Tag: Arambagh

Arambagh

  • Arambagh: গ্রামের রাস্তায় গাড়ি নিয়ে যেতে তৃণমূল পঞ্চায়েতকে দিতে হচ্ছে টোল ট্যাক্স, ক্ষোভ

    Arambagh: গ্রামের রাস্তায় গাড়ি নিয়ে যেতে তৃণমূল পঞ্চায়েতকে দিতে হচ্ছে টোল ট্যাক্স, ক্ষোভ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জেলা পরিষদের রাস্তায় টোল আদায় করছে তৃণমূল পরিচালিত গ্রাম পঞ্চায়েত। আর সেই টোল নেওয়ার প্রতিবাদেই সরব হয়েছেন গাড়িচালক ও মালিকরা। ঘটনাটি ঘটেছে আরামবাগের (Arambagh) তিরোল পঞ্চায়েত এলাকায়। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক মহলে চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে।

    ঠিক কী অভিযোগ? (Arambagh)  

    আরামবাগের (Arambagh) তিরোল পঞ্চায়েত এলাকায় শিয়ালি থেকে বাইশ মাইল পর্যন্ত দীর্ঘ ৬-৭ কিলোমিটার রাস্তা তৈরি করে হুগলি জেলা পরিষদ। কিন্তু, হঠাৎ করেই সেই রাস্তায় গাড়ি চলাচল করার জন্য বসানো হয় গ্রাম পঞ্চায়েতের টোল ট্যাক্স। এই রাস্তা দিয়ে চলাচল করে বিভিন্ন যানবাহন। অভিযোগ, বালির ট্রাক্টর, ধানের গাড়ি সহ মাল বোঝাই গাড়ি থেকে নেওয়া হচ্ছে ১০০ টাকা করে টোল ট্যাক্স। কিন্তু, এখানেই গাড়ি মালিক ও চালকদের আপত্তি। তাঁদের বক্তব্য, গাড়ির জন্য সরকারকে ট্যাক্স দেওয়ার পরেও আবার কেন ট্যাক্স দিতে হবে? তাছাড়াও জেলা পরিষদের রাস্তায় কেন পঞ্চায়েত তাদের ইচ্ছা মতো ট্যাক্স নেবে? সেই সব অভিযোগ তুলে তিরোল পঞ্চায়েতের মাদরা এলাকায় বেশ কয়েকবার এই টোল বসানোর পরে পঞ্চায়েতের ওই টোল কর্মীদের ঘিরে বিক্ষোভ দেখান তাঁরা। যার জেরে ওই রাস্তায় গাড়ি চলাচল বন্ধ রাখেন গাড়ির মালিকেরা। তাঁদের দাবি, যতক্ষণ পর্যন্ত এই জোরজুলুম বন্ধ না হচ্ছে, ততক্ষণ পর্যন্ত রাস্তা গাড়ি চলাচল বন্ধ থাকবে। যদিও পরে খবর পেয়ে আরামবাগ থানার পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি সামাল দেয়।

    পঞ্চায়েত প্রধান কী সাফাই দিলেন?

    তিরোল পঞ্চায়েতের প্রধান বিলকিস বেগম বলেন, ওই রাস্তা জেলা পরিষদের হলেও রক্ষণাবেক্ষণ করে পঞ্চায়েত। তাই ওই রাস্তা মেরামতের জন্য সমস্ত নিয়ম মেনেই টোল নেওয়া হচ্ছে। কোনও বেআইনি কাজ করা হচ্ছে না।

    বিজেপি নেতৃত্বের কী বক্তব্য?

    এই ঘটনা প্রসঙ্গে বিজেপির আরামবাগ (Arambagh) সাংগঠনিক জেলার সভাপতি বিমান ঘোষ বলেন, জেলা পরিষদের রাস্তায় উপর টোল বসানোর কোনও আইন নেই। এটা সম্পূর্ণ বেআইনি। এটা তোলা তোলার একটি কল। এটা কোনও পঞ্চায়েত টোল বসায়নি। এই টোল বসিয়েছেন পঞ্চায়েতের প্রধান। ব্যক্তিগতভাবে তোলা তোলার জন্য এসব করা হয়েছে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Arambagh: এ যেন পাকা ধানে মই! জলমগ্ন বিঘার পর বিঘা চাষের জমি, মাথায় হাত চাষিদের

    Arambagh: এ যেন পাকা ধানে মই! জলমগ্ন বিঘার পর বিঘা চাষের জমি, মাথায় হাত চাষিদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অকাল বৃষ্টির পর এবার ক্যানেলে হঠাৎ ছাড়া জল। যার জেরে জলমগ্ন বিঘার পর বিঘা চাষের ধান জমি। ব্যাপক ক্ষতির আশঙ্কা ফসলের। যার জেরেই ক্ষোভ জমছে চাষিদের মধ্যে। একদিকে হঠাৎ জল ছাড়ায়, অন্যদিকে ক্যানেল সংস্কার না করায় এই পরিস্থিতি বলে অভিযোগ কৃষকদের। যদিও তাদের কোনও গাফিলতি নয়, পাল্টা সেচ দফতরের উপর দায় চাপিয়েছে তৃণমূল পরিচালিত আরামবাগ (Arambagh) পৌরসভা। ঘটনাটি ঘটেছে এই পৌরসভার ১০ নং ওয়ার্ডের বাদলকনা এলাকায়।

    চাষিরা কী বললেন? (Arambagh)

