Tag: Arambagh

Arambagh

  • Arambagh: “দেখে না দল, ১০ টাকা দিয়ে সাহায্যও করেনি”, সুব্রত বক্সির সামনে বিক্ষোভ তৃণমূল কর্মীদের

    Arambagh: “দেখে না দল, ১০ টাকা দিয়ে সাহায্যও করেনি”, সুব্রত বক্সির সামনে বিক্ষোভ তৃণমূল কর্মীদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তৃণমূলের প্রাক্তন সাংসদ অপরূপা পোদ্দারের বিরুদ্ধে দলের নেতা কর্মীরা সরব হয়েছিলেন। আর্থিক দুর্নীতির অভিযোগ করেছিলেন। প্রার্থী বদল করে আরামবাগে (Arambagh) তৃণমূল আসন ধরে রাখার স্বপ্ন দেখা শুরু করেছে।  প্রাক্তন সাংসদের বিরুদ্ধে বিদ্রোহের আঁচ মিটতে না মিটতেই তৃণমূলের আসল চেহারা ফের প্রকাশ্যে চলে এল। দলেরই কর্মীরা তৃণমূলের নেতাদের বিরুদ্ধে একরাশ ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন। দল করে ঘরছাড়া হতে হয়েছে। স্বজনহারা হতে হয়েছে। চাকরির প্রতিশ্রুতি দিলেও মেলেনি কিছুই। আর তাতেই ক্ষোভ ফুঁসছেন তৃণমূলের শহিদ পরিবারের সদস্যরা। আর তৃণমূলের শীর্ষনেতা সুব্রত বক্সির সামনেই তুমুল বিক্ষোভ দেখিয়েছেন দলের শহিদ পরিবার। আর ভোটের মুখে এই ঘটনায় বেশ কিছুটা ব্যাকফুটে শাসক দল।

    সুব্রত বক্সির সামনেই বিক্ষোভ (Arambagh)

    শনিবার আরামবাগে (Arambagh) এসেছিলেন তৃণমূল প্রার্থী মিতালী বাগ ও তৃণমূলের শীর্ষনেতা সুব্রত বক্সি। আর তাঁকে দেখে দরজার বাইরে ব্যাপক বিক্ষোভে ফেটে পড়েন গোঘাটের ছয় শহিদ পরিবারের লোকজন। ব্যাপক চিৎকার চেঁচামেচি করেন তাঁরা। অভিযোগ, তাঁদের কথা কেউ শোনেননি। তাঁদের ভিতরেও যেতে দেওয়া হয়নি। প্রতিশ্রুতি মতো এই ছয় পরিবারের কাউকেই চাকরি দেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ। অথচ তাঁদের বলা হয়েছে চাকরি হয়ে গিয়েছে। বিক্ষোভরত এক ব্যক্তি বলেন, “২০১১ সালে ক্ষমতায় এসেছে। ২০২৪ সাল হয়ে গেল দল দেখে না। আমাদের ১০টাকা দিয়েও দল সাহায্য করেনি। আমরা কী অপরাধ করেছি।” তবে তৃণমূল মুখপাত্র শান্তনু সেন বলেন, “শহিদ পরিবারগুলির সঙ্গে সুব্রত বক্সি কথা বলেছেন। তাই তিনি বলার পর আমি আর কিছু বলব না।”

    আরও পড়ুন: সৌগতর সমর্থনে শহর তৃণমূলের মিছিল, গরহাজির প্রার্থী, বিধায়ক, পুর চেয়ারম্যান, তৃণমূলের কোন্দল প্রকাশ্যে

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছিল?

    বস্তুত, সালটা ২০০৬। অভিযোগ, তৎকালীন বাম আমলে সিপিএমের দ্বারা অত্যাচারিত হয়, এই ছয় পরিবারের লোকজন। দল করতে গিয়ে শহিদ হয়েছে। বিগত বারো বছর ধরে ঘর ছাড়া ছিলেন তাঁরা। বার বার তৃণমূলের ওপরমহলে গিয়েও কোনও সুবিচার পাননি বলে দাবি ওই সকল পরিবারগুলির। শনিবার দুপুরে আরামবাগের (Arambagh) রবীন্দ্র ভবনে পৌঁছন সুব্রত বক্সি। এরপরই এই ছয় পরিবারের লোকজন সোজা হাজির হয়ে যান। কিন্তু, তাঁদের ঢুকতেই দেওয়া হয়নি। কেউ কোনও কথা শুনতে চাননি। এরপরই তাঁরা বিক্ষোভে ফেটে পড়েন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Arambagh: তৃণমূলের বিদায়ী সাংসদের বিরুদ্ধে কাটমানি চাওয়ার অভিযোগে সরব দলের নেতারা, কোন্দল প্রকাশ্যে

    Arambagh: তৃণমূলের বিদায়ী সাংসদের বিরুদ্ধে কাটমানি চাওয়ার অভিযোগে সরব দলের নেতারা, কোন্দল প্রকাশ্যে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘টাকা নেই, সেই কারণেই এবারে প্রার্থী হতে পারিনি’ আরামবাগের (Arambagh) প্রাক্তন তৃণমূল সাংসদ অপরূপা পোদ্দার এমনই বিতর্কিত মন্তব্য করেছিলেন। এই মন্তব্য নিয়ে রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা শুরু হয়েছিল। এরপরই এবার কাটমানি নিয়ে অপরূপার বিরুদ্ধেই সরব হলেন তাঁর দলের একাধিক তৃণমূল নেতা। এই ঘটনায় শোরগোল আরামবাগ লোকসভা কেন্দ্র জুড়ে। লোকসভার ভোটের মুখে তৃণমূলের কোন্দল একেবারে প্রকাশ্যে চলে এসেছে।

