Tag: Anurag Thakur

Anurag Thakur

  • Jammu Kashmir Election 2024: তাঁর প্রচারে এসেছিলেন মোদি, কাশ্মীরে বিজেপির জয় নিয়ে আত্মবিশ্বাসী শগুন

    Jammu Kashmir Election 2024: তাঁর প্রচারে এসেছিলেন মোদি, কাশ্মীরে বিজেপির জয় নিয়ে আত্মবিশ্বাসী শগুন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সালটা ২০১৮। তখন তাঁর বয়স মাত্র ২৩। পঞ্চায়েত নির্বাচনের আগে সন্ত্রাসবাদীদের গুলিতে মৃত্যু হয় বাবা অজিত পরিহার এবং কাকা অনিলের। বাবার ঠান্ডা শরীর স্পর্শ করেই চোখের জলে সিক্ত হয়েছিল তাঁর দেহ। এখনও সেই কথা মনে পড়লে চোখের কোণা চিকচিক করে ওঠে কিশতওয়ারে বিজেপি প্রার্থী শগুন পরিহারের। সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি) প্রচারের পোস্টার গার্ল হিসেবে পরিচিতি পেয়েছেন শগুন (Shagun Parihar)। দীর্ঘ এক দশক পর জম্মু-কাশ্মীরের বিধানসভা নির্বাচনে (Jammu Kashmir Election 2024) বিজেপির জয়ের বিষয়ে আত্মবিশ্বাসী তিনি।

    উপত্যকা উন্নতি চায়

    শগুন জানান, রাজনীতিতে যোগ দেওয়ার কোনও পরিকল্পনা ছিল না তাঁর। তিনি পিএইচডি-র জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন, সেই সময় দলের তরফ থেকে ফোন যায় তাঁর কাছে। তখনই বলা হয় তাঁকে নির্বাচনে (Jammu Kashmir Election 2024) লড়তে হবে। এরপর আর পিছন ফিরে তাকাননি তিনি। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)  নিজে তাঁর হয়ে প্রচারে গিয়েছিলেন। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah) এবং প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অনুরাগ ঠাকুরও (Anurag Thakur) কিশতওয়ারের প্রার্থীর জন্য প্রচার চালিয়েছেন। শগুনের কথায়, উপত্যকায় সন্ত্রাস ক্রমশ ফিকে হচ্ছে। যা সন্ত্রাস, তা ন্যাশনাল কনফারেন্সের জন্যই বলে উল্লেখ করেছেন তিনি। তবে, এখানকার যুব সম্প্রদায় দেশের অন্য প্রান্তের মতোই উপত্যকার উন্নতি চায়। চায় শিক্ষা, চাকরি, দাবি শগুনের।

    বিজেপির জয় নিশ্চিত

    কিশতওয়ারে ন্যাশনাল কনফারেন্সের দু’বারের বিধায়ক সাজ্জাদ আহমেদ কিচলুর বিরুদ্ধে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন শগুন। এই আসনের সাত প্রার্থীর ভাগ্য নির্ধারণ করবেন ৭৪,৪৬৬ ভোটার। ভোটারদের (Jammu Kashmir Election 2024) কাছ থেকে কেমন সাড়া পেয়েছেন এই প্রশ্নের উত্তরে শগুন বলেন, “আমি যখনই যেখানে ভোটারদের কাছে যাচ্ছি, দেখেছি তাঁরা আমাকে নিজের মেয়ের মতোই ভালবাসছেন। আমার বাবার জন্যই আমি এত ভালবাসা পাচ্ছি। উপত্যকাবাসীর জন্য নিরাপত্তা ও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি নিশ্চিত করাই আমার লক্ষ্য।” তাঁর মতে, ন্যাশনাল কনফারেন্স মানুষকে অনেক কিছুই দিতে পারেনি। শগুনের অভিযোগ, ওমর আব্দুল্লাহ গুজ্জর ছেলেমেয়েদের স্কুল-কলেজের কথা চিন্তা করেননি, রিজার্ভেশন কেড়ে নিয়েছেন। জম্মু ও কাশ্মীরের সাধারণ মানুষের কথাও এতদিন চিন্তা করা হয়নি বলে অভিযোগ জানিয়েছেন শগুন। তিনি বলেন, “এই নির্বাচনে নিরঙ্কুশ পরাজয়ের সম্মুখীন হবে বিরোধীরা। মানুষ শান্তি ও উন্নয়ন চায়। সেইলক্ষ্যেই কিশতওয়ারে সবচেয়ে বেশি ভোট পড়েছে। বিজেপি মানুষের আশা পূরণ করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Anurag Thakur: জাত বিতর্কে অখিলেশকে পাল্টা আক্রমণ অনুরাগ, কঙ্গনার

    Anurag Thakur: জাত বিতর্কে অখিলেশকে পাল্টা আক্রমণ অনুরাগ, কঙ্গনার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তিনি সাংবাদিককে প্রশ্ন করেছিলেন “আপনার জাত কি?” জাত বিতর্ক (Caste Row) নিয়ে যখন দেশজুড়ে বিতর্ক তুঙ্গে, সেই সময় এমন একটি ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করেছেন হামিরপুরের সাংসদ তথা প্রাক্তন মন্ত্রী বিজেপির অনুরাগ ঠাকুর (Anurag Thakur)। ভিডিওটি সমাজবাদী পার্টি প্রধান অখিলেশ যাদবের। একটি প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, “কেউ কীভাবে জাত সম্পর্কে জিজ্ঞেস করতে পারে?” ভিডিওটিতে কোনও তারিখ দেখা যাচ্ছে না। তবে তাতে দেখা যাচ্ছে, অখিলেশ একজন সাংবাদিককে জাত নিয়ে প্রশ্ন করছেন।

