Tag: APP

APP

  • SIR: ভোটারের বাড়ি হিয়ারিংয়ের নোটিশ পৌঁছোচ্ছে তো? স্বচ্ছতা রাখতে বিএলও অ্যাপে নয়া অপশন

    SIR: ভোটারের বাড়ি হিয়ারিংয়ের নোটিশ পৌঁছোচ্ছে তো? স্বচ্ছতা রাখতে বিএলও অ্যাপে নয়া অপশন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রকাশিত হয়েছে রাজ্যে এসআইআরের খসড়া ভোটার তালিকা (SIR)। তালিকা প্রকাশ পেতেই দেখা গিয়েছে, রাজ্যে মোট আনম্যাপড ভোটারের সংখ্যা প্রায় ৩২ লাখ যাঁদের ২০০২-এর এসআইআরের সঙ্গে কোনও লিঙ্কই নেই (BLO APP)। রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজকুমার আগরওয়াল জানান, প্রাথমিকভাবে এই ৩২ লাখ ভোটারের কাছেই হিয়ারিংয়ের নোটিশ পৌঁছনো শুরু হয়েছে। ২০ ডিসেম্বর থেকে হিয়ারিংয়ের নোটিশ নিয়ে বাড়ি বাড়ি যাচ্ছেন বিএলওরা। তবে, হিয়ারিংয়ের নোটিশ সঠিকভাবে বিএলওরা সংশ্লিষ্ট ভোটারের বাড়িতে পৌঁছে দিচ্ছেন কি না বা ভোটার সেটি গ্রহণ করছেন কি না, সে সংক্রান্ত বিষয়ে স্বচ্ছতা বজায় রাখতে কমিশনের তরফে এ বার যোগ করা হল বিএলও অ্যাপে একটি নয়া অপশন।

    নয়া অপশন (SIR)

    সোমবার সকাল থেকেই বিএলও অ্যাপ খুললে দেখা যাচ্ছে এই নতুন অপশনটি। নতুন অপশনটির নাম ‘ডেলিভারি অফ শিডিউল হিয়ারিং নোটিশ’। কমিশন সূত্রে খবর, কোনও বিএলও যখন কোনও ভোটারের বাড়ি হিয়ারিংয়ের নোটিশ নিয়ে যাবেন, তখন তাঁকে একটি কমিশনের দেওয়া নির্দিষ্ট ফরম্যাটে থাকা ফর্মে ভোটারকে দিয়ে সই করাতে হবে এই মর্মে যে, সংশ্লিষ্ট ভোটার হিয়ারিংয়ের নোটিশটি গ্রহণ করেছেন। তবে, শুধু ভোটারই নন, ফর্মটিতে সই করতে হবে বিএলওকেও। তারপর নয়া অপশনে আপলোড করতে হবে ওই ফর্মটি। কোনও একজন বিএলও যে বুথের দায়িত্বে রয়েছেন, সেই বুথে কোন কোন ভোটারের ডাক পড়েছে হিয়ারিংয়ে, সেই তালিকা রয়েছে এই নয়া অপশনে। ফলে, ভোটারের ও বিএলওর সইয়ের পর, অপশনটিতে ক্লিক করলে যে ইন্টারফেসটি খুলবে, সেখানে ‘আপলোড রিসিপ্টে’ গিয়ে ওই ফর্মটিকে আপলোড করতে হবে এবং তারপরেই হিয়ারিং সংক্রান্ত সেই তথ্য সরাসরি পৌঁছে যাবে কমিশনের কাছে।

    ঐক্যমঞ্চের বক্তব্য

    ভোটকর্মী ও বিএলও ঐক্যমঞ্চের সাধারণ সম্পাদক স্বপন মণ্ডল জানান, অনেক ক্ষেত্রে শাসকদল ঘনিষ্ট বিএলওরা নোটিশ না দিয়েই বলতে পারেন, তাঁরা ভোটারের কাছে নোটিশ  পৌঁছে দিয়েছেন। অথবা, এমনটাও হতে পারে কোনও ভোটার নোটিশ পেয়েছেন, অথচ তিনি বিষয়টি অস্বীকার করছেন। এসব সংক্রান্ত স্বচ্ছতা বজায় থাকবে নয়া এই অপশনের মাধ্যমে। তবে, প্রতিদিন যেভাবে নতুন নতুন অপশন যোগ করছে কমিশন, তাতে অস্বস্তিতে পড়ছেন বিএলওরা। তিনি বলেন, আমরা কী অবস্থায় রয়েছি, সেটা কমিশনের দেখা উচিত (BLO APP)। প্রসঙ্গত, শনিবার রাজ্যের সিইও জানিয়েছিলেন, ২৭ ডিসেম্বর থেকেই রাজ্যে শুরু হচ্ছে এসআইআরের হিয়ারিং পর্ব। ফলে, হিয়ারিংয়ে ডাক পড়া ভোটারের সংখ্যা কোথায় দাঁড়ায়, এখন সেটাই দেখার।