    আরামবাগের (Arambagh) বাদলতনা এলাকার মাঠের উপর দিয়েই বয়ে গেছে ক্যানেল ও খাল। একটি খাল রক্ষনাবেক্ষণ করে আরামবাগ পৌরসভা, আর অপরটি সেচ দফতর। কিন্তু, কৃষকদের অভিযোগ, দুটি ক্যানেল দীর্ঘ দিন ধরেই সংস্কার হয়নি। আবর্জনায় মজে গেছে। তার জেরেই জল নিকাশি হয় না ঠিক মতো। আর সেই কারণেই জমিতে ক্যানেলের জল উপচে ঢুকছে। মাঠের অর্ধেক ফসল তোলা হয়নি। জলমগ্ন হয়ে পরেছে ধান জমিতে। জলমগ্ন জমি থেকে ধান ছেঁকে পাড়ে তুলছেন। চাষিদের বক্তব্য, ফসলের এত বড় ক্ষতির দায় কে নেবে। ফসল নষ্ট হয়ে গেলো ঋণ শোধ হবে কী করে? জলপাওয়া ধান বাজারে বিক্রি করতে গেলে বাজার মূল্য অনেক কম হবে। ফসলের এই ক্ষতি পূরণের জন্য সরকার যদি কোনও ব্যবস্থা গ্রহণ না করে তাহলে আত্মহত্যার পথ বেছে নিতে বাধ্য হব। কৃষকদের প্রশ্ন, পৌরসভা হোক বা সেচ দফতর কেন এতদিন ধরে খাল সংস্কার করেনি? কেনই বা হঠাৎ করে মাঠের ধান ওঠার আগেই জল ছেড়ে দেওয়া হল? এই ক্ষতিপূরণ কে দেবে?

    ডিভিসি-কে দায়ী করল পুর কর্তৃপক্ষ

    আরামবাগ (Arambagh) পৌরসভার চেয়ারম্যান সমীর ভান্ডারী বলেন, জমিতে জল ঢোকার জন্য ডিভিসি দায়ী। কাউকেই না জানিয়ে ডিভিসি জল ছেড়ে দেওয়ায় এই বিপত্তি হয়েছে। পাশাপাশি পৌরসভার রক্ষনাবেক্ষনে যে খাল রয়েছে তাও সংস্কার করার কাজ চলছে।

    বিজেপি নেতৃত্বের কী বক্তব্য?

    এ বিষয়ে আরামবাগ (Arambagh) সাংগঠনিক জেলা বিজেপির সভাপতি বিমান ঘোষ বলেন, সব জায়গাতেই তো কাটমানি খাচ্ছে শাসক দলের নেতা-নেত্রীরা। এখানেও হয়তো কোনও ঘটনা ঘটেছে যার জেরে খাল সংস্কার হয়নি। আমরা ক্ষমতায় আসার পর অন্নদাতা কৃষকদের জন্য কোনও সমস্যা রাখবো না।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Uttarkashi Tunnel Collapse: ফোনে ছেলের গলা শুনেও উদ্বেগ কাটছে না আরামবাগের দুই পরিবারে

    Uttarkashi Tunnel Collapse: ফোনে ছেলের গলা শুনেও উদ্বেগ কাটছে না আরামবাগের দুই পরিবারে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উত্তরাখণ্ডের উত্তরকাশিতে সুড়ঙ্গ ধসে (Uttarkashi Tunnel Collapse) আটকে থাকা ছেলের সঙ্গে কথা বলে কিছুটা স্বস্তি ফিরলেও উদ্ধার না হওয়া পর্যন্ত উদ্বেগ কাটছে না দুই পরিবারে। প্রায় ১২ দিন পার হয়ে গেলেও এখনও উত্তরাখণ্ডের উত্তরকাশিতে ধসের জেরে সুড়ঙ্গের মধ্যে আটকে রয়েছেন ৪১জন শ্রমিক। তারমধ্যে আছে হুগলির আরামবাগ মহকুমার দুই যুবক। একজন পুরশুড়ার থানার নিমডাঙ্গির বাসিন্দা জয়দেব প্রামাণিক, অন্যজন পুরশুড়ার হরিনাখালির বাসিন্দা সৌভিক পাখিরা। তবে, উদ্ধারের কাছাকাছি পৌঁছানোর পরও তাঁদের এখনও উদ্ধার করা সম্ভব না হওয়ায় উদ্বেগে রয়েছেন পরিবারের লোকজন।

    রাজ্যে কোনও কাজ না পেয়ে বাইরে কাজে যান জয়দেব

    সৌভিক ইলেকট্রিক ইঞ্জিনিয়ার ও জয়দেব সার্ভে ইঞ্জিনিয়ার কাজ করেন। প্রায় দেড় বছর আগে জয়দেব ওই কোম্পানিতে কাজে যোগ দেন। বাড়িতে বাবা তাপস প্রামাণিক ও মা তপসী প্রামাণিক। বাবার ছোট্ট চায়ের দোকান রয়েছে। সেখান থেকেই কোনওরকমে সংসার চলত তাদের। পরিবারের পাশে দাঁড়াতেই এই রাজ্যে কোনও কাজ না পেয়ে বাইরে কাজে যান জয়দেব। কিন্তু, হঠাৎ কাজ চলাকালীন সুড়ঙ্গ ধসে (Uttarkashi Tunnel Collapse) ছেলে আটকে পড়ার খবরে যেন বাবা ও মায়ের বাজ পড়ার মতো পরিস্থিতি হয়।

    ‘আমি ঠিক আছি, তোমরাও ভালো থেকো’, সুড়ঙ্গ (Uttarkashi Tunnel Collapse) থেকে বার্তা জয়দেবের

    ছেলের চিন্তায় একেবারে খাওয়া দাওয়া ছেড়ে দিশেহারা অবস্থা হয়েছিল জয়দেবের মায়ের। দুশ্চিন্তা ও উদ্বিগ্নের মধ্যে দিয়ে দিন কাটাচ্ছিলেন। বুধবার রাত্রে হঠাৎ প্রথমে ছেলের ভয়েস কল রেকর্ডিং শুনে কিছুটা স্বস্তি ফেরে মায়ের ও পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের। যদিও  রাতেই ফোনে মায়ের সঙ্গে কথা বলেন ছেলে জয়দেব। জয়দেব ফোনে মা’কে বলেন, ‘আমি ঠিক আছি, তোমরাও ভালো থেকো, সময়ে খেয়ে নিও ‘ আর ছেলের সেই কথা শুনে মনে স্বস্তি ফেরে বাবা ও মায়ের।