    অনুরাগের বাক্য-বাণ (Anurag Thakur)

    ঘটনার সূত্রপাত মঙ্গলবার। সংসদে চলছিল জাত গণনার দাবিতে আলোচনা। সেই সময় কংগ্রেসকে আক্রমণ করেন অনুরাগ। বলেন, “কংগ্রেসের শাহজাদা আমাদের জ্ঞান দেবেন? বিরোধী দলনেতার পদ কী, তা আগে বুঝতে হবে ওঁকে। ওঁদের মিথ্যে ছড়ানো বন্ধ করতে হবে। বারবার ওবিসিদের কথা বলা হয়। বারবার করে জাতিগণনার কথা বলা হয়।” এর পরেই প্রাক্তন এই কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বলেন, “যাঁদের নিজেদের জাতের ঠিক নেই, তাঁরাই জাত গণনার দাবি করছেন।” অনুরাগের মন্তব্যের কড়া সমালোচনা করেন সমাজবাদী পার্টি সুপ্রিমো তথা সাংসদ অখিলেশ যাদবও। তিনি প্রশ্ন করেন, “কারও জাত কি জানতে চাওয়া যায়? কারও জাত জানতে হবে কেন? অখিলেশের এহেন প্রশ্নের প্রেক্ষিতেই অনুরাগ পোস্ট করেন পুরানো ভিডিও। অনুরাগকে ক্ষমা চাইতে হবে বলে দাবি জানান বিরোধীরা।

    মোদির কণ্ঠে অনুরাগ প্রশস্তি

    হামিরপুরের সাংসদের প্রশস্তি শোনা গিয়েছে স্বয়ং প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির গলায়ও। লোকসভার ভাষণ শেয়ার করে সোশ্যাল মিডিয়ায় তিনি লেখেন, “আমার ছোট এবং উদ্যমী সহকর্মী অনুরাগ ঠাকুরের বক্তব্য অবশ্যই শুনতে হবে। ঘটনা এবং রসবোধের যথার্থ মিশ্রণ এটি। ‘ইন্ডি’ জোটের (বিজেপি বিরোধী ২৬টি রাজনৈতিক দলের জোট) নোংরা রাজনীতির উপযুক্ত জবাব দিয়েছেন তিনি।” কংগ্রেস নেতা তথা সাংসদ শশী থারুরের একটি বই থেকে উদ্ধৃতিও দিয়েছেন অনুরাগ। রাহুলকে দিয়েছেন এলওপি-র ব্যাখ্যা। অনুরাগ (Anurag Thakur) বলেন, “এই দলের শাহজাদার প্রথমে বোঝা উচিত এলওপি-র অর্থ কী। এর অর্থ হল ‘লিডার অফ অপোজিশন’, ‘লিডার অফ প্রোপাগান্ডা নয়’।”

    হালুয়া প্রসঙ্গ

    হালুয়া প্রসঙ্গ তুলেও এদিন রাহুলকে চাঁদমারি করেন অনুরাগ। বলেন, “রাহুলজি, আপনি হালুয়া নিয়ে বলছেন। বোফর্স দুর্নীতির হালুয়া কে খেয়েছিল? অন্তরীক্ষ দিবস (Caste Row) দুর্নীতি, কমনওয়েল্থ গেমস, ন্যাশনাল হেরাল্ড, সাবমেরিন, ২জি স্ক্যাম, কয়লা, ইউরিয়া ও পশুখাদ্য কেলেঙ্কারি থেকে কারা লাভ করেছিল? রাহুলজি ওই হালুয়াটা কি মিষ্টি ছিল নাকি বিস্বাদ? অনুরাগ বলেন, “কয়েকজন ওবিসি নিয়ে কথা বলেন, কিন্তু তাদের কাছে ওবিসির অর্থ হল, ‘ব্রাদার ইন ল কমিশন’। এই দল কিনা পিছিয়ে পড়া শ্রেণির মানুষদের নিয়ে কথা বলবে?

    বোমা ফাটালেন কঙ্গনা

    জাত নিয়ে কথা বলায় অনুরাগ যখন খুঁচিয়ে তুলেছেন অখিলেশের পুরানো ঘা, ঠিক তখনই পুরানো একটি ভিডিও শেয়ার করে রাহুল গান্ধীকে নিশানা করলেন গ্ল্যামার কুইন নায়িকা সাংসদ কঙ্গনা রানাওয়াত। পুরানো ওই ভিডিওয় রাহুল গান্ধীকেও লোকের জাত নিয়ে কথা বলতে শোনা গিয়েছে।

    আরও পড়ুন: “হিসেব দাও, টাকা নাও”, রাজ্যসভায় তৃণমূল সাংসদকে মুখের মতো জবাব অমিত শাহের

    ইনস্টাগ্রাম স্টোরিতে ভিডিও শেয়ার করে কঙ্গনা লিখেছেন, “আপনি নিজের জাত সম্পর্কে কিছুই জানেন না। আপনার দাদু মুসলিম, ঠাকুমা পার্সি, মা খ্রিস্টান। মনে হয় কেউ ভাত ও ডাল বানানোর জন্য কারিপাতা দিয়ে পাস্তা মেখেছেন। এদিকে উনি সবার জাত জানতে চান।” তিনি লিখেছেন, “কী করে তিনি প্রকাশ্যে মানুষকে তাঁদের জাত (Caste Row) সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করতে পারেন, এমন (Anurag Thakur) অভদ্রভাবে, ছিঃ লজ্জা, রাহুল গান্ধী।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • PM Modi: ”এই ভাষণ সকলের শোনা উচিত”, জাতগণনা ইস্যুতে অনুরাগের বক্তৃতার প্রশংসা মোদির