    বাংলায় আসছেন ৩ সদস্যের প্রতিনিধি দল

    এদিকে, পশ্চিমবঙ্গের দায়িত্বপ্রাপ্ত সিনিয়র ডেপুটি নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ ভারতী-সহ ৩ সদস্যের (SIR) প্রতিনিধি দল মঙ্গলবার আসছেন বাংলায়। বাংলায় এসআইআরের কাজ নিয়ে ইতিমধ্যেই ব্যাপক গাফিলতি ধরা পড়েছে। তার পরিপ্রেক্ষিতেই নির্বাচন কমিশনের এই বিশেষ প্রতিনিধি দল আসতে চলেছে। এই দলের সদস্যরা একদিকে যেমন পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে খতিয়ে দেখবেন খসড়া তালিকা, তেমনই তাঁরা আসন্ন চূড়ান্ত পর্যায়ের কাজে যাতে আর কোনও গাফিলতি না হয়, তাও জানিয়ে দেবেন বলে নির্বাচন কমিশন সূত্রে খবর। বিশেষ এই টিমে থাকবেন প্রিন্সিপাল সেক্রেটারি এসবি জোশি ও ডেপুটি সেক্রেটারি অভিনব আগরওয়াল। ২৪শে ডিসেম্বর নজরুল মঞ্চে মাইক্রো অবজ়ারভারদের নিয়ে যে ট্রেনিং হবে, সেখানে উপস্থিত থাকবেন নির্বাচন কমিশনের এই পদস্থ আধিকারিকেরা, এমনটাই খবর নির্বাচন কমিশন সূত্রে। যাতে শেষ পর্যায়ে এসে আর কোনও ভুল না হয় সে কথা মনে করিয়ে দিতেই আসছেন তাঁরা (BLO APP)।

    প্রশিক্ষণ পর্ব

    অন্যদিকে, মুর্শিদাবাদ,মালদা, জলপাইগুড়ি, দুই দিনাজপুর, দুই ২৪ পরগনা, বাঁকুড়া, বীরভূম, নদিয়া, হাওড়া, হুগলি, দক্ষিণ কলকাতা, উত্তর কলকাতা, পূর্ব বর্ধমান, পশ্চিম বর্ধমানের দায়িত্বে থাকা মাইক্রো অবজারভারদের প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে নজরুল মঞ্চে। দুটি পর্বে হবে এই প্রশিক্ষণ। প্রথম পর্ব, সকাল সাড়ে ১০টা থেকে বেলা সাড়ে ১২টা পর্যন্ত। আর দ্বিতীয় পর্বের মেয়াদ বেলা আড়াইটে থেকে বিকেল সাড়ে ৪টে পর্যন্ত (SIR)। জানা গিয়েছে, প্রায় (BLO APP) সাড়ে ৩ হাজার মাইক্রো অবজারভার অ্যাকটিভ রাখবে কমিশন। রিজার্ভ থাকছে আরও এক হাজার জন। সব মিলিয়ে থাকছেন সাড়ে ৪ হাজার মাইক্রো অবজারভার। মেট্রো রেল, দক্ষিণ পূর্ব রেল, জীবনবিমা নিগম,  কোল ইন্ডিয়া, ডিভিসি, শুল্ক দফতর-সহ কেন্দ্রীয় সরকারি নানা দফতর থেকে নেওয়া হচ্ছে এই আধিকারিকদের। ভোটার তালিকা ত্রুটি মুক্ত রাখতে প্রতিটি ধাপে নজরদারি চালাবেন অবজারভাররা। তাঁরা বিএলওদের ডিজিটাইজ করা এনুম্যারেশন ফর্মের যাবতীয় নথি যাচাই করবেন। হিয়ারিং প্রক্রিয়ায় থাকতে হবে মাইক্রো অবজারভারদের। হিয়ারিং প্রক্রিয়া পর্যবেক্ষণ, নাম বাদ দেওয়ার ফর্ম, নাম তালিকাভুক্ত করার ফর্ম, নাম (BLO APP) সংশোধন করার ফর্মের নথিপত্র যাচাই করবেন তাঁরাই (SIR)।

  • E-Voting: পথ দেখাল বিজেপি-শাসিত বিহার, চালু হয়ে গেল ই-ভোটিং

    E-Voting: পথ দেখাল বিজেপি-শাসিত বিহার, চালু হয়ে গেল ই-ভোটিং

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পথ দেখাল বিজেপি-শাসিত বিহার (Bihar)। চালু করে দিল মোবাইল অ্যাপের মাধ্যমে ভোটগ্রহণ (E-Voting)। বাড়িতে বসে মোবাইলে প্রথম ভোটটি দিলেন বিভা দেবী। তিনিই বিহারের প্রথম মহিলা ই-ভোটার। শনিবার রাজ্যের তিন জেলার ছ’টি পুরসভার ৪৫টি আসনে উপ-নির্বাচন হয়। তাতেই পরীক্ষামূলকভাবে চালু হয়েছিল ই-ভোটিং ব্যবস্থা। এই ব্যবস্থায় দেশ তো বটেই বিদেশ থেকেও পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দিতে পারবেন প্রবাসীরা।

    ই-ভোটিং (E-Voting)

    এদিন ভোট হয়েছে পাটনা, পূর্ব চম্পারন, রোহতাস, বক্সার, বাঁকা এবং সরণ – এই ছ’টি পুরসভায়। ভোটগ্রহণ শুরু হয় সকাল ৭টায়। চলে দুপুর ১টা পর্যন্ত। ভোট গণনা হবে ৩০ জুন। বিহারের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক দীপক প্রসাদ জানান, দেশে এই প্রথম বিহারে ই-ভোটিং ব্যবস্থা চালু হয়েছে। এর উদ্দেশ্য হল ভোটের হার বৃদ্ধি করা। অসুস্থ কিংবা বয়স্করা বুথে গিয়ে ভোট দিতে পারেন না। ভোট দিতে পারেন না কর্মসূত্রে যারা দূর দেশে বসবাস করেন, তাঁরাও। বুথে গিয়ে ভোট দিতে পারেন না অন্তঃসত্ত্বারাও। কষ্ট করে বুথে গিয়ে ভোট দিতে হয় বিশেষভাবে সক্ষম ভোটারদের। ই-ভোটিং (E-Voting) ব্যবস্থা চালু হওয়ায় এবার থেকে বাড়িতে বসেই তাঁরাও অংশ নিতে পারবেন বিশ্বের বৃহত্তম গণতন্ত্রের উৎসবে। দীপক বলেন, “ই-ভোটিংয়ের জন্য দু’টি অ্যাপ তৈরি করা হয়েছে। এই ব্যবস্থা সম্পূর্ণ নিরাপদ। ই-ভোটিংয়ে একবার ভোট দেওয়া হয়ে গেলে সেটি লক হয়ে যাবে। শুধু ভোট গণনার দিন ফের খোলা হবে।” এই অ্যাপ দুটি হল ই-ভোটিং এসইসিবিএইচআর এবং ই-ভোটিং এসইসিবিআইএইচএআর।

    কারা ভোট দিতে পারবেন?