    ঠিক কী বলেছেন বিদায়ী তৃণমূল সাংসদ? (Arambagh)

    নির্বাচনের প্রাক্কালে তৃণমূলের বিদায়ী সাংসদের বিরুদ্ধে কাটমানির অভিযোগ ওঠায় অস্বস্তিতে তৃণমূল নেতৃত্ব। জানা গিয়েছে, এবার লোকসভা নির্বাচনে আরামবাগ (Arambagh) লোকসভা কেন্দ্রে তৃণমূলের জয়ী সাংসদকে সরিয়ে প্রার্থী করা হয় একেবারে নতুন মুখ মিতালী বাগকে। টিকিট না পাওয়া নিয়ে প্রথমদিকে মুখ না খুললেও সম্প্রতি মনের জমে থাকা ক্ষোভ প্রকাশ করেন অপরূপা পোদ্দার। দুবারের তৃণমূলের সাংসদ অপরূপা পোদ্দার সম্প্রতি সাংবাদিকদের বলেন, নির্বাচনে লড়াই করার জন্য যে টাকার প্রয়োজন তা আমার কাছে নেই।  তাই এবারে প্রার্থী হননি তিনি। এমনকী আমার কাছে টাকা নেই তা হুগলি জেলার দুই মন্ত্রী জানতেন। অপরূপার এই মন্তব্যের পরেই বিস্ফোরক হতে দেখা যায় আরামবাগ ও গোঘাটের একাধিক নেতা তথা প্রাক্তন জনপ্রতিনিধিদের।

    আরও পড়ুন: “তৃণমূল জিতলে এলাকাকে সন্দেশখালি করে দেবে”, বিস্ফোরক সুকান্ত মজুমদার

    বিদায়ী সাংসদের বিরুদ্ধে কাটমানি চাওয়ার অভিযোগে সরব নেতারা

    গোঘাট ২ নং পঞ্চায়েত সমিতির প্রাক্তন বনভূমির কর্মাধ্যক্ষ স্বপন সাহানার অভিযোগ, টাকা না থাকায় প্রার্থী হননি তা পুরোপুরি মিথ্যা কথা বলছেন অপরূপা পোদ্দার। পাল্টা তাঁর বিরুদ্ধে কাটমানি চাওয়ার অভিযোগ তুলেছেন। বনভূমির কর্মাধ্যক্ষের অভিযোগ, এলাকায় শ্মশান চুল্লির অনুমোদন পাওয়ার পরেও অপরূপা পোদ্দারকে কাটমানির টাকা না দিতে পারায় থমকে রয়েছে সেই কাজ। আবার গোঘাটের তৃণমূল নেতা শুভেন্দু মণ্ডলের অভিযোগ, ক্লাবের জন্য সরকারি পাঁচ লক্ষ টাকা পেতে দিতে হয়েছে কাটমানি। অন্যদিকে খানাকুলের প্রাক্তন পঞ্চায়েত প্রধান হাইদার আলির অভিযোগ, পরীক্ষায় উর্ত্তীণ হওয়ার পরেও তাঁর স্ত্রীর চাকরির জন্য টাকার দাবি করা হয়েছিল। পাশাপাশি আরামবাগ পঞ্চায়েত সমিতির প্রাক্তন সভাপতি গুনধর খাঁড়ার অভিযোগ, অপরূপা যা বলছেন সবটাই মিথ্যা। উল্টে তাঁর বিরুদ্ধে একাধিক দুর্নীতির অভিযোগ তুলেছেন তিনি। সব মিলিয়ে প্রাক্তন আরামবাগ (Arambagh) সাংসদের বিতর্কিত মন্তব্যের পর বিস্ফোরক তাঁর দলের একাধিক তৃণমূল নেতা। যদিও এই প্রসঙ্গে বর্তমান তৃণমূল প্রার্থী মিতালী বাগকে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি প্রসঙ্গ এড়িয়ে যান।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের WhatsappTelegramFacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Arambagh: প্রার্থীর নাম ঘোষণা না হলেও আরামবাগে প্রচারে, দেওয়াল লিখনে এগিয়ে বিজেপি

    Arambagh: প্রার্থীর নাম ঘোষণা না হলেও আরামবাগে প্রচারে, দেওয়াল লিখনে এগিয়ে বিজেপি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রার্থীর নাম ঘোষণা না হলেও আরামবাগে (Arambagh) প্রচারে, দেওয়াল লিখনে এগিয়ে বিজেপি। এই লোকসভা কেন্দ্রের বিভিন্ন এলাকা জুড়ে এমনই চিত্র। আরামবাগে দেওয়াল লিখন নিয়ে টক্করে তৃণমূল -বিজেপির। ইতিমধ্যেই তৃণমূলের প্রার্থী মিতালি বাগের নাম ঘোষণা করেছে। আরামবাগ লোকসভা কেন্দ্রের মধ্যে মোট সাতটি বিধানসভা রয়েছে। চারটি বিধানসভা রয়েছে বিজেপির দখলে,তিনটি রয়েছে তৃণমূলের দখলে।

    দেওয়াল লিখন-প্রচারে এগিয়ে রয়েছে বিজেপি (Arambagh)

