনার বলেন, “মাননীয় দিল্লি হাইকোর্টের নির্দেশ কার্যকর করার সময় কিছু আন্দোলনকারী বাধা দেওয়ার চেষ্টা করেছিলেন। এতে সামান্য বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হলেও, পুলিশ সর্বোচ্চ সংযম বজায় রেখে নিরাপদভাবে পুরো প্রক্রিয়া সম্পন্ন করেছে।”

     

LinkedIn
Share