    কারা এই ব্যবস্থায় ভোট দিতে পারবেন? জানা গিয়েছে, ৮০ বছরের বেশি বয়সী নাগরিক, বিশেষভাবে সক্ষম ভোটার, গুরুতর রোগে অসুস্থ ভোটার, অন্তঃসত্ত্বা মহিলা এবং পরিযায়ী শ্রমিক বা বিদেশে থেকে স্বীকৃত ভোটার (E-Voting)। বিহার নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, এই পুরসভা উপনির্বাচনে ১৬ হাজার ৭৮৮ জন মহিলা এবং ১৬ হাজার ২৯১ জন পুরুষ মোবাইলে ই-ভোটিং করবেন বলে আবেদন করেছিলেন। এর মধ্যে ৩১ হাজার ২৩৮ জন ভোটারকে ই-ভোটিং ব্যবস্থায় (Bihar) ভোট দেওয়ার যোগ্য বলে বিবেচনা করা হয়েছে।

  • PM Modi: ভুল মানচিত্র দেখাচ্ছে, চিনা অ্যাপ সরানোর নির্দেশ গুগলকে

    PM Modi: ভুল মানচিত্র দেখাচ্ছে, চিনা অ্যাপ সরানোর নির্দেশ গুগলকে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতের (PM Modi) ভুল মানচিত্র দেখাচ্ছে গুগল। তাই ইলেকট্রনিক্স ও তথ্য প্রযুক্তি মন্ত্রক ও ভারতের সমীক্ষা দফতর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রযুক্তি জায়ান্ট গুগলকে তাদের প্লে স্টোর থেকে চিনা চ্যাট অ্যাপ ‘অ্যাবলো’ সরায়ে নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে। ভারতের যুক্তি, অ্যাপটিতে ভারতের আঞ্চলিক সীমানা সঠিকভাবে উপস্থাপন করা হয়নি (Chinese App)।

    সরকারি নোটিশ (PM Modi)

    সরকারি নোটিশে উল্লেখ করা হয়েছে, চিন-ভিত্তিক এই ভিডিও চ্যাট প্ল্যাটফর্ম, যার গুগল প্লে-তে ১০ হাজারেরও বেশি ডাউনলোড রয়েছে, জম্মু ও কাশ্মীর এবং লাদাখের কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলিকে ভুলভাবে উপস্থাপন করেছে এবং মানচিত্র থেকে লাক্ষাদ্বীপ দ্বীপপুঞ্জকে সম্পূর্ণভাবে বাদ দিয়েছে। এই নির্দেশনায় ফৌজদারি আইন (সংশোধন) আইন, ১৯৯০-এরও উল্লেখ করা হয়েছে, যা এই ধরনের ভুল উপস্থাপনাকে শাস্তিযোগ্য অপরাধ হিসাবে গণ্য করে। এই অপরাধে দোষীদের সর্বোচ্চ ছ’মাসের কারাদণ্ড, জরিমানা বা উভয়ই হতে পারে।

    ‘অ্যাবলো’ অ্যাপ

    নোটিশে বলা হয়েছে, “এটি স্পষ্ট যে গুগল প্লে স্টোরে উপলব্ধ ‘অ্যাবলো’ অ্যাপটির মানচিত্রে ভারতের বাহ্যিক সীমানা ভুলভাবে দেখানো হয়েছে, যা ভারতের সার্বভৌমত্ব এবং অখণ্ডতাকে ঝুঁকির মধ্যে ফেলে।” ইলেকট্রনিক্স ও তথ্য প্রযুক্তি মন্ত্রক গুগলকে পাঠানো নোটিশে তথ্য প্রযুক্তি আইন, ২০০০-এর ধারা ৭৯(৩)(খ) উল্লেখ করেছে, যা প্ল্যাটফর্মগুলিকে ভারতীয় আইন লঙ্ঘনকারী কন্টেন্ট অবিলম্বে সরিয়ে ফেলতে বা অ্যাক্সেস নিষ্ক্রিয় করতে বাধ্য করে (PM Modi)। ওই নোটিশে বলা হয়েছে, ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে ভুল মানচিত্র প্রদর্শনের বিষয়টি সার্ভে অফ ইন্ডিয়ার সঙ্গে এক বৈঠকে উঠে এসেছে। মন্ত্রক সংশ্লিষ্ট আইনের অধীনে ওই অ্যাপের বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য নির্দেশ দিয়েছে।

    তথ্য প্রযুক্তি মন্ত্রক সুপ্রিম কোর্টের ২০১৫ সালের শ্রেয়া সিংহাল বনাম ভারত ইউনিয়ন রায়েরও উল্লেখ করেছে, যা সরকারের বৈধ আদেশ মানতে প্ল্যাটফর্মগুলিকে বাধ্য করে। গুগল এই নির্দেশ মেনে নিয়েছে বলে মনে হচ্ছে। কারণ অ্যাপটির গুগল প্লে স্টোর ল্যান্ডিং পেজে এখন লেখা দেখা যাচ্ছে (Chinese App), “আমরা দুঃখিত, এই সার্ভারে অনুরোধ করা ইউআরএল খুঁজে পাওয়া যায়নি”। অ্যাপটি এখন ভারতীয় ইউজারদের জন্য অ্যাপল অ্যাপ স্টোরেও অনুপলব্ধ (PM Modi)।