    PM Modi: ”এই ভাষণ সকলের শোনা উচিত”, জাতগণনা ইস্যুতে অনুরাগের বক্তৃতার প্রশংসা মোদির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সম্প্রতি জাতগণনা ইস্যুতে কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধীকে উদ্দেশ করে বিজেপি সাংসদ অনুরাগ ঠাকুরের মন্তব্য (Anurag Thakur Vs Rahul Gandhi) ঘিরে উত্তাল হয় লোকসভা। এবার অনুরাগ ঠাকুরের সেই মন্তব্যেরই ভরপুর সমর্থন করল প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। 

    প্রধানমন্ত্রীর মন্তব্য (PM Modi)   

    এ প্রসঙ্গে মঙ্গলবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি লোকসভায় বিজেপি সাংসদ অনুরাগ ঠাকুরের বক্তৃতার প্রশংসা করেছেন। একইসঙ্গে তিনি সমাজমাধ্যমে সাংসদ কক্ষের সেই তর্কবিতর্কের ভিডিও পোস্ট করে লিখেছেন যে, ”আমার তরুণ সহকর্মীর বক্তব্য শুনুন সকলে। তিনি কত সুন্দর করে তথ্য এবং যুক্তি দিয়ে ‘ইন্ডি জোটের নোংরা রাজনীতি’ সকলের কাছে ফাঁস করে দিলেন।”   

    আগে কী বলেছিলেন অনুরাগ ঠাকুর? 

    এর আগে লোকসভায় বাজেট নিয়ে বিতর্কে রাহুল গান্ধী দাবি করেছিলেন, ‘ইন্ডি জোট’ ক্ষমতায় এলে দেশের ওবিসিদের সংখ্যা নির্ধারণে জাতগণনা করাবে। এই মন্তব্যের পরেই বিজেপি সাংসদ, প্রাক্তন মন্ত্রী অনুরাগ ঠাকুর নাম না করেই রাহুল গান্ধীকে নিশানা করে বলেছিলেন, ”যাঁর নিজের জাতের ঠিক নেই, সে এখন গণনার কথা বলছে।” এখানেই শেষ নয়, অনুরাগ আরও কটাক্ষ (Anurag Thakur Vs Rahul Gandhi) করে বলেন যে, ” কিছু মানুষ আছে যারা হঠাৎ করে হিন্দু হয়ে গিয়েছে। শুধু তাই নয় তাঁদের মহাভারত সম্বন্ধেও কম জ্ঞান আছে।” 

    আরও পড়ুন: ওয়েনাড়ে ধসে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ১৫৩! চলছে নিখোঁজ ব্যক্তিদের সন্ধান

    অনুরাগ ঠাকুরের এই মন্তব্যের পরেই গোটা বিরোধী শিবির প্রতিবাদ জানায়। রাহুল নিজে উঠে বলেন, ”এ দেশে বঞ্চিত, গরিবের জন্য যে মুখ খুলেছে, তাঁকে গালিগালাজ শুনতে হয়েছে। আপনারা আমায় যত অপমান করুন, আমি ক্ষমা চাইতে বলব না। কিন্তু এই সংসদে জাতগণনা পাশ করিয়ে ছাড়ব।” এদিনের এই বাকবিতণ্ডার মধ্যে অনুরাগ ঠাকুরের কটাক্ষকেই এবার ভরপুর সমর্থন করলেন প্রধানমন্ত্রী মোদি (PM Modi)। 
     
      

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Himachal Pradesh: বিজেপি ফের চারে-চার! হিমাচল প্রদেশে দাগ কাটতে পারল না কংগ্রেস 

    Himachal Pradesh: বিজেপি ফের চারে-চার! হিমাচল প্রদেশে দাগ কাটতে পারল না কংগ্রেস 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চারে-চার! হিমাচল প্রদেশের (Himachal Pradesh) চারটি আসনেই জয়ী বিজেপি প্রার্থীরা। হিমালয়ের রঙ শুধুই গেরুয়া। দাগ কাটতে পারল না কংগ্রেস। জেতা আসনও হাত থেকে বেরিয়ে গেল! নেপথ্যে বিজেপির বহু চর্চিত তারকা প্রার্থী তথা বলিউড অভিনেত্রী কঙ্গনা রানাউত। মাণ্ডী আসনটিতে ৭৪ হাজারের বেশি ভোটে জিতেছেন বলিউড কুইন। যা পাল্টে দিয়েছে হিমাচলের অঙ্ক। রাজ্যে কংগ্রেস ক্ষমতাসীন থাকলেও ২০১৪ সালের পর থেকে হিমাচলের চারটি লোকসভা (Lok Sabha Election 2024) কেন্দ্রে সে ভাবে তারা দাগ কাটতে পারেনি।

    হিমাচলের হাওয়া

    হিমাচলের (Himachal Pradesh) চারটি কেন্দ্রেই ২০১৪ এবং ২০১৯ সালে একতরফা জয় পেয়েছিল বিজেপি। দু’বারই ভোটের ফল ছিল চারে চার। তবে এবার লোকসভা নির্বাচনের আগে সমীকরণটা ছিল অন্যরম। বিজেপির দখলে ছিল তিনটি আসন— হামিরপুর, কাংড়া এবং শিমলা। মাণ্ডী আসনটি কংগ্রেসের দখলে। ২০২১ সালে মাণ্ডীর সাংসদ রামস্বরূপ শর্মার মৃত্যুর পর উপনির্বাচনে জিতেছিলেন কংগ্রেসের প্রতিভা সিং। তবে এ বার তিনি প্রার্থী হননি। বদলে কংগ্রেস টিকিট দিয়েছিল প্রতিভার পুত্র বিক্রমাদিত্যকে। তাঁকে হারিয়ে দিয়েছেন কঙ্গনা। এই প্রথম বার ভোটে লড়লেন বলিউড কুইন।