    লোকসভা নির্বাচনকে কেন্দ্র করে দেওয়াল লিখন শুরু হয়েছে আরামবাগ (Arambagh) কেন্দ্রের বিভিন্ন এলাকা জুড়ে। আর সেই দেওয়াল লিখন, প্রচারে এগিয়ে রয়েছে বিজেপি। কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে উচ্ছ্বাস উদ্দীপনা চোখে পড়ার মতো হাতের রং তুলি নিয়ে খোশ মেজাজেই ছুটছে এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে। এই মুহূর্তে আরামবাগ মহকুমার অলিতে গলিতে যেদিকে ঘুরবেন বিজেপির প্রতীক পদ্মফুল দেওয়ালে ফুটে উঠেছে। যদিও এখনও বিজেপির দলীয়ভাবে কোন প্রার্থীর নাম ঘোষণা হয়নি। একপ্রকার বলা যায়, নির্বাচনী প্রচারে বিজেপির দেওয়াল লেখনে টক্কর দিচ্ছে তৃণমূলকে। রাজ্যের শাসক দলের ক্ষমতায় তৃণমূল থাকলেও একপ্রকার বলাই যায় আরামবাগ লোকসভা কেন্দ্র এখন বিজেপির দখলে। কারণ, এই লোকসভা কেন্দ্রের সাতটি বিধানসভার মধ্যে আরামবাগ মহাকুমার চারটি গুরুত্বপূর্ণ বিধানসভায় এখন বিজেপির দখলে। যার জেরে একপ্রকার তৃণমূল অস্তিত্বহীন হয়ে পড়েছে। যদিও বিজেপির দাবি তারা ইতিমধ্যেই লোকসভা কেন্দ্রের বেশিরভাগ অংশই দেওয়াল লিখন এর কাজ ইতিমধ্যেই সম্পূর্ণ হয়ে গেছে।

    আরও পড়ুন: লোকাল ট্রেনে চেপে চুটিয়ে প্রচার সারলেন বিষ্ণুপুরের বিজেপি প্রার্থী সৌমিত্র খাঁ

    ১৬ হাজার দেওয়াল লিখন সম্পূর্ণ

    গেরুয়া শিবিরের দাবি, ইতিমধ্যে ১৬ হাজার দেওয়াল-লিখন হয়ে গিয়েছে। আরও হবে। ১০ লক্ষ মানুষের সঙ্গে ‘সম্পর্ক স্থাপন’ও সম্পূর্ণ। বিজেপির রাজ্য সাধারণ সম্পাদক তথা আরামবাগ (Arambagh) সাংগঠনিক জেলা সভাপতি বিমান ঘোষ বলেন, “দু’মাস সময় পাওয়ায় তৃণমূলের ফাঁকফোকর আরও বাড়বে। মানুষকে কেন্দ্রীয় বঞ্চনা নিয়ে যে সব ভুল ওরা বোঝাচ্ছে, তা নিয়ে আমরা সঠিক তথ্য-সহ আরও প্রচারের সময় পাচ্ছি।” বিমানের দাবি, গত ৫ দিনেই ৭২টি পথসভা করা হয়েছে। তা ধারাবাহিকভাবে চলবে। দু‘মাস সময় পাওয়ায় বিভিন্ন কর্মসূচিতে আরও জোর দেওয়া হবে।

    তৃণমূল নেতৃত্ব কী বললেন?

    আরামবাগ সাংগঠনিক জেলা তৃণমূলের চেয়ারম্যান স্বপন নন্দী  বলেন, ‘‘ইতিমধ্যে হাজার পাঁচেক দেওয়াল-লিখন সম্পূর্ণ হয়েছে। বাকি আরও প্রায় হাজার দশেক দেওয়ালে রং হয়ে গিয়েছে। আগামী দু’দিনের মধ্যে দেওয়াল লিখনে ভরে যাবে লোকসভা কেন্দ্র।”

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • PM Modi: “সন্দেশখালিতে যা হয়েছে, তা দেখে রাজা রামমোহন রায়ের আত্মাও কাঁদছে”, তোপ মোদির

    PM Modi: “সন্দেশখালিতে যা হয়েছে, তা দেখে রাজা রামমোহন রায়ের আত্মাও কাঁদছে”, তোপ মোদির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তৃণমূলের একজন নেতা মা-বোনের ইজ্জত নিয়ে ছিনিমিনি খেলছেন। আর বাংলার মুখ্যমন্ত্রী নির্বিকার। বাবা ভোলেনাথে নগরী ভগবান শিব এবং আরামবাগের মাটির মহান সুপুত্র রাজা রামমোহন রায়কে স্মরণ করে নরেন্দ্র মোদি (PM Modi) বলেন, এই মাটি থেকে রাজা রামমোহন রায় নারী সম্মানের জন্য লড়াই শুরু করেছিলেন। সেই বাংলার মাটিতে মা বোনের ইজ্জত এবং সম্মান লঙ্ঘিত হচ্ছে। সন্দেশখালিতে যা হয়েছে, তা দেখে রাজা রামমোহন রায়ের আত্মাও কাঁদছে। গোটা দেশ ক্ষোভ প্রকাশ করছে। তৃণমূল নেতারা সন্দেশখালির মহিলাদের সঙ্গে যা করেছে, দুঃসাহসের সব সীমা পার করে ফেলেছেন তাঁরা। বাংলায় এসে সন্দেশখালি ইস্যুতে এই ভাষাতেই তৃণমূলকে কড়া আক্রমণ করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।

    শাহজাহানকে দুমাস সুরক্ষা দেওয়া নিয়ে প্রশ্ন মোদির (PM Modi)