  • Arvind Kejriwal: মোহভঙ্গ! ‘ইন্ডি জোট’-কে না অরবিন্দ কেজরিওয়ালের, বিধানসভায় একক ভাবে লড়বে আপ

    Arvind Kejriwal: মোহভঙ্গ! ‘ইন্ডি জোট’-কে না অরবিন্দ কেজরিওয়ালের, বিধানসভায় একক ভাবে লড়বে আপ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘ইন্ডি জোট’-কে না করে দিলেন অরবিন্দ কেজরিওয়াল (Arvind Kejriwal)। দিল্লি বিধানসভা নির্বাচনে কার্যত একাই লড়বে তাঁর দল আম আদমি পার্টি (APP)। উল্লেখ্য ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে কংগ্রেসের সঙ্গে হাত মিলিয়ে নির্বাচনে লড়াই করেছিল আরবিন্দের দল। কিন্তু একটি আসনেও জয় পায়নি এই ‘ইন্ডি জোট’। তাই এবার বিধানসভা নির্বাচনে একাই সব আসনে প্রার্থী দিয়ে ভোটে লড়াই করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তিনি। ফলে দিল্লিতে যে মোদি বিরোধী ‘ইন্ডি জোট’ নির্বাচনের আগে বড় ধাক্কা খেয়েছে, তা বলা বাহুল্য।

    “আপ কোনও জোটে থাকবে না” (Arvind Kejriwal)

    আগামী বছরের শুরুতেই হবে দিল্লি বিধানসভা নির্বাচন। মনে করা হচ্ছে ফেব্রুয়ারির আগেই ভোটগ্রহণ হতে পারে। এখন দিল্লিতে রাজনৈতিক শোরগোল। একাধিক দলের নেতাদের দল বদলের পালা শুরু হয়ে গিয়েছে। ঠিক এর মধ্যেই রবিবার একটি সাংবাদিক বৈঠকে কেজরিওয়ালকে (Arvind Kejriwal) প্রশ্ন করলে তিনি বলেন, “দিল্লির বিধানসভা নির্বাচনে আপ কোনও জোটে থাকবে না। একা লড়াই করবে।” উল্লেখ্য পঞ্জাব, হরিয়ানা, গুজরাট বিধানসভায় একক ভাবে নির্বাচনে লড়াই করতে দেখা গিয়েছিল আপকে (APP)।

    আরও পড়ুনঃ সর্বকনিষ্ঠ সভাপতি হিসেবে আইসিসি-র চেয়ারম্যানের দায়িত্বভার গ্রহণ করলেন জয় শাহ

    দুর্নীতিগ্রস্থ আরবিন্দ!

    উল্লেখ্য, গত ২১ মার্চ আবগারি দুর্নীতি মামলায় অরবিন্দ কেজরিওয়ালকে (Arvind Kejriwal) গ্রেফতার করে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা ইডি। কিন্তু তিনি মুখ্যমন্ত্রীর পদে ইস্তফা দেননি। পদে থাকাকালীন এভাবে গ্রেফতার হওয়ার ঘটনা বেনজির। দীর্ঘদিন ছিলেন জেলে। জুন মাসে তাঁকে ‘শোন অ্যারেস্ট’ করেছিল সিবিআই। পরবর্তী সময়ে দুই মামলা থেকে জামিন পেয়েছেন। সুপ্রিম কোর্ট জামিনের সময় স্পষ্ট করে বলেছিল, কোনও ভাবেই সরকারি দফতরে যেতে পারবেন না, সরকারি কাগজেও সই করতে পারবেন না। বেগতিক বুঝে ইস্তফা দেন। নতুন মুখ্যমন্ত্রী হন অতিশী। তবে আগামী নির্বাচনে কংগ্রেস-ইন্ডি জোটের হয়ে লড়াই করবেন না বলে এদিন জানিয়েছে আপ (APP)। ২০২০ সালে দিল্লির বিধানসভা ভোটে ৭০টি আসনের মধ্যে ৬২টিতে জয়ী হয় আপ। কংগ্রেস ১টি আসনও পায়নি। বিজেপির আসন ছিল মাত্র ৮টি। ২০২৫-এর ভোটে সেই সাফল্য ধরে রাখাই আপ-এর এখন বড় চ্যালেঞ্জ।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।এ 

  • J.P. Nadda: “প্রধানমন্ত্রীর প্রতি মানুষের আস্থার পরিচয় হল এই জয়”, হরিয়ানায় হ্যাটট্রিকের পর বললেন নাড্ডা

    J.P. Nadda: “প্রধানমন্ত্রীর প্রতি মানুষের আস্থার পরিচয় হল এই জয়”, হরিয়ানায় হ্যাটট্রিকের পর বললেন নাড্ডা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Narendra Modi) রাজনৈতিক ঐতিহ্যের পরিবর্তন করেছেন।” হরিয়ানাতে তৃতীয় বার বিজেপির অভূতপূর্ব জয়ের পর বিধানসভা নির্বাচন নিয়ে মন্তব্য করলেন দলের সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডা (J.P. Nadda)। একই ভাবে জম্মু-কাশ্মীরে একক ভাবে বিরোধী দলের স্বীকৃতি পেয়ে বিরাট চমক দিয়েছে বিজেপি। মঙ্গলবার, দিল্লিতে ভোটের ফলাফলে, নবরাত্রির শুভলগ্নের আনন্দঘন পরিবেশে অত্যন্ত উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী।

    কংগ্রেসের মিথ্যা প্রচারে কান দেয়নি  মানুষ (J.P. Nadda)