    বিজেপির দাপট

    মাণ্ডী ছাড়া হামিরপুর, শিমলা এবং কাংড়া নিয়ে বিশেষ সংশয় ছিল না বিজেপির। হামিরপুরে বিজেপি প্রার্থী তথা কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অনুরাগ ঠাকুর ১ লক্ষ ৮২ হাজার ভোটে জিতেছেন। তাঁর বিরুদ্ধে কংগ্রেস প্রার্থী করেছিল সৎপাল রায়জাদাকে। কাংড়ায় বিজেপির টিকিটে এবার লড়েছিলেন রাজীব ভরদ্বাজ। তিনি কংগ্রেসের আনন্দ শর্মাকে আড়াই লক্ষ ভোটে হারিয়ে দিয়েছেন। শিমলায় বিজেপির সুরেশ কুমার কাশ্যপও প্রায় ৯০ হাজারের বেশি ভোটে জিতেছেন।

    আরও পড়ুন: পর পর তিনবার ভারতের প্রধানমন্ত্রীর পদে মোদি, বিশ্ব নেতাদের শুভেচ্ছা বার্তা

    অনুরাগে অনুগামী

    হিমাচলে (Himachal Pradesh) গত দুই লোকসভা নির্বাচনের (Lok Sabha Election 2024) ফলাফল দেখলে বোঝা যাচ্ছে, হামিরপুরে ২০১৪ সালে ৫৩.৬ শতাংশ ভোট পেয়েছিল বিজেপি। কংগ্রেস প্রার্থী রাজেন্দ্র সিং রানাকে হারিয়ে বিজেপির অনুরাগ জিতেছিলেন ৯৮ হাজারেরও বেশি ভোটে। পরের বার ব্যবধান চোখে পড়ার মতো বাড়িয়ে ফেলেন অনুরাগ। ২০১৯ সালে হামিরপুরে প্রায় ৪ লক্ষ ভোটে জেতে বিজেপি। অনুরাগের বিরুদ্ধে সে বার কংগ্রেসের প্রার্থী ছিলেন রামলাল ঠাকুর। ভোট পড়েছিল ৭০.৮৩ শতাংশ।

    হামিরপুরে এখন মোট ভোটার ১৪.১১ লক্ষ। অনুরাগ বর্তমানে কেন্দ্রীয় তথ্য এবং সম্প্রচারমন্ত্রী। ক্রীড়া এবং যুব বিষয়ক মন্ত্রকও সামলান তিনি। ২০০৮ সালে এই কেন্দ্র থেকে প্রথম বার উপনির্বাচনে লড়ে জয় পেয়েছিলেন অনুরাগ। পরে ২০০৯, ২০১৪ এবং ২০১৯ সালেও জেতেন তিনি। হামিরপুরকে বিজেপির শক্ত ঘাঁটিতে পরিণত করে ফেলেছিলেন অনুরাগ। এবারও তাঁর ব্যতিক্রম হল না। একই কেন্দ্র থেকে পাঁচবার সাংসদ হলেন অনুরাগ।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Siliguri: “তৃণমূল সরকার রাজ্যে জঙ্গিদের আশ্রয় দিচ্ছে”, বিস্ফোরক অনুরাগ ঠাকুর

    Siliguri: “তৃণমূল সরকার রাজ্যে জঙ্গিদের আশ্রয় দিচ্ছে”, বিস্ফোরক অনুরাগ ঠাকুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তৃণমূল সরকার রাজ্যে জঙ্গিদের আশ্রয় দিচ্ছে। তাই, দেশের বিভিন্ন প্রান্তে থাকা জঙ্গিদের নিরাপদ আশ্রয়স্থল হয়ে উঠেছে এরাজ্য। সোমবার শিলিগুড়িতে (Siliguri) দার্জিলিং লোকসভা কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী রাজু বিস্তার সমর্থনে প্রচারে এসে এভাবেই মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও তাঁর দল তৃণমূল কংগ্রেসের বিরুদ্ধে তোপ দাগেন কেন্দ্রের ক্রীড়া ও যুব কল্যাণ এবং তথ্য সম্প্রচার মন্ত্রী অনুরাগ ঠাকুর। তিনি বলেন, এরাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী গরিব ও সাধারণ মানুষের কথা ভাবেন না।

     জঙ্গিদের আশ্রয় দেয় তৃণমূল সরকার (Siliguri)

    এদিন শিলিগুড়িতে (Siliguri) নির্বাচনী প্রচারে রাজু বিস্তাকে জেতানোর আহ্বান জানান অনুরাগ ঠাকুর। তিনি বলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে দেশজুড়ে উন্নয়নের কাজ হয়েছে। তার শরিক হয়ে রাজু বিস্তাও গত পাঁচ বছরে এই অঞ্চলের ব্যাপক উন্নয়নের কাজ করেছেন। মানুষ বুঝেছেন যে নরেন্দ্র মোদি গরিব ও সাধারণ মানুষের জন্য কল্যাণকর কাজ করেছেন, আগামী দিনেও করবেন। সেখানে রাজ্যের তৃণমূল সরকার সম্পর্কে মানুষের মধ্যে ঘৃণা, বিরক্তি এসে গিয়েছে। কলকাতা থেকে রাজ্যের যে কোনও প্রান্তে গেলে তৃণমূল সরকার সম্পর্কে শোনা যায় দুর্নীতিগ্রস্ত, নারী নির্যাতনকারীদের আশ্রয়দাতা। ক্রমে জঙ্গিদেরও আশ্রয়দাতা হয়ে উঠেছে। বেঙ্গালুরু বা দেশের যে কোনও প্রান্তে  নাশকতা ঘটিয়ে জঙ্গিরা পশ্চিমবঙ্গে এসে  আশ্রয় নিচ্ছে। স্বাভাবিকভাবেই সাধারণ মানুষের মনেও প্রশ্ন উঠেছে দেশের বিভিন্ন প্রান্তের জঙ্গিরা কেন পশ্চিমবঙ্গে আশ্রয় নিচ্ছে? সাধারণ মানুষ বুঝে গিয়েছে যে, তৃণমূল সরকার জঙ্গিদেরও আশ্রয় দেয়। 