    বৃহস্পতিবারও পরিবারের সঙ্গে কথা বলেন সৌরভ

    সৌভিকের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পেরে স্বস্তি ফিরেছে পরিবারে। সৌভিকের বাবা অসিত পাখিরা  পেশায় চাষি। মা লক্ষ্মী পাখিরা গৃহবধূ। সৌভিক কলকাতার আশুতোষ কলেজ থেকে ইলেকট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং নিয়ে পড়াশোনা করে উত্তরাখণ্ডে ওই কোম্পানিতে কাজে যোগ দিয়েছিলেন। পুজোর সময় বাড়ি ফিরে দশ দিন ছুটি কাটিয়ে আবারও কাজে ফিরে যান। কাজে যোগ দেওয়ার চার দিন পরেই এই দুর্ঘটনা ঘটে টানেলের (Uttarkashi Tunnel Collapse) মধ্যে আটকে পড়েন। বুধবারের পর বৃহস্পতিবারও উত্তরাখন্ড থেকে ফোনে সৌভিক তাঁর মায়ের সঙ্গে কথা বলেন।  পরিবারের সকলে কেমন আছেন তা তিনি জানতে চান। হাসতেও শোনা যায় সৌভিককে। তারপরেই সৌভিকের মা অনেকটাই মনোবল ফিরে পান। তবে, সৌভিকের  মা চাইছেন, সকলকে যেন সুস্থ অবস্থায় উদ্ধার করা হয়।

    সৌভিকের বাড়িতে পুজোর আয়োজন করা হয়

    শুধু সময়ের অপেক্ষা করছেন দুই বাড়ির ছেলে কখন বাড়ি ফিরবে। ছেলের মঙ্গলকামনায় বৃহস্পতিবার বাড়িতে পুরোহিত দিয়ে পূজা অর্চনা করলেন সৌভিকের মা লক্ষীদেবী। যদিও এখনও উৎকণ্ঠায় রয়েছে  দুই পরিবারই ও প্রতিবেশীরা। কবে তাদের ছেলে সহ আটকে থাকা সকলকেই  উদ্ধার করা সম্ভব হবে তার আশায় দিন কাটাচ্ছেন।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Uttarkashi Tunnel Collapse: উত্তরকাশীর সুড়ঙ্গ ধসে আটকে বাংলার তিন যুবক, উদ্বেগে পরিবার

    Uttarkashi Tunnel Collapse: উত্তরকাশীর সুড়ঙ্গ ধসে আটকে বাংলার তিন যুবক, উদ্বেগে পরিবার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভিন রাজ্যে কাজ করতে গিয়ে উত্তরাখণ্ডের কাশীতে টানেলের (Uttarkashi Tunnel Collapse) ভিতরে দুর্ঘটনার কবলে পড়ে আটকে পড়েছেন হুগলির আরামবাগের পুরশুড়ার দুই যুবক। তাঁদের নাম সৌভিক পাখিরা এবং জয়দেব প্রামাণিক। সৌভিকের বাড়ি পুরশুড়া থানার হরিণাখালি গ্রামে। আর জয়দেব নিমডাঙ্গির বাসিন্দা। আটদিন ধরে তাঁরা আটকে থাকায় পরিবারের লোকজন উদ্বিগ্ন।

    পুজোর ছুটিতে বাড়ি এসেছিলেন (Uttarkashi Tunnel Collapse)

    পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, সৌভিক কলকাতার আশুতোষ কলেজ থেকে ইলেকট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে ডিপ্লোমা করে একটি বেসরকারি কোম্পানির চাকরিতে যোগ দেন উত্তরাখণ্ডে। ৯ মাস আগে ওই কোম্পানির চাকরি করতে যান তিনি। পুজোর ছুটিতে তিনি বাড়িতেও এসেছিলেন। ছুটি কাটিয়ে আবার ফিরে যান কাজে। উত্তরাখণ্ডে পাহাড়ের ভিতর দিয়ে ট্যানেলের মাধ্যমে রাস্তা তৈরির কাজ চলছিল। সেখানেই কাজ করছিলেন সৌভিক ও জয়দেব। কাজ চলাকালীন পাহাড়ে ধস নেমে ট্যানেলের (Uttarkashi Tunnel Collapse) মুখ বন্ধ হয়ে গিয়ে আটকে পড়েন সৌভিক ও জয়দেব। তারপর উদ্ধারকার্য শুরু হয়েছে বলে পরিবারের লোকজন জানতে পারেন। কিন্তু কোনওভাবেই সৌভিক ও জয়দেবের সঙ্গে পরিবারের লোকজন যোগাযোগ করতে পারেননি।

    পরিবারের লোকজনের কী বক্তব্য?