    ৯০ বিধানসভা আসনে বিজেপি পেয়েছে ৪৮টি আসন। এককভাবে বিধানসভায় সংখ্যাগরিষ্ঠ হয়ে রাজ্যে নয়া নজির গড়েছে বিজেপি। এই শুভক্ষণে দলের হয়ে নড্ডা (J.P. Nadda), পরিবর্তনের কাণ্ডারি স্বরূপ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে (Narendra Modi) কৃতিত্বের শিরোপা দিয়েছেন। এদিন সদর দফতরে ভাষণ দিতে গিয়ে বলেছেন, “প্রধানমন্ত্রীর প্রতি মানুষের আস্থার পরিচয় হল এই জয়। হরিয়ানাতে বিরাট জয় এসেছে এবং জম্মু-কাশ্মীরেও আমাদের ভোট বেড়েছে। কংগ্রেস সব সময় মিথ্যা প্রচার করেছে। জনগণ তাদের কোথায় কোনও কান দেয়নি। দেশের মতো হরিয়ানায়ও তৃতীয় বারের মতো সরকার গড়বে বিজেপি।”

    আরও পড়ুনঃ হরিয়ানায় খাতাই খুলতে পারল না ‘আপ’, হাজার বাধার মুখেও অপ্রতিরোধ্য বিজেপি

    কংগ্রেস দুর্নীতিগ্রস্ত দল

    বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডা (J.P. Nadda) কংগ্রেসকে আক্রমণ করে বলেন, “কংগ্রেস এখন দুর্নীতিগ্রস্ত এবং অপরাধীদের দল হিসেবে বিরাট স্বীকৃতি লাভ করেছে। কংগ্রেস স্বজনপোষণ এবং জাতপাতের রাজনীতি করে। সমাজে কীভাবে বিভাজন বাড়বে এবং মানুষের মধ্যে সাম্প্রদায়িকতা তৈরি হবে, সেই চেষ্টাই করে থাকে।” একই ভাবে আম আদমি পার্টির তীব্র সমালোচনা করে তিনি আরও বলেন, “আপ হরিয়ানায় কোনও আসন পায়নি। তাদের দুর্নীতির প্রতিফল হিসেবে জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে। অপর দিকে আমাদের গত বারের তুলনায় ভোটের শতাংশ বেড়েছে।” নির্বাচন কমিশন সূত্রে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী জানা গিয়েছে, বাকি ৯০ আসনের মধ্যে হরিয়ানাতে কংগ্রেস পেয়েছে ৩৭টি আসন, আইএনএলডি পেয়েছে ২টি আসন এবং নির্দলীয় ভাবে মোট ৩টি আসন পেয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Arvind Kejriwal: অরবিন্দ কেজরিওয়ালের বিরুদ্ধে তদন্ত শেষ, জানাল ইডি

    Arvind Kejriwal: অরবিন্দ কেজরিওয়ালের বিরুদ্ধে তদন্ত শেষ, জানাল ইডি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আবারও সংবাদ শিরোনামে আবগারি দুর্নীতি মামলা। এবার দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল (Arvind Kejriwal) এবং আম আদমি পার্টির (APP) বিরুদ্ধে আবগারি দুর্নীতি মামলা সংক্রান্ত তদন্ত সমাপ্ত করল ইডি। যদিও কেন্দ্রীয় সংস্থা এই তদন্ত সম্পূর্ণ হওয়ার কথা এখনও জানায়নি। ২২ মাস ধরে চলা এই মামলায় এখনও পর্যন্ত ইডি (ED) মাত্র ২৪৪ কোটি টাকার সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করেছে। একইসঙ্গে এই মামলায় যুক্ত ১৮ জন গ্রেফতার হয়েছে, এবং ৪০ জন অভিযুক্তের বিরুদ্ধে ৮টি চার্জশিট এবং ৪ ডজনেরও বেশি অভিযান হয়েছে৷ 

    কী জানিয়েছে ইডি? (ED) 

    এ প্রসঙ্গে ইডির এক আধিকারিক জানিয়েছেন, “অরবিন্দ কেজরিওয়াল (Arvind Kejriwal) এবং আপের বিরুদ্ধে ৩৭ এবং ৩৮ অভিযুক্ত নম্বরের বিষয়ে আমাদের তদন্ত সম্পূর্ণ হয়েছে। আদালত আমাদের দাখিল করা আটটি চার্জশিটের সবকটি গ্রহন করেছে এবং সেই চার্জশিটের বেশিরভাগ অভিযুক্ত ব্যক্তিদের জামিন প্রত্যাখ্যান করা হয়েছে।” যদিও এ বিষয়ে কেজরিওয়াল এবং আপ সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করেছে এবং একইসঙ্গে এই গোটা ঘটনাকে তারা কেন্দ্রীয় সরকার কর্তৃক তখনকার “রাজনৈতিক প্রতিহিংসা” বলে অভিহিত করেছে।  

    আগে কী ঘটেছিল? (Arvind Kejriwal) 

    গত ২১ মার্চ আবগারি দুর্নীতি মামলায় কেজরিকে গ্রেফতার করেছিল ইডি। এর পর লোকসভা ভোটের সময়ে তাঁকে কিছু দিনের জন্য অন্তর্বর্তী জামিন দিয়েছিল সুপ্রিম কোর্ট। তার মেয়াদ শেষ হলে ২ জুন আবার তিহাড় জেলে গিয়ে আত্মসমর্পণ করেছিলেন কেজরি। এর মঝেই আবার আবগারি দুর্নীতিতে ইডি ১৭ মে কেজরিওয়াল এবং আপের বিরুদ্ধে দায়ের করা চার্জশিটে দাবি করেছে যে মুখ্যমন্ত্রী, তার তৎকালীন ডেপুটি মনীশ সিসোদিয়া এবং দলের প্রাক্তন মিডিয়া ইনচার্জ বিজয় নায়ার কাছ থেকে ১০০ কোটি টাকার ঘুষ চেয়েছিলেন।