    আরও পড়ুন: সন্দেশখালির পথেই কি নন্দীগ্রাম? তৃণমূল নেতার বাড়ি ঘেরাও করে বিক্ষোভ মহিলাদের 

    এরাজ্যের গরিবদের বঞ্চিত করছে তৃণমূল

    তৃণমূল রাজ্যে গরিব মানুষের ক্ষতি করে চলেছে বলে জানান কেন্দ্রীয় মন্ত্রী। তিনি বলেন, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কেন্দ্রের আয়ুষ্মান ভারত সহ কৃষকদের বিমা ও অন্যান্য সুযোগ-সুবিধার কেন্দ্রীয় প্রকল্পগুলি এরাজ্যে লাগু করেননি। অথচ ১০০ দিনের কাজের  টাকার জন্য তিনি চিৎকার করে যাচ্ছেন। এরাজ্যের গরিব ও সাধারণ মানুষ বুঝে গিয়েছেন, সরাসরি তাদের উপকার লাগে এমন কেন্দ্রীয় প্রকল্পগুলি মুখ্যমন্ত্রী এরাজ্যে কেন লাগু হতে দেননি। তাই এবার  রাজু বিস্তা সহ রাজ্যের সব বিজেপি প্রার্থীকে জেতানর জন্য ভোটাররা মনস্থির করে ফেলেছেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Lok Sabha elections 2024: বায়ুসেনার প্রাক্তন প্রধান আরকেএস ভাদৌরিয়া যোগ দিলেন বিজেপিতে

    Lok Sabha elections 2024: বায়ুসেনার প্রাক্তন প্রধান আরকেএস ভাদৌরিয়া যোগ দিলেন বিজেপিতে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রবিবার বিজেপিতে যোগ দিলেন ভারতীয় বায়ুসেনার প্রাক্তন প্রধান, এয়ার চিফ মার্শাল আরকেএস ভাদৌরিয়া। তাঁর হাতে দলীয় পতাকা তুলে দেন বিজেপির সাধারণ সম্পাদক বিনোদ তাওড়ে এবং কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অনুরাগ সিং। প্রসঙ্গত, আরকেএস ভাদৌরিয়া হলেন উত্তর প্রদেশের বাসিন্দা। ওয়াকিবহাল মহলের ধারণা, যোগী রাজ্যের কোনও আসন (Lok Sabha elections 2024) থেকেই তিনি ভোটে লড়তে পারেন। সূত্রের খবর, সব কিছু ঠিকঠাক থাকলে তাঁকে গাজিয়াবাদ আসন থেকে প্রার্থী করা হতে পারে।

    বায়ুসেনার প্রধান ছিলেন ২০১৯-২০২১ পর্যন্ত

    প্রসঙ্গত, ভারতীয় বায়ুসেনার (Lok Sabha elections 2024) যে সমস্ত শীর্ষ স্থানীয় পাইলটরা প্রথম রাফাল যুদ্ধবিমান চালিয়েছিলেন, তাঁদের অন্যতম ছিলেন আরকেএস ভাদৌরিয়া। জানা গিয়েছে, এই যুদ্ধবিমান কেনার জন্য ফ্রান্সের সঙ্গে ভারত যে চুক্তি করেছিল, সেই চুক্তি চূড়ান্ত করতেও তাঁর অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল। ২০১৯ সালের সেপ্টেম্বর থেকে ২০২১ সালের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত তিনি বায়ুসেনার প্রধানের দায়িত্ব সামলেছেন।

    কী বললেন প্রাক্তন বায়ুসেনা প্রধান

    বিজেপিতে যোগ (Lok Sabha elections 2024) দিয়ে তিনি বলেন, “ফের দেশ গঠনে আমায় অবদান রাখার সুযোগ করে দেওয়ার জন্য, দলীয় নেতৃত্বকে ধন্যবাদ জানাতে চাই। আমি চার দশকেরও বেশি সময় ধরে আইএএফ-এর চাকরি করেছি। কিন্তু আমার চাকরির সেরা সময় ছিল শেষ ৮ বছর, বিজেপি সরকারের নেতৃত্বে। সশস্ত্র বাহিনীকে ক্ষমতায়িত করতে এবং বাহিনীর আধুনিকীকরণ এবং বাহিনীকে স্বনির্ভর করতে, এই সরকার যে সকল কঠোর পদক্ষেপ নিয়েছে, তা বাহিনীতে এক নতুন সক্ষমতার জন্ম দিয়েছে। পাশাপাশি, তাদের নতুন করে আত্মবিশ্বাসও জুগিয়েছে।”