    সৌভিকের মা লক্ষ্মী পাখিরা বলেন, গত ১১ নভেম্বর রাতে সৌভিকের সঙ্গে শেষ কথা হয়েছিল। তারপর থেকে আর কোনও যোগাযোগ করা যায়নি। ট্যানেলে (Uttarkashi Tunnel Collapse) আটকে রয়েছে। অক্সিজেন ও খাবার পাঠিয়েছে। ওখানে থাকা লোকেদের সঙ্গে ওয়াকিটকির মাধ্যমে তাদের কথাবার্তা হয়েছে বলেই জানতে পেরেছি। জয়দেবের পরিবারের লোকজনের বক্তব্য, জয়দেবের কোম্পানির কর্মকর্তাদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখা হয়েছে। তবে, জয়দেবের খোঁজ মেলেনি। সুস্থ আছে বলে জানতে পেরেছি। দিল্লি থেকে নতুন মেশিন নিয়ে এসে বসানো হয়েছে, যাতে খুব তাড়াতাড়ি তাদের উদ্ধার করা সম্ভব হয়।

    কোচবিহারের যুবকও আটকে 

    আরামবাগের মতো কোচবিহারের মানিক তালুকদার নামে এক যুবকও ট্যানেলের (Uttarkashi Tunnel Collapse) ভিতরে আটকে রয়েছেন। তাঁর বাড়ি তুফানগঞ্জের চেকাডরা গেরগেন্দার এলাকায়। পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, ৬ মাস আগে তিনি কাজ করতে গিয়েছিলেন। পরিবারের লোকজনের বক্তব্য, ১১ নভেম্বর শেষ কথা হয়েছিল। এখন কেমন আছে তা বুঝতে পারছেন না। কেউ খোঁজ দিলে খুব ভাল হয় বলে তাঁরা জানিয়েছেন।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Arambagh: রাজ্য নেতৃত্বের সামনে বৈঠকের মধ্যে তুমুল বিক্ষোভ, তৃণমূলের গোষ্ঠী কোন্দল তুঙ্গে

    Arambagh: রাজ্য নেতৃত্বের সামনে বৈঠকের মধ্যে তুমুল বিক্ষোভ, তৃণমূলের গোষ্ঠী কোন্দল তুঙ্গে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের তৃণমূলের গোষ্ঠী দ্বন্দ্ব প্রকাশ্যে। এবার তৃণমুল নেতা জয়প্রকাশ মজুমদারের সামনেই গোষ্ঠীদ্বন্দ্বে জড়িয়ে পড়লেন তৃণমূলেরই দুই গোষ্ঠীর নেতা কর্মীরা। বৃহস্পতিবার ঘটনাটি ঘটেছে আরামবাগের (Arambagh) খানাকুলে। এই ঘটনায় রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়়েছে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Arambagh)

    স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, খানাকুল-১ তৃণমূল ব্লক সভাপতি বনাম পঞ্চায়েত সমিতির সহ-সভাপতির অনুগামীদের দ্বন্দ্বের জেরে বারবার অস্বস্তিতে পড়তে হচ্ছে জেলা থেকে রাজ্য নেতৃত্বকে। বৃহস্পতিবারও একই ঘটনার পুনরাবৃত্তি হয় বলে কর্মীসভায়। দলীয় কর্মসূচিতে খানাকুলে যোগ দেন তৃণমূল নেতা জয়প্রকাশ মজুমদার,আরামবাগ (Arambagh) সাংসদ অপরুপা পোদ্দার। আর সেখানেই রাজ্য নেতৃত্বের সামনে চরম বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হয়। এক গোষ্ঠীর লোকজন অপর গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে দুর্নীতি ও দলবিরোধীর অভিযোগ তুলে সরব হন। মিটিংয়ের মধ্যে তুমুল বচসা হয়। পরে, রাজ্য নেতৃত্বের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি সামাল দেওয়া হয়। এই ঘটনায় আবারও অস্বস্তিতে পড়ল আরামবাগ সাংগঠনিক জেলা তৃণমূল কংগ্রেস। রাজ্য নেতৃত্ব চরম অস্বস্তিতে পড়ে যায়।

    তৃণমূল নেতৃত্বের কী বক্তব্য?

    খানাকুল ১ নং ব্লকের যুব তৃণমূলের কার্যকরী সভাপতি মাসাদুল মল্লিকের অভিযোগ,  পঞ্চায়েত সমিতির সহ সভাপতি নঈমূল হক নিজের ইচ্ছামত কাজ করছে। টাকার বিনিময়ে কর্মাধ্যক্ষ বন্টন করেছে। পাশাপাশি কখনও তৃণমূল আবার কখনো বিজেপিতে যোগ দিয়ে দলের ভাবমূর্তি নষ্ট করছে। যদিও  পঞ্চায়েত সমিতির সহ-সভাপতি এবিষয়ে কোনও মন্তব্য করতে চাননি। তৃণমূলের রাজ্য নেতা জয়প্রকাশ মজুমদার বলেন, কোনও বিশৃঙ্খলা হয়নি। অল্প বাকবিতন্ডা হয়েছে।

    বিজেপি নেতৃত্ব কী বললেন?

    যদি এই ঘটনায় আরামবাগ (Arambagh) সংগঠনিক জেলা বিজেপির সভাপতি বিমান ঘোষ বলেন, যখন জয়প্রকাশবাবু নির্বাচনের লড়াই করেছিলেন তখন তাঁর পিছনে লাথিটা মেরেছিল তৃণমূল। এই দলটার থেকে এর থেকে বেশি কিছু আশা করা যায় না। কাটমানি,কোন্দল নিয়ে তৃণমূল।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Arambagh: কয়লা, গরুর পর বালি! অবৈধ খাদানে দিনের আলোয় চলছে মাফিয়ারাজ

    Arambagh: কয়লা, গরুর পর বালি! অবৈধ খাদানে দিনের আলোয় চলছে মাফিয়ারাজ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গরু, কয়লার পর চলছে বালি চুরি। আরামবাগ মহকুমা (Arambagh) জুড়ে বেআইনিভাবে অবৈধ বালি খাদানগুলি থেকে লুট হচ্ছে বালি। মেয়াদ ফুরিয়ে যাওয়া বালিখাদানগুলি সরকারিভাবে প্রশাসন বন্ধ করে দিলেও, বালি চুরি বেড়েই চলেছে দিনের পর দিন। আরামবাগের মহকুমা ভূমি দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, দ্বারকেশ্বর নদ এবং মুণ্ডেশ্বরী নদী মিলিয়ে, মোট বৈধ বালি খাদান রয়েছে ১৪টি। এর মধ্যে ১০টির ইজারার মেয়াদ শেষ হয়ে গিয়েছে। কিন্তু সেই মেয়াদ ফুরিয়ে যাওয়া বালি খাদানগুলি থেকেই অবৈধভাবে বালি তুলছে মাফিয়ারা।