    আরও পড়ুন: যোগী আদিত্যনাথের অধীনে উত্তরপ্রদেশ উন্নয়নের নতুন গল্প লিখছে, বললেন জেপি নাড্ডা

    এর পরে গত ২৫ জুন তিহাড়ে গিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের পরে জেলবন্দি কেজরিকে (Arvind Kejriwal) রাউস অ্যাভিনিউ আদালতের অনুমোদনে হেফাজতে নেয় আবগারি মামলার আর এক তদন্তকারী কেন্দ্রীয় সংস্থা সিবিআই। ঘটনাচক্রে, সেই মেয়াদ শেষ হয়েছে শুক্রবার। সিবিআই হেফাজতকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে কেজরি রাউস অ্যাভিনিউ আদালতে আবেদন জানালেও তা খারিজ হয়ে গিয়েছিল। তারপর দিল্লি হাই কোর্টের দ্বারস্থ হন তিনি। এরপর অরবিন্দ কেজরিওয়ালের অন্তর্বর্তী জামিন মঞ্জুর করে সুপ্রিম কোর্ট। বিচারপতি সঞ্জীব খান্না এবং বিচারপতি দীপঙ্কর দত্তের ডিভিশন বেঞ্চ গত শুক্রবার এই নির্দেশ দিয়েছে। যদিও কেজরি এখন সিবিআই হেফাজতে থাকায় সেই মামলায় পৃথক ভাবে জামিন নিতে হবে তাঁকে। আগামী ১৭ জুলাই সেই মামলার শুনানি হবে দিল্লি হাই কোর্টে। তার আগে তিহাড় থেকে মুক্তি পাচ্ছেন না কেজরি। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • KCR-daughter K Kavitha arrested: তল্লাশির পর ইডির হাতেই গ্রেফতার কেসিআর-কন্যা কবিতা

    KCR-daughter K Kavitha arrested: তল্লাশির পর ইডির হাতেই গ্রেফতার কেসিআর-কন্যা কবিতা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আজ তল্লাশির পর ইডির হাতে গ্রেফতার হলেন কেসিআর-কন্যা কে কবিতা (KCR-daughter K Kavitha arrested)। আয়কর দফতর এবং কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা আজ দিল্লির আবগারি দুর্নীতি মামলায় ভারত রাষ্ট্র সমিতির নেত্রী এবং তেলঙ্গনার বিধান পরিষদের সদস্য প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী কেসিআর-কন্যাকে গ্রেফতার করেছে। হায়দ্রাবাদ থেকে দিল্লিতে আনা হচ্ছে বলে জানা গিয়েছে। এই ঘটনায় দেশের রাজনীতিতে শোরগোল পড়েছে।

    বাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে গ্রেফতার (KCR-daughter K Kavitha arrested)

    আজ শুক্রবার আচমকাই কেসিআর-কন্যা কবিতার (KCR-daughter K Kavitha arrested) হায়দ্রাবাদের বাড়িতে তল্লাশি চালায় আয়কর দফতর এবং ইডি। এদিন তদন্ত করতে দুই সংস্থার অন্তত ১০ আধিকারিক বাড়িতে ঢুকে তল্লাশি চালায়। সেই সময় বাড়িতে ছিলেন কএসিআর-কন্যা এবং তাঁর স্বামী ডি অনিল কুমার। তাঁদের উপস্থিতিতেই তল্লাশি চলে বলে জানা গিয়েছে। আবগারি মামলায় অন্যতম প্রধান অভিযুক্তদের মধ্যে ছিলেন এই কবিতা। আগে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার পক্ষ থেকে একাধিকবার হাজিরার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল, কিন্তু তিনি হাজিরা দেননি। এমন কী তদন্তের মোকাবিলা যাতে না করতে হয়, তাই সুপ্রিম কোর্ট পর্যন্ত গিয়েছিলেন তিনি। কবিতা ২০১৪ সাল থেকে দুইবার সাংসদ হয়েছিলেন। কিন্তু তবু গ্রেফতার হতেই হল তাঁকে।

    গত ডিসেম্বর মাসে তদন্তে নাম উঠে আসে

    গত ডিসেম্বর মাসে যখন মণীশ সিসোদিয়া ঘনিষ্ঠ এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করেছিল ইডি, সেই সময় সূত্রে ধরে তদন্তে নাম উঠে এসেছিল কবিতার (KCR-daughter K Kavitha arrested)। পরবর্তী কালে কবিতার মোবাইল পরিচিতি বদলানো হয়। কেজরীওয়াল সরকারের আবগারি দুর্নীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন দক্ষিণ ভারতের আরও এক নেতা অরুণ রামচন্দ্র পিল্লাই। এছাড়াও এই আবগারি দুর্নীতির সঙ্গে কংগ্রেসের সাংসদ এম শ্রীনিবাসুলু রেড্ডি এবং হায়দরাবাদের ব্যবসায়ী শরৎ রেড্ডি প্রত্যক্ষ ভাবে যুক্ত বলে জানা গিয়েছে। এবারে তাঁদের মুখোমুখি বসিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে। অপরদিকে গত বুধবার কেসিআরের তরফ থেকে দলের লোকসভা প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করলেও নিজের মেয়েকে এইবার টিকিট দেননি। পরিবারের প্রতি স্বজন পোষণের অভিযোগকে মুছে ফেলতে চাইছিলেন কেসিআর, এমনটা বলা হলেও গ্রেফতারির আশঙ্কা ছিলই। আর এর মধ্যেই গ্রেফতার হয়েছেন কে কবিতা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Election Commission: নির্বাচনে কড়া নজরদারির জন্য কমিশন তৈরি করল বিশেষ অ্যাপ