    হুগলি আরামবাগ সভা থেকে দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi) সন্দেশখালি ঘটনার প্রসঙ্গ তুলে বাংলার মমতা সরকারের বিরুদ্ধে আক্রমণ করে বলেন, প্রায় দুমাস ধরে মহিলাদের সম্মান এবং ইজ্জত নিয়ে ছিনিমিনি খেলা তৃণমূল নেতা বেপাত্তা ছিল। তাঁকে এতদিন কে সুরক্ষা দিচ্ছিল সেই প্রশ্ন তোলেন প্রধানমন্ত্রী। একইসঙ্গে তিনি বলেন, মা বোনের আন্দোলন এবং বিজেপির চাপে বাংলার পুলিশ নতিস্বীকার করে তাকে (শেখ শাহজাহান) ধরতে বাধ্য হল। প্রধানমন্ত্রী মোদী বলেন, বাংলার উন্নয়নের জন্য বাংলার গরিব, চাষি, যুবসমাজ এবং মহিলাদের এগিয়ে নিয়ে যেতে হবে। সর্বভারতীয় কংগ্রেসের সভাপতি মল্লিকাআর্জুন খাড়গে কে একহাত নিয়ে প্রধানমন্ত্রী মোদী বলেন, যখন বাংলার সন্দেশখালিতে মা বোনের সম্মান নিয়ে ছিনিমিনি খেলা হচ্ছিল তখন এই ইন্ডি জোটের নেতারা কী করছিলেন? কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সভাপতি বলেছেন, বাংলায় এইরকম ছোটখাট ঘটনা প্রায়ই ঘটে থাকে।

     সন্দেশখালিতে যা হয়েছে, তার বদলা নেবেন তো?

    শুক্রবার আরামবাগে জনসভায় যোগ দিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী (PM Modi)। মঞ্চে সন্দেশখালি প্রসঙ্গে মোদি বলেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে সাহায্য চেয়ে সন্দেশখালির মহিলারা কী পেয়েছেন? সেই প্রশ্নও তুলেছেন মোদী। শাহজাহান গ্রেফতার হওয়ার কৃতিত্ব যে আসলে বিজেপির, সে কথাও উল্লেখ করেন মোদি। তিনি বলেন, “বিজেপি নেতারা সন্দেশখালির মা-বোনেদের জন্য দিন-রাত লড়েছেন। মার খেয়েছেন। বিজেপি নেতাদের চাপে পুলিশ অভিযুক্তকে গ্রেফতার করতে বাধ্য হয়েছে।  শাহজাহান গ্রেফতার হওয়ার কৃতিত্ব যে আসলে বিজেপির, সে কথাও উল্লেখ করেন মোদি। তিনি বলেন, বিজেপি নেতারা সন্দেশখালির মা-বোনেদের জন্য দিন-রাত লড়েছেন। মার খেয়েছেন। বিজেপি নেতাদের চাপে পুলিশ অভিযুক্তকে গ্রেফতার করতে বাধ্য হয়েছে। সাধারণ মানুষের উদ্দেশে মোদি বলেন, ‘সন্দেশখালিতে যা হয়েছে, তার বদলা নেবেন তো?’

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • PM Modi: ৩৭ বছর পর আরামবাগে দেশের প্রধানমন্ত্রী! মোদিকে ঘিরে উচ্ছ্বাসে ফেটে পড়লেন কর্মী-সমর্থকরা

    PM Modi: ৩৭ বছর পর আরামবাগে দেশের প্রধানমন্ত্রী! মোদিকে ঘিরে উচ্ছ্বাসে ফেটে পড়লেন কর্মী-সমর্থকরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দীর্ঘ ৩৭ বছর পর আরামবাগের ভূমিতে পা পড়ল দেশের প্রধানমন্ত্রীর (PM Modi)। প্রধানমন্ত্রীকে ঘিরে উচ্ছ্বাসে ফেটে পড়লেন কর্মী-সমর্থকরা। অনেকে আবার মোদির ছবি দেওয়া মুখোশ পরেও সভায় হাজির হয়েছিলেন। সভায় উপস্থিত সকলকে হাত নেড়ে শুভেচ্ছা জানান প্রধানমন্ত্রী। অন্যান্য নেতাদের থেকে তিনি যে আলাদা সেটা বুঝিয়ে দিয়ে গেলেন নরেন্দ্র দামোদর ভাই মোদি। আর প্রত্যুত্তরে মো… দি , মো… দি গগনফাটা আওয়াজে আরামবাগবাসী বুঝিয়ে দিলেন তাদের কাছে এই প্রধানমন্ত্রী কতটা আপন।

    জনতার মন জয় করলেন মোদি (PM Modi)

    সকাল থেকেই বিজেপির পতাকায় মুড়ে যায় সমগ্র আরামবাগ। সভাস্থল ছিল ত্রিবেণী সঙ্গমে। অর্থাৎ পাশাপাশি পূর্ব বর্ধমান, বাঁকুড়া ও পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার মানুষ খুব সহজেই আসতে পারবেন সেখানে। সকাল থেকেই লোক আসা শুরু হয়েছিল। কয়েক লক্ষ জনসমাগম। এমনকী হাওড়া স্টেশন থেকেও আরামবাগ লোকালে শয়ে শয়ে সমর্থকরা  ওঠেন মোদীজিকে (PM Modi) দেখবার আশায়। দুটি মঞ্চ। একটিতে সরকারি অনুষ্ঠান, অন্যটিতে প্রকাশ্য জনসভা। একদিকে দক্ষ প্রশাসক অন্যদিকে জনমোহিনী জননেতা। তিনি এলেন, দেখলেন এবং তাঁর বক্তব্যের মাধ্যমে মানুষের মন জয় করলেন। করতালি দিয়ে তা জানিয়ে দিলেন জনতা। এদিন আরামবাগ কালিপুর স্পোর্টস কমপ্লেক্স ময়দানে জনসভা করে গেলেন ভারতবর্ষের ১৮ তম প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।