    বালি খাদানে মাফিয়ারাজ (Arambagh)

    প্লাবনের পরে, জল কমতেই আরামবাগ মহকুমার (Arambagh) বিভিন্ন নদ-নদী থেকে বালি চুরি ফের শুরু হয়ে গিয়েছে। টাস্ক ফোর্স গঠন, অভিযান, ধরপাকড়, জরিমানা আদায় কোনও কিছুতেই চুরি আটকানো যাচ্ছে না। মেয়াদ শেষ হয়ে যাওয়া খাদানগুলি থেকে কখনও রাতের অন্ধকারে, আবার কখনও প্রকাশ্য দিবালোকেই চলছে বালি চুরি। নদ-নদী সংলগ্ন গ্রামের বাসিন্দাদের অভিযোগ, ইজারার মেয়াদ উত্তীর্ণ পরেও বিভিন্ন বালিখাদানের মাফিয়ারাজ চলছে।

    নজর নেই প্রশাসনের

    উৎসবের মরশুমে একটানা ছুটির অবকাশে, নদ-নদীগুলিতে এমনিতেই সেভাবে প্রশাসনের (Arambagh) নজরদারি নেই। পুলিশ অবশ্য বিভিন্ন রাস্তায় ‘চেকিং’ চালাচ্ছে। কিন্তু সাধারণ মানুষের প্রশ্ন এখানেই, তাহলে কী করে রাস্তা দিয়ে অবৈধ খাদান থেকে বালি পাচার হচ্ছে? যদিও কয়েক দিন ধরেই রাতে পুলিশ অভিযান চালিয়ে গোঘাটে দ্বারকেশ্বর নদের বিভিন্ন জায়গা থেকে বালি চুরির সঙ্গে যুক্ত কয়েকটি ইঞ্জিন ভ্যান এবং বালি ভর্তি ট্রাক্টর আটক করেছে। ধৃতদের আরামবাগ আদালতে তোলা হলে, ১৪ দিনের জেল হেফাজতের নির্দেশ দেন বিচারক।

    ভূমি দফতরের বক্তব্য

    মহকুমা ভূমি দফতর (Arambagh) সূত্রে জানা গিয়েছে, মহকুমায় মোট বৈধ বালি খাদান ১৪টি। এর মধ্যে ১০টির ইজারার মেয়াদ শেষ হয়ে গিয়েছে। বাকি চারটি ইজারার মেয়াদ আগামী ডিসেম্বর মাসের মধ্যেই শেষ হবে। তবে বালি চুরির ঘটনা অস্বীকার করেনি ভূমি দফতর। এখানকার এসডিপিও অভিষেক মণ্ডল বলেন, “নির্দিষ্ট চালান ছাড়া বালির গাড়ি রাস্তায় পেলেই আমরা আটকাচ্ছি। গত ১৫ দিনে চারটি থানায় ৪টির বেশি মামলা হয়েছে। পুলিশের সক্রিয়তায় চুরি অনেকটাই নিয়ন্ত্রণ হয়েছে।”

    বিজেপির বক্তব্য

    এই প্রসঙ্গে আরামবাগ (Arambagh) সাংগঠনিক জেলা বিজেপির সভাপতি বিমান ঘোষ বলেন, “মাফিয়ারাজ চলছে সারা রাজ্য জুড়ে, আরামবাগেও এর প্রভাব পড়েছে। তৃণমূল সরকার ক্ষমতায় আসার পর থেকেই এই মাফিয়াদের বার-বাড়ন্ত হয়েছে। রাজস্ব কর ফাঁকি দিয়ে, কোটি কোটি টাকার সরকারি সম্পত্তি চুরি হয়ে যাচ্ছে। প্রশাসন সব জেনেও চুপ করে আছে। ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে মানুষের যোগ্য জবাব দেবে।”  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: ‘সেচমন্ত্রী থাকাকালীন বন্যা নিয়ন্ত্রণে আরামবাগের জন্য কাজ করতে দেয়নি’, বিস্ফোরক শুভেন্দু

    Suvendu Adhikari: ‘সেচমন্ত্রী থাকাকালীন বন্যা নিয়ন্ত্রণে আরামবাগের জন্য কাজ করতে দেয়নি’, বিস্ফোরক শুভেন্দু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জলমগ্ন পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে খানাকুল ও পুরশুড়া এলাকা পরিদর্শনে যান রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। কোথাও দুর্গতদের সঙ্গে দেখা করে তাদের অভাব অভিযোগ শোনেন, আবার কোথাও ত্রাণ সামগ্রী তুলে দেন দুর্গতদের হাতে। আর এর মাঝেই বন্যা দুর্গতদের প্রতি বঞ্চনা করা হচ্ছে বলে রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে অভিযোগ তোলেন তিনি।

    বন্যা নিয়ে রাজ্য সরকারকে তোপ বিরোধী দলনেতার (Suvendu Adhikari)