    Election Commission: নির্বাচনে কড়া নজরদারির জন্য কমিশন তৈরি করল বিশেষ অ্যাপ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নির্বাচনী হিসেব এবার অ্যাপেও। ফলে নির্বাচন কমিশন (Election Commission) আরও শক্তিশালী হবে বলে আশা প্রকাশ করা হয়েছে। এতদিন পর্যন্ত নির্বাচনের সময় নির্বাচনের হিসেব দেখভাল করার জন্য যে এজেন্সিগুলি কাজ করত, সেখানে হাতে কলমে কাজ করা হত এবং সেই সঙ্গে হাতে কলমেই হিসাব পাঠানো হত। এবার থেকে এই প্রথম তৈরি করা হল একটি অ্যাপ। এই অ্যাপের সাহায্যে নির্বাচনের আয়-ব্যয় সংক্রান্ত সমস্ত বিষয়ের ওপর নজর রাখতে পারবে নির্বাচন কমিশন।

    কমিশন সূত্রে খবর (Election Commission)

    নির্বাচন কমিশন (Election Commission) সূত্রে খবর, যে মুহূর্তে ২২টি এজেন্সি থেকে কোনও কিছু তথ্য পাওয়া যাবে, সেই তথ্য তৎক্ষণাৎ আপলোড করা হবে ওই অ্যাপে। শুধু তাই নয়, একইসঙ্গে রাজনৈতিক দলগুলিও যদি কোনরকম ভাবে কমিশনের নিয়মবহির্ভূত কোনও কাজ করতে যায় তাও তৎক্ষণাৎ ওই অ্যাপের মাধ্যমেই ধরা পড়ে যাবে। অর্থাৎ প্রযুক্তিকে কাজে লাগিয়ে এক নিমেষে সকলের কাজকে হাতের মুঠোর মধ্যে আনতেই কমিশনের এই পদক্ষেপ বলে জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন। এরই পাশাপাশি শুক্রবার জাতীয় নির্বাচন কমিশনের তরফে একজন আন্ডার সেক্রেটারি পদাধিকারী সহ ২ সদস্যের এক প্রতিনিধি দল আসে রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দফতরে। যেখানে কমিশনের সমস্ত প্রযুক্তির ওপর নির্ভরকারী অ্যাপকে নিয়ে বিশেষভাবে প্রশিক্ষণ দেন তাঁরা। 

    জবাবদিহি করতে হবে কমিশনের কাছে

    বিশেষত এই অ্যাপে সবকিছুতেই একটি সময় নির্ধারণ করা আছে। সেই সময়ের মধ্যেই শেষ করতে হবে সংশ্লিষ্ট কাজ, না হলে ওই অ্যাপ আর কোনও কাজ করবে না। কোনও প্রার্থী তাঁর মনোনয়ন জমা দেওয়ার পর তাঁকে তা সঙ্গে সঙ্গেই ওই অ্যাপের মধ্যে আপলোড করতে হবে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে। কারও সময় যদি পেরিয়ে যায়, তাহলে ওই অ্যাপে আর কোনও কাজ করা যাবে না। এখানেই শেষ নয়। কেন নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কাজ শেষ করা যায়নি, তার জবাবদিহি করতে হবে নির্বাচন কমিশনের (Election Commission) কাছে। এক কথায় বলাই যায় কমিশন এবার সব দিক থেকেই রীতিমতো কোমর বেঁধে নেমে পড়েছে। কোনও কিছুতেই কাউকেই রেয়াত করতে রাজি নয় জাতীয় নির্বাচন কমিশন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Metro App: কলকাতাবাসীর জন্য সুখবর! মেট্রো অ্যাপ এবার বাংলাতেও!

    Metro App: কলকাতাবাসীর জন্য সুখবর! মেট্রো অ্যাপ এবার বাংলাতেও!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: খুব শীঘ্রই বাংলা এবং হিন্দি ভাষায় মেট্রো রাইড কলকাতা অ্যাপ্লিকেশন চালু করতে চলেছে মেট্রো রেলওয়ে (Metro App)। ১৬ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত, মোট ২,৪৮,৪৭০ জন যাত্রী গুগল প্লে স্টোর থেকে এই অ্যাপ্লিকেশনটি ডাউনলোড করেছেন। এই অ্যাপটি সেন্টার ফর রেলওয়ে ইনফরমেশন সিস্টেম তৈরি করেছে। রেলওয়ের তরফে জানানো হয়েছে, ব্যবহারকারীদের মধ্যে এর ব্যাপক জনপ্রিয়তা দেখে আরও দুটি ভাষায় এটি চালু করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। 

    অতএব, যে যাত্রীরা ইংরেজিতে তেমন দক্ষ নন তারা এই অ্যাপের হিন্দি বা বাংলা সংস্করণ (Metro App) ব্যবহার করতে পারবেন। আশা করা হচ্ছে এই উদ্যোগ এই অ্যাপটিকে আরও সুবিধাজনক ও জনপ্রিয় করে তুলবে।

    গত বছরের ৫ মার্চ এই অ্যাপটি লঞ্চ করে মেট্রোরেল কর্তৃপক্ষ। যাত্রীদের তাদের স্মার্ট কার্ড রিচার্জ করতে বা একটি অ্যাপের মাধ্যমে কিউআর-কোড ভিত্তিক টিকিট বুক করতে এই অ্যাপটি ব্যবহার করে থাকেন যাত্রীরা। ফলে খুব সহজেই মেট্রো স্টেশনে দীর্ঘ লাইন এড়ানো যায়।