    মোট ৪ হাজার ঘণ্টারও বেশি বিমান উড়িয়েছেন

    উত্তরপ্রদেশের আগ্রায় জন্ম আরকেএস ভাদৌরিয়ার। তাঁর পিতাও কর্মরত ছিলেন বায়ুসেনায়। পুনের ন্যাশনাল ডিফেন্স অ্যাকাডেমির অত্যন্ত কৃতী ছাত্র হিসেবে বায়ুসেনায় যোগ দিয়েছিলেন (Lok Sabha elections 2024) ভাদোরিয়া। মোট চার হাজার ঘণ্টারও বেশি, সব মিলিয়ে ছাব্বিশ রকমের বিমান ওড়ানোর অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। কাজ করেছেন দক্ষিণাঞ্চল বা ‘সাদার্ন এয়ার কমান্ড’-এর কর্তা হিসেবেও। এর পরে মস্কোয় ভারতের কূটনৈতিক মিশনের প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা হিসেবেও কাজ করেছেন দীর্ঘদিন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Himachal Pradesh Crisis: হিমাচলে বিজেপিতে যোগ দিলেন কংগ্রেসের ৬ বিদ্রোহী বিধায়ক

    Himachal Pradesh Crisis: হিমাচলে বিজেপিতে যোগ দিলেন কংগ্রেসের ৬ বিদ্রোহী বিধায়ক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হিমাচল প্রদেশে (Himachal Pradesh Crisis) ছ’জন বিদ্রোহী কংগ্রেস বিধায়কের পাশাপাশি তিন নির্দল এমএলএ শনিবার যোগ দিলেন গেরুয়া শিবিরে। শিমলায় কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অনুরাগ ঠাকুরের উপস্থিতিতে মোট ৯ বিধায়ক যোগ দিলেন বিজেপিতে। জানা গিয়েছে, ছ’জন কংগ্রেস বিধায়ক এবং তিন নির্দল এমএলএ ইস্তফা দিয়ে উপনির্বাচনের মুখোমুখি হবেন।

    বিজেপিতে আসা কংগ্রেস বিধায়করা

    বিজেপিতে যোগদানকারী (Himachal Pradesh Crisis) বিধায়করা হলেন— রবি ঠাকুর (লাহুল-স্পিতি), রাজেন্দ্র রানা (সুজনপুর), সুধীর শর্মা (ধরমশালা), ইন্দ্রদত্ত লক্ষণপাল (বারসার), চৈতন্য শর্মা (গগরেট), দেবেন্দ্র ভুট্টো (কুটলেহা)-কে প্রার্থী করবে বলে দলের একটি সূত্র জানিয়েছে। পাশাপাশি, তিন নির্দল— আশিস শর্মা (হামিরপুর), হোশিয়ার সিংহ (দেহরা) এবং কৃষ্ণলাল ঠাকুর (নালাগড়)। ছ’জন কংগ্রেস বিধায়ককে বরখাস্ত করেন হিমাচলের স্পিকার কুলদীপ সিংহ পঠানিয়া। তাঁর এহেন সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে আবেদন জানানো হয়েছিল, বিচারপতি সঞ্জীব খন্না এবং বিচারপতি দীপঙ্কর দত্তের বেঞ্চে। তবে সেই আবেদন খারিজ করে সুপ্রিম কোর্ট। শীর্ষ আদালতের ওই নির্দেশের পরেই গত ১৮ মার্চ নির্বাচন কমিশন জানায় আগামী ৭ মে ওই ছ’টি বিধানসভা আসনে উপনির্বাচন হবে।

    রাজ্যসভায় ‘ক্রস ভোটিং’

    হিমাচল বিধানসভায় কংগ্রেস (Himachal Pradesh Crisis) সরকারের বাজেট প্রস্তাব সংক্রান্ত অর্থবিলের পক্ষে ভোট না-দেওয়ার কারণে গত ২৯ ফেব্রুয়ারি ‘দলত্যাগ বিরোধী আইনে’ স্পিকার বিদ্রোহী ছ’জন বিধায়কের পদ খারিজ করেছিলেন। তবে তার ঠিক ২ দিন আগে গত ২৭ ফেব্রুয়ারি রাজ্যসভা ভোটের সময় ওই ছ’জন কংগ্রেস বিধায়ক বিজেপির প্রার্থী হর্ষ মহাজনের সমর্থনে ‘ক্রস ভোটিং’ করেছিলেন বলে জানা যায়। তাঁদের সঙ্গেই বিজেপিকে ভোট দিয়েছিলেন কংগ্রেস সরকারের সমর্থক তিন নির্দলও। নির্বাচনে ‘ক্রস ভোটিং’-র জেরে কংগ্রেস প্রার্থী তথা আইনজীবী অভিষেক মনু সিঙ্ঘভি হেরে যান। ৬৮ সদস্যের হিমাচল বিধানসভায় সংখ্যাগরিষ্ঠতার ‘জাদুসংখ্যা’ ৩৫। এই মুহূর্তে কংগ্রেসের রইলেন ৩৪ জন বিধায়ক। বিজেপির রয়েছে ২৫ বিধায়ক। বিজেপির সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখছেন অনেক কংগ্রেস বিধায়কই (Himachal Pradesh Crisis)। এমনটাই দাবি গেরুয়া শিবিরের।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Anurag Thakur: ‘‘জনগণ কখনও গ্রহণ করবে না ‘ইন্ডি’ জোটকে’’, মন্তব্য অনুরাগ ঠাকুরের

    Anurag Thakur: ‘‘জনগণ কখনও গ্রহণ করবে না ‘ইন্ডি’ জোটকে’’, মন্তব্য অনুরাগ ঠাকুরের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশের জনগণ কখনও গ্রহণ করবে না ‘ইন্ডি’ জোটকে, শনিবার এমন কথাই বলতে শোনা গেল কেন্দ্রীয় যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রী অনুরাগ ঠাকুরকে (Anurag Thakur)। শনিবার হিমাচল প্রদেশের বিলাসপুরে জনসভা থেকে কেন্দ্রীয় ক্রীড়া ও যুব কল্যাণমন্ত্রী বলেন যে বিরোধী জোট দেশের সংবিধানকে আক্রমণ করছে, সংবাদমাধ্যমের কণ্ঠস্বর রোধ করার চেষ্টা করছে এবং সনাতন ধর্মের বিরোধিতা করছে।