    এদিন প্রথমে পুরশুড়ার দিগরুই ঘাট এলাকায় যান তিনি। সেখানে দুর্গতদের হাতে ত্রাণ সামগ্রী তুলে দেওয়ার পর খানাকুলের হানুয়া এলাকায় যান তিনি। সেখানেও পথসভা পাশাপাশি দুর্গতদের হাতে ত্রাণ সামগ্রী তুলে দেন তিনি। পাশাপাশি জলমগ্ন এলাকায় গিয়ে জলে নেমে জলবন্দি মানুষদের সঙ্গেও কথা বলন। বিরোধী দলনেতার (Suvendu Adhikari) অভিযোগ, রাজ্য সরকার চায় খানাকুল ও পুরশুড়ায় বন্যা হোক। কোটি কোটি টাকা বাঁধ সংস্কারে খরচ না করে ভোটের সময় মানুষের হাতে অল্প টাকা তুলে দিলেই ভোট পাবে বলে মনে করে বর্তমান শাসক দল। আর সেই কারণেই কোথাও কোনও সংস্কার হয়নি বলে অভিযোগ করেন তিনি। এমনকী এই দুর্যোগে রাজ্য নেতাদের কারও দেখা নেই বলে অভিযোগ করেন তিনি। তিনি বলেন, তৃণমূল সাংসদ খানাকুলে বন্যা মানুষদের বিস্কুট দিতে গিয়েছিলেন সেখানের লোক তাকে তাড়া করেছিলেন।

    মমতা-অভিষেককে নিয়ে কী বললেন শুভেন্দু? (Suvendu Adhikari)

     আরামবাগের পুরশুড়ার দিগড়ুইঘাটে বন্যা কবলিত দুর্গতদের সঙ্গে দেখা করতে এসে বিরোধী দোলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) নাম না করে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে কটাক্ষ করে বলেন, আমাকে সিবিআই যখন ডেকেছিল আমি গিয়েছিলাম, কিন্তু, ভাইপোর মতো হাইকোর্টে আমি যাইনি। তিনি আরও বলেন, মুখমন্ত্রীর অনেক হেলিকপ্টার আছে তাও তিনি একবারও বন্যা দুর্গতদের দেখতেও আসেননি। এছাড়াও আমি সেচমন্ত্রী থাকাকালীন আমাকে বন্যা নিয়ন্ত্রণে আরামবাগ মহকুমার জন্য কিছু কাজ করতে দেয়নি। মূলত, নাম না করে মুখ্যমন্ত্রীকে তিনি আক্রমণ করলেন। রাজ্য সরকার ভোট পাওয়ার জন্য ইচ্ছে করেই আরামবাগে নদীগুলি নিয়ে কিছু কাজ করেনি বলে অভিযোগ করেন তিনি। এছাড়াও বন্যা দুর্গতদের সঙ্গে কথা বলে তাদের জিজ্ঞাসা করেন, সরকারি কোনো সাহায্য পেয়েছেন কিনা।

     

     দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Arambagh: বিজেপিকে জেতানোর অপরাধ! কেটে দেওয়া হল বাঁশের সাঁকো, অভিযুক্ত তৃণমূল

    Arambagh: বিজেপিকে জেতানোর অপরাধ! কেটে দেওয়া হল বাঁশের সাঁকো, অভিযুক্ত তৃণমূল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কয়েক মাস আগেই আরামবাগে বিজেপি কাউন্সিলারের ওয়ার্ড বলে রাস্তা সংস্কার না করার অভিযোগ উঠেছিল তৃণমূলের বিরুদ্ধে। বুধবার রাতে বনগাঁয় বিজেপি করার অপরাধে এক দলীয় কর্মীর উপর হামলা এবং ছেলে বাঁচাতে গিয়ে খুন হন মা। নৃশংস এই ঘটনায় অভিযুক্ত তৃণমূল। এসব ঘটনার মধ্যে এবার পঞ্চায়েতে বিজেপিকে ভোট দেওয়ার কারণে যোগাযোগের বাঁশের সাঁকো কেটে দেওয়ার অভিযোগ উঠল তৃণমূলের বিরুদ্ধে। চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটেছে আরামবাগের  (Arambagh) খানাকুল-২ ব্লক এলাকার নতিবপুর-১ ও ২ পঞ্চায়েত এলাকায়। যা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে।

    ঠিক কী অভিযোগ? (Arambagh)

    পঞ্চায়েত নির্বাচনে আরামবাগের (Arambagh) খানাকুল-২ ব্লক এলাকার নতিবপুর-১ পঞ্চায়েতে তৃণমূল জয়লাভ করে। নতিবপুর-২ পঞ্চায়েত দখল করে বিজেপি। এই দুই গ্রামপঞ্চায়েতের মাঝখান দিয়ে বয়ে গিয়েছে মুণ্ডেশ্বরী নদী। তার উপরই বাঁশের সাঁকো। সেই সাঁকো রাতের অন্ধকারে নদীতে জল বাড়ার সুযোগ নিয়ে ভেঙে দেওয়া হয়েছে। সেই সাঁকোই করাত দিয়ে কেটে দেওয়ার অভিযোগ উঠল শাসকদলের স্থানীয় নেতা- কর্মীদের বিরুদ্ধে। খানাকুলের বালিগোড়ি গ্রামে এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে ক্ষোভে ফুঁসছেন এলাকার লোকজন। বিজেপিকে ভোট দেওয়ার কারণে এমনটা ঘটানো হয়েছে বলে দাবি এলাকাবাসীর। ঘটনাস্থলে যান বিজেপির বিধায়ক। এলাকা ঘুরে তিনিও তৃণমূলকে কাঠগড়ায় তোলেন। স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, গ্রামের মানুষ যাতায়াত করতে পারছেন না। বুড়ো-বাচ্চাদের নিয়ে আরও সমস্যা হচ্ছে।

    কী বললেন বিজেপি নেতৃত্ব?

    খানাকুলের বিজেপি বিধায়ক সুশান্ত ঘোষ বলেন, এখানে বিজেপির পঞ্চায়েত। মানুষের কাছে ভুল বার্তা দিতেই এসব করছে। স্থানীয় কিছু তৃণমূল নেতাও তাতে জড়িত রয়েছে। রাতের অন্ধকারে ব্রিজের একটা অংশ কেটে দেওয়া হয়। আর তার জেরেই জলের হালকা স্রোতে বাকিটা ভেসে যায়। আমিও ওখানে গিয়ে দেখেছি, চারপাশে কাঠের গুঁড়ো ছড়ানো। মেশিন দিয়ে ওই ব্রিজটি কাটা হয়েছে। খানাকুল থানার ওসিকে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য জানিয়েছি।

    কী বললেন তৃণমূল নেতৃত্ব?