     ৩৭ বছর পর আরামবাগের ভূমিতে দেশের প্রধানমন্ত্রীর

    দীর্ঘ ৩৭ বছর পর আরামবাগের ভূমিতে পা পড়লো দেশের প্রধানমন্ত্রীর (PM Modi)। এর আগে ১৯৮৭ সালের মে মাসে আরামবাগের গরবাড়ী ময়দানে রাজনৈতিক সভা করতে এসেছিলেন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী রাজীব গান্ধী। সূত্র অনুসারে আরামবাগ মহকুমায় এর আগে প্রধানমন্ত্রী থাকাকালীন ইন্দিরা গান্ধীকেও দেখেছিলেন আরামবাগ ব্লকের অধিবাসীরা। কিন্তু, ৮৭ সালের পর আর কোনওদিন কোনও প্রধানমন্ত্রী আরামবাগে আসেননি। সেদিক থেকে মোদির আগমণকে ঘিরে আরামবাগের মানুষের মনে উৎসাহের সীমা ছিলনা। একজন দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার শপথে অটল দৃঢ়চেতা প্রধানমন্ত্রী। যিনি এখানে এসে ৭২০০ কোটি টাকার প্রকল্পের শিল্যান্যাস করলেন।  পাশাপাশি রাজ্যে ৬২ টি প্রকল্পের উদ্বোধন। ৬২ টি প্রকল্পের উদ্বোধন। সংক্ষিপ্ত অনুষ্ঠানের পর অনতিদূরে খোলা মাঠে জনসভা। যেখানে মোদি নিজেকে উপস্থাপিত করলেন একজন জননেতা হিসেবে। খুলে দিলেন তৃণমূলের দুর্নীতির ভান্ডার। তীক্ষ্ণ বক্তৃতায় বুজিয়ে দিলেন বাংলার সমস্ত দুর্নীতির খবর তাঁর হাতের মুঠোয় এবং সেই দুর্নীতি রুখতে তিনি  কোন আপস করতে রাজি নন। ভাষা সংযত। পরিমিত। কাউকে ব্যক্তিগত আক্রমণ নয়। লড়াই দুর্নীতি ও দুর্নীতিকারীদের বিরুদ্ধে। আর এই লক্ষ্য নিয়েই আগামী লোকসভায় বিজেপি ভোটের ময়দানে নামতে চলেছে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Hooghly: জীবিতকে মৃত দেখিয়ে চাকরি চুরি তৃণমূল নেতার! চাঞ্চল্য

    Hooghly: জীবিতকে মৃত দেখিয়ে চাকরি চুরি তৃণমূল নেতার! চাঞ্চল্য

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এবার চাকরি চুরির অভিযোগ উঠল তৃণমূল নেতার বিরুদ্ধে। আর তারজন্য চাকরির প্রকৃত প্রাপককে মৃত দেখানো হয়েছে বলে অভিযোগ। চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটেছে হুগলির (Hooghly) আরামবাগ এলাকায়। এখনও চাকরির জন্য সরকারি দফতরগুলিতে ঘুরছেন ওই ব্যক্তি। বিষয়টি জানাজানি হতে এলাকায় চর্চা শুরু হয়েছে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Hooghly)

    স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, হুগলির (Hooghly) আরামবাগের প্রতাপনগর এলাকায় জনস্বাস্থ্য কারিগরি দফতরকে জায়গা দান করেন জীবনকৃষ্ণ নাথ নামে এক ব্যক্তি। জমি দেওয়ার বিনিময়ে তাঁর চাকরি পাওয়ার কথা ছিল। কিন্তু, তা তিনি পাননি। এখন তাঁকে মৃত বলে দাবি করে সেই চাকরি করছেন তৃণমূল নেতা সোহরাব হোসেনের ভাই মহম্মদ সিদ্দিকী। জীবনকৃষ্ণবাবু বলেন, প্রতাপনগর জল প্রকল্পের জন্য জমি দিয়েছি। প্রকল্পের কাজ যখন শুরু হয় তখন আমাকে বা আমার ছেলেকে চাকরি দেওয়া হয়নি। বদলে চাকরি পান এলাকার তৃণমূল নেতা সোহরাব হোসেনের ভাই। এ নিয়ে কোর্টকাছারি করছিলাম বলে বাড়ি থেকে উৎখাতেরও চেষ্টা হয়। নানা হুমকি দেওয়া হয়। তাই, এলাকা ছেড়ে চলে যাই। আর এই সুযোগে তৃণমূল নেতা আমাকে মৃত দেখিয়ে তাঁর ভাইকে চাকরি পাইয়ে দেওয়ার ব্যবস্থা করেন। বিষয়টি সংশ্লিষ্ট দফতরে জানিয়েছি। কিন্তু, কাজের কাজ কিছুই হয়নি।

    অভিযুক্ত তৃণমূল নেতা ও তাঁর ভাই কী সাফাই দিলেন?

    তৃণমূল নেতা সোহরাব হোসেন বলেন, এই অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা। এসব অভিযোগ করে কোনও লাভ নেই। নিয়ম মেনে ভাই চাকরি পেয়েছে। কারও চাকরি চুরি করা হয়নি। তৃণমূল নেতার ভাই মহম্মদ সিদ্দিকী বলেন, অপারেটর পদে আমি দীর্ঘদিন ধরেই চাকরি করছি। আমার বেতনও আমার ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে আসে। সমস্ত কাগজপত্র আছে। সরকারি নিয়ম মেনেই সবটা হয়েছে। আর ওই ব্যক্তি তো আদালতে গিয়েছেন। আদালত নিশ্চয়ই একটা নির্দেশও দেবে। তখনই সব কিছু প্রমাণ হয়ে যাবে।

    তৃণমূলের পঞ্চায়েত প্রধান কী বললেন?