    ‘ইন্ডি’ জোট সুবিধাবাদী

    প্রসঙ্গত, দিন কয়েক আগেই ‘ইন্ডি’ জোটের অন্যতম শরিক ডিএমকে নেতা উদয়নিধি স্ট্যালিন সনাতন ধর্মকে ডেঙ্গি এবং ম্যালেরিয়া সঙ্গে তুলনা করেছিলেন। তাঁর সেই মন্তব্যের বিরোধিতা তো দূরের কথা উপরন্ত সমর্থনেই এগিয়ে আসেন, তাঁর দলেরই নেতা তথা ইউপিএ জমানার প্রাক্তন মন্ত্রী এ রাজা। তিনি আবার আরেক ধাপ এগিয়ে সনাতন ধর্মকে কুষ্ঠ-এর সঙ্গে তুলনা করেন। এদিন সেই প্রসঙ্গ তুলে ‘ইন্ডি’ জোটের নেতাদেরকে তীব্র আক্রমণ শানান অনুরাগ ঠাকুর (Anurag Thakur)। হিমাচল প্রদেশে শনিবার ক্রীড়ামন্ত্রী বলেন, ‘‘ইন্ডি জোট কেবল পোশাক বদলেছে কিন্তু আচরণ ও চরিত্র তাদের একই রয়ে গেছে।’’ এই জোটকে চরম সুবিধাবাদী এবং জনগণের বিরোধী শক্তির জোট বলে কটাক্ষ করেছেন অনুরাগ ঠাকুর (Anurag Thakur) তাঁর মতে, ‘‘জনগণ কখনও ইন্ডিয়া জোটকে গ্রহণ করবে না। এই জোট সংবিধানের উপর আক্রমণ হানছে, সংবাদমাধ্যমের কণ্ঠস্বর রোধ করছে এবং সনাতন ধর্ম ধ্বংসের চেষ্টা করছে।’’ 

    অবিজেপি রাজ্যের উদাহরণ

    এদিন তাঁর বক্তব্যে অ-বিজেপি শাসিত রাজ্যগুলির অবস্থার কথাও তিনি তুলে ধরেন। ‘‘কম আয় এবং অতিরিক্ত ব্যয়ের জন্য পঞ্জাব কেন্দ্র থেকে অতিরিক্ত লোন নিয়েছে। আম আদমি পার্টির সরকার প্রতি বছর রাজ্যে বিজ্ঞাপনের জন্য ৬০০ কোটি টাকা খরচ করে, কিন্তু খেলাধূলা বা অন্য কোনও প্রচারে এক পয়সাও খরচ করে না। অন্যদিকে, নরেন্দ্র মোদির সরকার স্কিল ইন্ডিয়া প্রোগ্রামের মাধ্যমে লক্ষ লক্ষ যুবদের দক্ষতা বৃদ্ধি করার বিশেষ চেষ্টা করছেন।’’

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • One Nation One Election: লোকসভার ভোট কি এগিয়ে আসবে! “এক দেশ এক নির্বাচন” নিয়ে অনুরাগ ঠাকুর কী বললেন?

    One Nation One Election: লোকসভার ভোট কি এগিয়ে আসবে! “এক দেশ এক নির্বাচন” নিয়ে অনুরাগ ঠাকুর কী বললেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এক দেশ এক নির্বাচন (One Nation One Election) প্রসঙ্গ নিয়ে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অনুরাগ ঠাকুর খুব চর্চা বহুল প্রশ্নের উত্তর দিলেন। বিধানসভা নির্বাচন কি পিছিয়ে যাবে! নাকি লোকসভা ভোট এগিয়ে আসবে! এই নিয়ে প্রশ্ন উঠলে কেন্দ্রীয় নীতির কার্যকারিতা নিয়ে অনেক প্রশ্নের উত্তর দিলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী।

    কী বললেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী (One Nation One Election)?

    কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বলেন, কেন্দ্র দেশে, এক দেশ এক নির্বাচন (One Nation One Election) কার্যকর করতে ৮ জনের একটি বিশেষ কমিটি তৈরি করছেন। এই কমিটির সভাপতিত্ব করবেন দেশের প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দ। এই কমিটি পর্যালোচনা করে, নীতিকে বাস্তবায়িত করবে বলে জানান অনুরাগ ঠাকুর। এই প্রসঙ্গে তিনি আরও বলেন, এই নীতি কার্যকর হলে দেশে নির্বাচন সংক্রান্ত অনেক সমস্যার সমাধান হবে।

    আসন্ন বিধানসভা এবং লোকসভা নিয়ে কী বললেন?

    কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অনুরাগ ঠাকুর এক দেশ এক নির্বাচন (One Nation One Election) প্রসঙ্গে কথা বলতে গিয়ে আসন্ন লোকসভা এবং বিধানসভা নিয়ে বললেন যে, দেশে বিধানসভার নির্বাচনগুলি ঠিক করে রাজ্য। বিধানসভার নির্বাচন নিয়ে কেন্দ্র কিছু বলে না। যে সব রাজ্যে বিজেপি ক্ষমতায় রয়েছে সেখানকার মুখ্যমন্ত্রীরা এখনও নির্বাচন নিয়ে কিছু বলেননি। সব কিছুতেই কেন্দ্রের উপর দায় চাপানো যাবে না বলে মন্তব্য করেন তিনি।

    কেন এক দেশ এক নির্বাচন প্রয়োজন?