    মেট্রো স্টেশনগুলিতে মেট্রো কর্মীরা এই নতুন অ্যাপ সম্পর্কে প্রায়ই প্রচার (Metro App) করে থাকেন। সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমেও অ্যাপটির প্রচার চালানো হয়। অ্যাপের মাধ্যমে স্মার্ট কার্ড রিচার্জ করার প্রক্রিয়া মেট্রোয় শুরু হয়েছিল বছর দুয়েক আগেই। তবে প্রথম তৈরি অ্যাপটির নানা সীমাবদ্ধতা থাকায় সেটি বাতিল করে পরে মেট্রো রাইড কলকাতা নামে অ্যাপ চালু করা হয়। স্টেশনে বুকিং কাউন্টারের সংখ্যা হু হু করে কমতে থাকায় সম্প্রতি ওই অ্যাপ ব্যবহারের ক্ষেত্রে যাত্রীদের উৎসাহিত করতে মেট্রোর পক্ষ থেকে প্রচারে জোর দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি, যাত্রীদের সমস্যা থেকে শিক্ষা নিয়ে নতুন অ্যাপের ব্যবহার আরও সরল করতে নিরন্তর চেষ্টা চালানো হচ্ছে বলে মেট্রো সূত্রের খবর।

    আরও পড়ুন: পাকিস্তানের মাটিতে জঙ্গি হানা, সরকারকেই দায়ী করলেন ভেঙ্কটেশ প্রসাদ

    যাত্রীদের লেনদেন সংক্রান্ত ব্যক্তিগত তথ্য সুরক্ষিত রেখে ব্যবহারের সুযোগ আরও প্রসারিত করতে (Metro App) অ্যাপটিকে ওটিপি নির্ভর করা হয়েছে। অ্যাপ থেকে স্মার্ট কার্ডের ব্যালান্স জানা ছাড়াও শেষ বার কোথায়, কখন সেটি ব্যবহার হয়েছে সেই তথ্যও মেলে। একই অ্যাপ থেকে একাধিক স্মার্ট কার্ড রিচার্জ করার সুবিধা রয়েছে। অ্যাপে ট্রেনের সময়, গুগল ম্যাপে স্টেশন দেখার সুযোগ রয়েছে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     
     
  • Facebook user: ফেসবুক বা ইনস্টাগ্রাম ব্যবহার করেন? আপনার জন্য আসছে বিশেষ সুবিধা

    Facebook user: ফেসবুক বা ইনস্টাগ্রাম ব্যবহার করেন? আপনার জন্য আসছে বিশেষ সুবিধা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফেসবুক ব্যবহারকারীদের (Facebook User) জন্য সুখবর! মার্ক জুকারবার্গের (Marc Zuckerberg) কোম্পানি নিয়ে এল নতুন ফিচার। এখন থেকে ফেসবুক ও ইনস্টাগ্রাম (Instragram) ব্যবহারকারীরা সহজেই এক অ্যাপ থেকে অন্য অ্যাপে স্যুইচ (Switch) করতে পারবেন। নয়া এই ফিচারের ফলে ফেসবুক ও ইনস্টাগ্রাম ব্যবহারকারী আরও সহজেই এই দুটি অ্যাপ ব্যবহার করতে পারবেন।

    আরও পড়ুন: ইনস্টাগ্রাম, ফেসবুকের মত এবারে হোয়াটসঅ্যাপেও পাবেন পোল বৈশিষ্ট্যের সুবিধা 

    মেটা কোম্পানি তাদের ওয়েবসাইটে (Website) পোস্ট করে জানিয়েছে, এখন থেকে ফেসবুক বা ইনস্টাগ্রাম যে কোনও একটি অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে একই সঙ্গে দুটো অ্যাপ চালাতে পারবেন।

    আরও পড়ুন: ইনস্টাগ্রাম, ফেসবুকের মত এবারে হোয়াটসঅ্যাপেও পাবেন পোল বৈশিষ্ট্যের সুবিধা

    তারা আরও জানিয়েছে, বর্তমান যুগে মানুষ বিশ্বের সঙ্গে সংযোগস্থাপনের (Connect) জন্য একাধিক অ্যাপের অ্যাকাউন্ট (Account) ব্যবহার করে। তাই ব্যবহারকারীদের কথা মাথায় রেখে এই অ্যাপ্লিকেশনটিকে আরও সহজ করা হয়েছে।

    আরও পড়ুন: সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়েছে ব্যক্তিগত ছবি, ভিডিও! এই পরিস্থিতিতে কী করা উচিত?

    মেটা (Meta) নিশ্চিত করেছে, যে এই পরিবর্তনের ফলে অচেনা ডিভাইসে (Device) কেউ প্রোফাইল অ্যাক্সেস করতে পারবেন না। ব্যবহারকারীদের ডেটা (Data) আরও সুরক্ষিত থাকবে নতুন এই ব্যবস্থায়।

    আরও পড়ুন: হোয়াটসঅ্যাপে পাঠানো ফাইল খোঁজা হবে আরও সহজ! শেয়ার করার সময় লেখা যাবে ‘ক্যাপশন’
    প্রসঙ্গত, জনপ্রিয় সোস্যাল প্ল্যাটফর্ম ফেসবুক ব্যবহারকারীর সংখ্যা ২৫০ কোটি ছাড়িয়ে গিয়েছে। ইনস্টাগ্রাম ব্যবহারকারীর সংখ্যাও প্রায় ১১৬ কোটি। চিনের জনপ্রিয় প্ল্যাটফর্ম টিকটক (Tiktok) ব্যান করার পর থেকেই ইনস্টাগ্রামের জনপ্রিয়তা বেড়ে চলেছে তরতরিয়ে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     
     
LinkedIn
Share