    স্থানীয় আরান্ডি-১ গ্রামপঞ্চায়েতের বর্তমান প্রধান তেগদিরা খাতুন বলেন, সদ্য পদে বসেছি। এ নিয়ে কিছু জানি না। আদালতে বিষয়টি গড়িয়েছে। সেখানে যা নির্দেশ দেবে, সেই নির্দেশ কার্যকরী করা হবে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Arambagh: পঞ্চায়েতের অ্যাম্বুল্যান্স কেজি দরে বিক্রি করলেন তৃণমূলের প্রধান

    Arambagh: পঞ্চায়েতের অ্যাম্বুল্যান্স কেজি দরে বিক্রি করলেন তৃণমূলের প্রধান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিয়োগ দুর্নীতি, কাজ পাইয়ে দেওয়ার নাম করে কাটমানি নেওয়া থেকে শুরু করে একাধিক অভিযোগ ওঠে শাসক দলের বিরুদ্ধে। এবার অ্যাম্বুল্যান্স কেলেঙ্কারিতে নাম জড়াল আরামবাগের (Arambagh) গোঘাট-২ ব্লকের বদনগঞ্জ-ফলুই-২ পঞ্চায়েতের তৃণমূলের প্রধান হসমত আলি খানের বিরুদ্ধে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Arambagh)

    বাম আমলে পঞ্চায়েতের নিজস্ব তহবিলে অ্যাম্বুল্যান্সটি কেনা হয়েছিল। আরামবাগের (Arambagh) গোঘাট-২ ব্লকের বদনগঞ্জ-ফলুই ১ ও ২ পঞ্চায়েত এলাকার ভরসা ছিল অ্যাম্বুল্যান্সটি। কিন্তু, তৃণমূল বোর্ডের নজরদারির অভাবে অ্যাম্বুল্যান্সটি ঠিকমতো ব্যবহার হচ্ছিল না। বিষয়টি নিয়ে পঞ্চায়েতের সাধারণ সভায় আলোচনা করা হয়। সেখানে একাধিক সদস্য গাড়িটিকে সংস্কার করার দাবি জানান। কিন্তু, নিয়ম না মেনে প্রধান সেই অ্যাম্বুল্যান্সটি কেজি দরে বিক্রি করে দেন। পঞ্চায়েতের অন্যান্য সদস্যরা জানার পরই ক্ষোভে ফেটে পড়েন। পঞ্চায়েত সদস্যদের বক্তব্য, প্রধান নিজের ইচ্ছেমতো দর হেঁকে তা বিক্রি করেছে। দরপত্র ডাকার গুরুত্বপূর্ণ পদ্ধতি অনুযায়ী ওই সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তিও ঝোলানো হয়নি। আর গাড়ি বিক্রির টাকা পঞ্চায়েতের ফান্ডে জমা পড়েনি। তাহলে সেই টাকা কোথায় গেল? তৃণমূলের প্রাক্তন প্রধান আনন্দ বেজ বলেন, নবান্নে মুখ্যমন্ত্রীর দফতরে আমি এই বিষয়ে নির্দিষ্ট অভিযোগ জানিয়েছি। কারণ, এই দুর্নীতির তদন্ত হওয়া দরকার। পঞ্চায়েত সদস্যদের একাংশ সেটা চাইছেন। স্থানীয় বাসিন্দারা বলেন, অ্যাম্বুল্যান্স না থাকার কারণে চরম সমস্যায় পড়েছি। অনেক গুণ বেশি গাড়ি ভাড়া দিয়ে এ বার হাসপাতালে রোগী নিয়ে যেতে হবে। পঞ্চায়েত আমাদের বড় অসুবিধায় ফেলল। গোঘাট-২-এর বিডিও জয়ন্ত দে বলেন, বিষয়টি কানে এসেছে। খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

    পঞ্চায়েত প্রধান কী সাফাই দিলেন?

    পঞ্চায়েত প্রধান হসমত আলি খানের সাফাই, অ্যাম্বুল্যান্সটি বারবার খারাপ হয়ে যাচ্ছিল। সাধারণ সভায় সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্যের সম্মতিতে তা বিক্রি করা হয়েছে। দরপত্রে কোনও অনিয়ম হয়নি। অ্যাম্বুল্যান্স বিক্রির টাকা পঞ্চায়েতের তহবিলে জমা পড়েছে। ফলে, আমার বিরুদ্ধে যে অভিযোগ করা হচ্ছে তা ভিত্তিহীন।

    শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা

    এই বিষয়ে তৃণমূলের ব্লক সভাপতি অরুণকুমার কেওড়া বলেন, অভিযোগ পেয়েছি। সরকারি সম্পত্তি, বিশেষত অ্যাম্বুল্যান্স এ ভাবে বিক্রি করা যায় কি না, সেই নিয়ম জানার চেষ্টা করছি। অন্যায় হয়ে থাকলে কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হবে। স্থানীয় সিপিএম নেতা সুনীল শাল বলেন, আমাদের আমলে তৈরি পঞ্চায়েত সম্পদ- গাছ থেকে শুরু করে সবই বিক্রি হয়ে যাচ্ছে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Arambagh: সজলধারা প্রকল্পের নামে সরকারি জায়গা নিয়ে হচ্ছে ব্যক্তিগত বাড়ি! কাঠগড়ায় তৃণমূল নেতা

    Arambagh: সজলধারা প্রকল্পের নামে সরকারি জায়গা নিয়ে হচ্ছে ব্যক্তিগত বাড়ি! কাঠগড়ায় তৃণমূল নেতা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তৃণমূল নেতার মদতে সরকারি জায়গা দখল করার অভিযোগ। আর সেই জায়গা দখল করেই চলেছে পাকা বাড়ি তৈরির কাজ। আর কেউ প্রতিবাদ করলেই জুটছে হুমকি। আরামবাগের (Arambagh) কাষ্টদহী এলাকায় এমন ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Arambagh)

    স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, আরামবাগ (Arambagh) মহকুমার মায়াপুর ২ নং পঞ্চায়েতের কাষ্টদহী এলাকা। সেখানেই গ্রামের পাকা রাস্তার মোড়ে হঠাৎ করেই দেখা যায়, রাস্তার ধারে রাতের অন্ধকারে সরকারি জায়গা দখল করে শুরু হয় পাকা বাড়ি তৈরির কাজ। অভিযোগ, স্থানীয় এক তৃণমূল নেতা তথা প্রাক্তন পঞ্চায়েত সদস্য শান্তিরাম মালিক রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে নিজেই অন্যের নামে এই বাড়ি তৈরির কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন। এমনকী কেউ প্রতিবাদ করতে গেলে হুমকি দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ। যদিও ঘটনার খোঁজ নিয়ে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণের আশ্বাস দেন আরামবাগের মহকুমা শাসক সুভাষিনী ই।

    স্থানীয় বাসিন্দারা কী বললেন?