    তৃণমূলের ব্লক সম্পাদক বিপ্লব লহরী বলেন, সুশান্ত ঘোষ এটা নিয়ে রাজনীতি করছেন। আসলে ব্রিজটি ভগ্নপ্রায়ই ছিল। ডিভিসি জল ছেড়েছে। সেই জলের তোড়ে ব্রিজটিকে ভাসিয়ে নিয়ে গিয়েছে। তৃণমূল এসব কেন করতে যাবে? রাজনীতি করতে বিজেপ এসব করছে। তৃণমূল কোনওদিনই এসব চায় না।  

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Arambagh: আরামবাগে গাছ কাটতেও কাটমানি! তৃণমূলের কোন্দলে তালা ঝুলল পার্টি অফিসে

    Arambagh: আরামবাগে গাছ কাটতেও কাটমানি! তৃণমূলের কোন্দলে তালা ঝুলল পার্টি অফিসে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্বে জেরবার আরামবাগ (Arambagh) মহকুমা। এবার গাছ কাটা ও তার ভাগ বাটোয়ারা নিয়ে দ্বন্দ্ব তৃণমূলেরই দুই গোষ্ঠীর। আর তার জেরেই  প্রায় ১০ দিন ধরে বন্ধ অঞ্চলের প্রধান দলীয় কার্যালয়। কার্যালয়ে ঝোলানো হল দু’দুটি তালা। আরামবাগের গোঘাটের হাজিপুরে তৃণমূলের অঞ্চল কার্যালয়ের এমন ঘটনায় রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Arambagh)

    দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, তৃণমূলের নতুন অঞ্চল কমিটি গঠন হওয়ার পর থেকেই দ্বন্দ্ব শুরু হয় আদি বনাম নব্য গোষ্ঠীর মধ্যে। আর ওই অঞ্চলে গাছ কাটাকে কেন্দ্র করে দ্বন্দ্ব একেবারেই প্রকাশ্যে চলে আসে। আর সেই কারণেই কার্যালয়ে তালা ঝুলিয়ে দেওয়া হয় বলে অভিযোগ। দুই গোষ্ঠীর কর্মীরা একে অপরের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলেছে। তৃণমূলের আদি গোষ্ঠীর অভিযোগ, এলাকায় ব্যক্তিগতভাবে কেউ গাছ কাটতে গেলেই অনুমতি লাগবে স্থানীয় অঞ্চল সভাপতি ও তাঁর দুই অনুগামীর। আর সেই অনুমতি পেতে দিতে হবে গাছ বিক্রির একটা অংশ। এমনই দাবি মতো টাকা দিতে পারেননি এলাকারই এক গাছ মালিক শুভেন্দু কুন্ডু। তিনি নিয়ম মত পঞ্চায়েতে ট্যাক্স দিতে চাইলেও তা নেওয়া হয়নি। তাই তার আর গাছ কাটা হয়নি। আদি গোষ্ঠীর লোকজন তার প্রতিবাদ করতে গেলে তাদের উপর মিথ্যা মামলা দেওয়ার হুমকি হচ্ছে। বন্ধ করে দেওয়া হয় দলীয় কার্যালয়। যদিও তাদের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ অস্বীকার করেছেন নতুন দ্বায়িত্ব পাওয়া তৃণমূল অঞ্চল সভাপতি মীর আফসার আলি। তিনি পাল্টা অভিযোগ তোলেন দলের আদি গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে। তিনি বলেন, আমরা কোনও তালা দিইনি। ওরা তালা দিয়েছে। গাছ কাটার জন্য কাটমানি চাওয়ার অভিযোগও ঠিক নয়।

    কোন্দল নিয়ে তৃণমূল নেতৃত্বের কী বক্তব্য?

    গাছ কাটার অনুমতি যেখান থেকে পাওয়া যায় সেই গ্রাম পঞ্চায়েত প্রধান সৌরভ মণ্ডল বলেছেন, আমি এবিষয়ে কোনও মন্তব্য করব না। আর আরামবাগের (Arambagh) গোঘাট ১ নং ব্লক তৃণমূলের সভাপতি অরুণ কেওড়া বলছেন, আমাদের কোনও দ্বন্দ্বই নেই। চাবি  হারিয়ে গিয়েছে বলে বন্ধ কার্যালয়।

    কী বললেন বিজেপি নেতৃত্ব?

    এই ঘটনা সম্পর্কে আরামবাগ (Arambagh) সাংগঠনিক জেলা বিজেপির সভাপতি বিমান ঘোষ বলেন, তৃণমূল যে তোলামূল সেটা বারবার প্রমাণ হয়েছে। সাধারণ মানুষ একটা গাছ কাটবে প্রশাসনের যা নিয়ম আছে সেই নিয়ম মেনে, সেখানেও তোলা দিতে হবে শাসকদলের নেতাদের। মানুষ যাবে কোথায়? সেই টাকাপয়সার ভাগ বাটোয়ারা কমবেশি হওয়ায় দ্বন্দ্ব। তবে, মানুষ বুঝতে পেরেছে এদের ভন্ডামি নাটক। ২০২৪ এ আরামবাগ মহকুমা থেকে তৃণমূল ধুয়েমুছে সাফ হয়ে যাবে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Arambagh: নবজোয়ারের পর আরামবাগে বহু পঞ্চায়েত হাতছাড়া তৃণমূলের, ক্ষমতা দখল বিজেপির