    এক দেশ এক নির্বাচন (One Nation One Election) কার্যকর হলে কতটা লাভ জনক হবে এই নিয়ে মোদি সরকার স্পষ্ট বক্তব্য দিয়েছেন। সারা দেশ জুড়ে এই যে এত নির্বাচনে খরচ, তাকে কম করা একান্ত প্রয়োজন। একটি ভোটার তালিকা থেকে নির্বাচন প্রক্রিয়াকে পরিচালনা করলে সরকারি কর্মীদের তালিকা প্রস্তুত করার জটিলতা অনেক কমে যাবে। এই নীতিকে নীতি আয়োগ, আইন কমিশন এবং নির্বাচন কমিশন বিশেষ ভাবে সমর্থন করেছেন। যদিও বিরোধী দলগুলি এই নীতিকে মানতে চাইছেন না। তাঁদের দাবি, মোদি সরকার ঘুর পথে অ্যামেরিকার প্রেসিডেন্ট নির্বাচন ব্যবস্থাকে চালু করতে চাইছেন বলে বিশেষ অভিযোগ তুলেছেন।   

     

     দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Anurag Thakur: “দুর্নীতিগ্রস্তদের বাঁচাতে কেন চাইছে বাংলার সরকার?”, প্রশ্ন অনুরাগের

    Anurag Thakur: “দুর্নীতিগ্রস্তদের বাঁচাতে কেন চাইছে বাংলার সরকার?”, প্রশ্ন অনুরাগের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “বাংলায় আইন-শৃঙ্খলার ভয়াবহ পরিস্থিতি। সারা দেশে যা হয় না, তা হয় বাংলায়। বাংলায় তোষণের রাজনীতি চলছে। দুর্নীতিগ্রস্তদের আশ্রয় দেয় পশ্চিমবঙ্গ সরকার। স্বামীজির জন্মদিনে বাংলার তরুণদের যুব উৎসবে অংশ নিতে বাধা দিচ্ছে।” বঙ্গ সফরে এসে রাজ্য সরকারকে এই ভাষায়ই নিশানা করলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অনুরাগ ঠাকুর (Anurag Thakur)।

    কী বললেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী?

    তিনি বলেন, “পশ্চিমবঙ্গে আইন-শৃঙ্খলা ব্যবস্থা ভেঙে পড়েছে। মানুষের ভালোর জন্য যে টাকা আসে, তা আত্মসাত করা হয়। এখানকার নেতা ও সরকার কাটমানির নামে বিখ্যাত। গরিব মানুষের উপকারের জন্য যে টাকা কেন্দ্র থেকে আসে, সেখান থেকেও কমিশন খাওয়ার চেষ্টা করা হয়। দুর্নীতি চরম সীমায়। যদি দুর্নীতি আটকানোর চেষ্টা করা হয়, তাহলে ইডি টিমের ওপর পাথর ছোড়া হয়, মারধর করা হয়। দুর্নীতিগ্রস্তদের শেল্টার দেওয়ার কাজ করে পশ্চিমবঙ্গ সরকার।”

    ‘দলের ওপর নিয়ন্ত্রণ নেই মমতার’?

    তিনি (Anurag Thakur) বলেন, “এখানকার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কি নিজের দলের মন্ত্রী, সাংসদ ও বিধায়কদের ওপরে নিয়ন্ত্রণ নেই? যদি দুর্নীতির বিরুদ্ধে তদন্ত করার কথা বলা হয়, তাহলে সেই আধিকারিকদের সঙ্গে ওঁর (মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়) গুণ্ডা, আধিকারিকরা মারপিট করেন, এটা দেশে কোথাও হয় না, পশ্চিমবঙ্গে হয়। আইন-শৃঙ্খলা ভয়ঙ্কর অবস্থায় এখানে রয়েছে, যার উদাহরণ বারবার দেখা যায়।” তিনি বলেন, “দুর্নীতিগ্রস্তদের বাঁচাতে কেন চাইছে বাংলার সরকার? মুখ্যমন্ত্রী কি নিজেই লুটের অনুমোদন দিয়ে রেখেছেন?”

    আরও পড়ুুন: রাম মন্দির উদ্বোধনের দিন হিন্দু কর্মীদের জন্য বিশেষ ঘোষণা মরিশাস সরকারের

    রেশন বণ্টন কেলেকাঙ্কারিকাণ্ডে রাজ্যের প্রাক্তন খাদ্যমন্ত্রী তথা বর্তমান বনমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক ঘনিষ্ঠ শেখ শাহজাহানের বাড়িতে হানা দেয় ইডি। সেখানে ঘণ্টাখানেক ধরে ডেকেও সাড়া মেলেনি ওই তৃণমূল নেতার। যদিও ইডির দাবি, শাহজাহানের মোবাইলের টাওয়ার জানান দিচ্ছিল, ওই সময় ওই তৃণমূল ছিলেন বাড়িতেই। পরে প্রচুর তৃণমূল কর্মী এসে হেনস্থা করে ইডি আধিকারিকদরে। তাদের ছোড়া ইটের ঘায়ে জখম হন ইডির তিন আধিকারিক। জখম হন সিআরপিএফের দুই জওয়ানও। ওই ঘটনায় তোলপাড় হয় রাজ্য-রাজনীতি। ঘটনার পরে পরেই গা ঢাকা দেয় শাহজাহান। পুরুলিয়ায় সাধুদের ওপর হামলা প্রসঙ্গে অনুরাগ (Anurag Thakur) বলেন, “তুষ্টিকরণের রাজনীতিই এই পরিস্থিতি তৈরি করেছে। তাঁর প্রশ্ন, তুষ্টিকরণের রাজনীতি পশ্চিমবঙ্গকে কোন জায়গায় নিয়ে যাচ্ছে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

     
     
LinkedIn
Share