    স্থানীয় বাসিন্দাদের বক্তব্য, ওই সরকারি জায়গা দেখিয়ে সজলধারা প্রকল্পের জন্য আবেদন করা হয়েছে। কিন্তু, গ্রামের উন্নয়নমূলক কাজের পরিবর্তে রাজনৈতিক ক্ষমতা বলে সেখানেই তৈরি হচ্ছে নেতার দোকান ঘর। যা কেউ মেনে নিতে পারছেন না। তাই আমরা একজোট হয়ে প্রশাসনের দ্বারস্থ হয়েছি।

    অভিযুক্ত তৃণমূল নেতা কী সাফাই দিলেন?

    অন্যদিকে, সরকারি সম্পত্তি দখল প্রসঙ্গে তৃণমূল নেতা তথা প্রাক্তন পঞ্চায়েত সদস্য শান্তিরাম মালিক বলেন, আমি পেশায় রাজমিস্ত্রী। ওই এলাকার এক ব্যক্তি আমার থেকে জমি বিক্রির টাকা পেত। সেই টাকার পরিবর্তে আমি তাঁকে বাড়ি করে দিচ্ছি। সরকারি জমি দখল করে কেন বাড়ি তৈরি করা হচ্ছে? এই প্রসঙ্গে তিনি বলেন, নিজের নামে আমি কোনও জায়গা দখল করিনি।

    বিজেপি নেতৃত্ব কী বললেন?

    এই প্রসঙ্গে আরামবাগ (Arambagh) সাংগঠনিক জেলা বিজেপির সভাপতি বিমান ঘোষ বলেন, রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে একটা জায়গাকে তিনবার বিক্রি করা, সরকারি সম্পত্তি দখল করা এটা তৃণমূল নেতাদের বৈশিষ্ট্য। আগামী আর কয়েক মাসের মধ্যে তৃণমূল দলটা আর থাকবে না।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Arambagh: তৃণমূলের মদতেই রমরমিয়ে চলছে মাটি-বালি পাচার! আটকালেন বিজেপি বিধায়ক

    Arambagh: তৃণমূলের মদতেই রমরমিয়ে চলছে মাটি-বালি পাচার! আটকালেন বিজেপি বিধায়ক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নদী সংস্কারের নামে কোটি কোটি টাকার বালি ও মাটি তুলে তা রাতের অন্ধকারে পাচার করে দেওয়ার অভিযোগ। আরও অভিযোগ, প্রশাসনের একাংশ এবং তৃণমূলের মদতেই চলছে এই সব বেআইনি কারবার। ঘটনাটি ঘটেছে আরামবাগের (Arambagh) হুগলির খানাকুলের হরিশচক এলাকায়।

    রাতের অন্ধকারে পাচার হয়ে যাচ্ছে বালি ও মাটি (Arambagh)

    জানা গিয়েছে, আরামবাগের (Arambagh) মুন্ডেশ্বরী নদীতে বাঁধ সংস্কারের জন্য নদী খননের কাজ শুরু করে সেচ দফতর। সেই মতো টেন্ডার দেওয়া হয় একটি বেসরকারি ঠিকাদার সংস্থাকে। অভিযোগ, ওই বেসরকারি ঠিকাদার সংস্থার কর্মীরা বাঁধ সংস্কার ও নদী খননের নাম করে নদী থেকে বালি তুলে তা পাচার করে দিচ্ছে। দিনের আলোয় মাটি, বালি মজুত করা হচ্ছে নদী বাঁধের পাশে। আর রাতের অন্ধকারে তা ডাম্পারে ও ট্রাক্টর ,লরি করে অন্য জায়গায় নিয়ে গিয়ে বিক্রি করে দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ।

    তৃণমূলের মদতেই পাচার, সরব বিজেপি বিধায়ক

    আর্থ মুভার দিয়ে কখনও রাতের অন্ধকারে আবার কখনও প্রকাশ্য দিবালোকে নদী থেকে কোটি কোটি টাকার বালি ও মাটি তোলার পর তা গোপনে অন্যত্র পাচার হয়ে যাচ্ছে, এবার এমনই অভিযোগ তুলে সরব হন খানাকুলের বিজেপি বিধায়ক সুশান্ত ঘোষ। আটকে দেওয়া হয় বালি বোঝাই ট্রাক্টর ও লরি। ক্ষোভে ফেটে পড়েন বিধায়ক সহ বিজেপি কর্মী সমর্থক ও স্থানীয় বাসিন্দারা। খানাকুলের বিজেপি বিধায়ক সুশান্ত ঘোষের অভিযোগ, নিয়ম মানা হচ্ছে না এই ঠিকাদার সংস্থার পক্ষ থেকে। বালি দিয়ে বাঁধ মেরামত হচ্ছে না। তাহলে ট্রাক্টরের পর ট্রাক্টর ও লরি লরি বালি যাচ্ছে কোথায়? লক্ষ লক্ষ টাকার বিনিময়ে বিক্রি হয়ে যাচ্ছে এই বালি। প্রশাসনের সমস্ত স্তরে অভিযোগ জানানো হয়েছে। কোনও সঠিক উত্তর মেলেনি। আসলে প্রশাসনের একাংশ ও তৃণমূলের নেতা-কর্মীদের মদতেই এসব হয়েছে।

    ক্ষুব্ধ স্থানীয় বাসিন্দারা

    স্থানীয় বাসিন্দারা বলেন, গাড়ি ও মেশিনের আওয়াজে রাতে ঘুমোতে পারা যায় না। তবে, এলাকার সাধারণ মানুষের প্রশ্ন, যদি বৈধ কোনও কাজই হয় তাহলে তা দিনের আলোয় হয় না কেন? রাতের অন্ধকারে সাধারণ মানুষের অসুবিধা করে কেন বালি তোলার কাজ হবে?