    Arambagh: নবজোয়ারের পর আরামবাগে বহু পঞ্চায়েত হাতছাড়া তৃণমূলের, ক্ষমতা দখল বিজেপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নবজোয়ার কর্মসূচির পর আরামবাগ (Arambagh) মহকুমায় পঞ্চায়েত নির্বাচনে নতুন করে শক্তি বাড়িয়েছে বিজেপি। আর গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের জেরে দুর্বল হয়ে পড়েছে তৃণমূল। তৃণমূলের দখলে থাকা পঞ্চায়েত সমিতি দখল করেছে বিজেপি। একাধিক গ্রাম পঞ্চায়েতেও বিজেপি ঝান্ডা উড়েছে। পাশাপাশি তৃণমূল বোর্ড গড়লেও সেখানে পঞ্চায়েতের সদস্য সংখ্যার নিরিখে তৃণমূলকে সমান টক্কর দিয়েছে বিজেপি। ফলে, আরামবাগে যুবরাজের নবজোয়ারের ফানুস অনেকটাই চুপসে গিয়েছে বলে রাজনৈতিক মহল মনে করছে।

    বিধানসভার পর থেকেই আরামবাগে (Arambagh) শুরু হয় বিজেপির জয়যাত্রা

    ২০১৬ সাল থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত এই মহকুমা (Arambagh) শাসক দল তৃণমূলই সব জায়গায় ক্ষমতায় ছিল। গোটা মহকুমা একেবারেই  বিরোধীশূন্য হয়ে পড়ে। এরমধ্যেই গত পঞ্চায়েত নির্বাচন ২০১৮ সালে এই মহকুমাতেই একমাত্র বিরোধী দল হিসাবে জায়গা করে নেয় বিজেপি। তারপর থেকেই ধীরে ধীরে বিজেপির উত্থান শুরু হয়।  ২০১৯ লোকসভা নির্বাচনে মাত্র ১ হাজার ২০০ ভোটে জয়লাভ করেন আরামবাগ লোকসভা কেন্দ্রের তৃণমূল সাংসদ শ্রীমতি অপূর্ব পোদ্দার। তারপর থেকেই আরামবাগে ধীরে ধীরে বাড়তে থাকে বিজেপির সংগঠন। ২০২১সালে আরামবাগ মহকুমার খানাকুল, আরামবাগ, পুরশুড়া, গোঘাট বিধানসভায় বিজেপি জয়লাভ করে। পঞ্চায়েত ভোটের আগে আরামবাগে নবজোয়ার কর্মসূচিতে যোগ দেন যুবরাজ। আরামবাগের ভালিয়া এলাকায় একটি সভাও করেন। এই মঞ্চ থেকেই আরামবাগ মহাকুমার বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজের হাজারো প্রতিশ্রুতি দিয়ে গিয়েছিলেন। এলাকায় বহু সমস্যার সমাধানের জন্য তিনি সাধারণ মানুষকে তৃণমূল কংগ্রেসকে ভোট দেওয়ার কথা বলেছিলেন। কিন্তু, তাতে খুব বেশি লাভ হয়নি। কারণ, যেখানে সুষ্ঠুভাবে ভোট হয়েছে বিজেপি ভাল ফল করেছে। এমনই দাবি বিজেপি নেতৃত্বের।

    আরামবাগে পঞ্চায়েত স্তরে কেমন ফল করেছে বিজেপি?

    ২০১৮ সালে এই মহকুমায় (Arambagh) পঞ্চায়েত স্তরে কোনও গ্রাম পঞ্চায়েত দখল তো দূরের কথা বিজেপির কোনও সদস্যই ছিল না। ২০২৩ সালে পঞ্চায়েত নির্বাচনে সেই চিত্রটাই বদলে গিয়েছে। ২০২৩ সালে এই পঞ্চায়েত নির্বাচনে শুধু পঞ্চায়েত সদস্য নয় একেবারে ত্রিস্তর বিজেপি শক্তিবৃদ্ধি করেছে বিজেপি। পঞ্চায়েত পঞ্চায়েত সমিতি ও জেলা পরিষদে আরামবাগ মহকুমায় মোট ১৫টি গ্রাম পঞ্চায়েত, খানাকুল-২ পঞ্চায়েত সমিতি দখল করেছে। জেলা পরিষদের আরামবাগের খানাকুলে এই প্রথম দুটি আসন পেয়েছে বিজেপি।  খানাকুল-১ গ্রাম পঞ্চায়েতে তৃণমূল বোর্ড গড়লেও ২৩টি আসনের মধ্যে বিজেপির আসন সংখ্যা ১১টি।

    কী বললেন বিজেপি নেতৃত্ব?

    আরামবাগ (Arambagh) সাংগঠনিক জেলার বিজেপির সভাপতি বিমান ঘোষ বলেন, তৃণমূলের যুবরাজ দুর্নীতির টাকায় গরু,কয়লা,বালি সহ অন্যান্য বেআইনি কারবারের টাকায় নবজোয়ার কর্মসূচি করেছিল। তার ফল জিরো হয়েছে। ফলেই তার জ্বলন্ত প্রমাণ। কারণ, এই মহকুমায় যেখানে মানুষ ভোট দিতে পেরেছে সেখানে বিজেপি জয়লাভ করেছে। আগামী লোকসভা নির্বাচনে শুধু আরামবাগ মহকুমা নয়, সারা রাজ্যে বিজেপির খুব ভালো ফল হবে।

    কী বললেন তৃণমূল নেতৃত্ব?

    আরামবাগ (Arambagh) সাংগঠনিক জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের সহ-সভাপতি স্বপন নন্দী বলেন, নবজোয়ারের মাধ্যমে বিজেপির বিভিন্ন দুর্নীতি ও কারচুপি মানুষ বুঝতে পেরেছে। আমাদের যুবরাজ সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় তা মানুষের কাছে তুলে ধরেছিল। বিজেপি কোনও ফ্যাক্টর নয়।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share