    মহকুমা শাসক কী বললেন?

    আরামবাগ (Arambagh) মহকুমা শাসক সুভাষিনী বলেন, নদী বাঁধের কাজের জন্য কয়েক জায়গায় খননের অনুমতি দেওয়া হয়েছে। কিন্তু নদী থেকে তোলা ওই বালি বিক্রি হচ্ছে কি না, তা খতিয়ে দেখে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Arambagh: সংখ্যালঘু এলাকায় বেহাল রাস্তা সারায়নি তৃণমূল, তারপর কী হল জানেন?

    Arambagh: সংখ্যালঘু এলাকায় বেহাল রাস্তা সারায়নি তৃণমূল, তারপর কী হল জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দীর্ঘ ১৫ বছর পার হয়ে গেলেও হাল ফেরেনি গ্রামের ২ কিমি কাঁচা রাস্তার। এক হাঁটু কাদা পেরিয়েই তিনটি গ্রামের বাসিন্দাদের এই রাস্তা দিয়ে যাতায়াত করতে হয়। এই চিত্র আরামবাগের (Arambagh) গৌরহাটি-১ নং পঞ্চায়েতের সাঁপড়োজোল গ্রামের। এই গ্রামে ঢোকে না কোনও অ্যাম্বুল্যান্স, অসুস্থ রোগীকে নিয়ে যেতে ভরসা সেই খাটিয়া। এমনই অভিযোগ বাসিন্দাদের। এলাকাটি সংখ্যালঘু অধ্যুষিত। তৃণমূল পঞ্চায়েতকে বার বার বলেও কোনও কাজ হয়নি। তাই, এবার ভোট বয়কটের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। পাশাপাশি, বেহাল রাস্তা সংস্কার করার জন্য তৃণমূলের উপর নির্ভর না করে গ্রামবাসীরা নিজেরাই কোদাল হাতে রাস্তা মেরামতির কাজে হাত লাগান।

    ঠিক কী অভিযোগ? (Arambagh)

    আরামবাগের (Arambagh) গৌরহাটির সাঁপড়োজোল থেকে বেয়ুড় গ্রাম প্রায় ২ কিলোমিটার রাস্তা। প্রায় ১৫ বছর ধরে রাস্তাটি বেহাল অবস্থা। তিনটি গ্রামের মানুষের ভরসা এই রাস্তা। যার ফলে যতদিন পেড়িয়েছে, ততই খারাপ হয়েছে রাস্তার হাল। বর্ষা ছাড়াও বৃষ্টি হলেই রাস্তায় এক হাঁটু সমান কাদা পেরিয়ে যাতায়াত করতে হয় বলে অভিযোগ। এলাকার মানুষের অভিযোগ, এই রাস্তায় কোনও গাড়ি চলাচল করা যায় না। বেশিরভাগ সময় কাদা পেরিয়ে, সাইকেল কাঁধে নিয়ে পার হতে হয়। ছাত্র ছাত্রীদের স্কুলে যেতে চরম অসুবিধা হয়। গ্রামে ঢোকেনা অ্যাম্বুল্যান্স। অসুস্থ রোগীদের খাটিয়া করে হাসপাতালে নিয়ে যেতে হয়।  সম্প্রতি ওই রাস্তায় কৃষি কাজে ট্রাক্টর ঢোকায় ফেটে যায় জলের পাইপ। তার জেরে জলমগ্ন হয়ে যায় রাস্তা। গর্ত হয়ে যায় রাস্তা। তারপরও রাস্তা সংস্কারে তৃণমূল পঞ্চায়েত এগিয়ে আসেনি। তাই, গ্রামের বাসিন্দারা নিজেরাই নিজেদের রাস্তা মেরামতের কাজের উদ্যোগ গ্রহণ করেন।

    তৃণমূল নেতৃত্ব কী বললেন?

    এবিষয়ে তৃণমূলের স্থানীয় পঞ্চায়েত সমিতির সদস্য তথা আরামবাগ পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি শিশির সরকার বলেন, আমি আগে ওই রাস্তা সংস্কারের কাজ করেছি। পঞ্চায়েতকে মোড়াম করার জন্য বলেছিলাম, তা করেছে কি না তা আমি জানি না। তবে, এবারে পথশ্রীর জন্য ওই রাস্তার নাম পাঠিয়েছি।

    বিজেপি নেতৃত্ব কী বললেন?

    এবিষয়ে আরামবাগ (Arambagh) সাংগঠনিক জেলা বিজেপির সভাপতি বিমান ঘোষ বলেন, ওই এলাকায় আমি গিয়েছিলাম। ওই কাঁচা রাস্তা একেবারেই বেহাল দশা। এলাকায় বহু সংখ্যক সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মানুষ বসবাস করেন। এতদিন শুধু তৃণমূল কংগ্রেসকেই ভোট দিয়ে এসেছেন। অন্য দলকে ভোট দেয় নি। তৃণমূল দল কেমন তা ওরা এখন বুঝতে পারছেন। একবার বিজেপিকে ভোট দিয়ে রাস্তা সংস্কার হয় কি না দেখুক।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share